📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 মুসাফিরের জন্য পঠিতব্য দোয়া সমূহ

📄 মুসাফিরের জন্য পঠিতব্য দোয়া সমূহ


বাহনে আরোহণের দোয়া

বাহনে আরোহণের দোয়া

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বাহনে আরোহণের সময় বিসমিল্লাহ বলতেন, উঠে বসার পর বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ، سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِيْنَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُوْنَ، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اَللّهُ أَكْبَرُ، (لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ) سُبْحَانَكَ، إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِيْ فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ

আল-’হামদু লিল্লা-হ, সুব্‌হা-নাল্লাযী সা’খ্‌খারা লানা- হা-যা- ওয়ামা- কুন্‌না- লাহু মুক্বরিনীন, ওয়া ইন্না ইলা- রাব্বিনা- লামুন্‌ক্বলিবূন। আল-’হামদু লিল্লা-হ, আল-’হামদু লিল্লা-হ, আল- ’হামদু লিল্লা-হ, আল্লা-হু আক্‌বার, আল্লা-হু আক্‌বার, আল্লা-হু আক্‌বার, (লা- ইলা-হা ইল্লা- আন্‌তা,) সুব্‌'হা-নাকা, ইন্নী যালাম্‌তু নাফ্‌সী ফাগ্‌ফির্‌লী, ফাইন্নাহু লা- ইয়াগফিরুয্‌ যুনূবা ইল্লা- আনতা

প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য। পবিত্র ও মহান তিনি, যিনি এদেরকে আমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন, যদিও আমরা সমর্থ ছিলাম না এদেরকে বশীভূত করতে। প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য (৩ বার), আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ (৩ বার) (আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই), আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, আমি আমার নিজের উপর অত্যাচার করেছি কাজেই আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। আপনি ছাড়া কেউ পাপ ক্ষমা করে না।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৪৬

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বাহনে আরোহণের সময় বিসমিল্লাহ বলতেন, উঠে বসার পর বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ، سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِيْنَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُوْنَ، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اَللّهُ أَكْبَرُ، (لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ) سُبْحَانَكَ، إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِيْ فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ

প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য। পবিত্র ও মহান তিনি, যিনি এদেরকে আমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন, যদিও আমরা সমর্থ ছিলাম না এদেরকে বশীভূত করতে। প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য (৩ বার), আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ (৩ বার) (আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই), আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, আমি আমার নিজের উপর অত্যাচার করেছি কাজেই আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। আপনি ছাড়া কেউ পাপ ক্ষমা করে না।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৪৬

সফর ও প্রত্যাবর্তনের দোয়া

সফর ও প্রত্যাবর্তনের দোয়া

আর নবী (ﷺ) সফর থেকে ফেরার সময়ও তা পড়তেন এবং তাতে যোগ করতেন -

آيِبُونَ، تَائِبُونَ، عَابِدُونَ، لِرَبِّنَا حَامِدُونَ

আ-ইবূনা তা-ইবূনা ‘আ-বিদূনা, লিরব্বিনা হা-মিদূন

আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাকারী, ইবাদতকারী এবং আমাদের রবের প্রশংসাকারী

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১৩৪২

আর নবী (ﷺ) সফর থেকে ফেরার সময়ও তা পড়তেন এবং তাতে যোগ করতেন -

آيِبُونَ، تَائِبُونَ، عَابِدُونَ، لِرَبِّنَا حَامِدُونَ

আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাকারী, ইবাদতকারী এবং আমাদের রবের প্রশংসাকারী

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১৩৪২

মুসাফিরের জন্য মুক্বীম বা অবস্থানকারীর দোয়া

মুসাফিরের জন্য মুক্বীম বা অবস্থানকারীর দোয়া

أَسْتَوْدِعُكَ اللَّهَ الَّذِيْ لَا تَضِيْعُ وَدَائِعُهُ

আস্‌তাউদি’উকাল্লা-হা আল্লাযী লা- তাদ্বী’উ ওয়াদা-য়ি’উহু

তোমাকে গচ্ছিত রাখছি আল্লাহ্‌র কাছে, যার কাছে গচ্ছিত কিছুই বিনষ্ট হয় না।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ২৮২৫

আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আমাকে বিদায়কালে উপরের কথাগুলি বলেন। তাহলে, মুসাফির বিদায়-দাতাকে এ দোয়া বলবেন। তবে বিদায়কালে মুসাফির ও বিদায়দাতা উভয়েই এ দোয়া পরস্পরকে বলতে পারেন।

أَسْتَوْدِعُكَ اللَّهَ الَّذِيْ لَا تَضِيْعُ وَدَائِعُهُ

তোমাকে গচ্ছিত রাখছি আল্লাহ্‌র কাছে, যার কাছে গচ্ছিত কিছুই বিনষ্ট হয় না।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ২৮২৫

মুসাফিরকে বিদায় জানানোর দোয়া #১

মুসাফিরকে বিদায় জানানোর দোয়া #১

أَسْتَوْدِعُ اللَّهَ دِيْنَكَ وَأَمَانَتَكَ وَخَوَاتِيْمَ عَمَلِكَ

আস্‌তাউদি’উল্লা-হা দীনাকা ওয়া আমা-নাতাকা ওয়া খাওয়া-তিমা 'আমা-লিকা

আল্লাহ্‌র কাছে গচ্ছিত রাখছি তোমার দীন, তোমার আমানত এবং তোমার কর্মের পরিণতি। (সফরের কারণে এগুলি যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়)

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৪৩

আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ): যখন কাউকে বিদায় জানাতেন তখন তার হাত ধরে মুসাফাহা (করমর্দন) করতেন এবং উপরের কথাগুলি বলতেন। অন্য হাদীসে আব্দুল্লাহ ইবন ইয়াযীদ খাতমী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌, যখন কোনো বাহিনীকে বিদায় জানাতেন তখন এ কথা বলতেন। তবে এক্ষেত্রে একবচন (কা)-এর পরিবর্তে বহুবচন (কুম: তোমাদের) শব্দ ব্যবহার করতেন: ‘‘আস্‌তাউদি’উল্লা-হা দীনাকুম ওয়া আমানাতাকুম ওয়া ‘খাওয়া-তিমা আ'মা-লিকুম’’ আল্লাহ্‌র নিকট গচ্ছিত রাখছি তোমাদের দীন, তোমাদের আমানত এবং তোমাদের কর্মের পরিণতি।

أَسْتَوْدِعُ اللَّهَ دِيْنَكَ وَأَمَانَتَكَ وَخَوَاتِيْمَ عَمَلِكَ

আল্লাহ্‌র কাছে গচ্ছিত রাখছি তোমার দীন, তোমার আমানত এবং তোমার কর্মের পরিণতি। (সফরের কারণে এগুলি যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়)

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৪৩

মুসাফিরকে বিদায় জানানোর দোয়া #২

মুসাফিরকে বিদায় জানানোর দোয়া #২

زَوَّدَكَ اللَّهُ التَّقْوَى وَغَفَرَ لَكَ ذَنْبَكَ وَيَسَّرَ لَكَ الْخَيْرَ حَيْثُمَا كُنْتَ

ঝাওয়্যাদাকাল্লা-হুত তাক্কওয়া, ওয়া গাফারা লাকা যানবাকা, ওয়া ইয়াস্‌সারা লাকাল খাইরা ‘হাইছুমা কুনতা

আল্লাহ্‌ তাকওয়াকে তোমার পাথেয় হিসেবে প্রদান করুন, তোমার গোনাহ ক্ষমা করুন এবং তুমি যেখানেই থাক না কেন তোমার জন্য মঙ্গলকে সহজ করুন।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৪৪৪

আনাস ইবন মালিক (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) এর কাছে এসে বলে, আমি সফরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমাকে পাথেয় দিন। তখন তিনি এ কথাগুলো বলে তার জন্য দোয়া করেন।

زَوَّدَكَ اللَّهُ التَّقْوَى وَغَفَرَ لَكَ ذَنْبَكَ وَيَسَّرَ لَكَ الْخَيْرَ حَيْثُمَا كُنْتَ

আল্লাহ্‌ তাকওয়াকে তোমার পাথেয় হিসেবে প্রদান করুন, তোমার গোনাহ ক্ষমা করুন এবং তুমি যেখানেই থাক না কেন তোমার জন্য মঙ্গলকে সহজ করুন।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৪৪৪

কোনো স্থানে প্রবেশ বা অবস্থানের দোয়া #

কোনো স্থানে প্রবেশ বা অবস্থানের দোয়া #

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

আ‘উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি, মিন শার্‌রি মা-খালাক্ব

আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ বাক্যসমূহের আশ্রয় গ্রহণ করছি, তিনি যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তার অকল্যাণ থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭০৮

আমরা দেখেছি যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, যদি কেউ কোনো স্থানে গমন করে বা সফরে কোথাও থামে এবং এ দোয়াটি বলে, তাহলে তথায় অবস্থানকালে কোনো কিছু তার ক্ষতি করতে পারবে না।

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ বাক্যসমূহের আশ্রয় গ্রহণ করছি, তিনি যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তার অকল্যাণ থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭০৮

কোনো স্থানে প্রবেশ বা অবস্থানের দোয়া #২

কোনো স্থানে প্রবেশ বা অবস্থানের দোয়া #২

اَللَّهُمَّ رَّبَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظْلَلْنَ، وَرَبَّ الْأَرَضِيْنَ السَّبْعِ ومَا أَقْلَلْنَ، ورَبَّ الشَّيَاطِيْنِ ومَا أَضْلَلْنَ، ورَبَّ الرِّيَاحِ وَمَا ذَرَيْنَ، أَسْأَلُكَ خَيْرَ هَذِهِ الْقَرْيَةِ وَخَيْرَ أَهْلِهَا، (وَخَيْرَ مَا فِيهَا) وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ أَهْلِهَا وشَرِّ مَا فِيهَا

আল্লা-হুম্মা রাব্বাস সামাওয়া-তিস সাব্‌’য়ি ওয়ামা-আয্‌লাল্‌না, ওয়া রাব্বাল আরাদ্বীনাস সাব্‌য়ি ওয়ামা- আক্ক্‌লাল্‌না, ওয়া রাব্বাশ শাইয়া-ত্বীনি ওয়ামা- আদ্ব্‌লাল্‌না ওয়া রাব্বার রিয়া-’হি ওয়ামা যারাইনা আস্‌আলুকা খাইরা হা-যিহিল ক্কার্‌ইয়াতি ওয়া খাইরা আহ্‌লিহা-, (ওয়া ‘খাইরা মা- ফীহা), ওয়া না’ঊযু বিকা মিন্ শার্‌রিহা- ওয়া শার্‌রি আহ্‌লিহা- ওয়া শার্‌রি মা- ফীহা-

হে আল্লাহ্‌, সাত আসমান ও সেগুলোর নিম্নের সবকিছুর প্রতিপালক, সাত যমিন ও সেগুলোর উপরের সবকিছুর প্রতিপালক, শয়তানগণ ও তাদের দ্বারা বিভ্রান্তদের প্রতিপালক, বায়ুপ্রবাহ এবং যা কিছু তা বহন করে তার প্রতিপালক, আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এ জনপদের কল্যাণ, এর বাসিন্দাদের কল্যাণ (এবং এর মধ্যে যা কিছু বিদ্যমান তার কল্যাণ)। এবং আমরা আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি এ জনপদের অকল্যাণ, এর বাসিন্দাদের অকল্যাণ এবং এর মধ্যে যা কিছু বিদ্যমান তার অকল্যাণ থেকে।

রেফারেন্স: হাসান লিগাইরিহি। সহীহ ইবনে খুযায়মাহঃ ২৫৬৫

সুহাইব (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) কোনো জনপদ দেখলেই তথায় প্রবেশের পূর্বে এ কথাগুলো বলতেন।

اَللَّهُمَّ رَّبَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظْلَلْنَ، وَرَبَّ الْأَرَضِيْنَ السَّبْعِ ومَا أَقْلَلْنَ، ورَبَّ الشَّيَاطِيْنِ ومَا أَضْلَلْنَ، ورَبَّ الرِّيَاحِ وَمَا ذَرَيْنَ، أَسْأَلُكَ خَيْرَ هَذِهِ الْقَرْيَةِ وَخَيْرَ أَهْلِهَا، (وَخَيْرَ مَا فِيهَا) وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ أَهْلِهَا وشَرِّ مَا فِيهَا

হে আল্লাহ্‌, সাত আসমান ও সেগুলোর নিম্নের সবকিছুর প্রতিপালক, সাত যমিন ও সেগুলোর উপরের সবকিছুর প্রতিপালক, শয়তানগণ ও তাদের দ্বারা বিভ্রান্তদের প্রতিপালক, বায়ুপ্রবাহ এবং যা কিছু তা বহন করে তার প্রতিপালক, আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এ জনপদের কল্যাণ, এর বাসিন্দাদের কল্যাণ (এবং এর মধ্যে যা কিছু বিদ্যমান তার কল্যাণ)। এবং আমরা আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি এ জনপদের অকল্যাণ, এর বাসিন্দাদের অকল্যাণ এবং এর মধ্যে যা কিছু বিদ্যমান তার অকল্যাণ থেকে।

রেফারেন্স: হাসান লিগাইরিহি। সহীহ ইবনে খুযায়মাহঃ ২৫৬৫

বাজার বা কর্মস্থলে প্রবেশের দোয়া

বাজার বা কর্মস্থলে প্রবেশের দোয়া

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِهَا وَخَيْرِ أَهْلِهَا وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ أَهْلِهَا

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা মিন্ ‘খাইরিহা- ওয়া ‘খাইরি আহ্‌লিহা- ওয়া আ‘উযু বিকা মিন শার্‌রিহা- ওয়া শার্‌রি আহ্‌লিহা-

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এ স্থানের কল্যাণ ও এখানে অবস্থানরতদের কল্যাণ এবং আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি এর অকল্যাণ এবং এখানে অবস্থানরতদের অকল্যাণ থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিজিঃ ৩৪৪৯

আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বাজারের প্রবেশমুখে দাঁড়িয়ে বাজারের দিকে মুখ করে এ দোয়াটি পড়ে বাজারে প্রবেশ করেন।

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِهَا وَخَيْرِ أَهْلِهَا وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ أَهْلِهَا

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এ স্থানের কল্যাণ ও এখানে অবস্থানরতদের কল্যাণ এবং আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি এর অকল্যাণ এবং এখানে অবস্থানরতদের অকল্যাণ থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিজিঃ ৩৪৪৯

বাজারে ঢুকার সময়

বাজারে ঢুকার সময়

উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, “যে-ব্যক্তি বাজারে ঢুকে বলবে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ، وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوتُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু লাহুল-মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ইয়ু'হঈ ওয়াইয়ুমীতু ওয়াহুয়া 'হায়্যুন লা ইয়ামূতু বিয়াদিহিল খাইরু ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ্ নেই; তিনি একক; তাঁর কোনও অংশীদার নেই; রাজত্ব তাঁর, প্রশংসাও তাঁর; তিনিই জীবন দেন, তিনিই মৃত্যু ঘটান; তিনি চিরঞ্জীব, মৃত্যুহীন; সকল কল্যাণ তাঁরই হাতে; তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৪২৮

আল্লাহ্‌ তার জন্য দশ লাখ সাওয়াব লিখে দেবেন, তার (আমলনামা) থেকে দশ লাখ গোনাহ মুছে দেবেন এবং তার মর্যাদা দশ লাখ স্তর বাড়িয়ে দেবেন।”

উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, “যে-ব্যক্তি বাজারে ঢুকে বলবে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ، وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوتُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ্ নেই; তিনি একক; তাঁর কোনও অংশীদার নেই; রাজত্ব তাঁর, প্রশংসাও তাঁর; তিনিই জীবন দেন, তিনিই মৃত্যু ঘটান; তিনি চিরঞ্জীব, মৃত্যুহীন; সকল কল্যাণ তাঁরই হাতে; তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৪২৮

বাহন হোঁচট খেলে

বাহন হোঁচট খেলে

আবুল মুলাইহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক সাহাবী বলেন, “একটি বাহনে আমি ছিলাম নবী (ﷺ)-এর সহ-আরোহী। তাঁর বাহনটি হোঁচট খেলে, আমি বলি, ‘শয়তান ধ্বংস হোক! তখন তিনি বলেন, ‘শয়তান ধ্বংস হোক-এ কথা বলো না; কারণ এ কথা বললে শয়তান (খুশিতে) ফুলে ঘরের মতো হয়ে যায়, আর সে বলে, আমার শক্তিতে (এটি হয়েছে)! বরং বলো - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

بِسْمِ اللَّهِ

বিসমিল্লা-হ

আল্লাহ্‌র নামে।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ৪৯৮২

আবুল মুলাইহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক সাহাবী বলেন, “একটি বাহনে আমি ছিলাম নবী (ﷺ)-এর সহ-আরোহী। তাঁর বাহনটি হোঁচট খেলে, আমি বলি, ‘শয়তান ধ্বংস হোক! তখন তিনি বলেন, ‘শয়তান ধ্বংস হোক-এ কথা বলো না; কারণ এ কথা বললে শয়তান (খুশিতে) ফুলে ঘরের মতো হয়ে যায়, আর সে বলে, আমার শক্তিতে (এটি হয়েছে)! বরং বলো - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে) কারণ, তুমি (বিসমিল্লাহ) বললে, সে ছোটো হতে হতে মাছির মতো হয়ে যায়।

আবুল মুলাইহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক সাহাবী বলেন, “একটি বাহনে আমি ছিলাম নবী (ﷺ)-এর সহ-আরোহী। তাঁর বাহনটি হোঁচট খেলে, আমি বলি, ‘শয়তান ধ্বংস হোক! তখন তিনি বলেন, ‘শয়তান ধ্বংস হোক-এ কথা বলো না; কারণ এ কথা বললে শয়তান (খুশিতে) ফুলে ঘরের মতো হয়ে যায়, আর সে বলে, আমার শক্তিতে (এটি হয়েছে)! বরং বলো - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

بِسْمِ اللَّهِ

আল্লাহ্‌র নামে।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ৪৯৮২

সফরে তাকবীর ও তাসবীহ পাঠ

সফরে তাকবীর ও তাসবীহ পাঠ

আর নিচের দিকে নামলে বলতাম -

سُبْحَانَا اللَّهِ

সুবহা-নাল্লাহ

আমি আল্লাহ্‌র পবিত্রতা ঘোষণা করছি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৯৯৩

আর নিচের দিকে নামলে বলতাম -

سُبْحَانَا اللَّهِ

আমি আল্লাহ্‌র পবিত্রতা ঘোষণা করছি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৯৯৩

শেষ রাতে মুসাফিরের দোয়া

শেষ রাতে মুসাফিরের দোয়া

নবী (ﷺ) সফরে থাকাকালে রাতের শেষভাগে বলতেন -

سَمِعَ سَامِعٌ بِحَمْدِ اللَّهِ، وَحُسْنِ بَلَائِهِ عَلَيْنَا، رَبَّنَا صَاحِبْنَا، وَأَفْضِلْ عَلَيْنَا، عَائِذًا بِاللَّهِ مِنَ النَّارِ

সামি‘আ সা-মি‘উন বিহামদিল্লাহি ওয়া হুসনি বালা-ইহী ‘আলাইনা, রাব্বানা সা-হিবনা, ওয়া আফদিল ‘আলাইনা-, ‘আ-ইযান বিল্লা-হি মিনান না-র

শ্রবণকারী শ্রবণ করুন - সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র; তিনি আমাদের উপর দয়া করেছেন; হে আমাদের রব! তুমি আমাদের সঙ্গী হও এবং আমাদের উপর করুণা-বর্ষণ করো! আমরা আল্লাহ্‌র কাছে জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাই।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৮

নবী (ﷺ) সফরে থাকাকালে রাতের শেষভাগে বলতেন -

سَمِعَ سَامِعٌ بِحَمْدِ اللَّهِ، وَحُسْنِ بَلَائِهِ عَلَيْنَا، رَبَّنَا صَاحِبْنَا، وَأَفْضِلْ عَلَيْنَا، عَائِذًا بِاللَّهِ مِنَ النَّارِ

শ্রবণকারী শ্রবণ করুন - সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র; তিনি আমাদের উপর দয়া করেছেন; হে আমাদের রব! তুমি আমাদের সঙ্গী হও এবং আমাদের উপর করুণা-বর্ষণ করো! আমরা আল্লাহ্‌র কাছে জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাই।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৮

সফর থেকে ফেরার পথে

সফর থেকে ফেরার পথে

তারপর বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ، آيِبُونَ تَائِبُونَ عَابِدُونَ سَاجِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ، صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর, আ-ইবূনা, তা-ইবূনা, ‘আ-বিদূনা সা-জিদূনা, লি রাব্বিনা হা-মিদূন। সাদাক্বাল্লা-হু ওয়া‘দাহু, ওয়া নাসারা ‘আবদাহু ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহু

একমাত্র আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাকারী, ইবাদতকারী এবং আমাদের রব্বের প্রশংসাকারী। আল্লাহ্‌ তাঁর ওয়াদা বাস্তবায়ন করেছেন, তিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন, আর তিনি সকল বিরোধী দল-গোষ্ঠীকে একাই পরাস্ত করেছেন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৭৯৭

তারপর বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ، آيِبُونَ تَائِبُونَ عَابِدُونَ سَاجِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ، صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ

একমাত্র আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাকারী, ইবাদতকারী এবং আমাদের রব্বের প্রশংসাকারী। আল্লাহ্‌ তাঁর ওয়াদা বাস্তবায়ন করেছেন, তিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন, আর তিনি সকল বিরোধী দল-গোষ্ঠীকে একাই পরাস্ত করেছেন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৭৯৭

নৌকা ও ভাসমান যানে আরোহণের দোয়া

নৌকা ও ভাসমান যানে আরোহণের দোয়া

নূহ (আঃ) নৌকায় আরোহণের সময় নিম্নবর্ণিত দোয়া পাঠ করেছিলেন -

بِسْمِ اللَّهِ مَجْرَاهَا وَمُرْسٰىهَآ ۚ إِنَّ رَبِّى لَغَفُورٌ رَّحِيمٌ

বিসমিল্লা-হি মাজ্‌রাহা- ওয়া মুর্‌সা-হা- ইন্না- রব্বী লাগাফূরুর রহীম

এর (নৌকার) গতি এবং এর স্থিতি আল্লাহ্‌র নামে। নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক ক্ষমাশীল দয়াবান’।

রেফারেন্স: সূরা হুদ : ৪১

উল্লেখ্য যে, অত্র দোয়াটি স্থল যানে চড়ে বা আরোহণকালে বলা যাবে না। অথচ আমাদের দেশে অনেক গাড়ির সামনে এ দোয়াটি লেখা থাকে এবং গাড়ী ছাড়ার সময় সুপারভাইজার এ দোয়াটি বলে, যা নিতান্তই ভুল।

নূহ (আঃ) নৌকায় আরোহণের সময় নিম্নবর্ণিত দোয়া পাঠ করেছিলেন -

بِسْمِ اللَّهِ مَجْرَاهَا وَمُرْسٰىهَآ ۚ إِنَّ رَبِّى لَغَفُورٌ رَّحِيمٌ

এর (নৌকার) গতি এবং এর স্থিতি আল্লাহ্‌র নামে। নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক ক্ষমাশীল দয়াবান’।

রেফারেন্স: সূরা হুদ : ৪১

সফরে বের হলে

সফরে বের হলে

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) সফরের উদ্দেশে বের হলে, তাঁর উটের পিঠে বসে তিন বার বলতেন -

اَللَّهُ أَكْبَرُ

আল্লা-হু আকবার

আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ।

রেফারেন্স: মুসলিম ২/৯৭৮, হাদীস নং ১৩৪২

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) সফরের উদ্দেশে বের হলে, তাঁর উটের পিঠে বসে তিন বার বলতেন -

اَللَّهُ أَكْبَرُ

আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ।

রেফারেন্স: মুসলিম ২/৯৭৮, হাদীস নং ১৩৪২

নবী (ﷺ)-এর উদ্দেশে দরুদ পড়ার মহত্ত্ব

নবী (ﷺ)-এর উদ্দেশে দরুদ পড়ার মহত্ত্ব

আল্লাহ্‌ তা'আলা বলেন - আল্লাহ্‌ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরুদ পাঠান৷ হে ঈমানদারগণ! তোমরাও তার প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠাও।

রেফারেন্স: সূরা আল-আহযাব ৩৩:৫৬

আল্লাহ্‌ তা'আলা বলেন - আল্লাহ্‌ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরুদ পাঠান৷ হে ঈমানদারগণ! তোমরাও তার প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠাও।

রেফারেন্স: সূরা আল-আহযাব ৩৩:৫৬

সফরে বের হলে যে দু’আ পড়তে হয় #১

সফরে বের হলে যে দু’আ পড়তে হয় #১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সফরে যাওয়ার সময় এ দু’আ পাঠ করতেন -

اَللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَكَآبَةِ الْمُنْقَلَبِ وَسُوءِ الْمَنْظَرِ فِي الْأَهْلِ وَالْمَالِ اَللَّهُمَّ اطْوِ لَنَا الْأَرْضَ وَهَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ

আল্লা-হুম্মা, আনতাস স্বা-’হিবু ফিস সাফারি ওয়াল ‘খালীফাতু ফিল আহলি। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন্ ওয়া’সা-য়িস সাফারি ওয়া কাআ-বাতিল মুন্‌ক্বলাবি ওয়া সূয়িল মান্‌যারি ফিল আহ্‌লি ওয়াল মা-লি, আল্লা-হুম্মা-ত্বওয়ী লানাল আর্‌দ্বা ওয়া 'হাওয়্যিন আলাইনাস্‌ সাফারা

হে আল্লাহ্‌! আপনিই (আমাদের) সফরসঙ্গী এবং পরিবারের অভিভাবক। হে আল্লাহ্‌! সফরের কষ্ট হতে, বিপদাপদে পতিত হয়ে ফিরে আসা হতে এবং সন্তান-সন্ততি ও সম্পদের উপর কুদৃষ্টি পড়া হতে আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ্‌! আপনি আমাদের জন্য যমিনকে অনুকূল ও সফরকে সহজ ও আরামদায়ক করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান সহিহ। আবু দাউদঃ ২৫৯৮

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সফরে যাওয়ার সময় এ দু’আ পাঠ করতেন -

اَللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَكَآبَةِ الْمُنْقَلَبِ وَسُوءِ الْمَنْظَرِ فِي الْأَهْلِ وَالْمَالِ اَللَّهُمَّ اطْوِ لَنَا الْأَرْضَ وَهَوِّنْ عَلَيْنَا السَّفَرَ

হে আল্লাহ্‌! আপনিই (আমাদের) সফরসঙ্গী এবং পরিবারের অভিভাবক। হে আল্লাহ্‌! সফরের কষ্ট হতে, বিপদাপদে পতিত হয়ে ফিরে আসা হতে এবং সন্তান-সন্ততি ও সম্পদের উপর কুদৃষ্টি পড়া হতে আমি আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ্‌! আপনি আমাদের জন্য যমিনকে অনুকূল ও সফরকে সহজ ও আরামদায়ক করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান সহিহ। আবু দাউদঃ ২৫৯৮

সফরে বের হলে যে দু’আ পড়তে হয় #২

সফরে বের হলে যে দু’আ পড়তে হয় #২

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সফরে যাওয়ার সময় এ দু’আ পাঠ করতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِي سَفَرِيْ هَذَا مِنَ الْبِرِّ وَالتَّقْوَى وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تَرْضَى، اَللَّهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا الْمَسِيرَ وَاطْوِ عَنَّا بُعْدَ الْأَرْضِ اَللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ اَللَّهُمَّ اصْحَبْنَا فِي سَفَرِنَا وَاخْلُفْنَا فِي أَهْلِنَا

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস'আলুকা ফি সাফারি হাযা মিনাল-বিররি ওয়াত তাক্বওয়া, ওয়া মিনাল 'আমালি মা তারদ্বা। আল্লা-হুম্মা হাও-উইন 'আলাইনাল-মাসিরা, ওয়াত্ব-উই 'আন্না বু'দাল-আরদ্ব। আল্লা-হুম্মা আনতাস-সাহিবু ফিস সাফারি ওয়াল-খালিফাতু ফিল-আহলি। আল্লা-হুম্মা আসহাবনা ফী সাফারিনা ওয়াখলুফনা ফি আহলিনা

হে আল্লাহ্‌! আমার এ সফরে আমি তোমার নিকট পুণ্য ও তাকওয়া এবং তোমার পছন্দনীয় কাজ করার তাওফীক প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ্‌! আমাদের সফরটি আমাদের জন্য সহজসাধ্য করে দাও এবং আমাদের জন্য পথের ব্যবধান সংকুচিত করে দাও। হে আল্লাহ্‌! সফরে তুমিই আমাদের সঙ্গী এবং আমাদের পরিবার-পরিজনের প্রতিনিধি। হে আল্লাহ্‌! আমাদের এ সফরে তুমি আমাদের বন্ধু এবং আমাদের পরিজনের প্রতিনিধি হয়ে যাও।

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিযিঃ ৩৪৪৭

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সফরে যাওয়ার সময় এ দু’আ পাঠ করতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِي سَفَرِيْ هَذَا مِنَ الْبِرِّ وَالتَّقْوَى وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تَرْضَى، اَللَّهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا الْمَسِيرَ وَاطْوِ عَنَّا بُعْدَ الْأَرْضِ اَللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الْأَهْلِ اَللَّهُمَّ اصْحَبْنَا فِي سَفَرِنَا وَاخْلُفْنَا فِي أَهْلِنَا

হে আল্লাহ্‌! আমার এ সফরে আমি তোমার নিকট পুণ্য ও তাকওয়া এবং তোমার পছন্দনীয় কাজ করার তাওফীক প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ্‌! আমাদের সফরটি আমাদের জন্য সহজসাধ্য করে দাও এবং আমাদের জন্য পথের ব্যবধান সংকুচিত করে দাও। হে আল্লাহ্‌! সফরে তুমিই আমাদের সঙ্গী এবং আমাদের পরিবার-পরিজনের প্রতিনিধি। হে আল্লাহ্‌! আমাদের এ সফরে তুমি আমাদের বন্ধু এবং আমাদের পরিজনের প্রতিনিধি হয়ে যাও।

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিযিঃ ৩৪৪৭

মুসাফির ব্যক্তির জন্য মুকিম ব্যক্তির দোয়া

মুসাফির ব্যক্তির জন্য মুকিম ব্যক্তির দোয়া

اَللَّهُمَّ اطْوِ لَهُ الْأَرْضَ وَهَوِّنْ عَلَيْهِ السَّفَرَ

আল্লা-হুম্মা-ত্বওয়ী লাহুল আর্‌দ্বা ওয়া হাওয়্যিন আলাইহিস্‌ সাফার

হে আল্লাহ, (সুস্থতা ও কল্যাণের সঙ্গে) তার পথ অতিক্রম করিয়ে দিন এবং সফরকে তার জন্য সহজ করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৪৪৫

اَللَّهُمَّ اطْوِ لَهُ الْأَرْضَ وَهَوِّنْ عَلَيْهِ السَّفَرَ

হে আল্লাহ, (সুস্থতা ও কল্যাণের সঙ্গে) তার পথ অতিক্রম করিয়ে দিন এবং সফরকে তার জন্য সহজ করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৪৪৫

ফন্ট সাইজ
15px
17px