📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 অন্তরে কুমন্ত্রণা অনুভব করলে

📄 অন্তরে কুমন্ত্রণা অনুভব করলে


অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #১

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #১

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

আ‘উযু বিল্লা-হি মিনাশ্ শাইত্বা-নির রাজীম

বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৭৬

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “শয়তান তোমাদের কারও কারও কাছে এসে বলে, ‘এটি কে সৃষ্টি করেছে? ওটি কে সৃষ্টি করেছে?' একপর্যায়ে বলে, তোমার রবকে কে সৃষ্টি করেছে?' ওই পর্যায়ে পৌঁছে গেলে, সে যেন বলে - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৭৬

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #২

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #২

آمَنْتُ بِاللَّهِ وَرُسُلِهِ

আ-মানতু বিল্লা-হি ওয়া রুসূলিহি

আমি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলদের মেনে নিয়েছি।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১৩৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “লোকজন পরস্পরকে একের-পর-এক প্রশ্ন করতেই থাকে; একপর্যায়ে এমন কথাও বলা হয়, আল্লাহ্‌ তো সকল সৃষ্টিকে সৃষ্টি করেছেন, তা হলে আল্লাহ্‌কে সৃষ্টি করল কে? যার মনে এ ধরনের কোনও প্রশ্ন সৃষ্টি হয়, সে যেন বলে - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

آمَنْتُ بِاللَّهِ وَرُسُلِهِ

আমি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলদের মেনে নিয়েছি।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১৩৪

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #৩

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #৩

اَللَّهُ أَحَدٌ، اللَّهُ الصَّمَدُ، لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

আল্লা-হু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ

আল্লাহ্‌ এক ও অদ্বিতীয়, আল্লাহ্‌ অমুখাপেক্ষী, তিনি (কাউকে) জন্ম দেননি, জন্মও নেননি, তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৪৭২২

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, “কিছুদিন পরেই লোকজন পরস্পরকে একের-পর-এক প্রশ্ন করতে থাকবে; এমনকি তাদের কোনও একজন প্রশ্ন করে বসবে আচ্ছা, আল্লাহ্‌ তো সকল সৃষ্টিকে সৃষ্টি করেছেন, তা হলে আল্লাহ্‌কে সৃষ্টি করল কে? লোকজন এমন কথা বললে, তোমরা বলো - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে) এরপর সে যেন তার বামদিকে তিনবার থুতু ছিটায়, শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চায়।

اَللَّهُ أَحَدٌ، اللَّهُ الصَّمَدُ، لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

আল্লাহ্‌ এক ও অদ্বিতীয়, আল্লাহ্‌ অমুখাপেক্ষী, তিনি (কাউকে) জন্ম দেননি, জন্মও নেননি, তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৪৭২২

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #৪

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #৪

ঈমান সম্পর্কে মনে কোনরূপ সন্দেহ দেখা দিলে বলবে -

هُوَ الْأوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ

হুয়াল আউওয়ালু ওয়াল আ-খিরু ওয়ায্যা-হিরু ওয়াল-বা-ত্বিনু ওয়া হুয়া বিকুল্লি শাই’ইন ‘আলীম

তিনিই প্রথম ও শেষ; প্রকাশ্য (উপরে) ও গোপন (নিকটে) আর তিনি সবকিছু সম্পর্কে সম্যক অবগত। (সূরা আল-হাদীদঃ ৫৭:৩)

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৫১১০

আবু যুমাইল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে বলি, “আমার মনে কী এক আজব প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে!” তিনি বলেন, “কী সেটি?” আমি বলি, “শপথ আল্লাহ্‌র! আমি এটি মুখে বলতে পারব না!” তিনি আমাকে বলেন, “সেটি কি কোনও ধরনের সন্দেহ?” এরপর তিনি হেঁসে বলেন, এ আয়াত নাযিল হওয়ার আগ পর্যন্ত, তা থেকে কেউ নিরাপদ ছিল না- (৯৪) সুতরাং আমি তোমার নিকট যা নাযিল করেছি, তা নিয়ে তুমি যদি সন্দেহে থাক, তাহলে যারা তোমার পূর্ব থেকেই কিতাব পাঠ করছে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করো। অবশ্যই তোমার নিকট তোমার রবের পক্ষ থেকে সত্য এসেছে। সুতরাং তুমি সন্দেহ পোষণকারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। (৯৫) আর তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না, যারা আল্লাহ্‌র আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছে। তাহলে তুমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” (সূরা ইউনুসঃ ১০:৯৪-৯৫)

ঈমান সম্পর্কে মনে কোনরূপ সন্দেহ দেখা দিলে বলবে -

هُوَ الْأوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ

তিনিই প্রথম ও শেষ; প্রকাশ্য (উপরে) ও গোপন (নিকটে) আর তিনি সবকিছু সম্পর্কে সম্যক অবগত। (সূরা আল-হাদীদঃ ৫৭:৩)

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৫১১০

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 দাজ্জালের অনিষ্ট থেকে আশ্রয়

📄 দাজ্জালের অনিষ্ট থেকে আশ্রয়


ক্ববরের আযাব ও দাজ্জাল থেকে আশ্রয় চাওয়া

ক্ববরের আযাব ও দাজ্জাল থেকে আশ্রয় চাওয়া

نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ عَذَابِ النَّارِ نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الْفِتَنِ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ

না’উযু বিল্লা-হি মিন ‘আযা-বিন না-র। না’উযু বিল্লা-হি মিন ‘আযাবি-ল ক্বাবর। না’উযু বিল্লা-হি মিনাল ফিতানি মা যাহারা মিনহা- ওয়ামা বাত্বান। না’উযু বিল্লা-হি মিন ফিতনাতিদ দাজ্জা-ল

জাহান্নামের শাস্তি হতে আমরা আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় চাই। কবরের ‘আযাব হতে আমরা আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় চাই। প্রকাশ্য ও গোপন সকল প্রকার ফিতনা হতে আমরা আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় চাই। দাজ্জালের ফিতনা হতে আমরা আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহিহ মুসলিমঃ ২৮৬৭

نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ عَذَابِ النَّارِ نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الْفِتَنِ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ

জাহান্নামের শাস্তি হতে আমরা আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় চাই। কবরের ‘আযাব হতে আমরা আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় চাই। প্রকাশ্য ও গোপন সকল প্রকার ফিতনা হতে আমরা আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় চাই। দাজ্জালের ফিতনা হতে আমরা আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহিহ মুসলিমঃ ২৮৬৭

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 রাগান্বিত অবস্থায় দোয়া সমূহ

📄 রাগান্বিত অবস্থায় দোয়া সমূহ


রাগান্বিত হলে যা পড়তে হয়

রাগান্বিত হলে যা পড়তে হয়

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

আ‘উযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম

আমি আল্লাহ্‌র কাছে বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: হা-মীম সাজদাহঃ ৪১:৩৬

আল্লাহ্‌ তা'আলা বলেন - আর যদি শয়তানের পক্ষ থেকে কোন কুমন্ত্রণা কখনো তোমাকে প্ররোচিত করে, তাহলে তুমি আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাত।

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

আমি আল্লাহ্‌র কাছে বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: হা-মীম সাজদাহঃ ৪১:৩৬

রাগ দমনের প্রার্থনা #১

রাগ দমনের প্রার্থনা #১

সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ) বলেনঃ দু‘জন লোক নবী (ﷺ)-এর সম্মুখে পরস্পর গালাগালি করছিল। তাদের একজন এতই রাগান্বিত হয়েছিলো যে, তার চেহারা ফুলে বিগড়ে গিয়েছিল। তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ "আমি অবশ্যই একটিই কালেমা জানি। সে ঐ কালেমাটি পড়লে তার রাগ চলে যেত"। তখন এক লোক তার কাছে গিয়ে নবী (ﷺ)-এর ঐ কথাটি তাকে জানালো আর বললো যে, "তুমি শয়তান থেকে আশ্রয় চাও"। তখন সে বললোঃ "আমার মধ্যে কি কোন রোগ দেখতে পাচ্ছ? আমি কি পাগল? চলে যাও তুমি।"

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬০৪৮

সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ) বলেনঃ দু‘জন লোক নবী (ﷺ)-এর সম্মুখে পরস্পর গালাগালি করছিল। তাদের একজন এতই রাগান্বিত হয়েছিলো যে, তার চেহারা ফুলে বিগড়ে গিয়েছিল। তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ "আমি অবশ্যই একটিই কালেমা জানি। সে ঐ কালেমাটি পড়লে তার রাগ চলে যেত"। তখন এক লোক তার কাছে গিয়ে নবী (ﷺ)-এর ঐ কথাটি তাকে জানালো আর বললো যে, "তুমি শয়তান থেকে আশ্রয় চাও"। তখন সে বললোঃ "আমার মধ্যে কি কোন রোগ দেখতে পাচ্ছ? আমি কি পাগল? চলে যাও তুমি।"

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬০৪৮

রাগ দমনের প্রার্থনা #২

রাগ দমনের প্রার্থনা #২

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, “সে শক্তিশালী নয়, যে (সব সময়) জয়ী থাকে; প্রকৃত শক্তিশালী সে-ই, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।"

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬১১৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, “সে শক্তিশালী নয়, যে (সব সময়) জয়ী থাকে; প্রকৃত শক্তিশালী সে-ই, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।"

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬১১৪

ফন্ট সাইজ
15px
17px