📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 ফজরের সালাতের পর দোয়া

📄 ফজরের সালাতের পর দোয়া


ফজরের সালাতের পর দোয়ার মহত্ত্ব #১

ফজরের সালাতের পর দোয়ার মহত্ত্ব #১

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি জামাআতের সঙ্গে ফজরের সালাত আদায় করে, তারপর বসে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহ্‌র দোয়া করতে থাকে, এরপর দু' রাকআত সালাত আদায় করে, তাকে একটি হাজ্জ ও একটি উমরার সাওয়াব দেওয়া হয়।” 'তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “পূর্ণাঙ্গ, পূর্ণাঙ্গ, পূর্ণাঙ্গ! (হাজ্জ ও উমরা)।”

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৫৮৬

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি জামাআতের সঙ্গে ফজরের সালাত আদায় করে, তারপর বসে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহ্‌র দোয়া করতে থাকে, এরপর দু' রাকআত সালাত আদায় করে, তাকে একটি হাজ্জ ও একটি উমরার সাওয়াব দেওয়া হয়।” 'তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “পূর্ণাঙ্গ, পূর্ণাঙ্গ, পূর্ণাঙ্গ! (হাজ্জ ও উমরা)।”

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৫৮৬

ফজরের সালাতের পর দোয়ার মহত্ত্ব #২

ফজরের সালাতের পর দোয়ার মহত্ত্ব #২

সিমাক ইবনু হার (রাঃ) বলেন, “আমি জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করি, “আপনি কি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর মজলিশে বসতেন?” তিনি বলেন, “হ্যাঁ, বহুবার (বসেছি)। তিনি যেখানে ফজরের সালাত আদায় করতেন, সেখান থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত ওঠতেন না। সূর্য উদিত হলে তিনি ওঠতেন। সাহাবীগণ জাহিলি যুগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথাবার্তা বলে হাসাহাসি করতেন, আর নবী (ﷺ) মুচকি হাসি দিতেন।”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৬৭০

সিমাক ইবনু হার (রাঃ) বলেন, “আমি জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করি, “আপনি কি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর মজলিশে বসতেন?” তিনি বলেন, “হ্যাঁ, বহুবার (বসেছি)। তিনি যেখানে ফজরের সালাত আদায় করতেন, সেখান থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত ওঠতেন না। সূর্য উদিত হলে তিনি ওঠতেন। সাহাবীগণ জাহিলি যুগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথাবার্তা বলে হাসাহাসি করতেন, আর নবী (ﷺ) মুচকি হাসি দিতেন।”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৬৭০

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 সালাত সম্পর্কিত অন্যান্য দোয়া সমূহ

📄 সালাত সম্পর্কিত অন্যান্য দোয়া সমূহ


সালাতে পঠিত আয়াতের জবাব #১

সালাতে পঠিত আয়াতের জবাব #১

সালাতের ভিতরে ইমাম-মুক্তাদী, তিলাওয়াতকারী ও শ্রোতাদের আয়াতের জবাব

রেফারেন্স: [১] আহমাদ, আবুদাঊদ হা/৮৮৩, মিশকাত হা/৮৫৯, হাদীস সহীহ [২] বায়হাক্বী, আবুদাঊদ হা/৮৮৪, হাদীস সহীহ

শায়খ আলবানী (রহঃ) বলেন, এ নিয়মটি উন্মুক্ত। তাই সালাতের ভিতর ও বাহির উভয় অবস্থায় এবং ফরয ও নফল উভয় সালাত এর অন্তর্ভুক্ত। সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ‘লা (আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামের পবিত্রতা বর্ণনা করুন) এর জবাবে রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলতেন, সুবহানা-না রাব্বিয়াল আ’লা (মহাপবিত্র আমার প্রতিপালক, যিনি সর্বোচ্চ) [১] আল্লাহ্‌র রাসুল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি সূরা ক্বিয়ামাহ এর এই আয়াত পড়বে, আলাইসা যা-লিকা বিক্বদিরিন 'আলা আই ইউ'হ-ইয়াল মাউতা- (তবুও কি সেই আল্লাহ্‌ মৃতদেরকে জীবিত করতে সক্ষম নন?) সে যেন এর জবাব এভাবে দেয়, সুব'হানাকা ফাবালা- (মহাপবিত্র আপনি! অতঃপর হাঁ, আপনিই মৃতকে জীবিত করার ক্ষমতা রাখেন) [২]

সালাতের ভিতরে ইমাম-মুক্তাদী, তিলাওয়াতকারী ও শ্রোতাদের আয়াতের জবাব

রেফারেন্স: [১] আহমাদ, আবুদাঊদ হা/৮৮৩, মিশকাত হা/৮৫৯, হাদীস সহীহ [২] বায়হাক্বী, আবুদাঊদ হা/৮৮৪, হাদীস সহীহ

সালাতে পঠিত আয়াতের জবাব #২

সালাতে পঠিত আয়াতের জবাব #২

সালাতের ভিতরে ইমাম-মুক্তাদী, তিলাওয়াতকারী ও শ্রোতাদের আয়াতের জবাব

রেফারেন্স: হাদীসটি সহীহ। আবূ দাঊদ, হা/৮৮৪

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সূরা আর-রহমানের ফাবিআয়্যি আলা- ই রব্বিকুমা তুকাযযিবা-ন এর জবাবে বলতে বলেন, (লা বিশাইয়িম মিন নি‘আমিকা রব্বানা নুকাযযিবু ফালাকাল হামদ)। অর্থ : ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তোমার কোন নে‘আমত অস্বীকার করি না, আর প্রশংসা একমাত্র তোমার জন্যই’।" উল্লেখ্য যে, সূরা ত্বীন এর শেষে ‘বালা ওয়া আনা ‘আলা যা-লিকা মিনাশ শাহিদীন’ এবং সূরা মুরসালাত এর শেষে ‘আমান্না বিল্লাহ্’ ও সূরা বাক্বারার শেষে ‘আমীন’ বলার প্রমাণে পেশকৃত হাদীস যঈফ।

সালাতের ভিতরে ইমাম-মুক্তাদী, তিলাওয়াতকারী ও শ্রোতাদের আয়াতের জবাব

রেফারেন্স: হাদীসটি সহীহ। আবূ দাঊদ, হা/৮৮৪

ফন্ট সাইজ
15px
17px