📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 কর্মব্যস্ত অবস্থার যিক্‌র

📄 কর্মব্যস্ত অবস্থার যিক্‌র


সর্বদা পালনীয় একটি দোয়া

সর্বদা পালনীয় একটি দোয়া

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِيْ وَاهْدِنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ

আল্লা-হুম্মাগ্‌ ফিরলী, ওয়ার’হামনী, ওয়াহদিনী, ওয়া ‘আ-ফিনী, ওয়ারযুক্বনী

হে আল্লাহ্‌, আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে দয়া করুন, আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন, আমাকে সার্বিক নিরাপত্তা ও সুস্থতা দান করুন এবং আমাকে রিযিক দান করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৬৯৭

আবু মালিক আশ'আরী (রাঃ) তাঁর পিতা আসিম (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন, কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) তাকে উপরের বাক্যগুলি দিয়ে বেশি বেশি দোয়া করতে শেখাতেন।

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِيْ وَاهْدِنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ

হে আল্লাহ্‌, আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে দয়া করুন, আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন, আমাকে সার্বিক নিরাপত্তা ও সুস্থতা দান করুন এবং আমাকে রিযিক দান করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৬৯৭

বাজার, শহর বা কর্মস্থলের যিক্‌র

বাজার, শহর বা কর্মস্থলের যিক্‌র

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ، وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوتُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া‘হদাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল ‘হামদু, ইউ‘হয়ী ওয়া ইউমীতু ওয়া হুআ হাইয়ুন লা ইয়ামুতু, বিইয়াদিহিল খাইরু ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তারই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনিই জীবন দান করেন এবং মৃত্যু দান করেন। তাঁর হাতেই সকল কল্যাণ এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৪২৮

উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি বাজারে (শহর, বন্দর বা কর্মস্থলে) প্রবেশ করে এ যিক্‌র গুলো বলবে, আল্লাহ্‌ তাঁর জন্য দশ লক্ষ সাওয়াব লিখবেন, তাঁর দশ লাখ (সাধারণ ছোট-খাট) গোনাহ মুছে দিবেন, তাঁর দশ লাখ মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন এবং তার জন্য জান্নাতে একটি বাড়ি তৈরি করবেন।”

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ، وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوتُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তারই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনিই জীবন দান করেন এবং মৃত্যু দান করেন। তাঁর হাতেই সকল কল্যাণ এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৪২৮

দাজ্জালের ফিতনা থেকে আত্মরক্ষার দোয়া

দাজ্জালের ফিতনা থেকে আত্মরক্ষার দোয়া

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন -

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ اَلْحَمْدُ لِلَّـهِ الَّذِي أَنزَلَ عَلَىٰ عَبْدِهِ الْكِتَابَ وَلَمْ يَجْعَل لَّهُ عِوَجًا ۜ ﴿١﴾ قَيِّمًا لِّيُنذِرَ بَأْسًا شَدِيدًا مِّن لَّدُنْهُ وَيُبَشِّرَ الْمُؤْمِنِينَ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ أَجْرًا حَسَنًا ﴿٢﴾ مَّاكِثِينَ فِيهِ أَبَدًا ﴿٣﴾ وَيُنذِرَ الَّذِينَ قَالُوا اتَّخَذَ اللَّـهُ وَلَدًا ﴿٤﴾ مَّا لَهُم بِهِ مِنْ عِلْمٍ وَلَا لِآبَائِهِمْ ۚ كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ ۚ إِن يَقُولُونَ إِلَّا كَذِبًا ﴿٥﴾ فَلَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَّفْسَكَ عَلَىٰ آثَارِهِمْ إِن لَّمْ يُؤْمِنُوا بِهَـٰذَا الْحَدِيثِ أَسَفًا ﴿٦﴾ إِنَّا جَعَلْنَا مَا عَلَى الْأَرْضِ زِينَةً لَّهَا لِنَبْلُوَهُمْ أَيُّهُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا ﴿٧﴾ وَإِنَّا لَجَاعِلُونَ مَا عَلَيْهَا صَعِيدًا جُرُزًا ﴿٨﴾ أَمْ حَسِبْتَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا ﴿٩﴾ إِذْ أَوَى الْفِتْيَةُ إِلَى الْكَهْفِ فَقَالُوا رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا ﴿١٠﴾

(১) সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র, যিনি তাঁর বান্দার উপর কিতাব নাযিল করেছেন এবং তাতে রাখেননি কোন বক্রতা। (২) সরলরূপে, যাতে সে তাঁর পক্ষ থেকে কঠিন আযাব সম্পর্কে সতর্ক করে এবং সুসংবাদ দেয়, সেসব মুমিনকে, যারা সৎকর্ম করে, নিশ্চয় তাদের জন্য রয়েছে উত্তম প্রতিদান। (৩) তারা তাতে অনন্তকাল অবস্থান করবে। (৪) আর যেন সতর্ক করে তাদেরকে, যারা বলে, আল্লাহ্‌ সন্তান গ্রহণ করেছেন’। (৫) এ ব্যাপারে তাদের কোন জ্ঞান নেই এবং তাদের পিতৃপুরুষদেরও না। বড় মারাত্মক কথা, যা তাদের মুখ থেকে বের হয়। মিথ্যা ছাড়া তারা কিছুই বলে না! (৬) হয়তো তুমি তাদের পেছনে পেছনে ঘুরে দুঃখে নিজকে শেষ করে দেবে, যদি তারা এই কথার প্রতি ঈমান না আনে। (৭) নিশ্চয় যমীনের উপর যা রয়েছে, তা আমি শোভা করেছি তার জন্য, যাতে তাদেরকে পরীক্ষা করি যে, কর্মে তাদের মধ্যে কে উত্তম। (৮) আর নিশ্চয় তার উপর যা রয়েছে তাকে আমি উদ্ভিদহীন শুষ্ক মাটিতে পরিণত করব। (৯) তুমি কি মনে করেছো যে, গুহা ও রাকীমের অধিবাসীরা ছিল আমার আয়াতসমূহের এক বিস্ময়? (১০) যখন যুবকরা গুহায় আশ্রয় নিল অতঃপর বলল, ‘হে আমাদের রব, আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত দিন এবং আমাদের জন্য আমাদের কর্মকান্ড সঠিক করে দিন’। (সূরা কাহফঃ ১-১০)

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮০৯

রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি সূরা কাহফ-এর প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে সে দাজ্জাল থেকে সংরক্ষিত থাকবে।’’

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন -

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ اَلْحَمْدُ لِلَّـهِ الَّذِي أَنزَلَ عَلَىٰ عَبْدِهِ الْكِتَابَ وَلَمْ يَجْعَل لَّهُ عِوَجًا ۜ ﴿١﴾ قَيِّمًا لِّيُنذِرَ بَأْسًا شَدِيدًا مِّن لَّدُنْهُ وَيُبَشِّرَ الْمُؤْمِنِينَ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ أَجْرًا حَسَنًا ﴿٢﴾ مَّاكِثِينَ فِيهِ أَبَدًا ﴿٣﴾ وَيُنذِرَ الَّذِينَ قَالُوا اتَّخَذَ اللَّـهُ وَلَدًا ﴿٤﴾ مَّا لَهُم بِهِ مِنْ عِلْمٍ وَلَا لِآبَائِهِمْ ۚ كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ ۚ إِن يَقُولُونَ إِلَّا كَذِبًا ﴿٥﴾ فَلَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَّفْسَكَ عَلَىٰ آثَارِهِمْ إِن لَّمْ يُؤْمِنُوا بِهَـٰذَا الْحَدِيثِ أَسَفًا ﴿٦﴾ إِنَّا جَعَلْنَا مَا عَلَى الْأَرْضِ زِينَةً لَّهَا لِنَبْلُوَهُمْ أَيُّهُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا ﴿٧﴾ وَإِنَّا لَجَاعِلُونَ مَا عَلَيْهَا صَعِيدًا جُرُزًا ﴿٨﴾ أَمْ حَسِبْتَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا ﴿٩﴾ إِذْ أَوَى الْفِتْيَةُ إِلَى الْكَهْفِ فَقَالُوا رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا ﴿١٠﴾

(১) সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র, যিনি তাঁর বান্দার উপর কিতাব নাযিল করেছেন এবং তাতে রাখেননি কোন বক্রতা। (২) সরলরূপে, যাতে সে তাঁর পক্ষ থেকে কঠিন আযাব সম্পর্কে সতর্ক করে এবং সুসংবাদ দেয়, সেসব মুমিনকে, যারা সৎকর্ম করে, নিশ্চয় তাদের জন্য রয়েছে উত্তম প্রতিদান। (৩) তারা তাতে অনন্তকাল অবস্থান করবে। (৪) আর যেন সতর্ক করে তাদেরকে, যারা বলে, আল্লাহ্‌ সন্তান গ্রহণ করেছেন’। (৫) এ ব্যাপারে তাদের কোন জ্ঞান নেই এবং তাদের পিতৃপুরুষদেরও না। বড় মারাত্মক কথা, যা তাদের মুখ থেকে বের হয়। মিথ্যা ছাড়া তারা কিছুই বলে না! (৬) হয়তো তুমি তাদের পেছনে পেছনে ঘুরে দুঃখে নিজকে শেষ করে দেবে, যদি তারা এই কথার প্রতি ঈমান না আনে। (৭) নিশ্চয় যমীনের উপর যা রয়েছে, তা আমি শোভা করেছি তার জন্য, যাতে তাদেরকে পরীক্ষা করি যে, কর্মে তাদের মধ্যে কে উত্তম। (৮) আর নিশ্চয় তার উপর যা রয়েছে তাকে আমি উদ্ভিদহীন শুষ্ক মাটিতে পরিণত করব। (৯) তুমি কি মনে করেছো যে, গুহা ও রাকীমের অধিবাসীরা ছিল আমার আয়াতসমূহের এক বিস্ময়? (১০) যখন যুবকরা গুহায় আশ্রয় নিল অতঃপর বলল, ‘হে আমাদের রব, আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত দিন এবং আমাদের জন্য আমাদের কর্মকান্ড সঠিক করে দিন’। (সূরা কাহফঃ ১-১০)

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮০৯

বদনজর ও রোগব্যাধি থেকে হিফাযতের দোয়া

বদনজর ও রোগব্যাধি থেকে হিফাযতের দোয়া

أُعِيذُكُمَا [أَعُوْذُ] بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ

উ’ঈযুকুমা (নিজের জন্য পড়লে: আ‘উযু) বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শাইতানিওঁ ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনিন লা-ম্মাহ

আমি তোমাদেরকে আশ্রয়ে রাখছি (অথবা, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি) আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ কথাসমূহের, সকল শয়তান থেকে, সকল ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও প্রাণি থেকে এবং সকল ক্ষতিকারক দৃষ্টি থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৭১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) এ বাক্যগুলো দ্বারা হাসান (রাঃ) ও হুসাইন (রাঃ)- কে হেফাজত করাতেন। তিনি বলতেন, ইবরাহীম (আঃ) এ বাক্যদ্বারা তার দু সন্তান ইসমাঈল ও ইসহাককে (আঃ) হেফাজত করাতেন।

أُعِيذُكُمَا [أَعُوْذُ] بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ

আমি তোমাদেরকে আশ্রয়ে রাখছি (অথবা, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি) আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ কথাসমূহের, সকল শয়তান থেকে, সকল ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও প্রাণি থেকে এবং সকল ক্ষতিকারক দৃষ্টি থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৭১

ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া

ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া

اَللَّهُمَّ اِنَّا نَعُوْذُ بِكَ اَنْ نَرْجِعَ عَلٰى أَعْقَابِنَا أَوْ نُفْتَنَ عَنْ دِيْنِنَا.

আল্লা-হুম্মা ইন্না না’ঊযু বিকা আন নারজি’য়া আ’লা আ’ক্বা-বিনা আও নুফ্‌তানা আন দিনিনা।

হে আল্লাহ, উল্টো পায়ে (নিজেদের পূর্বের অবস্থায়) ফিরে যাওয়া থেকে অথবা দীনের ব্যাপারে আমরা ফেতনায় আক্রান্ত হওয়া থেকে আমরা আপনার নিকটে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৫৯৩

اَللَّهُمَّ اِنَّا نَعُوْذُ بِكَ اَنْ نَرْجِعَ عَلٰى أَعْقَابِنَا أَوْ نُفْتَنَ عَنْ دِيْنِنَا.

হে আল্লাহ, উল্টো পায়ে (নিজেদের পূর্বের অবস্থায়) ফিরে যাওয়া থেকে অথবা দীনের ব্যাপারে আমরা ফেতনায় আক্রান্ত হওয়া থেকে আমরা আপনার নিকটে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৫৯৩

সঠিক পথনির্দেশনা পাওয়ার দোয়া

সঠিক পথনির্দেশনা পাওয়ার দোয়া

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَهْدِيكَ لِأَرْشَدِ أَمْرِي، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِيْ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আসতাহদিকা লি-আরশাদি আমরি, ওয়া ‘আউযুবিকা মিন শাররি নাফসি

হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে হেদায়েত চাই সকল বিষয়ে সঠিক পথনির্দেশনা, এবং আপনার কাছে আমার নিজের খারাপি থেকে আশ্রয় চাই

রেফারেন্স: সহিহ। সহিহ আল-মাওয়ারিদ ২০৫৯

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَهْدِيكَ لِأَرْشَدِ أَمْرِي، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِيْ

হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে হেদায়েত চাই সকল বিষয়ে সঠিক পথনির্দেশনা, এবং আপনার কাছে আমার নিজের খারাপি থেকে আশ্রয় চাই

রেফারেন্স: সহিহ। সহিহ আল-মাওয়ারিদ ২০৫৯

নফসের অকল্যাণ থেকে নিরাপদ থাকার দোয়া

নফসের অকল্যাণ থেকে নিরাপদ থাকার দোয়া

اَللَّهُمَّ قِنِيْ شَرَّ نَفْسِيْ، وَاعْزِمْ لِيْ عَلٰى أَرْشَدِ أَمْرِيْ اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيْ مَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ، وَمَا أَخْطَأْتُ وَمَا عَمَدْتُّ، وَمَا جَهِلْتُ.

আল্লা-হুম্মা ক্বিনী শার্‌রা নাফ্‌সী, ওয়া’যিম লি আলা- আর্‌শাদি আম্‌রি, আল্লা-হুম্মাগফির লি মা- আস্‌রারতু ওয়ামা- আ’লানতু ওয়ামা- আখ্‌ত্বা’তু ওয়ামা- আমাদ্‌তু ওয়ামা- জাহিলতু।

হে আল্লাহ, আপনি আমাকে আমার নফসের অকল্যাণ থেকে নিরাপদ রাখুন। আমাকে সব কাজে কল্যাণের দৃঢ় ইচ্ছা দান করুন। হে আল্লাহ, আমি যা প্রকাশ্যে করেছি এবং যা গােপনে করেছি, যা ইচ্ছায় করেছি, যা অনিচ্ছায় করেছি এবং যা অজ্ঞতায় করেছি, সব ক্ষমা করে দিন।

রেফারেন্স: সহিহ (শুয়াইব আল-আরনাঊত)। মুসনাদে আহমাদ ১৯৯৯২

اَللَّهُمَّ قِنِيْ شَرَّ نَفْسِيْ، وَاعْزِمْ لِيْ عَلٰى أَرْشَدِ أَمْرِيْ اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيْ مَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ، وَمَا أَخْطَأْتُ وَمَا عَمَدْتُّ، وَمَا جَهِلْتُ.

হে আল্লাহ, আপনি আমাকে আমার নফসের অকল্যাণ থেকে নিরাপদ রাখুন। আমাকে সব কাজে কল্যাণের দৃঢ় ইচ্ছা দান করুন। হে আল্লাহ, আমি যা প্রকাশ্যে করেছি এবং যা গােপনে করেছি, যা ইচ্ছায় করেছি, যা অনিচ্ছায় করেছি এবং যা অজ্ঞতায় করেছি, সব ক্ষমা করে দিন।

রেফারেন্স: সহিহ (শুয়াইব আল-আরনাঊত)। মুসনাদে আহমাদ ১৯৯৯২

ফন্ট সাইজ
15px
17px