📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 শয়তান ও তার কুমন্ত্রণা তাড়ানোর দোয়া সমূহ

📄 শয়তান ও তার কুমন্ত্রণা তাড়ানোর দোয়া সমূহ


শয়তান থেকে বেঁচে থাকতে আল্লাহ্‌ তা‘আলার আশ্রয় প্রার্থনা

শয়তান থেকে বেঁচে থাকতে আল্লাহ্‌ তা‘আলার আশ্রয় প্রার্থনা

আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেছেন- “যদি শয়তানের পক্ষ থেকে কোনও প্ররোচনা আঁচ করতে পারো, তা হলে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা করো; তিনি সব কিছু শোনেন এবং জানেন।”

রেফারেন্স: সূরা ফুসিলাত ৪১:৩৬

আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেছেন- “যদি শয়তানের পক্ষ থেকে কোনও প্ররোচনা আঁচ করতে পারো, তা হলে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা করো; তিনি সব কিছু শোনেন এবং জানেন।”

রেফারেন্স: সূরা ফুসিলাত ৪১:৩৬

শয়তান তাড়ানোর জন্য যা যা বলা ও করা উচিত

শয়তান তাড়ানোর জন্য যা যা বলা ও করা উচিত

১. আল্লাহ্‌র কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়া; ২. আযান দেওয়া; [১] ৩. যিক্‌র ও কুরআন পাঠ করা; এবং [২] ৪. সালাতের মধ্যে ও কুরআন পাঠের সময় শয়তান ওয়াসওয়াসা দিলে বামদিকে তিনবার থুতু ছিটানো। তাছাড়া আরও যা শয়তানকে তাড়িয়ে দেয় তা হচ্ছে, সকাল বিকালের যিক্‌রসমূহ, ঘুমের যিক্‌র, জাগ্রত হওয়ার যিক্‌র, ঘরে প্রবেশের ও ঘর থেকে বের হওয়ার যিক্‌রসমূহ, মসজিদে প্রবেশের ও মসজিদ থেকে বের হওয়ার যিক্‌রসমূহ, ইত্যাদি শরী‘আতসম্মত যিক্‌রসমূহ। যেমন, ঘুমের সময় আয়াতুল কুরসী, সূরা আল-বাকারার সর্বশেষ দু’টি আয়াত। তাছাড়া যে ব্যক্তি “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর” একশতবার পড়বে, সেটা তার জন্য সে দিনটির জন্য পুরোপুরিই হেফাযতের কাজে দিবে। তদ্রুপ আযান দিলেও শয়তান পলায়ন করে। নবী (ﷺ) বলেন, “তোমরা তোমাদের ঘরসমূহ কবরে পরিণত করো না। নিশ্চয় শয়তান ঐ ঘর থেকে পলায়ন করে যেখানে সূরা বাকারাহ্‌ পাঠ করা হয়।” [মুসলিমঃ ৭৮০]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৬০৮ [২] মুসলিমঃ ৭৮০

১. আল্লাহ্‌র কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়া; ২. আযান দেওয়া; [১] ৩. যিক্‌র ও কুরআন পাঠ করা; এবং [২] ৪. সালাতের মধ্যে ও কুরআন পাঠের সময় শয়তান ওয়াসওয়াসা দিলে বামদিকে তিনবার থুতু ছিটানো। তাছাড়া আরও যা শয়তানকে তাড়িয়ে দেয় তা হচ্ছে, সকাল বিকালের যিক্‌রসমূহ, ঘুমের যিক্‌র, জাগ্রত হওয়ার যিক্‌র, ঘরে প্রবেশের ও ঘর থেকে বের হওয়ার যিক্‌রসমূহ, মসজিদে প্রবেশের ও মসজিদ থেকে বের হওয়ার যিক্‌রসমূহ, ইত্যাদি শরী‘আতসম্মত যিক্‌রসমূহ। যেমন, ঘুমের সময় আয়াতুল কুরসী, সূরা আল-বাকারার সর্বশেষ দু’টি আয়াত। তাছাড়া যে ব্যক্তি “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর” একশতবার পড়বে, সেটা তার জন্য সে দিনটির জন্য পুরোপুরিই হেফাযতের কাজে দিবে। তদ্রুপ আযান দিলেও শয়তান পলায়ন করে। নবী (ﷺ) বলেন, “তোমরা তোমাদের ঘরসমূহ কবরে পরিণত করো না। নিশ্চয় শয়তান ঐ ঘর থেকে পলায়ন করে যেখানে সূরা বাকারাহ্‌ পাঠ করা হয়।” [মুসলিমঃ ৭৮০]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৬০৮ [২] মুসলিমঃ ৭৮০

শয়তান ও তার কুমন্ত্রণা দূর করার দোয়া #১

শয়তান ও তার কুমন্ত্রণা দূর করার দোয়া #১

শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে এই দোয়ার মাধ্যমে -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

আ‘উযু বিল্লা-হি মিনাশ্ শাইত্বা-নির রাজীম

বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় নিচ্ছি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৮২

শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে এই দোয়ার মাধ্যমে -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় নিচ্ছি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৮২

শয়তান ও তার কুমন্ত্রণা দূর করার দোয়া #২

শয়তান ও তার কুমন্ত্রণা দূর করার দোয়া #২

رَبِّ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ، وَأَعُوْذُ بِكَ رَبِّ أَن يَّحْضُرُونِ

রব্বি আ‘উযুবিকা মিন্‌ হামাযা-তিশ্‌ শাইয়া-ত্বীন্‌, ওয়া ‘আ‘উযুবিকা রব্বি আঁই ইয়াহ্‌ দ্বুরূন্‌‌

হে আমার প্রতিপালক! শয়তানের কুমন্ত্রণা হতে আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। হে আমার প্রতিপালক! তাদের উপস্থিতি থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

রেফারেন্স: সূরা আল-মু'মিনূন ২৩:৯৭-৯৮

رَبِّ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ، وَأَعُوْذُ بِكَ رَبِّ أَن يَّحْضُرُونِ

হে আমার প্রতিপালক! শয়তানের কুমন্ত্রণা হতে আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। হে আমার প্রতিপালক! তাদের উপস্থিতি থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

রেফারেন্স: সূরা আল-মু'মিনূন ২৩:৯৭-৯৮

শয়তান ও তার কুমন্ত্রণা দূর করার দোয়া #৩

শয়তান ও তার কুমন্ত্রণা দূর করার দোয়া #৩

أَعُوْذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ

আ‘উযু বিল্লা-হিস্‌ সামি‘ইল-‘আলীমি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম মিন হামঝিহি ওয়া নাফখিহি ওয়া নাফছিহি

আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বময় জ্ঞানের অধিকারী আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকটে অভিশপ্ত শয়তান এবং তার কুমন্ত্রণা, ঝাড়ফুঁক ও যাদুমন্ত্র হতে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৭৭৫

أَعُوْذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ

আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বময় জ্ঞানের অধিকারী আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকটে অভিশপ্ত শয়তান এবং তার কুমন্ত্রণা, ঝাড়ফুঁক ও যাদুমন্ত্র হতে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৭৭৫

সালাত / কুরআন তিলাওয়াতের সময় শয়তান কুমন্ত্রণা দিলে

সালাত / কুরআন তিলাওয়াতের সময় শয়তান কুমন্ত্রণা দিলে

সালাতে শয়তানের উপস্থিতি টের পেলে এই দোয়া বলবে ও বামদিকে তিনবার থুতু দিবে -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

আ‘উযু বিল্লা-হি মিনাশ্ শাইত্বা-নির রাজীম

বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় নিচ্ছি।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২২০৩

সালাতে শয়তানের উপস্থিতি টের পেলে এই দোয়া বলবে ও বামদিকে তিনবার থুতু দিবে -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় নিচ্ছি।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২২০৩

মসজিদে প্রবেশকালে শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়া #১

মসজিদে প্রবেশকালে শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়া #১

মসজিদে প্রবেশকালে বলবে -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ وَسُلْطَانِهِ الْقَدِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

আ‘উযু বিল্লা-হিল ‘আযীম, ওয়া বি ওয়াজ্‌হিহিল কারীম, ওয়া সুলতা-নিহিল ক্বাদীম মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম

আমি মহান আল্লাহ্‌র নিকট বিতাড়িত শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যিনি (আল্লাহ্‌) সর্বদা রাজত্বের এবং মর্যাদাপূর্ণ চেহারার অধিকারী।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৪৬৬

‘উক্ববাহ্ (রাঃ) বললেন, কেউ এ দু’আ পাঠ করলে শয়তান বলে, এ লোকটি আমার (অনিষ্ট ও কুমন্ত্রণা) থেকে সারা দিনের জন্য বেঁচে গেল।

মসজিদে প্রবেশকালে বলবে -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ وَسُلْطَانِهِ الْقَدِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

আমি মহান আল্লাহ্‌র নিকট বিতাড়িত শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যিনি (আল্লাহ্‌) সর্বদা রাজত্বের এবং মর্যাদাপূর্ণ চেহারার অধিকারী।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৪৬৬

মসজিদে প্রবেশকালে শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়া #২

মসজিদে প্রবেশকালে শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়া #২

মসজিদে প্রবেশকালে বলবে -

اَللَّهُمَّ اعْصِمْنِي مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

আল্লা-হুম্মা আ‘সিমনি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম

হে আল্লাহ্‌, আমাকে বিতাড়িত শয়তান থেকে হেফাযত করুন।

রেফারেন্স: সহিহ। ইবন মাজাহ্ঃ‌ ৭৭৩

মসজিদে প্রবেশকালে বলবে -

اَللَّهُمَّ اعْصِمْنِي مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

হে আল্লাহ্‌, আমাকে বিতাড়িত শয়তান থেকে হেফাযত করুন।

রেফারেন্স: সহিহ। ইবন মাজাহ্ঃ‌ ৭৭৩

মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়া

মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়া

আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় এ যিক্‌র পাঠ করতে নির্দেশ দিয়েছেন -

اَللَّهُمَّ أَجِرْنِيْ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

আল্লা-হুম্মা, আজির্‌ নী মিনাশ শায়ত্বা-নির রাজীম

হে আল্লাহ্‌ আমাকে বিতাড়িত শয়তান থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: সহীহ (ইবনে হিব্বান)। ইবনে হিব্বানঃ ২০৪৭

আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় এ যিক্‌র পাঠ করতে নির্দেশ দিয়েছেন -

اَللَّهُمَّ أَجِرْنِيْ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

হে আল্লাহ্‌ আমাকে বিতাড়িত শয়তান থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: সহীহ (ইবনে হিব্বান)। ইবনে হিব্বানঃ ২০৪৭

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 সন্তানের নিরাপত্তা সম্পর্কিত দোয়া সমূহ

📄 সন্তানের নিরাপত্তা সম্পর্কিত দোয়া সমূহ


নবজাতকের ব্যপারে শয়তানের শত্রুতা

নবজাতকের ব্যপারে শয়তানের শত্রুতা

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, “মানুষ যখন জন্মগ্রহণ করে, তখন তাদের প্রত্যেকের দু' পাশে শয়তান তার দু' আঙুল দিয়ে স্পর্শ করে, তবে ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) এর ব্যতিক্রম। শয়তান তাঁকে স্পর্শ করতে গিয়েছিল, (কিন্তু পারেনি), পরিশেষে সে তাঁর বহিরাবরণের পর্দা স্পর্শ করে।”

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৮৬

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, “মানুষ যখন জন্মগ্রহণ করে, তখন তাদের প্রত্যেকের দু' পাশে শয়তান তার দু' আঙুল দিয়ে স্পর্শ করে, তবে ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) এর ব্যতিক্রম। শয়তান তাঁকে স্পর্শ করতে গিয়েছিল, (কিন্তু পারেনি), পরিশেষে সে তাঁর বহিরাবরণের পর্দা স্পর্শ করে।”

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৮৬

নবজাতকের পিতার জন্য দোয়া ও তার জবাব #১

নবজাতকের পিতার জন্য দোয়া ও তার জবাব #১

হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি এক ব্যক্তিকে অভিবাদন শেখাতে গিয়ে বলেন, তুমি বলবে -

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي الْمَوْهُوبِ لَكَ وَشَكَرْتَ الْوَاهِبَ وَبَلَغَ أَشُدَّهُ وَرُزِقْتَ بِرَّهُ

বা-রাকাল্লাহু লাকা ফিল মাউহূবি লাকা, ওয়া শাকারতাল ওয়া-হিবা, ওয়া বালাগা আশুদ্দাহু, ওয়া রুঝিক্বতা বির্‌রাহু

আল্লাহ্‌ তোমাকে তোমার সন্তানের মধ্যে বরকত দিন! সন্তান-দানকারীর প্রতি তোমাকে কৃতজ্ঞ বানিয়ে দিন! (তোমার সন্তান) তারুণ্যে পৌঁছে যাক! তোমাকে তার সদাচরণ লাভের সুযোগ দেওয়া হোক!

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৪৪১‌

হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি এক ব্যক্তিকে অভিবাদন শেখাতে গিয়ে বলেন, তুমি বলবে -

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي الْمَوْهُوبِ لَكَ وَشَكَرْتَ الْوَاهِبَ وَبَلَغَ أَشُدَّهُ وَرُزِقْتَ بِرَّهُ

আল্লাহ্‌ তোমাকে তোমার সন্তানের মধ্যে বরকত দিন! সন্তান-দানকারীর প্রতি তোমাকে কৃতজ্ঞ বানিয়ে দিন! (তোমার সন্তান) তারুণ্যে পৌঁছে যাক! তোমাকে তার সদাচরণ লাভের সুযোগ দেওয়া হোক!

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৪৪১‌

নবজাতকের পিতার জন্য দোয়া ও তার জবাব #২

নবজাতকের পিতার জন্য দোয়া ও তার জবাব #২

অভিবাদন-জ্ঞাপনকারীকে এ ধরনের জবাব দেওয়া উত্তম -

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا وَرَزَقَكَ اللَّهُ مِثْلَهُ وَأَجْزَلَ اللَّهُ ثَوَابَكَ

বা-রাকাল্লা-হু লাকা ওয়া বা-রাকা ‘আলাইকা, ওয়া জাঝা-কাল্লা-হু খাইরান, ওয়া রাঝাক্বাকাল্লা-হু মিছলাহু ওয়া আজঝালাল্লা-হু ছাওয়া-বাকা

আল্লাহ্‌ তোমার জন্য বরকতের ফায়সালা করুন! তোমার উপর বরকত নাযিল করুন! আল্লাহ্‌ তোমাকে উত্তম প্রতিদান দিন! আল্লাহ্‌ তোমাকে অনুরূপ দান করুন! আল্লাহ্‌ তোমার সাওয়াব বাড়িয়ে দিন!

রেফারেন্স: এটি ইমাম নাওয়াবী তার আল-আযকার গ্রন্থে পৃ. ২৫৬/৩৪৯ উল্লেখ করেছেন

অভিবাদন-জ্ঞাপনকারীকে এ ধরনের জবাব দেওয়া উত্তম -

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا وَرَزَقَكَ اللَّهُ مِثْلَهُ وَأَجْزَلَ اللَّهُ ثَوَابَكَ

আল্লাহ্‌ তোমার জন্য বরকতের ফায়সালা করুন! তোমার উপর বরকত নাযিল করুন! আল্লাহ্‌ তোমাকে উত্তম প্রতিদান দিন! আল্লাহ্‌ তোমাকে অনুরূপ দান করুন! আল্লাহ্‌ তোমার সাওয়াব বাড়িয়ে দিন!

রেফারেন্স: এটি ইমাম নাওয়াবী তার আল-আযকার গ্রন্থে পৃ. ২৫৬/৩৪৯ উল্লেখ করেছেন

সন্তান ও অন্যদেরকে আল্লাহ্‌র আশ্রয়ে দেওয়ার দোয়া

সন্তান ও অন্যদেরকে আল্লাহ্‌র আশ্রয়ে দেওয়ার দোয়া

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-কে আল্লাহ্‌র আশ্রয়ে দেওয়ার সময় বলতেন -

أُعِيذُكُمَا [أَعُوْذُ] بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ

উ’ঈযুকুমা (নিজের জন্য পড়লে: আ‘উযু) বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শাইতানিওঁ ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনিন লা-ম্মাহ

আমি তোমাদেরকে আশ্রয়ে রাখছি (অথবা, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি) আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ কথাসমূহের, সকল শয়তান থেকে, সকল ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও প্রাণি থেকে এবং সকল ক্ষতিকারক দৃষ্টি থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৭১

আর রাসূল (ﷺ) বলতেন, “তোমাদের পিতা [ইবরাহীম (আঃ) তাঁর দু' ছেলে] ইসমাঈল (আঃ) ও ইসহাক (আঃ)-কে এভাবে আল্লাহ্‌র আশ্রয়ে দিতেন।”

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-কে আল্লাহ্‌র আশ্রয়ে দেওয়ার সময় বলতেন -

أُعِيذُكُمَا [أَعُوْذُ] بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ

আমি তোমাদেরকে আশ্রয়ে রাখছি (অথবা, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি) আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ কথাসমূহের, সকল শয়তান থেকে, সকল ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও প্রাণি থেকে এবং সকল ক্ষতিকারক দৃষ্টি থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৭১

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 অনিষ্ট সম্পর্কিত অন্যান্য দোয়া সমূহ

📄 অনিষ্ট সম্পর্কিত অন্যান্য দোয়া সমূহ


কোন কিছুর অনিষ্ট থেকে আল্লাহ্ তা‘আলার কাছে আশ্রয় প্রার্থনার দোয়া

কোন কিছুর অনিষ্ট থেকে আল্লাহ্ তা‘আলার কাছে আশ্রয় প্রার্থনার দোয়া

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ الَّتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ، وَبَرَأَ وَذَرَأَ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الْأَرْضِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا، وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ طَارِقٍ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَنُ

আ‘উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত্-তা-ম্মা-তিল্লাতী লা ইয়ুজা-উইঝুহুন্না বাররুন ওয়ালা ফা-জিরুম মিন শাররি মা খালাক্বা, ওয়া বারা’আ, ওয়া যারা’আ, ওয়ামিন শাররি মা ইয়ানঝিলু মিনাস্ সামা-য়ি, ওয়া মিন শার্‌রি মা ইয়া’অ্‌রুজু ফীহা, ওয়ামিন শাররি মা যারাআ ফিল আরদ্বি, ওয়ামিন শাররি মা ইয়াখরুজু মিনহা, ওয়ামিন শাররি ফিতানিল-লাইলি ওয়ান-নাহা-রি, ওয়ামিন শাররি কুল্লি ত্বা-রিক্কীন ইল্লা ত্বা-রিকান ইয়াত্বরুকু বিখাইরিন, ইয়া রহ্‌মান

আমি আল্লাহ্‌র ঐ সকল পরিপূর্ণ বাণীসমূহের সাহায্যে আশ্রয় চাই যা কোনো সৎলোক বা অসৎলোক অতিক্রম করতে পারে না- আল্লাহ্‌ যা সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন এবং তৈরি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে, যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে তার অনিষ্ট থেকে, দিনে-রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাত্রিবেলা হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে, তবে রাতে আগত যে বিষয় কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত; হে দয়াময়!

রেফারেন্স: সহীহ। সহিহ আল-জামিঃ ৭৪

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ الَّتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ، وَبَرَأَ وَذَرَأَ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الْأَرْضِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا، وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ طَارِقٍ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَنُ

আমি আল্লাহ্‌র ঐ সকল পরিপূর্ণ বাণীসমূহের সাহায্যে আশ্রয় চাই যা কোনো সৎলোক বা অসৎলোক অতিক্রম করতে পারে না- আল্লাহ্‌ যা সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন এবং তৈরি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে, যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে তার অনিষ্ট থেকে, দিনে-রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাত্রিবেলা হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে, তবে রাতে আগত যে বিষয় কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত; হে দয়াময়!

রেফারেন্স: সহীহ। সহিহ আল-জামিঃ ৭৪

অপছন্দনীয় কিছু ঘটে গেলে

অপছন্দনীয় কিছু ঘটে গেলে

قَدَّرَ اللَّهُ وَمَا شَاءَ فَعَلَ

ক্বদ্দারা-ল্লাহু ওয়ামা-শা-আ ফা'আল

এ হলো আল্লাহ্‌র ফায়সালা। তিনি যা চান, তা-ই করেন

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৬৬৪

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “দূর্বল মুমিনের চেয়ে শক্তিশালী মুমিন উত্তম এবং আল্লাহ্‌ তা‘আলার কাছে বেশি প্রিয়; অবশ্য প্রত্যেকের মধ্যেই কল্যাণ আছে। ওই কাজ করতে উদ্বুদ্ধ হও, যা তোমার উপকারে আসবে। আর আল্লাহ্‌র কাছে সাহায্য চাও; নিজেকে (কখনও) অসহায় মনে কোরো না। তোমার জীবনে কোনও কিছু ঘটে গেলে এ কথা - বলো না, ‘ইশ! আমি যদি এ কাজ করতাম, তা হলে এটি হতো, সেটি হতো!’ বরং বলো- (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে) কারণ, ‘যদি কথাটি শয়তানের কাজের জন্য রাস্তা খুলে দেয়।”

قَدَّرَ اللَّهُ وَمَا شَاءَ فَعَلَ

এ হলো আল্লাহ্‌র ফায়সালা। তিনি যা চান, তা-ই করেন

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৬৬৪

কোনও কঠিন বিষয়ের মুখোমুখি হলে

কোনও কঠিন বিষয়ের মুখোমুখি হলে

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ لَا سَهْلَ إِلَّا مَا جَعَلْتَهُ سَهْلًا، وَأَنْتَ تَجْعَلُ الْحَزْنَ إِذَا شِئْتَ سَهْلًا

আল্লা-হুম্মা লা সাহ্‌লা ইল্লা- মা জা‘আলতাহু সাহ্‌লান, ওয়া আনতা তাজ্‘আলুল হাঝনা ইযা শি’তা সাহ্‌লা

হে আল্লাহ্‌! কোনও কিছুই সহজ নয়, তুমি যেটি সহজ করে দাও সেটি বাদে। তুমি যখন চাও, পেরেশানিকে সহজ করে দাও।

রেফারেন্স: সহীহ (ইবনে হাজার আসকালানী)। ইবনে হিব্বানঃ ৯৭৪

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ لَا سَهْلَ إِلَّا مَا جَعَلْتَهُ سَهْلًا، وَأَنْتَ تَجْعَلُ الْحَزْنَ إِذَا شِئْتَ سَهْلًا

হে আল্লাহ্‌! কোনও কিছুই সহজ নয়, তুমি যেটি সহজ করে দাও সেটি বাদে। তুমি যখন চাও, পেরেশানিকে সহজ করে দাও।

রেফারেন্স: সহীহ (ইবনে হাজার আসকালানী)। ইবনে হিব্বানঃ ৯৭৪

কোনও গুনাহ হয়ে গেলে

কোনও গুনাহ হয়ে গেলে

আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একবার) আবূ বকর (রাঃ) আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করে বলেছেন “আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, ‘কোনও বান্দা যদি কোনও গোনাহ করে, তারপর সুন্দরভাবে ওযূ করে, এরপর দাঁড়িয়ে দু' রাকআত সালাত আদায় করে আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চায়, আল্লাহ্‌ অবশ্যই তাকে মাফ করে দেবেন। এরপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেন - ‘আর যারা কখনও কোনও অশ্লীল কাজ করে ফেললে অথবা (কোনও গোনাহের কাজ করে) নিজেদের উপর জুলুম করে বসলে, সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহ্‌র কথা স্মরণ করে, তাঁর কাছে নিজেদের গোনাহ-খাতার জন্য মাফ চায়-আর আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কে গোনাহ মাফ করতে পারেন-এবং জেনে-বুঝে নিজেদের কৃতকর্মের উপর জোর দেয় না, এ ধরনের লোকদের যে প্রতিদান তাদের রবের কাছে আছে তা হচ্ছে এই যে, তিনি তাদের মাফ করে দেবেন এবং এমন বাগানে তাদের প্রবেশ করাবেন, যার পাদদেশে ঝরনাধারা প্রবাহিত হবে, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। সৎকাজ যারা করে তাদের জন্য কেমন চমৎকার প্রতিদান!' (সূরা আল ইমরান ৩:১৩৫-১৩৬)

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫২১

আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একবার) আবূ বকর (রাঃ) আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করে বলেছেন “আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, ‘কোনও বান্দা যদি কোনও গোনাহ করে, তারপর সুন্দরভাবে ওযূ করে, এরপর দাঁড়িয়ে দু' রাকআত সালাত আদায় করে আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চায়, আল্লাহ্‌ অবশ্যই তাকে মাফ করে দেবেন। এরপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেন - ‘আর যারা কখনও কোনও অশ্লীল কাজ করে ফেললে অথবা (কোনও গোনাহের কাজ করে) নিজেদের উপর জুলুম করে বসলে, সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহ্‌র কথা স্মরণ করে, তাঁর কাছে নিজেদের গোনাহ-খাতার জন্য মাফ চায়-আর আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কে গোনাহ মাফ করতে পারেন-এবং জেনে-বুঝে নিজেদের কৃতকর্মের উপর জোর দেয় না, এ ধরনের লোকদের যে প্রতিদান তাদের রবের কাছে আছে তা হচ্ছে এই যে, তিনি তাদের মাফ করে দেবেন এবং এমন বাগানে তাদের প্রবেশ করাবেন, যার পাদদেশে ঝরনাধারা প্রবাহিত হবে, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। সৎকাজ যারা করে তাদের জন্য কেমন চমৎকার প্রতিদান!' (সূরা আল ইমরান ৩:১৩৫-১৩৬)

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫২১

মোরগের ডাক, গাধার স্বর অথবা রাতের বেলায় কুকুরের ডাক শুনলে দোয়া

মোরগের ডাক, গাধার স্বর অথবা রাতের বেলায় কুকুরের ডাক শুনলে দোয়া

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيـمِ

আ‘উযু বিল্লা-হি মিনাশ্ শাইত্বা-নির রাজীম

বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় নিচ্ছি।

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৩৩০৩ [২] সহীহ। আবূ দাঊদঃ ৫১০৩

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন - “যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে, তখন তোমরা আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ চাইবে, কেননা সে একটি ফেরেশতা দেখেছে। আর যখন তোমরা কোনো গাধার স্বর শুনবে, তখন শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাইবে; কেননা সে শয়তান দেখেছে।” [১] আবার “যখন তোমরা রাত্রিবেলা কুকুরের ডাক ও গাধার স্বর শুনবে, তখন তোমরা সেগুলো থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাও; কেননা সেগুলো তা দেখে তোমরা যা দেখতে পাও না।” [২]

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيـمِ

বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় নিচ্ছি।

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৩৩০৩ [২] সহীহ। আবূ দাঊদঃ ৫১০৩

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 অন্তরে কুমন্ত্রণা অনুভব করলে

📄 অন্তরে কুমন্ত্রণা অনুভব করলে


অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #১

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #১

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

আ‘উযু বিল্লা-হি মিনাশ্ শাইত্বা-নির রাজীম

বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৭৬

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “শয়তান তোমাদের কারও কারও কাছে এসে বলে, ‘এটি কে সৃষ্টি করেছে? ওটি কে সৃষ্টি করেছে?' একপর্যায়ে বলে, তোমার রবকে কে সৃষ্টি করেছে?' ওই পর্যায়ে পৌঁছে গেলে, সে যেন বলে - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ

বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৭৬

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #২

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #২

آمَنْتُ بِاللَّهِ وَرُسُلِهِ

আ-মানতু বিল্লা-হি ওয়া রুসূলিহি

আমি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলদের মেনে নিয়েছি।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১৩৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “লোকজন পরস্পরকে একের-পর-এক প্রশ্ন করতেই থাকে; একপর্যায়ে এমন কথাও বলা হয়, আল্লাহ্‌ তো সকল সৃষ্টিকে সৃষ্টি করেছেন, তা হলে আল্লাহ্‌কে সৃষ্টি করল কে? যার মনে এ ধরনের কোনও প্রশ্ন সৃষ্টি হয়, সে যেন বলে - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

آمَنْتُ بِاللَّهِ وَرُسُلِهِ

আমি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলদের মেনে নিয়েছি।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১৩৪

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #৩

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #৩

اَللَّهُ أَحَدٌ، اللَّهُ الصَّمَدُ، لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

আল্লা-হু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ

আল্লাহ্‌ এক ও অদ্বিতীয়, আল্লাহ্‌ অমুখাপেক্ষী, তিনি (কাউকে) জন্ম দেননি, জন্মও নেননি, তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৪৭২২

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, “কিছুদিন পরেই লোকজন পরস্পরকে একের-পর-এক প্রশ্ন করতে থাকবে; এমনকি তাদের কোনও একজন প্রশ্ন করে বসবে আচ্ছা, আল্লাহ্‌ তো সকল সৃষ্টিকে সৃষ্টি করেছেন, তা হলে আল্লাহ্‌কে সৃষ্টি করল কে? লোকজন এমন কথা বললে, তোমরা বলো - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে) এরপর সে যেন তার বামদিকে তিনবার থুতু ছিটায়, শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চায়।

اَللَّهُ أَحَدٌ، اللَّهُ الصَّمَدُ، لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

আল্লাহ্‌ এক ও অদ্বিতীয়, আল্লাহ্‌ অমুখাপেক্ষী, তিনি (কাউকে) জন্ম দেননি, জন্মও নেননি, তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৪৭২২

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #৪

অন্তরে কুমন্ত্রণা অথবা ঈমানে সন্দেহ দেখা দিলে #৪

ঈমান সম্পর্কে মনে কোনরূপ সন্দেহ দেখা দিলে বলবে -

هُوَ الْأوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ

হুয়াল আউওয়ালু ওয়াল আ-খিরু ওয়ায্যা-হিরু ওয়াল-বা-ত্বিনু ওয়া হুয়া বিকুল্লি শাই’ইন ‘আলীম

তিনিই প্রথম ও শেষ; প্রকাশ্য (উপরে) ও গোপন (নিকটে) আর তিনি সবকিছু সম্পর্কে সম্যক অবগত। (সূরা আল-হাদীদঃ ৫৭:৩)

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৫১১০

আবু যুমাইল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে বলি, “আমার মনে কী এক আজব প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে!” তিনি বলেন, “কী সেটি?” আমি বলি, “শপথ আল্লাহ্‌র! আমি এটি মুখে বলতে পারব না!” তিনি আমাকে বলেন, “সেটি কি কোনও ধরনের সন্দেহ?” এরপর তিনি হেঁসে বলেন, এ আয়াত নাযিল হওয়ার আগ পর্যন্ত, তা থেকে কেউ নিরাপদ ছিল না- (৯৪) সুতরাং আমি তোমার নিকট যা নাযিল করেছি, তা নিয়ে তুমি যদি সন্দেহে থাক, তাহলে যারা তোমার পূর্ব থেকেই কিতাব পাঠ করছে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করো। অবশ্যই তোমার নিকট তোমার রবের পক্ষ থেকে সত্য এসেছে। সুতরাং তুমি সন্দেহ পোষণকারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। (৯৫) আর তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না, যারা আল্লাহ্‌র আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছে। তাহলে তুমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” (সূরা ইউনুসঃ ১০:৯৪-৯৫)

ঈমান সম্পর্কে মনে কোনরূপ সন্দেহ দেখা দিলে বলবে -

هُوَ الْأوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ

তিনিই প্রথম ও শেষ; প্রকাশ্য (উপরে) ও গোপন (নিকটে) আর তিনি সবকিছু সম্পর্কে সম্যক অবগত। (সূরা আল-হাদীদঃ ৫৭:৩)

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৫১১০

ফন্ট সাইজ
15px
17px