📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 রুকুর দোয়া সমূহ

📄 রুকুর দোয়া সমূহ


রুকূর দোয়া সমূহ #১

রুকূর দোয়া সমূহ #১

শাক্বীক্ব (রাঃ) বলেন, হুযায়ফাহ্ (রাঃ) একজন লোককে দেখলেন, সে ঠিকমত রুকূ-সিজদা করল না। সে ছালাত শেষ করলে তিনি তাকে ডাকলেন। অতঃপর তাকে বললেন, তুমি ছালাত আদায় করনি। শাক্বীক্ব বলেন, আমি মনে করছি তিনি তাকে বললেন, তুমি এখন মারা গেলে তোমার মরণ এমন নীতির উপর হবে যা মুহাম্মাদ (ﷺ) যে নীতিতে রয়েছেন তার চেয়ে ভিন্ন। [১] কাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, সবচেয়ে নিকৃষ্ট চোর সে যে ছালাত চুরি করে। ছাহাবীগণ বললেন, কিভাবে ছালাত চুরি করে? রাসূল (ﷺ) বললেন, যে তার রুকূ-সিজদা পূর্ণ করে না'। [২]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৭৯১ [২] সহিহ। মিশকাতঃ ৮৮৫

শাক্বীক্ব (রাঃ) বলেন, হুযায়ফাহ্ (রাঃ) একজন লোককে দেখলেন, সে ঠিকমত রুকূ-সিজদা করল না। সে ছালাত শেষ করলে তিনি তাকে ডাকলেন। অতঃপর তাকে বললেন, তুমি ছালাত আদায় করনি। শাক্বীক্ব বলেন, আমি মনে করছি তিনি তাকে বললেন, তুমি এখন মারা গেলে তোমার মরণ এমন নীতির উপর হবে যা মুহাম্মাদ (ﷺ) যে নীতিতে রয়েছেন তার চেয়ে ভিন্ন। [১] কাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, সবচেয়ে নিকৃষ্ট চোর সে যে ছালাত চুরি করে। ছাহাবীগণ বললেন, কিভাবে ছালাত চুরি করে? রাসূল (ﷺ) বললেন, যে তার রুকূ-সিজদা পূর্ণ করে না'। [২]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৭৯১ [২] সহিহ। মিশকাতঃ ৮৮৫

রুকূর দোয়া সমূহ #২

রুকূর দোয়া সমূহ #২

কমপক্ষে ৩ বার এ তাসবীহ পাঠ করা -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ

সুব‘হা-না রাব্বিয়াল ‘আযীম

মহাপবিত্র আমার মহান প্রভু।

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিযীঃ ২৬২

মনের আবেগ নিয়ে এ ঘোষণা বার বার দিতে হবে। কমপক্ষে ৩ বার এ তাসবীহ পাঠ করা রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এর আচরিত ও নির্দেশিত কর্ম। অধিকাংশ বর্ণনায় “সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম” এবং কোনো কোনো হাদীসে “সুবাহানা রাব্বিয়াল আযীম ওয়া বিহামদিহী” বর্ণিত হয়েছে।

কমপক্ষে ৩ বার এ তাসবীহ পাঠ করা -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ

মহাপবিত্র আমার মহান প্রভু।

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিযীঃ ২৬২

রুকূর দোয়া সমূহ #৩

রুকূর দোয়া সমূহ #৩

কমপক্ষে ৩ বার এ তাসবীহ পাঠ করা -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ

সুব‘হা-না রাব্বিয়াল ‘আযীম ওয়া বিহামদিহী

আমি আমার মহান প্রভুর প্রশংসা-সহ পবিত্রতা বর্ণনা করছি।

রেফারেন্স: সনদ হাসান (শুয়াইব আরনা'ঊত)। আবু দাউদঃ ৮৭০

কমপক্ষে ৩ বার এ তাসবীহ পাঠ করা -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ

আমি আমার মহান প্রভুর প্রশংসা-সহ পবিত্রতা বর্ণনা করছি।

রেফারেন্স: সনদ হাসান (শুয়াইব আরনা'ঊত)। আবু দাউদঃ ৮৭০

রুকূর দোয়া সমূহ #৪

রুকূর দোয়া সমূহ #৪

سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوْحِ

সুব্বু‘হুন ক্বুদ্দুসুন রাব্বুল মালা-ইকাতি ওয়াররূ‘হ

মহাপবিত্র, মহামহিম, ফিরিশতাগণের এবং পবিত্ৰাত্মার প্রভু।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭২

আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) রুকু ও সিজদায় এটি পাঠ করতেন।

سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوْحِ

মহাপবিত্র, মহামহিম, ফিরিশতাগণের এবং পবিত্ৰাত্মার প্রভু।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭২

রুকূর দোয়া সমূহ #৫

রুকূর দোয়া সমূহ #৫

اَللَّهُمَّ لَكَ رَكَعْتُ وَبِكَ آمَنْتُ وَلَكَ أَسْلَمْتُ خَشَعَ لَكَ سَمْعِيْ وَبَصَرِيْ وَمُخِّيْ وَعِظَامِيْ وَعَصَبِيْ

আল্ল-হুম্মা লাকা রাকা'তু ওয়া বিকা আ-মানতু ওয়া লাকা আস্‌লামতু, খাশা‘আ লাকা সাম'ই ওয়া বাসারী ওয়া মুখ্‌খী ওয়া ‘ইযা-মী ওয়া ‘আসাবী

হে আল্লাহ্‌, আপনারই জন্য রুকু করেছি, এবং আপনার উপরেই ঈমান এনেছি এবং আপনারই কাছে সমর্পিত হয়েছি। ভক্তিতে অবনত হয়েছে আপনার জন্য আমার শ্রবণ, আমার দৃষ্টি, আমার মস্তিষ্ক, আমার অস্থি ও আমার স্নায়ুতন্ত্র।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৭৬০

আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) রুকুতে এ কথাগুলো বলতেন।

اَللَّهُمَّ لَكَ رَكَعْتُ وَبِكَ آمَنْتُ وَلَكَ أَسْلَمْتُ خَشَعَ لَكَ سَمْعِيْ وَبَصَرِيْ وَمُخِّيْ وَعِظَامِيْ وَعَصَبِيْ

হে আল্লাহ্‌, আপনারই জন্য রুকু করেছি, এবং আপনার উপরেই ঈমান এনেছি এবং আপনারই কাছে সমর্পিত হয়েছি। ভক্তিতে অবনত হয়েছে আপনার জন্য আমার শ্রবণ, আমার দৃষ্টি, আমার মস্তিষ্ক, আমার অস্থি ও আমার স্নায়ুতন্ত্র।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৭৬০

রুকূর দোয়া সমূহ #৬

রুকূর দোয়া সমূহ #৬

আউফ ইবনু মালিক আশজাঈ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) রুকূতে বলতেন -

سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوْتِ وَالْمَلَكُوْتِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْعَظَمَةِ

সুবহা-নাযিল জাবারূতি ওয়াল মালাকূতি ওয়াল কিবরিয়া-ই ওয়াল ‘আযামাহ

পবিত্র ওই সত্তা, যিনি সর্বময় ক্ষমতা, সার্বভৌমত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্বের অধিকারী।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭৩

এরপর তিনি সিজদায় গিয়ে ততক্ষণ থাকেন, যতক্ষণ তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন। সিজদায় তিনি একই দোয়া পড়েন। তারপর সিজদা থেকে উঠে সূরা আল ইমরান ও অন্যান্য সূরা পাঠ করেন।

আউফ ইবনু মালিক আশজাঈ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) রুকূতে বলতেন -

سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوْتِ وَالْمَلَكُوْتِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْعَظَمَةِ

পবিত্র ওই সত্তা, যিনি সর্বময় ক্ষমতা, সার্বভৌমত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্বের অধিকারী।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭৩

রুকূর দোয়া সমূহ #৭

রুকূর দোয়া সমূহ #৭

‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস্‘ঊদ্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) রুকূ এবং সিজদায় বলতেন -

سُبْحَانَكَ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ اِلَيْكَ

সুব্‌হা-নাকা ওয়া বিহাম্‌দিকা আস্তাগ্‌ফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইক

তোমার প্রশংসা সহকারে তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করি। তোমার নিকট ক্ষমা চাই ও তোমার নিকট তাওবা করি।

রেফারেন্স: হাসান। সিলসিলা সহীহাঃ ৩০৩২

‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস্‘ঊদ্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) রুকূ এবং সিজদায় বলতেন -

سُبْحَانَكَ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ اِلَيْكَ

তোমার প্রশংসা সহকারে তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করি। তোমার নিকট ক্ষমা চাই ও তোমার নিকট তাওবা করি।

রেফারেন্স: হাসান। সিলসিলা সহীহাঃ ৩০৩২

রুকূর দোয়া সমূহ #৮

রুকূর দোয়া সমূহ #৮

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي

সুবহা-নাকা আল্লা-হুম্মা রব্বানা ওয়াবিহামদিকা, আল্লা-হুম্মাগফির লী

হে আমাদের রব আল্লাহ্‌! তুমি ত্রুটিমুক্ত। প্রশংসা সবই তোমার। হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করে দাও। [১]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৭৯৪ [২] সূরা আন-নাসরঃ ১১০:৩

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী [২] আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রুকূ ও সিজদায় গিয়ে বেশি বেশি বলতেন - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي

হে আমাদের রব আল্লাহ্‌! তুমি ত্রুটিমুক্ত। প্রশংসা সবই তোমার। হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করে দাও। [১]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৭৯৪ [২] সূরা আন-নাসরঃ ১১০:৩

রুকূর দোয়া সমূহ #৯

রুকূর দোয়া সমূহ #৯

اَللَّهُمَّ لَكَ رَكَعْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، أَنْتَ رَبِّي، خَشَعَ لَكَ سَمْعِي وَبَصَرِي وَمُخِّي وَعَظْمِي وَعَصَبِي وَمَا اِسْتَقَلَّتْ بِهِ قَدَمِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

আল্লাহুম্মা লাকা রাকা’তু ওয়া বিকা আমানতু ওয়া লাকা আসলামতু, আনতা রাব্বি খাশা’আ লাকা সাম’ই ওয়া বাসারী ওয়া মুখখী ওয়া ‘আযমী ওয়া ‘আসাবি ওয়া মা ইসতাক্বাল্লাত বিহি ক্বাদামী লিল্লাহি রাব্বিল ‘আলামিন

হে আল্লাহ আমি আপনার প্রতি রুকু করেছি, ঈমান এনেছি, আত্মসমর্পন করেছি। আপনি আমার রব্ব, আমার কর্ণ-চক্ষু, মস্তিস্ক, আমার হাড়, রগ-মেরুদণ্ড এবং আমার পা, যা বহন করছে (অর্থাৎ আমার অস্তিত্ব) সবই আল্লাহ রাব্দুল আলামিনের সামনে অবনমিত হয়েছে।

রেফারেন্স: সহিহ (আল-আইনি)। নুখাবুল আফকার ৪/২৪৭

اَللَّهُمَّ لَكَ رَكَعْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، أَنْتَ رَبِّي، خَشَعَ لَكَ سَمْعِي وَبَصَرِي وَمُخِّي وَعَظْمِي وَعَصَبِي وَمَا اِسْتَقَلَّتْ بِهِ قَدَمِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

হে আল্লাহ আমি আপনার প্রতি রুকু করেছি, ঈমান এনেছি, আত্মসমর্পন করেছি। আপনি আমার রব্ব, আমার কর্ণ-চক্ষু, মস্তিস্ক, আমার হাড়, রগ-মেরুদণ্ড এবং আমার পা, যা বহন করছে (অর্থাৎ আমার অস্তিত্ব) সবই আল্লাহ রাব্দুল আলামিনের সামনে অবনমিত হয়েছে।

রেফারেন্স: সহিহ (আল-আইনি)। নুখাবুল আফকার ৪/২৪৭

রুকূর দোয়া সমূহ #১০

রুকূর দোয়া সমূহ #১০

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

সুব্‌হা-নাকা আল্লা-হুম্মা ওয়া-বিহাম্‌দিকা লা- ইলাহা- ইল্লা- আন্‌তা।

হে আল্লাহ! আমরা তোমার প্রশংসার সাথে তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। তুমি ব্যতীত সত্য কোন মা’বূদ নেই।

রেফারেন্স: সহিহ। নাসায়ীঃ ১১৩১

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ! আমরা তোমার প্রশংসার সাথে তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। তুমি ব্যতীত সত্য কোন মা’বূদ নেই।

রেফারেন্স: সহিহ। নাসায়ীঃ ১১৩১

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 রুকু থেকে উঠার দোয়া

📄 রুকু থেকে উঠার দোয়া


রুকু থেকে উঠার দোয়া #১

রুকু থেকে উঠার দোয়া #১

রুকু থেকে উঠার সময় বলতে হয় -

سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ

সামিয়াল্লা-হু লিমান হামিদাহ

আল্লাহ্‌ তার কথা শোনেন যে তাঁর প্রশংসা করে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৯৬

রুকু থেকে উঠার সময় বলতে হয় -

سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ

আল্লাহ্‌ তার কথা শোনেন যে তাঁর প্রশংসা করে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৯৬

রুকু থেকে উঠার দোয়া #২

রুকু থেকে উঠার দোয়া #২

اَللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ، مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ، وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ، أَهْلَ الثَّنَاءِ وَالْمَجْدِ، أَحَقُّ مَا قَالَ الْعَبْدُ، وَكُلُّنَا لَكَ عَبْدٌ، اَللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

আল্লা-হুম্মা রাব্বনা- লাকাল হামদু মিলআস সামাওয়া-তি ওয়া মিলআল আরদ্বি ওয়া মিলআ মা- শি‘তা মিন শাইয়িন বা’দু। আহলাছ ছানা-য়ী ওয়াল মাজদি, আহাক্কু মা- ক্বা-লাল ‘আবদু, ওয়া কুল্লুনা- লাকা 'আবদুন। আল্লা-হুম্মা লা মা-নি‘আ লিমা- আ‘ত্বাইতা, ওয়ালা- মু‘তিয়া লিমা- মানা‘তা, ওয়ালা- ইয়ানফা'উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু

হে আল্লাহ্‌! তোমার জন্য আসমান যমীন পরিপূর্ণ প্রশংসা আর এর ব্যতীত আরো অন্য বস্তু পরিপূর্ণ প্রশংসাও-যা তুমি চাও। তুমি প্রশংসা ও মর্যাদার একমাত্র অধিকারী, এটা বড়ই ন্যায্য কথা যা তোমার বান্দা বলল, আমরা সকলেই তোমারই বান্দা। হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের যা দেবে তাতে বাধা দেবার কেউ নেই এবং তুমি যা দেবে না তা দেবারও কেউ নেই। কোন শক্তিমানই সাহায্য করতে পারে না কারণ সকল শক্তিই তোমারই করায়ত্তে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৭

اَللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ، مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ، وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ، أَهْلَ الثَّنَاءِ وَالْمَجْدِ، أَحَقُّ مَا قَالَ الْعَبْدُ، وَكُلُّنَا لَكَ عَبْدٌ، اَللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

হে আল্লাহ্‌! তোমার জন্য আসমান যমীন পরিপূর্ণ প্রশংসা আর এর ব্যতীত আরো অন্য বস্তু পরিপূর্ণ প্রশংসাও-যা তুমি চাও। তুমি প্রশংসা ও মর্যাদার একমাত্র অধিকারী, এটা বড়ই ন্যায্য কথা যা তোমার বান্দা বলল, আমরা সকলেই তোমারই বান্দা। হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের যা দেবে তাতে বাধা দেবার কেউ নেই এবং তুমি যা দেবে না তা দেবারও কেউ নেই। কোন শক্তিমানই সাহায্য করতে পারে না কারণ সকল শক্তিই তোমারই করায়ত্তে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৭

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থায় দোয়া সমূহ

📄 রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থায় দোয়া সমূহ


রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #১

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #১

বিভিন্ন সহীহ হাদীসে রুকুর দোয়াটি চারভাবে বর্ণিত হয়েছে -

(اَللَّهُمَّ) رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ

(১) রাব্বানা- লাকাল ‘হামদ (২) আল্লা-হুম্মা রাব্বানা- লাকাল ‘হামদ'

(১) হে আমাদের প্রভু, আপনার জন্যই প্রশংসা। (২) হে আল্লাহ্‌, আমাদের প্রভু, আপনার জন্যই প্রশংসা।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৯৬

বিভিন্ন সহীহ হাদীসে রুকুর দোয়াটি চারভাবে বর্ণিত হয়েছে -

(اَللَّهُمَّ) رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ

(১) হে আমাদের প্রভু, আপনার জন্যই প্রশংসা। (২) হে আল্লাহ্‌, আমাদের প্রভু, আপনার জন্যই প্রশংসা।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৯৬

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #২

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #২

(اَللَّهُمَّ) رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ

(১) রাব্বানা- ওয়া লাকাল ‘হামদ (২) আল্লা-হুম্মা রাব্বানা- ওয়া লাকাল ‘হামদ'

(১) হে আমাদের প্রভু, এবং আপনার জন্যই প্রশংসা। (২) হে আল্লাহ্‌, আমাদের প্রভু, এবং আপনার জন্যই প্রশংসা।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৯৫

রুকু থেকে উঠে পরিপূর্ণ সোজা হয়ে দাঁড়ানোর পরে কয়েক মুহূর্ত পরিপূর্ণ সোজা দণ্ডায়মান থাকা ওয়াজিব। পরিপূর্ণ সোজা হয়ে দাঁড়ানোর আগেই সিজদা করলে সালাত নষ্ট হয়ে যাবে। এসময় উপরের বাক্যটি বলতে হবে। চারটি বাক্যের যে কোনো বাক্য বললেই সুন্নাত আদায় হবে। একেক সময় একেক বাক্য বলাই উত্তম।

(اَللَّهُمَّ) رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ

(১) হে আমাদের প্রভু, এবং আপনার জন্যই প্রশংসা। (২) হে আল্লাহ্‌, আমাদের প্রভু, এবং আপনার জন্যই প্রশংসা।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৯৫

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #৩

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #৩

رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ، حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ

রাব্বানা- ওয়া লাকাল ‘হামদ, ‘হামদান কাছীরান ত্বাইয়্যিবান মুবা-রাকান ফীহ

হে আমাদের প্রভু, এবং আপনারই প্রশংসা, অশেষ প্রশংসা, পবিত্র ও বরকতময় প্রশংসা।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৯৯

رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ، حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ

হে আমাদের প্রভু, এবং আপনারই প্রশংসা, অশেষ প্রশংসা, পবিত্র ও বরকতময় প্রশংসা।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৯৯

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #৪

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #৪

اَللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ وَمِلْءَ مَا بَيْنَهُمَا وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ

আল্লা-হুম্মা রাব্বানা- লাকাল ‘হামদু মিলআস সামাওয়া-তি ওয়া মিলআল আরদ্বি ওয়া মিলআ মা- বাইনাহুমা-, ওয়া মিলআ মা- শি‘তা মিন শাইয়িন বা‘দু

হে আল্লাহ্‌, আমাদের প্রভু, আপনার জন্যই প্রশংসা, আকাশসমূহ পরিপূর্ণ করে, পৃথিবী পরিপূর্ণ করে, উভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে সব পরিপূর্ণ করে এবং এরপর আপনি যা কিছু ইচ্ছা করেন তা পরিপূর্ণ করে প্রশংসা আপনার।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৬

ইবনু আবী আউফা (র), ইবনু আব্বাস (রাঃ), আলী (রাঃ) ও অন্যান্য সাহাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) রুকু থেকে উঠে দাঁড়িয়ে এ বাক্যগুলো বলতেন।

اَللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ وَمِلْءَ مَا بَيْنَهُمَا وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ

হে আল্লাহ্‌, আমাদের প্রভু, আপনার জন্যই প্রশংসা, আকাশসমূহ পরিপূর্ণ করে, পৃথিবী পরিপূর্ণ করে, উভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে সব পরিপূর্ণ করে এবং এরপর আপনি যা কিছু ইচ্ছা করেন তা পরিপূর্ণ করে প্রশংসা আপনার।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৬

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #৫

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #৫

اَللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيءٍ بَعْدُ أَهْلَ الثَّنَاءِ وَالْمَجْدِ، لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

আল্লা-হুম্মা, রাব্বানা- লাকাল ‘হামদু, মিলআস সামাওয়া-তি ওয়া মিলআল আরদ্বি ওয়ামা- বাইনাহুমা-, ওয়া মিলআ মা- শি‘তা মিন শাইয়িন বা’দু, আহ্‌লাছ‌ ছানা-ই ওয়াল মাজ্‌দি। লা- মা-নি’আ লিমা- আ‘ত্বাইতা, ওয়ালা- মু‘ত্বিয়া লিমা- মানা‘তা, ওয়ালা- ইয়ান্‌ফা‘উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু

হে আল্লাহ্‌, আমাদের প্রভু, আপনার জন্যই প্রশংসা, আকাশসমূহ পরিপূর্ণ করে, পৃথিবী পরিপূর্ণ করে, উভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে সব পরিপূর্ণ করে এবং এরপর আপনি যা কিছু ইচ্ছা করেন তা পরিপূর্ণ করে প্রশংসা আপনার। সকল মর্যাদা ও প্রশংসার মালিক আপনিই। আপনি যা প্রদান করেন তা কেউ রোধ করতে পারে না। আর আপনি যা রোধ করেন তা কেউ প্রদান করতে পারে না। অধ্যবসায়ীর অধ্যবসায় ও পরিশ্রমকারীর পরিশ্রম আপনার পরিবর্তে (আপনার ইচ্ছার বাইরে) তার কোনো উপকারে আসে না।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৮

اَللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيءٍ بَعْدُ أَهْلَ الثَّنَاءِ وَالْمَجْدِ، لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

হে আল্লাহ্‌, আমাদের প্রভু, আপনার জন্যই প্রশংসা, আকাশসমূহ পরিপূর্ণ করে, পৃথিবী পরিপূর্ণ করে, উভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে সব পরিপূর্ণ করে এবং এরপর আপনি যা কিছু ইচ্ছা করেন তা পরিপূর্ণ করে প্রশংসা আপনার। সকল মর্যাদা ও প্রশংসার মালিক আপনিই। আপনি যা প্রদান করেন তা কেউ রোধ করতে পারে না। আর আপনি যা রোধ করেন তা কেউ প্রদান করতে পারে না। অধ্যবসায়ীর অধ্যবসায় ও পরিশ্রমকারীর পরিশ্রম আপনার পরিবর্তে (আপনার ইচ্ছার বাইরে) তার কোনো উপকারে আসে না।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৮

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #৬

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #৬

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ مُبَارَكًا عَلَيْهِ كَمَا يُحِبُّ رَبُّنَا وَيَرْضَى

আলহামদু লিল্লাহি হামদান কাছিরান ত্বায়্যিবান মুবারাকান ফিহি মুবারাকান ‘আলাইহি কামা ইউহিব্বু রাব্বুনা ওয়া ইয়ারদ্বা

আল্লাহ্‌র জন্যই অধিকাধিক পবিত্র ও বরকতময় সকল প্রশংসা, যার উপর রয়েছে বরকত যেমনটা আমাদের রব্ব ভালোবাসেন ও সন্তুষ্ট হোন

রেফারেন্স: হাসান। সুনান নাসাঈঃ ৯৩১

রিফা’ ইবন রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-এর পেছনে সালাত আদায় করেছি। তখন আমি হাঁচি দিলাম এবং বললাম- (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে) রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাত সমাপ্ত করে ফিরে বললেন, সালাতে কে কথা বলেছে? তখন কেউই উত্তর দিল না। তিনি দ্বিতীয়বার বললেন, কে সালাতে তা বলেছে? তখন রিফাআ ইবন রাফি ইবন আফরা (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি বলেছি। তিনি বললেন, তুমি কি বলেছ? তিনি বললেন, আমি বলেছি- (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে) তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ যার হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! ত্রিশজনের বেশি ফেরেশতা তা নিয়ে তাড়াহুড়ো করছে, কে তা নিয়ে উপরে উঠবে।

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ مُبَارَكًا عَلَيْهِ كَمَا يُحِبُّ رَبُّنَا وَيَرْضَى

আল্লাহ্‌র জন্যই অধিকাধিক পবিত্র ও বরকতময় সকল প্রশংসা, যার উপর রয়েছে বরকত যেমনটা আমাদের রব্ব ভালোবাসেন ও সন্তুষ্ট হোন

রেফারেন্স: হাসান। সুনান নাসাঈঃ ৯৩১

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #৭

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #৭

لِرَبِّيَ الْحَمْدُ

লি-রব্বিয়াল হামদ

আমার পালনকর্তার জন্যই সমস্ত প্রশংসা!

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭৪

لِرَبِّيَ الْحَمْدُ

আমার পালনকর্তার জন্যই সমস্ত প্রশংসা!

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭৪

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #৮

রুকুর পরে দণ্ডায়মান অবস্থার দোয়া #৮

اَللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الأَرْضِ وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَىْءٍ بَعْدُ، اَللَّهُمَّ طَهِّرْنِي بِالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَالْمَاءِ الْبَارِدِ اَللَّهُمَّ طَهِّرْنِي مِنَ الذُّنُوبِ وَالْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الأَبْيَضُ مِنَ الْوَسَخِ

আল্লা-হুম্মা, রাব্বানা- লাকাল ‘হামদু, মিলআস সামাওয়া-তি ওয়া মিলআল আরদ্বি ওয়া মিলআ মা- শি‘তা মিন শাইয়িন বা’দু, আল্লা-হুম্মা ত্বাহ্‌হিরনী বিছ্‌-ছালজি ওয়াল বারাদি ওয়াল মা-ইল বা-রাদ, আল্লা-হুম্মা ত্বাহ্‌হিরনী মিনায যুনূবী ওয়াল খাত্বা-ইয়া কামা- ইউনাক্বাছ ছাওবুল আব্‌ইয়াদু মিনাল ওয়াসাখ।

হে আল্লাহ! তোমার জন্য ঐ পরিমাণ প্রশংসা-যা আসমান ও জমিনকে পরিপূর্ণ করে দেয়। অতঃপর তুমি যা চাও তা দিয়ে পরিপূর্ণ করো। হে আল্লাহ! আমাকে বরফ, কুয়াশা, ঠাণ্ডা পানি দিয়ে পবিত্র করে দাও। হে আল্লাহ! সাদা কাপড় যেভাবে ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়ে ধবধবে সাদা হয়ে যায়, আমাকেও তদ্রুপ যাবতীয় গুনাহ থেকে পবিত্র করে দাও।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৬

اَللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الأَرْضِ وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَىْءٍ بَعْدُ، اَللَّهُمَّ طَهِّرْنِي بِالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَالْمَاءِ الْبَارِدِ اَللَّهُمَّ طَهِّرْنِي مِنَ الذُّنُوبِ وَالْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الأَبْيَضُ مِنَ الْوَسَخِ

হে আল্লাহ! তোমার জন্য ঐ পরিমাণ প্রশংসা-যা আসমান ও জমিনকে পরিপূর্ণ করে দেয়। অতঃপর তুমি যা চাও তা দিয়ে পরিপূর্ণ করো। হে আল্লাহ! আমাকে বরফ, কুয়াশা, ঠাণ্ডা পানি দিয়ে পবিত্র করে দাও। হে আল্লাহ! সাদা কাপড় যেভাবে ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়ে ধবধবে সাদা হয়ে যায়, আমাকেও তদ্রুপ যাবতীয় গুনাহ থেকে পবিত্র করে দাও।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৬

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 সিজদায় পঠিতব্য দোয়া সমূহ

📄 সিজদায় পঠিতব্য দোয়া সমূহ


সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করা

সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করা

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মানুষ সিজদায় সবচেয়ে বেশী তার প্রতিপালকের নিকটে হয়। অতএব তোমরা সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করো।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৮২

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মানুষ সিজদায় সবচেয়ে বেশী তার প্রতিপালকের নিকটে হয়। অতএব তোমরা সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করো।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৮২

সিজদায় কুরআন পড়তে নিষেধ

সিজদায় কুরআন পড়তে নিষেধ

ইবনু ‘আব্বাস্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমাকে রুকূ ও সিজদায় কুরআন পড়তে নিষেধ করা হয়েছে। তবে রুকূতে তোমরা আল্লাহ্‌র বড়ত্ব বর্ণনা করো। আর সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করো। তোমাদের দোয়া ক্ববুলের জন্য সিজদাহ্ উপযুক্ত স্থান’। [১]

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৯

উপরোক্ত হাদীসদ্বয় দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করতে হবে এবং সিজদায় যে দোয়া করা হয়, তা কবুল হয়। অতএব, কুরআনের দোয়া ব্যতীত হাদীসের যে কোন দোয়া করা যায়। রুকূ-সিজদায় কুরআনী কোন দোয়া পড়া যাবে না।

ইবনু ‘আব্বাস্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমাকে রুকূ ও সিজদায় কুরআন পড়তে নিষেধ করা হয়েছে। তবে রুকূতে তোমরা আল্লাহ্‌র বড়ত্ব বর্ণনা করো। আর সিজদায় বেশী বেশী দোয়া করো। তোমাদের দোয়া ক্ববুলের জন্য সিজদাহ্ উপযুক্ত স্থান’। [১]

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৯

ধীরস্থিরভাবে সিজদার গুরুত্ব

ধীরস্থিরভাবে সিজদার গুরুত্ব

কাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, সবচেয়ে নিকৃষ্ট চোর সে যে সালাত চুরি করে। সাহাবীগণ বললেন, কিভাবে সালাত চুরি করে? রাসূল (ﷺ) বললেন, যে তার রুকূ-সিজদা পূর্ণ করে না।

রেফারেন্স: সহিহ। মিশকাতঃ ৮৮৫

কাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, সবচেয়ে নিকৃষ্ট চোর সে যে সালাত চুরি করে। সাহাবীগণ বললেন, কিভাবে সালাত চুরি করে? রাসূল (ﷺ) বললেন, যে তার রুকূ-সিজদা পূর্ণ করে না।

রেফারেন্স: সহিহ। মিশকাতঃ ৮৮৫

সিজদার দোয়া সমূহ #১

সিজদার দোয়া সমূহ #১

কমপক্ষে তিনবার বলবে -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى

সুব্‌‘হা-না রাব্বিয়াল আ'লা-

মহাপবিত্র আমার প্রভু যিনি সর্বোচ্চ।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭২

মনের আবেগ নিয়ে এ ঘোষণা বার বার দিতে হবে। কমপক্ষে ৩ বার এ তাসবীহ পাঠ করা রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এর আচরিত ও নির্দেশিত কর্ম। অধিকাংশ বর্ণনায় “সুব্‌হানা রাব্বিয়াল আ‘লা” এবং কোনো কোনো হাদীসে “সুবাহানা রাব্বিয়াল আ‘লা ওয়া বিহামদিহী” বর্ণিত হয়েছে। রহমত বা দয়া সংক্রান্ত প্রত্যেকটি আয়াত পাঠ করার পরপর তিনি থেমে (আল্লাহ্‌র কাছে তা) চেয়েছেন, এবং শাস্তি সংক্রান্ত প্রত্যেকটি আয়াত শেষ করার পর থেমে (আল্লাহ্‌র কাছে তা থেকে) আশ্রয় চেয়েছেন।

কমপক্ষে তিনবার বলবে -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى

মহাপবিত্র আমার প্রভু যিনি সর্বোচ্চ।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭২

সিজদার দোয়া সমূহ #২

সিজদার দোয়া সমূহ #২

কমপক্ষে তিনবার বলবে -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى وَبِحَمْدِهِ

সুব্‌‘হা-না রাব্বিয়াল আ'লা- ওয়া বিহামদিহী

মহাপবিত্র আমার প্রভু যিনি সর্বোচ্চ এবং তার প্রশংসা-সহ।

রেফারেন্স: সনদ হাসান (শুয়াইব আরনা'ঊত)। আবু দাউদঃ ৮৭০

কমপক্ষে তিনবার বলবে -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى وَبِحَمْدِهِ

মহাপবিত্র আমার প্রভু যিনি সর্বোচ্চ এবং তার প্রশংসা-সহ।

রেফারেন্স: সনদ হাসান (শুয়াইব আরনা'ঊত)। আবু দাউদঃ ৮৭০

সিজদার দোয়া সমূহ #৩

সিজদার দোয়া সমূহ #৩

আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সিজদার মধ্যে বলতেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِيْ كُلَّهُ دِقَّهُ وَجِلَّهُ، وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، وَعَلَانِيَّتَهُ وَسِرَّهُ

আল্লা-হুম্মাগ্‌ ফির লী যাম্বী কুল্লাহু, দিক্কাহু ওয়া জিল্লাহু, ওয়া আউআলাহু ওয়া আ-খিরাহু, ওয়া ‘আলা-নিয়্যাতাহু ওয়া সিররাহু

হে আল্লাহ্‌, আপনি ক্ষমা করুন আমার সকল পাপ, ছোট পাপ, বড় পাপ, প্রথম পাপ, শেষ পাপ, প্রকাশ্য পাপ, গোপন পাপ।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৮৩

আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সিজদার মধ্যে বলতেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِيْ كُلَّهُ دِقَّهُ وَجِلَّهُ، وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، وَعَلَانِيَّتَهُ وَسِرَّهُ

হে আল্লাহ্‌, আপনি ক্ষমা করুন আমার সকল পাপ, ছোট পাপ, বড় পাপ, প্রথম পাপ, শেষ পাপ, প্রকাশ্য পাপ, গোপন পাপ।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৮৩

সিজদার দোয়া সমূহ #৪

সিজদার দোয়া সমূহ #৪

আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি এক রাতে রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-কে বিছানায় পেলাম না। (অন্ধকারে) আমি তাকে খুঁজলাম। তখন আমার হাত তার পায়ের তালুতে লাগল। তিনি তখন সিজদায় ছিলেন ও পা দুটি খাড়া ছিল। তিনি বলছিলেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْكَ، لَا أُحْصِيْ ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ'ঊযু বিরিদ্বা-কা মিন সাখাতিক, ওয়া বি মু'আ-ফা-তিকা মিন ‘উক্বুবাতিক, ওয়া আ‘উযু বিকা মিনকা, লা- উহসী ছানা-আন ‘আলাইকা। আনতা কামা- আছনাইতা ‘আলা- নাফসিক

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার ক্রোধ থেকে আপনার সন্তুষ্টির আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং আপনার শাস্তি থেকে আপনার ক্ষমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। এবং আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি আপনার কাছে আপনার থেকে। আমি আপনার প্রশংসা করে শেষ করতে পারি না। আপনি ঠিক তেমনি যেমন আপনি আপনার নিজের প্রশংসা করেছেন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৮৬, সহিহ। তিরমিযীঃ ৩৫৬৬

আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি এক রাতে রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-কে বিছানায় পেলাম না। (অন্ধকারে) আমি তাকে খুঁজলাম। তখন আমার হাত তার পায়ের তালুতে লাগল। তিনি তখন সিজদায় ছিলেন ও পা দুটি খাড়া ছিল। তিনি বলছিলেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْكَ، لَا أُحْصِيْ ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার ক্রোধ থেকে আপনার সন্তুষ্টির আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং আপনার শাস্তি থেকে আপনার ক্ষমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। এবং আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি আপনার কাছে আপনার থেকে। আমি আপনার প্রশংসা করে শেষ করতে পারি না। আপনি ঠিক তেমনি যেমন আপনি আপনার নিজের প্রশংসা করেছেন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৮৬, সহিহ। তিরমিযীঃ ৩৫৬৬

সিজদার দোয়া সমূহ #৫

সিজদার দোয়া সমূহ #৫

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাতের মধ্যে বা সিজদায় এ দোয়াটি বলেন -

اَللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِيْ نُورًا، وَفِي سَمْعِيْ نُورًا، وَفِي بَصَرِيْ نُورًا، وَعَنْ يَمِيْنِيْ نُورًا، وَعَنْ شِمَالِيْ نُورًا، وَأَمَامِيْ نُورًا، وَخَلْفِي نُورًا، وَفَوْقِيْ نُورًا، وَتَحْتِيْ نُورًا، وَاجْعَلْ لِي نُورًا (وَاجْعَلْنِيْ نُورًا)، وَاجْعَلْ فِي نَفْسِي نُورًا، (وَفِي عَصَبِيْ نُورًا، وَفِي لَحْمِي نُورًا، وَفِي دَمِيْ نُورًا، وَفِي شَعْرِيْ نُورًا، وَفِي بَشَرِيْ نُورًا)، اَللَّهُمَّ أَعْطِنِيْ نُورًا

আল্লা-হুম্মাজ্‌-‘আল ফী ক্বালবী নূরান, ওয়াফী সাম‘য়ী নূরান, ওয়াফী বাস্বারী নূরান, ওয়া ‘আন ইয়ামীনী নূরান, ওয়া ‘আন শিমা-লী নূরান, ওয়া আমা-মী নূরান, ওয়া খালফী নূরান, ওয়া ফাওক্বী নূরান, ওয়া তা'হ্‌তী নূরান, ওয়াজ্‌-‘আল লী নূরান (ওয়াজ্‌-‘আলনী নূরান), ওয়াজ্‌‘আল ফী নাফ্‌সী নূরান, (ওয়া ফী ‘আসাবী নূরান, ওয়াফী লাহ্‌মী নূরান, ওয়াফী দামী নূরান, ওয়াফী শা‘অ্‌রী নূরান, ওয়াফী বাশারী নূরান), আল্লা-হুম্মা, আ‘‌তিনী নূরান

হে আল্লাহ্‌ আপনি প্রদান করুন আমার অন্তরে নূর, আমার শ্রবণে নূর, আমার দৃষ্টিতে নূর, আমার ডানে নূর, আমার বামে নূর, আমার সামনে নূর, আমার পিছনে নূর, আমার উপরে নূর, আমার নিচে নূর, আপনি আমার জন্য নূর দান করুন, (আপনি আমাকে নূর বানিয়ে দিন)। প্রদান করুন আমার নফসে নূর, (আমার স্নায়ুতন্ত্রে নূর, আমার মাংসে নূর, আমার রক্তে নূর, আমার চুল-পশমে নূর, আমার চামড়ায় নূর)। হে আল্লাহ্‌ আমাকে প্রদান করুন নূর।

রেফারেন্স: সহিহ বুখারীঃ ৬৩১৬, সহিহ মুসলিমঃ ৭৬৩

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাতের মধ্যে বা সিজদায় এ দোয়াটি বলেন -

اَللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِيْ نُورًا، وَفِي سَمْعِيْ نُورًا، وَفِي بَصَرِيْ نُورًا، وَعَنْ يَمِيْنِيْ نُورًا، وَعَنْ شِمَالِيْ نُورًا، وَأَمَامِيْ نُورًا، وَخَلْفِي نُورًا، وَفَوْقِيْ نُورًا، وَتَحْتِيْ نُورًا، وَاجْعَلْ لِي نُورًا (وَاجْعَلْنِيْ نُورًا)، وَاجْعَلْ فِي نَفْسِي نُورًا، (وَفِي عَصَبِيْ نُورًا، وَفِي لَحْمِي نُورًا، وَفِي دَمِيْ نُورًا، وَفِي شَعْرِيْ نُورًا، وَفِي بَشَرِيْ نُورًا)، اَللَّهُمَّ أَعْطِنِيْ نُورًا

হে আল্লাহ্‌ আপনি প্রদান করুন আমার অন্তরে নূর, আমার শ্রবণে নূর, আমার দৃষ্টিতে নূর, আমার ডানে নূর, আমার বামে নূর, আমার সামনে নূর, আমার পিছনে নূর, আমার উপরে নূর, আমার নিচে নূর, আপনি আমার জন্য নূর দান করুন, (আপনি আমাকে নূর বানিয়ে দিন)। প্রদান করুন আমার নফসে নূর, (আমার স্নায়ুতন্ত্রে নূর, আমার মাংসে নূর, আমার রক্তে নূর, আমার চুল-পশমে নূর, আমার চামড়ায় নূর)। হে আল্লাহ্‌ আমাকে প্রদান করুন নূর।

রেফারেন্স: সহিহ বুখারীঃ ৬৩১৬, সহিহ মুসলিমঃ ৭৬৩

সিজদার দোয়া সমূহ #৬

সিজদার দোয়া সমূহ #৬

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي

সুবহা-নাকা আল্লা-হুম্মা রব্বানা ওয়াবিহামদিকা, আল্লা-হুম্মাগফির লী

হে আমাদের রব আল্লাহ্‌! তুমি ত্রুটিমুক্ত। প্রশংসা সবই তোমার। হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করে দাও। [১]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৭৯৪ [২] সূরা আন-নাসরঃ ১১০:৩

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী [২] আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রুকূ ও সিজদায় গিয়ে বেশি বেশি বলতেন - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي

হে আমাদের রব আল্লাহ্‌! তুমি ত্রুটিমুক্ত। প্রশংসা সবই তোমার। হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করে দাও। [১]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৭৯৪ [২] সূরা আন-নাসরঃ ১১০:৩

সিজদার দোয়া সমূহ #৭

সিজদার দোয়া সমূহ #৭

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রুকূ ও সিজদায় গিয়ে বলতেন -

سُبُّوحٌ، قُدُّوسٌ، رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ

সুব্বূহুন ক্বুদ্দূসুন রব্বুল মালা-ইকাতি ওয়াররূ'হ

(আল্লাহ্‌) পবিত্র, ত্রুটিমুক্ত, সকল ফেরেশতা ও জিবরীলের মনিব।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭২

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রুকূ ও সিজদায় গিয়ে বলতেন -

سُبُّوحٌ، قُدُّوسٌ، رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ

(আল্লাহ্‌) পবিত্র, ত্রুটিমুক্ত, সকল ফেরেশতা ও জিবরীলের মনিব।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭২

সিজদার দোয়া সমূহ #৮

সিজদার দোয়া সমূহ #৮

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) সিজদায় গিয়ে বলতেন -

اَللَّهُمَّ لَكَ سَجَدْتُ وَلَكَ أَسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَصَوَّرَهُ، فَأَحْسَنَ صُوْرَتَهُ وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ، تَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ

আল্লা-হুম্মা লাকা সাজাদ্‌তু ওয়া লাকা আসলামতু, ওয়াবিকা আ-মানতু, সাজাদা ওয়াজহিয়া লিল্লাযী খালাক্বাহু ওয়া সাওয়্যারাহু ফা-আ'হ্‌সানা সুও-রাতাহু ওয়া শাক্কা সাম‘আহু ওয়া বাসারাহু, তাবা-রাকাল্লাহু আহ্‌সানুল খা-লিক্বীন

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার উদ্দেশে সিজদা দিয়েছি, তোমার কাছে আত্মসমর্পণ করেছি। তোমার প্রতি ঈমান এনেছি, আমার চেহারা তাঁর উদ্দেশে সিজদায় অবনত, যিনি একে সৃষ্টি করে আকৃতি দিয়েছেন, এর আকৃতিকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছেন, এবং তার কান ও চোখ খুলে দিয়েছেন। সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ্‌ অতি বরকতময়!'

রেফারেন্স: সহিহ। নাসায়ীঃ ১১২৬

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) সিজদায় গিয়ে বলতেন -

اَللَّهُمَّ لَكَ سَجَدْتُ وَلَكَ أَسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَصَوَّرَهُ، فَأَحْسَنَ صُوْرَتَهُ وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ، تَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার উদ্দেশে সিজদা দিয়েছি, তোমার কাছে আত্মসমর্পণ করেছি। তোমার প্রতি ঈমান এনেছি, আমার চেহারা তাঁর উদ্দেশে সিজদায় অবনত, যিনি একে সৃষ্টি করে আকৃতি দিয়েছেন, এর আকৃতিকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছেন, এবং তার কান ও চোখ খুলে দিয়েছেন। সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ্‌ অতি বরকতময়!'

রেফারেন্স: সহিহ। নাসায়ীঃ ১১২৬

সিজদার দোয়া সমূহ #৯

সিজদার দোয়া সমূহ #৯

سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوتِ، وَالْمَلَكُوتِ، وَالْكِبْرِيَاءِ، وَالْعَظَمَةِ

সুবহা-নাযিল জাবারূতি, ওয়াল মালাকুতি, ওয়াল কিবরিয়া-ই ওয়াল ‘আযামাহ

পবিত্র সেই সত্তা, যিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, সার্বভৌমত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্বের অধিকারী।

রেফারেন্স: হাসান। আবূ দাঊদঃ ৮৭৩

আউফ ইবনু মালিক আশজাঈ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি (একবার) আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে রাতের সালাতে দাঁড়িয়ে যাই। তিনি (সালাতে) দাড়িয়ে সূরা আল-বাকারাহ্ পাঠ করেন। রহমত বা দয়া সংক্রান্ত কোনও আয়াত অতিক্রম করার পরপরই তিনি থেমে (আল্লাহ্‌র কাছে তা) চান, এবং শাস্তি সংক্রান্ত প্রত্যেকটি আয়াত শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে তিনি থেমে (আল্লাহ্‌র কাছে তা থেকে) আশ্রয় চান। এরপর, যেটুকু সময় দাঁড়িয়ে ছিলেন, ততটুকু সময় ধরে রুকূতে থাকেন। এরপর তিনি সিজদায় গিয়ে ততক্ষণ থাকেন, যতক্ষণ তিনি রুকূতে ছিলেন। সিজদায় তিনি বলেন - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوتِ، وَالْمَلَكُوتِ، وَالْكِبْرِيَاءِ، وَالْعَظَمَةِ

পবিত্র সেই সত্তা, যিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, সার্বভৌমত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্বের অধিকারী।

রেফারেন্স: হাসান। আবূ দাঊদঃ ৮৭৩

ফন্ট সাইজ
15px
17px