📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 আযানের সময় যা বলতে হবে

📄 আযানের সময় যা বলতে হবে


আযানের সময় যা বলতে হবে #১

আযানের সময় যা বলতে হবে #১

উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন মুআযযিন বলে “আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার”, তখন তোমাদের কেউ যদি বলে “আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার; যখন মুআযযিন বলে “আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”, সে যদি বলে “আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”; যখন মুআযযিন বলে “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ্‌, সে যদি বলে “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ্‌”; যখন মুআযযিন বলে “'হাইয়া আলাস সলাহ্”, সে যদি বলে “লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ"; যখন মুআযযিন বলে “'হাইয়া আলাল ফালাহ”, সে যদি বলে “লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ”; যখন মুআযযিন বলে “আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার”, সে যদি বলে “আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার”, এরপর যখন মুআযযিন বলে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”, সে যদি বলে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” যদি সে হৃদয় থেকে এসব বলে, তা হলে সে জান্নাতে যাবে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৩৮৫

উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন মুআযযিন বলে “আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার”, তখন তোমাদের কেউ যদি বলে “আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার; যখন মুআযযিন বলে “আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”, সে যদি বলে “আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”; যখন মুআযযিন বলে “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ্‌, সে যদি বলে “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ্‌”; যখন মুআযযিন বলে “'হাইয়া আলাস সলাহ্”, সে যদি বলে “লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ"; যখন মুআযযিন বলে “'হাইয়া আলাল ফালাহ”, সে যদি বলে “লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ”; যখন মুআযযিন বলে “আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার”, সে যদি বলে “আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার”, এরপর যখন মুআযযিন বলে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”, সে যদি বলে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” যদি সে হৃদয় থেকে এসব বলে, তা হলে সে জান্নাতে যাবে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৩৮৫

আযানের সময় যা বলতে হবে #২

আযানের সময় যা বলতে হবে #২

মুয়াযযিন তাশাহুদ (তথা আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার...) উচ্চারণ করার পরই শ্রোতারা এ যিক্‌রটি বলবে -

أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا

আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু, লা-শারীকা লাহু, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু, ওয়া রসূলুহু, রাদ্বীতু বিল্লা-হি রব্বান ওয়াবি মু'হাম্মাদিন রসূলান ওয়াবিল ইসলা-মী দ্বীনান

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) তাঁর বান্দা ও রাসূল। আমি আল্লাহ্‌কে রব্ব, মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে রাসূল এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে গ্রহণ করে সন্তুষ্ট।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৩৮৬

সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন: “যে ব্যক্তি মুআযযিনকে শুনে এ বাক্যগুলো বলবে তার সকল পাপ ক্ষমা করা হবে।”

মুয়াযযিন তাশাহুদ (তথা আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার...) উচ্চারণ করার পরই শ্রোতারা এ যিক্‌রটি বলবে -

أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। এবং রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) তাঁর বান্দা ও রাসূল। আমি আল্লাহ্‌কে রব্ব, মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে রাসূল এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে গ্রহণ করে সন্তুষ্ট।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৩৮৬

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 আযানের পরে যা বলতে হবে

📄 আযানের পরে যা বলতে হবে


আযানের পরে পঠিতব্য দোয়া #১

আযানের পরে পঠিতব্য দোয়া #১

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اَللَّهُمَّ بَارِكَ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

আল্লা-হুম্মা সাল্লি ‘আলা মু‘হাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আলী মু‘হাম্মাদিন কামা- সাল্লাইতা ‘আলা ইব্রাহীমা ওয়া ‘আলা আলী ইব্রাহীমা ইন্নাকা ‘হামিদুম মাজীদ। আল্লা-হুম্মা বা-রিক ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আলী মু‘হাম্মাদিন কামা- বা-রকতা ‘আলা ইব্রাহীমা ওয়া ‘আলা আলী ইব্রাহীমা ইন্নাকা ‘হামিদুম মাজীদ

হে আল্লাহ্‌! আপনি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর এবং মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেরূপ আপনি ইবরাহীম (‘আঃ) এবং তাঁর বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত, অত্যন্ত মর্যাদার অধিকারী। হে আল্লাহ্‌! আপনি মুহাম্মাদ (ﷺ) ও তাঁর বংশধরদের উপর তেমনি বরকত দান করুন যেমনি বরকত দান করেছেন ইবরাহীম (‘আঃ) ও তাঁর বংশধরদের উপর। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত, অতি মর্যাদার অধিকারী।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৩৮৪

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন: “যখন তোমরা মুয়াযযিনকে আযান দিতে শুনবে, তখন সে যেরূপ বলে অনুরূপ বলবে। এরপর আমার উপর দুরুদ পাঠ করবে; কারণ যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দুরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ্‌ তাঁকে দশবার সালাত (রহমত) প্রদান করবেন। এরপর আমার জন্য ‘ওসীলা’ চাইবে; কারণ ‘ওসীলা’ জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান, আল্লাহ্‌র একজন বান্দাই এ মর্যাদা লাভ করবেন এবং আমি আশা করি আমিই হব সেই বান্দা। যে ব্যক্তি আমার জন্য ‘ওসীলা’ প্রার্থনা করবে, তার জন্য শাফায়াত প্রাপ্য হয়ে যাবে।

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اَللَّهُمَّ بَارِكَ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

হে আল্লাহ্‌! আপনি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর উপর এবং মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেরূপ আপনি ইবরাহীম (‘আঃ) এবং তাঁর বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত, অত্যন্ত মর্যাদার অধিকারী। হে আল্লাহ্‌! আপনি মুহাম্মাদ (ﷺ) ও তাঁর বংশধরদের উপর তেমনি বরকত দান করুন যেমনি বরকত দান করেছেন ইবরাহীম (‘আঃ) ও তাঁর বংশধরদের উপর। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত, অতি মর্যাদার অধিকারী।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৩৮৪

আযানের পরে পঠিতব্য দোয়া #২

আযানের পরে পঠিতব্য দোয়া #২

اَللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ، آتِ مُحَمَّدًا وَالْوَسِيْلَةَ وَالْفَضِيْلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُوْدًا الَّذِيْ وَعَدْتَهُ

আল্লা-হুম্মা, রাব্বা হা-যিহিদ দা‘অ্‌ওয়াতিত তা-ম্মাতি ওয়াস স্বালা-তিল ক্বা-য়িমাহ, আ-তি মু‘হাম্মাদান আল-ওয়াসীলাতা ওয়াল ফাদ্বীলাতা, ওয়াব'আছহু মাক্বা-মাম মা‘হমুদানিল্‌লাযী ও‘য়াদতাহু

হে আল্লাহ্‌, এ পরিপূর্ণ আহ্বান এবং প্রতিষ্ঠিত সালাতের মালিক, আপনি মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে ওসীলা (নৈকট্য) এবং মহা মর্যাদা দান করুন এবং তাকে সম্মানিত অবস্থানে উন্নীত করুন, যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাঁকে দিয়েছেন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬১৪

اَللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ، آتِ مُحَمَّدًا وَالْوَسِيْلَةَ وَالْفَضِيْلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُوْدًا الَّذِيْ وَعَدْتَهُ

হে আল্লাহ্‌, এ পরিপূর্ণ আহ্বান এবং প্রতিষ্ঠিত সালাতের মালিক, আপনি মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে ওসীলা (নৈকট্য) এবং মহা মর্যাদা দান করুন এবং তাকে সম্মানিত অবস্থানে উন্নীত করুন, যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাঁকে দিয়েছেন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬১৪

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 আযান ও ইক্বামতের মধ্যবর্তী সময় দোয়া

📄 আযান ও ইক্বামতের মধ্যবর্তী সময় দোয়া


আযান ও ইক্বামতের মধ্যবর্তী সময় দোয়া করার মহত্ত্ব

আযান ও ইক্বামতের মধ্যবর্তী সময় দোয়া করার মহত্ত্ব

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, “আযান ও ইক্বামতের মধ্যবর্তী সময় দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।”

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ২১২

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, “আযান ও ইক্বামতের মধ্যবর্তী সময় দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।”

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ২১২

ইকামতের জবাব

ইকামতের জবাব

ইকামত দেয়ার সময় মুস্বল্লীগণ মুআযযিনের সাথে সাথে ইকামতের শব্দগুলি বলবে। রাসূল (ﷺ) আযান ও ইকামত উভয়কেই আযান বলেছেন। [১]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৬১১ [২] যঈফ। আবূ দাঊদঃ ৫২৮

উল্লেখ্য যে, ‘কাদ্ ক্ব-মাতিস্ব্ স্বলা-হ্’ এর জবাবে ‘আক্বামাহাল্লাহু ওয়া আদামাহা’ বলার হাদীসটি যঈফ। [২] অতএব ইকামতের শব্দগুলির জবাবে মুস্বল্লীদেরও আযানের অনুরূপই বলতে হবে।

ইকামত দেয়ার সময় মুস্বল্লীগণ মুআযযিনের সাথে সাথে ইকামতের শব্দগুলি বলবে। রাসূল (ﷺ) আযান ও ইকামত উভয়কেই আযান বলেছেন। [১]

রেফারেন্স: [১] বুখারীঃ ৬১১ [২] যঈফ। আবূ দাঊদঃ ৫২৮

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 ইমাম ও মুআযযিনের জন্য দোয়া

📄 ইমাম ও মুআযযিনের জন্য দোয়া


ইমাম ও মুআযযিনের জন্য দোয়া

ইমাম ও মুআযযিনের জন্য দোয়া

আবূ হুরায়রাহ্‌‌ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ইমাম যিম্মাদার এবং মুআযযিন আমানতদার।

اَللَّهُمَّ أَرْشِدِ الْأَئِمَّةَ وَاغْفِرْ لِلْمُؤَذِّنِيْنَ

আল্ল-হুম্মা আরশিদি্‌ল আইম্মাতা ওয়াগ্‌ফির লিল্ মুওয়ায্যিনীন্

হে আল্লাহ্‌! তুমি ইমামদের সঠিক পথ প্রদর্শন করো এবং মুআযযিনদের ক্ষমা করো।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ৫১৭

আবূ হুরায়রাহ্‌‌ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ইমাম যিম্মাদার এবং মুআযযিন আমানতদার।

اَللَّهُمَّ أَرْشِدِ الْأَئِمَّةَ وَاغْفِرْ لِلْمُؤَذِّنِيْنَ

হে আল্লাহ্‌! তুমি ইমামদের সঠিক পথ প্রদর্শন করো এবং মুআযযিনদের ক্ষমা করো।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ৫১৭

ফন্ট সাইজ
15px
17px