📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 মৃৃৃতের জন্য করনীয়

📄 মৃৃৃতের জন্য করনীয়


মৃত ব্যক্তির চোখ বন্ধ করানোর দোয়া

মৃত ব্যক্তির চোখ বন্ধ করানোর দোয়া

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ، وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ، وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِيْنَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ، وَافْسَحْ لَهُ فِي قَبْرِهِ، وَنَوِّرْ لَهُ فِيهِ

আল্লা-হুম্মা’গফির লাহূ (ব্যক্তির নাম), ওয়ার্‌ফা’অ দারাজাতাহু ফিল মাহদিইয়ীন, ওয়া’খলুফহু ফী ‘আক্বিবিহী ফিল গা-বিরীন, ওয়াগফির লানা ওয়া লাহূ ইয়া রাব্বাল ‘আ-লামীন, ওয়াফসা’হ্ লাহূ ফী ক্বাব্‌রিহী, ওয়া নাওয়ির্‌ লাহূ ফীহি

হে আল্লাহ্‌, আপনি ক্ষমা করুন এ ব্যক্তিকে (ব্যক্তির নাম) এবং হেদায়াতপ্রাপ্তদের মধ্যে তার মর্যাদা বৃদ্ধি করুন, তার কবরকে তার জন্য প্রশস্ত করুন, তার জন্য তা আলোকিত করুন, তার উত্তরসূরীদের মধ্যে আপনিই তার খলীফা-স্থলাভিষিক্ত থাকুন, আমাদেরকে এবং তাকে ক্ষমা করুন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক, তাঁর কবরকে প্রশস্ত এবং নূরে পরিপূর্ণ করে দিন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯২০

উম্মে সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) আবু সালামার নিকট আসলেন, এমতাবস্থায় তার চক্ষু খোলা ছিল, তিনি তাঁর চক্ষু বন্ধ করলেন। অতঃপর বললেন, ‘রূহ যখন কবয করা হয় তখন চক্ষু তার অনুস্বরণ করে। এ কথা শুনে আবু সালামার পরিবারের কিছু লোক চিৎকার করে কেঁদে উঠল। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা তোমাদের রূহের জন্য কল্যাণ ছাড়া অমঙ্গল কামনা করো না। তোমরা যা বলো ফেরেশতাগণ তার সাথে সাথে ‘আমীন’ বলেন। অতঃপর রাসূল (ﷺ) এ দোয়াটি তিনি বলেন - (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ، وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ، وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِيْنَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ، وَافْسَحْ لَهُ فِي قَبْرِهِ، وَنَوِّرْ لَهُ فِيهِ

হে আল্লাহ্‌, আপনি ক্ষমা করুন এ ব্যক্তিকে (ব্যক্তির নাম) এবং হেদায়াতপ্রাপ্তদের মধ্যে তার মর্যাদা বৃদ্ধি করুন, তার কবরকে তার জন্য প্রশস্ত করুন, তার জন্য তা আলোকিত করুন, তার উত্তরসূরীদের মধ্যে আপনিই তার খলীফা-স্থলাভিষিক্ত থাকুন, আমাদেরকে এবং তাকে ক্ষমা করুন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক, তাঁর কবরকে প্রশস্ত এবং নূরে পরিপূর্ণ করে দিন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯২০

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 মৃতকে কবরস্থ করা

📄 মৃতকে কবরস্থ করা


কবরস্থ করার পরে কবরে মাটি ফেলা

কবরস্থ করার পরে কবরে মাটি ফেলা

সহীহ হাদীসে বর্ণিত যে, মৃতকে কবরস্থ করার পরে উপস্থিত ব্যক্তিদের জন্য সুন্নাত তিন বার দু হাত ভরে মাটি কবরে ফেলা। আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, “রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) একটি জানাযার সালাত আদায় করলেন। এরপর মৃতের কবরে গিয়ে তার মাথার দিক থেকে তার উপর তিনবার মাটি ফেললেন।’’

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ১৫৬৫

সহীহ হাদীসে বর্ণিত যে, মৃতকে কবরস্থ করার পরে উপস্থিত ব্যক্তিদের জন্য সুন্নাত তিন বার দু হাত ভরে মাটি কবরে ফেলা। আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, “রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) একটি জানাযার সালাত আদায় করলেন। এরপর মৃতের কবরে গিয়ে তার মাথার দিক থেকে তার উপর তিনবার মাটি ফেললেন।’’

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ১৫৬৫

মৃতকে কবরস্থ করার দোয়া #১

মৃতকে কবরস্থ করার দোয়া #১

ইবন উমর (রাঃ) বলেন, “রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) যখন মৃতদেহকে কবরে নামাতেন তখন এ কথা বলতেন -

بِسْمِ اللَّهِ وَعَلَى سُنَّةِ رَسُوْلِ اللَّهِ (ﷺ)

বিসমিল্লা-হি ওয়া ‘আলা- সুন্নাতি রাসূলিল্লাহ (ﷺ)

আল্লাহ্‌র নামে এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এর সুন্নাতের উপর (লাশকে কবরে রাখছি)

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ৩২১৩

ইবন উমর (রাঃ) বলেন, “রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) যখন মৃতদেহকে কবরে নামাতেন তখন এ কথা বলতেন -

بِسْمِ اللَّهِ وَعَلَى سُنَّةِ رَسُوْلِ اللَّهِ (ﷺ)

আল্লাহ্‌র নামে এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এর সুন্নাতের উপর (লাশকে কবরে রাখছি)

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ৩২১৩

মৃতকে কবরস্থ করার দোয়া #২

মৃতকে কবরস্থ করার দোয়া #২

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, ‘যখন তোমরা লাশ কবরে রাখ, তখন বল -

بِسْمِ اللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُوْلِ اللَّهِ

বিসমিল্লা-হি ওয়া ‘আলা- মিল্লাতি রসূলিল্লাহ্

আল্লাহ্‌র নামে এবং তাঁর রাসূল (ﷺ)-এর মিল্লাতের উপর (লাশকে কবরে রাখছি)

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ১৫৫০

মৃতব্যক্তিকে ডান কাতে কবরে রাখা সুন্নত। চিৎ করে এবং বুকের উপর হাত রেখে কবরে রাখার কোন প্রমাণ নেই। আর মাটি দেওয়ার সময় বিসমিল্লাহ ছাড়া কোন দোয়া নেই।

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, ‘যখন তোমরা লাশ কবরে রাখ, তখন বল -

بِسْمِ اللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُوْلِ اللَّهِ

আল্লাহ্‌র নামে এবং তাঁর রাসূল (ﷺ)-এর মিল্লাতের উপর (লাশকে কবরে রাখছি)

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ১৫৫০

মৃতকে কবরস্থ করার দোয়া #৩

মৃতকে কবরস্থ করার দোয়া #৩

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, ‘যখন তোমরা লাশ কবরে রাখ, তখন বল -

بِسْمِ اللَّهِ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُولِ اللَّهِ

বিস্‌মিল্লাহি ওয়া ফী সাবীলিল্লাহি ওয়া ‘আলা মিল্লাতি রাসূলিল্লাহ (ﷺ)

আল্লাহ্‌র নামে, আল্লাহ্‌র পথে এবং আল্লাহ্‌র রাসূলের মিল্লাতের উপর (লাশকে কবরে রাখছি)

রেফারেন্স: সহিহ। ইবনে মাজাহঃ ১২৭০

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, ‘যখন তোমরা লাশ কবরে রাখ, তখন বল -

بِسْمِ اللَّهِ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَعَلَى مِلَّةِ رَسُولِ اللَّهِ

আল্লাহ্‌র নামে, আল্লাহ্‌র পথে এবং আল্লাহ্‌র রাসূলের মিল্লাতের উপর (লাশকে কবরে রাখছি)

রেফারেন্স: সহিহ। ইবনে মাজাহঃ ১২৭০

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 কবর যিয়ারতের দোয়া সমূহ

📄 কবর যিয়ারতের দোয়া সমূহ


কবর যিয়ারতের দোয়া #১

কবর যিয়ারতের দোয়া #১

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُسْلِمِيْنَ إِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لَاحِقُوْنَ أَسْاَلُ اللَّهَ لَنَا وَلَكُمُ الْعَافِيَةَ

আস-সালামু ‘আলাইকুম আহলাদ দিয়া-রি মিনাল মু'মিনীনা ওয়াল মুসলিমীন, ইন্না- ইনশা- আল্লাহু বিকুম লা- ‘হিকূন, আস্আলুল্লাহা লানা- ওয়া লাকুমুল ‘আ-ফিয়্যাহ

হে কবরবাসী মুমিন ও মুসলিম! তোমাদের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক, আমরাও তোমাদের সাথে মিলিত হচ্ছি ইনশাআল্লাহ্‌। আমরা আল্লাহ্‌র নিকট আমাদের জন্য এবং তোমাদের জন্য নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯৭৫

বুরাইদা ইবনুল হুসাইব আসলামী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সাহাবীগণকে শিক্ষা দিতেন যে, কেউ যেন কবরস্থানে গেলে এ কথাগুলো বলে।

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُسْلِمِيْنَ إِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لَاحِقُوْنَ أَسْاَلُ اللَّهَ لَنَا وَلَكُمُ الْعَافِيَةَ

হে কবরবাসী মুমিন ও মুসলিম! তোমাদের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক, আমরাও তোমাদের সাথে মিলিত হচ্ছি ইনশাআল্লাহ্‌। আমরা আল্লাহ্‌র নিকট আমাদের জন্য এবং তোমাদের জন্য নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯৭৫

কবর যিয়ারতের দোয়া #২

কবর যিয়ারতের দোয়া #২

اَلسَّلَامُ عَلَى أَهْلِ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُسْلِمِيْنَ وَيَرْحَمُ اللَّهُ الْمُسْتَقْدِمِيْنَ مِنَّا وَالْمُسْتَأْخِرِيْنَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لَلَاحِقُونَ

আস-সালামু ‘আলা আহ্‌লিদ দিয়া-রি মিনাল মু'মিনীন ওয়াল মুসলিমীন, ওয়া ইয়ার’হামুল্লাহুল মুস্‌তাক্ক্‌দিমীনা মিন্না- ওয়াল মুস্‌তা’খিরীন, ওয়া ইন্না- ইনশা- আল্লাহু বিকুম লালা-’হিক্বূন

হে কবরবাসী মুমিন ও মুসলমান! তোমাদের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক, আমাদের মধ্যে যারা আগে গিয়েছেন এবং যারা পরে যাবেন সকলকেই আল্লাহ্‌ রহমত করুন। আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় আমরা তোমাদের সাথে মিলিত হব।

রেফারেন্স: সহিহ। মিশকাতুল মাসাবীহঃ ১৭৬৭

‘আয়েশা্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! ক্ববর যিয়ারতে আমি কি বলব? তিনি বললেন, (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

اَلسَّلَامُ عَلَى أَهْلِ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُسْلِمِيْنَ وَيَرْحَمُ اللَّهُ الْمُسْتَقْدِمِيْنَ مِنَّا وَالْمُسْتَأْخِرِيْنَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لَلَاحِقُونَ

হে কবরবাসী মুমিন ও মুসলমান! তোমাদের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক, আমাদের মধ্যে যারা আগে গিয়েছেন এবং যারা পরে যাবেন সকলকেই আল্লাহ্‌ রহমত করুন। আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় আমরা তোমাদের সাথে মিলিত হব।

রেফারেন্স: সহিহ। মিশকাতুল মাসাবীহঃ ১৭৬৭

কবর যিয়ারতের দোয়া #৩

কবর যিয়ারতের দোয়া #৩

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ دَارَ قَوْمٍ مُؤْمِنِيْنَ، وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لَاحِقُوْنَ

আস-সালামু ‘আলাইকুম দা-রা ক্বাওমিন মু'মিনীন, ওয়া ইন্না-ইনশা- আল্লাহু বিকুম লা-‘হিকূন

তোমাদের উপর সালাম, হে মুমিন কবরবাসিগণ। আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় আমরা তোমাদের সাথে মিলিত হব।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৪৯

আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) কবরস্থানে গিয়ে এ কথাগুলো বলেছেন।

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ دَارَ قَوْمٍ مُؤْمِنِيْنَ، وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لَاحِقُوْنَ

তোমাদের উপর সালাম, হে মুমিন কবরবাসিগণ। আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় আমরা তোমাদের সাথে মিলিত হব।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৪৯

কবর যিয়ারতের দোয়া #৪

কবর যিয়ারতের দোয়া #৪

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ دَارَ قَوْمٍ مُؤْمِنِيْنَ وَأَتَاكُمْ مَا تُوعَدُونَ غَدًا مُؤَجَّلُونَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لَاحِقُونَ اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِأَهْلِ بَقِيعِ الْغَرْقَدِ

আস-সালামু ‘আলাইকুম দা-রা ক্বাওমিন মু’মিনীন, ওয়া আতা-কুম মা- তুও’আদূনা গাদান মুআজ্জালূন, ওয়া ইন্না- ইনশা- আল্লাহু বিকুম লা- ‘হিকূন। আল্লা-হুম্মাগফির লিআহ্‌লি বাক্বি’য়িল গারক্কাদ

তোমাদের উপর সালাম, হে মুমিন কবরবাসিগণ। তোমাদেরকে যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তা তোমাদের কাছে এসেছে, আগামী দিনের জন্য তোমাদের অপেক্ষায় রাখা হয়েছে। আর আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় আমরা তোমাদের সাথে মিলিত হব। হে আল্লাহ্‌ আপনি বাকী কবরস্থানের বাসিন্দাদেরকে ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯৭৪

আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) যখন আমার গৃহে অবস্থান করতেন তখন শেষ রাতে বাকী গোরস্থানে গিয়ে এ কথাগুলো বলতেন।

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ دَارَ قَوْمٍ مُؤْمِنِيْنَ وَأَتَاكُمْ مَا تُوعَدُونَ غَدًا مُؤَجَّلُونَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لَاحِقُونَ اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِأَهْلِ بَقِيعِ الْغَرْقَدِ

তোমাদের উপর সালাম, হে মুমিন কবরবাসিগণ। তোমাদেরকে যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তা তোমাদের কাছে এসেছে, আগামী দিনের জন্য তোমাদের অপেক্ষায় রাখা হয়েছে। আর আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় আমরা তোমাদের সাথে মিলিত হব। হে আল্লাহ্‌ আপনি বাকী কবরস্থানের বাসিন্দাদেরকে ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯৭৪

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 জানাযার দোয়া সমূহ

📄 জানাযার দোয়া সমূহ


জানাযার দোয়া #১

জানাযার দোয়া #১

রাসূল (ﷺ) যখন জানাযার সালাত পড়তেন তখন বলতেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا وَصَغِيرِنَا وَكَبِيرِنَا وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا اَللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِيمَانِ وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الْإِسْلَامِ اَللَّهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ وَلَا تُضِلَّنَا بَعْدَهُ

আল্লা-হুম্মাগফির লি‘হায়্যিনা- ওয়া মায়্যিতিনা- ওয়া সগীরিনা- ওয়া কাবীরিনা- ওয়া যাকারিনা- ওয়া উনছা-না- ওয়া শা-হিদিনা- ওয়া গা-য়িবিনা-। আল্লা-হুম্মা মান আ‘হ্ইয়াইতাহু মিন্না- ফা’আ‘হয়িহি ‘আলাল-ঈমা-ন। ওয়ামান তাওয়াফ্‌ফাইতাহু মিন্না- ফাতাওয়াফফাহু ‘আলাল ইসলাম। আল্লা-হুম্মা লা- তা‘হরিমনা- আজরাহু ওয়ালা- তুদ্বিল্লানা- বা‘দাহু-

হে আল্লাহ্‌! আমাদের জীবিত ও মৃত, ছোট ও বড়, নর ও নারী এবং উপস্থিত ও অনুপস্থিতকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ্‌! আপনি আমাদের মধ্যে যাদের জীবিত রাখবেন তাদেরকে ঈমানের সাথে জীবিত রাখুন এবং যাদেরকে মৃত্যু দান করবেন তাদেরকে ইসলামের উপর মৃত্যু দান করুন। হে আল্লাহ্‌! আমাদেরকে তার (মৃত্যুতে ধৈর্যধারণের) সওয়াব থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার (মৃত্যুর) পর আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করবেন না।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩২০১

রাসূল (ﷺ) যখন জানাযার সালাত পড়তেন তখন বলতেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا وَصَغِيرِنَا وَكَبِيرِنَا وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا اَللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِيمَانِ وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الْإِسْلَامِ اَللَّهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ وَلَا تُضِلَّنَا بَعْدَهُ

হে আল্লাহ্‌! আমাদের জীবিত ও মৃত, ছোট ও বড়, নর ও নারী এবং উপস্থিত ও অনুপস্থিতকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ্‌! আপনি আমাদের মধ্যে যাদের জীবিত রাখবেন তাদেরকে ঈমানের সাথে জীবিত রাখুন এবং যাদেরকে মৃত্যু দান করবেন তাদেরকে ইসলামের উপর মৃত্যু দান করুন। হে আল্লাহ্‌! আমাদেরকে তার (মৃত্যুতে ধৈর্যধারণের) সওয়াব থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার (মৃত্যুর) পর আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করবেন না।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩২০১

জানাযার দোয়া #২.১ (পুরুষ)

জানাযার দোয়া #২.১ (পুরুষ)

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ وَعَافِهِ وَاعْفُ عَنْهُ وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهِ وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهِ وَزَوْجًا خَيْرًا مِنْ زَوْجِهِ وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ [وَعَذَابِ النَّارِ]

আল্লা-হুম্মাগফির লাহূ, ওয়ার’হামহূ, ওয়া‘আ-ফিহী, ওয়া’অ্ফু ‘আনহু, ওয়া আকরিম নুঝুলাহূ, ওয়া ওয়াসসি’য় মুদখালাহূ, ওয়াগসিলহু বিলমা-ই ওয়াছছালজি ওয়াল বারাদ। ওয়া নাক্বিহী মিনাল খাতা-ইয়া- কামা-নাক্বাইতাছ ছাওবাল আবইয়াদ্বা মিনাদ দানাস। ওয়া আবদিলহূ দা-রান খাইরাম মিন দা-রিহী, ওয়া আহলান খাইরাম মিন আহলিহী, ওয়া ঝাওজান খাইরাম মিন ঝাওজিহী, ওয়া আদখিলহুল জান্নাতা ওয়া আ'ইযহু মিন আযাবিল ক্বাবর (ওয়া 'আযাবিন না-র)

হে আল্লাহ্‌, আপনি তাকে ক্ষমা করুন, রহমত করুন, নিরাপত্তা দান করুন, তাকে মাফ করে দিন, তাকে সম্মানের সাথে আপনার কাছে স্থান দান করুন, তার প্রবেশস্থান (কবর) প্রশস্ত করুন, তাকে পানি, বরফ ও শীল দিয়ে ধৌত করুন, তাকে পাপরাশি থেকে এমনভাবে পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন করুন যেভাবে সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন ও ঝকঝকে করেছেন। তাকে দান করুন তার (ফেলে যাওয়া) বাড়ির চেয়ে উত্তম বাড়ি, তার পরিজনের চেয়ে উত্তম পরিজন, তার (দুনিয়ার) সঙ্গীর চেয়ে উত্তম সঙ্গী। তাকে আপনি জান্নাত দান করুন এবং কবরের বা জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯৬৩

আওফ ইবন মালিক (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাতুল জানাযা আদায় করেন, তখন আমি তার থেকে এ দোয়াটি মুখস্থ করি। এ দোয়া শুনে আমার বাসনা হচ্ছিল যে, মৃত দেহটি যদি আমারই হতো! (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ وَعَافِهِ وَاعْفُ عَنْهُ وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهِ وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهِ وَزَوْجًا خَيْرًا مِنْ زَوْجِهِ وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ [وَعَذَابِ النَّارِ]

হে আল্লাহ্‌, আপনি তাকে ক্ষমা করুন, রহমত করুন, নিরাপত্তা দান করুন, তাকে মাফ করে দিন, তাকে সম্মানের সাথে আপনার কাছে স্থান দান করুন, তার প্রবেশস্থান (কবর) প্রশস্ত করুন, তাকে পানি, বরফ ও শীল দিয়ে ধৌত করুন, তাকে পাপরাশি থেকে এমনভাবে পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন করুন যেভাবে সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন ও ঝকঝকে করেছেন। তাকে দান করুন তার (ফেলে যাওয়া) বাড়ির চেয়ে উত্তম বাড়ি, তার পরিজনের চেয়ে উত্তম পরিজন, তার (দুনিয়ার) সঙ্গীর চেয়ে উত্তম সঙ্গী। তাকে আপনি জান্নাত দান করুন এবং কবরের বা জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯৬৩

জানাযার দোয়া #২.২ (পুরুষ)

জানাযার দোয়া #২.২ (পুরুষ)

اَللَّهُمَّ (إِنَّهُ) عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ كَانَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ اَللَّهُمَّ إِنْ كَانَ مُحْسِنًا فَزِدْ فِي إِحْسَانِهِ وَإِنْ كَانَ مُسِيْئًا فَتَجَاوَزْ عَنْ سَيِّئَاتِهِ اَللَّهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ وَلَا تَفْتِنَّا بَعْدَهُ

আল্লা-হুম্মা, (ইন্নাহু) ‘আব্‌দুকা, ওয়াব্‌নু ‘আব্‌দিকা, ওয়াব্‌নু আমাতিকা, কা-না ইয়াশ্‌হাদু আন লা- ইলা-হা ইল্লা- আন্‌তা, ওয়া আন্না মু’হাম্মাদান ‘আব্‌দুকা ওয়া রাসূলুকা, ওয়া আন্‌তা আ’অলামু বিহী। আল্লা-হুম্মা, ইন্‌ কা-না মু’হ্‌সিনান ফাঝিদ্‌ ফী ই’হসা-নিহী, ওয়া ইন্‌ কা-না মুসীআন ফাতাজা-ওয়াঝ ‘আন সাইয়িআ-তিহী। আল্লা-হুম্মা লা- তা’হরিমনা- আজ্‌রাহু, ওয়ালা-তাফ্‌তিন্‌না বা'অদাহু

হে আল্লাহ্‌, এ ব্যক্তি আপনার বান্দা, আপনার বান্দার পুত্র, আপনার বান্দীর পুত্র। সে সাক্ষ্য দিত যে, আপনি ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ (ﷺ) আপনার বান্দা ও আপনার রাসূল। আর আপনি তার বিষয়ে অধিক অবগত। হে আল্লাহ্‌, যদি সে নেককর্মকারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার নেকি বৃদ্ধি করে দিন। আর যদি সে পাপাচারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার পাপরাশি ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ্‌, আমাদেরকে তার পুরস্কার থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার পরে আমাদেরকে ফিতনাগ্রস্থ করবেন না।

রেফারেন্স: সহীহ মাওকুফ। আল-মুয়াত্তাঃ ৫৩৯

اَللَّهُمَّ (إِنَّهُ) عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ كَانَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ اَللَّهُمَّ إِنْ كَانَ مُحْسِنًا فَزِدْ فِي إِحْسَانِهِ وَإِنْ كَانَ مُسِيْئًا فَتَجَاوَزْ عَنْ سَيِّئَاتِهِ اَللَّهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ وَلَا تَفْتِنَّا بَعْدَهُ

হে আল্লাহ্‌, এ ব্যক্তি আপনার বান্দা, আপনার বান্দার পুত্র, আপনার বান্দীর পুত্র। সে সাক্ষ্য দিত যে, আপনি ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ (ﷺ) আপনার বান্দা ও আপনার রাসূল। আর আপনি তার বিষয়ে অধিক অবগত। হে আল্লাহ্‌, যদি সে নেককর্মকারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার নেকি বৃদ্ধি করে দিন। আর যদি সে পাপাচারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার পাপরাশি ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ্‌, আমাদেরকে তার পুরস্কার থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার পরে আমাদেরকে ফিতনাগ্রস্থ করবেন না।

রেফারেন্স: সহীহ মাওকুফ। আল-মুয়াত্তাঃ ৫৩৯

জানাযার দোয়া #২.৩ (পুরুষ)

জানাযার দোয়া #২.৩ (পুরুষ)

ইয়াযীদ ইবনু রুকানা ইবনিল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোনও ব্যক্তির জানাযা পড়ার উদ্দেশে দাঁড়ালে, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ عَبْدُكَ وَابْنُ أَمَتِكَ اِحْتَاجَ إِلَى رَحْمَتِكَ، وَأَنْتَ غَنِيٌّ عَنْ عَذَابِهِ، إِنْ كَانَ مُحْسِنًا فَزِدْ فِي حَسَنَاتِهِ، وَإِنْ كَانَ مُسِيئًا فَتَجَاوَزْ عَنْهُ

আল্লা-হুম্মা ‘আবদুকা, ওয়াবনু ‘আমাতিকা, ই'হতা-জা ইলা রা'হমাতিকা, ওয়া ‘আনতা গানিয়্যুন ‘আন ‘আযা-বিহি, ইন কা-না মু'হসিনান ফাঝিদ ফী 'হাসানা-তিহি, ওয়া ইন কা-না মুসী‘আন ফা তাজা-ওয়াঝ ‘আনহু

হে আল্লাহ্‌, সে আপনার এক দাস, আর এক দাসীর পুত্র। আপনার দয়া তার খুবই প্রয়োজন, তাকে শাস্তি না দিলে আপনার কোনও ক্ষতি নেই। যদি সে নেককার বান্দা হয়, তবে তার সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন, আর যদি বদকার বান্দা হয়, তবে তার খারাপ কাজগুলো ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: সহিহ। আল-হাকিম: ১/৩৫৯

ইয়াযীদ ইবনু রুকানা ইবনিল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোনও ব্যক্তির জানাযা পড়ার উদ্দেশে দাঁড়ালে, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ عَبْدُكَ وَابْنُ أَمَتِكَ اِحْتَاجَ إِلَى رَحْمَتِكَ، وَأَنْتَ غَنِيٌّ عَنْ عَذَابِهِ، إِنْ كَانَ مُحْسِنًا فَزِدْ فِي حَسَنَاتِهِ، وَإِنْ كَانَ مُسِيئًا فَتَجَاوَزْ عَنْهُ

হে আল্লাহ্‌, সে আপনার এক দাস, আর এক দাসীর পুত্র। আপনার দয়া তার খুবই প্রয়োজন, তাকে শাস্তি না দিলে আপনার কোনও ক্ষতি নেই। যদি সে নেককার বান্দা হয়, তবে তার সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন, আর যদি বদকার বান্দা হয়, তবে তার খারাপ কাজগুলো ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: সহিহ। আল-হাকিম: ১/৩৫৯

জানাযার দোয়া #২.৪ (পুরুষ)

জানাযার দোয়া #২.৪ (পুরুষ)

ওয়াসিলা ইবনুল আসকা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদের নিয়ে এক মুসলিম পুরুষের জানাযা পড়েন। সেখানে আমি তাঁকে বলতে শুনি -

اَللَّهُمَّ إِنَّ (فُلَانَ بْنَ فُلَانٍ) فِي ذِمَّتِكَ وَحَبْلِ جِوَارِكَ فَقِهِ مِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ النَّارِ وَأَنْتَ أَهْلُ الْوَفَاءِ وَالْحَقِّ اَللَّهُمَّ فَاغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

আল্লা-হুম্মা, ইন্না (ফুলানাবনা ফুলান) ফী যিম্মাতিকা ওয়া ‘হাব্‌লি জিওয়া-রিকা, ফাক্বিহি মিন ফিত্‌নাতিল ক্বাবরি ওয়া 'আযা-বিন না-রি, ওয়া আনতা আহলুল ওয়াফা-য়ি ওয়াল হাক্ক। আল্লা-হুম্মা ফাগ্‌ফির লাহু, ওয়ার‘হামহু, ইন্নাকা আন্‌তাল গাফূরুর্‌ রা’হীম।

হে আল্লাহ্‌! (উক্ত ব্যক্তির নাম বলুন) তোমার আশ্রয় ও তত্ত্বাবধানে আছে; তাকে কবরের পরীক্ষা ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাও! তুমি ওয়াদা-পালনকারী ও হক্ব প্রদানকারী। হে আল্লাহ্‌! তাকে মাফ করো ও তার উপর রহম করো; তুমিই ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩২০২

ওয়াসিলা ইবনুল আসকা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদের নিয়ে এক মুসলিম পুরুষের জানাযা পড়েন। সেখানে আমি তাঁকে বলতে শুনি -

اَللَّهُمَّ إِنَّ (فُلَانَ بْنَ فُلَانٍ) فِي ذِمَّتِكَ وَحَبْلِ جِوَارِكَ فَقِهِ مِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ النَّارِ وَأَنْتَ أَهْلُ الْوَفَاءِ وَالْحَقِّ اَللَّهُمَّ فَاغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

হে আল্লাহ্‌! (উক্ত ব্যক্তির নাম বলুন) তোমার আশ্রয় ও তত্ত্বাবধানে আছে; তাকে কবরের পরীক্ষা ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাও! তুমি ওয়াদা-পালনকারী ও হক্ব প্রদানকারী। হে আল্লাহ্‌! তাকে মাফ করো ও তার উপর রহম করো; তুমিই ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩২০২

জানাযার দোয়া #৩.১ (মহিলা)

জানাযার দোয়া #৩.১ (মহিলা)

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهَا وَارْحَمْهَا وَعَافِهَا وَاعْفُ عَنْهَا وَأَكْرِمْ نُزُلَهَا وَوَسِّعْ مُدْخَلَهَا وَاغْسِلْهَا بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَنَقِّهَا مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ وَأَبْدِلْهَا دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهَا وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهَا وَزَوْجًا خَيْرًا مِنْ زَوْجِهَا وَأَدْخِلْهَا الْجَنَّةَ وَأَعِذْهَا مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ [عَذَابِ النَّارِ]

আল্লা-হুম্মাগফির লাহা, ওয়ার’হামহা, ওয়া‘আ-ফিহা, ওয়া’অ্ফু ‘আনহা, ওয়া আকরিম নুঝুলাহা, ওয়া ওয়াসসি’য় মুদখালাহা-, ওয়াগসিলহা- বিলমা-ই ওয়াছ ছালজি ওয়াল বারাদ। ওয়া নাক্বিহা- মিনাল খাতা-ইয়া- কামা-নাক্বাইতাছ ছাওবাল আবইয়াদ্বা মিনাদ দানাস। ওয়া আবদিলহা- দা-রান খাইরাম মিন দা-রিহা, ওয়া আহলান খাইরাম মিন আহলিহা-, ওয়া ঝাওজান খাইরাম মিন ঝাওজিহা-, ওয়া আদখিলহাল জান্নাতা ওয়া আ'ইযহা মিন আযাবিল ক্বাবর (অথবা আযাবিল ক্বাবর এর স্থলে 'আযাবিন না-র)

হে আল্লাহ্‌, আপনি তাকে ক্ষমা করুন, রহমত করুন, নিরাপত্তা দান করুন, তাকে মাফ করে দিন, তাকে সম্মানের সাথে আপনার কাছে স্থান দান করুন, তার প্রবেশস্থান (কবর) প্রশস্থ করুন, তাকে পানি, বরফ ও শীল দিয়ে ধৌত করুন, তাকে পাপরাশি থেকে এমনভাবে পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন করুন যেভাবে সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন ও ঝকঝকে করেছেন। তাকে দান করুন তার (ফেলে যাওয়া) বাড়ির চেয়ে উত্তম বাড়ি, তার পরিজনের চেয়ে উত্তম পরিজন, তার (দুনিয়ার) সঙ্গীর চেয়ে উত্তম সঙ্গী। তাকে আপনি জান্নাত দান করুন এবং কবরের বা জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯৬৩

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهَا وَارْحَمْهَا وَعَافِهَا وَاعْفُ عَنْهَا وَأَكْرِمْ نُزُلَهَا وَوَسِّعْ مُدْخَلَهَا وَاغْسِلْهَا بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَنَقِّهَا مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ وَأَبْدِلْهَا دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهَا وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهَا وَزَوْجًا خَيْرًا مِنْ زَوْجِهَا وَأَدْخِلْهَا الْجَنَّةَ وَأَعِذْهَا مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ [عَذَابِ النَّارِ]

হে আল্লাহ্‌, আপনি তাকে ক্ষমা করুন, রহমত করুন, নিরাপত্তা দান করুন, তাকে মাফ করে দিন, তাকে সম্মানের সাথে আপনার কাছে স্থান দান করুন, তার প্রবেশস্থান (কবর) প্রশস্থ করুন, তাকে পানি, বরফ ও শীল দিয়ে ধৌত করুন, তাকে পাপরাশি থেকে এমনভাবে পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন করুন যেভাবে সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন ও ঝকঝকে করেছেন। তাকে দান করুন তার (ফেলে যাওয়া) বাড়ির চেয়ে উত্তম বাড়ি, তার পরিজনের চেয়ে উত্তম পরিজন, তার (দুনিয়ার) সঙ্গীর চেয়ে উত্তম সঙ্গী। তাকে আপনি জান্নাত দান করুন এবং কবরের বা জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯৬৩

জানাযার দোয়া #৩.২ (মহিলা)

জানাযার দোয়া #৩.২ (মহিলা)

اَللَّهُمَّ (إِنَّهَا) أَمَتُكَ وَبِنْتُ عَبْدِكَ وَبِنْتُ أَمَتِكَ كَانَتْ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ اَللَّهُمَّ إِنْ كَانَتْ مُحْسِنَةً فَزِدْ فِي إِحْسَانِهَا وَإِنْ كَانَتْ مُسِيْئَةً فَتَجَاوَزْ عَنْ سَيِّئَاتِهَا اَللَّهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهَا وَلَا تَفْتِنَّا بَعْدَهَا

আল্লা-হুম্মা, (ইন্নাহা) আমাতুকা, ওয়া বিনতু ‘আব্‌দিকা, ওয়া বিনতু আমাতিকা, কা-নাত ইয়াশ্‌হাদু আন লা- ইলা-হা ইল্লা- আন্‌তা, ওয়া আন্না মু’হাম্মাদান ‘আব্‌দুকা ওয়া রাসূলুকা, ওয়া আন্‌তা আ’অলামু বিহি। আল্লা-হুম্মা, ইন্‌ কা-নাত মু’হ্‌সিনাতান ফাঝিদ্‌ ফী ই’হসা-নিহা, ওয়া ইন্‌ কা-নাত মুসীআতান ফাতাজা-ওয়াঝ ‘আন সাইয়িআ-তিহা। আল্লা-হুম্মা লা- তা’হরিমনা- আজ্‌রাহা, ওয়ালা-তাফ্‌তিন্‌না বা'অদাহা

হে আল্লাহ্‌, এ মহিলা আপনার বান্দী, আপনার বান্দার কন্যা, আপনার বান্দীর কন্যা। সে সাক্ষ্য দিত যে, আপনি ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ (ﷺ) আপনার বান্দা ও আপনার রাসূল। আর আপনি তার বিষয়ে অধিক অবগত। হে আল্লাহ্‌, যদি সে নেককর্মকারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার নেকি বৃদ্ধি করে দিন। আর যদি সে পাপাচারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার পাপরাশি ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ্‌, আমাদেরকে তার পুরস্কার থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার পরে আমাদেরকে ফিতনাগ্রস্থ করবেন না।

রেফারেন্স: সহীহ মাওকুফ। আল-মুয়াত্তাঃ ৫৩৯

اَللَّهُمَّ (إِنَّهَا) أَمَتُكَ وَبِنْتُ عَبْدِكَ وَبِنْتُ أَمَتِكَ كَانَتْ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ اَللَّهُمَّ إِنْ كَانَتْ مُحْسِنَةً فَزِدْ فِي إِحْسَانِهَا وَإِنْ كَانَتْ مُسِيْئَةً فَتَجَاوَزْ عَنْ سَيِّئَاتِهَا اَللَّهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهَا وَلَا تَفْتِنَّا بَعْدَهَا

হে আল্লাহ্‌, এ মহিলা আপনার বান্দী, আপনার বান্দার কন্যা, আপনার বান্দীর কন্যা। সে সাক্ষ্য দিত যে, আপনি ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ (ﷺ) আপনার বান্দা ও আপনার রাসূল। আর আপনি তার বিষয়ে অধিক অবগত। হে আল্লাহ্‌, যদি সে নেককর্মকারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার নেকি বৃদ্ধি করে দিন। আর যদি সে পাপাচারী হয়ে থাকে তবে আপনি তার পাপরাশি ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ্‌, আমাদেরকে তার পুরস্কার থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার পরে আমাদেরকে ফিতনাগ্রস্থ করবেন না।

রেফারেন্স: সহীহ মাওকুফ। আল-মুয়াত্তাঃ ৫৩৯

জানাযার দোয়া #৩.৩ (মহিলা)

জানাযার দোয়া #৩.৩ (মহিলা)

اَللَّهُمَّ أَمَتُكَ وَبِنْتُ أَمَتِكَ اِحْتَاجَتْ إِلَى رَحْمَتِكَ، وَأَنْتَ غَنِيٌّ عَنْ عَذَابِهَا، إِنْ كَانَتْ مُحْسِنَةً فَزِدْ فِي حَسَنَاتِهَا، وَإِنْ كَانَتْ مُسِيئَةً فَتَجَاوَزْ عَنْهَا

আল্লা-হুম্মা ‘আমাতুকা, ওয়া বিনতু ‘আমাতিকা, ই'হতা-জাত ইলা রা'হমাতিকা, ওয়া আনতা গানিয়্যুন ‘আন ‘আযা-বিহা, ইন কা-নাত মু'হসিনাতান ফাঝিদ ফী 'হাসানা-তিহা, ওয়া ইন কা-নাত মুসীআতান ফা তাজা-ওয়াঝ ‘আনহা

হে আল্লাহ্‌, সে আপনার এক দাসী, আর এক দাসীর কন্যা। আপনার দয়া তার খুবই প্রয়োজন, তাকে শাস্তি না দিলে আপনার কোনও ক্ষতি নেই। যদি সে নেককার বান্দা হয়, তবে তার সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন, আর যদি বদকার বান্দা হয়, তবে তার খারাপ কাজগুলো ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: সহিহ। আল-হাকিম: ১/৩৫৯

اَللَّهُمَّ أَمَتُكَ وَبِنْتُ أَمَتِكَ اِحْتَاجَتْ إِلَى رَحْمَتِكَ، وَأَنْتَ غَنِيٌّ عَنْ عَذَابِهَا، إِنْ كَانَتْ مُحْسِنَةً فَزِدْ فِي حَسَنَاتِهَا، وَإِنْ كَانَتْ مُسِيئَةً فَتَجَاوَزْ عَنْهَا

হে আল্লাহ্‌, সে আপনার এক দাসী, আর এক দাসীর কন্যা। আপনার দয়া তার খুবই প্রয়োজন, তাকে শাস্তি না দিলে আপনার কোনও ক্ষতি নেই। যদি সে নেককার বান্দা হয়, তবে তার সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন, আর যদি বদকার বান্দা হয়, তবে তার খারাপ কাজগুলো ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: সহিহ। আল-হাকিম: ১/৩৫৯

জানাযার দোয়া #৩.৪ (মহিলা)

জানাযার দোয়া #৩.৪ (মহিলা)

اَللَّهُمَّ إِنَّ (فُلَانَةَ بِنْتُ فُلَانٍ) فِي ذِمَّتِكَ وَحَبْلِ جِوَارِكَ فَقِهِ مِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ النَّارِ وَأَنْتَ أَهْلُ الْوَفَاءِ وَالْحَقِّ، اَللَّهُمَّ فَاغْفِرْ لَهَا وَارْحَمْهَا إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

আল্লা-হুম্মা, ইন্না (‘ফুলানাতা বিনতু ফুলান’) ফী যিম্মাতিকা ওয়া ‘হাব্‌লি জিওয়া-রিকা, ফাক্বিহি মিন ফিত্‌নাতিল ক্বাবরি ওয়া 'আযা-বিন না-রি, ওয়া আনতা আহলুল ওয়াফা-য়ি ওয়াল হাক্ক। আল্লা-হুম্মা ফাগ্‌ফির লাহা, ওয়ার‘হামহা, ইন্নাকা আন্‌তাল গাফূরুর্‌ রা’হীম

হে আল্লাহ্‌! (উক্ত মহিলার নাম বলুন) তোমার আশ্রয় ও তত্ত্বাবধানে আছে; তাকে কবরের পরীক্ষা ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাও! তুমি ওয়াদা-পালনকারী ও সত্যবাদী। হে আল্লাহ্‌! তাকে মাফ করে ও তার উপর রহম করো; তুমিই ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩২০২

اَللَّهُمَّ إِنَّ (فُلَانَةَ بِنْتُ فُلَانٍ) فِي ذِمَّتِكَ وَحَبْلِ جِوَارِكَ فَقِهِ مِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ النَّارِ وَأَنْتَ أَهْلُ الْوَفَاءِ وَالْحَقِّ، اَللَّهُمَّ فَاغْفِرْ لَهَا وَارْحَمْهَا إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

হে আল্লাহ্‌! (উক্ত মহিলার নাম বলুন) তোমার আশ্রয় ও তত্ত্বাবধানে আছে; তাকে কবরের পরীক্ষা ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাও! তুমি ওয়াদা-পালনকারী ও সত্যবাদী। হে আল্লাহ্‌! তাকে মাফ করে ও তার উপর রহম করো; তুমিই ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩২০২

জানাযার দোয়া #৪

জানাযার দোয়া #৪

اَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبُّهَا، وَأَنْتَ خَلَقْتَهَا، وَأَنْتَ هَدَيْتَهَا لِلْإِسْلَامِ، وَأَنْتَ قَبَضْتَ رُوْحَهَا، وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِسِرِّهَا وَعَلَانِيَتِهَا، جِئْنَا شُفَعَاءَ فَاغْفِرْ لَهَا

আল্লা-হুম্মা, আনতা রাব্বুহা-, ওয়া আনতা খালাক্বতাহা-, ওয়া আনতা হাদাইতাহা- লিল ইসলা-ম, ওয়া আনতা ক্বাবাদ্বতা রূ'হাহা-, ওয়া আনতা আ’অ্‌লামু বিসিররিহা ওয়া ‘আলা-নিয়াতিহা-, জি'‌না শুফা'আ-আ ফাগফির লাহা

হে আল্লাহ্‌, আপনি তার প্রভু, আপনি তাকে সৃষ্টি করেছেন, আপনি তাকে ইসলামের পথ প্রদর্শন করেছেন, আপনি তার রুহ গ্রহণ করেছেন, আপনি তার গোপন ও প্রকাশ্য সবকিছু জানেন। আমরা তার জন্য সুপারিশ (শাফা'আত) করতে এসেছি, অতএব আপনি তাকে ক্ষমা করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান (ইবনে হাজার)। আর-রাব্বানিয়্যাহ ৪/১৭৬

اَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبُّهَا، وَأَنْتَ خَلَقْتَهَا، وَأَنْتَ هَدَيْتَهَا لِلْإِسْلَامِ، وَأَنْتَ قَبَضْتَ رُوْحَهَا، وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِسِرِّهَا وَعَلَانِيَتِهَا، جِئْنَا شُفَعَاءَ فَاغْفِرْ لَهَا

হে আল্লাহ্‌, আপনি তার প্রভু, আপনি তাকে সৃষ্টি করেছেন, আপনি তাকে ইসলামের পথ প্রদর্শন করেছেন, আপনি তার রুহ গ্রহণ করেছেন, আপনি তার গোপন ও প্রকাশ্য সবকিছু জানেন। আমরা তার জন্য সুপারিশ (শাফা'আত) করতে এসেছি, অতএব আপনি তাকে ক্ষমা করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান (ইবনে হাজার)। আর-রাব্বানিয়্যাহ ৪/১৭৬

ফন্ট সাইজ
15px
17px