📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 সিজদায় পঠিতব্য দোয়া সমূহ

📄 সিজদায় পঠিতব্য দোয়া সমূহ


সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করা

সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করা

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মানুষ সিজদায় সবচেয়ে বেশী তার প্রতিপালকের নিকটে হয়। অতএব তোমরা সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করো।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৮২

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মানুষ সিজদায় সবচেয়ে বেশী তার প্রতিপালকের নিকটে হয়। অতএব তোমরা সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করো।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৮২

সিজদায় কুরআন পড়তে নিষেধ

সিজদায় কুরআন পড়তে নিষেধ

ইবনু ‘আব্বাস্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমাকে রুকূ ও সিজদায় কুরআন পড়তে নিষেধ করা হয়েছে। তবে রুকূতে তোমরা আল্লাহ্‌র বড়ত্ব বর্ণনা করো। আর সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করো। তোমাদের দোয়া ক্ববুলের জন্য সিজদাহ্ উপযুক্ত স্থান’। [১]

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৯

উপরোক্ত হাদীসদ্বয় দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করতে হবে এবং সিজদায় যে দোয়া করা হয়, তা কবুল হয়। অতএব, কুরআনের দোয়া ব্যতীত হাদীসের যে কোন দোয়া করা যায়। রুকূ-সিজদায় কুরআনী কোন দোয়া পড়া যাবে না।

ইবনু ‘আব্বাস্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমাকে রুকূ ও সিজদায় কুরআন পড়তে নিষেধ করা হয়েছে। তবে রুকূতে তোমরা আল্লাহ্‌র বড়ত্ব বর্ণনা করো। আর সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করো। তোমাদের দোয়া ক্ববুলের জন্য সিজদাহ্ উপযুক্ত স্থান’। [১]

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৯

ধীরস্থিরভাবে সিজদার গুরুত্ব

ধীরস্থিরভাবে সিজদার গুরুত্ব

কাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, সবচেয়ে নিকৃষ্ট চোর সে যে সালাত চুরি করে। সাহাবীগণ বললেন, কিভাবে সালাত চুরি করে? রাসূল (ﷺ) বললেন, যে তার রুকূ-সিজদা পূর্ণ করে না।

রেফারেন্স: সহিহ। মিশকাতঃ ৮৮৫

কাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, সবচেয়ে নিকৃষ্ট চোর সে যে সালাত চুরি করে। সাহাবীগণ বললেন, কিভাবে সালাত চুরি করে? রাসূল (ﷺ) বললেন, যে তার রুকূ-সিজদা পূর্ণ করে না।

রেফারেন্স: সহিহ। মিশকাতঃ ৮৮৫

সিজদার দোয়া সমূহ #১

সিজদার দোয়া সমূহ #১

কমপক্ষে তিনবার বলবে -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى

সুব্‌‘হা-না রাব্বিয়াল আ'লা-

মহাপবিত্র আমার প্রভু যিনি সর্বোচ্চ।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭২

মনের আবেগ নিয়ে এ ঘোষণা বার বার দিতে হবে। কমপক্ষে ৩ বার এ তাসবীহ পাঠ করা রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এর আচরিত ও নির্দেশিত কর্ম। অধিকাংশ বর্ণনায় “সুব্‌হানা রাব্বিয়াল আ‘লা” এবং কোনো কোনো হাদীসে “সুবাহানা রাব্বিয়াল আ‘লা ওয়া বিহামদিহী” বর্ণিত হয়েছে। রহমত বা দয়া সংক্রান্ত প্রত্যেকটি আয়াত পাঠ করার পরপর তিনি থেমে (আল্লাহ্‌র কাছে তা) চেয়েছেন, এবং শাস্তি সংক্রান্ত প্রত্যেকটি আয়াত শেষ করার পর থেমে (আল্লাহ্‌র কাছে তা থেকে) আশ্রয় চেয়েছেন।

কমপক্ষে তিনবার বলবে -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى

মহাপবিত্র আমার প্রভু যিনি সর্বোচ্চ।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭২

সিজদার দোয়া সমূহ #২

সিজদার দোয়া সমূহ #২

কমপক্ষে তিনবার বলবে -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى وَبِحَمْدِهِ

সুব্‌‘হা-না রাব্বিয়াল আ'লা- ওয়া বিহামদিহী

মহাপবিত্র আমার প্রভু যিনি সর্বোচ্চ এবং তার প্রশংসা-সহ।

রেফারেন্স: সনদ হাসান (শুয়াইব আরনা'ঊত)। আবু দাউদঃ ৮৭০

কমপক্ষে তিনবার বলবে -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى وَبِحَمْدِهِ

মহাপবিত্র আমার প্রভু যিনি সর্বোচ্চ এবং তার প্রশংসা-সহ।

রেফারেন্স: সনদ হাসান (শুয়াইব আরনা'ঊত)। আবু দাউদঃ ৮৭০

সিজদার দোয়া সমূহ #৩

সিজদার দোয়া সমূহ #৩

আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সিজদার মধ্যে বলতেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِيْ كُلَّهُ دِقَّهُ وَجِلَّهُ، وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، وَعَلَانِيَّتَهُ وَسِرَّهُ

আল্লা-হুম্মাগ্‌ ফির লী যাম্বী কুল্লাহু, দিক্কাহু ওয়া জিল্লাহু, ওয়া আউআলাহু ওয়া আ-খিরাহু, ওয়া ‘আলা-নিয়্যাতাহু ওয়া সিররাহু

হে আল্লাহ্‌, আপনি ক্ষমা করুন আমার সকল পাপ, ছোট পাপ, বড় পাপ, প্রথম পাপ, শেষ পাপ, প্রকাশ্য পাপ, গোপন পাপ।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৮৩

আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সিজদার মধ্যে বলতেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِيْ كُلَّهُ دِقَّهُ وَجِلَّهُ، وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، وَعَلَانِيَّتَهُ وَسِرَّهُ

হে আল্লাহ্‌, আপনি ক্ষমা করুন আমার সকল পাপ, ছোট পাপ, বড় পাপ, প্রথম পাপ, শেষ পাপ, প্রকাশ্য পাপ, গোপন পাপ।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৮৩

সিজদার দোয়া সমূহ #৪

সিজদার দোয়া সমূহ #৪

আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি এক রাতে রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-কে বিছানায় পেলাম না। (অন্ধকারে) আমি তাকে খুঁজলাম। তখন আমার হাত তার পায়ের তালুতে লাগল। তিনি তখন সিজদায় ছিলেন ও পা দুটি খাড়া ছিল। তিনি বলছিলেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْكَ، لَا أُحْصِيْ ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ'ঊযু বিরিদ্বা-কা মিন সাখাতিক, ওয়া বি মু'আ-ফা-তিকা মিন ‘উক্বুবাতিক, ওয়া আ‘উযু বিকা মিনকা, লা- উহসী ছানা-আন ‘আলাইকা। আনতা কামা- আছনাইতা ‘আলা- নাফসিক

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার ক্রোধ থেকে আপনার সন্তুষ্টির আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং আপনার শাস্তি থেকে আপনার ক্ষমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। এবং আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি আপনার কাছে আপনার থেকে। আমি আপনার প্রশংসা করে শেষ করতে পারি না। আপনি ঠিক তেমনি যেমন আপনি আপনার নিজের প্রশংসা করেছেন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৮৬, সহিহ। তিরমিযীঃ ৩৫৬৬

আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি এক রাতে রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-কে বিছানায় পেলাম না। (অন্ধকারে) আমি তাকে খুঁজলাম। তখন আমার হাত তার পায়ের তালুতে লাগল। তিনি তখন সিজদায় ছিলেন ও পা দুটি খাড়া ছিল। তিনি বলছিলেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْكَ، لَا أُحْصِيْ ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার ক্রোধ থেকে আপনার সন্তুষ্টির আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং আপনার শাস্তি থেকে আপনার ক্ষমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। এবং আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি আপনার কাছে আপনার থেকে। আমি আপনার প্রশংসা করে শেষ করতে পারি না। আপনি ঠিক তেমনি যেমন আপনি আপনার নিজের প্রশংসা করেছেন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৮৬, সহিহ। তিরমিযীঃ ৩৫৬৬

সিজদার দোয়া সমূহ #৫

সিজদার দোয়া সমূহ #৫

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাতের মধ্যে বা সিজদায় এ দোয়াটি বলেন -

اَللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِيْ نُورًا، وَفِي سَمْعِيْ نُورًا، وَفِي بَصَرِيْ نُورًا، وَعَنْ يَمِيْنِيْ نُورًا، وَعَنْ شِمَالِيْ نُورًا، وَأَمَامِيْ نُورًا، وَخَلْفِي نُورًا، وَفَوْقِيْ نُورًا، وَتَحْتِيْ نُورًا، وَاجْعَلْ لِي نُورًا (وَاجْعَلْنِيْ نُورًا)، وَاجْعَلْ فِي نَفْسِي نُورًا، (وَفِي عَصَبِيْ نُورًا، وَفِي لَحْمِي نُورًا، وَفِي دَمِيْ نُورًا، وَفِي شَعْرِيْ نُورًا، وَفِي بَشَرِيْ نُورًا)، اَللَّهُمَّ أَعْطِنِيْ نُورًا

আল্লা-হুম্মাজ্‌-‘আল ফী ক্বালবী নূরান, ওয়াফী সাম‘য়ী নূরান, ওয়াফী বাস্বারী নূরান, ওয়া ‘আন ইয়ামীনী নূরান, ওয়া ‘আন শিমা-লী নূরান, ওয়া আমা-মী নূরান, ওয়া খালফী নূরান, ওয়া ফাওক্বী নূরান, ওয়া তা'হ্‌তী নূরান, ওয়াজ্‌-‘আল লী নূরান (ওয়াজ্‌-‘আলনী নূরান), ওয়াজ্‌‘আল ফী নাফ্‌সী নূরান, (ওয়া ফী ‘আসাবী নূরান, ওয়াফী লাহ্‌মী নূরান, ওয়াফী দামী নূরান, ওয়াফী শা‘অ্‌রী নূরান, ওয়াফী বাশারী নূরান), আল্লা-হুম্মা, আ‘‌তিনী নূরান

হে আল্লাহ্‌ আপনি প্রদান করুন আমার অন্তরে নূর, আমার শ্রবণে নূর, আমার দৃষ্টিতে নূর, আমার ডানে নূর, আমার বামে নূর, আমার সামনে নূর, আমার পিছনে নূর, আমার উপরে নূর, আমার নিচে নূর, আপনি আমার জন্য নূর দান করুন, (আপনি আমাকে নূর বানিয়ে দিন)। প্রদান করুন আমার নফসে নূর, (আমার স্নায়ুতন্ত্রে নূর, আমার মাংসে নূর, আমার রক্তে নূর, আমার চুল-পশমে নূর, আমার চামড়ায় নূর)। হে আল্লাহ্‌ আমাকে প্রদান করুন নূর।

রেফারেন্স: সহিহ বুখারীঃ ৬৩১৬, সহিহ মুসলিমঃ ৭৬৩

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাতের মধ্যে বা সিজদায় এ দোয়াটি বলেন -

اَللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِيْ نُورًا، وَفِي سَمْعِيْ نُورًا، وَفِي بَصَرِيْ نُورًا، وَعَنْ يَمِيْنِيْ نُورًا، وَعَنْ شِمَالِيْ نُورًا، وَأَمَامِيْ نُورًا، وَخَلْفِي نُورًا، وَفَوْقِيْ نُورًا، وَتَحْتِيْ نُورًا، وَاجْعَلْ لِي نُورًا (وَاجْعَلْنِيْ نُورًا)، وَاجْعَلْ فِي نَفْسِي نُورًا، (وَفِي عَصَبِيْ نُورًا، وَفِي لَحْمِي نُورًا، وَفِي دَمِيْ نُورًا، وَفِي شَعْرِيْ نُورًا، وَفِي بَشَرِيْ نُورًا)، اَللَّهُمَّ أَعْطِنِيْ نُورًا

হে আল্লাহ্‌ আপনি প্রদান করুন আমার অন্তরে নূর, আমার শ্রবণে নূর, আমার দৃষ্টিতে নূর, আমার ডানে নূর, আমার বামে নূর, আমার সামনে নূর, আমার পিছনে নূর, আমার উপরে নূর, আমার নিচে নূর, আপনি আমার জন্য নূর দান করুন, (আপনি আমাকে নূর বানিয়ে দিন)। প্রদান করুন আমার নফসে নূর, (আমার স্নায়ুতন্ত্রে নূর, আমার মাংসে নূর, আমার রক্তে নূর, আমার চুল-পশমে নূর, আমার চামড়ায় নূর)। হে আল্লাহ্‌ আমাকে প্রদান করুন নূর।

রেফারেন্স: সহিহ বুখারীঃ ৬৩১৬, সহিহ মুসলিমঃ ৭৬৩

সিজদার দোয়া সমূহ #৬

সিজদার দোয়া সমূহ #৬

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي

সুবহা-নাকা আল্লা-হুম্মা রব্বানা ওয়াবিহামদিকা, আল্লা-হুম্মাগফির লী

হে আমাদের রব আল্লাহ্‌! তুমি ত্রুটিমুক্ত। প্রশংসা সবই তোমার। হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করে দাও। [১]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৭৯৪ [২] সূরা আন-নাসরঃ ১১০:৩

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী [২] আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রুকূ ও সিজদায় গিয়ে বেশি বেশি বলতেন - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي

হে আমাদের রব আল্লাহ্‌! তুমি ত্রুটিমুক্ত। প্রশংসা সবই তোমার। হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করে দাও। [১]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৭৯৪ [২] সূরা আন-নাসরঃ ১১০:৩

সিজদার দোয়া সমূহ #৭

সিজদার দোয়া সমূহ #৭

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রুকূ ও সিজদায় গিয়ে বলতেন -

سُبُّوحٌ، قُدُّوسٌ، رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ

সুব্বূহুন ক্বুদ্দূসুন রব্বুল মালা-ইকাতি ওয়াররূ'হ

(আল্লাহ্‌) পবিত্র, ত্রুটিমুক্ত, সকল ফেরেশতা ও জিবরীলের মনিব।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭২

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রুকূ ও সিজদায় গিয়ে বলতেন -

سُبُّوحٌ، قُدُّوسٌ، رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ

(আল্লাহ্‌) পবিত্র, ত্রুটিমুক্ত, সকল ফেরেশতা ও জিবরীলের মনিব।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭২

সিজদার দোয়া সমূহ #৮

সিজদার দোয়া সমূহ #৮

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) সিজদায় গিয়ে বলতেন -

اَللَّهُمَّ لَكَ سَجَدْتُ وَلَكَ أَسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَصَوَّرَهُ، فَأَحْسَنَ صُوْرَتَهُ وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ، تَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ

আল্লা-হুম্মা লাকা সাজাদ্‌তু ওয়া লাকা আসলামতু, ওয়াবিকা আ-মানতু, সাজাদা ওয়াজহিয়া লিল্লাযী খালাক্বাহু ওয়া সাওয়্যারাহু ফা-আ'হ্‌সানা সুও-রাতাহু ওয়া শাক্কা সাম‘আহু ওয়া বাসারাহু, তাবা-রাকাল্লাহু আহ্‌সানুল খা-লিক্বীন

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার উদ্দেশে সিজদা দিয়েছি, তোমার কাছে আত্মসমর্পণ করেছি। তোমার প্রতি ঈমান এনেছি, আমার চেহারা তাঁর উদ্দেশে সিজদায় অবনত, যিনি একে সৃষ্টি করে আকৃতি দিয়েছেন, এর আকৃতিকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছেন, এবং তার কান ও চোখ খুলে দিয়েছেন। সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ্‌ অতি বরকতময়!'

রেফারেন্স: সহিহ। নাসায়ীঃ ১১২৬

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) সিজদায় গিয়ে বলতেন -

اَللَّهُمَّ لَكَ سَجَدْتُ وَلَكَ أَسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَصَوَّرَهُ، فَأَحْسَنَ صُوْرَتَهُ وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ، تَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার উদ্দেশে সিজদা দিয়েছি, তোমার কাছে আত্মসমর্পণ করেছি। তোমার প্রতি ঈমান এনেছি, আমার চেহারা তাঁর উদ্দেশে সিজদায় অবনত, যিনি একে সৃষ্টি করে আকৃতি দিয়েছেন, এর আকৃতিকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছেন, এবং তার কান ও চোখ খুলে দিয়েছেন। সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ্‌ অতি বরকতময়!'

রেফারেন্স: সহিহ। নাসায়ীঃ ১১২৬

সিজদার দোয়া সমূহ #৯

সিজদার দোয়া সমূহ #৯

سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوتِ، وَالْمَلَكُوتِ، وَالْكِبْرِيَاءِ، وَالْعَظَمَةِ

সুবহা-নাযিল জাবারূতি, ওয়াল মালাকুতি, ওয়াল কিবরিয়া-ই ওয়াল ‘আযামাহ

পবিত্র সেই সত্তা, যিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, সার্বভৌমত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্বের অধিকারী।

রেফারেন্স: হাসান। আবূ দাঊদঃ ৮৭৩

আউফ ইবনু মালিক আশজাঈ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি (একবার) আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে রাতের সালাতে দাঁড়িয়ে যাই। তিনি (সালাতে) দাড়িয়ে সূরা আল-বাকারাহ্ পাঠ করেন। রহমত বা দয়া সংক্রান্ত কোনও আয়াত অতিক্রম করার পরপরই তিনি থেমে (আল্লাহ্‌র কাছে তা) চান, এবং শাস্তি সংক্রান্ত প্রত্যেকটি আয়াত শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে তিনি থেমে (আল্লাহ্‌র কাছে তা থেকে) আশ্রয় চান। এরপর, যেটুকু সময় দাঁড়িয়ে ছিলেন, ততটুকু সময় ধরে রুকূতে থাকেন। এরপর তিনি সিজদায় গিয়ে ততক্ষণ থাকেন, যতক্ষণ তিনি রুকূতে ছিলেন। সিজদায় তিনি বলেন - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوتِ، وَالْمَلَكُوتِ، وَالْكِبْرِيَاءِ، وَالْعَظَمَةِ

পবিত্র সেই সত্তা, যিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, সার্বভৌমত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্বের অধিকারী।

রেফারেন্স: হাসান। আবূ দাঊদঃ ৮৭৩

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 দুই সিজদার মধ্যবর্তী দোয়া সমূহ

📄 দুই সিজদার মধ্যবর্তী দোয়া সমূহ


দুই সিজদার মধ্যবর্তী দোয়া #১

দুই সিজদার মধ্যবর্তী দোয়া #১

رَبِّ اغْفِرْ لِي، رَبِّ اغْفِرْ لِي

রাব্বিগ্‌-ফিরলী, রাব্বিগ্-ফিরলী

হে প্রভু আমাকে ক্ষমা করুন, হে প্রভু আমাকে ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭৪

হুযাইফা (রাঃ) বলেন, নবীজী (ﷺ) দু'সিজদার মাঝে বসে উপরের দোয়াটি বলতেন।

رَبِّ اغْفِرْ لِي، رَبِّ اغْفِرْ لِي

হে প্রভু আমাকে ক্ষমা করুন, হে প্রভু আমাকে ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭৪

দুই সিজদার মধ্যবর্তী দোয়া #২

দুই সিজদার মধ্যবর্তী দোয়া #২

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَعَافِنِي وَاهْدِنِي وَارْزُقْنِي

আল্লা-হুম্মাগফিরলী, ওয়ারহামনী, ওয়া ‘আ-ফিনী, ওয়াহদিনী, ওয়ারঝুক্বনী

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাকে ক্ষমা করো, আমার প্রতি রহম করো, আমাকে সুস্থতা দান করো, সঠিক পথে পরিচালিত করো এবং রিযিক দান করো।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৮৪, হাসান। আবু দাউদঃ ৮৫০

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) 'দু সিজদার মাঝে বসে এ দোয়া বলতেন।

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَعَافِنِي وَاهْدِنِي وَارْزُقْنِي

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাকে ক্ষমা করো, আমার প্রতি রহম করো, আমাকে সুস্থতা দান করো, সঠিক পথে পরিচালিত করো এবং রিযিক দান করো।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৮৪, হাসান। আবু দাউদঃ ৮৫০

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 সিজদার আয়াত পড়ে সিজদা দেওয়ার মহত্ত্ব

📄 সিজদার আয়াত পড়ে সিজদা দেওয়ার মহত্ত্ব


সিজদার আয়াত পড়ে সিজদা দেওয়া

সিজদার আয়াত পড়ে সিজদা দেওয়া

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মানুষ যখন সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সাজদায় যায়, তখন শয়তান কাঁদতে কাঁদতে দূরে সরে পড়ে এবং বলতে থাকে হায়! আমার দুর্ভাগ্য! ইবনু কুরায়বের বর্ণনায় রয়েছে, হায়রে, আমার দুর্ভাগ্য! বনী আদম সিজদার জন্য আদিষ্ট হলো। তারপর সে সাজদাহ করলো এবং এর বিনিময়ে তার জন্য জান্নাত নির্ধারিত হলো। আর আমাকে সিজদার জন্য আদেশ করা হলো, কিন্তু আমি তা অস্বীকার করলাম, ফলে আমার জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত হলো।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮১

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মানুষ যখন সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সাজদায় যায়, তখন শয়তান কাঁদতে কাঁদতে দূরে সরে পড়ে এবং বলতে থাকে হায়! আমার দুর্ভাগ্য! ইবনু কুরায়বের বর্ণনায় রয়েছে, হায়রে, আমার দুর্ভাগ্য! বনী আদম সিজদার জন্য আদিষ্ট হলো। তারপর সে সাজদাহ করলো এবং এর বিনিময়ে তার জন্য জান্নাত নির্ধারিত হলো। আর আমাকে সিজদার জন্য আদেশ করা হলো, কিন্তু আমি তা অস্বীকার করলাম, ফলে আমার জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত হলো।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮১

সাধারণ অবস্থায় সিজদার আয়াত পড়ার পর দোয়া

সাধারণ অবস্থায় সিজদার আয়াত পড়ার পর দোয়া

নবী (ﷺ) একটি সিজদার আয়াত পড়ে সিজদায় গিয়ে এই দোয়া করেন -

اَللَّهُمَّ اكْتُبْ لِي بِهَا عِنْدَكَ أَجْرًا، وَضَعْ عَنِّي بِهَا وِزْرًا، وَاجْعَلْهَا لِي عِنْدَكَ ذُخْرًا، وَتَقَبَّلْهَا مِنِّي كَمَا تَقَبَّلْتَهَا مِنْ عَبْدِكَ دَاوُدَ

আল্লা-হুম্মাক্‌তুব লী বিহা- ‘ইনদাকা আজ্‌রান, ওয়াদ্বা’অ্‌ ‘আন্নী বিহা- উইঝ‌রান, ওয়াজ্‌’আল্‌হা- লী 'ইন্‌দাকা যুখ্‌রান, ওয়া তাক্বাব্বাল্‌হা- মিন্নী কামা- তাক্বাব্বাল্‌তাহা- মিন ‘আব্‌দিকা দাঊদ

হে আল্লাহ্‌! এই সাজদাহ্‌র বিনিময়ে তোমার কাছে আমার জন্য সাওয়াব নির্ধারণ করে রাখ, এর বিনিময়ে আমার একটি গুনাহ দূর করো, এটাকে তোমার কাছে আমার জন্য সঞ্চয় হিসেবে জমা রাখ এবং এটা আমার নিকট হতে গ্রহণ করে নাও, যেভাবে তুমি তোমার বান্দা দাঊদ (আঃ)-এর নিকট গ্রহণ করেছিলে।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৫৭৯

নবী (ﷺ) একটি সিজদার আয়াত পড়ে সিজদায় গিয়ে এই দোয়া করেন -

اَللَّهُمَّ اكْتُبْ لِي بِهَا عِنْدَكَ أَجْرًا، وَضَعْ عَنِّي بِهَا وِزْرًا، وَاجْعَلْهَا لِي عِنْدَكَ ذُخْرًا، وَتَقَبَّلْهَا مِنِّي كَمَا تَقَبَّلْتَهَا مِنْ عَبْدِكَ دَاوُدَ

হে আল্লাহ্‌! এই সাজদাহ্‌র বিনিময়ে তোমার কাছে আমার জন্য সাওয়াব নির্ধারণ করে রাখ, এর বিনিময়ে আমার একটি গুনাহ দূর করো, এটাকে তোমার কাছে আমার জন্য সঞ্চয় হিসেবে জমা রাখ এবং এটা আমার নিকট হতে গ্রহণ করে নাও, যেভাবে তুমি তোমার বান্দা দাঊদ (আঃ)-এর নিকট গ্রহণ করেছিলে।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৫৭৯

সিজদার আয়াত পড়ে সিজদায় গিয়ে দোয়া #১

সিজদার আয়াত পড়ে সিজদায় গিয়ে দোয়া #১

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রাতে সিজদার আয়াত পড়লে, সিজদায় গিয়ে বলতেন -

سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ بِحَوْلِهِ وَقُوَّتِهِ

সাজাদা ওয়াজ্‌হিয়া লিল্লাযী খালাক্বাহূ ওয়া শাক্কা সাম‘আহূ ওয়া বাস্বারাহূ বি'হাউ্লিহী ওয়া ক্বুওয়্যাতিহ্

আমার চেহারা তাঁর উদ্দেশে সিজদায় অবনত, যিনি একে সৃষ্টি করেছেন এবং কান ও চোখ খুলে দিয়েছেন। তাঁর নিজের অপার ক্ষমতাবলে।

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিযিঃ ৫৮০

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রাতে সিজদার আয়াত পড়লে, সিজদায় গিয়ে বলতেন -

سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ بِحَوْلِهِ وَقُوَّتِهِ

আমার চেহারা তাঁর উদ্দেশে সিজদায় অবনত, যিনি একে সৃষ্টি করেছেন এবং কান ও চোখ খুলে দিয়েছেন। তাঁর নিজের অপার ক্ষমতাবলে।

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিযিঃ ৫৮০

সিজদার আয়াত পড়ে সিজদায় গিয়ে দোয়া #২

সিজদার আয়াত পড়ে সিজদায় গিয়ে দোয়া #২

سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ بِحَوْلِهِ وَقُوَّتِهِ، فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ

সাজাদা ওয়াজহিয়া লিল্লাযী খালাক্বাহু, ওয়া শাক্কা সাম্‘আহু ওয়া বাসারাহু, বি'হাওলিহি ওয়া ক্বুওয়্যাতিহি, ফাতাবা-রাকাল্লা-হু আ'হ্‌সানুল খা-লিক্বীন

আমার মুখমণ্ডল সিজদা করেছে সে সত্ত্বার জন্য, যিনি একে সৃষ্টি করেছেন, আর নিজ শক্তি ও ক্ষমতাবলে এর কান ও চোখ বিদীর্ণ করেছেন। সুতরাং সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ্‌ অত্যন্ত বরকতময়।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪২৫, আর বাড়তি অংশটুকু তাঁরই। আয়াতটুকু সূরা আল-মুমিনূন এর ১৪ নং আয়াত।

سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ بِحَوْلِهِ وَقُوَّتِهِ، فَتَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ

আমার মুখমণ্ডল সিজদা করেছে সে সত্ত্বার জন্য, যিনি একে সৃষ্টি করেছেন, আর নিজ শক্তি ও ক্ষমতাবলে এর কান ও চোখ বিদীর্ণ করেছেন। সুতরাং সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ্‌ অত্যন্ত বরকতময়।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪২৫, আর বাড়তি অংশটুকু তাঁরই। আয়াতটুকু সূরা আল-মুমিনূন এর ১৪ নং আয়াত।

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 তাশাহুদ বা বৈঠকের দোয়া

📄 তাশাহুদ বা বৈঠকের দোয়া


তাশাহুদ (আত-তাহিয়্যাত)

তাশাহুদ (আত-তাহিয়্যাত)

اَلتَّحِيَّاتُ لِلَّهِ، وَالصَّلَوَاتُ، وَالطَّيِّبَاتُ، اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ

আত্তাহিয়্যা-তু লিল্লা-হি ওয়াস্‌সালাওয়া-তু ওয়াত্তায়্যিবা-তু আস্‌সালা-মু ‘আলাইকা আইয়্যূহান নাবিয়্যূ ওয়া রা'হমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহু। আস্‌সালা-মু ‘আলাইনা- ওয়া ‘আলা ‘ইবা-দিল্লা-হিস সা-লিহীন। আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু

সমস্ত মৌখিক, দৈহিক ও আর্থিক ইবাদত আল্লাহ্‌র জন্য। হে নবী! আপনার প্রতি সালাম এবং আল্লাহ্‌র রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। সালাম আমাদের প্রতি এবং আল্লাহ্‌র নেক বান্দাগণের প্রতি। আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কোন মাবূদ নাই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহ্‌র বান্দা ও রাসূল।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৩৮১

বিভিন্ন সাহাবী থেকে (বিভিন্ন শব্দে) তাশাহুদ বর্ণিত হয়েছে। ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) এর পেছনে সালাত আদায়ের সময় বসলে বলতাম: আল্লাহ্‌র উপর সালাম। রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) একদিন আমাদেরকে বললেন: আল্লাহ্‌ই হচ্ছেন সালাম (কাজেই, তাঁকে সালাম প্রদান করা ঠিক নয়)। অতএব, তোমরা যখন সালাতের মধ্যে বসবে তখন বলবে: (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَلتَّحِيَّاتُ لِلَّهِ، وَالصَّلَوَاتُ، وَالطَّيِّبَاتُ، اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ

সমস্ত মৌখিক, দৈহিক ও আর্থিক ইবাদত আল্লাহ্‌র জন্য। হে নবী! আপনার প্রতি সালাম এবং আল্লাহ্‌র রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। সালাম আমাদের প্রতি এবং আল্লাহ্‌র নেক বান্দাগণের প্রতি। আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কোন মাবূদ নাই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহ্‌র বান্দা ও রাসূল।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৩৮১

তাশাহুদ #১

তাশাহুদ #১

اَلتَّحِيَّاتُ الْمُبَارَكَاتُ الصَّلَوَاتُ الطَّيِّبَاتُ لِلَّهِ اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ

আত্তাহিয়্যা-তুল মুবা’রাকাতুস্‌ সালাওয়া-তু ত্বয়্যিবা-তু লিল্লাহি, আস্‌সালা-মু ‘আলাইকা আইয়্যূহান নাবিয়্যূ ওয়া রাহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহু। আস্‌সালা-মু ‘আলাইনা ওয়া ‘আলা ‘ইবাদিল্লা-হিস সা-লিহীন। আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লা-হ।

বরকতময় মৌখিক ইবাদত, পবিত্র দৈহিক ইবাদত (সব) আল্লাহ তা’আলার জন্য। হে নবী, আপনার প্রতি আল্লাহ তা’আলার শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হােক। শান্তি বর্ষিত হােক আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎ বান্দাদের উপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ তা’আলা ছাড়া সত্য কোনাে মাবুদ নেই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর রাসূল।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪০৩

اَلتَّحِيَّاتُ الْمُبَارَكَاتُ الصَّلَوَاتُ الطَّيِّبَاتُ لِلَّهِ اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ

বরকতময় মৌখিক ইবাদত, পবিত্র দৈহিক ইবাদত (সব) আল্লাহ তা’আলার জন্য। হে নবী, আপনার প্রতি আল্লাহ তা’আলার শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হােক। শান্তি বর্ষিত হােক আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎ বান্দাদের উপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ তা’আলা ছাড়া সত্য কোনাে মাবুদ নেই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর রাসূল।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪০৩

তাশাহুদ #২

তাশাহুদ #২

اَلتَّحِيَّاتُ لِلَّهِ اَلزَّاكِيَاتُ لِلَّهِ، اَلطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَتُ لِلَّهِ، اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهٗ، اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلٰى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ ورَسُولُهُ

আত্তাহিয়্যা-তু লিল্লা-হি আয্‌-যাকিয়াতু লিল্লা-হি, আত্‌-তায়্যিবাতুস্‌ সালাওয়া-তু লিল্লা-হি, আস্‌সালা-মু ‘আলাইকা আইয়্যূহান নাবিয়্যূ ওয়া রাহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহু। আস্‌সালা-মু ‘আলাইনা ওয়া ‘আলা ‘ইবাদিল্লা-হিস সা-লিহীন। আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।

সকল মৌখিক ইবাদত আল্লাহ তা’আলার জন্য। সকল পবিত্র আমল আল্লাহ তা’আলার জন্য। সকল শারীরিক ও আর্থিক ইবাদতও আল্লাহ তা’আলার জন্য। হে নবী, আপনার প্রতি আল্লাহ তা’আলার শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হােক। শান্তি বর্ষিত হােক আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎ বান্দাদের উপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ তা’আলা ছাড়া সত্য কোনাে মাবুদ নেই। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।

রেফারেন্স: সহিহ। সিফাতুস স্বলাহ, পৃঃ ১৬৩

اَلتَّحِيَّاتُ لِلَّهِ اَلزَّاكِيَاتُ لِلَّهِ، اَلطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَتُ لِلَّهِ، اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهٗ، اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلٰى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ ورَسُولُهُ

সকল মৌখিক ইবাদত আল্লাহ তা’আলার জন্য। সকল পবিত্র আমল আল্লাহ তা’আলার জন্য। সকল শারীরিক ও আর্থিক ইবাদতও আল্লাহ তা’আলার জন্য। হে নবী, আপনার প্রতি আল্লাহ তা’আলার শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হােক। শান্তি বর্ষিত হােক আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎ বান্দাদের উপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ তা’আলা ছাড়া সত্য কোনাে মাবুদ নেই। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।

রেফারেন্স: সহিহ। সিফাতুস স্বলাহ, পৃঃ ১৬৩

ফন্ট সাইজ
15px
17px