📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 তাশাহুদের পর সালাম ফেরানোর আগে দোয়া সমূহ (দোয়া মাসূরা)

📄 তাশাহুদের পর সালাম ফেরানোর আগে দোয়া সমূহ (দোয়া মাসূরা)


দোয়া মাসূরা #১

দোয়া মাসূরা #১

اَللَّهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِنَا وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِنَا وَاهْدِنَا سُبُلَ السَّلَامِ وَنَجِّنَا مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّوْرِ وَجَنِّبْنَا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَبَارِكْ لَنَا فِي أَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُلُوبِنَا وَأَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ وَاجْعَلْنَا شَاكِرِيْنَ لِنِعْمَتِكَ مُثْنِيْنَ بِهَا قَابِلِيْهَا وَأَتِمَّهَا عَلَيْنَا

আল্লা-হুম্মা, আল্লিফ বাইনা ক্বুলুবিনা-, ওয়া আসলি’হ যা-তা বাইনিনা-, ওয়াহ্‌দিনা- সুবুলাস সালা-ম, ওয়া নাজ্জিনা- মিনায যুলুমা-তি ইলান নূর। ওয়া জান্নিবনাল ফাওয়া-’হিশা মা- যাহারা মিনহা- ওয়ামা- বাতান, ওয়া বা-রিক লানা- ফী আসমা-’ইনা-, ওয়া আবসা-রিনা, ওয়া ক্বুলুবিনা, ওয়া আঝওয়া-জিনা, ওয়া যুররিয়্যা-তিনা-। ওয়া তুব ‘আলাইনা-, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। ওয়াজ ‘আলনা- শা-কিরীনা লিনি'মাতিকা, মুছনীনা বিহা- ক্বা-বিলীহা, ওয়া আতিম্মাহা- ‘আলাইনা

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাদের অন্তরের মধ্যে পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ও সম্প্রীতি সৃষ্টি করে দিন। আপনি আমাদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সৌহার্দ্য প্রদান করুন। আপনি আমাদেরকে শান্তির পথে পরিচালিত করুন, আমাদেরকে অন্ধকার থেকে মুক্ত করে আলোয় নিয়ে আসুন, আমাদেরকে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করুন। আপনি আমাদের শ্রবণযন্ত্রে, আমাদের দৃষ্টিশক্তিতে, আমাদের অন্তরে, আমাদের দাম্পত্য সঙ্গীগণের মধ্যে এবং আমাদের সন্তানগণের মধ্যে বরকত প্রদান করুন। আপনি আমাদের তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি তাওবা কবুলকারী পরম করুণাময়। আপনি আমাদেরকে আপনার নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায়ের, নিয়ামতের জন্য আপনার প্রশংসা করার এবং নিয়ামতকে সসম্মানে গ্রহণ করার তাওফীক প্রদান করুন এবং আপনি আমাদের জন্য প্রদত্ত্ব আপনার নিয়ামতকে পূর্ণ করুন।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৯৬৯

আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আমাদেরকে তাশাহুদের পরে দোয়ার জন্য এ বাক্যগুলো শেখাতেন।

اَللَّهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ قُلُوبِنَا وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِنَا وَاهْدِنَا سُبُلَ السَّلَامِ وَنَجِّنَا مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّوْرِ وَجَنِّبْنَا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَبَارِكْ لَنَا فِي أَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُلُوبِنَا وَأَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ وَاجْعَلْنَا شَاكِرِيْنَ لِنِعْمَتِكَ مُثْنِيْنَ بِهَا قَابِلِيْهَا وَأَتِمَّهَا عَلَيْنَا

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাদের অন্তরের মধ্যে পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ও সম্প্রীতি সৃষ্টি করে দিন। আপনি আমাদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সৌহার্দ্য প্রদান করুন। আপনি আমাদেরকে শান্তির পথে পরিচালিত করুন, আমাদেরকে অন্ধকার থেকে মুক্ত করে আলোয় নিয়ে আসুন, আমাদেরকে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করুন। আপনি আমাদের শ্রবণযন্ত্রে, আমাদের দৃষ্টিশক্তিতে, আমাদের অন্তরে, আমাদের দাম্পত্য সঙ্গীগণের মধ্যে এবং আমাদের সন্তানগণের মধ্যে বরকত প্রদান করুন। আপনি আমাদের তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি তাওবা কবুলকারী পরম করুণাময়। আপনি আমাদেরকে আপনার নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায়ের, নিয়ামতের জন্য আপনার প্রশংসা করার এবং নিয়ামতকে সসম্মানে গ্রহণ করার তাওফীক প্রদান করুন এবং আপনি আমাদের জন্য প্রদত্ত্ব আপনার নিয়ামতকে পূর্ণ করুন।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৯৬৯

দোয়া মাসূরা #২

দোয়া মাসূরা #২

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন ‘আযা-বি জাহান্নাম, ওয়া মিন ‘আযা-বিল ক্বাব্‌র, ওয়া মিন ফিতনাতিল মা’হ্‌ইয়া- ওয়াল মামা-তি ওয়া মিন শার্‌রি ফিতনাতিল মাসী'হিদ দাজ্জা-ল

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই- জাহান্নামের আযাব থেকে, কবরের আযাব থেকে, জাগতিক জীবনের ও মৃত্যুর ফিতনা (পরীক্ষা বা বিপদ) থেকে এবং দাজ্জালের অমঙ্গল থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৫৮৮

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা যখন তাশাহুদ শেষ করবে, তখন চারটি বিষয় থেকে আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করে বলবে - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই- জাহান্নামের আযাব থেকে, কবরের আযাব থেকে, জাগতিক জীবনের ও মৃত্যুর ফিতনা (পরীক্ষা বা বিপদ) থেকে এবং দাজ্জালের অমঙ্গল থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৫৮৮

দোয়া মাসূরা #৩

দোয়া মাসূরা #৩

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) নামাযের শেষে তাশাহুদ ও সালামের মধ্যবর্তী সময়ে এ কথাগুলো বলতেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَسْرَفْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মাগ্‌ফির লী মা- ক্বাদ্দামতু ওয়ামা- আখ্‌খারতু ওয়ামা- আস্‌রারতু ওয়ামা- আ’লান্‌তু ওয়ামা- আস্‌রাফতু ওয়ামা- আনতা আ’লামু বিহী মিন্নী। আনতাল মুক্বাদ্দিমু ওয়া আনতাল মুআখ্‌খিরু লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা

হে আল্লাহ্‌, আপনি ক্ষমা করে দেন আমার আগের পাপ, পরের পাপ, গোপন পাপ, প্রকাশ্য পাপ, আমার বাড়াবাড়ি এবং যে সকল পাপের কথা আপনি আমার চেয়ে বেশী জানেন। আপনিই অগ্রবর্তী করেন এবং আপনিই পিছিয়ে দেন। আপনি ছাড়া কোন প্রকৃত উপাস্য নেই।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭১

তাশাহুদের পর সালাম ফেরানোর আগে, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) সব শেষে যা পড়তেন তার মধ্যে ছিল এটি।

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) নামাযের শেষে তাশাহুদ ও সালামের মধ্যবর্তী সময়ে এ কথাগুলো বলতেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَسْرَفْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ্‌, আপনি ক্ষমা করে দেন আমার আগের পাপ, পরের পাপ, গোপন পাপ, প্রকাশ্য পাপ, আমার বাড়াবাড়ি এবং যে সকল পাপের কথা আপনি আমার চেয়ে বেশী জানেন। আপনিই অগ্রবর্তী করেন এবং আপনিই পিছিয়ে দেন। আপনি ছাড়া কোন প্রকৃত উপাস্য নেই।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭১

দোয়া মাসূরা #৪

দোয়া মাসূরা #৪

আবু বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-কে বলেন, আমাকে একটি দোয়া শিখিয়ে দিন যা আমি নামাযের মধ্যে পড়ব, তখন তিনি এ দোয়াটি শিখিয়ে দেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْمًا كَثِيْرًا وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী যালাম্‌তু নাফ্‌সী যুলমান কাছিরান ওয়ালা- ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা- আনতা, ফাগ্‌ফিরুলী মাগফিরাতান মিন ‘ইনদিকা ওয়ার’হামনী ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর্‌ রাহীম

হে আল্লাহ্‌! আমি নিজের উপর অনেক যুলুম করেছি, আর আপনি ছাড়া গুনাহসমূহ কেউই ক্ষমা করতে পারে না, সুতরাং আপনি নিজ গুণে আমাকে ক্ষমা করে দিন এবং আমাকে রহম করুন, আপনি বড়ই ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৩৪

আবু বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-কে বলেন, আমাকে একটি দোয়া শিখিয়ে দিন যা আমি নামাযের মধ্যে পড়ব, তখন তিনি এ দোয়াটি শিখিয়ে দেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْمًا كَثِيْرًا وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

হে আল্লাহ্‌! আমি নিজের উপর অনেক যুলুম করেছি, আর আপনি ছাড়া গুনাহসমূহ কেউই ক্ষমা করতে পারে না, সুতরাং আপনি নিজ গুণে আমাকে ক্ষমা করে দিন এবং আমাকে রহম করুন, আপনি বড়ই ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৩৪

দোয়া মাসূরা #৫

দোয়া মাসূরা #৫

اَللَّهُمَّ بِعِلْمِكَ الْغَيْبَ وَقُدْرَتِكَ عَلَى الْخَلْقِ أَحْيِنِيْ مَا عَلِمْتَ الْحَيَاةَ خَيْرًا لِي وَتَوَفَّنِيْ إِذَا عَلِمْتَ الْوَفَاةَ خَيْرًا لِي اَللَّهُمَّ وَأَسْأَلُكَ خَشْيَتَكَ فِي الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ وَأَسْأَلُكَ كَلِمَةَ الْحَقِّ فِي الرِّضَا وَالْغَضَبِ وَأَسْأَلُكَ الْقَصْدَ فِي الْفَقْرِ وَالْغِنَى وَأَسْأَلُكَ نَعِيْمًا لَا يَنْفَدُ وَأَسْأَلُكَ قُرَّةَ عَيْنٍ لَا تَنْقَطِعُ وَأَسْأَلُكَ الرِّضَا بَعْدَ الْقَضَاءِ وَأَسْأَلُكَ بَرْدَ الْعَيْشِ بَعْدَ الْمَوْتِ وَأَسْأَلُكَ لَذَّةَ النَّظَرِ إِلَى وَجْهِكَ وَالشَّوْقَ إِلَى لِقَائِكَ فِي غَيْرِ ضَرَّاءَ مُضِرَّةٍ وَلَا فِتْنَةٍ مُضِلَّةٍ اَللَّهُمَّ زَيِّنَا بِزِيْنَةِ الْإِيْمَانِ وَاجْعَلْنَا هُدَاةً مُهْتَدِيْنَ

আল্লা-হুম্মা, বি‘ইলমিকাল গাইবা ওয়া ক্বুদ্‌রাতিকা ‘আলাল খাল্‌ক্ব, আ’হ্‌য়িনী মা- ‘আলিম্‌তাল ‘হায়া-তা খাইরল্লী, ওয়া তাওয়াফ্‌ফানী ইযা- ‘আলিম্‌তাল ওয়াফা-তা খাইরান লী, আল্লা-হুম্মা, ওয়া আস্‌আলুকা খাশ্‌ইয়াতাকা ফিল গাইবি ওয়াশ শাহা-দাতি, ওয়া আস্‌আলুকা কালিমাতাল হাক্কি ফির রিদ্বা- ওয়াল গাদ্বাবি, ওয়া আস্আলুকাল ক্বাস্‌দা ফিল ফাক্বরি ওয়াল গিনা- ওয়া আস্‌আলুকা না’য়ীমান লা- ইয়ান্‌ফাদু, ওয়া আস্‌আলুকা ক্বুর্‌রাতা ‘আইনিন লা- তান্‌ক্বাতি’উ, ওয়া আস্আলুকার রিদ্বা- বা'অ্‌দাল ক্বাদ্বা-, ওয়া আস্‌আলুকা বার্‌দাল ‘আইশি বা’অ্‌দাল মাউতি, ওয়া আস্‌আলুকা লায্‌যাতান নাযারি ইলা ওয়াজ্‌হিকা ওয়াশ্‌ শাওক্বা ইলা- লিক্বা-য়িকা ফী গাইরি দ্বার্‌রা-আ মুদ্বির্‌রাতিন ওয়ালা- ফিত্‌নাতিন মুদ্বিল্লাতিন। আল্লা-হুম্মা, ঝায়্যিনা- বি-ঝিনাতিল ঈমা-নি ওয়াজ্‌‘আলনা- হুদা-তাম মুহ্‌তাদীন

আল্লাহ্‌, আপনার গাইবী ইলমের ওসীলা দিয়ে এবং আপনার সৃষ্টির ক্ষমতার অসীলা দিয়ে (প্রার্থনা করছি), আপনি আমাকে জীবিত রাখুন যতক্ষণ আপনি জানবেন যে, জীবন আমার জন্য উত্তম। এবং আপনি আমাকে মৃত্যু দান করুন যখন আপনি জানবেন যে, মৃত্যু আমার জন্য উত্তম। হে আল্লাহ্‌, আর আমি আপনার কাছে চাচ্ছি গোপনে এবং প্রকাশ্যে আপনার ভীতি। আমি আপনার কাছে চাচ্ছি রাগ কিংবা সন্তুষ্ট উভয় অবস্থাতে সত্য কথন। এবং আমি আপনার কাছে চাচ্ছি মধ্যম পন্থা দারিদ্র্য এবং সচ্ছলতায়। এবং আমি আপনার কাছে চাচ্ছি অফুরন্ত নেয়ামত। এবং আমি আপনার কাছে চাচ্ছি অবিচ্ছিন্ন শান্তি-তৃপ্তি। এবং আমি আপনার কাছে চাচ্ছি তাকদিরের (প্রকাশ পাওয়ার) পরে সন্তুষ্টি। এবং আমি আপনার কাছে চাচ্ছি মৃত্যুর পরে শান্তিময় জীবন। এবং আমি আপনার কাছে চাচ্ছি আপনার পবিত্র মুখমণ্ডলের প্রতি দৃষ্টিপাতের আনন্দ, এবং আপনার সাথে সাক্ষাতের আগ্রহ, সকল ক্ষতিকর প্রতিকূলতা এবং বিভ্রান্তিকর ফিতনা-ফাসাদ হতে বিমুক্ত থেকে। হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাদেরকে সৌন্দর্যময় করুন ঈমানের সৌন্দর্যে এবং আমাদেরকে বানিয়ে দিন সুপথপ্রাপ্ত পথপ্রদর্শনকারী।

রেফারেন্স: সহিহ। নাসাঈঃ ১৩০৫

তাবিয়ী সাইব ইবনু মালিক (রহ) বলেন, একদিন আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) আমাদেরকে নামায পড়ালেন। তিনি সংক্ষেপে নামায পড়ালেন। তখন জামাতে উপস্থিত কেউ কেউ বলল, আপনি সংক্ষেপেই নামায পড়ালেন। তখন তিনি বললেন, আমি এ নামাযের মধ্যে এমন কিছু দোয়া করেছি যেগুলো আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) থেকে শুনেছি। এ বলে তিনি উপরের দোয়াটি তাদেরকে শিখিয়ে দেন।

اَللَّهُمَّ بِعِلْمِكَ الْغَيْبَ وَقُدْرَتِكَ عَلَى الْخَلْقِ أَحْيِنِيْ مَا عَلِمْتَ الْحَيَاةَ خَيْرًا لِي وَتَوَفَّنِيْ إِذَا عَلِمْتَ الْوَفَاةَ خَيْرًا لِي اَللَّهُمَّ وَأَسْأَلُكَ خَشْيَتَكَ فِي الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ وَأَسْأَلُكَ كَلِمَةَ الْحَقِّ فِي الرِّضَا وَالْغَضَبِ وَأَسْأَلُكَ الْقَصْدَ فِي الْفَقْرِ وَالْغِنَى وَأَسْأَلُكَ نَعِيْمًا لَا يَنْفَدُ وَأَسْأَلُكَ قُرَّةَ عَيْنٍ لَا تَنْقَطِعُ وَأَسْأَلُكَ الرِّضَا بَعْدَ الْقَضَاءِ وَأَسْأَلُكَ بَرْدَ الْعَيْشِ بَعْدَ الْمَوْتِ وَأَسْأَلُكَ لَذَّةَ النَّظَرِ إِلَى وَجْهِكَ وَالشَّوْقَ إِلَى لِقَائِكَ فِي غَيْرِ ضَرَّاءَ مُضِرَّةٍ وَلَا فِتْنَةٍ مُضِلَّةٍ اَللَّهُمَّ زَيِّنَا بِزِيْنَةِ الْإِيْمَانِ وَاجْعَلْنَا هُدَاةً مُهْتَدِيْنَ

আল্লাহ্‌, আপনার গাইবী ইলমের ওসীলা দিয়ে এবং আপনার সৃষ্টির ক্ষমতার অসীলা দিয়ে (প্রার্থনা করছি), আপনি আমাকে জীবিত রাখুন যতক্ষণ আপনি জানবেন যে, জীবন আমার জন্য উত্তম। এবং আপনি আমাকে মৃত্যু দান করুন যখন আপনি জানবেন যে, মৃত্যু আমার জন্য উত্তম। হে আল্লাহ্‌, আর আমি আপনার কাছে চাচ্ছি গোপনে এবং প্রকাশ্যে আপনার ভীতি। আমি আপনার কাছে চাচ্ছি রাগ কিংবা সন্তুষ্ট উভয় অবস্থাতে সত্য কথন। এবং আমি আপনার কাছে চাচ্ছি মধ্যম পন্থা দারিদ্র্য এবং সচ্ছলতায়। এবং আমি আপনার কাছে চাচ্ছি অফুরন্ত নেয়ামত। এবং আমি আপনার কাছে চাচ্ছি অবিচ্ছিন্ন শান্তি-তৃপ্তি। এবং আমি আপনার কাছে চাচ্ছি তাকদিরের (প্রকাশ পাওয়ার) পরে সন্তুষ্টি। এবং আমি আপনার কাছে চাচ্ছি মৃত্যুর পরে শান্তিময় জীবন। এবং আমি আপনার কাছে চাচ্ছি আপনার পবিত্র মুখমণ্ডলের প্রতি দৃষ্টিপাতের আনন্দ, এবং আপনার সাথে সাক্ষাতের আগ্রহ, সকল ক্ষতিকর প্রতিকূলতা এবং বিভ্রান্তিকর ফিতনা-ফাসাদ হতে বিমুক্ত থেকে। হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাদেরকে সৌন্দর্যময় করুন ঈমানের সৌন্দর্যে এবং আমাদেরকে বানিয়ে দিন সুপথপ্রাপ্ত পথপ্রদর্শনকারী।

রেফারেন্স: সহিহ। নাসাঈঃ ১৩০৫

দোয়া মাসূরা #৬

দোয়া মাসূরা #৬

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَاذَ بِهِ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ، وَأَسْأَلُكَ أَنْ تَجْعَلَ كُلَّ قَضَاءٍ قَضَيْتَهُ لِي خَيْرًا

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্‌আলুকা মিনাল খাইরি কুল্লিহী, ‘আ-জিলিহী ওয়া আ-জিলিহী, মা-‘আলিম্‌তু মিন্‌হু ওয়ামা- লাম্ আ’অ্‌লাম। ওয়া আ‘উযু বিকা মিনাশ্‌ শার্‌রি কুল্লিহী ‘আ-জিলিহী ওয়া আ-জিলিহী মা- ‘আলিম্‌তু মিন্‌হু ওয়ামা- লাম্ আ’অ্‌লাম। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্‌আলুকা মিন খাইরি মা- সাআলাকা ‘আব্‌দুকা ওয়া নাবিয়্যুকা, ওয়া আ’ঊযু বিকা মিন শার্‌রি ‘মা ‘আ-যা বিহী ‘আব্‌দুকা ওয়া নাবিয়্যুকা। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্‌আলুকাল জান্নাতা ওয়ামা- ক্বার্‌রাবা ইলাইহা- মিন ক্বাওলিন আও ‘আমাল। ওয়া আ’ঊযু বিকা মিনান না-রি ওয়ামা- ক্বার্‌রাবা ইলাইহা- মিন ক্বাওলিন আও 'আমাল। ওয়া আস্‌আলুকা আন তাজ‘আলা কুল্লা ক্বাদ্বা-ইন ক্বদ্বাইতাহু লি খইরা

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাই সকল কল্যাণ থেকে নিকটবর্তী কল্যাণ, দূরবর্তী কল্যাণ, আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। আর আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল অকল্যাণ থেকে নিকটবর্তী অকল্যাণ, দূরবর্তী অকল্যাণ, আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে সে সকল কল্যাণ চাই যে সকল কল্যাণ চেয়েছেন আপনার কাছে আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ ﷺ)। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই সে সকল অকল্যাণ থেকে যে সকল অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চেয়েছেন আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ ﷺ)। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাই জান্নাত এবং জান্নাতের নিকটে নিয়ে যায় এরূপ সকল কথা বা কাজের তাওফীক। এবং আমি আপনার আশ্রয় চাই জাহান্নাম থেকে এবং সেই সব কথা বা কাজ থেকে যা জাহান্নামের কাছে নিয়ে যায়। আর আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি যে, আপনি আমার জন্য যা কিছু ভাগ্য নির্ধারণ করেছেন সব কিছুর চূড়ান্ত পরিণতি আমার জন্য মঙ্গলময় কল্যাণকর করে দিন।

রেফারেন্স: সহিহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৪৬

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ، مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَاذَ بِهِ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ، وَأَسْأَلُكَ أَنْ تَجْعَلَ كُلَّ قَضَاءٍ قَضَيْتَهُ لِي خَيْرًا

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাই সকল কল্যাণ থেকে নিকটবর্তী কল্যাণ, দূরবর্তী কল্যাণ, আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। আর আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল অকল্যাণ থেকে নিকটবর্তী অকল্যাণ, দূরবর্তী অকল্যাণ, আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে সে সকল কল্যাণ চাই যে সকল কল্যাণ চেয়েছেন আপনার কাছে আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ ﷺ)। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই সে সকল অকল্যাণ থেকে যে সকল অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চেয়েছেন আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ ﷺ)। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাই জান্নাত এবং জান্নাতের নিকটে নিয়ে যায় এরূপ সকল কথা বা কাজের তাওফীক। এবং আমি আপনার আশ্রয় চাই জাহান্নাম থেকে এবং সেই সব কথা বা কাজ থেকে যা জাহান্নামের কাছে নিয়ে যায়। আর আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি যে, আপনি আমার জন্য যা কিছু ভাগ্য নির্ধারণ করেছেন সব কিছুর চূড়ান্ত পরিণতি আমার জন্য মঙ্গলময় কল্যাণকর করে দিন।

রেফারেন্স: সহিহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৪৬

দোয়া মাসূরা #৭

দোয়া মাসূরা #৭

কবর ও জাহান্নামের আযাব, জীবন, মৃত্যু ও দাজ্জালের ফিতনা এবং গুনাহ ও ঋণ থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْـيَا وَالْمَمَاتِ. اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন 'আযা-বিল ক্বাবর, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ্ দাজ্জা-ল, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ফিতনাতিল মা'হইয়া- ওয়াল মামা-ত। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল মা’ছামি ওয়াল মাগরাম

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কবরের আযাব থেকে, আশ্রয় চাই মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে এবং আশ্রয় চাই জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে। হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই পাপাচার ও ঋণের বোঝা থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৩২

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) সালাতের মধ্যে এ দোয়া পড়তেন -একজন তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, “আপনি ঋণের ব্যাপারে (আল্লাহ্‌র কাছে) এত বেশি আশ্রয় চান কেন?” জবাবে নবী (ﷺ) বলেন, “মানুষ যখন ঋণে জড়িয়ে পড়ে, তখন কথা বললে মিথ্যা বলে আর ওয়াদা দিলে তা ভঙ্গ করে।”

কবর ও জাহান্নামের আযাব, জীবন, মৃত্যু ও দাজ্জালের ফিতনা এবং গুনাহ ও ঋণ থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْـيَا وَالْمَمَاتِ. اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কবরের আযাব থেকে, আশ্রয় চাই মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে এবং আশ্রয় চাই জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে। হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই পাপাচার ও ঋণের বোঝা থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৩২

দোয়া মাসূরা #৮

দোয়া মাসূরা #৮

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ. اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَمِنَ الْمَغْرَمِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন্ ‘আযা-বি জাহান্নাম্ ওয়া আ‘উযু বিকা মিন্ ‘আযা-বিল্ ক্বাব্‌র, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন্‌ ফিত্‌নাতিল্ মাসীহিদ্ দাজ্জা-ল্, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ফিত্‌নাতিল্‌ মাহ্‌ইয়া- ওয়াল্ মামা-ত্, আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল্ মা’ছামি ওয়া মিনাল্ মাগ্‌রাম।

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট জাহান্নামের ‘আযাব হতে আশ্রয় চাচ্ছি, কবরের ‘আযাব্ হতে আশ্রয় চাচ্ছি, আশ্রয় চাচ্ছি কানা দাজ্জালের পরীক্ষা হতে। তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি জীবন ও মৃত্যুর পরীক্ষা হতে এবং তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি পাপ ও ঋণের বোঝা হতে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১/৪১২

ইব্‌নু ‘আব্বাস্ (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ﷺ) তাঁদেরকে (ছাহাবীগণকে) এই দোয়া শিক্ষা দিতেন, যেভাবে তাঁদেরকে কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেন - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ. اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَمِنَ الْمَغْرَمِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট জাহান্নামের ‘আযাব হতে আশ্রয় চাচ্ছি, কবরের ‘আযাব্ হতে আশ্রয় চাচ্ছি, আশ্রয় চাচ্ছি কানা দাজ্জালের পরীক্ষা হতে। তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি জীবন ও মৃত্যুর পরীক্ষা হতে এবং তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি পাপ ও ঋণের বোঝা হতে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১/৪১২

দোয়া মাসূরা #৯

দোয়া মাসূরা #৯

اَللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

আল্লা-হুম্মা আ‘ইন্নী ‘আলা যিক্‌রিকা ও শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবা-দাতিক

হে আল্লাহ্‌! আমাকে সাহায্য করো যেন তোমাকে স্মরণ রাখতে পারি, তোমার শুকরিয়া আদায় করতে পারি, এবং সুন্দরভাবে তোমার গোলামি করতে পারি।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ১৫২২

মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, একদা রসূলুল্লাহ (ﷺ) তার হাত ধরে বললেন, হে মু‘আয! আল্লাহ্‌র শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালোবাসি, আল্লাহ্‌র শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালোবাসি। তিনি বললেন, হে মু‘আয! আমি তোমাকে ওয়াসিয়াত করছি, তুমি প্রত্যেক সালাতের পর এ দু‘আটি কখনো পরিহার করবে না - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে সাহায্য করো যেন তোমাকে স্মরণ রাখতে পারি, তোমার শুকরিয়া আদায় করতে পারি, এবং সুন্দরভাবে তোমার গোলামি করতে পারি।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ১৫২২

দোয়া মাসূরা #১০

দোয়া মাসূরা #১০

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ نُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْقَبْرِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল বুখলি, ওয়া ‘আউযু বিকা মিনাল জুবনি, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন আন নুরাদ্দা ইলা- আরযালিল্ ‘উমুরি, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন্ ফিতনাতিদ দুন্‌ইয়া- ওয়া আযা-বিল ক্বাবর

হে আল্লাহ্‌! আমি কাপুরুষতা ও কৃপণতা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। আমি বার্ধক্যের অসহায়ত্ব থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। আর আমি দুনিয়ার ফিত্‌না ও ক্ববরের 'আযাব থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৭৪

সাদ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, শিক্ষক যেভাবে বাচ্চাদের হাতের লেখা শেখায়, সাদ (রাঃ) তার ছেলেদের এসব বাক্য সেভাবে শেখাতেন। আর তিনি বলতেন, সালাতের শেষের দিকে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এসব বিষয়ে (আল্লাহ্‌র কাছে) আশ্রয় চাইতেন- (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ نُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْقَبْرِ

হে আল্লাহ্‌! আমি কাপুরুষতা ও কৃপণতা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। আমি বার্ধক্যের অসহায়ত্ব থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। আর আমি দুনিয়ার ফিত্‌না ও ক্ববরের 'আযাব থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৭৪

দোয়া মাসূরা #১১

দোয়া মাসূরা #১১

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করেন, “তুমি সালাতে কী দোয়া করো?" লোকটি বলে, আমি তাশাহুদ পাঠ করে বলি -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ‘উযু বিকা মিনান না-র

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে জান্নাত চাই; আর জাহান্নাম থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৪৬

আমি তো আর আপনার মতো সুন্দর করে দোয়া পড়তে পারি না, মুআযের মতোও না! "তখন নবী (ﷺ) বলেন, “আমাদের দোয়াও এর কাছাকাছি অর্থ বহন করে!"

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করেন, “তুমি সালাতে কী দোয়া করো?" লোকটি বলে, আমি তাশাহুদ পাঠ করে বলি -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে জান্নাত চাই; আর জাহান্নাম থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৪৬

দোয়া মাসূরা #১২

দোয়া মাসূরা #১২

মিজান ইবনুল আরদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) মসজিদে প্রবেশ করেন। তখন এক ব্যক্তি সালাতের শেষের দিকে তাশাহুদ পাঠ করছে। সে বলছে -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ يَا أَللَّهُ بِأَنَّكَ الْوَاحِدُ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ، أَنْ تَغْفِرَ لِي ذُنُوبِي إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইয়া আল্লা-হু বিআন্নাকাল ওয়া-'হিদুল আ'হাদুস্ স্বমাদুল্লাযী লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইঊ্লাদ্ ওয়ালাম ইয়াকুন লাহু কুফূওয়ান আ'হাদ, আন্ তাগফিরালী যুনূবী, ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর রহীম

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই। হে আল্লাহ্‌! তুমি এক, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই; তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, একমাত্র তুমিই ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: সহিহ। নাসাঈঃ ১৩০১

তার দোয়া শুনে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) তিনবার বলেন, “তাকে মাফ করে দেওয়া হয়েছে।"

মিজান ইবনুল আরদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) মসজিদে প্রবেশ করেন। তখন এক ব্যক্তি সালাতের শেষের দিকে তাশাহুদ পাঠ করছে। সে বলছে -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ يَا أَللَّهُ بِأَنَّكَ الْوَاحِدُ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ، أَنْ تَغْفِرَ لِي ذُنُوبِي إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই। হে আল্লাহ্‌! তুমি এক, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই; তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, একমাত্র তুমিই ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: সহিহ। নাসাঈঃ ১৩০১

দোয়া মাসূরা #১৩

দোয়া মাসূরা #১৩

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে বসে আছি। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছে। সে রুকু, সিজদা ও তাশাহুদের পর দোয়া করে। ওই দোয়ায় সে বলে -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ الْمَنَّانُ، بَدِيعُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ إِنِّي أَسْأَلُكَ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্না লাকাল 'হামদা লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতাল মান্না-নু, বাদী‘উস্ সামাওয়া-তি ওয়াল-আরদী, ইয়া যালজালা-লি ওয়াল-ইকরা-ম। ইয়া হাইয়্যু ইয়া ক্বাইয়্যূমু, ইন্নী আসআলুকা

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই। প্রশংসা কেবল তোমারই; তুমি ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই, তুমি মহানদাতা এবং আকাশ সমূহ ও পৃথিবীর অস্তিত্বদানকারী হে মহত্ত্ব ও মহানুভবতার অধিকারী! হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আমি তোমার কাছেই চাই।

রেফারেন্স: সহিহ। নাসাঈঃ ১৩০০

তখন নবী (ﷺ) তার সাহাবীদের বলেন, “তোমরা কি জানো, সে কী দোয়া করেছে?" তারা বলেন, “আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন।” নবী (ﷺ) বলেন, “শপথ সেই সত্ত্বার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! সে আল্লাহ্‌কে তাঁর মহান নাম নিয়ে ডেকেছে, যে নাম নিয়ে ডাকা হলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নাম নিয়ে কিছু চাওয়া হলে তিনি তা দেন।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে বসে আছি। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছে। সে রুকু, সিজদা ও তাশাহুদের পর দোয়া করে। ওই দোয়ায় সে বলে -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ الْمَنَّانُ، بَدِيعُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ إِنِّي أَسْأَلُكَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই। প্রশংসা কেবল তোমারই; তুমি ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই, তুমি মহানদাতা এবং আকাশ সমূহ ও পৃথিবীর অস্তিত্বদানকারী হে মহত্ত্ব ও মহানুভবতার অধিকারী! হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আমি তোমার কাছেই চাই।

রেফারেন্স: সহিহ। নাসাঈঃ ১৩০০

দোয়া মাসূরা #১৪

দোয়া মাসূরা #১৪

বুরাইদা ইবনুল হুসাইব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) এক ব্যক্তিকে এ কথা বলে দোয়া করতে শুনেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي اَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা বিআন্নী আশ্‌হাদু আন্নাকা আনতাল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতাল্ আ'হাদুস্‌ স্বামাদুল্ লাযী লাম্ ইয়ালিদ্ ওয়ালাম্ ইঊ্লাদ্ ওয়ালাম্ ইয়াকুন লাহু কুফুওয়ান্ আহাদ্

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, একমাত্র তুমিই আল্লাহ্‌, তুমি ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাঊদঃ ১৪৯৩

তখন নবী (ﷺ) বলেন, “শপথ সেই সত্ত্বার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! সে আল্লাহ্‌কে তাঁর মহান নাম নিয়ে ডেকেছে, যে নাম নিয়ে ডাকা হলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নাম নিয়ে কিছু চাওয়া হলে তিনি তা দেন।”

বুরাইদা ইবনুল হুসাইব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) এক ব্যক্তিকে এ কথা বলে দোয়া করতে শুনেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي اَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, একমাত্র তুমিই আল্লাহ্‌, তুমি ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাঊদঃ ১৪৯৩

দোয়া মাসূরা #১৫

দোয়া মাসূরা #১৫

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيعَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদু লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা ওয়াহ্‌দাকা লা- শারীকা লাকাল মান্না-নু, ইয়া বাদী‘আস্ সামাওয়া-তি ওয়াল-আরদী, ইয়া যালজালা-লি ওয়াল-ইকরা-ম। ইয়া হাইয়্যু ইয়া ক্বাইয়্যূমু, ইন্নী আসআলুকাল্ জান্নাতা ওয়া আ‘উযু বিকা মিনান না-র

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার কাছে চাই; কারণ, সকল প্রশংসা আপনার, কেবলমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, সীমাহীন অনুগ্রহকারী; হে আসমানসমূহ ও যমীনের অভিনব স্রষ্টা! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী-সর্বসত্ত্বার ধারক! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহিহ। আবূ দাঊদঃ ১৪৯৩-১৪৯৫

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيعَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার কাছে চাই; কারণ, সকল প্রশংসা আপনার, কেবলমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, সীমাহীন অনুগ্রহকারী; হে আসমানসমূহ ও যমীনের অভিনব স্রষ্টা! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী-সর্বসত্ত্বার ধারক! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহিহ। আবূ দাঊদঃ ১৪৯৩-১৪৯৫

দোয়া মাসূরা #১৬

দোয়া মাসূরা #১৬

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَرَمِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নি আ‘উযু বিকা মিনাল কাসালি, ওয়া আ‘উযুবিকা মিনাল জুব্‌নি, ওয়া আ‘উযুবিকা মিনাল হারামি, ওয়া আ‘উযুবিকা মিনাল বুখল।

হে আল্লাহ্‌! আমি অলসতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি এবং আমি আপনার কাছে কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। আমি আপনার কাছে আরও আশ্রয় চাচ্ছি বার্ধক্যের আতিশয্য থেকে এবং আমি কৃপণতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি।

রেফারেন্স: বুখারিঃ ৬৩৭১

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَرَمِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ

হে আল্লাহ্‌! আমি অলসতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি এবং আমি আপনার কাছে কাপুরুষতা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। আমি আপনার কাছে আরও আশ্রয় চাচ্ছি বার্ধক্যের আতিশয্য থেকে এবং আমি কৃপণতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি।

রেফারেন্স: বুখারিঃ ৬৩৭১

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 সালাতের মধ্যে দোয়া

📄 সালাতের মধ্যে দোয়া


সালাতের মধ্যে দোয়া

সালাতের মধ্যে দোয়া

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে সালাত আদায় করছি, এমন সময় লোকদের মধ্যে একজন বলে ওঠে -

اَللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيْرًا، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا، وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا

আল্লা-হু আকবারু কাবীরান, ওয়ালহামদু লিল্লা-হি কাছিরান, ওয়াসুবহা-নাল্লাহি বুকরাতাঁও ওয়া আসীলা

আল্লাহ্‌র শ্রেষ্ঠত্ব সবার উপর, বিপুল প্রশংসা আল্লাহ্‌র, সকাল-সন্ধ্যার সকল মহিমা আল্লাহ্‌র।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৬০১

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) জিজ্ঞাসা করেন, “এসব বাক্য কে উচ্চারণ করল?” লোকদের মধ্যে একজন বলল, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমি।” নবী (ﷺ) বলেন, “এসব শুনে আমি চমকে ওঠেছি; কারণ এই দোয়া উত্তোলনের জন্য আকাশের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে।” ইবনে উমর (রাঃ) বলেন, 'আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে ওই কথা বলতে শোনার পর থেকে, আমি আর সেসব বাক্য (পাঠ করা) ছাড়িনি।'

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে সালাত আদায় করছি, এমন সময় লোকদের মধ্যে একজন বলে ওঠে -

اَللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيْرًا، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا، وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا

আল্লাহ্‌র শ্রেষ্ঠত্ব সবার উপর, বিপুল প্রশংসা আল্লাহ্‌র, সকাল-সন্ধ্যার সকল মহিমা আল্লাহ্‌র।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৬০১

সলাতের মধ্যে হাঁচি দিলে

সলাতের মধ্যে হাঁচি দিলে

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ مُبَارَكًا عَلَيْهِ كَمَا يُحِبُّ رَبُّنَا وَيَرْضَى

আল-‘হামদু লিল্লা-হি ‘হামদান কাছিরান ত্বয়্যিবান মুবা-রাকান ফীহ, মুবা-রাকান ‘আলাইহি ক্বামা- ইউহিব্বু রব্বুনা- ওয়া ইয়ার্‌দ্বা

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্যই। অধিক প্রশংসা, পবিত্র এবং বরকতময় প্রশংসা। যেমন প্রশংসা আমাদের প্রভু পছন্দ করেন এবং যে প্রশংসায় তিনি সন্তুষ্ট হন।

রেফারেন্স: হাসান। আন-নাসায়ীঃ ৯৩০

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ مُبَارَكًا عَلَيْهِ كَمَا يُحِبُّ رَبُّنَا وَيَرْضَى

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্যই। অধিক প্রশংসা, পবিত্র এবং বরকতময় প্রশংসা। যেমন প্রশংসা আমাদের প্রভু পছন্দ করেন এবং যে প্রশংসায় তিনি সন্তুষ্ট হন।

রেফারেন্স: হাসান। আন-নাসায়ীঃ ৯৩০

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 ফজর ও মাগরিবের পরের দোয়া সমূহ

📄 ফজর ও মাগরিবের পরের দোয়া সমূহ


সালাতুল ফাজরের পরের দোয়া

সালাতুল ফাজরের পরের দোয়া

উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) ফজরের সালাত শেষে, সালাম ফিরানোর পরে এ বাক্যগুলো বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَرِزْقًا طَيِّبًا وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকা ই’লমান না-ফি’আন, ওয়া রিঝ‌ক্বান ত্বায়্যিবান ওয়া ‘আমালান মুতাক্বাব্বালা-

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাচ্ছি কল্যাণকর জ্ঞান, পবিত্র রিযিক ও কবুলকৃত আমল।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৯২৫

উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) ফজরের সালাত শেষে, সালাম ফিরানোর পরে এ বাক্যগুলো বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَرِزْقًا طَيِّبًا وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাচ্ছি কল্যাণকর জ্ঞান, পবিত্র রিযিক ও কবুলকৃত আমল।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৯২৫

ফজর ও মাগরিবের পরের দোয়া #১

ফজর ও মাগরিবের পরের দোয়া #১

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া‘হ্‌দাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল ‘হামদু‌, ইউ‘হ্‌য়ী ওয়া ইউমীতু ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তারই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনিই জীবন দান করেন এবং মৃত্যু দান করেন। তাঁর হাতেই সকল কল্যাণ এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৫৩৪

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তারই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনিই জীবন দান করেন এবং মৃত্যু দান করেন। তাঁর হাতেই সকল কল্যাণ এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৫৩৪

ফজর ও মাগরিবের পরের দোয়া #২

ফজর ও মাগরিবের পরের দোয়া #২

৭ বার বলবে -

اَللَّهُمَّ أَجِرْنِيْ مِنَ النَّارِ

আল্লা-হুম্মা, আজিরনী মিনান না-র

হে আল্লাহ্‌, আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: হাসান (ইবনে হাজার)। আল-ফুতুহাতুর রাব্বানিয়্যাহ ৩/৬৯

হারিস ইবনু মুসলিম (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আমাকে বলেছেন, তুমি ফজরের সালাতের পরেই (দুনিয়াবী) কথা বলার আগে এ দোয়া ৭ বার বলবে। যদি তুমি ঐ দিনে মৃত্যুবরণ করো তাহলে আল্লাহ্‌ তোমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন। অনুরূপভাবে, মাগরিবের সালাতের পরে কথা বলার আগেই এ দোয়া ৭ বার বলবে। তুমি যদি ঐ রাতে মৃত্যু বরণ করো তাহলে আল্লাহ্‌ তোমাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবেন।” অধিকাংশ মুহাদ্দিস হাদীসটিকে গ্রহণযোগ্য বলে গণ্য করেছেন।

৭ বার বলবে -

اَللَّهُمَّ أَجِرْنِيْ مِنَ النَّارِ

হে আল্লাহ্‌, আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: হাসান (ইবনে হাজার)। আল-ফুতুহাতুর রাব্বানিয়্যাহ ৩/৬৯

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 ফরয সালাতের পরে মাসনূন দোয়া-মুনাজাত

📄 ফরয সালাতের পরে মাসনূন দোয়া-মুনাজাত


সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #১

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #১

৩ বার বলবে -

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

আস্‌-তাগফিরুল্লা-হ

আমি আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাই।

রেফারেন্স: সহিহ মুসলিমঃ ৫৯১

৩ বার বলবে -

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ

আমি আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাই।

রেফারেন্স: সহিহ মুসলিমঃ ৫৯১

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #২

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #২

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাত শেষে ৩ বার ইস্তিগফার বলার পর বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ وَمِنْكَ السَّلَامُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

আল্লা-হুম্মা আনতাস সালা-ম ওয়া মিনকাস সালা-ম, তাবা-রাকতা ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম

হে আল্লাহ্‌, আপনিই সালাম (শান্তি), আপনার থেকেই শান্তি, হে মহাসম্মানের অধিকারী ও মর্যাদা প্রদানের অধিকারী, আপনি বরকতময়।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৫৯১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাত শেষে ৩ বার ইস্তিগফার বলার পর বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ وَمِنْكَ السَّلَامُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

হে আল্লাহ্‌, আপনিই সালাম (শান্তি), আপনার থেকেই শান্তি, হে মহাসম্মানের অধিকারী ও মর্যাদা প্রদানের অধিকারী, আপনি বরকতময়।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৫৯১

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #৩

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #৩

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) প্রত্যেক ফরয সালাতে সালাম ফিরানোর পরে এই দোয়া বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، اَللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া’হ্‌দাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল ‘হামদু, ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। আল্লা-হুম্মা, লা- মা-নি'আ লিমা- আ’‌ত্বাইতা, ওয়ালা- মু’ত্বিয়া লিমা- মানা’‌তা, ওয়ালা- ইয়ান্‌ফা'উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তারই এবং প্রশংসা তারই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ্‌, আপনি যা দান করেন তা ঠেকানোর ক্ষমতা কারো নেই। আর আপনি যা না দেন তা দেওয়ার ক্ষমতাও কারো নেই। কোনো ভাগ্যবানের ভাগ্য বা পরিশ্রমীর পরিশ্রম আপনার ইচ্ছার বাইরে কোনো উপকারে লাগে না।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৪৪

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) প্রত্যেক ফরয সালাতে সালাম ফিরানোর পরে এই দোয়া বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، اَللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তারই এবং প্রশংসা তারই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ্‌, আপনি যা দান করেন তা ঠেকানোর ক্ষমতা কারো নেই। আর আপনি যা না দেন তা দেওয়ার ক্ষমতাও কারো নেই। কোনো ভাগ্যবানের ভাগ্য বা পরিশ্রমীর পরিশ্রম আপনার ইচ্ছার বাইরে কোনো উপকারে লাগে না।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৪৪

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #৪

সালাম ফিরানোর পরের দোয়া #৪

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া’হদাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল ‘হামদু, ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইইন ক্বাদীর। লা- ‘হাওলা ওয়ালা- ক্বুওয়্যাতা ইল্লা- বিল্লা-হ, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়ালা- না্‘‌বুদু ইল্লা-ইয়্যা-হু। লাহুন নি’মাতু, ওয়া লাহুল ফা্‌দ্বলু, ওয়ালাহুছ ছানা-উল ‘হাসান। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু মুখলিসীনা লাহুদ্দীনা ওয়ালাও কারিহাল কা-ফিরূন

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তারই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ্‌র দ্বারা ও আল্লাহ্‌র মাধ্যম ছাড়া কোনো অবলম্বন নেই এবং কোনো ক্ষমতা নেই। আমরা আল্লাহ্‌ ছাড়া কারো ইবাদত করি না। নিয়ামত তাঁরই, দয়া তাঁরই এবং উত্তম প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই। আমাদের দ্বীন বিশুদ্ধভাবে শুধুমাত্র তারই জন্য, এতে যদিও কাফিরগণ অসন্তষ্ট হয়।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৫৯৪

আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) নিজে সর্বদা প্রত্যেক সালাতের সালামের পরেই এ দোয়াটি পাঠ করতেন এবং বলতেন: “রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) প্রত্যেক সালাতের পরে এ দোয়াগুলো বলতেন।”

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তারই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ্‌র দ্বারা ও আল্লাহ্‌র মাধ্যম ছাড়া কোনো অবলম্বন নেই এবং কোনো ক্ষমতা নেই। আমরা আল্লাহ্‌ ছাড়া কারো ইবাদত করি না। নিয়ামত তাঁরই, দয়া তাঁরই এবং উত্তম প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই। আমাদের দ্বীন বিশুদ্ধভাবে শুধুমাত্র তারই জন্য, এতে যদিও কাফিরগণ অসন্তষ্ট হয়।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৫৯৪

আয়াতুল কুরসী (সূরা আল-বাকারাহ্ ২:২৫৫)

আয়াতুল কুরসী (সূরা আল-বাকারাহ্ ২:২৫৫)

প্রত্যেক ফরয সালাত শেষে আয়াতুল কুরসী ১ বার পড়বে -

اَللّٰهُ لَآ إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَّهُۥ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الْأَرْضِ ۗ مَنْ ذَا الَّذِى يَشْفَعُ عِنْدَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِىُّ الْعَظِيمُ

আল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যূল ক্বাইয়্যূম। লা- তা’খুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা- নাউম। লাহূ মা- ফিসসামা-ওয়া-তি ওয়ামা- ফিল আরদ্বি। মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূ ইল্লা- বিইযনিহী। ইয়া‘লামু মা- বাইনা- আইদীহিম ওয়ামা- খালফাহুম। ওয়ালা- ইয়ুহীতূনা বিশাই-ইম মিন্ ইলমিহী ইল্লা- বিমা- শা-আ। ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামাওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব। ওয়ালা- ইয়াউদুহূ হিফযুহুমা-। ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যূল ‘আযীম

আল্লাহ্‌! তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী। তন্দ্রা ও নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করেনা। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু রয়েছে সবই তাঁর। কে আছে এমন, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর নিকট সুপারিশ করতে পারে? সম্মুখের অথবা পশ্চাতের সবই তিনি অবগত আছেন। একমাত্র তিনি যতটুকু ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত, তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারেনা। তাঁর আসন আসমান ও যমীন ব্যাপী হয়ে আছে এবং এতদুভয়ের সংরক্ষণে তাঁকে বিব্রত হতে হয়না। তিনিই সর্বোচ্চ, মহীয়ান।

রেফারেন্স: সিলসিলা সহীহাঃ ৯৭২

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রত্যেক সালাতের পরে আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে তাঁর জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।”

প্রত্যেক ফরয সালাত শেষে আয়াতুল কুরসী ১ বার পড়বে -

اَللّٰهُ لَآ إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَّهُۥ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الْأَرْضِ ۗ مَنْ ذَا الَّذِى يَشْفَعُ عِنْدَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِىُّ الْعَظِيمُ

আল্লাহ্‌! তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী। তন্দ্রা ও নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করেনা। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু রয়েছে সবই তাঁর। কে আছে এমন, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর নিকট সুপারিশ করতে পারে? সম্মুখের অথবা পশ্চাতের সবই তিনি অবগত আছেন। একমাত্র তিনি যতটুকু ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত, তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারেনা। তাঁর আসন আসমান ও যমীন ব্যাপী হয়ে আছে এবং এতদুভয়ের সংরক্ষণে তাঁকে বিব্রত হতে হয়না। তিনিই সর্বোচ্চ, মহীয়ান।

রেফারেন্স: সিলসিলা সহীহাঃ ৯৭২

সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস

সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস

সূরা ফালাক ১ বার -

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ﴿١﴾ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

বিসমিল্লা-হির রাহমা-নির রাহি-ম। (১) ক্বুল আ‘উযু বিরব্বিল ফালাক্ব। (২) মিন শাররি মা- খালাক্ব। (৩) ওয়া মিন শাররি গা-সিক্বিন ইযা ওয়াক্বাব। (৪) ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। (৫) ওয়া মিন শাররি 'হা-সিদিন ইযা 'হাসাদ

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (১) বল, ‘আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের কাছে, (২) তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, (৩) আর রাতের অন্ধকারের অনিষ্ট থেকে যখন তা গভীর হয়, (৪) আর গিরায় ফুঁ-দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে, (৫) আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে’। (সূরা ফালাকঃ ১-৫)

সূরা নাস ১ বার -

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَـٰهِ النَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾

বিসমিল্লা-হির রাহমা-নির রাহি-ম। (১) ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। (২) মালিকিন্না-স, (৩) ইলা-হিন্না-স, (৪) মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স, (৫) আল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন্না-স, (৬) মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (১) বল, ‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, (২) মানুষের অধিপতি, (৩) মানুষের ইলাহ-এর কাছে, (৪) কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে দ্রুত আত্মগোপন করে। (৫) যে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয়। (৬) জিন ও মানুষ থেকে। (সূরা নাসঃ ১-৬)

রেফারেন্স: [১] সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫২৩ [২] হাসান। আবু দাউদঃ ৫০৮২

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) প্রত্যেক সালাতের শেষে সূরাহ্ ইখলাস, ফালাক্ব ও সূরাহ্ নাস একবার করে পড়তেন। [১] আর মাগরীব্ ও ফজরের সালাতের পর তিনবার করে পড়তেন’। [২]

সূরা ফালাক ১ বার -

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ﴿١﴾ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (১) বল, ‘আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের কাছে, (২) তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, (৩) আর রাতের অন্ধকারের অনিষ্ট থেকে যখন তা গভীর হয়, (৪) আর গিরায় ফুঁ-দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে, (৫) আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে’। (সূরা ফালাকঃ ১-৫)

সূরা নাস ১ বার -

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَـٰهِ النَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (১) বল, ‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, (২) মানুষের অধিপতি, (৩) মানুষের ইলাহ-এর কাছে, (৪) কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে দ্রুত আত্মগোপন করে। (৫) যে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয়। (৬) জিন ও মানুষ থেকে। (সূরা নাসঃ ১-৬)

রেফারেন্স: [১] সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫২৩ [২] হাসান। আবু দাউদঃ ৫০৮২

ফন্ট সাইজ
15px
17px