📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 রমজানে পঠিত দোয়া সমূহ

📄 রমজানে পঠিত দোয়া সমূহ


লাইলাতুল কদরের বিশেষ দোয়া

লাইলাতুল কদরের বিশেষ দোয়া

اَللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ (كَرِيْمٌ) تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

আল্লা-হুম্মা, ইন্নাকা ‘আফুওউন্‌ (কারীমুন) তু’হিব্বুল ‘আফ্‌ওয়া ফা'অ্‌ফু ‘আন্নী

হে আল্লাহ্‌, আপনি ক্ষমাশীল (উদার), আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫১৩

আয়েশা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমি লাইলাতুল ক্বদরে কি দোয়া করব? তখন তিনি এ দোয়াটি শিখিয়ে দেন। লাইলাতুল ক্বদরে সালাতের সিজদায়, সালামের আগে, সালামের পরে এবং অন্যান্য সকল দিনে ও রাতে সকল সালাতে ও সাধারণ সময়ে এ দোয়াটি পাঠ করা যায়।

اَللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ (كَرِيْمٌ) تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

হে আল্লাহ্‌, আপনি ক্ষমাশীল (উদার), আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫১৩

সিয়াম শুরুর যিক্‌র

সিয়াম শুরুর যিক্‌র

সিয়ামের শুরুতে কোনো মাসনূন যিক্‌র নেই। তবে সিয়াম শুরুর পূর্ব-রাতেই সিয়ামের জন্য নিয়্যাত করা জরুরী। মনের মধ্যে জাগরুক উদ্দেশ্যকে নিয়্যাত বলে। সিয়ামের পূর্বে, রাতে শয়নের আগে বা সাহরির সময় মুমিনের মনের মধ্যে সিয়াম পালনের যে ইচ্ছা এটিই নিয়্যাত। “নাওয়াইতুআন” বলে বা অন্য কোনোভাবে মুখে নিয়্যাত করা খেলাফে সুন্নাত।

সিয়ামের শুরুতে কোনো মাসনূন যিক্‌র নেই। তবে সিয়াম শুরুর পূর্ব-রাতেই সিয়ামের জন্য নিয়্যাত করা জরুরী। মনের মধ্যে জাগরুক উদ্দেশ্যকে নিয়্যাত বলে। সিয়ামের পূর্বে, রাতে শয়নের আগে বা সাহরির সময় মুমিনের মনের মধ্যে সিয়াম পালনের যে ইচ্ছা এটিই নিয়্যাত। “নাওয়াইতুআন” বলে বা অন্য কোনোভাবে মুখে নিয়্যাত করা খেলাফে সুন্নাত।

নতুন চাঁদ দেখার যিক্‌র

নতুন চাঁদ দেখার যিক্‌র

اَللَّهُمَّ أَهْلِلْهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ رَبِّيْ وَرَبُّكَ اللَّهُ

আল্লা-হুম্মা, আহলিলহু ‘আলাইনা- বিলইউমনি ওয়াল ঈমান, ওয়াস সালা-মাতি ওয়াল ইসলা-ম রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লা-হু

হে আল্লাহ্‌! আমাদের জন্য চাঁদটিকে বারাকাতময় (নিরাপদ), ঈমান, নিরাপত্তা ও শান্তির বাহন করে উদিত করো। হে নতুন চাঁদ আল্লাহ্‌ তা'আলা আমারও প্রভু, তোমারও প্রভু।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিজিঃ ৩৪৫১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) নতুন চাঁদ দেখলে এ দোয়া বলতেন। রমযান ও সকল মাসের নতুন চাঁদ দেখে এ দোয়া পাঠ করা মাসনূন।

اَللَّهُمَّ أَهْلِلْهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ رَبِّيْ وَرَبُّكَ اللَّهُ

হে আল্লাহ্‌! আমাদের জন্য চাঁদটিকে বারাকাতময় (নিরাপদ), ঈমান, নিরাপত্তা ও শান্তির বাহন করে উদিত করো। হে নতুন চাঁদ আল্লাহ্‌ তা'আলা আমারও প্রভু, তোমারও প্রভু।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিজিঃ ৩৪৫১

ইফতারের সময় পঠিত দোয়া #1

ইফতারের সময় পঠিত দোয়া #1

নবী করীম (ﷺ) যখন ইফতার করতেন তখন বলতেন -

ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوْقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ

যাহাবায্ যামা-উ ওয়াব্‌তাল্লাতিল্ ‘উরূক্বু, ওয়া ছাবাতাল্ আজ্‌রু ইনশা-আল্লা-হ্

পিপাসা দূর হ’ল, শিরা-উপশিরা সিক্ত হ’ল এবং নেকী নিশ্চিত হ’ল ইনশাআল্লাহ্‌’।

রেফারেন্স: [১] হাসান। আবু দাউদঃ ২৩৫৭ [২] দূর্বল। আবু দাউদঃ ২৩৫৮

উল্লেখ্য যে, দেশে প্রচলিত ‘আল্লাহুম্মা লাকা স্বমতু ওয়া 'আলা রিযক্বিকা আফত্বরতু’ এ মর্মে হাদীসটি যঈফ। দূর্বল (আলবানী)। [২]

নবী করীম (ﷺ) যখন ইফতার করতেন তখন বলতেন -

ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوْقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ

পিপাসা দূর হ’ল, শিরা-উপশিরা সিক্ত হ’ল এবং নেকী নিশ্চিত হ’ল ইনশাআল্লাহ্‌’।

রেফারেন্স: [১] হাসান। আবু দাউদঃ ২৩৫৭ [২] দূর্বল। আবু দাউদঃ ২৩৫৮

ইফতারের সময় পঠিত দোয়া #২

ইফতারের সময় পঠিত দোয়া #২

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِرَحْمَتِكَ الَّتِي وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ أَنْ تَغْفِرَ لِي

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আসআলূকা বিরা’হমাতিকাল্লাতী ওয়াসি'আত কুল্লা শাইয়িন আন তাগফিরালী

হে আল্লাহ্‌, আপনার সর্বব্যাপী রহমতের ওসীলা দিয়ে আমি আপনার কাছে চাইছি যে, আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান (হাফেয ইবনে হাজার)। তাখরিজুল আযকার, শারহুল আযকারঃ ৪/৩৪২

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) ইফতারের সময় এ দোয়া বলতেন।

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِرَحْمَتِكَ الَّتِي وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ أَنْ تَغْفِرَ لِي

হে আল্লাহ্‌, আপনার সর্বব্যাপী রহমতের ওসীলা দিয়ে আমি আপনার কাছে চাইছি যে, আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান (হাফেয ইবনে হাজার)। তাখরিজুল আযকার, শারহুল আযকারঃ ৪/৩৪২

রোযাদারকে কেউ গালি দিলে

রোযাদারকে কেউ গালি দিলে

إِنِّي صَائِمٌ، إِنِّي صَائِمٌ

ইন্নী সা-ইমূন! ইন্নী সা-ইমূন!

আমি রোযাদার! আমি রোযাদার!

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৮৯৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, সিয়াম হলো ঢালস্বরূপ; সুতরাং তোমাদের কেউ সিয়াম পালন করলে, সে যেন যৌনাচার ও মূর্খসুলভ আচরণ না করে; কেউ তার সঙ্গে লড়াই করলে অথবা তাকে গালমন্দ করলে সে যেন বলে - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

إِنِّي صَائِمٌ، إِنِّي صَائِمٌ

আমি রোযাদার! আমি রোযাদার!

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৮৯৪

কোনো পরিবারের কাছে ইফতার করলে তাদের জন্য দোয়া

কোনো পরিবারের কাছে ইফতার করলে তাদের জন্য দোয়া

أَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُونَ، وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ، وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ

আফত্বারা 'ইন্দাকুমুস সা-ইমূন, ওয়া আকালা ত্বা‘আ-মাকুমুল আবরা-রু, ওয়াসাল্লাত 'আলাইকুমুল মালা-ইকাহ

আপনাদের কাছে রোযাদাররা ইফতার করুন, আপনাদের খাবার যেন সৎলোকেরা খায়, আর আপনাদের জন্য ফিরিশতারা ক্ষমা প্রার্থনা করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩৮৫৪

أَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُونَ، وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ، وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ

আপনাদের কাছে রোযাদাররা ইফতার করুন, আপনাদের খাবার যেন সৎলোকেরা খায়, আর আপনাদের জন্য ফিরিশতারা ক্ষমা প্রার্থনা করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩৮৫৪

রোযাদারের নিকট যদি খাবার উপস্থিত হয়, আর সে যদি রোজা না ভাঙ্গে তখন সে বলবে

রোযাদারের নিকট যদি খাবার উপস্থিত হয়, আর সে যদি রোজা না ভাঙ্গে তখন সে বলবে

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ সিয়াম অবস্থায় আহার করার জন্য আমন্ত্রিত হয়, তখন সে যেন বলে, আমি সিয়াম পালনকারী।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১১৫০

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ সিয়াম অবস্থায় আহার করার জন্য আমন্ত্রিত হয়, তখন সে যেন বলে, আমি সিয়াম পালনকারী।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১১৫০

ফন্ট সাইজ
15px
17px