📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 আল্লাহ্‌র কাছে যে জিনিসটি চাওয়া সবচাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ

📄 আল্লাহ্‌র কাছে যে জিনিসটি চাওয়া সবচাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ


হিদায়াত বা পথ-নির্দেশনা #১

হিদায়াত বা পথ-নির্দেশনা #১

إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ

ইয়্যা-কা না’বুদু ওয়া ইয়্যা-কা নাসতাই’-ন

আপনারই আমরা ইবাদাত করি এবং আপনারই নিকট আমরা সাহায্য চাই।

রেফারেন্স: সূরা আল-ফাতিহা ১:৫

“আল্লাহ্‌ যাকে হিদায়াত দেন, সে হেদায়াতপ্রাপ্ত। আর যাকে ভ্রষ্ট করেন, তুমি তার জন্য পথনির্দেশকারী কোন অভিভাবক পাবে না।” (সূরা আল-কাহফ ১৮:১৭)

إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ

আপনারই আমরা ইবাদাত করি এবং আপনারই নিকট আমরা সাহায্য চাই।

রেফারেন্স: সূরা আল-ফাতিহা ১:৫

হিদায়াত বা পথ-নির্দেশনা #২

হিদায়াত বা পথ-নির্দেশনা #২

নবী (ﷺ) রাতের বেলা উঠে সালাতের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন, তার এক জায়গায় আছে -

اِهْدِنِي لِمَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ إِنَّكَ تَهْدِي مَنْ تَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ

ইহদিনী লিমাখতুলিফা ফীহি মিনাল হাক্কি‌ বিইযনিকা ইন্নাকা তাহ্‌দী মান তাশা-উ ইলা- সিরা-তিম মুস্তাকীম

যে সত্য নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে, তোমার ইচ্ছায় আমাকে তার সঠিক পথ দেখিয়ে দাও। তুমি যাকে চাও, তাকে সঠিক পথের দিশা দিয়ে থাকো।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭০

নবী (ﷺ) রাতের বেলা উঠে সালাতের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন, তার এক জায়গায় আছে -

اِهْدِنِي لِمَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ إِنَّكَ تَهْدِي مَنْ تَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ

যে সত্য নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে, তোমার ইচ্ছায় আমাকে তার সঠিক পথ দেখিয়ে দাও। তুমি যাকে চাও, তাকে সঠিক পথের দিশা দিয়ে থাকো।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭০

হিদায়াত বা পথ-নির্দেশনা #৩

হিদায়াত বা পথ-নির্দেশনা #৩

নবী (ﷺ) মু'আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-কে প্রত্যেক সালাতের শেষভাগে এ দোয়া পড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন -

اَللَّهُمَّ أَعِنِّيْ عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

আল্লা-হুম্মা, আ’ইন্নী‌ ‘আলা- যিক্‌রিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ‘ইবা-দাতিক

হে আল্লাহ্‌! আপনার যিক্‌র করতে, আপনার শুকরিয়া জ্ঞাপন করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫২২

নবী (ﷺ) মু'আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-কে প্রত্যেক সালাতের শেষভাগে এ দোয়া পড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন -

اَللَّهُمَّ أَعِنِّيْ عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

হে আল্লাহ্‌! আপনার যিক্‌র করতে, আপনার শুকরিয়া জ্ঞাপন করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫২২

হিদায়াত বা পথ-নির্দেশনা #৪

হিদায়াত বা পথ-নির্দেশনা #৪

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রাতের বেলা সালাতের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন, তার একাংশে রয়েছে -

وَاهْدِنِيْ لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ لَا يَهْدِيْ لِأَحْسَنِهَا إِلَّا أَنْتَ وَاصْرِفْ عَنِّي سَيِّئَهَا لَا يَصْرِفُ عَنِّي سَيِّئَهَا إِلَّا أَنْتَ

ওয়াহদিনী লিআহসানিল আখলা-ক্বি, লা ইয়াহ্‌দী লিআহ্‌সানিহা- ইল্লা আনতা। ওয়াসরিফ ‘আন্নী সায়্যিআহা- লা ইয়াসরিফু আন্নী সায়্যিআহা- ইল্লা আনতা

আমাকে সবচেয়ে সুন্দর শিষ্টাচারের দিশা দাও! তুমি ছাড়া কেউ সুন্দর শিষ্টাচারের দিশা দিতে পারে না। আমার কাছ থেকে মন্দ আচরণ দূর করে দাও! তুমি ছাড়া আর কেউ মন্দ আচরণ দূর করতে পারে না।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭১

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) রাতের বেলা সালাতের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন, তার একাংশে রয়েছে -

وَاهْدِنِيْ لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ لَا يَهْدِيْ لِأَحْسَنِهَا إِلَّا أَنْتَ وَاصْرِفْ عَنِّي سَيِّئَهَا لَا يَصْرِفُ عَنِّي سَيِّئَهَا إِلَّا أَنْتَ

আমাকে সবচেয়ে সুন্দর শিষ্টাচারের দিশা দাও! তুমি ছাড়া কেউ সুন্দর শিষ্টাচারের দিশা দিতে পারে না। আমার কাছ থেকে মন্দ আচরণ দূর করে দাও! তুমি ছাড়া আর কেউ মন্দ আচরণ দূর করতে পারে না।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭১

হিদায়াত বা পথ-নির্দেশনা #৫

হিদায়াত বা পথ-নির্দেশনা #৫

নবী (ﷺ) আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ)-কে আল্লাহ্‌র কাছে (এভাবে) হিদায়াত ও দৃঢ়তা চাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস’আলুকাল হুদা ওয়াস্‌-সাদা-দ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই হেদায়েত ও দৃঢ়তা।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২৫

নবী (ﷺ) আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ)-কে আল্লাহ্‌র কাছে (এভাবে) হিদায়াত ও দৃঢ়তা চাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই হেদায়েত ও দৃঢ়তা।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২৫

হিদায়াত বা পথ-নির্দেশনা #৬

হিদায়াত বা পথ-নির্দেশনা #৬

হাসান ইবনু আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে কয়েকটি বাক্য শিখিয়েছেন; আমি সেগুলো বিতরের কুনূতে পাঠ করি -

اَللَّهُمَّ اهْدِنِيْ فِيمَنْ هَدَيْتَ وَعَافِنِي فِيمَنْ عَافَيْتَ وَتَوَلَّنِيْ فِيمَنْ تَوَلَّيْتَ وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَ وَقِنِي شَرَّ مَا قَضَيْتَ فَإِنَّكَ تَقْضِي وَلَا يُقْضَى عَلَيْكَ إِنَّهُ لَا يَذِلُّ مَنْ وَالَيْتَ وَلَا يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ

আল্লা-হুম্মাহ্ দিনী ফীমান হাদাইতা, ওয়া ‘আ-ফিনী ফীমান ‘আ-ফাইতা, ওয়া তাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইতা, ওয়া বা-রিক লী ফীমা- আ’ত্বাইতা, ওয়া ক্বিনী শার্‌রা মা- ক্বাদ্বাইতা, ফাইন্নাকা তাক্বদ্বী, ওয়ালা- ইউক্বদ্বা ‘আলাইকা, ইন্নাহু লা- ইয়াযিল্লু মান ওয়া-লাইতা, ওয়ালা- ইয়া’ইয্‌যু মান ‘আ-দাইতা, তাবা-রাক্‌তা রাব্বানা- ওয়া তা'আ-লাইতা

হে আল্লাহ্‌! আপনি যাদেরকে হেদায়াত করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও হেদায়াত দিন, আপনি যাদেরকে নিরাপত্তা প্রদান করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও নিরাপত্তা দিন, আপনি যাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে আমার অভিভাবকত্বও গ্রহণ করুন, আপনি আমাকে যা দিয়েছেন তাতে বরকত দিন। আপনি যা ফয়সালা করেছেন তার অকল্যাণ থেকে আমাকে রক্ষা করুন। কারণ আপনিই চুড়ান্ত ফয়সালা দেন, আপনার বিপরীতে ফয়সালা দেওয়া হয় না। আপনি যার সাথে বন্ধুত্ব করেছেন সে অবশ্যই অপমানিত হয় না এবং আপনি যার সাথে শত্রুতা করেছেন সে সম্মানিত হয় না আপনি বরকতপূর্ণ হে আমাদের রব্ব! আর আপনি সুউচ্চ-সুমহান।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৪২৫

হাসান ইবনু আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে কয়েকটি বাক্য শিখিয়েছেন; আমি সেগুলো বিতরের কুনূতে পাঠ করি -

اَللَّهُمَّ اهْدِنِيْ فِيمَنْ هَدَيْتَ وَعَافِنِي فِيمَنْ عَافَيْتَ وَتَوَلَّنِيْ فِيمَنْ تَوَلَّيْتَ وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَ وَقِنِي شَرَّ مَا قَضَيْتَ فَإِنَّكَ تَقْضِي وَلَا يُقْضَى عَلَيْكَ إِنَّهُ لَا يَذِلُّ مَنْ وَالَيْتَ وَلَا يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ

হে আল্লাহ্‌! আপনি যাদেরকে হেদায়াত করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও হেদায়াত দিন, আপনি যাদেরকে নিরাপত্তা প্রদান করেছেন তাদের মধ্যে আমাকেও নিরাপত্তা দিন, আপনি যাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে আমার অভিভাবকত্বও গ্রহণ করুন, আপনি আমাকে যা দিয়েছেন তাতে বরকত দিন। আপনি যা ফয়সালা করেছেন তার অকল্যাণ থেকে আমাকে রক্ষা করুন। কারণ আপনিই চুড়ান্ত ফয়সালা দেন, আপনার বিপরীতে ফয়সালা দেওয়া হয় না। আপনি যার সাথে বন্ধুত্ব করেছেন সে অবশ্যই অপমানিত হয় না এবং আপনি যার সাথে শত্রুতা করেছেন সে সম্মানিত হয় না আপনি বরকতপূর্ণ হে আমাদের রব্ব! আর আপনি সুউচ্চ-সুমহান।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৪২৫

গুনাহ মাফ চাওয়া #১

গুনাহ মাফ চাওয়া #১

আল্লাহ্‌র কাছে গোনাহের জন্য মাফ চাওয়া উচিত, কারণ বান্দা তার রবের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি চাইতে পারে তা হলো তার গোনাহের জন্য ক্ষমা অথবা এর অনিবার্য পরিণতি, যেমন জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতে প্রবেশ। গোনাহের ব্যাপারে বান্দা তার রবের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনার মুখাপেক্ষী, কারণ সে দিন-রাত ভুল করে আর আল্লাহ্‌ই পারেন সকল গোনাহ ক্ষমা করতে। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কখনো কখনো আমার হৃদয়ের উপরও আবরণ পড়ে। তাই আমি দৈনিক একশো বার ক্ষমা চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫১৫

আল্লাহ্‌র কাছে গোনাহের জন্য মাফ চাওয়া উচিত, কারণ বান্দা তার রবের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি চাইতে পারে তা হলো তার গোনাহের জন্য ক্ষমা অথবা এর অনিবার্য পরিণতি, যেমন জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতে প্রবেশ। গোনাহের ব্যাপারে বান্দা তার রবের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনার মুখাপেক্ষী, কারণ সে দিন-রাত ভুল করে আর আল্লাহ্‌ই পারেন সকল গোনাহ ক্ষমা করতে। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কখনো কখনো আমার হৃদয়ের উপরও আবরণ পড়ে। তাই আমি দৈনিক একশো বার ক্ষমা চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫১৫

গুনাহ মাফ চাওয়া #২

গুনাহ মাফ চাওয়া #২

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা গণনা করে দেখতাম, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এক বৈঠকে একশত বার এই বাক্য বলেছেন -

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَىَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ

রাব্বিগ্‌ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম

হে আমার রব! আমাকে মাফ করে দাও! আমার তাওবা কবুল করো! নিশ্চয়ই তুমি তাওবা-কবুলকারী ও পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫১৬

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা গণনা করে দেখতাম, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এক বৈঠকে একশত বার এই বাক্য বলেছেন -

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَىَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ

হে আমার রব! আমাকে মাফ করে দাও! আমার তাওবা কবুল করো! নিশ্চয়ই তুমি তাওবা-কবুলকারী ও পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫১৬

গুনাহ মাফ চাওয়া #৩

গুনাহ মাফ চাওয়া #৩

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّوْمُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ

আসতাগফিরুল্লা-হাল 'আযীমাল্লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা-হুআল ‘হাইউল ক্বাইউমু ওয়া আতূবু ইলাইহি

আমি মহান আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া অন্য কোনও হক্ব ইলাহ নেই, যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী; আর আমি তাঁরই দিকে ফিরে আসছি।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ৩৫৭৭

নবী (ﷺ) বলেছেন, "যে লোক বলে, “মহান আল্লাহ্‌ তা'আলার নিকট আমি ক্ষমা চাই যিনি ছাড়া কোন মাবূদ নেই, যিনি চিরজীবি, চিরস্থায়ী এবং আমি তাঁর কাছে তাওবাহ করি”, তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়, যদিও সে রণক্ষেত্র হতে পলায়ন করে থাকে।"

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّوْمُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ

আমি মহান আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া অন্য কোনও হক্ব ইলাহ নেই, যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী; আর আমি তাঁরই দিকে ফিরে আসছি।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ৩৫৭৭

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে রেহাই

📄 জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে রেহাই


জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়া

জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়া

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ‘উযু বিকা মিনান্নার

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে জান্নাত চাই; আর জাহান্নাম থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনু মাজাহঃ ৯১০

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করেন, “তুমি সালাতে কী দোয়া করো?” লোকটি বলে, আমি তাশাহুদ পাঠ করে বলি-(উপরে উল্লেখিত দোয়া) আমি তো আর আপনার মতো সুন্দর করে দোয়া পড়তে পারি না, মুআযের মতোও না!" তখন নবী (ﷺ) বলেন, “আমাদের দোয়াও এর কাছাকাছি অর্থ বহন করে!”

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে জান্নাত চাই; আর জাহান্নাম থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনু মাজাহঃ ৯১০

দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও কল্যাণ চাওয়া

দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও কল্যাণ চাওয়া

আব্বাস ইবনু আবদিল মুত্তালিব (রাঃ) বলেন, ‘আমি বললাম, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে এমন একটি জিনিস শিখিয়ে দিন, যা আমি আল্লাহ্‌র কাছে চাইব।” নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র কাছে কল্যাণ চান।” কিছুদিন পর আমি এসে বলি, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে এমন একটি জিনিস শিখিয়ে দিন, যা আমি আল্লাহ্‌র কাছে চাইব।” নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র রাসূলের চাচা আব্বাস! আল্লাহ্‌র কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ চান।” [১] আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) মিম্বারের উপর (বসে) বলেন, “তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা ও সুস্থতা চাও, কারণ ইয়াকীনের পর কোনও ব্যক্তিকে সুস্থতার চেয়ে উত্তম কিছু দেওয়া হয়নি।” [২]

রেফারেন্স: [১] সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫১৪ [২] বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, ৭২৪

আব্বাস ইবনু আবদিল মুত্তালিব (রাঃ) বলেন, ‘আমি বললাম, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে এমন একটি জিনিস শিখিয়ে দিন, যা আমি আল্লাহ্‌র কাছে চাইব।” নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র কাছে কল্যাণ চান।” কিছুদিন পর আমি এসে বলি, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে এমন একটি জিনিস শিখিয়ে দিন, যা আমি আল্লাহ্‌র কাছে চাইব।” নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র রাসূলের চাচা আব্বাস! আল্লাহ্‌র কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ চান।” [১] আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) মিম্বারের উপর (বসে) বলেন, “তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা ও সুস্থতা চাও, কারণ ইয়াকীনের পর কোনও ব্যক্তিকে সুস্থতার চেয়ে উত্তম কিছু দেওয়া হয়নি।” [২]

রেফারেন্স: [১] সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫১৪ [২] বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, ৭২৪

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 দ্বীনের উপর অটল থাকার দোয়া

📄 দ্বীনের উপর অটল থাকার দোয়া


দ্বীনের উপর অবিচলতা ও সকল কাজে উত্তম পরিণতি

দ্বীনের উপর অবিচলতা ও সকল কাজে উত্তম পরিণতি

اَللَّهُمَّ مُصَرِّفَ الْقُلُوبِ صَرِّفْ قُلُوبَنَا عَلَى طَاعَتِكَ

আল্লা-হুম্মা মুস্বাররিফাল ক্কুলূবি স্বররিফ ক্কুলূবানা- ‘আলা ত্ব-‘আতিক

হে আল্লাহ্‌, অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমাদের অন্তরগুলো তোমার আনুগত্যের দিকে ঘুরিয়ে দাও।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৬৫৫

আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আস (রাঃ) আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, আদম (আঃ)-সন্তানদের সকল ক্বলব (অন্তর) আল্লাহ্‌র দু' আঙুলের মাঝখানে একটিমাত্র ক্বলবের মতো হয়ে আছে; তিনি যখন চান তখনই তা ঘুরিয়ে দেন।” এরপর আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন - (উপরে উল্লেখিত দোয়া)

اَللَّهُمَّ مُصَرِّفَ الْقُلُوبِ صَرِّفْ قُلُوبَنَا عَلَى طَاعَتِكَ

হে আল্লাহ্‌, অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমাদের অন্তরগুলো তোমার আনুগত্যের দিকে ঘুরিয়ে দাও।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৬৫৫

দ্বীনের উপর অটল থাকার দোয়া

দ্বীনের উপর অটল থাকার দোয়া

শাহর বিন হাওশাব (রাঃ) উম্মু সালামা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘নবী (ﷺ) তার কাছে অবস্থান করার সময় কোন দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন?' তিনি বলেন, তিনি যে দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন তা হলো -

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ

ইয়া- মুকাল্লিবাল ক্কুলূবি সাব্‌বিত ক্কাল্‌বী ‘আলা- দীনিক্‌

হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর অটল রাখো।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫২২

আমি জিজ্ঞাসা করলাম, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আপনি এ দোয়াটি অধিক পরিমাণে পড়েন কেন?” নবী (ﷺ) বলেন, “হে উম্মু সালামা (রাঃ)! এমন কোনও আদম (আঃ)-সন্তান নেই, যার ক্বলব আল্লাহ্‌র দু আঙুলের মাঝখানে নেই; তিনি যাকে চান সোজা রাখেন, আর যাকে চান বাঁকা করে দেন।”

শাহর বিন হাওশাব (রাঃ) উম্মু সালামা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘নবী (ﷺ) তার কাছে অবস্থান করার সময় কোন দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন?' তিনি বলেন, তিনি যে দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন তা হলো -

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ

হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর অটল রাখো।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫২২

ইসলামের উপর অবিচল থাকার দোয়া

ইসলামের উপর অবিচল থাকার দোয়া

يَا وَلِيَّ الْإِسْلَامِ وَأَهْلِهُ ثَبِّتْنِيْ بِهِ حَتّٰى أَلْقَاكَ.

ইয়া- ওয়ালিয়্যাল ইসলা-মি ওয়া আহ্‌লিহু ছাব্বিতনী বিহী হাত্‌তা আলক্বা-কা।

হে ইসলাম ও মুসলমানের অভিভাবক, আপনি আমাকে সেদিন পর্যন্ত ইসলামের উপর অবিচল রাখুন, যেদিন আপনার সাক্ষাত লাভের সৌভাগ্য আমার হবে।

রেফারেন্স: সকল সনদের ভিত্তিতে সাব্যস্ত। সিলসিলাতুস সহিহাহ ১৮২৩

يَا وَلِيَّ الْإِسْلَامِ وَأَهْلِهُ ثَبِّتْنِيْ بِهِ حَتّٰى أَلْقَاكَ.

হে ইসলাম ও মুসলমানের অভিভাবক, আপনি আমাকে সেদিন পর্যন্ত ইসলামের উপর অবিচল রাখুন, যেদিন আপনার সাক্ষাত লাভের সৌভাগ্য আমার হবে।

রেফারেন্স: সকল সনদের ভিত্তিতে সাব্যস্ত। সিলসিলাতুস সহিহাহ ১৮২৩

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 সকল কাজে উত্তম পরিণতির দোয়া

📄 সকল কাজে উত্তম পরিণতির দোয়া


সকল কাজে উত্তম পরিণতি এবং সুরক্ষা

সকল কাজে উত্তম পরিণতি এবং সুরক্ষা

বুসর ইবনু আরতাআ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে এভাবে দোয়া পড়তে শুনেছি -

اَللَّهُمَّ أَحْسِنْ عَاقِبَتَنَا فِي الْأُمُورِ كُلِّهَا وَأَجِرْنَا مِنْ خِزْيِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْآَخِرَةِ

আল্লা-হুম্মা আহ্‌সিন 'আ-ক্বিবাতানা- ফিল- উমুরি কুল্লিহা ওয়া আজিরনা মিন খিযইদ্ব দুনইয়া ওয়া আযা-বিল আখিরাহ

হে আল্লাহ্‌! আমাদের সকল কাজে উত্তম পরিণতি দাও, এবং দুনিয়ার অপমান এবং পরকালের শাস্তি থেকে আমাদের সুরক্ষা দাও।

রেফারেন্স: সহিহ (সুয়ুত্বী)। জামে'উস সগীরঃ ১৪৫০

বুসর ইবনু আরতাআ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে এভাবে দোয়া পড়তে শুনেছি -

اَللَّهُمَّ أَحْسِنْ عَاقِبَتَنَا فِي الْأُمُورِ كُلِّهَا وَأَجِرْنَا مِنْ خِزْيِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْآَخِرَةِ

হে আল্লাহ্‌! আমাদের সকল কাজে উত্তম পরিণতি দাও, এবং দুনিয়ার অপমান এবং পরকালের শাস্তি থেকে আমাদের সুরক্ষা দাও।

রেফারেন্স: সহিহ (সুয়ুত্বী)। জামে'উস সগীরঃ ১৪৫০

ফন্ট সাইজ
15px
17px