📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে রেহাই

📄 জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে রেহাই


জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়া

জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়া

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ‘উযু বিকা মিনান্নার

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে জান্নাত চাই; আর জাহান্নাম থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনু মাজাহঃ ৯১০

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করেন, “তুমি সালাতে কী দোয়া করো?” লোকটি বলে, আমি তাশাহুদ পাঠ করে বলি-(উপরে উল্লেখিত দোয়া) আমি তো আর আপনার মতো সুন্দর করে দোয়া পড়তে পারি না, মুআযের মতোও না!" তখন নবী (ﷺ) বলেন, “আমাদের দোয়াও এর কাছাকাছি অর্থ বহন করে!”

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে জান্নাত চাই; আর জাহান্নাম থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনু মাজাহঃ ৯১০

দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও কল্যাণ চাওয়া

দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও কল্যাণ চাওয়া

আব্বাস ইবনু আবদিল মুত্তালিব (রাঃ) বলেন, ‘আমি বললাম, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে এমন একটি জিনিস শিখিয়ে দিন, যা আমি আল্লাহ্‌র কাছে চাইব।” নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র কাছে কল্যাণ চান।” কিছুদিন পর আমি এসে বলি, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে এমন একটি জিনিস শিখিয়ে দিন, যা আমি আল্লাহ্‌র কাছে চাইব।” নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র রাসূলের চাচা আব্বাস! আল্লাহ্‌র কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ চান।” [১] আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) মিম্বারের উপর (বসে) বলেন, “তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা ও সুস্থতা চাও, কারণ ইয়াকীনের পর কোনও ব্যক্তিকে সুস্থতার চেয়ে উত্তম কিছু দেওয়া হয়নি।” [২]

রেফারেন্স: [১] সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫১৪ [২] বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, ৭২৪

আব্বাস ইবনু আবদিল মুত্তালিব (রাঃ) বলেন, ‘আমি বললাম, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে এমন একটি জিনিস শিখিয়ে দিন, যা আমি আল্লাহ্‌র কাছে চাইব।” নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র কাছে কল্যাণ চান।” কিছুদিন পর আমি এসে বলি, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে এমন একটি জিনিস শিখিয়ে দিন, যা আমি আল্লাহ্‌র কাছে চাইব।” নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র রাসূলের চাচা আব্বাস! আল্লাহ্‌র কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ চান।” [১] আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) মিম্বারের উপর (বসে) বলেন, “তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা ও সুস্থতা চাও, কারণ ইয়াকীনের পর কোনও ব্যক্তিকে সুস্থতার চেয়ে উত্তম কিছু দেওয়া হয়নি।” [২]

রেফারেন্স: [১] সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫১৪ [২] বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, ৭২৪

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 দ্বীনের উপর অটল থাকার দোয়া

📄 দ্বীনের উপর অটল থাকার দোয়া


দ্বীনের উপর অবিচলতা ও সকল কাজে উত্তম পরিণতি

দ্বীনের উপর অবিচলতা ও সকল কাজে উত্তম পরিণতি

اَللَّهُمَّ مُصَرِّفَ الْقُلُوبِ صَرِّفْ قُلُوبَنَا عَلَى طَاعَتِكَ

আল্লা-হুম্মা মুস্বাররিফাল ক্কুলূবি স্বররিফ ক্কুলূবানা- ‘আলা ত্ব-‘আতিক

হে আল্লাহ্‌, অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমাদের অন্তরগুলো তোমার আনুগত্যের দিকে ঘুরিয়ে দাও।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৬৫৫

আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আস (রাঃ) আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, আদম (আঃ)-সন্তানদের সকল ক্বলব (অন্তর) আল্লাহ্‌র দু' আঙুলের মাঝখানে একটিমাত্র ক্বলবের মতো হয়ে আছে; তিনি যখন চান তখনই তা ঘুরিয়ে দেন।” এরপর আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন - (উপরে উল্লেখিত দোয়া)

اَللَّهُمَّ مُصَرِّفَ الْقُلُوبِ صَرِّفْ قُلُوبَنَا عَلَى طَاعَتِكَ

হে আল্লাহ্‌, অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমাদের অন্তরগুলো তোমার আনুগত্যের দিকে ঘুরিয়ে দাও।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৬৫৫

দ্বীনের উপর অটল থাকার দোয়া

দ্বীনের উপর অটল থাকার দোয়া

শাহর বিন হাওশাব (রাঃ) উম্মু সালামা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘নবী (ﷺ) তার কাছে অবস্থান করার সময় কোন দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন?' তিনি বলেন, তিনি যে দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন তা হলো -

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ

ইয়া- মুকাল্লিবাল ক্কুলূবি সাব্‌বিত ক্কাল্‌বী ‘আলা- দীনিক্‌

হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর অটল রাখো।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫২২

আমি জিজ্ঞাসা করলাম, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আপনি এ দোয়াটি অধিক পরিমাণে পড়েন কেন?” নবী (ﷺ) বলেন, “হে উম্মু সালামা (রাঃ)! এমন কোনও আদম (আঃ)-সন্তান নেই, যার ক্বলব আল্লাহ্‌র দু আঙুলের মাঝখানে নেই; তিনি যাকে চান সোজা রাখেন, আর যাকে চান বাঁকা করে দেন।”

শাহর বিন হাওশাব (রাঃ) উম্মু সালামা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘নবী (ﷺ) তার কাছে অবস্থান করার সময় কোন দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন?' তিনি বলেন, তিনি যে দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন তা হলো -

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ

হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর অটল রাখো।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫২২

ইসলামের উপর অবিচল থাকার দোয়া

ইসলামের উপর অবিচল থাকার দোয়া

يَا وَلِيَّ الْإِسْلَامِ وَأَهْلِهُ ثَبِّتْنِيْ بِهِ حَتّٰى أَلْقَاكَ.

ইয়া- ওয়ালিয়্যাল ইসলা-মি ওয়া আহ্‌লিহু ছাব্বিতনী বিহী হাত্‌তা আলক্বা-কা।

হে ইসলাম ও মুসলমানের অভিভাবক, আপনি আমাকে সেদিন পর্যন্ত ইসলামের উপর অবিচল রাখুন, যেদিন আপনার সাক্ষাত লাভের সৌভাগ্য আমার হবে।

রেফারেন্স: সকল সনদের ভিত্তিতে সাব্যস্ত। সিলসিলাতুস সহিহাহ ১৮২৩

يَا وَلِيَّ الْإِسْلَامِ وَأَهْلِهُ ثَبِّتْنِيْ بِهِ حَتّٰى أَلْقَاكَ.

হে ইসলাম ও মুসলমানের অভিভাবক, আপনি আমাকে সেদিন পর্যন্ত ইসলামের উপর অবিচল রাখুন, যেদিন আপনার সাক্ষাত লাভের সৌভাগ্য আমার হবে।

রেফারেন্স: সকল সনদের ভিত্তিতে সাব্যস্ত। সিলসিলাতুস সহিহাহ ১৮২৩

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 সকল কাজে উত্তম পরিণতির দোয়া

📄 সকল কাজে উত্তম পরিণতির দোয়া


সকল কাজে উত্তম পরিণতি এবং সুরক্ষা

সকল কাজে উত্তম পরিণতি এবং সুরক্ষা

বুসর ইবনু আরতাআ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে এভাবে দোয়া পড়তে শুনেছি -

اَللَّهُمَّ أَحْسِنْ عَاقِبَتَنَا فِي الْأُمُورِ كُلِّهَا وَأَجِرْنَا مِنْ خِزْيِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْآَخِرَةِ

আল্লা-হুম্মা আহ্‌সিন 'আ-ক্বিবাতানা- ফিল- উমুরি কুল্লিহা ওয়া আজিরনা মিন খিযইদ্ব দুনইয়া ওয়া আযা-বিল আখিরাহ

হে আল্লাহ্‌! আমাদের সকল কাজে উত্তম পরিণতি দাও, এবং দুনিয়ার অপমান এবং পরকালের শাস্তি থেকে আমাদের সুরক্ষা দাও।

রেফারেন্স: সহিহ (সুয়ুত্বী)। জামে'উস সগীরঃ ১৪৫০

বুসর ইবনু আরতাআ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে এভাবে দোয়া পড়তে শুনেছি -

اَللَّهُمَّ أَحْسِنْ عَاقِبَتَنَا فِي الْأُمُورِ كُلِّهَا وَأَجِرْنَا مِنْ خِزْيِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْآَخِرَةِ

হে আল্লাহ্‌! আমাদের সকল কাজে উত্তম পরিণতি দাও, এবং দুনিয়ার অপমান এবং পরকালের শাস্তি থেকে আমাদের সুরক্ষা দাও।

রেফারেন্স: সহিহ (সুয়ুত্বী)। জামে'উস সগীরঃ ১৪৫০

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 নিয়ামাত বা অনুগ্রহের প্রার্থনা

📄 নিয়ামাত বা অনুগ্রহের প্রার্থনা


আল্লাহ্‌র কাছে দুনিয়া-আখিরাতের কল্যান ও প্রশান্তি চাওয়া #১

আল্লাহ্‌র কাছে দুনিয়া-আখিরাতের কল্যান ও প্রশান্তি চাওয়া #১

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِيَ الَّذِي هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِي، وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي فِيهَا مَعَاشِي، وَأَصْلِحْ لِي آخِرَتِي الَّتِي فِيهَا مَعَادِي، وَاجْعَلِ الْحَيَاةَ زِيَادَةً لِي فِي كُلِّ خَيْرٍ، وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِي مِنْ كُلِّ شَرٍّ

আল্লা-হুম্মা, আস্বলি’হ লী দীনিয়াল্লাযী হুওয়া 'ইস্ব্‌মাতু আমরী। ওয়া আস্বলি’হ লী দুন্‌ইয়া ইয়াল্লাতী ফীহা মা’আ-শী। ওয়া আস্বলি’হ লী আখিরাতি‘ল‌ লাতী ফিহা মাআ‘দি ওয়াজ-‘আলিল 'হায়াতা ঝিয়া‘দাতান লী ফি কুল্লি খাইরিন ওয়াজ-‘আলিল মাওতা র’হাতান লী মিন কুল্লি শার্‌

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমার দ্বীনকে সুন্দর করো, যা আমার সকল কর্মের হিফাযতকারী। আমার পার্থিব জীবনকে সুন্দর করো, যাতে আমার জীবিকা রয়েছে। আমার পরকালকে সুন্দর করো, যাতে আমার প্রত্যাবর্তন হবে। আমার জন্য হায়াতকে প্রত্যেক কল্যাণে বৃদ্ধি করো এবং মওতকে প্রত্যেক অকল্যাণ থেকে আরামদায়ক করো।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২০

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِيَ الَّذِي هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِي، وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي فِيهَا مَعَاشِي، وَأَصْلِحْ لِي آخِرَتِي الَّتِي فِيهَا مَعَادِي، وَاجْعَلِ الْحَيَاةَ زِيَادَةً لِي فِي كُلِّ خَيْرٍ، وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِي مِنْ كُلِّ شَرٍّ

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমার দ্বীনকে সুন্দর করো, যা আমার সকল কর্মের হিফাযতকারী। আমার পার্থিব জীবনকে সুন্দর করো, যাতে আমার জীবিকা রয়েছে। আমার পরকালকে সুন্দর করো, যাতে আমার প্রত্যাবর্তন হবে। আমার জন্য হায়াতকে প্রত্যেক কল্যাণে বৃদ্ধি করো এবং মওতকে প্রত্যেক অকল্যাণ থেকে আরামদায়ক করো।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২০

আল্লাহ্‌র কাছে দুনিয়া-আখিরাতের কল্যান ও প্রশান্তি চাওয়া #২

আল্লাহ্‌র কাছে দুনিয়া-আখিরাতের কল্যান ও প্রশান্তি চাওয়া #২

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এর একটি দোয়া ছিল এ রকম -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ وَجَمِيعِ سَخَطِكَ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন যাওয়া-লি নি'অ্‌মাতিক, ওয়া তা'হাওউলি ‘আ-ফিয়াতিক, ওয়া ফুজা-আতি নিক্বমাতিক ওয়া জামীয়ি সাখাতিক

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে (এসব বিষয়ে) আশ্রয় চাই তোমার অনুগ্রহ দূরে সরে যাওয়া, তোমার ক্ষমার মোড় ঘুরে যাওয়া, তোমার আচমকা শাস্তি ও তোমার সব ধরনের ক্রোধ।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭৩৯

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এর একটি দোয়া ছিল এ রকম -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ وَجَمِيعِ سَخَطِكَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে (এসব বিষয়ে) আশ্রয় চাই তোমার অনুগ্রহ দূরে সরে যাওয়া, তোমার ক্ষমার মোড় ঘুরে যাওয়া, তোমার আচমকা শাস্তি ও তোমার সব ধরনের ক্রোধ।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭৩৯

ফন্ট সাইজ
15px
17px