📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 ফরয সালাতের পরে মাসনূন দোয়া-মুনাজাত

📄 ফরয সালাতের পরে মাসনূন দোয়া-মুনাজাত


সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #১

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #১

৩ বার বলবে -

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

আস্‌-তাগফিরুল্লা-হ

আমি আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাই।

রেফারেন্স: সহিহ মুসলিমঃ ৫৯১

৩ বার বলবে -

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

আমি আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাই।

রেফারেন্স: সহিহ মুসলিমঃ ৫৯১

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #২

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #২

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাত শেষে ৩ বার ইস্তিগফার বলার পর বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ وَمِنْكَ السَّلَامُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

আল্লা-হুম্মা আনতাস সালা-ম ওয়া মিনকাস সালা-ম, তাবা-রাকতা ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম

হে আল্লাহ্‌, আপনিই সালাম (শান্তি), আপনার থেকেই শান্তি, হে মহাসম্মানের অধিকারী ও মর্যাদা প্রদানের অধিকারী, আপনি বরকতময়।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৫৯১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাত শেষে ৩ বার ইস্তিগফার বলার পর বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ وَمِنْكَ السَّلَامُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

হে আল্লাহ্‌, আপনিই সালাম (শান্তি), আপনার থেকেই শান্তি, হে মহাসম্মানের অধিকারী ও মর্যাদা প্রদানের অধিকারী, আপনি বরকতময়।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৫৯১

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #৩

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #৩

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) প্রত্যেক ফরয সালাতে সালাম ফিরানোর পরে এই দোয়া বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، اَللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া’হ্‌দাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল ‘হামদু, ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। আল্লা-হুম্মা, লা- মা-নি'আ লিমা- আ’‌ত্বাইতা, ওয়ালা- মু’ত্বিয়া লিমা- মানা’‌তা, ওয়ালা- ইয়ান্‌ফা'উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তারই এবং প্রশংসা তারই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ্‌, আপনি যা দান করেন তা ঠেকানোর ক্ষমতা কারো নেই। আর আপনি যা না দেন তা দেওয়ার ক্ষমতাও কারো নেই। কোনো ভাগ্যবানের ভাগ্য বা পরিশ্রমীর পরিশ্রম আপনার ইচ্ছার বাইরে কোনো উপকারে লাগে না।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৪৪

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) প্রত্যেক ফরয সালাতে সালাম ফিরানোর পরে এই দোয়া বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، اَللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তারই এবং প্রশংসা তারই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ্‌, আপনি যা দান করেন তা ঠেকানোর ক্ষমতা কারো নেই। আর আপনি যা না দেন তা দেওয়ার ক্ষমতাও কারো নেই। কোনো ভাগ্যবানের ভাগ্য বা পরিশ্রমীর পরিশ্রম আপনার ইচ্ছার বাইরে কোনো উপকারে লাগে না।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৪৪

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #৪

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #৪

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া’হদাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল ‘হামদু, ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইইন ক্বাদীর। লা- ‘হাওলা ওয়ালা- ক্বুওয়্যাতা ইল্লা- বিল্লা-হ, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়ালা- না্‘‌বুদু ইল্লা-ইয়্যা-হু। লাহুন নি’মাতু, ওয়া লাহুল ফা্‌দ্বলু, ওয়ালাহুছ ছানা-উল ‘হাসান। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু মুখলিসীনা লাহুদ্দীনা ওয়ালাও কারিহাল কা-ফিরূন

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তারই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ্‌র দ্বারা ও আল্লাহ্‌র মাধ্যম ছাড়া কোনো অবলম্বন নেই এবং কোনো ক্ষমতা নেই। আমরা আল্লাহ্‌ ছাড়া কারো ইবাদত করি না। নিয়ামত তাঁরই, দয়া তাঁরই এবং উত্তম প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই। আমাদের দ্বীন বিশুদ্ধভাবে শুধুমাত্র তারই জন্য, এতে যদিও কাফিরগণ অসন্তষ্ট হয়।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৫৯৪

আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) নিজে সর্বদা প্রত্যেক সালাতের সালামের পরেই এ দোয়াটি পাঠ করতেন এবং বলতেন: “রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) প্রত্যেক সালাতের পরে এ দোয়াগুলো বলতেন।”

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তারই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ্‌র দ্বারা ও আল্লাহ্‌র মাধ্যম ছাড়া কোনো অবলম্বন নেই এবং কোনো ক্ষমতা নেই। আমরা আল্লাহ্‌ ছাড়া কারো ইবাদত করি না। নিয়ামত তাঁরই, দয়া তাঁরই এবং উত্তম প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই। আমাদের দ্বীন বিশুদ্ধভাবে শুধুমাত্র তারই জন্য, এতে যদিও কাফিরগণ অসন্তষ্ট হয়।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৫৯৪

আয়াতুল কুরসী (সূরা আল-বাকারাহ্ ২:২৫৫)

আয়াতুল কুরসী (সূরা আল-বাকারাহ্ ২:২৫৫)

প্রত্যেক ফরয সালাত শেষে আয়াতুল কুরসী ১ বার পড়বে -

اَللّٰهُ لَآ إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَّهُۥ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الْأَرْضِ ۗ مَنْ ذَا الَّذِى يَشْفَعُ عِنْدَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِىُّ الْعَظِيمُ

আল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যূল ক্বাইয়্যূম। লা- তা’খুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা- নাউম। লাহূ মা- ফিসসামা-ওয়া-তি ওয়ামা- ফিল আরদ্বি। মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূ ইল্লা- বিইযনিহী। ইয়া‘লামু মা- বাইনা- আইদীহিম ওয়ামা- খালফাহুম। ওয়ালা- ইয়ুহীতূনা বিশাই-ইম মিন্ ইলমিহী ইল্লা- বিমা- শা-আ। ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামাওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব। ওয়ালা- ইয়াউদুহূ হিফযুহুমা-। ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যূল ‘আযীম

আল্লাহ্‌! তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী। তন্দ্রা ও নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করেনা। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু রয়েছে সবই তাঁর। কে আছে এমন, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর নিকট সুপারিশ করতে পারে? সম্মুখের অথবা পশ্চাতের সবই তিনি অবগত আছেন। একমাত্র তিনি যতটুকু ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত, তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারেনা। তাঁর আসন আসমান ও যমীন ব্যাপী হয়ে আছে এবং এতদুভয়ের সংরক্ষণে তাঁকে বিব্রত হতে হয়না। তিনিই সর্বোচ্চ, মহীয়ান।

রেফারেন্স: সিলসিলা সহীহাঃ ৯৭২

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রত্যেক সালাতের পরে আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে তাঁর জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।”

প্রত্যেক ফরয সালাত শেষে আয়াতুল কুরসী ১ বার পড়বে -

اَللّٰهُ لَآ إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَّهُۥ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الْأَرْضِ ۗ مَنْ ذَا الَّذِى يَشْفَعُ عِنْدَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِىُّ الْعَظِيمُ

আল্লাহ্‌! তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী। তন্দ্রা ও নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করেনা। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু রয়েছে সবই তাঁর। কে আছে এমন, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর নিকট সুপারিশ করতে পারে? সম্মুখের অথবা পশ্চাতের সবই তিনি অবগত আছেন। একমাত্র তিনি যতটুকু ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত, তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারেনা। তাঁর আসন আসমান ও যমীন ব্যাপী হয়ে আছে এবং এতদুভয়ের সংরক্ষণে তাঁকে বিব্রত হতে হয়না। তিনিই সর্বোচ্চ, মহীয়ান।

রেফারেন্স: সিলসিলা সহীহাঃ ৯৭২

সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস

সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস

সূরা ফালাক ১ বার -

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ﴿١﴾ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

বিসমিল্লা-হির রাহমা-নির রাহি-ম। (১) ক্বুল আ‘উযু বিরব্বিল ফালাক্ব। (২) মিন শাররি মা- খালাক্ব। (৩) ওয়া মিন শাররি গা-সিক্বিন ইযা ওয়াক্বাব। (৪) ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। (৫) ওয়া মিন শাররি 'হা-সিদিন ইযা 'হাসাদ

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (১) বল, ‘আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের কাছে, (২) তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, (৩) আর রাতের অন্ধকারের অনিষ্ট থেকে যখন তা গভীর হয়, (৪) আর গিরায় ফুঁ-দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে, (৫) আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে’। (সূরা ফালাকঃ ১-৫)

সূরা নাস ১ বার -

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَـٰهِ النَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾

বিসমিল্লা-হির রাহমা-নির রাহি-ম। (১) ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। (২) মালিকিন্না-স, (৩) ইলা-হিন্না-স, (৪) মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স, (৫) আল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন্না-স, (৬) মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (১) বল, ‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, (২) মানুষের অধিপতি, (৩) মানুষের ইলাহ-এর কাছে, (৪) কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে দ্রুত আত্মগোপন করে। (৫) যে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয়। (৬) জিন ও মানুষ থেকে। (সূরা নাসঃ ১-৬)

রেফারেন্স: [১] সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫২৩ [২] হাসান। আবু দাউদঃ ৫০৮২

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) প্রত্যেক সালাতের শেষে সূরাহ্ ইখলাস, ফালাক্ব ও সূরাহ্ নাস একবার করে পড়তেন। [১] আর মাগরীব্ ও ফজরের সালাতের পর তিনবার করে পড়তেন’। [২]

সূরা ফালাক ১ বার -

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ﴿١﴾ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (১) বল, ‘আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের কাছে, (২) তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, (৩) আর রাতের অন্ধকারের অনিষ্ট থেকে যখন তা গভীর হয়, (৪) আর গিরায় ফুঁ-দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে, (৫) আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে’। (সূরা ফালাকঃ ১-৫)

সূরা নাস ১ বার -

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَـٰهِ النَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (১) বল, ‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, (২) মানুষের অধিপতি, (৩) মানুষের ইলাহ-এর কাছে, (৪) কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে দ্রুত আত্মগোপন করে। (৫) যে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয়। (৬) জিন ও মানুষ থেকে। (সূরা নাসঃ ১-৬)

রেফারেন্স: [১] সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫২৩ [২] হাসান। আবু দাউদঃ ৫০৮২

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 সালাম ফিরানোর পর পঠিতব্য দোয়া সমূহ

📄 সালাম ফিরানোর পর পঠিতব্য দোয়া সমূহ


তেত্রিশবার "সুবহানাল্লাহ”, তেত্রিশবার “আলহামদুলিল্লাহ” এবং চৌত্রিশবার “আল্লাহু আকবার”

তেত্রিশবার "সুবহানাল্লাহ”, তেত্রিশবার “আলহামদুলিল্লাহ” এবং চৌত্রিশবার “আল্লাহু আকবার”

৩৩ বার “আলহামদুলিল্লাহ”

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ

আল্‌ ‘হামদু লিল্লা-হ

প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

৩৪ বার “আল্লাহু আকবার”

اَللَّهُ أَكْبَرُ

আল্লা-হু আকবার

আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৪৩

৩৩ বার “সুবহানাল্লাহ”, ৩৩ বার “আলহামদুলিল্লাহ” এবং ৩৪ বার “আল্লাহু আকবার”। এ যিগুলোর বিষয়ে বিভিন্ন সহীহ হাদীসে বিভিন্ন সংখ্যা বলা হয়েছে। উপরের সংখ্যাটিই বেশি প্রসিদ্ধ। সর্বোচ্চ সংখ্যা ৪০০ বার; “সুবহানাল্লাহ”, “আলহামদুলিল্লাহ”, “আল্লাহু আকবার” এবং “লা- ইলাহা ইল্লল্লাহ”- প্রত্যেক দোয়া ১০০ বার করে। সর্বনিম্ন সংখ্যা ৩০ বার; ১০ বার “সুবহানাল্লাহ”, ১০ বার “আলহামদুলিল্লাহ” এবং ১০ বার “আল্লাহু আকবার”।

৩৩ বার “আলহামদুলিল্লাহ”

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ

প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

৩৪ বার “আল্লাহু আকবার”

اَللَّهُ أَكْبَرُ

আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৪৩

পাপরাশি ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যদিও তা সমুদ্রের ফেনারাশির মতো হয়

পাপরাশি ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যদিও তা সমুদ্রের ফেনারাশির মতো হয়

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা- কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর

একমাত্র আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: মুসলিম, ১/৪১৮, নং ৫৯৭

যে ব্যক্তি প্রতি নামাযের পরে এটা বলবে, তার পাপরাশি ক্ষমা করে দেওয়া হয়, যদিও তা সমুদ্রের ফেনারাশির মতো হয়।

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

একমাত্র আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: মুসলিম, ১/৪১৮, নং ৫৯৭

সালাতের পরের দোয়া #১

সালাতের পরের দোয়া #১

رَبِّ قِنِي عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ (تَجْمَعُ) عِبَادَكَ

রাব্বি ক্বিনী ‘আযা-বাকা ইয়াওমা তাব'আছু (তাজমাউ) 'ইবা-দাক

হে আমার প্রভু, আমাকে রক্ষা করুন আপনার শাস্তি থেকে যেদিন আপনি পুনরুত্থিত করবেন আপনার বান্দাগণকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭০৯

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এর পিছনে সালাত আদায় করতাম তখন পিছনে তাঁর ডান দিকে দাঁড়ানো পছন্দ করতাম যাতে তিনি ঘুরে বসলে আমাদের দিকে মুখ করে বসেন। বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) বলেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

رَبِّ قِنِي عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ (تَجْمَعُ) عِبَادَكَ

হে আমার প্রভু, আমাকে রক্ষা করুন আপনার শাস্তি থেকে যেদিন আপনি পুনরুত্থিত করবেন আপনার বান্দাগণকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭০৯

সালাতের পরের দোয়া #২

সালাতের পরের দোয়া #২

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ’ঊযু বিকা মিনাল কুফ্‌রি ওয়াল ফাক্বরি, ওয়া ‘আযা-বিল ক্বাব্‌র

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কুফরি, দারিদ্র্য এবং কবরের আযাব থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ৫৪৬৫

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কুফরি, দারিদ্র্য এবং কবরের আযাব থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ৫৪৬৫

সালাতের পরের দোয়া #৩

সালাতের পরের দোয়া #৩

اَللَّهُمَّ أَعِنِّى عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

আল্লা-হুম্মা, আ’ইন্নী ‘আলা- যিক্‌রিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া 'হুসনি ‘ইবা-দাতিক

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাকে আপনার দোয়া করতে, কৃতজ্ঞতা আদায় করতে এবং আপনার ইবাদত সুন্দরভাবে করতে তাওফীক ও ক্ষমতা প্রদান করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫২২

মু'আয (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আমার হাত ধরে বলেন, “মু'আয, আমি তোমাকে ভালোবাসি। ... মু'আয, আমি তোমাকে ওসীয়ত করছি, প্রত্যেক সালাতের পরে এ দোয়াটি বলা থেকে কখনো ভুলে যাবে না।”

اَللَّهُمَّ أَعِنِّى عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাকে আপনার দোয়া করতে, কৃতজ্ঞতা আদায় করতে এবং আপনার ইবাদত সুন্দরভাবে করতে তাওফীক ও ক্ষমতা প্রদান করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫২২

সালাতের পরের দোয়া #৪

সালাতের পরের দোয়া #৪

اَللَّهُمَّ غْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَسْرَفْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي أَنْتَ الْمُقَدِّمُ، وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মাগফিরলী মা- ক্বাদ্দামতু, ওয়ামা- আখ্‌খারতু, ওয়ামা- আস্‌রারতু, ওয়ামা- আ'‌লানতু, ওয়ামা- আস্‌রাফতু, ওয়ামা- আনতা আ‘‌লামু বিহী মিন্নী। আনতাল মুক্বাদ্দিমু, ওয়া আনতাল মুআখ্‌খিরু, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন আমি যা পূর্বে করেছি এবং পরে যা করেছি, গোপনে যা করেছি এবং প্রকাশ্যে যা করেছি এবং বাড়াবাড়ি করে যা করেছি এবং যে সকল গোনাহ আপনি আমার চেয়েও বেশি জানেন। আপনিই অগ্রবর্তী করেন, আপনিই পিছিয়ে দেন। আপনি ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই।

রেফারেন্স: [১] মুসলিমঃ ৭৭১ [২] সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫০৯

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) তাশাহ্‌হুদের পরে সালামের আগে, [১] দ্বিতীয় বর্ণনায়: সালাত শেষে সালামের পর এ কথাগুলো বলতেন।” [২] দুটি বর্ণনাই সহীহ। সম্ভবত তিনি কখনো সালামের আগে ও কখনো পরে এ দোয়াটি পড়তেন।”

اَللَّهُمَّ غْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَسْرَفْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي أَنْتَ الْمُقَدِّمُ، وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন আমি যা পূর্বে করেছি এবং পরে যা করেছি, গোপনে যা করেছি এবং প্রকাশ্যে যা করেছি এবং বাড়াবাড়ি করে যা করেছি এবং যে সকল গোনাহ আপনি আমার চেয়েও বেশি জানেন। আপনিই অগ্রবর্তী করেন, আপনিই পিছিয়ে দেন। আপনি ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই।

রেফারেন্স: [১] মুসলিমঃ ৭৭১ [২] সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫০৯

সালাতের পরের দোয়া #৫

সালাতের পরের দোয়া #৫

সুহাইব (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাত শেষ করার সময় এ দোয়া বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِيْنِيَ الَّذِي جَعَلْتَهُ عِصْمَةَ أَمْرِي، وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي جَعَلْتَ فِيهَا مَعَاشِيْ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِعَفْوِكَ مِنْ نِقْمَتِكَ، وَأَعُودُ بِكَ مِنْكَ، اَللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

আল্লা-হুম্মা, আস্বলি’হ্‌ লী দীনিয়াল লাযী জা'আল্‌তাহু, ‘ইস্ব্‌মাতা আমরী। ওয়া আস্বলি’হ্‌ লী দুন্‌ইয়া-ইয়াল্‌ লাতী জা'আলতা ফীহা- মা’আ-শী। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘উযু বি রিদ্বা-কা মিন সাখাত্বিকা, ওয়াবি ‘আফ্‌ইকা মিন নিক্বমাতিকা, ওয়া আউযু বিকা মিনকা, আল্লা-হুম্মা, লা- মা-নি’আ লিমা- আ’‌ত্বাইতা, ওয়ালা- মু’ত্বিয়া লিমা মানা'‌তা, ওয়ালা- ইয়ানফা’উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমার দ্বীনকে সংশোধিত-কল্যাণময় করুন, যাকে আপনি আমার রক্ষাকবজ বানিয়েছেন এবং আমার পার্থিব জীবনকে সংশোধিত করুন, যাতে আমার জীবন ও জীবিকা রেখেছেন। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার অসন্তুষ্টি থেকে আপনার সন্তুষ্টির নিকট, আপনার শাস্তি থেকে আপনার ক্ষমার নিকট এবং আপনার থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ্‌, আপনি যা প্রদান করেন তা ঠেকানোর কেউ নেই। এবং আপনি যা প্রদান না করেন তা প্রদান করার ক্ষমতাও কারো নেই। এবং কোনো পারিশ্রমকারীর পরিশ্রম আপনার ইচ্ছার বাইরে তার কোনো উপকারে লাগে না।

রেফারেন্স: হাসান (ইবনে হাজার)। আলফুতুহুতুর রাব্বানিয়্যাহ ৩/৭১

সুহাইব (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাত শেষ করার সময় এ দোয়া বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِيْنِيَ الَّذِي جَعَلْتَهُ عِصْمَةَ أَمْرِي، وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي جَعَلْتَ فِيهَا مَعَاشِيْ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِعَفْوِكَ مِنْ نِقْمَتِكَ، وَأَعُودُ بِكَ مِنْكَ، اَللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমার দ্বীনকে সংশোধিত-কল্যাণময় করুন, যাকে আপনি আমার রক্ষাকবজ বানিয়েছেন এবং আমার পার্থিব জীবনকে সংশোধিত করুন, যাতে আমার জীবন ও জীবিকা রেখেছেন। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার অসন্তুষ্টি থেকে আপনার সন্তুষ্টির নিকট, আপনার শাস্তি থেকে আপনার ক্ষমার নিকট এবং আপনার থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ্‌, আপনি যা প্রদান করেন তা ঠেকানোর কেউ নেই। এবং আপনি যা প্রদান না করেন তা প্রদান করার ক্ষমতাও কারো নেই। এবং কোনো পারিশ্রমকারীর পরিশ্রম আপনার ইচ্ছার বাইরে তার কোনো উপকারে লাগে না।

রেফারেন্স: হাসান (ইবনে হাজার)। আলফুতুহুতুর রাব্বানিয়্যাহ ৩/৭১

সালাতের পরের দোয়া #৬

সালাতের পরের দোয়া #৬

اَللَّهُمَّ بِكَ أُحَاوِلُ وَبِكَ أُقَاتِلُ وَبِكَ أُصَاوِلُ

আল্লা-হুম্মা বিকা উ’হা-উয়িলু, ওয়াবিকা উক্বা-তিলু, ওয়াবিকা উসা-উয়িল

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার সাহায্যেই চেষ্টা করি, আপনার সাহায্যেই যুদ্ধ করি এবং আপনার সাহায্যে বীরত্ব প্রদর্শন করি ও বিজয়ী হই।

রেফারেন্স: সহীহ। দারেমীঃ ২/২১৭

اَللَّهُمَّ بِكَ أُحَاوِلُ وَبِكَ أُقَاتِلُ وَبِكَ أُصَاوِلُ

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার সাহায্যেই চেষ্টা করি, আপনার সাহায্যেই যুদ্ধ করি এবং আপনার সাহায্যে বীরত্ব প্রদর্শন করি ও বিজয়ী হই।

রেফারেন্স: সহীহ। দারেমীঃ ২/২১৭

সালাতের পরের দোয়া #৭

সালাতের পরের দোয়া #৭

১০০ বার বলবে -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْم (التَّوَّابُ الْغَفُورُ)

আল্লা-হুম্মাগ্‌ফির লী, ওয়াতুব্‌ ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আন্‌তাত তাওয়া-বুর রাহীম (অন্য বর্ণনায়: তাওয়াবুল গাফূর)

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, এবং তাওবাহ কবুল করুন; নিশ্চয় আপনি তাওবা-কবুলকারী করুণাময় (অন্য বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ক্ষমাশীল)

রেফারেন্স: সহীহ। সহিহাহঃ ৫৫৬, আহমাদঃ ৫৫৬৪

"একজন আনসারী সাহাবী (রাঃ) বলেন: “আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-কে সালাতের পরে এ দোয়া বলতে শুনেছি ১০০ বার।” এ হাদীসের দ্বিতীয় বর্ণনায় বলা হয়েছে: “রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) দোহার বা চাশতের দু' রাক'আত সালাত আদায় করেন। এরপর এ দোয়া ১০০ বার পাঠ করেন। দুটি বর্ণনাই সহীহ। অন্তত সালাতুদ দোহার' পরে এ দোয়াটি ১০০ বার পাঠ করার বিষয়ে সকল যিকির কারী মনোযোগী হওয়া উচিত।"

১০০ বার বলবে -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْم (التَّوَّابُ الْغَفُورُ)

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, এবং তাওবাহ কবুল করুন; নিশ্চয় আপনি তাওবা-কবুলকারী করুণাময় (অন্য বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ক্ষমাশীল)

রেফারেন্স: সহীহ। সহিহাহঃ ৫৫৬, আহমাদঃ ৫৫৬৪

সালাতের পরের দোয়া #৮

সালাতের পরের দোয়া #৮

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذُنُوْبِي وَخَطَايَايَ كُلَّهَا اَللَّهُمَّ أَنْعِشْنِيْ وَاجْبُرْنِيْ وَاهْدِنيْ لِصَالِحِ الْأَعْمَالِ وَالْأَخْلَاقِ فَإِنَّهُ لَا يَهْدِيْ لِصَالِحِهَا وَلَا يَصْرِفُ سَيِّئَهَا إِلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মাগ্‌ফির্‌লী যুনূবী ওয়া খাত্বা-ইয়া-ইয়া কুল্লাহা-, আল্লা-হুম্মা, আন’ইশ্‌নী, ওয়াজবুরনী, ওয়াহদিনী লিস্বা-লি’হিল আ'‌মা-লি ওয়াল্‌ আখলা-ক্বি, ফা ইন্নাহু লা- ইয়াহ্‌দী লিস্বা-লি’হিহা-, ওয়ালা- ইয়াস্‌রিফু সাইয়্যিয়াহা- ইল্লা- আনতা

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমার সকল ভুল ও গোনাহ ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করুন, আমাকে পূর্ণ করুন এবং আমাকে উত্তম কর্ম ও আচরণের তাওফীক প্রদান করুন; কারণ আপনি ছাড়া আর কেউ উত্তম কর্ম ও ব্যবহারের পথে নিতে পারে না বা খারাপ কর্ম ও আচরণ থেকে রক্ষা করতে পারে না।

রেফারেন্স: হাসান। সহীহ আল-জামিঃ ১২৬৬

আবু উমামা (রাঃ) ও আবু আইয়ুব (রাঃ) বলেন: “ফরয ও নফল যে কোনো সালাতে তোমাদের নবী (ﷺ)-এর কাছে যখনই গিয়েছি, তখনই শুনেছি তিনি সালাত শেষে ঘুরার বা উঠার সময় এ দোয়াটি বলেছেন।”

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذُنُوْبِي وَخَطَايَايَ كُلَّهَا اَللَّهُمَّ أَنْعِشْنِيْ وَاجْبُرْنِيْ وَاهْدِنيْ لِصَالِحِ الْأَعْمَالِ وَالْأَخْلَاقِ فَإِنَّهُ لَا يَهْدِيْ لِصَالِحِهَا وَلَا يَصْرِفُ سَيِّئَهَا إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমার সকল ভুল ও গোনাহ ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করুন, আমাকে পূর্ণ করুন এবং আমাকে উত্তম কর্ম ও আচরণের তাওফীক প্রদান করুন; কারণ আপনি ছাড়া আর কেউ উত্তম কর্ম ও ব্যবহারের পথে নিতে পারে না বা খারাপ কর্ম ও আচরণ থেকে রক্ষা করতে পারে না।

রেফারেন্স: হাসান। সহীহ আল-জামিঃ ১২৬৬

সালাতের পরের দোয়া #৯

সালাতের পরের দোয়া #৯

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِيْ وَوَسِّعْ لِي فِي دَارِيْ وَبَارِكْ لِي فِي رِزْقِيْ

আল্লা-হুম্মাগ্‌ফির লী যান্‌বী ওয়া ওয়াস্‌সি’য়্‌ লী ফী দা-রী ওয়া বা-রিক্‌ লী ফী রিঝ‌ক্বি

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমার পাপ ক্ষমা করুন, আমার বাড়িকে প্রশস্ত করে দিন এবং আমার রিযিকে বরকত দান করুন।

রেফারেন্স: হাসান। সহীহ আল-জামিঃ ১২৬৫

আবু মূসা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-কে ওযূর পানি এনে দিলাম। তখন তিনি ওযূ করেন, সালাত আদায় করেন এবং তিনি এ দোয়া পাঠ করেন।

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِيْ وَوَسِّعْ لِي فِي دَارِيْ وَبَارِكْ لِي فِي رِزْقِيْ

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমার পাপ ক্ষমা করুন, আমার বাড়িকে প্রশস্ত করে দিন এবং আমার রিযিকে বরকত দান করুন।

রেফারেন্স: হাসান। সহীহ আল-জামিঃ ১২৬৫

সালাতের পরের দোয়া #১১

সালাতের পরের দোয়া #১১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাম ফিরানোর পর একবার বলতেন -

اَللَّهُ اَكْبَرُ

আল্লা-হু আকবার

আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৪২

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাম ফিরানোর পর একবার বলতেন -

اَللَّهُ اَكْبَرُ

আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৪২

ফজর সলাতের পরে পঠিতব্য দোয়া

ফজর সলাতের পরে পঠিতব্য দোয়া

ফজর সালাতের পর ৩ বার বলবে-

سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ

সুব্‌হা-নাল্লা-হি ওয়া বি'হামদিহী ‘আদাদা খালক্বিহী, ওয়া রিদ্বা- নাফসিহী, ওয়া ঝিনাতা ‘আরশিহী, ওয়া মিদা-দা কালিমা-তিহী

আমি আল্লাহ্‌র মহত্ত্ব, প্রশংসা জ্ঞাপন করছি তাঁর সৃষ্টিকুলের সংখ্যার সমপরিমাণ, তাঁর সন্তুষ্টির সমতুল্য এবং তাঁর ‘আরশের ওজন ও কালেমা সমূহের ব্যাপ্তির সমপরিমাণ।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২৬

জুওয়াইরিয়াহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) ভোরবেলা ফাজ্‌রের সলাত আদায় করে তাঁর নিকট থেকে বের হলেন। ঐ সময় তিনি সলাতের স্থানে বসাছিলেন। এরপর তিনি চাশ্‌তের পরে ফিরে আসলেন। এমতাবস্থায়ও তিনি উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি বললেন, আমি তোমাকে যে অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিলাম তুমি সে অবস্থায়ই আছ। তিনি বললেন, হ্যাঁ। নবী (ﷺ) বলেন, আমি তোমার নিকট হতে রওনার পর চারটি কালিমাহ্‌ তিনবার পড়েছি। আজকে তুমি এ পর্যন্ত যা বলেছ তার সাথে ওযন করা হলে এ কালিমাহ্‌ চারটির ওযনই ভারী হবে।

ফজর সালাতের পর ৩ বার বলবে-

سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ

আমি আল্লাহ্‌র মহত্ত্ব, প্রশংসা জ্ঞাপন করছি তাঁর সৃষ্টিকুলের সংখ্যার সমপরিমাণ, তাঁর সন্তুষ্টির সমতুল্য এবং তাঁর ‘আরশের ওজন ও কালেমা সমূহের ব্যাপ্তির সমপরিমাণ।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২৬

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 ফজরের সালাতের পর দোয়া

📄 ফজরের সালাতের পর দোয়া


ফজরের সালাতের পর দোয়ার মহত্ত্ব #১

ফজরের সালাতের পর দোয়ার মহত্ত্ব #১

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি জামাআতের সঙ্গে ফজরের সালাত আদায় করে, তারপর বসে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহ্‌র দোয়া করতে থাকে, এরপর দু' রাকআত সালাত আদায় করে, তাকে একটি হাজ্জ ও একটি উমরার সাওয়াব দেওয়া হয়।” 'তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “পূর্ণাঙ্গ, পূর্ণাঙ্গ, পূর্ণাঙ্গ! (হাজ্জ ও উমরা)।”

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৫৮৬

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি জামাআতের সঙ্গে ফজরের সালাত আদায় করে, তারপর বসে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহ্‌র দোয়া করতে থাকে, এরপর দু' রাকআত সালাত আদায় করে, তাকে একটি হাজ্জ ও একটি উমরার সাওয়াব দেওয়া হয়।” 'তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “পূর্ণাঙ্গ, পূর্ণাঙ্গ, পূর্ণাঙ্গ! (হাজ্জ ও উমরা)।”

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৫৮৬

ফজরের সালাতের পর দোয়ার মহত্ত্ব #২

ফজরের সালাতের পর দোয়ার মহত্ত্ব #২

সিমাক ইবনু হার (রাঃ) বলেন, “আমি জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করি, “আপনি কি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর মজলিশে বসতেন?” তিনি বলেন, “হ্যাঁ, বহুবার (বসেছি)। তিনি যেখানে ফজরের সালাত আদায় করতেন, সেখান থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত ওঠতেন না। সূর্য উদিত হলে তিনি ওঠতেন। সাহাবীগণ জাহিলি যুগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথাবার্তা বলে হাসাহাসি করতেন, আর নবী (ﷺ) মুচকি হাসি দিতেন।”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৬৭০

সিমাক ইবনু হার (রাঃ) বলেন, “আমি জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করি, “আপনি কি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর মজলিশে বসতেন?” তিনি বলেন, “হ্যাঁ, বহুবার (বসেছি)। তিনি যেখানে ফজরের সালাত আদায় করতেন, সেখান থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত ওঠতেন না। সূর্য উদিত হলে তিনি ওঠতেন। সাহাবীগণ জাহিলি যুগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথাবার্তা বলে হাসাহাসি করতেন, আর নবী (ﷺ) মুচকি হাসি দিতেন।”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৬৭০

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 সালাত সম্পর্কিত অন্যান্য দোয়া সমূহ

📄 সালাত সম্পর্কিত অন্যান্য দোয়া সমূহ


সালাতে পঠিত আয়াতের জবাব #১

সালাতে পঠিত আয়াতের জবাব #১

সালাতের ভিতরে ইমাম-মুক্তাদী, তিলাওয়াতকারী ও শ্রোতাদের আয়াতের জবাব

রেফারেন্স: [১] আহমাদ, আবুদাঊদ হা/৮৮৩, মিশকাত হা/৮৫৯, হাদীস সহীহ [২] বায়হাক্বী, আবুদাঊদ হা/৮৮৪, হাদীস সহীহ

শায়খ আলবানী (রহঃ) বলেন, এ নিয়মটি উন্মুক্ত। তাই সালাতের ভিতর ও বাহির উভয় অবস্থায় এবং ফরয ও নফল উভয় সালাত এর অন্তর্ভুক্ত। সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ‘লা (আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামের পবিত্রতা বর্ণনা করুন) এর জবাবে রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলতেন, সুবহানা-না রাব্বিয়াল আ’লা (মহাপবিত্র আমার প্রতিপালক, যিনি সর্বোচ্চ) [১] আল্লাহ্‌র রাসুল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি সূরা ক্বিয়ামাহ এর এই আয়াত পড়বে, আলাইসা যা-লিকা বিক্বদিরিন 'আলা আই ইউ'হ-ইয়াল মাউতা- (তবুও কি সেই আল্লাহ্‌ মৃতদেরকে জীবিত করতে সক্ষম নন?) সে যেন এর জবাব এভাবে দেয়, সুব'হানাকা ফাবালা- (মহাপবিত্র আপনি! অতঃপর হাঁ, আপনিই মৃতকে জীবিত করার ক্ষমতা রাখেন) [২]

সালাতের ভিতরে ইমাম-মুক্তাদী, তিলাওয়াতকারী ও শ্রোতাদের আয়াতের জবাব

রেফারেন্স: [১] আহমাদ, আবুদাঊদ হা/৮৮৩, মিশকাত হা/৮৫৯, হাদীস সহীহ [২] বায়হাক্বী, আবুদাঊদ হা/৮৮৪, হাদীস সহীহ

সালাতে পঠিত আয়াতের জবাব #২

সালাতে পঠিত আয়াতের জবাব #২

সালাতের ভিতরে ইমাম-মুক্তাদী, তিলাওয়াতকারী ও শ্রোতাদের আয়াতের জবাব

রেফারেন্স: হাদীসটি সহীহ। আবূ দাঊদ, হা/৮৮৪

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সূরা আর-রহমানের ফাবিআয়্যি আলা- ই রব্বিকুমা তুকাযযিবা-ন এর জবাবে বলতে বলেন, (লা বিশাইয়িম মিন নি‘আমিকা রব্বানা নুকাযযিবু ফালাকাল হামদ)। অর্থ : ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা তোমার কোন নে‘আমত অস্বীকার করি না, আর প্রশংসা একমাত্র তোমার জন্যই’।" উল্লেখ্য যে, সূরা ত্বীন এর শেষে ‘বালা ওয়া আনা ‘আলা যা-লিকা মিনাশ শাহিদীন’ এবং সূরা মুরসালাত এর শেষে ‘আমান্না বিল্লাহ্’ ও সূরা বাক্বারার শেষে ‘আমীন’ বলার প্রমাণে পেশকৃত হাদীস যঈফ।

সালাতের ভিতরে ইমাম-মুক্তাদী, তিলাওয়াতকারী ও শ্রোতাদের আয়াতের জবাব

রেফারেন্স: হাদীসটি সহীহ। আবূ দাঊদ, হা/৮৮৪

ফন্ট সাইজ
15px
17px