📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 যাদের দোয়া কবুল হয়

📄 যাদের দোয়া কবুল হয়


এক মুসলিমের অনুপস্থিতিতে আরেক মুসলিমের দোয়া

এক মুসলিমের অনুপস্থিতিতে আরেক মুসলিমের দোয়া

উম্মুদ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি সাফওয়ান (রাঃ) কে বলেন, “আপনি কি এ বছর হজ্জে যাবেন?” তিনি বলেন, “হ্যাঁ!” উম্মুদ দারদা (রাঃ) বলেন, “তা হলে আল্লাহ্‌র কাছে আমাদের কল্যাণের জন্য দোয়া করুন। কারণ নবী (ﷺ) বলতেন, ‘এক মুসলিমের অনুপস্থিতিতে তার আরেক মুসলিম ভাই দোয়া করলে, ওই দোয়া কবুল হয়; তার মাথার পাশে একজন ফেরেশতা থাকে, যখনই সে তার ভাইয়ের কল্যাণের জন্য দোয়া করে, তখনই তার জন্য নিযুক্ত ফেরেশতা বলে ওঠে-তোমাকেও অনুরূপ দেওয়া হোক!'

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭৩৩

উম্মুদ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি সাফওয়ান (রাঃ) কে বলেন, “আপনি কি এ বছর হজ্জে যাবেন?” তিনি বলেন, “হ্যাঁ!” উম্মুদ দারদা (রাঃ) বলেন, “তা হলে আল্লাহ্‌র কাছে আমাদের কল্যাণের জন্য দোয়া করুন। কারণ নবী (ﷺ) বলতেন, ‘এক মুসলিমের অনুপস্থিতিতে তার আরেক মুসলিম ভাই দোয়া করলে, ওই দোয়া কবুল হয়; তার মাথার পাশে একজন ফেরেশতা থাকে, যখনই সে তার ভাইয়ের কল্যাণের জন্য দোয়া করে, তখনই তার জন্য নিযুক্ত ফেরেশতা বলে ওঠে-তোমাকেও অনুরূপ দেওয়া হোক!'

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭৩৩

মজলুমের দোয়া

মজলুমের দোয়া

নবী (ﷺ) বলেন, “মজলুমের ফরিয়াদ থেকে সতর্ক থেকো, কারণ মজলুমের ফরিয়াদ ও আল্লাহ্‌র মধ্যে কোনও পর্দা থাকে না।”

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৪৯৬

নবী (ﷺ) বলেন, “মজলুমের ফরিয়াদ থেকে সতর্ক থেকো, কারণ মজলুমের ফরিয়াদ ও আল্লাহ্‌র মধ্যে কোনও পর্দা থাকে না।”

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৪৯৬

মজলুুমের দোয়া কবুলের উদাহরণ

মজলুুমের দোয়া কবুলের উদাহরণ

মজলুমের দোয়া কবুল হওয়ার একটি উদাহরণ হলো-আবু সা’দাহ্-র সঙ্গে সাদ (রাঃ) এর ঘটনা। সাদ (রাঃ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে সা’দাহ্ বলেন, “তোমরা যেহেতু আমাদের কাছ থেকে শপথ নিয়েছ, তাই বলছি: সাদ (রাঃ) সেনাবাহিনীর সঙ্গে যেতেন না, যুদ্ধলব্ধ সম্পদ বণ্টনে সমতা বজায় রাখতেন না এবং বিচার করার সময় ইনসাফ করতেন না। সাদ (রাঃ) বলেন, “শুনে রাখো! শপথ আল্লাহ্‌র, আমি (তার জন্য) তিনটি দোয়া করছি, হে আল্লাহ্‌! তোমার এ বান্দা যদি মিথ্যুক হয়ে থাকে এবং মানুষের সামনে নিজেকে জাহির করার জন্য এ কথা বলে থাকে, তা হলে তুমি তাকে দীর্ঘ হায়াত দাও, তার দারিদ্র্যকে দীর্ঘায়িত করো এবং তাকে নানা পরীক্ষার মুখোমুখি করো!” পরবর্তী সময়ে আবু সা’দাহ্-‌কে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলত, “আমি হলাম নানা পরীক্ষায় জর্জরিত এক বুড়ো। সাদের (বদ) দোয়া আমার উপর লেগেছে।” আবদুল মালিক (রহঃ) বলেন, পরবর্তীকালে আমি তাকে দেখেছি-বার্ধক্যের দরুন তার ভ্রূ গুলো চোখের উপর নেমে এসেছে, আর সে রাস্তায় ছোটো ছোটো মেয়েদেরকে বিরক্ত করত।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৫৫

মজলুমের দোয়া কবুল হওয়ার একটি উদাহরণ হলো-আবু সা’দাহ্-র সঙ্গে সাদ (রাঃ) এর ঘটনা। সাদ (রাঃ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে সা’দাহ্ বলেন, “তোমরা যেহেতু আমাদের কাছ থেকে শপথ নিয়েছ, তাই বলছি: সাদ (রাঃ) সেনাবাহিনীর সঙ্গে যেতেন না, যুদ্ধলব্ধ সম্পদ বণ্টনে সমতা বজায় রাখতেন না এবং বিচার করার সময় ইনসাফ করতেন না। সাদ (রাঃ) বলেন, “শুনে রাখো! শপথ আল্লাহ্‌র, আমি (তার জন্য) তিনটি দোয়া করছি, হে আল্লাহ্‌! তোমার এ বান্দা যদি মিথ্যুক হয়ে থাকে এবং মানুষের সামনে নিজেকে জাহির করার জন্য এ কথা বলে থাকে, তা হলে তুমি তাকে দীর্ঘ হায়াত দাও, তার দারিদ্র্যকে দীর্ঘায়িত করো এবং তাকে নানা পরীক্ষার মুখোমুখি করো!” পরবর্তী সময়ে আবু সা’দাহ্-‌কে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলত, “আমি হলাম নানা পরীক্ষায় জর্জরিত এক বুড়ো। সাদের (বদ) দোয়া আমার উপর লেগেছে।” আবদুল মালিক (রহঃ) বলেন, পরবর্তীকালে আমি তাকে দেখেছি-বার্ধক্যের দরুন তার ভ্রূ গুলো চোখের উপর নেমে এসেছে, আর সে রাস্তায় ছোটো ছোটো মেয়েদেরকে বিরক্ত করত।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৭৫৫

রোযাদারের দোয়া

রোযাদারের দোয়া

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না: ইফতারের আগ পর্যন্ত রোযাদারের দোয়া, ন্যায়পরায়ণ শাসকের দোয়া ও মজলুমের দোয়া; আল্লাহ্‌ (তাদের) দোয়াকে মেঘমালার উপরে উঠিয়ে এর জন্য আকাশের দরজাগুলো খুলে দেন। এরপর আল্লাহ্‌ বলেন, “আমার শক্তিমত্তার কসম! একটু পরে হলেও, আমি তোমাকে অবশ্যই সাহায্য করব।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযিঃ ৩৫৯৮

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না: ইফতারের আগ পর্যন্ত রোযাদারের দোয়া, ন্যায়পরায়ণ শাসকের দোয়া ও মজলুমের দোয়া; আল্লাহ্‌ (তাদের) দোয়াকে মেঘমালার উপরে উঠিয়ে এর জন্য আকাশের দরজাগুলো খুলে দেন। এরপর আল্লাহ্‌ বলেন, “আমার শক্তিমত্তার কসম! একটু পরে হলেও, আমি তোমাকে অবশ্যই সাহায্য করব।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযিঃ ৩৫৯৮

ইফতারের সময় রোযাদারের দোয়া

ইফতারের সময় রোযাদারের দোয়া

আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বলেন, “আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “ইফতারের সময় সাওম পালনকারীর জন্য এমন একটি দোয়ার সুযোগ থাকে, যা ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।”

রেফারেন্স: হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী (হাসান)। আলফুতুহাতুর রাব্বানিয়্যাহ ৪/৩৪২

আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বলেন, “আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “ইফতারের সময় সাওম পালনকারীর জন্য এমন একটি দোয়ার সুযোগ থাকে, যা ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।”

রেফারেন্স: হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী (হাসান)। আলফুতুহাতুর রাব্বানিয়্যাহ ৪/৩৪২

যে-ব্যক্তি রাতে ঘুম থেকে উঠে নির্দিষ্ট দোয়া পড়ে

যে-ব্যক্তি রাতে ঘুম থেকে উঠে নির্দিষ্ট দোয়া পড়ে

নবী (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি রাতের বেলা ঘুম থেকে উঠে এ বাক্যগুলো বলে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ‏.‏ اَلْحَمْدُ لِلَّهِ، وَسُبْحَانَ اللَّهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া‘হদাহু লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল ‘হামদু, ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদীর, ‘আল-‘হামদু লিল্লাহ’, ওয়া ‘সুব’হা-নাল্লা-হ', ওয়া লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া ‘আল্লা-হু আকবার', ওয়া লা- ‘হাওলা ওয়া লা- ক্বুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লা-হ

আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্য কোনও ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনও অংশীদার নেই, রাজত্ব তাঁর, প্রশংসাও তাঁর, তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র, আল্লাহ্‌ পবিত্র, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও ইলাহ নেই, আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ, মহান আল্লাহ্‌ ছাড়া কারও কোনও শক্তি-সামর্থ্য নেই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১১৫৪

এরপর বলে, “হে আল্লাহ্‌! আমাকে মাফ করে দাও!” অথবা অন্য কোনও দোয়া করে, তার দোয়া কবুল হয়। তারপর ওযূ করে সালাত আদায় করলে, তার সালাত কবুল হয়।

নবী (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি রাতের বেলা ঘুম থেকে উঠে এ বাক্যগুলো বলে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ‏.‏ اَلْحَمْدُ لِلَّهِ، وَسُبْحَانَ اللَّهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্য কোনও ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনও অংশীদার নেই, রাজত্ব তাঁর, প্রশংসাও তাঁর, তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র, আল্লাহ্‌ পবিত্র, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও ইলাহ নেই, আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ, মহান আল্লাহ্‌ ছাড়া কারও কোনও শক্তি-সামর্থ্য নেই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১১৫৪

নিরুপায় ব্যক্তির দোয়া

নিরুপায় ব্যক্তির দোয়া

আল্লাহ্‌ তা'আলা বলেন - তিনি, যিনি নিরুপায়ের আহবানে সাড়া দেন এবং বিপদ দূরীভূত করেন।

রেফারেন্স: সূরা আন-নামলঃ ২৭:৬২

আল্লাহ্‌ তা'আলা বলেন - তিনি, যিনি নিরুপায়ের আহবানে সাড়া দেন এবং বিপদ দূরীভূত করেন।

রেফারেন্স: সূরা আন-নামলঃ ২৭:৬২

নেক কাজের উছিলা দোয়া কবুলের একটি মাধ্যম

নেক কাজের উছিলা দোয়া কবুলের একটি মাধ্যম

দোয়া কবুল হওয়ার জন্য যেসব শক্তিশালী কার্যকারণ আছে, তার মধ্যে একটি হলো নিরুপায় অবস্থার মুখোমুখি হয়ে দোয়া করা। এর প্রমাণ হলো তিন ব্যক্তি সংক্রান্ত ওই হাদীস, যেখানে তারা রাতের বেলা বাধ্য হয়ে গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরে পাহাড় থেকে একটি শিলাখণ্ড এসে গুহার মুখ বন্ধ করে দেয়। তখন তারা একে অপরকে বলেন, “তোমরা সেসব আমল খুঁজে বের করো, যেগুলো একমাত্র আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি লাভের জন্য করেছিলে, এরপর সেগুলোর ওসীলা দিয়ে আল্লাহ্‌র কাছে চাও, তা হলে আশা করা যায়, তিনি তোমাদেরকে এখান থেকে মুক্তি দেবেন। এরপর তারা নিজেদের নেক আমলগুলোর ওসীলা দিয়ে আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শিলাখণ্ডটি সরে গেলে তারা সেখান থেকে হেঁটে বেরিয়ে আসেন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২২১৫

দোয়া কবুল হওয়ার জন্য যেসব শক্তিশালী কার্যকারণ আছে, তার মধ্যে একটি হলো নিরুপায় অবস্থার মুখোমুখি হয়ে দোয়া করা। এর প্রমাণ হলো তিন ব্যক্তি সংক্রান্ত ওই হাদীস, যেখানে তারা রাতের বেলা বাধ্য হয়ে গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরে পাহাড় থেকে একটি শিলাখণ্ড এসে গুহার মুখ বন্ধ করে দেয়। তখন তারা একে অপরকে বলেন, “তোমরা সেসব আমল খুঁজে বের করো, যেগুলো একমাত্র আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি লাভের জন্য করেছিলে, এরপর সেগুলোর ওসীলা দিয়ে আল্লাহ্‌র কাছে চাও, তা হলে আশা করা যায়, তিনি তোমাদেরকে এখান থেকে মুক্তি দেবেন। এরপর তারা নিজেদের নেক আমলগুলোর ওসীলা দিয়ে আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শিলাখণ্ডটি সরে গেলে তারা সেখান থেকে হেঁটে বেরিয়ে আসেন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২২১৫

দোয়া কবুলের আরেকটি সময়

দোয়া কবুলের আরেকটি সময়

মু'আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, “কোনও মুসলিম যদি ওযূ করে আল্লাহ্‌র যিক্‌র করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ে, তারপর রাতে উঠে আল্লাহ্‌র কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কোনও কল্যাণ চায়, আল্লাহ্‌ তাকে তা অবশ্যই দেবেন।”

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৫০৪২

মু'আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, “কোনও মুসলিম যদি ওযূ করে আল্লাহ্‌র যিক্‌র করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ে, তারপর রাতে উঠে আল্লাহ্‌র কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কোনও কল্যাণ চায়, আল্লাহ্‌ তাকে তা অবশ্যই দেবেন।”

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৫০৪২

ইউনুস (আঃ)-এর দোয়া

ইউনুস (আঃ)-এর দোয়া

ইউনুস (আঃ) দোয়া করেছিলেন -

لَا إِلَهَ إِلَّآ أَنتَ سُبْحٰنَكَ إِنِّى كُنْتُ مِنَ الظّٰلِمِينَ

লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা সুব‘হা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যা-লিমীন

আপনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র মহান। নিশ্চয় আমি ছিলাম যালিম।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ৩৫০৫

কোন মুসলিম ব্যক্তি যখনই এইভাবে আল্লাহকে ডাকে তখনই আল্লাহ তাঁর ডাকে সাড়া দেন।

ইউনুস (আঃ) দোয়া করেছিলেন -

لَا إِلَهَ إِلَّآ أَنتَ سُبْحٰنَكَ إِنِّى كُنْتُ مِنَ الظّٰلِمِينَ

আপনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র মহান। নিশ্চয় আমি ছিলাম যালিম।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ৩৫০৫

মুসিবতের সময়ের দোয়া

মুসিবতের সময়ের দোয়া

কোনও বান্দা যদি বিপদ-মুসিবতের মুখোমুখি হয়ে বলে -

إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُوْنَ اَللَّهُمَّ أْجُرْنِيْ فِي مُصِيْبَتِيْ وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِّنْهَا

ইন্না- লিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রা-জি‘উন। আল্লা-হুম্মা'অ জুরনী ফী মুসীবাতী ওয়া আখলিফ লী খাইরাম মিনহা

আমরা আল্লাহ্‌র জন্য, আর আমাদেরকে তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে। হে আল্লাহ্‌! আমার মুসিবতে তুমি আমাকে আশ্রয় দাও! এবং তা থেকে উত্তম কিছু আমাকে দাও!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯১৮

আল্লাহ্‌ অবশ্যই এর বদলে তাকে এর চেয়ে উত্তম কিছু দেবেন।

কোনও বান্দা যদি বিপদ-মুসিবতের মুখোমুখি হয়ে বলে -

إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُوْنَ اَللَّهُمَّ أْجُرْنِيْ فِي مُصِيْبَتِيْ وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِّنْهَا

আমরা আল্লাহ্‌র জন্য, আর আমাদেরকে তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে। হে আল্লাহ্‌! আমার মুসিবতে তুমি আমাকে আশ্রয় দাও! এবং তা থেকে উত্তম কিছু আমাকে দাও!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯১৮

যে ব্যক্তি ইসমে আযম-এর ওসীলা দিয়ে দোয়া করে

যে ব্যক্তি ইসমে আযম-এর ওসীলা দিয়ে দোয়া করে

নবী (ﷺ) এক ব্যক্তিকে এ কথা বলে দোয়া করতে শুনেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস-আলূকা বিআন্না আশ-হাদু আন্নাকা আনতাল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতাল আ'হাদুস সামাদুল লাযী লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ, ওয়া লাম ইয়াকুন লাহু কুফুআন আ'হাদ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, একমাত্র তুমিই আল্লাহ্‌, তুমি ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই।

রেফারেন্স: সহীহ। নাসাঈঃ ১৩০০

তখন নবী (ﷺ) বলেন, “শপথ সেই সত্তার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! সে আল্লাহ্‌কে তাঁর মহান নাম নিয়ে ডেকেছে, যে নাম নিয়ে ডাকা হলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নাম নিয়ে কিছু চাওয়া হলে তিনি তা দেন।”

নবী (ﷺ) এক ব্যক্তিকে এ কথা বলে দোয়া করতে শুনেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, একমাত্র তুমিই আল্লাহ্‌, তুমি ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই।

রেফারেন্স: সহীহ। নাসাঈঃ ১৩০০

তাশাহুদের সময়ে পঠিত দোয়া

তাশাহুদের সময়ে পঠিত দোয়া

এক ব্যক্তি তাশাহুদের পর দোয়ায় বলে –

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْمَنَّانُ، بَدِيعُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস-আলূকা বিআন্না লাকাল হামদা, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতাল-মান্না-নু, বাদী'উস সামাওয়া-তি ওয়াল আরদি, ইয়া- যাল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম, ইয়া- হাইউ ইয়া- ক্বইউম

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই। প্রশংসা কেবল তোমারই; তুমি ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই, তুমি মহান দাতা এবং মহাকাশ ও পৃথিবীর অস্তিত্বদানকারী হে মহত্ত্ব ও মহানুভবতার অধিকারী! হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী!

রেফারেন্স: সহীহ। নাসাঈঃ ১৩০০

তখন নবী (ﷺ) তাঁর সাহাবীদের বলেন, “তোমরা কি জানো, সে কী দোয়া করেছে?” তারা বলেন, “আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল (ﷺ) ভালো জানেন।” নবী (ﷺ) বলেন, “শপথ সেই সত্তার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! সে আল্লাহ্‌কে তাঁর মহান নাম নিয়ে ডেকেছে, যে নাম নিয়ে ডাকা হলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নাম নিয়ে কিছু চাওয়া হলে তিনি তা দেন।

এক ব্যক্তি তাশাহুদের পর দোয়ায় বলে –

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْمَنَّانُ، بَدِيعُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই। প্রশংসা কেবল তোমারই; তুমি ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই, তুমি মহান দাতা এবং মহাকাশ ও পৃথিবীর অস্তিত্বদানকারী হে মহত্ত্ব ও মহানুভবতার অধিকারী! হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী!

রেফারেন্স: সহীহ। নাসাঈঃ ১৩০০

আল্লাহ্‌র রাস্তায় লড়াইকারীর দোয়া

আল্লাহ্‌র রাস্তায় লড়াইকারীর দোয়া

ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র রাস্তায় লড়াইকারী, হাজ্জ আদায়কারী ও উমরা পালনকারী। তারা হলেন আল্লাহ্‌র প্রতিনিধি; তিনি তাদের ডেকেছেন আর তারা তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছেন; (সুতরাং) তারা আল্লাহ্‌র কাছে কিছু চাইলে, তিনি তাদের দেবেন।”

রেফারেন্স: হাসান। ইবনু মাজাহঃ ২৮৯৩

ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র রাস্তায় লড়াইকারী, হাজ্জ আদায়কারী ও উমরা পালনকারী। তারা হলেন আল্লাহ্‌র প্রতিনিধি; তিনি তাদের ডেকেছেন আর তারা তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছেন; (সুতরাং) তারা আল্লাহ্‌র কাছে কিছু চাইলে, তিনি তাদের দেবেন।”

রেফারেন্স: হাসান। ইবনু মাজাহঃ ২৮৯৩

ফন্ট সাইজ
15px
17px