📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 বিয়ের খুতবা

📄 বিয়ের খুতবা


খুতবাতুল হাজাহ্ বা জরুরি প্রয়োজনের বক্তব্য

খুতবাতুল হাজাহ্ বা জরুরি প্রয়োজনের বক্তব্য

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে “খুতবাতুল হাজাহ” বা প্রয়োজনের বক্তব্য শিখিয়েছেন (এভাবে) -

إِنَّ الْحَمْدَ لِلَّهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ وَنَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا، مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَا هَادِيَ لَهُ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُّسْلِمُونَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِّن نَّفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ ۚ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًۭا سَدِيدًا يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا

ইন্নাল হামদা-লিল্লা-হ, নাহমাদুহু ওয়া নাসতা’ইনুহু ওয়া নাস্তাগফিরুহু। ওয়া না’উযুবিল্লা-হি মিন শুরুরি আনফুসিনা- ওয়া মিন সায়্যিআ-তি আ’মা-লিনা-। মাইয়াহদিহিল্লা-হু ফালা- মুদিল্লা লাহ, ওয়া মাই ইয়ুদলিল ফালা- হা-দিআ লাহ। আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহু ওয়া রাসূলুহ ইয়া- আইয়্যুহাল্ লাযীনা আ-মানুত্ তাক্বুল্লা-হা ‘হাক্কা তুক্বা-তিহী অলা-তামূতুন্না ইল্লা- ওয়া আন্‌তুম্‌ মুসলিমূন্ ইয়া আইয়্যুহান না-সুত্তাক্বু রব্বাকুমুল্লাযী খালাক্বাকুম্ মিন্ নাফসিন ওয়া-’হিদাতিন ওয়া খালাক্বা মিনহা- ঝাওজ্বাহা- ওয়াবাসসা মিনহুমা- রিজ্বা-লান্ কাছী-রাওঁ ওয়ানিসা-আন্ ওয়াত্তাক্বুল্লা-হাল্লাযী তাসা-আলূনা বিহী ওয়াল্ আরহা’-ম্; ইন্নাল্লা-হা কা-না ‘আলাইকুম্ রাক্বীবা- ইয়া- আয়্যুহাল্লাযীনা আ-মানুত্তাক্বুল্লা-হা ওয়া ক্বুলু ক্বাওলান সাদিদা। ইউস্বলিহ লাকুম আ’মালাকুম ওয়া ইয়াগফিরলাকুম যুনুবাকুম। ওয়ামাই ইউত্বি’ইল্লা-হা ওয়া রাসুলাহু ফাক্বদ ফা-ঝা ফাওঝান ‘আযীমা-

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই, তাঁর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করি; নিজেদের অনিষ্ট থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই, (আশ্রয় চাই) আমাদের কর্মকাণ্ডের অনিষ্ট থেকে। আল্লাহ্‌ যাকে পথ দেখান, তাকে কেউ বিভ্রান্ত করতে পারেনা; তিনি যাকে পথহারা করেন, তাকে কেউ পথ দেখাতে পারেনা। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও ইলাহ নেই; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ (ﷺ) তাঁর দাস ও বার্তাবাহক; ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা আল্লাহ্‌র অসন্তুষ্টিকে যথার্থভাবে এড়িয়ে চলো; তোমাদের মৃত্যু যেন কেবল তখনই আসে, যখন তোমরা থাকবে (আল্লাহ্‌র সামনে) অনুগত। [১] হে মানব-জাতি! তোমাদের রবকে ভয় করো, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন একটি প্রাণ থেকে, আর সেই একই প্রাণ থেকে সৃষ্টি করেছেন তার জোড়া, তারপর তাদের থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন বহু পুরুষ ও নারী; আল্লাহ্‌র অসন্তুষ্টি এড়িয়ে চলো, যাঁর কথা বলে তোমরা পরস্পরের কাছে অধিকার চাও; আর আত্মীয়তা ও নিকট-সম্পর্ক নষ্ট করো না। আল্লাহ্‌ তোমাদের উপর কড়া নজর রাখছেন। [২] ওহে যারা ঈমান এনেছ! আল্লাহ্‌কে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো; তা হলে তিনি তোমাদের কার্যকলাপ ঠিকঠাক করে দেবেন এবং তোমাদের অপরাধসমূহ মাফ করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে বিশাল সাফল্য অর্জন করে। [৩]

রেফারেন্স: [১] সূরা আল ইমরানঃ ৩:১০২ [২] সূরা আন-নিসাঃ ৪:১ [৩] সূরা আল-আহযাবঃ ৩৩:৭০-৭১ [৪] সহীহ। তিরমিযিঃ ১১০৫

এরপর নিজের প্রয়োজনের কথা বলতেন। [৪]

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে “খুতবাতুল হাজাহ” বা প্রয়োজনের বক্তব্য শিখিয়েছেন (এভাবে) -

إِنَّ الْحَمْدَ لِلَّهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ وَنَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا، مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَا هَادِيَ لَهُ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُّسْلِمُونَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِّن نَّفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ ۚ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًۭا سَدِيدًا يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই, তাঁর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করি; নিজেদের অনিষ্ট থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই, (আশ্রয় চাই) আমাদের কর্মকাণ্ডের অনিষ্ট থেকে। আল্লাহ্‌ যাকে পথ দেখান, তাকে কেউ বিভ্রান্ত করতে পারেনা; তিনি যাকে পথহারা করেন, তাকে কেউ পথ দেখাতে পারেনা। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও ইলাহ নেই; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ (ﷺ) তাঁর দাস ও বার্তাবাহক; ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা আল্লাহ্‌র অসন্তুষ্টিকে যথার্থভাবে এড়িয়ে চলো; তোমাদের মৃত্যু যেন কেবল তখনই আসে, যখন তোমরা থাকবে (আল্লাহ্‌র সামনে) অনুগত। [১] হে মানব-জাতি! তোমাদের রবকে ভয় করো, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন একটি প্রাণ থেকে, আর সেই একই প্রাণ থেকে সৃষ্টি করেছেন তার জোড়া, তারপর তাদের থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন বহু পুরুষ ও নারী; আল্লাহ্‌র অসন্তুষ্টি এড়িয়ে চলো, যাঁর কথা বলে তোমরা পরস্পরের কাছে অধিকার চাও; আর আত্মীয়তা ও নিকট-সম্পর্ক নষ্ট করো না। আল্লাহ্‌ তোমাদের উপর কড়া নজর রাখছেন। [২] ওহে যারা ঈমান এনেছ! আল্লাহ্‌কে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো; তা হলে তিনি তোমাদের কার্যকলাপ ঠিকঠাক করে দেবেন এবং তোমাদের অপরাধসমূহ মাফ করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে বিশাল সাফল্য অর্জন করে। [৩]

রেফারেন্স: [১] সূরা আল ইমরানঃ ৩:১০২ [২] সূরা আন-নিসাঃ ৪:১ [৩] সূরা আল-আহযাবঃ ৩৩:৭০-৭১ [৪] সহীহ। তিরমিযিঃ ১১০৫

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 বিবাহ পরবর্তী দোয়া সমূহ

📄 বিবাহ পরবর্তী দোয়া সমূহ


নেককার স্বামী/স্ত্রী ও সন্তান লাভ এবং মুত্তাকীদের নেতা হতে প্রার্থনা

নেককার স্বামী/স্ত্রী ও সন্তান লাভ এবং মুত্তাকীদের নেতা হতে প্রার্থনা

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন যারা আমাদের চক্ষু শীতল করবে। আর আপনি আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন।

রেফারেন্স: সূরা ফুরকানঃ ২৫:৭৪

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন যারা আমাদের চক্ষু শীতল করবে। আর আপনি আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন।

রেফারেন্স: সূরা ফুরকানঃ ২৫:৭৪

নব দম্পতির জন্য দোয়া

নব দম্পতির জন্য দোয়া

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ

বা-রাকাল্লা-হু লাকা ওয়া বা-রাকা ‘আলাইকা, ওয়া জামা'আ বাইনাকুমা- ফি’খাইর

আল্লাহ্‌ তোমাকে বরকত প্রদান করুন, তোমাকে বরকমতয় করুন এবং তোমাদেরকে কল্যাণের মধ্যে একত্রিত করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ২১৩০

আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, “নব বিবাহিতকে অভিনন্দন জানাতে রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এ কথা বলতেন।”

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ

আল্লাহ্‌ তোমাকে বরকত প্রদান করুন, তোমাকে বরকমতয় করুন এবং তোমাদেরকে কল্যাণের মধ্যে একত্রিত করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ২১৩০

স্ত্রী বা স্বামীকে গ্রহণের দোয়া

স্ত্রী বা স্বামীকে গ্রহণের দোয়া

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَمِنْ شَرِّ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আসআলুকা খাইরাহা- ওয়া খাইরা মা- জাবালতাহা- ‘আলাইহি, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন শাররিহা- ওয়া মিন শাররি মা- জাবালতাহা- ‘আলাইহি

হে আল্লাহ্‌ আমি আপনার কাছে চাই, এ নারীর কল্যাণ এবং যা কিছু কল্যাণ এর প্রকৃতির মধ্যে দিয়ে আপনি একে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি আপনার আশ্রয় চাই এ নারীর অকল্যাণ থেকে এবং যা কিছু অকল্যাণকর বিষয় এর প্রকৃতির মধ্যে দিয়ে আপনি একে সৃষ্টি করেছেন।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ২১৬০

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَمِنْ شَرِّ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ

হে আল্লাহ্‌ আমি আপনার কাছে চাই, এ নারীর কল্যাণ এবং যা কিছু কল্যাণ এর প্রকৃতির মধ্যে দিয়ে আপনি একে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি আপনার আশ্রয় চাই এ নারীর অকল্যাণ থেকে এবং যা কিছু অকল্যাণকর বিষয় এর প্রকৃতির মধ্যে দিয়ে আপনি একে সৃষ্টি করেছেন।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ২১৬০

বাসর রাতে স্বামী-স্ত্রী এক সঙ্গে ছালাত আদায়ের পর দোয়া

বাসর রাতে স্বামী-স্ত্রী এক সঙ্গে ছালাত আদায়ের পর দোয়া

রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন মহিলা তার স্বামীর কাছে আসবে, তখন স্বামী ছালাত আদায়ের জন্য দাঁড়াবে এবং তার পেছনে তার স্ত্রীও দাঁড়াবে এবং উভয়ে দু’রাকা‘আত ছালাত আদায় করার পর বলবে -

اَللَّهُمَّ بَارِكْ لِي فِي أَهْلِي، وَبَارِكْ لِأَهْلِي فِيَّ اَللَّهُمَّ ارْزُقْهُمْ مِنِّي، وَارْزُقْنِي مِنْهُمْ، اَللَّهُمَّ اجْمَعْ بَيْنَنَا مَا جَمَعْتَ فِي خَيْرٍ، وفَرِّقْ بَيْنَنَا إِذَا فَرَّقْتَ فِي خَيْرٍ

আল্লা-হুম্মা বা-রিকলী ফী আহ্‌লী ওয়া বা-রিক লিআহ্‌লী ফিইয়্যা, আল্লা-হুম্মার ঝুক্বহুম মিন্নী ওয়ার ঝুক্বনী মিনহুম। আল্লা-হুম্মাজ্‌মা‘ বাইনানা- মা- জামা‘তা ফী খইরিন, ওয়া ফাররিক্ব বাইনানা- ইযা ফাররক্বতা ফী খইর

হে আল্লাহ্‌! আমাদের স্বার্থে আমার পরিবারে বরকত দিন এবং আমার মাঝে পরিবারের স্বার্থে বরকত দিন। হে আল্লাহ্‌! তাদেরকে আমার পক্ষ থেকে রিযিক দান করুন এবং আমাকে তাদের পক্ষ থেকে রিযিক দান করুন। হে আল্লাহ্‌! যে কল্যাণ আপনি জমা করেছেন তা আপনি আমাদের মাঝে জমা করুন। আর যদি আপনি কল্যাণকে পৃথক করেন তাহলে আমাদের মাঝে পৃথক করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। আদাবুয যিফাফঃ ২৪

রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন মহিলা তার স্বামীর কাছে আসবে, তখন স্বামী ছালাত আদায়ের জন্য দাঁড়াবে এবং তার পেছনে তার স্ত্রীও দাঁড়াবে এবং উভয়ে দু’রাকা‘আত ছালাত আদায় করার পর বলবে -

اَللَّهُمَّ بَارِكْ لِي فِي أَهْلِي، وَبَارِكْ لِأَهْلِي فِيَّ اَللَّهُمَّ ارْزُقْهُمْ مِنِّي، وَارْزُقْنِي مِنْهُمْ، اَللَّهُمَّ اجْمَعْ بَيْنَنَا مَا جَمَعْتَ فِي خَيْرٍ، وفَرِّقْ بَيْنَنَا إِذَا فَرَّقْتَ فِي خَيْرٍ

হে আল্লাহ্‌! আমাদের স্বার্থে আমার পরিবারে বরকত দিন এবং আমার মাঝে পরিবারের স্বার্থে বরকত দিন। হে আল্লাহ্‌! তাদেরকে আমার পক্ষ থেকে রিযিক দান করুন এবং আমাকে তাদের পক্ষ থেকে রিযিক দান করুন। হে আল্লাহ্‌! যে কল্যাণ আপনি জমা করেছেন তা আপনি আমাদের মাঝে জমা করুন। আর যদি আপনি কল্যাণকে পৃথক করেন তাহলে আমাদের মাঝে পৃথক করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। আদাবুয যিফাফঃ ২৪

সহবাসের পূর্বে দোয়া

সহবাসের পূর্বে দোয়া

بِاسْمِ اللَّهِ اَللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا

বিসমিল্লা-হি, আল্লা-হুম্মা, জান্নিব্‌নাশ্‌ শাইত্বা-না ওয়া জান্নিবিশ শাইত্বা-না মা রাযাক্ক্‌তানা-

আল্লাহ্‌র নামে, হে আল্লাহ্‌, আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আমাদের যা রিযক দিবেন তা থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৪১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন, দাম্পত্য মিলনের পূর্বে যদি কেউ এ কথা বলে তবে তাদের মিলনে সন্তান জন্ম নিলে তাকে শয়তান ক্ষতি করবে না।”

بِاسْمِ اللَّهِ اَللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا

আল্লাহ্‌র নামে, হে আল্লাহ্‌, আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আমাদের যা রিযক দিবেন তা থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৪১

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 নবজাতক সম্পর্কিত দোয়া সমূহ

📄 নবজাতক সম্পর্কিত দোয়া সমূহ


নবজাতকের জন্য অভিনন্দন

নবজাতকের জন্য অভিনন্দন

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي الْمَوْهُوْبِ لَكَ، وَشَكَرْتَ الْوَاهِبَ، وَبَلَغَ أَشُدَّهُ، وَرُزِقْتَ بِرَّهُ.

বা-রাকাল্লাহু লাকা ফিল মাউহূবি লাকা, ওয়া শাকারতাল ওয়া-হিবা, ওয়া বালাগা আশুদ্দাহু, ওয়া রুযিক্বতা বির্‌রাহু

আপনাকে আল্লাহ্‌ যে নবজাতক উপহার দিয়েছেন তাকে আল্লাহ্‌ বরকতময় করুন, আপনি উপহারদাতার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন, নবজাতক পূর্ণ বয়স লাভ করুক এবং আপনি তার খিদমত লাভ করুন।

রেফারেন্স: এটি হাসান বসরী রাহিমাহুল্লাহর বাণী হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে। দেখুন, তুহফাতুল মাওদূদ লি ইবনিল কাইয়্যেম, পৃ. ২০

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي الْمَوْهُوْبِ لَكَ، وَشَكَرْتَ الْوَاهِبَ، وَبَلَغَ أَشُدَّهُ، وَرُزِقْتَ بِرَّهُ.

আপনাকে আল্লাহ্‌ যে নবজাতক উপহার দিয়েছেন তাকে আল্লাহ্‌ বরকতময় করুন, আপনি উপহারদাতার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন, নবজাতক পূর্ণ বয়স লাভ করুক এবং আপনি তার খিদমত লাভ করুন।

রেফারেন্স: এটি হাসান বসরী রাহিমাহুল্লাহর বাণী হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে। দেখুন, তুহফাতুল মাওদূদ লি ইবনিল কাইয়্যেম, পৃ. ২০

নবজাতকের অভিনন্দনের উত্তর

নবজাতকের অভিনন্দনের উত্তর

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ، وَبَارَكَ عَلَيْكَ، وَجَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا، وَرَزَقَكَ اللَّهُ مِثْلَهُ، وَأَجْزَلَ ثَوَابَكَ

বা-রাকাল্লাহু লাকা ওয়া বা-রাকা ‘আলাইকা, ওয়া জাযা-কাল্লাহু খাইরান, ওয়া রাযাক্বা কাল্লাহু মিছলাহু, ওয়া আজঝালা ছাওয়া-বাকা

আল্লাহ্‌ আপনাকে বরকত প্রদান করুন, আপনাকে বরকতময় করুন, আপনাকে উত্তম পুরস্কার প্রদান করুন, আপনাকে অনুরূপ উপহার প্রদান করুন, আপনার সাওয়াব বহুগুণে বাড়িয়ে দিন।

রেফারেন্স: এটি ইমাম নাওয়াবী তার আল-আযকার গ্রন্থে পৃ. ৩৪৯ উল্লেখ করেছেন। আরও দেখুন, সহীহুল আযকার লিন নাওয়াবী, সলীম আল-হিলালী, ২/৭১৩। আর এর বিস্তারিত তাখরীজ দেখার জন্য গ্রন্থকারের ‘আয-যিক্‌র ওয়াদ দোয়া ওয়াল ‘ইলাজ বির রুকা’ গ্রন্থটি দেখুন, পৃ. ১/৪১৬

কোনো কোনো সাহাবী থেকে উপরোক্ত দোয়াটি বর্ণিত হয়েছে।

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ، وَبَارَكَ عَلَيْكَ، وَجَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا، وَرَزَقَكَ اللَّهُ مِثْلَهُ، وَأَجْزَلَ ثَوَابَكَ

আল্লাহ্‌ আপনাকে বরকত প্রদান করুন, আপনাকে বরকতময় করুন, আপনাকে উত্তম পুরস্কার প্রদান করুন, আপনাকে অনুরূপ উপহার প্রদান করুন, আপনার সাওয়াব বহুগুণে বাড়িয়ে দিন।

রেফারেন্স: এটি ইমাম নাওয়াবী তার আল-আযকার গ্রন্থে পৃ. ৩৪৯ উল্লেখ করেছেন। আরও দেখুন, সহীহুল আযকার লিন নাওয়াবী, সলীম আল-হিলালী, ২/৭১৩। আর এর বিস্তারিত তাখরীজ দেখার জন্য গ্রন্থকারের ‘আয-যিক্‌র ওয়াদ দোয়া ওয়াল ‘ইলাজ বির রুকা’ গ্রন্থটি দেখুন, পৃ. ১/৪১৬

ফন্ট সাইজ
15px
17px