📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 যেসকল ইস্তেগফার হাদীসে বর্ণিত হয়েছে

📄 যেসকল ইস্তেগফার হাদীসে বর্ণিত হয়েছে


মাসনূন ইসতিগফার #১

মাসনূন ইসতিগফার #১

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

আস্তাগফিরুল্লা-হ

আমি আল্লাহ্‌র ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩০৭

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

আমি আল্লাহ্‌র ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩০৭

মাসনূন ইসতিগফার #২

মাসনূন ইসতিগফার #২

রাসূল (ﷺ) দৈনিক সত্তর বারেরও অধিক পাঠ করতেন -

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতূবু ইলাইহি

আমি আল্লাহ্‌র ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে এসেছি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩০৭

রাসূল (ﷺ) দৈনিক সত্তর বারেরও অধিক পাঠ করতেন -

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

আমি আল্লাহ্‌র ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে এসেছি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩০৭

মাসনূন ইসতিগফার #৩

মাসনূন ইসতিগফার #৩

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা গণনা করে দেখতাম, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এক বৈঠকে একশত বার এই বাক্য বলেছেন -

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ (الْغَفُوْرُ)

রাব্বিগ্‌ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম (দ্বিতীয় বর্ণনয় “রাহীম”-এর বদলে: ‘গাফুর’)

হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫১৬

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা গণনা করে দেখতাম, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এক বৈঠকে একশত বার এই বাক্য বলেছেন -

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ (الْغَفُوْرُ)

হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫১৬

মাসনূন ইসতিগফার #৪

মাসনূন ইসতিগফার #৪

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আরও বলেন, যে ব্যক্তি বলবে -

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ الَّذِيْ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ

আসতাগফিরুল্লা-হাল 'আযীমাল্‌ লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা-হুআল ‘হাইউল ক্বাইউমু ওয়া আতূবু ইলাইহি

আমি মহান আল্লাহ্‌র ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যিনি ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, আর আমি তাঁরই নিকট তাওবা করছি।

রেফারেন্স: [১] সহীহ। আবূ দাউদ ১৫১৭ [২] সহীহ। তিরমিযী ৩৫৭৯ [৩] মুসলিম ৪৮২ [৪] মুসলিম ২৭০২

আল্লাহ্‌ তাকে মাফ করে দিবেন যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়নকারী হয়।” [১] রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আরও বলেন, “রব একজন বান্দার সবচেয়ে বেশি নিকটবর্তী হয় রাতের শেষ প্রান্তে, সুতরাং যদি তুমি সে সময়ে আল্লাহ্‌র যিক্‌রকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে সক্ষম হও, তবে তা-ই হও।” [২] তিনি (ﷺ) আরও বলেন, “একজন বান্দা তার রবের সবচেয়ে কাছে তখনই থাকে, যখন সে সিজদায় যায়, সুতরাং তোমরা তখন বেশি বেশি করে দোয়া করো।” [৩] তিনি (ﷺ) আরও বলেন, “নিশ্চয় আমার অন্তরেও ঢাকনা এসে পড়ে, আর আমি দৈনিক আল্লাহ্‌র কাছে একশত বার ক্ষমা প্রার্থনা করি।” [৪]

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আরও বলেন, যে ব্যক্তি বলবে -

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ الَّذِيْ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ

আমি মহান আল্লাহ্‌র ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যিনি ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী, আর আমি তাঁরই নিকট তাওবা করছি।

রেফারেন্স: [১] সহীহ। আবূ দাউদ ১৫১৭ [২] সহীহ। তিরমিযী ৩৫৭৯ [৩] মুসলিম ৪৮২ [৪] মুসলিম ২৭০২

মাসনূন ইসতিগফার #৫

মাসনূন ইসতিগফার #৫

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ، سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَرَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হুল ‘হালিমুল কারিম, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হুল ‘আলিইয়্যুল ‘আযীম্ সুবহা-নাল্লা-হি রাব্বিস সামাওয়া-তিস সাব’ঈ ওয়া রাব্বিল ‘আরশিল ‘আযীম, আল’হামদু লিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামিন

মহা ধৈর্যশীল মহাসম্মানিত আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্য কোন মা’বুদ নেই, মহা মর্যাদাবান সুউচ্চ আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্য কোন মা’বুদ নেই। সাত আসমানের রব্ব ও মর্যাদাময় আরশের রব্বের পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহ্‌র জন্যই সকল প্রশংসা যিনি জগতসমূহের রব্ব।

রেফারেন্স: সনদ সহিহ (আহমাদ শাকির)। মুসনাদ আহমাদ ২/৩৯

‘আলী বিন আবি ত্বালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আমি কি তোমাকে শিখিয়ে দিবো না এমন কিছু বাক্যসমূহ যেগুলো তুমি বললে তোমাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে যদিও তুমি ক্ষমা প্রাপ্ত। (এরপর তিনি উপরে উল্লেখিত বাক্যগুলো উল্লেখ করেন)

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ، سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَرَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ

মহা ধৈর্যশীল মহাসম্মানিত আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্য কোন মা’বুদ নেই, মহা মর্যাদাবান সুউচ্চ আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্য কোন মা’বুদ নেই। সাত আসমানের রব্ব ও মর্যাদাময় আরশের রব্বের পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহ্‌র জন্যই সকল প্রশংসা যিনি জগতসমূহের রব্ব।

রেফারেন্স: সনদ সহিহ (আহমাদ শাকির)। মুসনাদ আহমাদ ২/৩৯

সকল প্রকারের গুনাহ্‌ থেকে মুক্তির দোয়া

সকল প্রকারের গুনাহ্‌ থেকে মুক্তির দোয়া

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيْ جِدِّيْ وَهَزْلِيْ وَخَطَئِيْ وَعَمْدِيْ وَكُلُّ ذٰلِكَ عِنْدِيْ

আল্লা-হুম্মাগ্‌ ফিরলী জিদ্দি ওয়াহায্‌লি ওয়া ‘খাত্বায়ি ওয়া’আমদ্বি ওয়া- কুল্লু যালিকা‘ইন্‌দি

হে আল্লাহ, যে ভুল আমি জেনে বুঝে করেছি, যে ভুল হাস্যোচ্ছলে করেছি, যা ইচ্ছায় করেছি, যা অনিচ্ছায় করেছি, যত গােনাহ আমার দ্বারা হয়েছে, সকল গােনাহ আপনি ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: সহিহ (শুয়াইব আল-আরনাঊত)। ইবনে হিব্বানঃ ৯৫৪

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيْ جِدِّيْ وَهَزْلِيْ وَخَطَئِيْ وَعَمْدِيْ وَكُلُّ ذٰلِكَ عِنْدِيْ

হে আল্লাহ, যে ভুল আমি জেনে বুঝে করেছি, যে ভুল হাস্যোচ্ছলে করেছি, যা ইচ্ছায় করেছি, যা অনিচ্ছায় করেছি, যত গােনাহ আমার দ্বারা হয়েছে, সকল গােনাহ আপনি ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: সহিহ (শুয়াইব আল-আরনাঊত)। ইবনে হিব্বানঃ ৯৫৪

গুনাহ ও ভুল-ত্রুটি মাফের দোয়া

গুনাহ ও ভুল-ত্রুটি মাফের দোয়া

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ذُنُوْبِيْ وَخَطَئِيْ وَعَمْدِيْ

আল্লাহুম্মাগফিরলি যুনুবি ওয়া খাত্বায়ী ওয়া ‘আমদি

হে আল্লাহ, আমার ইচ্ছা অনিচ্ছায় কৃত সমস্ত গুনাহ্‌ ক্ষমা করে দিন।

রেফারেন্স: সহিহ। সহিহ আল-মাওয়ারিদ ২০৫৯

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ذُنُوْبِيْ وَخَطَئِيْ وَعَمْدِيْ

হে আল্লাহ, আমার ইচ্ছা অনিচ্ছায় কৃত সমস্ত গুনাহ্‌ ক্ষমা করে দিন।

রেফারেন্স: সহিহ। সহিহ আল-মাওয়ারিদ ২০৫৯

জানা-অজানায় সংঘটিত পাপ থেকে ক্ষমা চাওয়া

জানা-অজানায় সংঘটিত পাপ থেকে ক্ষমা চাওয়া

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي خَطِيْئَتِي وَجَهْلِي، وَإِسْرَافِي فِي أَمْرِي، وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي، اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي هَزْلِي وَجِدِّي وَخَطَايَايَ وَعَمْدِي، وَكُلُّ ذَلِكَ عِنْدِي

আল্লা-হুম্মাগ্‌ফির লী খাত্বিয়াতি ওয়া জাহ্‌লি ওয়া ইস্‌রা-ফি ফি আম্‌রি ওয়ামা- আনতা আ’লামু বিহি মিন্নী আল্লা-হুম্মাগ্‌ ফিরলী ‘হায্‌লি ওয়া জিদ্দি ওয়া ‘খাত্বা-ইয়া-ইয়া ওয়া আমদ্বি ওয়া- কুল্লু যালিকা ইন্‌দি।

হে আল্লাহ্‌! আপনি ক্ষমা করে দিন আমার ভুল-ত্রুটিজনিত গুনাহ, আমার অজ্ঞতা, আমার বাড়াবাড়ি এবং আর যা আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন। হে আল্লাহ্‌! আপনি ক্ষমা করে দিন আমার হাসি-ঠাট্টামূলক গুনাহ, আমার প্রকৃত গুনাহ, আমার অনিচ্ছাকৃত গুনাহ এবং ইচ্ছাকৃত গুনাহ, এসকল গুনাহ আমার মধ্যে আছে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৯৯

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي خَطِيْئَتِي وَجَهْلِي، وَإِسْرَافِي فِي أَمْرِي، وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي، اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي هَزْلِي وَجِدِّي وَخَطَايَايَ وَعَمْدِي، وَكُلُّ ذَلِكَ عِنْدِي

হে আল্লাহ্‌! আপনি ক্ষমা করে দিন আমার ভুল-ত্রুটিজনিত গুনাহ, আমার অজ্ঞতা, আমার বাড়াবাড়ি এবং আর যা আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন। হে আল্লাহ্‌! আপনি ক্ষমা করে দিন আমার হাসি-ঠাট্টামূলক গুনাহ, আমার প্রকৃত গুনাহ, আমার অনিচ্ছাকৃত গুনাহ এবং ইচ্ছাকৃত গুনাহ, এসকল গুনাহ আমার মধ্যে আছে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৯৯

গুনাহ মাফ চাওয়া

গুনাহ মাফ চাওয়া

আল্লাহ্‌র কাছে গুনাহের জন্য মাফ চাওয়া উচিত, কারণ বান্দা তার রবের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি চাইতে পারে তা হলো তার গোনাহের জন্য ক্ষমা অথবা এর অনিবার্য পরিণতি, যেমন জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতে প্রবেশ। গোনাহের ব্যাপারে বান্দা তার রবের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনার মুখাপেক্ষী, কারণ সে দিন-রাত ভুল করে আর আল্লাহ্‌ই পারেন সকল গোনাহ ক্ষমা করতে। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কখনো কখনো আমার হৃদয়ের উপরও আবরণ পড়ে। তাই আমি দৈনিক একশো বার ক্ষমা চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫১৫

আল্লাহ্‌র কাছে গুনাহের জন্য মাফ চাওয়া উচিত, কারণ বান্দা তার রবের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি চাইতে পারে তা হলো তার গোনাহের জন্য ক্ষমা অথবা এর অনিবার্য পরিণতি, যেমন জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতে প্রবেশ। গোনাহের ব্যাপারে বান্দা তার রবের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনার মুখাপেক্ষী, কারণ সে দিন-রাত ভুল করে আর আল্লাহ্‌ই পারেন সকল গোনাহ ক্ষমা করতে। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কখনো কখনো আমার হৃদয়ের উপরও আবরণ পড়ে। তাই আমি দৈনিক একশো বার ক্ষমা চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫১৫

তাওবা'র সালাত

তাওবা'র সালাত

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কোনও বান্দা যদি কোনও গোনাহ করে, তারপর সুন্দরভাবে ওযূ করে, এরপর দাঁড়িয়ে দু'রাকআত সালাত আদায় করে আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চায়, আল্লাহ্‌ অবশ্যই তাকে মাফ করে দেবেন। এরপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেন -

وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَن يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا اللَّهُ وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَىٰ مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ ﴿١٣٥﴾ أُولَٰئِكَ جَزَاؤُهُم مَّغْفِرَةٌ مِّن رَّبِّهِمْ وَجَنَّاتٌ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا ۚ وَنِعْمَ أَجْرُ الْعَامِلِينَ ﴿١٣٦﴾

(১৩৫) আর যারা কোন অশ্লীল কাজ করলে অথবা নিজদের প্রতি যুলম করলে আল্লাহ্‌কে স্মরণ করে, অতঃপর তাদের গুনাহের জন্য ক্ষমা চায়। আর আল্লাহ্‌ ছাড়া কে গুনাহ ক্ষমা করবে? আর তারা যা করেছে, জেনে শুনে তা তারা বার বার করে না। (১৩৬) এরাই তারা, যাদের প্রতিদান তাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও জান্নাতসমূহ যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে নহরসমূহ। সেখানে তারা স্থায়ী হবে। আর আমলকারীদের প্রতিদান কতই না উত্তম! (সূরা আল-ইমরান ৩:১৩৫-১৩৬)

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ১৫২১

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কোনও বান্দা যদি কোনও গোনাহ করে, তারপর সুন্দরভাবে ওযূ করে, এরপর দাঁড়িয়ে দু'রাকআত সালাত আদায় করে আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চায়, আল্লাহ্‌ অবশ্যই তাকে মাফ করে দেবেন। এরপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেন -

وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَن يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا اللَّهُ وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَىٰ مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ ﴿١٣٥﴾ أُولَٰئِكَ جَزَاؤُهُم مَّغْفِرَةٌ مِّن رَّبِّهِمْ وَجَنَّاتٌ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا ۚ وَنِعْمَ أَجْرُ الْعَامِلِينَ ﴿١٣٦﴾

(১৩৫) আর যারা কোন অশ্লীল কাজ করলে অথবা নিজদের প্রতি যুলম করলে আল্লাহ্‌কে স্মরণ করে, অতঃপর তাদের গুনাহের জন্য ক্ষমা চায়। আর আল্লাহ্‌ ছাড়া কে গুনাহ ক্ষমা করবে? আর তারা যা করেছে, জেনে শুনে তা তারা বার বার করে না। (১৩৬) এরাই তারা, যাদের প্রতিদান তাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও জান্নাতসমূহ যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে নহরসমূহ। সেখানে তারা স্থায়ী হবে। আর আমলকারীদের প্রতিদান কতই না উত্তম! (সূরা আল-ইমরান ৩:১৩৫-১৩৬)

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ১৫২১

ইসমে আযমের অসীলায় ক্ষমা চাওয়া #১

ইসমে আযমের অসীলায় ক্ষমা চাওয়া #১

নবী (ﷺ) ফজরের সালাতে সালাম ফেরানোর পর বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ يَا اَللَّهُ بِأَنَّكَ الْوَاحِدُ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ أَنْ تَغْفِرَ لِي ذُنُوْبِيْ، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইয়া- আল্লা-হু বিআন্নাকাল ওয়া-হিদুল আহাদুস্ সমাদুল্লাযী লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইয়ূলাদ ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফূওয়ান আহাদ, আন্ তাগফিরালী যুনূবী, ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর রহীম

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই, হে আল্লাহ্‌! তুমি এক, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই; তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, একমাত্র তুমিই ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ১৩০১

তার দোয়া শুনে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) তিনবার বলেন, তাকে মাফ করে দেওয়া হয়েছে।

নবী (ﷺ) ফজরের সালাতে সালাম ফেরানোর পর বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ يَا اَللَّهُ بِأَنَّكَ الْوَاحِدُ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ أَنْ تَغْفِرَ لِي ذُنُوْبِيْ، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই, হে আল্লাহ্‌! তুমি এক, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই; তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, একমাত্র তুমিই ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ১৩০১

ইসমে আযমের অসীলায় ক্ষমা চাওয়া #২

ইসমে আযমের অসীলায় ক্ষমা চাওয়া #২

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْمَنَّانُ بَدِيْعُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ إِنِّي أَسْأَلُكَ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদু, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতাল-মান্না-নু, বাদী'উস সামাওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি, ইয়া- যাল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম, ইয়া- হাইউ ইয়া- কাইউম ইন্নী আসআলুকা

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই৷ প্রশংসা কেবল তোমারই; তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই, তুমি মহানদাতা এবং মহাকাশ ও পৃথিবীর অস্তিত্বদানকারী হে মহত্ত্ব ও মহানুভবতার অধিকারী। হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আমি তোমার কাছেই চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ১৩০০

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে বসে আছি। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছে। সে রুকূ, সাজদা ও তাশাহুদের পর দোয়া করে। ওই দোয়ায় সে বলে - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে) তখন নবী (ﷺ) তাঁর সাহাবীদের বলেন, “তোমরা কি জানো, সে কী দোয়া করেছে?” তারা বলেন, “আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল (ﷺ) ভালো জানেন।” নবী (ﷺ) বলেন, “শপথ সেই সত্ত্বার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! সে আল্লাহ্‌কে তাঁর মহান নাম নিয়ে ডেকেছে, যে নাম নিয়ে ডাকা হলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নাম নিয়ে কিছু চাওয়া হলে তিনি তা দেন।”

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْمَنَّانُ بَدِيْعُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ إِنِّي أَسْأَلُكَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই৷ প্রশংসা কেবল তোমারই; তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই, তুমি মহানদাতা এবং মহাকাশ ও পৃথিবীর অস্তিত্বদানকারী হে মহত্ত্ব ও মহানুভবতার অধিকারী। হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আমি তোমার কাছেই চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ১৩০০

ইসমে আযমের অসীলায় ক্ষমা চাওয়া #৩

ইসমে আযমের অসীলায় ক্ষমা চাওয়া #৩

নবী (ﷺ) শুনতে পান এক ব্যক্তি এভাবে দোয়া করছে -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَّنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْأَحَدُ الصَّمَدُ اَلَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্নী আশ্‌হাদু আন্নাকা আনতাল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতাল আহাদুস সামাদুল্লাযী লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইয়ূলাদ ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, একমাত্র তুমিই আল্লাহ্‌, তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি। এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই;

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৪৯৩

তখন নবী (ﷺ) বলেন, “শপথ সেই সত্ত্বার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! সে আল্লাহ্‌কে তাঁর মহান নাম নিয়ে ডেকেছে, যে নাম নিয়ে ডাকা হলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নাম নিয়ে কিছু চাওয়া হলে তিনি তা দেন।”

নবী (ﷺ) শুনতে পান এক ব্যক্তি এভাবে দোয়া করছে -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَّنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْأَحَدُ الصَّمَدُ اَلَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, একমাত্র তুমিই আল্লাহ্‌, তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি। এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই;

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৪৯৩

আল্লাহ্‌র সাড়া লাভ ও ক্ষমা লাভের দোয়া

আল্লাহ্‌র সাড়া লাভ ও ক্ষমা লাভের দোয়া

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াল্লা-হু আকবার'। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া’হদাহু। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া‘হদাহু লা- শারীকা লাহু। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল ‘হামদু। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়ালা- ‘হাওলা ওয়ালা- ক্বুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লা-হ।

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই এবং আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, রাজত্ব তারই এবং প্রশংসা তারই। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহ্‌র (সাহায্য) ছাড়া।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৩০

আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) ও আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন, যখন কোনো বান্দা এ বাক্যগুলো বলে তখন আল্লাহ্‌ তাঁর ডাকে সাড়া দেন এবং যদি কেউ অসুস্থ অবস্থায় এ কথাগুলি বলে এরপর সে মৃত্যুরণ করে তবে আগুন তাকে স্পর্শ করবে না।

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই এবং আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, রাজত্ব তারই এবং প্রশংসা তারই। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহ্‌র (সাহায্য) ছাড়া।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৩০

দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাওয়া

দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাওয়া

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةَ

আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল ‘আফ্ওয়া ওয়াল ‘আ-ফিয়াহ, ফিদ দুন্ইয়া- ওয়াল আ-খিরাহ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট ইহকাল ও পরকালের ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাচ্ছি।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনু মাজাহঃ ৩৮৭১

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট ইহকাল ও পরকালের ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাচ্ছি।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনু মাজাহঃ ৩৮৭১

মাসনূন ইসতিগফার #৬

মাসনূন ইসতিগফার #৬

اَللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা 'আফুউন, কারীমুন তু'হিব্বুল 'আফওয়া, ফা'আফু 'আন্নী

হে আল্লাহ্‌! তুমি ক্ষমাশীল, মহানুভব!, তুমি ক্ষমা করতে পছন্দ করো অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দাও।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫১৩

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি বললাম “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমি যদি বুঝতে পারি কোন রাতটি লাইলাতুল কদর, তা হলে ওই রাতে আমি কী বলব?” নবী (ﷺ) বলেন, তুমি বলো- (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

হে আল্লাহ্‌! তুমি ক্ষমাশীল, মহানুভব!, তুমি ক্ষমা করতে পছন্দ করো অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দাও।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫১৩

মাসনূন ইসতিগফার #৭

মাসনূন ইসতিগফার #৭

اَللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيْرًا وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী যালাম্‌তু নাফ্‌সী যুলমান কাছীরান ওয়ালা- ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা- আনতা, ফাগ্‌ফিরুলী মাগফিরাতান মিন ‘ইনদিকা ওয়ার’হামনী ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর্‌ রাহীম

হে আল্লাহ্‌! আমি আমার নিজের উপর অনেক জুলুম করেছি; তুমি ছাড়া আর কেউ গোনাহ ক্ষমা করতে পারে না; তোমার পক্ষ থেকে আমাকে পুরোপুরি ক্ষমা করে দাও; আমার উপর দয়া করো; তুমি তো ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৩৪

আবু বকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলেন, “আমাকে এমন একটি দোয়া শিখিয়ে দিন, যা আমি সালাতে পাঠ করব।” নবী (ﷺ) বলেন, তুমি বলো - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيْرًا وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

হে আল্লাহ্‌! আমি আমার নিজের উপর অনেক জুলুম করেছি; তুমি ছাড়া আর কেউ গোনাহ ক্ষমা করতে পারে না; তোমার পক্ষ থেকে আমাকে পুরোপুরি ক্ষমা করে দাও; আমার উপর দয়া করো; তুমি তো ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৩৪

ইচ্ছায় অনিচ্ছায় সংঘটিত পাপ থেকে ক্ষমা চাওয়া

ইচ্ছায় অনিচ্ছায় সংঘটিত পাপ থেকে ক্ষমা চাওয়া

আবূ মূসা আশআরি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) এ দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي خَطِيْئَتِيْ وَجَهْلِيْ وَإِسْرَافِي فِي أَمْرِيْ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي جِدِّيْ وَهَزَلِيْ وَخَطَئِيْ وَعَمْدِيْ وَكُلُّ ذَلِكَ عِنْدِيْ اَللَّهُمَ اغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ وَأَنْتَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

আল্লা-হুম্মাগ্‌ফির লী খাতিয়াতি ওয়া জাহ্‌লি ওয়া ইস্‌রা-ফি ফি আম্‌রি ওয়ামা- আনতা আ’লামু বিহি মিন্নী আল্লা-হুম্মাগ্‌ ফিরলী জিদ্দি ওয়া ‘হাযালি ওয়া ‘খাত্বায়ি ওয়া আমদ্বি ওয়া- কুল্লু যালিকা ইন্‌দি আল্লা-হুম্মাগ্‌ফির লী মা- ক্বাদ্দামতু ওয়ামা- আখ্‌খারতু ওয়ামা- আসর্‌রাতু ওয়ামা- আ’লান্‌তু ওয়ামা- আনতা আ’লামু বিহী মিন্নী। আনতাল মুক্বাদ্দিমু ওয়া আনতাল মুআখ্‌খিরু ওয়া আন্‌তা ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর

হে আল্লাহ্‌! আমার (এসব বিষয়) মাফ করে দাও আমার ভুলত্রুটি ও অজ্ঞতা (প্রসূত কাজ) এবং কাজ করতে গিয়ে আমি যেসব বাড়াবাড়ি করেছি যে-সকল (পাপের) বিষয়ে তুমি আমার চেয়ে ভালো জানো। হে আল্লাহ্‌! আমার (এসব বিষয়) মাফ করে দাও গুরুত্বের সঙ্গে অথবা তামাশা-বশত যেসব অন্যায় করেছি, এবং আমার ভুলত্রুটি ও ইচ্ছাকৃত অপরাধ; এ সবগুলোই আমার দ্বারা হয়েছে। হে আল্লাহ্‌! আমার (এসব বিষয়) মাফ করে দাও আগে-পরে আমি যেসব অন্যায় করেছি, যা-কিছু করেছি গোপনে ও প্রকাশ্যে, যেগুলো তুমি আমার চেয়ে ভালো জানো। আগ-পিছ করার ক্ষমতা কেবল তোমারই; তুমি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান৷

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৯

আবূ মূসা আশআরি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) এ দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي خَطِيْئَتِيْ وَجَهْلِيْ وَإِسْرَافِي فِي أَمْرِيْ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي جِدِّيْ وَهَزَلِيْ وَخَطَئِيْ وَعَمْدِيْ وَكُلُّ ذَلِكَ عِنْدِيْ اَللَّهُمَ اغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ وَأَنْتَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

হে আল্লাহ্‌! আমার (এসব বিষয়) মাফ করে দাও আমার ভুলত্রুটি ও অজ্ঞতা (প্রসূত কাজ) এবং কাজ করতে গিয়ে আমি যেসব বাড়াবাড়ি করেছি যে-সকল (পাপের) বিষয়ে তুমি আমার চেয়ে ভালো জানো। হে আল্লাহ্‌! আমার (এসব বিষয়) মাফ করে দাও গুরুত্বের সঙ্গে অথবা তামাশা-বশত যেসব অন্যায় করেছি, এবং আমার ভুলত্রুটি ও ইচ্ছাকৃত অপরাধ; এ সবগুলোই আমার দ্বারা হয়েছে। হে আল্লাহ্‌! আমার (এসব বিষয়) মাফ করে দাও আগে-পরে আমি যেসব অন্যায় করেছি, যা-কিছু করেছি গোপনে ও প্রকাশ্যে, যেগুলো তুমি আমার চেয়ে ভালো জানো। আগ-পিছ করার ক্ষমতা কেবল তোমারই; তুমি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান৷

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৯

গুনাহ ও ভুলভ্রান্তি থেকে পবিত্র হওয়া

গুনাহ ও ভুলভ্রান্তি থেকে পবিত্র হওয়া

নবী (ﷺ) দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ طَهِّرْنِيْ مِنَ الذُّنُوبِ وَالْخَطَايَا اَللَّهُمَّ نَقِّنِيْ مِنْهَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، اَللَّهُمَّ طَهِّرْنِيْ بِالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَالْمَاءِ الْبَارِدِ

আল্লা-হুম্মা ত্বাহ্‌‘হিরনী মিনায্‌ যুনূবী ওয়াল খাত্বা-ইয়া- আল্লা-হুম্মা নাক্বক্বিনী মিনহা- কামা- ইয়ুনাক্বছ ছাওবুল আবইয়াদ্বু মিনাদ দানাসি, আল্লা-হুম্মা ত্বাহ্‌‘হিরনী বিছছালজি ওয়াল বা-রাদ ওয়াল- মা’ইল বা-রিদ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে গোনাহ ও ভুলত্রুটি থেকে পবিত্র করে দাও; হে আল্লাহ্‌! আমাকে সেসব থেকে পরিচ্ছন্ন করো, যেভাবে সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন করা হয়; হে আল্লাহ্‌! বরফ, শীতলতা ও ঠান্ডা পানি দিয়ে আমাকে পবিত্র করো।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ৪০২

নবী (ﷺ) দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ طَهِّرْنِيْ مِنَ الذُّنُوبِ وَالْخَطَايَا اَللَّهُمَّ نَقِّنِيْ مِنْهَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، اَللَّهُمَّ طَهِّرْنِيْ بِالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَالْمَاءِ الْبَارِدِ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে গোনাহ ও ভুলত্রুটি থেকে পবিত্র করে দাও; হে আল্লাহ্‌! আমাকে সেসব থেকে পরিচ্ছন্ন করো, যেভাবে সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন করা হয়; হে আল্লাহ্‌! বরফ, শীতলতা ও ঠান্ডা পানি দিয়ে আমাকে পবিত্র করো।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ৪০২

ক্ষমা, রিযিক ও সুস্থ জীবন লাভের দোয়া

ক্ষমা, রিযিক ও সুস্থ জীবন লাভের দোয়া

এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বলে, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমার রবের কাছে কিছু চাওয়ার সময়, কীভাবে (কী) বলব?” নবী (ﷺ) বলেন, তুমি বলো -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ

আল্লা-হুম্মাগ্‌ ‌ফিরলী, ওয়ার‘হামনী, ওয়া'আ-ফিনী ওয়ারঝুক্বনী

হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করে দাও; আমার উপর দয়া করো; আমাকে সুস্থ রাখো এবং আমার জীবনোপকরণ জুগিয়ে দাও!

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৪৫

এরপর তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি ছাড়া অন্য আঙুলসমূহ একসঙ্গে করে বলেন, “এসব (দোয়া) তোমার দুনিয়া ও আখিরাত একত্র করে দেবে।”

এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বলে, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমার রবের কাছে কিছু চাওয়ার সময়, কীভাবে (কী) বলব?” নবী (ﷺ) বলেন, তুমি বলো -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করে দাও; আমার উপর দয়া করো; আমাকে সুস্থ রাখো এবং আমার জীবনোপকরণ জুগিয়ে দাও!

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৪৫

গোপনে ও প্রকাশ্যে সংঘটিত পাপ থেকে ক্ষমা চাওয়া

গোপনে ও প্রকাশ্যে সংঘটিত পাপ থেকে ক্ষমা চাওয়া

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَخْطَأْتُ وَمَا تَعَمَّدْتُ وَمَا عَلِمْتُ وَمَا جَهِلْتُ

আল্লা-হুম্মাগ্‌ ফিরলী মা- আস্‌রা‌র্‌তু ওয়ামা- আ‘লান্‌তু ওয়ামা- আখত্বা'তু ওয়ামা- তা'আম্মাদ্‌তু ওয়ামা- 'আলিম্‌তু ওয়ামা- জাহিল্‌তু

হে আল্লাহ্‌! আমাকে মাফ করে দাও আমি যা গোপনে করেছি আর যা প্রকাশ্যে করেছি, যা ভুলে করেছি আর যা ইচ্ছা করে করেছি, যা না জেনে করেছি আর যা জেনে করেছি।

রেফারেন্স: সহিহ (ইবনুল ক্বয়্যিম)। আল ওয়াবিলুস সয়্যিবঃ ১৯৯ পৃঃ

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَخْطَأْتُ وَمَا تَعَمَّدْتُ وَمَا عَلِمْتُ وَمَا جَهِلْتُ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে মাফ করে দাও আমি যা গোপনে করেছি আর যা প্রকাশ্যে করেছি, যা ভুলে করেছি আর যা ইচ্ছা করে করেছি, যা না জেনে করেছি আর যা জেনে করেছি।

রেফারেন্স: সহিহ (ইবনুল ক্বয়্যিম)। আল ওয়াবিলুস সয়্যিবঃ ১৯৯ পৃঃ

ক্ষমা, সুস্থতা এবং সর্বদিকের বিপদাপদ থেকে আশ্রয় চাওয়া

ক্ষমা, সুস্থতা এবং সর্বদিকের বিপদাপদ থেকে আশ্রয় চাওয়া

সকালে (বা বিকালে) বলবে,

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي دِينِيْ وَدُنْيَايَ وَأَهْلِيْ، وَمَالِيْ، اَللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِيْ، وَآمِنْ رَوْعَاتِيْ، اَللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَيْنِ يَدَيَّ وَمِنْ خَلْفِي وَعَنْ يَمِيْنِيْ وَعَنْ شِمَالِي وَمِنْ فَوْقِيْ وَأَعُوْذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِيْ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্‌আলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল ‘আ-ফিয়্যাতা ফিদ্‌ দুন্‌ইয়া- ওয়াল আ-খিরাহ। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্‌আলুকাল ‘আফ্‌ওয়া ওয়াল ‘আ-ফিয়্যাতা ফী দীনী ওয়া দুন্‌ইয়াই-য়া, ওয়া আহলী ওয়া মালী। আল্লা-হুম্মাস্‌-তুর ‘আউরা-তী ওয়া আ-মিন রাউ’আ-তী। আল্লা-হুম্মাহ্‌ ফায্‌নী মিম বাইনি ইয়াদাইয়্যা ওয়া মিন খালফী, ওয়া ‘আন ইয়ামীনী ওয়া ‘আন শিমা-লী, ওয়া মিন ফাউক্বী। ওয়া আ‘উযু বি’আযামাতিকা আন উগতা-লা মিন তাহতী।

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাই ক্ষমা ও সার্বিক সুস্থতা-নিরাপত্তা দুনিয়াতে এবং আখেরাতে। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাই ক্ষমা ও সার্বিক সুস্থতা-নিরাপত্তা আমার দ্বীনের মধ্যে, আমার দুনিয়াবী বিষয়ের মধ্যে, আমার পরিবার পরিজনের মধ্যে ও আমার সম্পদের মধ্যে। হে আল্লাহ্‌, আমার দোষ-ত্রুটি গুলো গোপন করুন এবং আমার ভয়ভীতিকে নিরাপত্তা দান করুন। হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাকে হেফাযত করুন আমার সামনে থেকে, আমার পিছন থেকে, আমার ডান থেকে, আমার বাম থেকে, আমার উপর থেকে এবং আমি আপনার মহত্ত্বের আশ্রয় গ্রহণ করছি যে, আমি আমার নিম্ন দিক থেকে আক্রান্ত হব।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৫০৭৪

আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) কখনোই সকাল হলে ও সন্ধ্যা হলে উপরের এ কথাগুলো বলতে ছাড়তেন না (সর্বদা তিনি সকালে ও সন্ধ্যায় এগুলো বলতেন)।

সকালে (বা বিকালে) বলবে,

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي دِينِيْ وَدُنْيَايَ وَأَهْلِيْ، وَمَالِيْ، اَللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِيْ، وَآمِنْ رَوْعَاتِيْ، اَللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَيْنِ يَدَيَّ وَمِنْ خَلْفِي وَعَنْ يَمِيْنِيْ وَعَنْ شِمَالِي وَمِنْ فَوْقِيْ وَأَعُوْذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِيْ

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাই ক্ষমা ও সার্বিক সুস্থতা-নিরাপত্তা দুনিয়াতে এবং আখেরাতে। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাই ক্ষমা ও সার্বিক সুস্থতা-নিরাপত্তা আমার দ্বীনের মধ্যে, আমার দুনিয়াবী বিষয়ের মধ্যে, আমার পরিবার পরিজনের মধ্যে ও আমার সম্পদের মধ্যে। হে আল্লাহ্‌, আমার দোষ-ত্রুটি গুলো গোপন করুন এবং আমার ভয়ভীতিকে নিরাপত্তা দান করুন। হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাকে হেফাযত করুন আমার সামনে থেকে, আমার পিছন থেকে, আমার ডান থেকে, আমার বাম থেকে, আমার উপর থেকে এবং আমি আপনার মহত্ত্বের আশ্রয় গ্রহণ করছি যে, আমি আমার নিম্ন দিক থেকে আক্রান্ত হব।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৫০৭৪

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 ক্ষমা প্রার্থনার শ্রেষ্ঠ দোয়া - সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার

📄 ক্ষমা প্রার্থনার শ্রেষ্ঠ দোয়া - সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার


সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনার শ্রেষ্ঠ দোয়া)

সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনার শ্রেষ্ঠ দোয়া)

اَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِيْ فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মা, আনতা রাব্বী, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা, খালাক্বতানী, ওয়াআনা ‘আবদুকা, ওয়াআনা ‘আলা- ‘আহদিকা ওয়াওয়া‘অ্‌দিকা মাস তাতা‘অ্‌তু। আ‘উযু বিকা মিন শাররি মা- স্বানা‘তু, আবূউ লাকা বিনি'মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়াআবূউ বিযামবি। ফাগ্‌ফিরলী, ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা- আনতা

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমার প্রতিপালক, তুমি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কোন উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছো। আমি তোমার বান্দা এবং আমি আমার সাধ্যমত তোমার প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হতে তোমার নিকট আশ্রয় চাই। আমি আমার উপর তোমার অনুগ্রহকে স্বীকার করছি এবং আমার পাপও স্বীকার করছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। নিশ্চয়ই তুমি ব্যতীত কোন ক্ষমাকারী নেই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩০৬

اَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِيْ فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমার প্রতিপালক, তুমি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কোন উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছো। আমি তোমার বান্দা এবং আমি আমার সাধ্যমত তোমার প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হতে তোমার নিকট আশ্রয় চাই। আমি আমার উপর তোমার অনুগ্রহকে স্বীকার করছি এবং আমার পাপও স্বীকার করছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। নিশ্চয়ই তুমি ব্যতীত কোন ক্ষমাকারী নেই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩০৬

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 তাওবার ব্যপারে কুরআন ও হাদীসের বাণী

📄 তাওবার ব্যপারে কুরআন ও হাদীসের বাণী


কুরআনে তাওবার কথা #১

কুরআনে তাওবার কথা #১

আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন -

اِسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا

“তোমরা নিজেদের রবের কাছে ক্ষমা চাও৷ নিঃসন্দেহে তিনি অতিশয় ক্ষমাশীল।”

রেফারেন্স: সূরা নূহ ৭১:১০

আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন -

اِسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا

“তোমরা নিজেদের রবের কাছে ক্ষমা চাও৷ নিঃসন্দেহে তিনি অতিশয় ক্ষমাশীল।”

রেফারেন্স: সূরা নূহ ৭১:১০

কুরআনে তাওবার কথা #২

কুরআনে তাওবার কথা #২

আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন -

وَتُوبُوٓا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَ الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

“তোমরা সবাই মিলে আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা করো, আশা করা যায় তোমরা সফলকাম হবে।”

রেফারেন্স: সূরা আন-নূর ২৪:৩১

আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন -

وَتُوبُوٓا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَ الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

“তোমরা সবাই মিলে আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা করো, আশা করা যায় তোমরা সফলকাম হবে।”

রেফারেন্স: সূরা আন-নূর ২৪:৩১

কুরআনে তাওবার কথা #৩

কুরআনে তাওবার কথা #৩

আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন -

يٰٓأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا تُوبُوٓا إِلَى اللَّهِ تَوْبَةً نَّصُوحًا

“হে ঈমানদারগণ, আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা করো, প্রকৃত তাওবা।”

রেফারেন্স: সূরা আত-তাহরীম ৬৬:৮

আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন -

يٰٓأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا تُوبُوٓا إِلَى اللَّهِ تَوْبَةً نَّصُوحًا

“হে ঈমানদারগণ, আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা করো, প্রকৃত তাওবা।”

রেফারেন্স: সূরা আত-তাহরীম ৬৬:৮

কুরআনে তাওবার কথা #৪

কুরআনে তাওবার কথা #৪

আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন -

وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فٰحِشَةً أَوْ ظَلَمُوٓا أَنفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَن يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا اللَّهُ وَلَمْ يُصِرُّوا عَلٰى مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ

“তারা কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা কোন মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের উপর জুলুম করে ফেললে আল্লাহ্‌কে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন? তারা নিজের কৃতকর্মের জন্য হঠকারিতা প্রদর্শন করে না এবং জেনে-শুনে তাই করতে থাকে না।”

রেফারেন্স: সূরা আল ইমরান ৩:১৩৫

আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন -

وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فٰحِشَةً أَوْ ظَلَمُوٓا أَنفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَن يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا اللَّهُ وَلَمْ يُصِرُّوا عَلٰى مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ

“তারা কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা কোন মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের উপর জুলুম করে ফেললে আল্লাহ্‌কে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন? তারা নিজের কৃতকর্মের জন্য হঠকারিতা প্রদর্শন করে না এবং জেনে-শুনে তাই করতে থাকে না।”

রেফারেন্স: সূরা আল ইমরান ৩:১৩৫

হাদীসে তাওবার কথা #১

হাদীসে তাওবার কথা #১

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, “শপথ আল্লাহ্‌র! আমি প্রতিদিন আল্লাহ্‌র কাছে সত্তর বারের বেশি ক্ষমাপ্রার্থনা ও তাওবা করি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩০৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, “শপথ আল্লাহ্‌র! আমি প্রতিদিন আল্লাহ্‌র কাছে সত্তর বারের বেশি ক্ষমাপ্রার্থনা ও তাওবা করি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩০৭

হাদীসে তাওবার কথা #২

হাদীসে তাওবার কথা #২

আবু বুরদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি নবী (ﷺ)-এর সাহাবী আগার (রাঃ)-কে ইবনু উমর (রাঃ)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “লোকসকল! তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা করো (তাঁর দিকে ফিরে আসো); আমি প্রতিদিন তাঁর কাছে একশ বার তাওবা করি।”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭০২

আবু বুরদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি নবী (ﷺ)-এর সাহাবী আগার (রাঃ)-কে ইবনু উমর (রাঃ)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “লোকসকল! তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা করো (তাঁর দিকে ফিরে আসো); আমি প্রতিদিন তাঁর কাছে একশ বার তাওবা করি।”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭০২

হাদীসে তাওবার কথা #৩

হাদীসে তাওবার কথা #৩

আগার মুযানি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, “কখনও কখনও আমার অন্তর বেখেয়াল হয়ে পড়ে, আর (তাই) আমি প্রতিদিন আল্লাহ্‌র কাছে একশ বার ক্ষমাপ্রার্থনা করি।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫১৫

আগার মুযানি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, “কখনও কখনও আমার অন্তর বেখেয়াল হয়ে পড়ে, আর (তাই) আমি প্রতিদিন আল্লাহ্‌র কাছে একশ বার ক্ষমাপ্রার্থনা করি।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫১৫

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 যেসকল ইস্তেগফার কুরআনে বর্ণিত হয়েছে

📄 যেসকল ইস্তেগফার কুরআনে বর্ণিত হয়েছে


ক্ষমা অনুগত ও আমল কবুলের প্রার্থনা

ক্ষমা অনুগত ও আমল কবুলের প্রার্থনা

رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا ۖ إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿١٢٧﴾ رَبَّنَا وَاجْعَلْنَا مُسْلِمَيْنِ لَكَ وَمِن ذُرِّيَّتِنَا أُمَّةً مُّسْلِمَةً لَّكَ وَأَرِنَا مَنَاسِكَنَا وَتُبْ عَلَيْنَا ۖ إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ ﴿١٢٨﴾

হে আমাদের রব, আমাদের পক্ষ থেকে কবূল করুন। নিশ্চয় আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী। হে আমাদের রব, আমাদেরকে আপনার অনুগত করুন এবং আমাদের বংশধরের মধ্য থেকে আপনার অনুগত জাতি বানান। আর আমাদেরকে আমাদের ইবাদাতের বিধি-বিধান দেখিয়ে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সূরা বাকারাঃ ২: ১২৭-১২৮

رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا ۖ إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿١٢٧﴾ رَبَّنَا وَاجْعَلْنَا مُسْلِمَيْنِ لَكَ وَمِن ذُرِّيَّتِنَا أُمَّةً مُّسْلِمَةً لَّكَ وَأَرِنَا مَنَاسِكَنَا وَتُبْ عَلَيْنَا ۖ إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ ﴿١٢٨﴾

হে আমাদের রব, আমাদের পক্ষ থেকে কবূল করুন। নিশ্চয় আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী। হে আমাদের রব, আমাদেরকে আপনার অনুগত করুন এবং আমাদের বংশধরের মধ্য থেকে আপনার অনুগত জাতি বানান। আর আমাদেরকে আমাদের ইবাদাতের বিধি-বিধান দেখিয়ে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সূরা বাকারাঃ ২: ১২৭-১২৮

ক্ষমা প্রার্থনা #১

ক্ষমা প্রার্থনা #১

رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي

হে আমার রব, নিশ্চয় আমি আমার নফসের প্রতি যুলম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন

রেফারেন্স: সূরা কাসাসঃ ২৮:১৬

رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي

হে আমার রব, নিশ্চয় আমি আমার নফসের প্রতি যুলম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন

রেফারেন্স: সূরা কাসাসঃ ২৮:১৬

ক্ষমা প্রার্থনা #২

ক্ষমা প্রার্থনা #২

رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِن ذُرِّيَّتِي ۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ ﴿٤٠﴾ رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ ﴿٤١﴾

(৪০) ‘হে আমার রব, আমাকে সালাত কায়েমকারী বানান এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও, হে আমাদের রব, আর আমার দোয়া কবূল করুন’। (৪১) ‘হে আমাদের রব, যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিবেন’।

রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীমঃ ১৪:৪০-৪১

رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِن ذُرِّيَّتِي ۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ ﴿٤٠﴾ رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ ﴿٤١﴾

(৪০) ‘হে আমার রব, আমাকে সালাত কায়েমকারী বানান এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও, হে আমাদের রব, আর আমার দোয়া কবূল করুন’। (৪১) ‘হে আমাদের রব, যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিবেন’।

রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীমঃ ১৪:৪০-৪১

ক্ষমা প্রার্থনা #৩

ক্ষমা প্রার্থনা #৩

رَبِّ ٱغْفِرْ لِى

হে আমার রব, আমাকে ক্ষমা করুন

রেফারেন্স: সূরা ছোয়াদঃ ৩৮:৩৫

رَبِّ ٱغْفِرْ لِى

হে আমার রব, আমাকে ক্ষমা করুন

রেফারেন্স: সূরা ছোয়াদঃ ৩৮:৩৫

ক্ষমা প্রার্থনা #৪

ক্ষমা প্রার্থনা #৪

رَبَّنَا وَاجْعَلْنَا مُسْلِمَيْنِ لَكَ وَمِن ذُرِّيَّتِنَا أُمَّةً مُّسْلِمَةً لَّكَ وَأَرِنَا مَنَاسِكَنَا وَتُبْ عَلَيْنَا ۖ إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ

‘হে আমাদের রব, আমাদেরকে আপনার অনুগত করুন এবং আমাদের বংশধরের মধ্য থেকে আপনার অনুগত জাতি বানান। আর আমাদেরকে আমাদের ইবাদাতের বিধি-বিধান দেখিয়ে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’।

রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারাঃ ২:১২৮

رَبَّنَا وَاجْعَلْنَا مُسْلِمَيْنِ لَكَ وَمِن ذُرِّيَّتِنَا أُمَّةً مُّسْلِمَةً لَّكَ وَأَرِنَا مَنَاسِكَنَا وَتُبْ عَلَيْنَا ۖ إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ

‘হে আমাদের রব, আমাদেরকে আপনার অনুগত করুন এবং আমাদের বংশধরের মধ্য থেকে আপনার অনুগত জাতি বানান। আর আমাদেরকে আমাদের ইবাদাতের বিধি-বিধান দেখিয়ে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’।

রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারাঃ ২:১২৮

ক্ষমা ও রহমত প্রার্থনা #১

ক্ষমা ও রহমত প্রার্থনা #১

رَبَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ

হে আমাদের রব, আমরা ঈমান এনেছি, অতএব আমাদেরকে ক্ষমা ও দয়া করুন, আর আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু

রেফারেন্স: সূরা মুমিনূনঃ ২৩:১০৯

رَبَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ

হে আমাদের রব, আমরা ঈমান এনেছি, অতএব আমাদেরকে ক্ষমা ও দয়া করুন, আর আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু

রেফারেন্স: সূরা মুমিনূনঃ ২৩:১০৯

ক্ষমা ও রহমত প্রার্থনা #২

ক্ষমা ও রহমত প্রার্থনা #২

رَّبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ

হে আমাদের রব, আপনি ক্ষমা করুন, দয়া করুন এবং আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু

রেফারেন্স: সূরা মুমিনূনঃ ২৩:১১৮

رَّبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ

হে আমাদের রব, আপনি ক্ষমা করুন, দয়া করুন এবং আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু

রেফারেন্স: সূরা মুমিনূনঃ ২৩:১১৮

ক্ষমা এবং রহমত প্রার্থনা #৩

ক্ষমা এবং রহমত প্রার্থনা #৩

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَلِأَخِي وَأَدْخِلْنَا فِي رَحْمَتِكَ ۖ وَأَنْتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ

আমার রব, ক্ষমা করুন আমাকে ও আমার ভাইকে এবং আপনার রহমতে আমাদের প্রবেশ করান। আর আপনিই রহমকারীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।

রেফারেন্স: সূরা আল-আরাফঃ ৭:১৫১

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَلِأَخِي وَأَدْخِلْنَا فِي رَحْمَتِكَ ۖ وَأَنْتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ

আমার রব, ক্ষমা করুন আমাকে ও আমার ভাইকে এবং আপনার রহমতে আমাদের প্রবেশ করান। আর আপনিই রহমকারীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।

রেফারেন্স: সূরা আল-আরাফঃ ৭:১৫১

ক্ষমা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি

ক্ষমা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি

رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমরা ঈমান আনলাম। অতএব, আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল-ইমরানঃ ৩:১৬

رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমরা ঈমান আনলাম। অতএব, আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল-ইমরানঃ ৩:১৬

ক্ষমা, একনিষ্ঠতা এবং বিজয় প্রার্থনা

ক্ষমা, একনিষ্ঠতা এবং বিজয় প্রার্থনা

رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِي أَمْرِنَا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

হে আমাদের রব, আমাদের পাপ ও আমাদের কর্মে আমাদের সীমালঙঘন ক্ষমা করুন এবং অবিচল রাখুন আমাদের পা-সমূহকে, আর কাফির কওমের উপর আমাদেরকে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল-ইমরানঃ ৩:১৪৭

رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِي أَمْرِنَا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

হে আমাদের রব, আমাদের পাপ ও আমাদের কর্মে আমাদের সীমালঙঘন ক্ষমা করুন এবং অবিচল রাখুন আমাদের পা-সমূহকে, আর কাফির কওমের উপর আমাদেরকে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সূরা আল-ইমরানঃ ৩:১৪৭

পাপ করার পর ক্ষমা চাওয়া

পাপ করার পর ক্ষমা চাওয়া

رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ

হে আমাদের রব, আমরা নিজদের উপর যুলম করেছি। আর যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদেরকে দয়া না করেন তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।

রেফারেন্স: সূরা আরাফঃ ৭:২৩

رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ

হে আমাদের রব, আমরা নিজদের উপর যুলম করেছি। আর যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদেরকে দয়া না করেন তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।

রেফারেন্স: সূরা আরাফঃ ৭:২৩

ক্ষমা প্রার্থনা ও অজ্ঞতা থেকে আশ্রয় চাওয়া

ক্ষমা প্রার্থনা ও অজ্ঞতা থেকে আশ্রয় চাওয়া

رَبِّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أَسْأَلَكَ مَا لَيْسَ لِي بِهِ عِلْمٌ ۖ وَإِلَّا تَغْفِرْ لِي وَتَرْحَمْنِي أَكُن مِّنَ الْخَاسِرِينَ

হে আমার রব, যে বিষয়ে আমার জ্ঞান নেই তা চাওয়া থেকে আমি অবশ্যই আপনার আশ্রয় চাই। আর যদি আপনি আমাকে মাফ না করেন এবং আমার প্রতি দয়া না করেন, তবে আমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।

রেফারেন্স: সূরা হৃদঃ ১১:৪৭

رَبِّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أَسْأَلَكَ مَا لَيْسَ لِي بِهِ عِلْمٌ ۖ وَإِلَّا تَغْفِرْ لِي وَتَرْحَمْنِي أَكُن مِّنَ الْخَاسِرِينَ

হে আমার রব, যে বিষয়ে আমার জ্ঞান নেই তা চাওয়া থেকে আমি অবশ্যই আপনার আশ্রয় চাই। আর যদি আপনি আমাকে মাফ না করেন এবং আমার প্রতি দয়া না করেন, তবে আমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।

রেফারেন্স: সূরা হৃদঃ ১১:৪৭

পূর্ববর্তীদের জন্য ক্ষমা ও বিদ্বেষ মুক্তির দোয়া

পূর্ববর্তীদের জন্য ক্ষমা ও বিদ্বেষ মুক্তির দোয়া

رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالْإِيمَانِ وَلَا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلًّا لِّلَّذِينَ آمَنُوا رَبَّنَا إِنَّكَ رَءُوفٌ رَّحِيمٌ

হে আমাদের রব, আমাদেরকে ও আমাদের ভাই যারা ঈমান নিয়ে আমাদের পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে তাদেরকে ক্ষমা করুন; এবং যারা ঈমান এনেছিল তাদের জন্য আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রাখবেন না; হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি দয়াবান, পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সূরা হাশরঃ ৫৯:১০

رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالْإِيمَانِ وَلَا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلًّا لِّلَّذِينَ آمَنُوا رَبَّنَا إِنَّكَ رَءُوفٌ رَّحِيمٌ

হে আমাদের রব, আমাদেরকে ও আমাদের ভাই যারা ঈমান নিয়ে আমাদের পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে তাদেরকে ক্ষমা করুন; এবং যারা ঈমান এনেছিল তাদের জন্য আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রাখবেন না; হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি দয়াবান, পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সূরা হাশরঃ ৫৯:১০

ক্ষমা ও জালিমদের ধ্বংসের প্রার্থনা

ক্ষমা ও জালিমদের ধ্বংসের প্রার্থনা

رَّبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيْتِيَ مُؤْمِنًا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَلَا تَزِدِ الظَّالِمِينَ إِلَّا تَبَارًا

হে আমার রব! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, যে আমার ঘরে ঈমানদার হয়ে প্রবেশ করবে তাকে এবং মুমিন নারী-পুরুষকে ক্ষমা করুন এবং ধ্বংস ছাড়া আপনি যালিমদের আর কিছুই বাড়িয়ে দেবেন না।

রেফারেন্স: সূরা নূহঃ ৭১:২৮

رَّبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيْتِيَ مُؤْمِنًا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَلَا تَزِدِ الظَّالِمِينَ إِلَّا تَبَارًا

হে আমার রব! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, যে আমার ঘরে ঈমানদার হয়ে প্রবেশ করবে তাকে এবং মুমিন নারী-পুরুষকে ক্ষমা করুন এবং ধ্বংস ছাড়া আপনি যালিমদের আর কিছুই বাড়িয়ে দেবেন না।

রেফারেন্স: সূরা নূহঃ ৭১:২৮

সালাত কায়েমকারী ও ক্ষমা প্রার্থনা

সালাত কায়েমকারী ও ক্ষমা প্রার্থনা

رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِن ذُرِّيَّتِي ۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ ﴿٤٠﴾ رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ ﴿٤١﴾

হে আমার রব, আমাকে সালাত কায়েমকারী বানান এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও, হে আমাদের রব, আর আমার দোয়া কবূল করুন। হে আমাদের রব, যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিবেন।

রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীমঃ ১৪:৪০-৪১

رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِن ذُرِّيَّتِي ۚ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ ﴿٤٠﴾ رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ ﴿٤١﴾

হে আমার রব, আমাকে সালাত কায়েমকারী বানান এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও, হে আমাদের রব, আর আমার দোয়া কবূল করুন। হে আমাদের রব, যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিবেন।

রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীমঃ ১৪:৪০-৪১

ঈমানের স্বীকৃতি ও ক্ষমা প্রার্থনা

ঈমানের স্বীকৃতি ও ক্ষমা প্রার্থনা

سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ

আমরা শুনলাম এবং মানলাম। হে আমাদের রব! আমরা আপনারই ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল।

রেফারেন্স: সূরা বাকারাঃ ২:২৮৫

سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ

আমরা শুনলাম এবং মানলাম। হে আমাদের রব! আমরা আপনারই ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল।

রেফারেন্স: সূরা বাকারাঃ ২:২৮৫

ফন্ট সাইজ
15px
17px