📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 দুই সিজদার মধ্যবর্তী দোয়া সমূহ

📄 দুই সিজদার মধ্যবর্তী দোয়া সমূহ


দুই সিজদার মধ্যবর্তী দোয়া #১

দুই সিজদার মধ্যবর্তী দোয়া #১

رَبِّ اغْفِرْ لِي، رَبِّ اغْفِرْ لِي

রাব্বিগ্‌-ফিরলী, রাব্বিগ্-ফিরলী

হে প্রভু আমাকে ক্ষমা করুন, হে প্রভু আমাকে ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭৪

হুযাইফা (রাঃ) বলেন, নবীজী (ﷺ) দু'সিজদার মাঝে বসে উপরের দোয়াটি বলতেন।

رَبِّ اغْفِرْ لِي، رَبِّ اغْفِرْ لِي

হে প্রভু আমাকে ক্ষমা করুন, হে প্রভু আমাকে ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭৪

দুই সিজদার মধ্যবর্তী দোয়া #২

দুই সিজদার মধ্যবর্তী দোয়া #২

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَعَافِنِي وَاهْدِنِي وَارْزُقْنِي

আল্লা-হুম্মাগফিরলী, ওয়ারহামনী, ওয়া ‘আ-ফিনী, ওয়াহদিনী, ওয়ারঝুক্বনী

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাকে ক্ষমা করো, আমার প্রতি রহম করো, আমাকে সুস্থতা দান করো, সঠিক পথে পরিচালিত করো এবং রিযিক দান করো।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৮৪, হাসান। আবু দাউদঃ ৮৫০

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) 'দু সিজদার মাঝে বসে এ দোয়া বলতেন।

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَعَافِنِي وَاهْدِنِي وَارْزُقْنِي

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাকে ক্ষমা করো, আমার প্রতি রহম করো, আমাকে সুস্থতা দান করো, সঠিক পথে পরিচালিত করো এবং রিযিক দান করো।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৮৪, হাসান। আবু দাউদঃ ৮৫০

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 সিজদার আয়াত পড়ে সিজদা দেওয়ার মহত্ত্ব

📄 সিজদার আয়াত পড়ে সিজদা দেওয়ার মহত্ত্ব


সিজদার আয়াত পড়ে সিজদা দেওয়া

সিজদার আয়াত পড়ে সিজদা দেওয়া

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মানুষ যখন সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সাজদায় যায়, তখন শয়তান কাঁদতে কাঁদতে দূরে সরে পড়ে এবং বলতে থাকে হায়! আমার দুর্ভাগ্য! ইবনু কুরায়বের বর্ণনায় রয়েছে, হায়রে, আমার দুর্ভাগ্য! বনী আদম সিজদার জন্য আদিষ্ট হলো। তারপর সে সাজদাহ করলো এবং এর বিনিময়ে তার জন্য জান্নাত নির্ধারিত হলো। আর আমাকে সিজদার জন্য আদেশ করা হলো, কিন্তু আমি তা অস্বীকার করলাম, ফলে আমার জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত হলো।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮১

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মানুষ যখন সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সাজদায় যায়, তখন শয়তান কাঁদতে কাঁদতে দূরে সরে পড়ে এবং বলতে থাকে হায়! আমার দুর্ভাগ্য! ইবনু কুরায়বের বর্ণনায় রয়েছে, হায়রে, আমার দুর্ভাগ্য! বনী আদম সিজদার জন্য আদিষ্ট হলো। তারপর সে সাজদাহ করলো এবং এর বিনিময়ে তার জন্য জান্নাত নির্ধারিত হলো। আর আমাকে সিজদার জন্য আদেশ করা হলো, কিন্তু আমি তা অস্বীকার করলাম, ফলে আমার জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত হলো।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮১

সাধারণ অবস্থায় সিজদার আয়াত পড়ার পর দোয়া

সাধারণ অবস্থায় সিজদার আয়াত পড়ার পর দোয়া

নবী (ﷺ) একটি সিজদার আয়াত পড়ে সিজদায় গিয়ে এই দোয়া করেন -

اَللَّهُمَّ اكْتُبْ لِي بِهَا عِنْدَكَ أَجْرًا، وَضَعْ عَنِّي بِهَا وِزْرًا، وَاجْعَلْهَا لِي عِنْدَكَ ذُخْرًا، وَتَقَبَّلْهَا مِنِّي كَمَا تَقَبَّلْتَهَا مِنْ عَبْدِكَ دَاوُدَ

আল্লা-হুম্মাক্‌তুব লী বিহা- ‘ইনদাকা আজ্‌রান, ওয়াদ্বা’অ্‌ ‘আন্নী বিহা- উইঝ‌রান, ওয়াজ্‌’আল্‌হা- লী 'ইন্‌দাকা যুখ্‌রান, ওয়া তাক্বাব্বাল্‌হা- মিন্নী কামা- তাক্বাব্বাল্‌তাহা- মিন ‘আব্‌দিকা দাঊদ

হে আল্লাহ্‌! এই সাজদাহ্‌র বিনিময়ে তোমার কাছে আমার জন্য সাওয়াব নির্ধারণ করে রাখ, এর বিনিময়ে আমার একটি গুনাহ দূর করো, এটাকে তোমার কাছে আমার জন্য সঞ্চয় হিসেবে জমা রাখ এবং এটা আমার নিকট হতে গ্রহণ করে নাও, যেভাবে তুমি তোমার বান্দা দাঊদ (আঃ)-এর নিকট গ্রহণ করেছিলে।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৫৭৯

নবী (ﷺ) একটি সিজদার আয়াত পড়ে সিজদায় গিয়ে এই দোয়া করেন -

اَللَّهُمَّ اكْتُبْ لِي بِهَا عِنْدَكَ أَجْرًا، وَضَعْ عَنِّي بِهَا وِزْرًا، وَاجْعَلْهَا لِي عِنْدَكَ ذُخْرًا، وَتَقَبَّلْهَا مِنِّي كَمَا تَقَبَّلْتَهَا مِنْ عَبْدِكَ دَاوُدَ

হে আল্লাহ্‌! এই সাজদাহ্‌র বিনিময়ে তোমার কাছে আমার জন্য সাওয়াব নির্ধারণ করে রাখ, এর বিনিময়ে আমার একটি গুনাহ দূর করো, এটাকে তোমার কাছে আমার জন্য সঞ্চয় হিসেবে জমা রাখ এবং এটা আমার নিকট হতে গ্রহণ করে নাও, যেভাবে তুমি তোমার বান্দা দাঊদ (আঃ)-এর নিকট গ্রহণ করেছিলে।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৫৭৯

সিজদার আয়াত পড়ে সিজদায় গিয়ে দোয়া #১

সিজদার আয়াত পড়ে সিজদায় গিয়ে দোয়া #১

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রাতে সিজদার আয়াত পড়লে, সিজদায় গিয়ে বলতেন -

سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ بِحَوْلِهِ وَقُوَّتِهِ

সাজাদা ওয়াজ্‌হিয়া লিল্লাযী খালাক্বাহূ ওয়া শাক্কা সাম‘আহূ ওয়া বাস্বারাহূ বি'হাউ্লিহী ওয়া ক্বুওয়্যাতিহ্

আমার চেহারা তাঁর উদ্দেশে সিজদায় অবনত, যিনি একে সৃষ্টি করেছেন এবং কান ও চোখ খুলে দিয়েছেন। তাঁর নিজের অপার ক্ষমতাবলে।

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিযিঃ ৫৮০

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রাতে সিজদার আয়াত পড়লে, সিজদায় গিয়ে বলতেন -

سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ بِحَوْلِهِ وَقُوَّتِهِ

আমার চেহারা তাঁর উদ্দেশে সিজদায় অবনত, যিনি একে সৃষ্টি করেছেন এবং কান ও চোখ খুলে দিয়েছেন। তাঁর নিজের অপার ক্ষমতাবলে।

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিযিঃ ৫৮০

সিজদার আয়াত পড়ে সিজদায় গিয়ে দোয়া #২

সিজদার আয়াত পড়ে সিজদায় গিয়ে দোয়া #২

سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ بِحَوْلِهِ وَقُوَّتِهِ، فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ

সাজাদা ওয়াজহিয়া লিল্লাযী খালাক্বাহু, ওয়া শাক্কা সাম্‘আহু ওয়া বাসারাহু, বি'হাওলিহি ওয়া ক্বুওয়্যাতিহি, ফাতাবা-রাকাল্লা-হু আ'হ্‌সানুল খা-লিক্বীন

আমার মুখমণ্ডল সিজদা করেছে সে সত্ত্বার জন্য, যিনি একে সৃষ্টি করেছেন, আর নিজ শক্তি ও ক্ষমতাবলে এর কান ও চোখ বিদীর্ণ করেছেন। সুতরাং সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ্‌ অত্যন্ত বরকতময়।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪২৫, আর বাড়তি অংশটুকু তাঁরই। আয়াতটুকু সূরা আল-মুমিনূন এর ১৪ নং আয়াত।

سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ بِحَوْلِهِ وَقُوَّتِهِ، فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ

আমার মুখমণ্ডল সিজদা করেছে সে সত্ত্বার জন্য, যিনি একে সৃষ্টি করেছেন, আর নিজ শক্তি ও ক্ষমতাবলে এর কান ও চোখ বিদীর্ণ করেছেন। সুতরাং সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ্‌ অত্যন্ত বরকতময়।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪২৫, আর বাড়তি অংশটুকু তাঁরই। আয়াতটুকু সূরা আল-মুমিনূন এর ১৪ নং আয়াত।

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 তাশাহুদ বা বৈঠকের দোয়া

📄 তাশাহুদ বা বৈঠকের দোয়া


তাশাহুদ (আত-তাহিয়্যাত)

তাশাহুদ (আত-তাহিয়্যাত)

اَلتَّحِيَّاتُ لِلَّهِ، وَالصَّلَوَاتُ، وَالطَّيِّبَاتُ، اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ

আত্তাহিয়্যা-তু লিল্লা-হি ওয়াস্‌সালাওয়া-তু ওয়াত্তায়্যিবা-তু আস্‌সালা-মু ‘আলাইকা আইয়্যূহান নাবিয়্যূ ওয়া রা'হমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহু। আস্‌সালা-মু ‘আলাইনা- ওয়া ‘আলা ‘ইবা-দিল্লা-হিস সা-লিহীন। আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু

সমস্ত মৌখিক, দৈহিক ও আর্থিক ইবাদত আল্লাহ্‌র জন্য। হে নবী! আপনার প্রতি সালাম এবং আল্লাহ্‌র রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। সালাম আমাদের প্রতি এবং আল্লাহ্‌র নেক বান্দাগণের প্রতি। আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কোন মাবূদ নাই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহ্‌র বান্দা ও রাসূল।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৩৮১

বিভিন্ন সাহাবী থেকে (বিভিন্ন শব্দে) তাশাহুদ বর্ণিত হয়েছে। ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) এর পেছনে সালাত আদায়ের সময় বসলে বলতাম: আল্লাহ্‌র উপর সালাম। রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) একদিন আমাদেরকে বললেন: আল্লাহ্‌ই হচ্ছেন সালাম (কাজেই, তাঁকে সালাম প্রদান করা ঠিক নয়)। অতএব, তোমরা যখন সালাতের মধ্যে বসবে তখন বলবে: (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَلتَّحِيَّاتُ لِلَّهِ، وَالصَّلَوَاتُ، وَالطَّيِّبَاتُ، اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ

সমস্ত মৌখিক, দৈহিক ও আর্থিক ইবাদত আল্লাহ্‌র জন্য। হে নবী! আপনার প্রতি সালাম এবং আল্লাহ্‌র রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। সালাম আমাদের প্রতি এবং আল্লাহ্‌র নেক বান্দাগণের প্রতি। আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কোন মাবূদ নাই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহ্‌র বান্দা ও রাসূল।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৩৮১

তাশাহুদ #১

তাশাহুদ #১

اَلتَّحِيَّاتُ الْمُبَارَكَاتُ الصَّلَوَاتُ الطَّيِّبَاتُ لِلَّهِ اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ

আত্তাহিয়্যা-তুল মুবা’রাকাতুস্‌ সালাওয়া-তু ত্বয়্যিবা-তু লিল্লাহি, আস্‌সালা-মু ‘আলাইকা আইয়্যূহান নাবিয়্যূ ওয়া রাহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহু। আস্‌সালা-মু ‘আলাইনা ওয়া ‘আলা ‘ইবাদিল্লা-হিস সা-লিহীন। আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লা-হ।

বরকতময় মৌখিক ইবাদত, পবিত্র দৈহিক ইবাদত (সব) আল্লাহ তা’আলার জন্য। হে নবী, আপনার প্রতি আল্লাহ তা’আলার শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হােক। শান্তি বর্ষিত হােক আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎ বান্দাদের উপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ তা’আলা ছাড়া সত্য কোনাে মাবুদ নেই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর রাসূল।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪০৩

اَلتَّحِيَّاتُ الْمُبَارَكَاتُ الصَّلَوَاتُ الطَّيِّبَاتُ لِلَّهِ اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ

বরকতময় মৌখিক ইবাদত, পবিত্র দৈহিক ইবাদত (সব) আল্লাহ তা’আলার জন্য। হে নবী, আপনার প্রতি আল্লাহ তা’আলার শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হােক। শান্তি বর্ষিত হােক আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎ বান্দাদের উপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ তা’আলা ছাড়া সত্য কোনাে মাবুদ নেই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর রাসূল।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪০৩

তাশাহুদ #২

তাশাহুদ #২

اَلتَّحِيَّاتُ لِلَّهِ اَلزَّاكِيَاتُ لِلَّهِ، اَلطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَتُ لِلَّهِ، اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهٗ، اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلٰى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ ورَسُولُهُ

আত্তাহিয়্যা-তু লিল্লা-হি আয্‌-যাকিয়াতু লিল্লা-হি, আত্‌-তায়্যিবাতুস্‌ সালাওয়া-তু লিল্লা-হি, আস্‌সালা-মু ‘আলাইকা আইয়্যূহান নাবিয়্যূ ওয়া রাহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহু। আস্‌সালা-মু ‘আলাইনা ওয়া ‘আলা ‘ইবাদিল্লা-হিস সা-লিহীন। আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।

সকল মৌখিক ইবাদত আল্লাহ তা’আলার জন্য। সকল পবিত্র আমল আল্লাহ তা’আলার জন্য। সকল শারীরিক ও আর্থিক ইবাদতও আল্লাহ তা’আলার জন্য। হে নবী, আপনার প্রতি আল্লাহ তা’আলার শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হােক। শান্তি বর্ষিত হােক আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎ বান্দাদের উপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ তা’আলা ছাড়া সত্য কোনাে মাবুদ নেই। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।

রেফারেন্স: সহিহ। সিফাতুস স্বলাহ, পৃঃ ১৬৩

اَلتَّحِيَّاتُ لِلَّهِ اَلزَّاكِيَاتُ لِلَّهِ، اَلطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَتُ لِلَّهِ، اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهٗ، اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلٰى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ ورَسُولُهُ

সকল মৌখিক ইবাদত আল্লাহ তা’আলার জন্য। সকল পবিত্র আমল আল্লাহ তা’আলার জন্য। সকল শারীরিক ও আর্থিক ইবাদতও আল্লাহ তা’আলার জন্য। হে নবী, আপনার প্রতি আল্লাহ তা’আলার শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হােক। শান্তি বর্ষিত হােক আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎ বান্দাদের উপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ তা’আলা ছাড়া সত্য কোনাে মাবুদ নেই। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।

রেফারেন্স: সহিহ। সিফাতুস স্বলাহ, পৃঃ ১৬৩

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি দরূদ (শেষ বৈঠক)

📄 রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি দরূদ (শেষ বৈঠক)


তাশাহুদের পর নবী (ﷺ)-এর জন্য দরুদ পাঠ #১

তাশাহুদের পর নবী (ﷺ)-এর জন্য দরুদ পাঠ #১

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ اَللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ

আল্লা-হুম্মা সাল্লি ‘আলা- মুহাম্মাদিউ ওয়া ‘আলা- আ-লি মুহাম্মাদিন কামা- সাল্লাইতা ‘আলা- ইব্রাহীমা ওয়া ‘আলা- আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লা-হুম্মা বা-রিক ‘আলা- মুহাম্মাদিউ ওয়া ‘আলা- আ-লি মুহাম্মাদিন, কামা- বা-রাকতা ‘আলা- ইব্রাহীমা ওয়া ‘আলা- আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা 'হামীদুম্ মাজীদ

হে আল্লাহ্‌! তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ) ও তাঁর পরিবারবর্গের উপর রহমত বর্ষণ করো, যেভাবে রহমত বর্ষণ করেছো ইবরাহীম (আঃ) ও তাঁর পরিবারবর্গের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত। হে আল্লাহ্‌! বরকত অবতীর্ণ করো মুহাম্মাদ (ﷺ) ও তাঁর পরিবারবর্গের উপর, যেভাবে তুমি বরকত নাযিল করেছো ইবরাহীম (আঃ) ও তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত’।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৭০

কা‘ব্ ইবনু ‘উজ্‌রহ্‌ (রাঃ) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনাদের উপর অর্থাৎ আহলে বাইতের উপর কিভাবে দরুদ পাঠ করতে হবে? কেননা, আল্লাহ্‌ তো (কেবল) আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন, আমরা কিভাবে আপনার উপর সালাম করব। তিনি (ﷺ) বললেন, তোমরা এভাবে বলো - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ اَللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ

হে আল্লাহ্‌! তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ) ও তাঁর পরিবারবর্গের উপর রহমত বর্ষণ করো, যেভাবে রহমত বর্ষণ করেছো ইবরাহীম (আঃ) ও তাঁর পরিবারবর্গের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত। হে আল্লাহ্‌! বরকত অবতীর্ণ করো মুহাম্মাদ (ﷺ) ও তাঁর পরিবারবর্গের উপর, যেভাবে তুমি বরকত নাযিল করেছো ইবরাহীম (আঃ) ও তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত’।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৭০

তাশাহুদের পর নবী (ﷺ)-এর জন্য দরুদ পাঠ #২

তাশাহুদের পর নবী (ﷺ)-এর জন্য দরুদ পাঠ #২

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ

আল্লা-হুম্মা সাল্লি ‘আলা- মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আঝওয়া-জিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা- সাল্লাইতা ‘আলা- আ-লি ইব্‌রাহীমা, ওয়া বা-রিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আঝওয়া-জিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা- বা-রাক্‌তা ‘আলা- আ-লি ইব্‌রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ

হে আল্লাহ্‌! শান্তি বর্ষণ করো মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর, এবং তাঁর স্ত্রী ও বংশধরদের উপর, যেভাবে শান্তি বর্ষণ করেছো ইবরাহীম (আঃ)-এর পরিবারের উপর আর অনুগ্রহ বর্ষণ করো মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর, এবং তাঁর স্ত্রী ও বংশধরদের উপর, যেভাবে অনুগ্রহ বর্ষণ করেছো ইবরাহীম (আঃ)-এর পরিবারের উপর তুমি প্রশংসিত, মহিমান্বিত।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৬৯

আবূ হামিদ সাইদি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তারা জিজ্ঞাসা করেন, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)! আমরা আপনার জন্য কীভাবে দরুদ পাঠ করব?” তখন নবী (ﷺ) বলেন, তোমরা বলো - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে )

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ

হে আল্লাহ্‌! শান্তি বর্ষণ করো মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর, এবং তাঁর স্ত্রী ও বংশধরদের উপর, যেভাবে শান্তি বর্ষণ করেছো ইবরাহীম (আঃ)-এর পরিবারের উপর আর অনুগ্রহ বর্ষণ করো মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর, এবং তাঁর স্ত্রী ও বংশধরদের উপর, যেভাবে অনুগ্রহ বর্ষণ করেছো ইবরাহীম (আঃ)-এর পরিবারের উপর তুমি প্রশংসিত, মহিমান্বিত।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৬৯

ফন্ট সাইজ
15px
17px