📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 তাকবীরে তাহরীমার পর পঠিত দোয়া সমূহ

📄 তাকবীরে তাহরীমার পর পঠিত দোয়া সমূহ


সানার দোয়া #২

সানার দোয়া #২

وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ، إِنَّ صَلَاتِي، وَنُسُكِي، وَمَحْيَايَ، وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ، لَا شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ اَللَّهُمَّ أَنْتَ الْمَلِكُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَنْتَ رَبِّي وَأَنَا عَبْدُكَ، ظَلَمْتُ نَفْسِي وَاعْتَرَفْتُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي ذُنُوبِي جَمِيعًا إِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ، وَاهْدِنِي لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ لَا يَهْدِي لِأَحْسَنِهَا إِلَّا أَنْتَ، وَاصْرِفْ عَنِّي سَيِّئَهَا، لَا يَصْرِفُ عَنِّي سَيِّئَهَا إِلَّا أَنْتَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ، وَالْخَيْرُ كُلُّهُ بِيَـدَيْكَ، وَالشَّـرُّ لَيْسَ إِلَيْـكَ، أَنَا بِكَ وَإِلَيْكَ، تَبارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتوبُ إِلَيْكَ

ওয়াজ্জাহ্‌তু ওয়াজহিয়া লিল্লাযী ফাত্বারাস্ সামাওয়া-তি ওয়াল আরদ্বা হানীফান ওয়ামা- আনা মিনাল মুশরিকীন। ইন্না সালা-তী, ওয়া নুসুকী ওয়া মাহইয়া-ইয়া ওয়া মামা-তী লিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামীন। লা- শারীকা লাহু ওয়াবিযা-লিকা উমিরতু ওয়া আনা মিনাল মুসলিমীন। আল্লা-হুম্মা আনতাল মালিকু লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা, আনতা রব্বী ওয়া আনা ‘আবদুকা। যালামতু নাফসী ওয়া‘তারাফতু বিযাম্বী। ফাগফির লী যুনূবী জামী‘আন ইন্নাহু লা- ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা- আনতা। ওয়াহদিনী লিআহসানিল আখলা-ক্বি, লা- ইয়াহ্‌দী লিআহ্‌সানিহা- ইল্লা- আনতা। ওয়াসরিফ ‘আন্নী সায়্যিআহা- লা- ইয়াসরিফু ‘আন্নী সায়্যিআহা- ইল্লা- আনতা। লাব্বাইকা ওয়া সা‘দাইকা ওয়াল-খাইরু কুল্লুহু বিয়াদাইকা, ওয়াশশাররু লাইসা ইলাইকা। আনা বিকা ওয়া ইলাইকা, তাবা-রাক্‌তা ওয়া তা‘আ-লাইতা। আসতাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইক

যিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন আমি একনিষ্টভাবে আমার মুখমণ্ডল তাঁর দিকেই ফিরালাম, আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। নিশ্চয় আমার সালাত, আমার কুরবানী বা যাবতীয় ইবাদাত, আমার জীবন ও আমার মরণ সৃষ্টিকুলের রব্ব আল্লাহ্‌র জন্য। তাঁর কোনো শরীক নেই। আর আমি এরই আদেশ প্রাপ্ত হয়েছি এবং আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত। হে আল্লাহ্‌! আপনিই অধিপতি, আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আপনি আমার রব্ব, আমি আপনার বান্দা। আমি আমার নিজের প্রতি অন্যায় করেছি এবং আমি আমার পাপসমূহ স্বীকার করছি। সুতরাং আপনি আমার সমুদয় গুনাহ মাফ করে দিন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করতে পারে না। আর আপনি আমাকে সর্বোত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করুন, আপনি ছাড়া আর কেউ উত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করতে পারে না। আর আপনি আমার থেকে আমার খারাপ চরিত্রগুলো দূরীভূত করুন, আপনি ব্যতীত আর কেউ সে খারাপ চরিত্রগুলো অপসারিত করতে পারে না। আমি আপনার হুকুম মানার জন্য সদা-সর্বদা হাজির, সকল কল্যাণই আপনার দু’ হাতে নিহিত। অকল্যাণ আপনার দিকে নয় (অর্থাৎ মন্দকে আপনার দিকে সম্পৃক্ত করা উচিত নয়, অথবা মন্দ দ্বারা আপনার নিকটবর্তী হওয়া যায় না, বা মন্দ আপনার দিকে উঠে না)। আমি আপনার দ্বারাই (প্রতিষ্ঠিত আছি, সহযোগিতা পেয়ে থাকি) এবং আপনার দিকেই (আমার সকল প্রবণতা, বা আমার প্রত্যাবর্তন)। আপনি বরকতময় এবং আপনি সুঊচ্চ। আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাই এবং আপনার কাছে তাওবাহ্‌ করছি।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭১

وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ، إِنَّ صَلَاتِي، وَنُسُكِي، وَمَحْيَايَ، وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ، لَا شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ اَللَّهُمَّ أَنْتَ الْمَلِكُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَنْتَ رَبِّي وَأَنَا عَبْدُكَ، ظَلَمْتُ نَفْسِي وَاعْتَرَفْتُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي ذُنُوبِي جَمِيعًا إِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ، وَاهْدِنِي لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ لَا يَهْدِي لِأَحْسَنِهَا إِلَّا أَنْتَ، وَاصْرِفْ عَنِّي سَيِّئَهَا، لَا يَصْرِفُ عَنِّي سَيِّئَهَا إِلَّا أَنْتَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ، وَالْخَيْرُ كُلُّهُ بِيَـدَيْكَ، وَالشَّـرُّ لَيْسَ إِلَيْـكَ، أَنَا بِكَ وَإِلَيْكَ، تَبارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتوبُ إِلَيْكَ

যিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন আমি একনিষ্টভাবে আমার মুখমণ্ডল তাঁর দিকেই ফিরালাম, আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। নিশ্চয় আমার সালাত, আমার কুরবানী বা যাবতীয় ইবাদাত, আমার জীবন ও আমার মরণ সৃষ্টিকুলের রব্ব আল্লাহ্‌র জন্য। তাঁর কোনো শরীক নেই। আর আমি এরই আদেশ প্রাপ্ত হয়েছি এবং আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত। হে আল্লাহ্‌! আপনিই অধিপতি, আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আপনি আমার রব্ব, আমি আপনার বান্দা। আমি আমার নিজের প্রতি অন্যায় করেছি এবং আমি আমার পাপসমূহ স্বীকার করছি। সুতরাং আপনি আমার সমুদয় গুনাহ মাফ করে দিন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করতে পারে না। আর আপনি আমাকে সর্বোত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করুন, আপনি ছাড়া আর কেউ উত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করতে পারে না। আর আপনি আমার থেকে আমার খারাপ চরিত্রগুলো দূরীভূত করুন, আপনি ব্যতীত আর কেউ সে খারাপ চরিত্রগুলো অপসারিত করতে পারে না। আমি আপনার হুকুম মানার জন্য সদা-সর্বদা হাজির, সকল কল্যাণই আপনার দু’ হাতে নিহিত। অকল্যাণ আপনার দিকে নয় (অর্থাৎ মন্দকে আপনার দিকে সম্পৃক্ত করা উচিত নয়, অথবা মন্দ দ্বারা আপনার নিকটবর্তী হওয়া যায় না, বা মন্দ আপনার দিকে উঠে না)। আমি আপনার দ্বারাই (প্রতিষ্ঠিত আছি, সহযোগিতা পেয়ে থাকি) এবং আপনার দিকেই (আমার সকল প্রবণতা, বা আমার প্রত্যাবর্তন)। আপনি বরকতময় এবং আপনি সুঊচ্চ। আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাই এবং আপনার কাছে তাওবাহ্‌ করছি।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭১

সানার দোয়া #৩

সানার দোয়া #৩

اَللَّهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِيْ وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ، اَللَّهُمَّ نَقِّنِيْ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، اَللَّهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَايَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ

আল্লা-হুম্মা, বা-‘ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খাত্বা-ইয়া-ইয়া কামা- বা-‘আদ্‌তা বাইনাল মাশরিক্বি ওয়াল মাগরিব। আল্লা-হুম্মা, নাক্কিনী মিনাল খাতা-ইয়া কামা- ইউনাক্কাস সাওবুল আব্‌ইয়াদু মিনাদ দানাস। আল্লা-হুম্মাগ্‌সিল খাতা-ইয়া-ইয়া বিলমা-ই ওয়াছ ছাল্‌জি ওয়াল বারাদ

হে আল্লাহ্‌, আপনি দূরত্ব সৃষ্টি করে দিন আমার ও আমার পাপের মধ্যে যেমন দূরত্ব আপনি রেখেছেন পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে (আমাকে সকল প্রকার পাপ থেকে শত যোজন দূরে থাকার তাওফীক প্রদান করুন)। হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাকে পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র করুন পাপ থেকে, যেমনভাবে পরিচ্ছন্ন করা হয় ধবধবে সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে। হে আল্লাহ্‌ আপনি ধৌত করুন আমার পাপরাশী পানি, বরফ এবং তুষার-শিলা দ্বারা (আমার হৃদয়কে পাপমুক্তি ও অনন্ত প্রশান্তি প্রদান করুন)।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৪৪

আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সালাতে দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহরীমার পরে কিরাআতের করার আগে অল্প সময় চুপ করে থাকতেন। আমি বললাম: হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ), আমার পিতামাতা আপনার জন্য কুরবান হোক, আপনি তাকবীরে তাহরীমা ও কিরাআতের মধ্যবর্তী সময়ে নীরব থাকেন, এ সময়ে আপনি কী বলেন? তিনি (ﷺ) বললেন, আমি এ সময়ে বলি: (উপরের বাক্যগুলো)

اَللَّهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِيْ وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ، اَللَّهُمَّ نَقِّنِيْ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، اَللَّهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَايَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ

হে আল্লাহ্‌, আপনি দূরত্ব সৃষ্টি করে দিন আমার ও আমার পাপের মধ্যে যেমন দূরত্ব আপনি রেখেছেন পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে (আমাকে সকল প্রকার পাপ থেকে শত যোজন দূরে থাকার তাওফীক প্রদান করুন)। হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাকে পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র করুন পাপ থেকে, যেমনভাবে পরিচ্ছন্ন করা হয় ধবধবে সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে। হে আল্লাহ্‌ আপনি ধৌত করুন আমার পাপরাশী পানি, বরফ এবং তুষার-শিলা দ্বারা (আমার হৃদয়কে পাপমুক্তি ও অনন্ত প্রশান্তি প্রদান করুন)।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৪৪

সানার দোয়া #৪

সানার দোয়া #৪

اَللَّهُمَّ رَبَّ جِبْرَائِيْلَ وَمِيْكَائِيْلَ وَإِسْرَافِيلَ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ أَنْتَ تَحْكُمُ بَيْنَ عِبَادِكَ فِيمَا كَانُوا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ اِهْدِنِيْ لِمَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ إِنَّكَ تَهْدِيْ مَنْ تَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيْمٍ

আল্লা-হুম্মা, রাব্বা জিবরা-ঈল ওয়া মীকা-ঈল ওয়া ইসরা-ফীল, ফা-তিরাস সামাওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি, ‘আ-লিমাল গাইবি ওয়াশশাহা-দাতি, আন্‌তা তা‘হ্‌কুমু বাইনা ‘ইবা-দিকা ফীমা- কা-নূ ফীহি ইয়া‘খ্‌তালিফূন, ইহ্‌দিনী লিমা‘খ্‌তুলিফা ফীহি মিনাল ‘হাক্কি বিইয্‌নিকা ইন্নাকা তাহ্‌দী মান্ তাশা-উ ইলা স্বিরা-ত্বিন‌‌ মুস্‌তাক্বীম

হে আল্লাহ্‌, জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের প্রভু, আসমানসমূহ ও পৃথিবীর স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, আপনার বান্দারা যে সকল বিষয় নিয়ে মতভেদ করত তাদের মধ্যে সে বিষয়ে আপনিই ফয়সালা প্রদান করবেন। যে সকল বিষয়ে সত্য বা হক্ক নির্ধারণে মতভেদ হয়েছে সে সকল বিষয়ে আপনি আপনার অনুমতিতে আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আপনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে সিরাতুল মুস্তাকিমে পরিচালিত করেন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭০

আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) রাতের (তাহাজ্জুদের) সালাতের শুরুতে এ দোয়াটি পাঠ করতেন।

اَللَّهُمَّ رَبَّ جِبْرَائِيْلَ وَمِيْكَائِيْلَ وَإِسْرَافِيلَ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ أَنْتَ تَحْكُمُ بَيْنَ عِبَادِكَ فِيمَا كَانُوا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ اِهْدِنِيْ لِمَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ إِنَّكَ تَهْدِيْ مَنْ تَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيْمٍ

হে আল্লাহ্‌, জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের প্রভু, আসমানসমূহ ও পৃথিবীর স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, আপনার বান্দারা যে সকল বিষয় নিয়ে মতভেদ করত তাদের মধ্যে সে বিষয়ে আপনিই ফয়সালা প্রদান করবেন। যে সকল বিষয়ে সত্য বা হক্ক নির্ধারণে মতভেদ হয়েছে সে সকল বিষয়ে আপনি আপনার অনুমতিতে আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আপনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে সিরাতুল মুস্তাকিমে পরিচালিত করেন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭০

সানার দোয়া #৫

সানার দোয়া #৫

ইবনু আব্বাস্ (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ﷺ) যখন রাতে তাহাজ্জুদে দাঁড়াতেন তখন পড়তেন -

اَللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ قَيِّمُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ وَلَكَ الْحَمْدُ، لَكَ مُلْكُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ، وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ نُورُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ، وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ الْحَقُّ، وَوَعْدُكَ الْحَقُّ، وَلِقَاؤُكَ حَقٌّ، وَقَوْلُكَ حَقٌّ، وَالْجَنَّةُ حَقٌّ، وَالنَّارُ حَقٌّ، وَالنَّبِيُّونَ حَقٌّ، وَمُحَمَّدٌ ﷺ حَقٌّ، وَالسَّاعَةُ حَقٌّ، اَللَّهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَإِلَيْكَ أَنَبْتُ، وَبِكَ خَاصَمْتُ، وَإِلَيْكَ حَاكَمْتُ، فَاغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ، وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ، أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ (لَا إِلَهَ غَيْرُكَ)

আল্লা-হুম্মা লাকাল হামদু আনতা ক্বায়্যিমুস্ সামাওয়া-তি ওয়াল আরদি ওয়ামান ফীহিন্না, ওয়া লাকাল হামদু, লাকা মুলকুস সামাওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি ওয়ামান ফিহিন্না, ওয়া লাকাল 'হামদু আনতা নুরুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি ওয়া লাকাল 'হামদু আনতাল হাক্কু, ওয়া ওয়া‘দুকাল হাক্কু, ওয়া লিক্বা-উকা হাক্কুন, ওয়া ক্বাওলুকা হাক্কুন, ওয়াল জান্নাতু হাক্কুন, ওয়ান না-রু হাক্কুন, ওয়ান নাবিয়্যূনা হাক্কুন, ওয়া মুহাম্মাদুন (ﷺ) হাক্কুন, ওয়াস্‌সা‘আতু হাক্কুন। আল্লা-হুম্মা লাকা আসলামতু, ওয়াবিকা আমানতু ওয়া আলাইকা তাওয়াক্কালতু, ওয়া ইলাইকা আনাবতু, ওয়া বিকা খা-সাম্‌তু, ওয়া ইলাইকা 'হা-কামতু, ফাগফির লী মা- কাদ্দামতু, ওয়ামা- আখখারতু, ওয়ামা- আসরারতু, ওয়ামা- আ‘লানতু, আনতাল মুক্বাদ্দিমু ওয়া আনতাল্ মুআখখিরু, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা (অন্য বর্ণনায় লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা এর পরিবর্তে লা- ইলা-হা গাইরুকা রয়েছে)

হে আল্লাহ্‌! সমস্ত প্রশংসা একমাত্র তোমারই জন্য। আসমান, যমীন এবং এদের মধ্যস্থিত যা কিছু আছে সবকিছুর তুমিই অধিকর্তা। প্রশংসা মাত্রই তোমার। আসমান, যমীন এবং এদের মধ্যস্থিত যা কিছু আছে, তুমি সবকিছুর নূর বা জ্যোতি। (হে আল্লাহ্‌!) প্রশংসা মাত্রই তোমার জন্য। আসমান, যমীন এবং উভয়ের মধ্যস্থিত যা কিছু আছে তুমি ঐ সবের প্রতিপালক। (হে আল্লাহ্‌!) প্রশংসা মাত্রই তোমার। আসমান ও যমীনের রাজত্ব তোমার। সকল গুণকীর্তন তোমার জন্যই। তুমি সত্য, তোমার অঙ্গীকার সত্য, তোমার বাণী সত্য, তোমার দর্শন লাভ সত্য, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, নবীগণ সত্য, মুহাম্মাদ (ﷺ) সত্য এবং ক্বিয়ামত সত্য। হে আল্লাহ্‌! তোমার নিকটে আত্মসমর্পন করলাম, তোমারই উপর নির্ভরশীল হলাম, তোমার উপর দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করলাম, তোমার দিকে প্রত্যাবর্তিত হলাম, তোমারই সাহায্যের প্রত্যাশায় শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হলাম এবং তোমাকেই বিচারক নির্ধারণ করলাম। অতএব আমার পূর্বের ও পরের গোপনীয় এবং প্রকাশ্য দুষ্কর্ম সমূহ মাফ করে দাও। তুমি ব্যতীত ‘ইবাদতের যোগ্য কোন মা‘বূদ নেই’।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১১২০

ইবনু আব্বাস্ (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ﷺ) যখন রাতে তাহাজ্জুদে দাঁড়াতেন তখন পড়তেন -

اَللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ قَيِّمُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ وَلَكَ الْحَمْدُ، لَكَ مُلْكُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ، وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ نُورُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ، وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ الْحَقُّ، وَوَعْدُكَ الْحَقُّ، وَلِقَاؤُكَ حَقٌّ، وَقَوْلُكَ حَقٌّ، وَالْجَنَّةُ حَقٌّ، وَالنَّارُ حَقٌّ، وَالنَّبِيُّونَ حَقٌّ، وَمُحَمَّدٌ حَقٌّ، وَالسَّاعَةُ حَقٌّ، اَللَّهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَإِلَيْكَ أَنَبْتُ، وَبِكَ خَاصَمْتُ، وَإِلَيْكَ حَاكَمْتُ، فَاغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ، وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ، أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ (لَا إِلَهَ غَيْرُكَ)

হে আল্লাহ্‌! সমস্ত প্রশংসা একমাত্র তোমারই জন্য। আসমান, যমীন এবং এদের মধ্যস্থিত যা কিছু আছে সবকিছুর তুমিই অধিকর্তা। প্রশংসা মাত্রই তোমার। আসমান, যমীন এবং এদের মধ্যস্থিত যা কিছু আছে, তুমি সবকিছুর নূর বা জ্যোতি। (হে আল্লাহ্‌!) প্রশংসা মাত্রই তোমার জন্য। আসমান, যমীন এবং উভয়ের মধ্যস্থিত যা কিছু আছে তুমি ঐ সবের প্রতিপালক। (হে আল্লাহ্‌!) প্রশংসা মাত্রই তোমার। আসমান ও যমীনের রাজত্ব তোমার। সকল গুণকীর্তন তোমার জন্যই। তুমি সত্য, তোমার অঙ্গীকার সত্য, তোমার বাণী সত্য, তোমার দর্শন লাভ সত্য, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, নবীগণ সত্য, মুহাম্মাদ (ﷺ) সত্য এবং ক্বিয়ামত সত্য। হে আল্লাহ্‌! তোমার নিকটে আত্মসমর্পন করলাম, তোমারই উপর নির্ভরশীল হলাম, তোমার উপর দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করলাম, তোমার দিকে প্রত্যাবর্তিত হলাম, তোমারই সাহায্যের প্রত্যাশায় শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হলাম এবং তোমাকেই বিচারক নির্ধারণ করলাম। অতএব আমার পূর্বের ও পরের গোপনীয় এবং প্রকাশ্য দুষ্কর্ম সমূহ মাফ করে দাও। তুমি ব্যতীত ‘ইবাদতের যোগ্য কোন মা‘বূদ নেই’।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১১২০

সানার দোয়া #৬

সানার দোয়া #৬

اَللَّهُمَّ أَنْتَ الْمَلِكُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَنْتَ رَبِّي وَأَنَا عَبْدُكَ، ظَلَمْتُ نَفْسِي وَاعْتَرَفْتُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي ذُنُوبِي جَمِيعًا إِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ، وَاهْدِنِي لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ لَا يَهْدِي لِأَحْسَنِهَا إِلَّا أَنْتَ، وَاصْرِفْ عَنِّي سَيِّئَهَا، لَا يَصْرِفُ عَنِّي سَيِّئَهَا إِلاَّ أَنْتَ.

আল্লা-হুম্মা আনতাল মালিকু লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা, আনতা রব্বী ওয়া আনা ‘আবদুকা। যালামতু নাফসী ওয়া‘তারাফতু বিযাম্বী ফাগফির লী যুনূবী জামী‘আন ইন্নাহু লা- ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা- আনতা। ওয়াহ্‌দিনী লিআ'হ্‌সানিল আখলা-ক্বি, লা- ইয়াহ্‌দী লিআ'হ্‌সানিহা ইল্লা- আনতা। ওয়াসরিফ ‘আন্নী সায়্যিআহা লা- ইয়াসরিফু 'আন্নী সায়্যিআহা ইল্লা- আনতা

হে আল্লাহ্‌! আপনিই অধিপতি, আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আপনি আমার রব্ব, আমি আপনার বান্দা। আমি আমার নিজের প্রতি অন্যায় করেছি এবং আমি আমার পাপসমূহ স্বীকার করছি। সুতরাং আপনি আমার সমুদয় গুনাহ মাফ করে দিন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করতে পারে না। আর আপনি আমাকে সর্বোত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করুন, আপনি ছাড়া আর কেউ উত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করতে পারে না। আর আপনি আমার থেকে আমার খারাপ চরিত্রগুলো দূরীভূত করুন, আপনি ব্যতীত আর কেউ সে খারাপ চরিত্রগুলো অপসারিত করতে পারে না।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭১

اَللَّهُمَّ أَنْتَ الْمَلِكُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَنْتَ رَبِّي وَأَنَا عَبْدُكَ، ظَلَمْتُ نَفْسِي وَاعْتَرَفْتُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي ذُنُوبِي جَمِيعًا إِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ، وَاهْدِنِي لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ لَا يَهْدِي لِأَحْسَنِهَا إِلَّا أَنْتَ، وَاصْرِفْ عَنِّي سَيِّئَهَا، لَا يَصْرِفُ عَنِّي سَيِّئَهَا إِلاَّ أَنْتَ.

হে আল্লাহ্‌! আপনিই অধিপতি, আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আপনি আমার রব্ব, আমি আপনার বান্দা। আমি আমার নিজের প্রতি অন্যায় করেছি এবং আমি আমার পাপসমূহ স্বীকার করছি। সুতরাং আপনি আমার সমুদয় গুনাহ মাফ করে দিন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করতে পারে না। আর আপনি আমাকে সর্বোত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করুন, আপনি ছাড়া আর কেউ উত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করতে পারে না। আর আপনি আমার থেকে আমার খারাপ চরিত্রগুলো দূরীভূত করুন, আপনি ব্যতীত আর কেউ সে খারাপ চরিত্রগুলো অপসারিত করতে পারে না।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭১

সানার দোয়া #৭

সানার দোয়া #৭

لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ، وَالْخَيْرُ كُلُّهُ بِيَـدَيْكَ، وَالشَّـرُّ لَيْسَ إِلَيْـكَ، أَنَا بِكَ وَإِلَيْكَ، تَبَارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ

লাব্বাইকা ওয়া সা‘দাইকা ওয়াল-খাইরু কুল্লুহু বিয়াদাইকা, ওয়াশ্‌শাররু লাইসা ইলাইকা। আনা বিকা ওয়া ইলাইকা, তাবা-রাক্‌তা ওয়া তা‘আ-লাইতা। আসতাগ্‌ফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইক

আমি আপনার হুকুম মানার জন্য সদা-সর্বদা হাজির, সকল কল্যাণই আপনার দু’হাতে নিহিত। অকল্যাণ আপনার দিকে নয় (অর্থাৎ মন্দকে আপনার দিকে সম্পৃক্ত করা উচিত নয়, অথবা মন্দ দ্বারা আপনার নিকটবর্তী হওয়া যায় না, বা মন্দ আপনার দিকে উঠে না)। আমি আপনার দ্বারাই (প্রতিষ্ঠিত আছি, সহযোগিতা পেয়ে থাকি) এবং আপনার দিকেই (আমার সকল প্রবণতা, বা আমার প্রত্যাবর্তন)। আপনি বরকতময় এবং আপনি সুঊচ্চ। আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাই এবং আপনার কাছে তাওবাহ্‌ করছি।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭১

لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ، وَالْخَيْرُ كُلُّهُ بِيَـدَيْكَ، وَالشَّـرُّ لَيْسَ إِلَيْـكَ، أَنَا بِكَ وَإِلَيْكَ، تَبَارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ

আমি আপনার হুকুম মানার জন্য সদা-সর্বদা হাজির, সকল কল্যাণই আপনার দু’হাতে নিহিত। অকল্যাণ আপনার দিকে নয় (অর্থাৎ মন্দকে আপনার দিকে সম্পৃক্ত করা উচিত নয়, অথবা মন্দ দ্বারা আপনার নিকটবর্তী হওয়া যায় না, বা মন্দ আপনার দিকে উঠে না)। আমি আপনার দ্বারাই (প্রতিষ্ঠিত আছি, সহযোগিতা পেয়ে থাকি) এবং আপনার দিকেই (আমার সকল প্রবণতা, বা আমার প্রত্যাবর্তন)। আপনি বরকতময় এবং আপনি সুঊচ্চ। আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাই এবং আপনার কাছে তাওবাহ্‌ করছি।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭১

সানার দোয়া #৮

সানার দোয়া #৮

অতঃপর বলবে -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ مِنْ نَفْخِهِ، وَنَفْثِهِ، وَهَمْزِهِ

আউযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নি, মিন নাফখিহী ওয়ানাফছিহী ওয়াহামযিহী

আমি শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় চাই। আশ্রয় চাই তার ফুঁ তথা দম্ভ-অহংকার থেকে, তার থুতু তথা কবিতা থেকে ও তার চাপ তথা পাগলামি থেকে।

রেফারেন্স: হাসান লি গাইরিহি (শুয়াআইব আরনাঊত)। আবু দাউদঃ ৭৬৪

অতঃপর বলবে -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ مِنْ نَفْخِهِ، وَنَفْثِهِ، وَهَمْزِهِ

আমি শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় চাই। আশ্রয় চাই তার ফুঁ তথা দম্ভ-অহংকার থেকে, তার থুতু তথা কবিতা থেকে ও তার চাপ তথা পাগলামি থেকে।

রেফারেন্স: হাসান লি গাইরিহি (শুয়াআইব আরনাঊত)। আবু দাউদঃ ৭৬৪

সানার দোয়া #১

সানার দোয়া #১

سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، وَتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَتَعَالَى جَدُّكَ، وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ

সুবহা-নাকাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবা-রাকাসমুকা ওয়া তা‘আ-লা জাদ্দুকা ওয়া লা- ইলা-হা গইরুক

হে আল্লাহ! আপনার প্রশংসাসহ আপনার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, আপনার নাম বড়ই বরকতময়, আপনার প্রতিপত্তি অতি উচ্চ। আর আপনি ব্যতীত অন্য কোনো হক্ব ইলাহ্‌ নেই।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৩৯৯

سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، وَتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَتَعَالَى جَدُّكَ، وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ

হে আল্লাহ! আপনার প্রশংসাসহ আপনার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, আপনার নাম বড়ই বরকতময়, আপনার প্রতিপত্তি অতি উচ্চ। আর আপনি ব্যতীত অন্য কোনো হক্ব ইলাহ্‌ নেই।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৩৯৯

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 সালাতের মাঝে শয়তানের কুমন্ত্রণা হতে বাঁচার দোয়া

📄 সালাতের মাঝে শয়তানের কুমন্ত্রণা হতে বাঁচার দোয়া


সালাতের মাঝে শয়তানের কুমন্ত্রণা হতে বাঁচার দোয়া

সালাতের মাঝে শয়তানের কুমন্ত্রণা হতে বাঁচার দোয়া

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ

আ‘উযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম

আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করছি বিতাড়িত শয়তান থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২২০৩

উসমান ইবনু আবীল আস (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ), শয়তান আমার ও আমার সালাতের মধ্যে বাধা দেয় এবং আমার কিরাআত এলোমেলো করে দেয়। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন: সে শয়তানের নাম: 'খিনযাব'। যখন এরূপ অনুভব করবে তখন (উপরের যিক্‌র) পাঠ করে তোমার বাম দিকে থুথু ফেলবে। তিনবার করবে। উসমান (রাঃ) বলেন: আমি এরূপ করলাম, ফলে আল্লাহ্‌ উক্ত শয়তানকে আমার থেকে দূর করে দিলেন।

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ

আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করছি বিতাড়িত শয়তান থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২২০৩

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 রুকুর দোয়া সমূহ

📄 রুকুর দোয়া সমূহ


রুকূর দোয়া সমূহ #১

রুকূর দোয়া সমূহ #১

শাক্বীক্ব (রাঃ) বলেন, হুযায়ফাহ্ (রাঃ) একজন লোককে দেখলেন, সে ঠিকমত রুকূ-সিজদা করল না। সে ছালাত শেষ করলে তিনি তাকে ডাকলেন। অতঃপর তাকে বললেন, তুমি ছালাত আদায় করনি। শাক্বীক্ব বলেন, আমি মনে করছি তিনি তাকে বললেন, তুমি এখন মারা গেলে তোমার মরণ এমন নীতির উপর হবে যা মুহাম্মাদ (ﷺ) যে নীতিতে রয়েছেন তার চেয়ে ভিন্ন। [১] কাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, সবচেয়ে নিকৃষ্ট চোর সে যে ছালাত চুরি করে। ছাহাবীগণ বললেন, কিভাবে ছালাত চুরি করে? রাসূল (ﷺ) বললেন, যে তার রুকূ-সিজদা পূর্ণ করে না'। [২]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৭৯১ [২] সহিহ। মিশকাতঃ ৮৮৫

শাক্বীক্ব (রাঃ) বলেন, হুযায়ফাহ্ (রাঃ) একজন লোককে দেখলেন, সে ঠিকমত রুকূ-সিজদা করল না। সে ছালাত শেষ করলে তিনি তাকে ডাকলেন। অতঃপর তাকে বললেন, তুমি ছালাত আদায় করনি। শাক্বীক্ব বলেন, আমি মনে করছি তিনি তাকে বললেন, তুমি এখন মারা গেলে তোমার মরণ এমন নীতির উপর হবে যা মুহাম্মাদ (ﷺ) যে নীতিতে রয়েছেন তার চেয়ে ভিন্ন। [১] কাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, সবচেয়ে নিকৃষ্ট চোর সে যে ছালাত চুরি করে। ছাহাবীগণ বললেন, কিভাবে ছালাত চুরি করে? রাসূল (ﷺ) বললেন, যে তার রুকূ-সিজদা পূর্ণ করে না'। [২]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৭৯১ [২] সহিহ। মিশকাতঃ ৮৮৫

রুকূর দোয়া সমূহ #২

রুকূর দোয়া সমূহ #২

কমপক্ষে ৩ বার এ তাসবীহ পাঠ করা -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ

সুব‘হা-না রাব্বিয়াল ‘আযীম

মহাপবিত্র আমার মহান প্রভু।

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিযীঃ ২৬২

মনের আবেগ নিয়ে এ ঘোষণা বার বার দিতে হবে। কমপক্ষে ৩ বার এ তাসবীহ পাঠ করা রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এর আচরিত ও নির্দেশিত কর্ম। অধিকাংশ বর্ণনায় “সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম” এবং কোনো কোনো হাদীসে “সুবাহানা রাব্বিয়াল আযীম ওয়া বিহামদিহী” বর্ণিত হয়েছে।

কমপক্ষে ৩ বার এ তাসবীহ পাঠ করা -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ

মহাপবিত্র আমার মহান প্রভু।

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিযীঃ ২৬২

রুকূর দোয়া সমূহ #৩

রুকূর দোয়া সমূহ #৩

কমপক্ষে ৩ বার এ তাসবীহ পাঠ করা -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ

সুব‘হা-না রাব্বিয়াল ‘আযীম ওয়া বিহামদিহী

আমি আমার মহান প্রভুর প্রশংসা-সহ পবিত্রতা বর্ণনা করছি।

রেফারেন্স: সনদ হাসান (শুয়াইব আরনা'ঊত)। আবু দাউদঃ ৮৭০

কমপক্ষে ৩ বার এ তাসবীহ পাঠ করা -

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ

আমি আমার মহান প্রভুর প্রশংসা-সহ পবিত্রতা বর্ণনা করছি।

রেফারেন্স: সনদ হাসান (শুয়াইব আরনা'ঊত)। আবু দাউদঃ ৮৭০

রুকূর দোয়া সমূহ #৪

রুকূর দোয়া সমূহ #৪

سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوْحِ

সুব্বু‘হুন ক্বুদ্দুসুন রাব্বুল মালা-ইকাতি ওয়াররূ‘হ

মহাপবিত্র, মহামহিম, ফিরিশতাগণের এবং পবিত্ৰাত্মার প্রভু।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭২

আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) রুকু ও সিজদায় এটি পাঠ করতেন।

سُبُّوْحٌ قُدُّوْسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوْحِ

মহাপবিত্র, মহামহিম, ফিরিশতাগণের এবং পবিত্ৰাত্মার প্রভু।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭২

রুকূর দোয়া সমূহ #৫

রুকূর দোয়া সমূহ #৫

اَللَّهُمَّ لَكَ رَكَعْتُ وَبِكَ آمَنْتُ وَلَكَ أَسْلَمْتُ خَشَعَ لَكَ سَمْعِيْ وَبَصَرِيْ وَمُخِّيْ وَعِظَامِيْ وَعَصَبِيْ

আল্ল-হুম্মা লাকা রাকা'তু ওয়া বিকা আ-মানতু ওয়া লাকা আস্‌লামতু, খাশা‘আ লাকা সাম'ই ওয়া বাসারী ওয়া মুখ্‌খী ওয়া ‘ইযা-মী ওয়া ‘আসাবী

হে আল্লাহ্‌, আপনারই জন্য রুকু করেছি, এবং আপনার উপরেই ঈমান এনেছি এবং আপনারই কাছে সমর্পিত হয়েছি। ভক্তিতে অবনত হয়েছে আপনার জন্য আমার শ্রবণ, আমার দৃষ্টি, আমার মস্তিষ্ক, আমার অস্থি ও আমার স্নায়ুতন্ত্র।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৭৬০

আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) রুকুতে এ কথাগুলো বলতেন।

اَللَّهُمَّ لَكَ رَكَعْتُ وَبِكَ آمَنْتُ وَلَكَ أَسْلَمْتُ خَشَعَ لَكَ سَمْعِيْ وَبَصَرِيْ وَمُخِّيْ وَعِظَامِيْ وَعَصَبِيْ

হে আল্লাহ্‌, আপনারই জন্য রুকু করেছি, এবং আপনার উপরেই ঈমান এনেছি এবং আপনারই কাছে সমর্পিত হয়েছি। ভক্তিতে অবনত হয়েছে আপনার জন্য আমার শ্রবণ, আমার দৃষ্টি, আমার মস্তিষ্ক, আমার অস্থি ও আমার স্নায়ুতন্ত্র।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৭৬০

রুকূর দোয়া সমূহ #৬

রুকূর দোয়া সমূহ #৬

আউফ ইবনু মালিক আশজাঈ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) রুকূতে বলতেন -

سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوْتِ وَالْمَلَكُوْتِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْعَظَمَةِ

সুবহা-নাযিল জাবারূতি ওয়াল মালাকূতি ওয়াল কিবরিয়া-ই ওয়াল ‘আযামাহ

পবিত্র ওই সত্তা, যিনি সর্বময় ক্ষমতা, সার্বভৌমত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্বের অধিকারী।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭৩

এরপর তিনি সিজদায় গিয়ে ততক্ষণ থাকেন, যতক্ষণ তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন। সিজদায় তিনি একই দোয়া পড়েন। তারপর সিজদা থেকে উঠে সূরা আল ইমরান ও অন্যান্য সূরা পাঠ করেন।

আউফ ইবনু মালিক আশজাঈ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) রুকূতে বলতেন -

سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوْتِ وَالْمَلَكُوْتِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْعَظَمَةِ

পবিত্র ওই সত্তা, যিনি সর্বময় ক্ষমতা, সার্বভৌমত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত্বের অধিকারী।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৮৭৩

রুকূর দোয়া সমূহ #৭

রুকূর দোয়া সমূহ #৭

‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস্‘ঊদ্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) রুকূ এবং সিজদায় বলতেন -

سُبْحَانَكَ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ اِلَيْكَ

সুব্‌হা-নাকা ওয়া বিহাম্‌দিকা আস্তাগ্‌ফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইক

তোমার প্রশংসা সহকারে তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করি। তোমার নিকট ক্ষমা চাই ও তোমার নিকট তাওবা করি।

রেফারেন্স: হাসান। সিলসিলা সহীহাঃ ৩০৩২

‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস্‘ঊদ্ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) রুকূ এবং সিজদায় বলতেন -

سُبْحَانَكَ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ اِلَيْكَ

তোমার প্রশংসা সহকারে তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করি। তোমার নিকট ক্ষমা চাই ও তোমার নিকট তাওবা করি।

রেফারেন্স: হাসান। সিলসিলা সহীহাঃ ৩০৩২

রুকূর দোয়া সমূহ #৮

রুকূর দোয়া সমূহ #৮

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي

সুবহা-নাকা আল্লা-হুম্মা রব্বানা ওয়াবিহামদিকা, আল্লা-হুম্মাগফির লী

হে আমাদের রব আল্লাহ্‌! তুমি ত্রুটিমুক্ত। প্রশংসা সবই তোমার। হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করে দাও। [১]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৭৯৪ [২] সূরা আন-নাসরঃ ১১০:৩

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী [২] আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রুকূ ও সিজদায় গিয়ে বেশি বেশি বলতেন - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي

হে আমাদের রব আল্লাহ্‌! তুমি ত্রুটিমুক্ত। প্রশংসা সবই তোমার। হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করে দাও। [১]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৭৯৪ [২] সূরা আন-নাসরঃ ১১০:৩

রুকূর দোয়া সমূহ #৯

রুকূর দোয়া সমূহ #৯

اَللَّهُمَّ لَكَ رَكَعْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، أَنْتَ رَبِّي، خَشَعَ لَكَ سَمْعِي وَبَصَرِي وَمُخِّي وَعَظْمِي وَعَصَبِي وَمَا اِسْتَقَلَّتْ بِهِ قَدَمِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

আল্লাহুম্মা লাকা রাকা’তু ওয়া বিকা আমানতু ওয়া লাকা আসলামতু, আনতা রাব্বি খাশা’আ লাকা সাম’ই ওয়া বাসারী ওয়া মুখখী ওয়া ‘আযমী ওয়া ‘আসাবি ওয়া মা ইসতাক্বাল্লাত বিহি ক্বাদামী লিল্লাহি রাব্বিল ‘আলামিন

হে আল্লাহ আমি আপনার প্রতি রুকু করেছি, ঈমান এনেছি, আত্মসমর্পন করেছি। আপনি আমার রব্ব, আমার কর্ণ-চক্ষু, মস্তিস্ক, আমার হাড়, রগ-মেরুদণ্ড এবং আমার পা, যা বহন করছে (অর্থাৎ আমার অস্তিত্ব) সবই আল্লাহ রাব্দুল আলামিনের সামনে অবনমিত হয়েছে।

রেফারেন্স: সহিহ (আল-আইনি)। নুখাবুল আফকার ৪/২৪৭

اَللَّهُمَّ لَكَ رَكَعْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، أَنْتَ رَبِّي، خَشَعَ لَكَ سَمْعِي وَبَصَرِي وَمُخِّي وَعَظْمِي وَعَصَبِي وَمَا اِسْتَقَلَّتْ بِهِ قَدَمِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

হে আল্লাহ আমি আপনার প্রতি রুকু করেছি, ঈমান এনেছি, আত্মসমর্পন করেছি। আপনি আমার রব্ব, আমার কর্ণ-চক্ষু, মস্তিস্ক, আমার হাড়, রগ-মেরুদণ্ড এবং আমার পা, যা বহন করছে (অর্থাৎ আমার অস্তিত্ব) সবই আল্লাহ রাব্দুল আলামিনের সামনে অবনমিত হয়েছে।

রেফারেন্স: সহিহ (আল-আইনি)। নুখাবুল আফকার ৪/২৪৭

রুকূর দোয়া সমূহ #১০

রুকূর দোয়া সমূহ #১০

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

সুব্‌হা-নাকা আল্লা-হুম্মা ওয়া-বিহাম্‌দিকা লা- ইলাহা- ইল্লা- আন্‌তা।

হে আল্লাহ! আমরা তোমার প্রশংসার সাথে তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। তুমি ব্যতীত সত্য কোন মা’বূদ নেই।

রেফারেন্স: সহিহ। নাসায়ীঃ ১১৩১

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ! আমরা তোমার প্রশংসার সাথে তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। তুমি ব্যতীত সত্য কোন মা’বূদ নেই।

রেফারেন্স: সহিহ। নাসায়ীঃ ১১৩১

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 রুকু থেকে উঠার দোয়া

📄 রুকু থেকে উঠার দোয়া


রুকু থেকে উঠার দোয়া #১

রুকু থেকে উঠার দোয়া #১

রুকু থেকে উঠার সময় বলতে হয় -

سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ

সামিয়াল্লা-হু লিমান হামিদাহ

আল্লাহ্‌ তার কথা শোনেন যে তাঁর প্রশংসা করে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৯৬

রুকু থেকে উঠার সময় বলতে হয় -

سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ

আল্লাহ্‌ তার কথা শোনেন যে তাঁর প্রশংসা করে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৯৬

রুকু থেকে উঠার দোয়া #২

রুকু থেকে উঠার দোয়া #২

اَللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ، مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ، وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ، أَهْلَ الثَّنَاءِ وَالْمَجْدِ، أَحَقُّ مَا قَالَ الْعَبْدُ، وَكُلُّنَا لَكَ عَبْدٌ، اَللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

আল্লা-হুম্মা রাব্বনা- লাকাল হামদু মিলআস সামাওয়া-তি ওয়া মিলআল আরদ্বি ওয়া মিলআ মা- শি‘তা মিন শাইয়িন বা’দু। আহলাছ ছানা-য়ী ওয়াল মাজদি, আহাক্কু মা- ক্বা-লাল ‘আবদু, ওয়া কুল্লুনা- লাকা 'আবদুন। আল্লা-হুম্মা লা মা-নি‘আ লিমা- আ‘ত্বাইতা, ওয়ালা- মু‘তিয়া লিমা- মানা‘তা, ওয়ালা- ইয়ানফা'উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু

হে আল্লাহ্‌! তোমার জন্য আসমান যমীন পরিপূর্ণ প্রশংসা আর এর ব্যতীত আরো অন্য বস্তু পরিপূর্ণ প্রশংসাও-যা তুমি চাও। তুমি প্রশংসা ও মর্যাদার একমাত্র অধিকারী, এটা বড়ই ন্যায্য কথা যা তোমার বান্দা বলল, আমরা সকলেই তোমারই বান্দা। হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের যা দেবে তাতে বাধা দেবার কেউ নেই এবং তুমি যা দেবে না তা দেবারও কেউ নেই। কোন শক্তিমানই সাহায্য করতে পারে না কারণ সকল শক্তিই তোমারই করায়ত্তে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৭

اَللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ، مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ، وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ، أَهْلَ الثَّنَاءِ وَالْمَجْدِ، أَحَقُّ مَا قَالَ الْعَبْدُ، وَكُلُّنَا لَكَ عَبْدٌ، اَللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

হে আল্লাহ্‌! তোমার জন্য আসমান যমীন পরিপূর্ণ প্রশংসা আর এর ব্যতীত আরো অন্য বস্তু পরিপূর্ণ প্রশংসাও-যা তুমি চাও। তুমি প্রশংসা ও মর্যাদার একমাত্র অধিকারী, এটা বড়ই ন্যায্য কথা যা তোমার বান্দা বলল, আমরা সকলেই তোমারই বান্দা। হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের যা দেবে তাতে বাধা দেবার কেউ নেই এবং তুমি যা দেবে না তা দেবারও কেউ নেই। কোন শক্তিমানই সাহায্য করতে পারে না কারণ সকল শক্তিই তোমারই করায়ত্তে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৪৭৭

ফন্ট সাইজ
15px
17px