📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 হাজীদের জন্য পঠিতব্য দোয়া সমূহ

📄 হাজীদের জন্য পঠিতব্য দোয়া সমূহ


হাজ্জ বা উমরায় তালবিয়া পাঠের নিয়ম

হাজ্জ বা উমরায় তালবিয়া পাঠের নিয়ম

لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ، وَالنِّعْمَةَ، لَكَ وَالْمُلْكَ، لَا شَرِيكَ لَكَ

লাব্বাইকাল্লা-হুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারীকা লাকা লাব্বাইক। ইন্নাল-হামদা ওয়ান-নি‘মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারীকা লাক

আমি হাজির! হে আল্লাহ্‌, আমি হাজির! আমি হাজির! তোমার কোনও অংশীদার নেই; আমি হাজির! প্রশংসা, অনুগ্রহ ও রাজত্ব-সবই তোমার! তোমার কোনও অংশীদার নেই।

রেফারেন্স: বুখারী, ১৫৪৯, মুসলিম ২/৮৪১, নং ১১৮৪

ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে মাথার চুল একসঙ্গে জড়ো করে এ তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি- (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে) তিনি এর চেয়ে বেশি শব্দ উচ্চারণ করেননি।

لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ، وَالنِّعْمَةَ، لَكَ وَالْمُلْكَ، لَا شَرِيكَ لَكَ

আমি হাজির! হে আল্লাহ্‌, আমি হাজির! আমি হাজির! তোমার কোনও অংশীদার নেই; আমি হাজির! প্রশংসা, অনুগ্রহ ও রাজত্ব-সবই তোমার! তোমার কোনও অংশীদার নেই।

রেফারেন্স: বুখারী, ১৫৪৯, মুসলিম ২/৮৪১, নং ১১৮৪

হাজরে আসওয়াদে পোঁছে তাকবীর পাঠ

হাজরে আসওয়াদে পোঁছে তাকবীর পাঠ

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) উটের পিঠে চড়ে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করেছেন। হাজরে আসওয়াদের কাছে এসে, তিনি নিজের হাতের একটি বস্তু দিয়ে এর দিকে ইশারা করে তাকবীর পাঠ করেছেন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৬৩২

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) উটের পিঠে চড়ে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করেছেন। হাজরে আসওয়াদের কাছে এসে, তিনি নিজের হাতের একটি বস্তু দিয়ে এর দিকে ইশারা করে তাকবীর পাঠ করেছেন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৬৩২

রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মাঝখানে দোয়া

রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদের মাঝখানে দোয়া

رَبَّنَا اٰتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الْاٰخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ

রব্বানা আ-তিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাওঁ ওয়াফিল আ-খিরাতি হাসানাতাওঁ ওয়াক্বিনা ‘আযা-বান্না-র

হে আমাদের রব! আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দাও, আখিরাতেও কল্যাণ দাও, আর আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাও।

রেফারেন্স: হাদীসটি হাসান। আবু দাউদ, ১৮৯২

আবদুল্লাহ ইবনুস সাইব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে দু' রুকনের মাঝখানে এ দোয়া পড়তে শুনেছি- (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

رَبَّنَا اٰتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الْاٰخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ

হে আমাদের রব! আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দাও, আখিরাতেও কল্যাণ দাও, আর আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাও।

রেফারেন্স: হাদীসটি হাসান। আবু দাউদ, ১৮৯২

আরাফার দিন দোয়া

আরাফার দিন দোয়া

নবী (ﷺ) বলেন, “সর্বোত্তম দোয়া হলো আরাফার দিনের দোয়া। আমি ও আমার আগেকার নবীগণ সর্বোত্তম যে দোয়াটি পড়েছেন, তা হলো -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই, তিনি একক। তাঁর কোনও অংশীদার নেই; শাসনক্ষমতা তাঁর; প্রশংসাও তাঁরই; তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: হাদীসটি হাসান। তিরমিযি, ৩৫৮৫

নবী (ﷺ) বলেন, “সর্বোত্তম দোয়া হলো আরাফার দিনের দোয়া। আমি ও আমার আগেকার নবীগণ সর্বোত্তম যে দোয়াটি পড়েছেন, তা হলো -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই, তিনি একক। তাঁর কোনও অংশীদার নেই; শাসনক্ষমতা তাঁর; প্রশংসাও তাঁরই; তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: হাদীসটি হাসান। তিরমিযি, ৩৫৮৫

মুযদালিফায় বা আল-মাশআরুল হারামে যিক্‌র

মুযদালিফায় বা আল-মাশআরুল হারামে যিক্‌র

জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ)-এর হাজ্জ বিষয়ে তার দীর্ঘ বিবরণীর একপর্যায়ে তিনি বলেন, 'এরপর আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) ফজরের আগ পর্যন্ত শুয়ে থাকেন। প্রভাত স্পষ্ট হয়ে ওঠার পর, এক আযান ও এক ইক্বামতের মাধ্যমে তিনি ফজরের সালাত আদায় করেন। তারপর কাসওয়ায় [১] চড়ে আল-মাশআরুল হারামে আসেন। সেখানে কিবলামুখী হয়ে আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করেন এবং আল্লাহ্‌ তা'আলার শ্রেষ্ঠত্ব, সার্বভৌমত্ব ও একত্বের কথা ঘোষণা করেন। ভোরের আলো অত্যন্ত উজ্জ্বল হয়ে ওঠা পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন। তারপর সূর্য ওঠার আগে সেখান থেকে চলে আসেন।' [২]

রেফারেন্স: [১] নবী (ﷺ)-এর বাহনের নাম [২] মুসলিমঃ ১২১৮

জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ)-এর হাজ্জ বিষয়ে তার দীর্ঘ বিবরণীর একপর্যায়ে তিনি বলেন, 'এরপর আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) ফজরের আগ পর্যন্ত শুয়ে থাকেন। প্রভাত স্পষ্ট হয়ে ওঠার পর, এক আযান ও এক ইক্বামতের মাধ্যমে তিনি ফজরের সালাত আদায় করেন। তারপর কাসওয়ায় [১] চড়ে আল-মাশআরুল হারামে আসেন। সেখানে কিবলামুখী হয়ে আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করেন এবং আল্লাহ্‌ তা'আলার শ্রেষ্ঠত্ব, সার্বভৌমত্ব ও একত্বের কথা ঘোষণা করেন। ভোরের আলো অত্যন্ত উজ্জ্বল হয়ে ওঠা পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন। তারপর সূর্য ওঠার আগে সেখান থেকে চলে আসেন।' [২]

রেফারেন্স: [১] নবী (ﷺ)-এর বাহনের নাম [২] মুসলিমঃ ১২১৮

জামরায় পাথর নিক্ষেপের সময় তাকবীর পাঠ

জামরায় পাথর নিক্ষেপের সময় তাকবীর পাঠ

ইবনু উমর (রাঃ)-এর ব্যাপারে বর্ণিত, তিনি নিকটবর্তী জামরায় (আল-জামরাতুদ দুনইয়া) সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন। প্রত্যেকবার কঙ্কর নিক্ষেপের পর, তিনি তাকবীর (আল্লাহু আকবার) পাঠ করতেন। তারপর অগ্রসর হয়ে সমতল ভূমিতে নামতেন। সেখানে কিবলামুখী হয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন এবং দু' হাত তোলে দোয়া করতেন। তারপর মধ্যবর্তী জামরায় (আল-জামরাতুল উস্তা) একইভাবে কঙ্কর নিক্ষেপ করে বামদিকে গিয়ে সমতল ভূমিতে নামতেন। সেখানে কিবলামুখী হয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন এবং দু' হাত তোলে দোয়া করতেন। তারপর উপত্যকার নিচের দিকে অবস্থিত জামরাতুল আকাবায় কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন; তবে তিনি সেখানে দাঁড়াতেন না। ইবনু উমর (রাঃ) বলতেন, “আমি নবী (ﷺ)-কে এভাবেই (কঙ্কর-নিক্ষেপ) করতে দেখেছি।”

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৭৫১

ইবনু উমর (রাঃ)-এর ব্যাপারে বর্ণিত, তিনি নিকটবর্তী জামরায় (আল-জামরাতুদ দুনইয়া) সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন। প্রত্যেকবার কঙ্কর নিক্ষেপের পর, তিনি তাকবীর (আল্লাহু আকবার) পাঠ করতেন। তারপর অগ্রসর হয়ে সমতল ভূমিতে নামতেন। সেখানে কিবলামুখী হয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন এবং দু' হাত তোলে দোয়া করতেন। তারপর মধ্যবর্তী জামরায় (আল-জামরাতুল উস্তা) একইভাবে কঙ্কর নিক্ষেপ করে বামদিকে গিয়ে সমতল ভূমিতে নামতেন। সেখানে কিবলামুখী হয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন এবং দু' হাত তোলে দোয়া করতেন। তারপর উপত্যকার নিচের দিকে অবস্থিত জামরাতুল আকাবায় কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন; তবে তিনি সেখানে দাঁড়াতেন না। ইবনু উমর (রাঃ) বলতেন, “আমি নবী (ﷺ)-কে এভাবেই (কঙ্কর-নিক্ষেপ) করতে দেখেছি।”

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৭৫১

হাজরে আসওয়াদের কাছে আসলে তাকবীর বলা

হাজরে আসওয়াদের কাছে আসলে তাকবীর বলা

اَللَّهُ أَكْبَرُ

আল্লা-হু আকবার

আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বড়।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৬১৩, ১৬৩২

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) উটের উপর আরোহণ করে কা‘বা ঘর তাওয়াফ করলেন; যখনই তিনি হাজরে আসওয়াদের কাছে পৌছতেন, তখনই সেদিকে তার নিকটস্থ কিছু দিয়ে ইঙ্গিত করতেন এবং ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُ أَكْبَرُ

আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বড়।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৬১৩, ১৬৩২

মাশ‘আরুল হারাম তথা মুযদালিফায় যিক্‌র

মাশ‘আরুল হারাম তথা মুযদালিফায় যিক্‌র

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু পাঠ করেন,

لَا إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ

একমাত্র আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই।

এবং তাঁর তাওহীদ বা একত্ব ঘোষণা করেন,

اَللَّهُ أَحَدٌ

আল্লা-হু আহা'দ

আল্লাহ্‌, এক-অদ্বিতীয়।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১২১৮

তারপর তিনি (আকাশ) পূর্ণ ফর্সা না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করেন। অতঃপর সূর্য উদিত হওয়ার পূর্বেই তিনি মুযদালিফা ত্যাগ করেন।

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু পাঠ করেন,

لَا إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ

একমাত্র আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই।

এবং তাঁর তাওহীদ বা একত্ব ঘোষণা করেন,

اَللَّهُ أَحَدٌ

আল্লাহ্‌, এক-অদ্বিতীয়।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১২১৮

জামরাসমূহে প্রত্যেক কংকর নিক্ষেপকালে তাকবীর বলা

জামরাসমূহে প্রত্যেক কংকর নিক্ষেপকালে তাকবীর বলা

রাসূল (ﷺ) তিনটি জামরায় প্রতিটি কংকর নিক্ষেপের সময় বলতেন -

اَللَّهُ أَكْبَرُ

আল্লা-হু আকবার

আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বড়।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৭৫১

অতঃপর কিছুটা অগ্রসর হয়ে কিবলামুখী হয়ে দাঁড়াতেন এবং প্রথম জামরা ও দ্বিতীয় জামরায় দুই হাত উঁচু করে দোয়া করতেন। কিন্তু জামরাতুল ‘আক্বাবায় প্রতিটি কংকর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন এবং সেখানে অবস্থান না করে ফিরে আসতেন।

রাসূল (ﷺ) তিনটি জামরায় প্রতিটি কংকর নিক্ষেপের সময় বলতেন -

اَللَّهُ أَكْبَرُ

আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বড়।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৭৫১

সাফা ও মারওয়ায় দাঁড়িয়ে যা পড়বে

সাফা ও মারওয়ায় দাঁড়িয়ে যা পড়বে

আর বলেন, আল্লাহ্‌ যেখান থেকে শুরু করেছেন আমিও সেখান থেকে শুরু করব। অতঃপর তিনি সাফা পর্বতে আরোহণ করতে লাগলেন যতক্ষণ না কা‘বা দেখলেন, অতঃপর কিবলামুখী হলেন, তারপর আল্লাহ্‌র তাওহীদ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ঘোষণা করেন এবং তাকবীর (আল্লাহু আকবার) বলেন, অতঃপর এই দোয়া পড়েন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ، أَنْجَزَ وَعْدَهُ، وَنَصَرَ عَبْدَهُ، وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর। লা ইলাহা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু, আনজাযা ওয়া‘দাহু, ওয়ানাসারা ‘আবদাহু, ওয়া হাযামাল-আহযা-বা ওয়াহদাহু

একমাত্র আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। একমাত্র আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন, তিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন, আর তিনি সকল বিরোধী দল-গোষ্ঠীকে একাই পরাস্ত করেছেন।

রেফারেন্স: [১] আল বাকারা: ১৫৮ [২] মুসলিম ২/৮৮৮, নং ১২১৮; আর আয়াতটি সূরা আল-বাকারার আয়াত নং ১৫৮।

এভাবে তিনি এর মধ্যবর্তী স্থানেও দোয়া করতে থাকেন। এই দোয়া তিনবার পাঠ করেন। হাদীসটিতে আরও আছে, “তিনি সাফা পাহাড়ে যেমন করেছিলেন মারওয়াতেও অনুরূপ করেন। [২]

আর বলেন, আল্লাহ্‌ যেখান থেকে শুরু করেছেন আমিও সেখান থেকে শুরু করব। অতঃপর তিনি সাফা পর্বতে আরোহণ করতে লাগলেন যতক্ষণ না কা‘বা দেখলেন, অতঃপর কিবলামুখী হলেন, তারপর আল্লাহ্‌র তাওহীদ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ঘোষণা করেন এবং তাকবীর (আল্লাহু আকবার) বলেন, অতঃপর এই দোয়া পড়েন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ، أَنْجَزَ وَعْدَهُ، وَنَصَرَ عَبْدَهُ، وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ

একমাত্র আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। একমাত্র আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন, তিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন, আর তিনি সকল বিরোধী দল-গোষ্ঠীকে একাই পরাস্ত করেছেন।

রেফারেন্স: [১] আল বাকারা: ১৫৮ [২] মুসলিম ২/৮৮৮, নং ১২১৮; আর আয়াতটি সূরা আল-বাকারার আয়াত নং ১৫৮।

জামারায় পাথর ছুড়ার পর

জামারায় পাথর ছুড়ার পর

اَللَّهُمَّ اجْعَلْهُ حَجًّا مَّبْرُورًا، وَّذَنْۢبًا مَّغْفُوْرًا.

আল্লা-হুম্মাজ আলহু হাব্বাম্‌ মাব্‌রু’রাও ওয়া-যাম্‌বাম্‌ মাগ্‌ফু’রা।

হে আল্লাহ, এই হজকে হজ্জে মাবরুর (নেকিতে পূর্ণ ও গােনাহমুক্ত) বানিয়ে দিন এবং সকল গােনাহ ক্ষমা করে দিন।

রেফারেন্স: সহিহ সনদ। (শুয়াইব আল-আরনাঊত) মুসনাদ ৭/১৫০

اَللَّهُمَّ اجْعَلْهُ حَجًّا مَّبْرُورًا، وَّذَنْۢبًا مَّغْفُوْرًا.

হে আল্লাহ, এই হজকে হজ্জে মাবরুর (নেকিতে পূর্ণ ও গােনাহমুক্ত) বানিয়ে দিন এবং সকল গােনাহ ক্ষমা করে দিন।

রেফারেন্স: সহিহ সনদ। (শুয়াইব আল-আরনাঊত) মুসনাদ ৭/১৫০

হজ্জ এর মধ্যে দোয়া

হজ্জ এর মধ্যে দোয়া

اَللَّهُمَّ حَجَّةً لَا رِيَاءَ فِيْهَا وَلَا سُمْعَةَ

আল্লা-হুম্মা হাজ্জাতান লা রিয়া-আ ফিহা- ওয়ালা- সুম্‌’আহ।

হে আল্লাহ! এ হজ্জকে এমন হজ্জ বানিয়ে দিন, যাতে কোন প্রদর্শনেচ্ছা বা প্রচারেচ্ছা নেই।

রেফারেন্স: সহিহ লিগাইরিহি। সহীহ তারগীবঃ ১১২২

اَللَّهُمَّ حَجَّةً لَا رِيَاءَ فِيْهَا وَلَا سُمْعَةَ

হে আল্লাহ! এ হজ্জকে এমন হজ্জ বানিয়ে দিন, যাতে কোন প্রদর্শনেচ্ছা বা প্রচারেচ্ছা নেই।

রেফারেন্স: সহিহ লিগাইরিহি। সহীহ তারগীবঃ ১১২২

হজ্জ সফরের সময় বিদায়ী দোয়া

হজ্জ সফরের সময় বিদায়ী দোয়া

أَسْتَوْدِعُ اللَّهَ دِيْنَكَ وَأَمَانَتَكَ وَخَوَاتِيْمَ عَمَلِكَ

আস্‌তাউদি’উল্লা-হা দীনাকা ওয়া আমা-নাতাকা ওয়া খাওয়া-তিমা 'আমা-লিক

আল্লাহ্‌র কাছে গচ্ছিত রাখছি তোমার দীন, তোমার আমানত এবং তোমার কর্মের পরিণতি। (সফরের কারণে এগুলি যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়)

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৪৩

أَسْتَوْدِعُ اللَّهَ دِيْنَكَ وَأَمَانَتَكَ وَخَوَاتِيْمَ عَمَلِكَ

আল্লাহ্‌র কাছে গচ্ছিত রাখছি তোমার দীন, তোমার আমানত এবং তোমার কর্মের পরিণতি। (সফরের কারণে এগুলি যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়)

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৪৩

হাজীকে বিদায় জানানোর দোয়া

হাজীকে বিদায় জানানোর দোয়া

زَوَّدَكَ اللَّهُ التَّقْوَى وَغَفَرَ ذَۢنْبَكَ وَيَسَّرَ لَكَ الْخَيْرَ حَيْثُمَا كُنْتَ

ঝাওয়্যাদাকাল্লা-হুত তাক্কওয়া, ওয়া গাফারা যাম্‌বাকা, ওয়া ইয়াস্‌সারা লাকাল খাইরা ‘হাইছুমা কুনতা

আল্লাহ্‌ তাক্বওয়াকে তোমার পাথেয় হিসেবে প্রদান করুন, তোমার গোনাহ ক্ষমা করুন এবং তুমি যেখানেই থাক না কেন তোমার জন্য মঙ্গলকে সহজ করুন।

রেফারেন্স: হাসান। সহিহুল জামেঃ ৩৫৭৯

زَوَّدَكَ اللَّهُ التَّقْوَى وَغَفَرَ ذَۢنْبَكَ وَيَسَّرَ لَكَ الْخَيْرَ حَيْثُمَا كُنْتَ

আল্লাহ্‌ তাক্বওয়াকে তোমার পাথেয় হিসেবে প্রদান করুন, তোমার গোনাহ ক্ষমা করুন এবং তুমি যেখানেই থাক না কেন তোমার জন্য মঙ্গলকে সহজ করুন।

রেফারেন্স: হাসান। সহিহুল জামেঃ ৩৫৭৯

সবুজ বাতির মধ্যবর্তী স্থানে পড়বে

সবুজ বাতির মধ্যবর্তী স্থানে পড়বে

رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ، إِنَّكَ أَنْتَ الأَعَزُّ الأَكْرَمُ

রাব্বিগফির্‌ ওয়ার্‌হাম্‌, ইন্নাকা আন্‌তাল আ’আযযুল্‌ আক্‌রাম।

হে আল্লাহ ! ক্ষমা করে দাও, নিশ্চয় তুমি মহা পরাক্রমশালী ও মহা দয়াবান

রেফারেন্স: মাওক্বুফ সহিহ (ইবনে হাজার)। আলফুতুহাতুর রাব্বানিয়্যাহঃ ৪/৪০১

رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ، إِنَّكَ أَنْتَ الأَعَزُّ الأَكْرَمُ

হে আল্লাহ ! ক্ষমা করে দাও, নিশ্চয় তুমি মহা পরাক্রমশালী ও মহা দয়াবান

রেফারেন্স: মাওক্বুফ সহিহ (ইবনে হাজার)। আলফুতুহাতুর রাব্বানিয়্যাহঃ ৪/৪০১

সাঈ শুরুর দোয়া

সাঈ শুরুর দোয়া

إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَآئِرِ اللَّهِ، أَبْدَأُ بِمَا بَدَأَ اللَّهُ بِهِ

ইন্নাস্‌সাফা ওয়াল-মারওয়াতা মিন শা‘আ-ইরিল্লা-হ। আব্‌দাউ বিমা- বাদাআল্লাহু বিহি।

নিশ্চয়ই সাফা মারওয়া আল্লাহর নিদর্শন। আমি শুরু করছি আল্লাহ যা দিয়ে শুরু করেছেন

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১২১৮

إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَآئِرِ اللَّهِ، أَبْدَأُ بِمَا بَدَأَ اللَّهُ بِهِ

নিশ্চয়ই সাফা মারওয়া আল্লাহর নিদর্শন। আমি শুরু করছি আল্লাহ যা দিয়ে শুরু করেছেন

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১২১৮

কাবার দিকে মুখ করে পঠিতব্য দোয়া

কাবার দিকে মুখ করে পঠিতব্য দোয়া

সাফা পাহাড়ে ওঠে বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করে দাঁড়াতে হবে এবং আল্লাহর একত্ববাদ, বড়ত্ব ও প্রশংসার ঘােষণা দিয়ে বলতে হবে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ‏ وَحْدَهُ ‏لَا شَرِيْكَ لَهُ‏، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيْتُ وَهَوُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ، لَا إِلَهَ إِلَّا اَللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، أَنْجَزَ وَعْدَهُ، وَنَصَرَ عَبْدَهُ، وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَةُ.

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহু। লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ইউহ-য়ি ওয়া ইউমিতু ওয়াহুয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা- শারীকা লাহু, আনজাযা ওয়া’দাহু, ওয়া নাছারা ‘আব্‌দাহু, ওয়া হাযামাল আহ্‌যা-বা ওয়াহদাহ্।

আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোনাে ইলাহ নেই, তিনি এক। তাঁর কোনাে অংশীদার নেই। রাজত্ব তাঁরই। প্রশংসাও তাঁর। তিনিই জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু দান করেন। তিনি সকল বিষয়ের ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোনাে ইলাহ নেই, তিনি এক। তার কোনাে শরিক নেই। তিনি তার অঙ্গীকার পূর্ণ করেছেন, ও তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই শত্রুদেরকে পরাজিত করেছেন।

রেফারেন্স: সহিহ। ইবনে মাজাহঃ ২৫১২

সাফা পাহাড়ে ওঠে বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করে দাঁড়াতে হবে এবং আল্লাহর একত্ববাদ, বড়ত্ব ও প্রশংসার ঘােষণা দিয়ে বলতে হবে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ‏ وَحْدَهُ ‏لَا شَرِيْكَ لَهُ‏، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيْتُ وَهَوُ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ، لَا إِلَهَ إِلَّا اَللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، أَنْجَزَ وَعْدَهُ، وَنَصَرَ عَبْدَهُ، وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَةُ.

আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোনাে ইলাহ নেই, তিনি এক। তাঁর কোনাে অংশীদার নেই। রাজত্ব তাঁরই। প্রশংসাও তাঁর। তিনিই জীবন দান করেন এবং তিনিই মৃত্যু দান করেন। তিনি সকল বিষয়ের ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোনাে ইলাহ নেই, তিনি এক। তার কোনাে শরিক নেই। তিনি তার অঙ্গীকার পূর্ণ করেছেন, ও তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই শত্রুদেরকে পরাজিত করেছেন।

রেফারেন্স: সহিহ। ইবনে মাজাহঃ ২৫১২

হজ্জের নিয়তকালে

হজ্জের নিয়তকালে

لَبَّيْكَ اَللَّهمَّ بِحَجَّةٍ (لَبَّيْكَ حَجًّا)

লাব্বাইকা আল্লা-হুম্মা বিহাজ্জাহ (অথবা লাব্বাইকা হাজ্জা)

হে আল্লাহ! আমি হজ্জের উদ্দেশ্যে উপস্থিত।

রেফারেন্স: মানাসিকুল হজ্জ, ১৬ পৃষ্ঠা

لَبَّيْكَ اَللَّهمَّ بِحَجَّةٍ (لَبَّيْكَ حَجًّا)

হে আল্লাহ! আমি হজ্জের উদ্দেশ্যে উপস্থিত।

রেফারেন্স: মানাসিকুল হজ্জ, ১৬ পৃষ্ঠা

উমরার নিয়তকালে

উমরার নিয়তকালে

لَبَّيْكَ اللَّهمَّ بِعُمْرَةٍ

লাব্বাইকা আল্লা-হুম্মা বি'উমরাহ

হে আল্লাহ! আমি ‘উমরার নিয়তে হাজির।

রেফারেন্স: মানাসিকুল হজ্জ, ১৬ পৃষ্ঠা

لَبَّيْكَ اللَّهمَّ بِعُمْرَةٍ

হে আল্লাহ! আমি ‘উমরার নিয়তে হাজির।

রেফারেন্স: মানাসিকুল হজ্জ, ১৬ পৃষ্ঠা

কা’বা দর্শনের সময়

কা’বা দর্শনের সময়

اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ وَمِنْك السَّلَامُ فَحَيِّنَا رَبَّنَا بِالسَّلَامِ

আল্লা-হুম্মা আন্‌তাস সালা-ম, ওয়া মিন্‌কাস সালা-ম, ফা-হাইয়্যিনা- রাব্বানা- বিস্‌সালা-ম।

হে আল্লাহ! তুমিই শান্তি (পবিত্র) তোমারই তরফ থেকে শান্তি। অতএব হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে শান্তির সাথে জীবিত রাখ।

রেফারেন্স: হাসান। বাইহাকীঃ ৫/৭৩

اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ وَمِنْك السَّلَامُ فَحَيِّنَا رَبَّنَا بِالسَّلَامِ

হে আল্লাহ! তুমিই শান্তি (পবিত্র) তোমারই তরফ থেকে শান্তি। অতএব হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে শান্তির সাথে জীবিত রাখ।

রেফারেন্স: হাসান। বাইহাকীঃ ৫/৭৩

তওয়াফ কালে দুই রুকনের মাঝে

তওয়াফ কালে দুই রুকনের মাঝে

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

রাব্বানা- আ-তিনা- ফিদ্ দুন্ইয়া- হাসানাতাওঁ ওয়াফিল্ আ-খিরাতি হাসানাতাওঁ ওয়াক্বিনা- ‘আযা-বান না-র।

হে আমাদের প্রভু! আমাদেরকে দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণ দান কর। এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাও।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ১৮৯২

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

হে আমাদের প্রভু! আমাদেরকে দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণ দান কর। এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাও।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ১৮৯২

কুরবানীর পশু হলে পড়বে-

কুরবানীর পশু হলে পড়বে-

بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ اَللَّهُمَّ إِنَّ هَذَا مِنْكَ وَلَكَ اَللَّهُمَّ تَقَبَّلْ مِنِّي

বিসমিল্লা-হি ওয়াল্লা-হু আকবার, আল্লা-হুম্মা ইন্না হা-যা মিনকা ওয়ালাক, আল্লা-হুম্মা তাকাব্বাল মিন্নী।

আল্লাহর নাম নিয়ে কুরবানী করছি। এবং আল্লাহ সব চেয়ে মহান। হে আল্লাহ! এটা তোমার তরফ থেকে এবং তোমার জন্য। হে আল্লাহ! তুমি আমার নিকট হতে কবুল কর।

রেফারেন্স: ইরওয়াউল গলীলঃ ১১১৮

পরিবারের তরফ থেকে হলে ‘তাক্বাব্বাল মিন্নী’র পর ওয়ামিন আহলি বাইতী’ যোগ করবে। কুরবানী অন্য কারো তরফ থেকে হলে অথবা আকীকার পশু হলে ‘তাকাব্বাল মিন’ বলে সেই ব্যক্তির বা শিশুর নাম নেবে। প্রকাশ যে, এই দোয়ার উপর আর কোন অতিরিক্ত দোয়া শুদ্ধ নয়।

بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ اَللَّهُمَّ إِنَّ هَذَا مِنْكَ وَلَكَ اَللَّهُمَّ تَقَبَّلْ مِنِّي

আল্লাহর নাম নিয়ে কুরবানী করছি। এবং আল্লাহ সব চেয়ে মহান। হে আল্লাহ! এটা তোমার তরফ থেকে এবং তোমার জন্য। হে আল্লাহ! তুমি আমার নিকট হতে কবুল কর।

রেফারেন্স: ইরওয়াউল গলীলঃ ১১১৮

ফন্ট সাইজ
15px
17px