📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 তাহাজ্জুদ সালাত শুরুর দোয়া

📄 তাহাজ্জুদ সালাত শুরুর দোয়া


তাহাজ্জুদ সালাত শুরুর দোয়া #১

তাহাজ্জুদ সালাত শুরুর দোয়া #১

তারপর তিনবার বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ

‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ'

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ্‌ নেই।

তারপর তিনবার বলতেন -

اَللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا

আল্লাহু 'আকবার কাবীরান

আল্লাহ্‌ যথার্থই সর্বশ্রেষ্ঠ।

তারপর বলতেন -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ السَّمِيْعِ الْعَلِيْمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ

আ‘উযু বিল্লা-হিস্‌ সামি‘ইল-‘আলীমি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম মিন হামঝিহি ওয়া নাফখিহি ওয়া নাফছিহ

অভিশপ্ত শয়তান এবং তার কুমন্ত্রণা, ঝাড়ফুঁক ও যাদুমন্ত্র হতে আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বময় জ্ঞানের অধিকারী আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকটে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৭৭৫

তারপর কুরআন পাঠ করতেন।

তারপর তিনবার বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ্‌ নেই।

তারপর তিনবার বলতেন -

اَللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا

আল্লাহ্‌ যথার্থই সর্বশ্রেষ্ঠ।

তারপর বলতেন -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ السَّمِيْعِ الْعَلِيْمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ

অভিশপ্ত শয়তান এবং তার কুমন্ত্রণা, ঝাড়ফুঁক ও যাদুমন্ত্র হতে আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বময় জ্ঞানের অধিকারী আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকটে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৭৭৫

ঘুম ভাঙার পরে সলাত শুরুর আগের যিকর

ঘুম ভাঙার পরে সলাত শুরুর আগের যিকর

১০ বার-

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ

আল‘হামদু লিল্লা-হ

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।

১০ বার-

سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ

সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বি’হামদিহী।

ঘোষণা করছি আল্লাহ্‌র পবিত্রতার এবং তার প্রশংসা-সহ।

১০ বার-

سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْقُدُّوسِ

সুব’হা-নাল মালিকিল ক্বুদ্দূস

পবিত্রতা ঘোষণা করছি মহা-পবিত্র মালিকের।

১০ বার-

اَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

আস্তাগফিরুল্লা-হ

আমি আল্লাহ্‌র ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

১০ বার-

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই।

অতঃপর তিনি ১০ বার বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ ضِيْقِ الدُّنْيَا، وَضِيْقِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নি আ’উযুবিকা মিন দ্বিক্বীদ দুন্‌ইয়া- ওয়া দ্বিক্বী ইয়াওমিল কিয়ামাহ্‌।

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় অভাব, সংকীর্ণতা ও বিপদগ্রস্ততা হতে আশ্রয় চাইছি।

রেফারেন্স: হাসান সহিহ। আবু দাউদঃ ৫০৮৫

শারীক আল-হাওযানী (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ একদা আমি ‘আয়িশাহ্‌র (রাঃ) নিকট গিয়ে বলি, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাতে জেগে সর্বপ্রথম কোন দোয়া পড়ার মাধ্যমে শুরু করতেন? তিনি বললেন, তুমি আমাকে এমন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছো, তোমার পূর্বে কেউই এ ব্যাপারে আমার নিকট জানতে চায়নি। তিনি যখন রাতে জাগতেন তখন (উপরোক্ত যিক্‌রগুলো পাঠ করতেন) - এরপর তিনি সলাত শুরু করতেন।

১০ বার-

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।

১০ বার-

سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ

ঘোষণা করছি আল্লাহ্‌র পবিত্রতার এবং তার প্রশংসা-সহ।

১০ বার-

سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْقُدُّوسِ

পবিত্রতা ঘোষণা করছি মহা-পবিত্র মালিকের।

১০ বার-

اَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

আমি আল্লাহ্‌র ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

১০ বার-

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই।

অতঃপর তিনি ১০ বার বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ ضِيْقِ الدُّنْيَا، وَضِيْقِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় অভাব, সংকীর্ণতা ও বিপদগ্রস্ততা হতে আশ্রয় চাইছি।

রেফারেন্স: হাসান সহিহ। আবু দাউদঃ ৫০৮৫

তাহাজ্জুদ সালাত শুরুর দোয়া #২

তাহাজ্জুদ সালাত শুরুর দোয়া #২

১০ বার-

سُبْحَانَ اللَّهِ

সুবহা-নাল্লাহ

আমি আল্লাহ্‌র পবিত্রতা ঘোষণা করছি।

১০ বার-

اَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

আস্তাগফিরুল্লা-হ

আমি আল্লাহ্‌র ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

তারপর এ দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَاهْدِنِي، وَارْزُقْنِي وَعَافِنِي

আল্লাহুম্মাগফির লী ওয়াহদিনী ওয়ারযুক্বনী, ওয়া ‘আফিনী

হে আল্লাহ্‌, আমাকে ক্ষমা করুন এবং [তাকওয়ার পথে] হেদায়েত দিন, আমাকে রিজিক দান করুন এবং দেহের সুস্বাস্থ্য দান করুন।

এছাড়াও তিনি এ দোয়া পড়তেন -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنْ ضِيْقِ الْمَقَامِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

আ‘উযু বিল্লা-হি মিন দ্বিক্বীল মাক্বা-মি ইয়াওমাল ক্বিয়া-মাহ।

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট ক্বিয়ামাতের দিনের সংকীর্ণ স্থান হতে আশ্রয় চাইছি।

রেফারেন্স: হাসান সহিহ। আবু দাউদঃ ৭৬৬

১০ বার-

سُبْحَانَ اللَّهِ

আমি আল্লাহ্‌র পবিত্রতা ঘোষণা করছি।

১০ বার-

اَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

আমি আল্লাহ্‌র ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

তারপর এ দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَاهْدِنِي، وَارْزُقْنِي وَعَافِنِي

হে আল্লাহ্‌, আমাকে ক্ষমা করুন এবং [তাকওয়ার পথে] হেদায়েত দিন, আমাকে রিজিক দান করুন এবং দেহের সুস্বাস্থ্য দান করুন।

এছাড়াও তিনি এ দোয়া পড়তেন -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنْ ضِيْقِ الْمَقَامِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট ক্বিয়ামাতের দিনের সংকীর্ণ স্থান হতে আশ্রয় চাইছি।

রেফারেন্স: হাসান সহিহ। আবু দাউদঃ ৭৬৬

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 বিতরের যিক্‌র

📄 বিতরের যিক্‌র


বিতরের সালাতের পরের যিক্‌র #১

বিতরের সালাতের পরের যিক্‌র #১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বিতিরের শেষে তিন বার এ যিক্‌রটি বলতেন, শেষবারে লম্বা করে বলতেন -

سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْقُّدُّوْسِ

সুব’হা-নাল মালিকিল ক্বুদ্দূস

পবিত্রতা ঘোষণা করছি মহা-পবিত্র মালিকের।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদ নং ১৪৩০, সুনান নাসাঈ নং ১৬৯৯,১৭০১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বিতিরের শেষে তিন বার এ যিক্‌রটি বলতেন, শেষবারে লম্বা করে বলতেন -

سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْقُّدُّوْسِ

পবিত্রতা ঘোষণা করছি মহা-পবিত্র মালিকের।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদ নং ১৪৩০, সুনান নাসাঈ নং ১৬৯৯,১৭০১

বিতরের সালাতের পরের যিক্‌র #২

বিতরের সালাতের পরের যিক্‌র #২

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বিতরের শেষের দিকে বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ، وَأَعُــوذُ بِكَ مِنْكَ، لَا أُحْصِيْ ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আঊযু বিরিদ্বা-কা মিন সাখাত্বিক, ওয়া বিমু‘আ-ফা-তিকা মিন ‘উক্বুবাতিক, ওয়া আঊযু বিকা মিনকা, লা উহ্‌সী ছানা-আন ‘আলাইকা, আনতা কামা- আছনাইতা ‘আলা নাফসিক

হে আল্লাহ্‌! আমি আশ্রয় চাই তোমার অসন্তুষ্টি থেকে সন্তুষ্টির কাছে, তোমার শাস্তি থেকে তোমার ক্ষমার কাছে। তোমার (পাকড়াও) থেকে তোমার (দয়ার) কাছে। আমি তোমার প্রশংসা বর্ণনা করে শেষ করতে পারব না; তুমি প্রশংসিত, যেভাবে তুমি নিজের প্রশংসা করেছ।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ১৪২৭

আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বিতরের শেষে কথাগুলো বলতেন। এখানে বিতরের শেষ বলতে সালামের আগে না সালামের পরে তা স্পষ্ট করে বলা হয় নি। এজন্য মুমিন এ দোয়াটি সালাতুল বিতরের শেষে সালামের আগে অথবা সালামের পরে পাঠ করতে পারেন।"

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বিতরের শেষের দিকে বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ، وَأَعُــوذُ بِكَ مِنْكَ، لَا أُحْصِيْ ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ

হে আল্লাহ্‌! আমি আশ্রয় চাই তোমার অসন্তুষ্টি থেকে সন্তুষ্টির কাছে, তোমার শাস্তি থেকে তোমার ক্ষমার কাছে। তোমার (পাকড়াও) থেকে তোমার (দয়ার) কাছে। আমি তোমার প্রশংসা বর্ণনা করে শেষ করতে পারব না; তুমি প্রশংসিত, যেভাবে তুমি নিজের প্রশংসা করেছ।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ১৪২৭

বিতরের সালাতের পরের যিক্‌র #৩

বিতরের সালাতের পরের যিক্‌র #৩

শেষের বার তাঁর আওয়াজ দীর্ঘায়িত করে বলতেন -

رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ

রাব্বুল মালা-ইকাতি ওয়ার-রূহ

যিনি সকল ফেরেশতা ও জিবরীলের মনিব।

রেফারেন্স: সুনানে দারা কুত্বনী ২/৩১, মু'জামুল আওসাত্ব ৮/১০৮, সুনানে বায়হাকি ৩/৪০

শেষের বার তাঁর আওয়াজ দীর্ঘায়িত করে বলতেন -

رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ

যিনি সকল ফেরেশতা ও জিবরীলের মনিব।

রেফারেন্স: সুনানে দারা কুত্বনী ২/৩১, মু'জামুল আওসাত্ব ৮/১০৮, সুনানে বায়হাকি ৩/৪০

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 বিতর সালাতে রাসূল (ﷺ) যেসকল সূরা পড়তেন

📄 বিতর সালাতে রাসূল (ﷺ) যেসকল সূরা পড়তেন


সূরা আল-আ'লা, সূরা আল-কাফিরূন ও সূরা আল-ইখলাস

সূরা আল-আ'লা, সূরা আল-কাফিরূন ও সূরা আল-ইখলাস

সূরা আল-কাফিরূন -

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ ﴿١﴾ لَا أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ ﴿٢﴾ وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ ﴿٣﴾ وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ ﴿٤﴾ وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ ﴿٥﴾ لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ ﴿٦﴾

(১) বল, ‘হে কাফিররা, (২) তোমরা যার ‘ইবাদাত করো আমি তার ‘ইবাদাত করি না’। (৩) এবং আমি যার ‘ইবাদাত করি তোমরা তার ‘ইবাদাতকারী নও’। (৪) ‘আর তোমরা যার ‘ইবাদত করছ আমি তার ‘ইবাদাতকারী হব না’। (৫) ‘আর আমি যার ‘ইবাদাত করি তোমরা তার ‘ইবাদাতকারী হবে না’। (৬) ‘তোমাদের জন্য তোমাদের দীন আর আমার জন্য আমার দীন।’ (সূরা আল-কাফিরূন ১০৯ঃ ১-৬)

সূরা আল-ইখলাস -

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ﴿١﴾ اللَّهُ الصَّمَدُ ﴿٢﴾ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ﴿٣﴾ وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ ﴿٤﴾

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। (১) ক্বুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। (২) আল্লাহুস্ সামাদ। (৩) লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। (৪) ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।

(১) বল, তিনিই আল্লাহ্‌, এক-অদ্বিতীয়। (২) আল্লাহ্‌ কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী। (৩) তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি। (৪) আর তাঁর কোন সমকক্ষও নেই। (সূরা ইখলাস ১১২ঃ ১-৪)

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৪২৩

সূরা আল-কাফিরূন -

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ ﴿١﴾ لَا أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ ﴿٢﴾ وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ ﴿٣﴾ وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ ﴿٤﴾ وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ ﴿٥﴾ لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ ﴿٦﴾

(১) বল, ‘হে কাফিররা, (২) তোমরা যার ‘ইবাদাত করো আমি তার ‘ইবাদাত করি না’। (৩) এবং আমি যার ‘ইবাদাত করি তোমরা তার ‘ইবাদাতকারী নও’। (৪) ‘আর তোমরা যার ‘ইবাদত করছ আমি তার ‘ইবাদাতকারী হব না’। (৫) ‘আর আমি যার ‘ইবাদাত করি তোমরা তার ‘ইবাদাতকারী হবে না’। (৬) ‘তোমাদের জন্য তোমাদের দীন আর আমার জন্য আমার দীন।’ (সূরা আল-কাফিরূন ১০৯ঃ ১-৬)

সূরা আল-ইখলাস -

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ﴿١﴾ اللَّهُ الصَّمَدُ ﴿٢﴾ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ﴿٣﴾ وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ ﴿٤﴾

(১) বল, তিনিই আল্লাহ্‌, এক-অদ্বিতীয়। (২) আল্লাহ্‌ কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী। (৩) তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি। (৪) আর তাঁর কোন সমকক্ষও নেই। (সূরা ইখলাস ১১২ঃ ১-৪)

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৪২৩

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 মাসনূন কুনুত

📄 মাসনূন কুনুত


বিতরের কুনুতের দোয়া #১

বিতরের কুনুতের দোয়া #১

اَللَّهُمَّ اهْدِنِيْ فِيمَنْ هَدَيْتَ، وَعَافِنِيْ فِيمَنْ عَافَيْتَ، وَتَوَلَّنِي فِيمَنْ تَوَلَّيْتَ وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَ وَقِنِيْ شَرَّ مَا قَضَيْتَ فَإِنَّكَ تَقْضِيْ وَلَا يُقْضَى عَلَيْكَ وَإِنَّهُ لَا يَذِلُّ مَنْ وَالَيْتَ، وَلَا يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ تَبارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ

আল্লা-হুম্মাহ্ দিনী ফীমান হাদাইতা, ওয়া ‘আ-ফিনী ফীমান ‘আ-ফাইতা, ওয়া তাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইতা, ওয়া বা-রিক লী ফীমা- আ’অ্‌তাইতা, ওয়া ক্বিনী শার্‌রা মা- ক্বাদ্বাইতা, ফাইন্নাকা তাক্বদ্বী, ওয়ালা- ইউক্বদ্বা ‘আলাইকা, ওয়া ইন্নাহু লা- ইয়াযিল্লু মান ওয়া-লাইতা, ওয়ালা- ইয়া’ইঝ-ঝু মান ‘আ-দাইতা, তাবা-রাক্‌তা রাব্বানা- ওয়া তা'আ-লাইতা

হে আল্লাহ্‌, আমাকে হেদায়েত দান করুন, যাদেরকে আপনি হেদায়েত করেছেন তাদের সাথে। আমাকে পরিপূর্ণ নিরাপত্তা ও সুস্থতা দান করুন, যাদেরকে আপনি নিরাপত্তা দান করেছেন তাদের সাথে। আমাকে ওলী হিসাবে গ্রহণ করুন (আমার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করুন), যাদেরকে আপনি ওলী হিসাবে গ্রহণ করেছেন তাদের সাথে। আপনি আমাকে যা কিছু প্রদান করেছেন তাতে বরকত প্রদান করুন। আপনি যা কিছু আমার ভাগ্যে নির্ধারণ করেছেন তার অকল্যাণ থেকে আমাকে রক্ষা করুন। কারণ আপনিই তো ভাগ্য নির্ধারণ করেন, আপনার বিষয় কেউ নির্ধারণ করে দিতে পারে না। আপনি যাকে ওলী হিসাবে গ্রহণ করেছেন সে অপমানিত হবে না। আর আপনি যাকে শত্রু হিসাবে গ্রহণ করেছেন সে কখনো সম্মানিত হবে না। মহামহিমান্বিত বরকতময় আপনি, হে আমাদের প্রভু, মহামর্যাদাময় ও সর্বোচ্চ আপনি।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ১৪২৫

এ কুনুতটি সম্পর্কে হাসান ইবন আলী (রাঃ) বলেন, “রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আমাকে এ বাক্যগুলো শিক্ষা দিয়েছেন বিতরের সালাতে বা বিতরের কুনুতে বলার জন্য।”

اَللَّهُمَّ اهْدِنِيْ فِيمَنْ هَدَيْتَ، وَعَافِنِيْ فِيمَنْ عَافَيْتَ، وَتَوَلَّنِي فِيمَنْ تَوَلَّيْتَ وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَ وَقِنِيْ شَرَّ مَا قَضَيْتَ فَإِنَّكَ تَقْضِيْ وَلَا يُقْضَى عَلَيْكَ وَإِنَّهُ لَا يَذِلُّ مَنْ وَالَيْتَ، وَلَا يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ تَبارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ

হে আল্লাহ্‌, আমাকে হেদায়েত দান করুন, যাদেরকে আপনি হেদায়েত করেছেন তাদের সাথে। আমাকে পরিপূর্ণ নিরাপত্তা ও সুস্থতা দান করুন, যাদেরকে আপনি নিরাপত্তা দান করেছেন তাদের সাথে। আমাকে ওলী হিসাবে গ্রহণ করুন (আমার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করুন), যাদেরকে আপনি ওলী হিসাবে গ্রহণ করেছেন তাদের সাথে। আপনি আমাকে যা কিছু প্রদান করেছেন তাতে বরকত প্রদান করুন। আপনি যা কিছু আমার ভাগ্যে নির্ধারণ করেছেন তার অকল্যাণ থেকে আমাকে রক্ষা করুন। কারণ আপনিই তো ভাগ্য নির্ধারণ করেন, আপনার বিষয় কেউ নির্ধারণ করে দিতে পারে না। আপনি যাকে ওলী হিসাবে গ্রহণ করেছেন সে অপমানিত হবে না। আর আপনি যাকে শত্রু হিসাবে গ্রহণ করেছেন সে কখনো সম্মানিত হবে না। মহামহিমান্বিত বরকতময় আপনি, হে আমাদের প্রভু, মহামর্যাদাময় ও সর্বোচ্চ আপনি।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ১৪২৫

বিতরের কুনুতের দোয়া #২

বিতরের কুনুতের দোয়া #২

رَبِّ أَعِنِّيْ وَلَا تُعِنْ عَلَيَّ وَانْصُرْنِيْ وَلَا تَنْصُرْ عَلَيَّ وَامْكُرْ لِي وَلَا تَمْكُرْ عَلَيَّ وَاهْدِنِيْ وَيَسِّرِ الْهُدَى لِي (إِلَيَّ) وَانْصُرْنِيْ عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيَّ رَبِّ اجْعَلْنِيْ لَكَ شَكَّارًا لَكَ ذَكَّارًا لَكَ رَهَّابًا لَكَ مِطْوَاعًا لَكَ مُخْبِتًا إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيْبًا رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِيْ وَاغْسِلْ حَوْبَتِي وَأَجِبْ دَعْوَتِيْ وَثَبِّتْ حُجَّتِيْ وَسَدِّدْ لِسَانِيْ وَاهْدِ قَلْبِيْ وَاسْلُلْ سَخِيْمَةَ صَدْرِيْ

রাব্বি আ‘ইন্নি ওয়ালা তু‘ইন আলাইয়্যা ওয়ান্‌-স্বুর্‌নী ওয়ালা তান্‌স্বুর আলাইয়্যা ওয়াম্‌কুর লি ওয়ালা তাম্‌কুর আলাইয়্যা ওয়াহ্‌দিনী ওয়া-ইয়াস্‌ ‘সিরিল হুদা লি (ইলাইয়্যা) ওয়ান্‌-স্বুরনী ‘আলা মান- বাগা ‘আলাইয়্যা রব্বিজ্‌ ‘আলনী লাকা শাক্বারান লাকা যাক্বারান লাকা রাহ্‌‘হাবান লাকা মিত্বওয়া-‘আন লাকা মুখ্‌বিতান ইলাইকা আওয়া-‘হান মুনিবান। রব্বি তাক্বাব্বাল তাওবাতি ওয়াগ্‌সিল ‘হাওবাতি ওয়াআজিব দা‘ওয়াতি ওয়া ‘ছাব্বিত হুজ্জাতি ওয়া ‘সাদ্দিদ লিসা-নী ওয়াহ্‌দী ক্বলবী ওয়াস্‌‘লুল সাখি‘মাতা স্বাদরি

হে আমার প্রতিপালক, আপনি আমাকে শক্তি-সহায়তা প্রদান করুন, আর আমার বিরুদ্ধে সহায়তা প্রদান করবেন না। এবং আপনি আমাকে সাহায্য করুন, আর আমার বিরুদ্ধে সাহায্য করবেন না। এবং আপনি আমার জন্য কৌশল করুন, আর আমার বিরুদ্ধে কৌশল করবেন না। এবং আপনি আমাকে হেদায়াত করুন এবং আমার জন্য হেদায়াত সহজ করুন। আপনি আমাকে সাহায্য করুন যে আমার উপর অত্যাচার করেছে তার বিরুদ্ধে। হে আমার প্রতিপালক, আপনি আমাকে বানিয়ে দিন আপনার জন্য অধিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী, আপনার অধিক যিক্‌রকারী, আপনার প্রতি অধিক ভীতিসম্পন্ন, আপনার অধিক আনুগত্যকারী, আপনার প্রতি বিনয়ী এবং আপনার দিকে বেশি বেশি তাওবা কারী। হে আমার প্রতিপালক, আপনি কবুল করুন আমার তাওবা, ধুয়ে দিন আমার পাপ, কবুল করুন আমার দোয়া, প্রতিষ্ঠিত করুন আমার প্রমাণ, পবিত্র-সুসংরক্ষিত করুন আমার জিহ্বা, সুপথে পরিচালিত করুন আমার অন্তর, বের করে দিন আমার অন্তরের সব হিংসা, বিদ্বেষ ও সংকীর্ণতা।

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিজিঃ ৩৫৫১

ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) এ দোয়া করতেন। হাদীসটির একজন বর্ণনাকারী আবুল হাসান তানাফিসী (রহ) বলেন, আমি হাদীসের রাবী ইমাম ওয়াকী ইবনুল জাররাহকে (রহ) [১৯৬ হি.] জিজ্ঞাসা করলাম, আমি কি বিতর-এর কুনুতে এ দোয়াটি বলব? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

رَبِّ أَعِنِّيْ وَلَا تُعِنْ عَلَيَّ وَانْصُرْنِيْ وَلَا تَنْصُرْ عَلَيَّ وَامْكُرْ لِي وَلَا تَمْكُرْ عَلَيَّ وَاهْدِنِيْ وَيَسِّرِ الْهُدَى لِي (إِلَيَّ) وَانْصُرْنِيْ عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيَّ رَبِّ اجْعَلْنِيْ لَكَ شَكَّارًا لَكَ ذَكَّارًا لَكَ رَهَّابًا لَكَ مِطْوَاعًا لَكَ مُخْبِتًا إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيْبًا رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِيْ وَاغْسِلْ حَوْبَتِي وَأَجِبْ دَعْوَتِيْ وَثَبِّتْ حُجَّتِيْ وَسَدِّدْ لِسَانِيْ وَاهْدِ قَلْبِيْ وَاسْلُلْ سَخِيْمَةَ صَدْرِيْ

হে আমার প্রতিপালক, আপনি আমাকে শক্তি-সহায়তা প্রদান করুন, আর আমার বিরুদ্ধে সহায়তা প্রদান করবেন না। এবং আপনি আমাকে সাহায্য করুন, আর আমার বিরুদ্ধে সাহায্য করবেন না। এবং আপনি আমার জন্য কৌশল করুন, আর আমার বিরুদ্ধে কৌশল করবেন না। এবং আপনি আমাকে হেদায়াত করুন এবং আমার জন্য হেদায়াত সহজ করুন। আপনি আমাকে সাহায্য করুন যে আমার উপর অত্যাচার করেছে তার বিরুদ্ধে। হে আমার প্রতিপালক, আপনি আমাকে বানিয়ে দিন আপনার জন্য অধিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী, আপনার অধিক যিক্‌রকারী, আপনার প্রতি অধিক ভীতিসম্পন্ন, আপনার অধিক আনুগত্যকারী, আপনার প্রতি বিনয়ী এবং আপনার দিকে বেশি বেশি তাওবা কারী। হে আমার প্রতিপালক, আপনি কবুল করুন আমার তাওবা, ধুয়ে দিন আমার পাপ, কবুল করুন আমার দোয়া, প্রতিষ্ঠিত করুন আমার প্রমাণ, পবিত্র-সুসংরক্ষিত করুন আমার জিহ্বা, সুপথে পরিচালিত করুন আমার অন্তর, বের করে দিন আমার অন্তরের সব হিংসা, বিদ্বেষ ও সংকীর্ণতা।

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিজিঃ ৩৫৫১

বিতরের কুনুতের দোয়া #৩

বিতরের কুনুতের দোয়া #৩

اَللَّهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ، وَلَكَ نُصَلِّي وَنَسْجُدُ، وَإِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ، نَرْجُو رَحْمَتَكَ، وَنَخْشَى عَذَابَكَ، إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكَافِرِينَ مُلْحَقٌ، اَللَّهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ، وَنَسْتَغْفِرُكَ، وَنُثْنِي عَلَيْكَ الْخَيْرَ، وَلَا نَكْفُرُكَ، وَنُؤْمِنُ بِكَ، وَنَخْضَعُ لَكَ، وَنَخْلَعُ مَنْ يَكْفُرُكَ

আল্লা-হুম্মা ইয়্যাকা না‘বুদু, ওয়ালাকা নুসাল্লী, ওনাসজুদু, ওয়া ইলাইকা নাস‘আ, ওয়া নাহ্‌ফিদু, নারজূ রাহ্‌মাতাকা, ওয়া নাখশা ‘আযা-বাকা, ইন্না ‘আযা-বাকা বিলকা-ফিরীনা মুলহাক্ব। আল্লা-হুম্মা ইন্না নাসতা‘ঈনুকা ওয়া নাসতাগফিরুকা, ওয়া নুছনী ‘আলাইকাল খাইর, ওয়ালা-নাকফুরুকা, ওয়ানূ’মিনু বিকা, ওয়া নাখদ্বা‘উ লাকা, ওয়ানাখলা‘উ মাই ইয়াকফুরুক

হে আল্লাহ্‌! আমরা আপনারই ইবাদত করি; আপনার জন্যই সালাত আদায় করি ও সিজদা করি; আমরা আপনার দিকেই দৌড়াই এবং দ্রুত অগ্রসর হই; আমরা আপনার করুণা লাভের আকাঙ্ক্ষা করি এবং আপনার শাস্তিকে ভয় করি। নিশ্চয় আপনার শাস্তি কাফেরদেরকে স্পর্শ করবে। হে আল্লাহ্‌! নিশ্চয় আমরা আপনার কাছে সাহায্য চাই, আপনার কাছে ক্ষমা চাই, আপনার উত্তম প্রশংসা করি, আপনার সাথে কুফরি করি না, আপনার উপর ঈমান আনি, আপনার প্রতি অনুগত হই, আর যে আপনার সাথে কুফরি করে আমরা তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করি।

রেফারেন্স: সহিহ। ইরওয়াউল গালীলঃ ২/১৭০, বায়হাকীঃ আস-সুনানুল কবরা- ২/২১১

اَللَّهُمَّ إِيَّاكَ نَعْبُدُ، وَلَكَ نُصَلِّي وَنَسْجُدُ، وَإِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ، نَرْجُو رَحْمَتَكَ، وَنَخْشَى عَذَابَكَ، إِنَّ عَذَابَكَ بِالْكَافِرِينَ مُلْحَقٌ، اَللَّهُمَّ إِنَّا نَسْتَعِينُكَ، وَنَسْتَغْفِرُكَ، وَنُثْنِي عَلَيْكَ الْخَيْرَ، وَلَا نَكْفُرُكَ، وَنُؤْمِنُ بِكَ، وَنَخْضَعُ لَكَ، وَنَخْلَعُ مَنْ يَكْفُرُكَ

হে আল্লাহ্‌! আমরা আপনারই ইবাদত করি; আপনার জন্যই সালাত আদায় করি ও সিজদা করি; আমরা আপনার দিকেই দৌড়াই এবং দ্রুত অগ্রসর হই; আমরা আপনার করুণা লাভের আকাঙ্ক্ষা করি এবং আপনার শাস্তিকে ভয় করি। নিশ্চয় আপনার শাস্তি কাফেরদেরকে স্পর্শ করবে। হে আল্লাহ্‌! নিশ্চয় আমরা আপনার কাছে সাহায্য চাই, আপনার কাছে ক্ষমা চাই, আপনার উত্তম প্রশংসা করি, আপনার সাথে কুফরি করি না, আপনার উপর ঈমান আনি, আপনার প্রতি অনুগত হই, আর যে আপনার সাথে কুফরি করে আমরা তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করি।

রেফারেন্স: সহিহ। ইরওয়াউল গালীলঃ ২/১৭০, বায়হাকীঃ আস-সুনানুল কবরা- ২/২১১

ফন্ট সাইজ
15px
17px