📄 ডাকাতের কবল থেকে মুক্তি
এক আল্লাহর ওলি ব্যবসার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে সফরে বের হন। পথিমধ্যে তিনি ডাকাতের কবলে পড়েন। ডাকাত তাকে বলল, আমি তোমাকে হত্যা করব। তিনি বললেন, এই তো আমার সম্পদ এবং ব্যবসার পণ্য এগুলো নিয়ে নাও এবং আমাকে ছেড়ে দাও, আমি আমার পথে চলে যাই। ডাকাত বলল, আমি তোমার সম্পদ ও তোমার ব্যবসার পণ্য তো নেবই সাথে সাথে তোমাকে হত্যাও করব। আল্লাহর ওলি তখন বললেন, ঠিক আছে। মৃত্যুর পূর্বে আমাকে দুই রাকাত নামাজ পড়ার সুযোগ দাও। ডাকাত বলল, তোমার যত খুশি নামাজ পড়ে নাও। আল্লাহর ওলি নামাজে দাড়ালেন এবং সেই মহান প্রতিপালকের নিকট দু'আ শুরু করলেন, যিনি গোপন ও প্রকাশ্য সকল কিছু দেখেন ও শুনেন। আল্লাহর ওলি গোপনে আল্লাহর নিকট দু'আ করে বললেন, হে দয়াময় আল্লাহ! হে আরশের অধিপতি! তুমি যা চাও তাই করতে পারো। হে আল্লাহ, আমি তোমার ইজ্জত, তোমার মিলকিয়াত এবং তোমার নুরের দোহাই দিয়ে প্রার্থনা করছি। তুমি আমাকে সাহায্য করো।
অতঃপর আল্লাহর ওলি সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করে দেখেন ডাকাত লোকটি রক্ত মাখা অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে এবং তার মাথার ওপর একটি সাদা ঘোড়ার ওপর সাদা পাগড়ি এবং সাদা কাপড় পরিহিত এক অশ্বারোহী। তখন আল্লাহর ওলি খুশি হলেন এবং বললেন, কে তুমি? অশ্বারোহী বলল, আমি চতুর্থ আসমান থেকে আসা এক ফেরেশতা। তুমি যখন প্রথম দু'আ করলে তখন তা আসমানের দরজায় গিয়ে করাঘাত করতে লাগল। অতঃপর তুমি যখন দ্বিতীয় দু'আ করলে আসমানের ফেরেশতারা কেঁপে উঠল। আর যখন তৃতীয় দু'আ করলে তখন আমি আল্লাহ তাআলার নিকট আরজ করলাম, হে আমার প্রতিপালক! এক নিরুপায় অসহায় বান্দা আপনাকে ডাকছেন। আপনার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছেন সুতরাং আমাকে অনুমতি দিন তাকে সাহায্য করার এবং এই বিপদ থেকে তাকে উদ্ধার করার।
আর আমি হলাম:
أَمَّن يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ
'বল তো কে নিরুপায়ের ডাকে সাড়া দেন যখন সে ডাকে'- এর জন্য নিযুক্ত ফেরেশতা।
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'তুমি সুখের সময় তোমার প্রতিপালককে ডাকো, তাঁর নিকট দু'আ করো তিনি তোমার দুঃখ-কষ্টের সময় তোমার ডাকে সাড়া দেবেন, তোমার মসিবত দূর করবেন। যে ব্যক্তি সচ্ছলতার সময় আল্লাহকে ডাকে, আল্লাহর ইবাদত করে, তার কঠিন সময়ে আল্লাহ তাআলা তার ডাকে সাড়া দেন এবং তাকে তার বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।
প্রিয় ভাই ও বোন, দুঃখ-কষ্ট এবং ক্ষতিকর বস্তু দূর করা এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন করার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর মাধ্যম হলো দু'আ। দু'আর মাধ্যমেই দুঃখ-কষ্ট দূর হয় এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন হয়। দু'আ হলো সর্বোত্তম ঔষধ। দু'আর মাধ্যমে মুসিবত হালকা হয়, বিপদ কেটে যায়।
প্রিয় ভাই ও বোন, তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। কারণ দু'আর মাধ্যমে আগত, অনাগত সকল ধরণের বিপদ-মুসিবত দূর হয়।
এক আল্লাহর ওলি ব্যবসার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে সফরে বের হন। পথিমধ্যে তিনি ডাকাতের কবলে পড়েন। ডাকাত তাকে বলল, আমি তোমাকে হত্যা করব। তিনি বললেন, এই তো আমার সম্পদ এবং ব্যবসার পণ্য এগুলো নিয়ে নাও এবং আমাকে ছেড়ে দাও, আমি আমার পথে চলে যাই। ডাকাত বলল, আমি তোমার সম্পদ ও তোমার ব্যবসার পণ্য তো নেবই সাথে সাথে তোমাকে হত্যাও করব। আল্লাহর ওলি তখন বললেন, ঠিক আছে। মৃত্যুর পূর্বে আমাকে দুই রাকাত নামাজ পড়ার সুযোগ দাও। ডাকাত বলল, তোমার যত খুশি নামাজ পড়ে নাও। আল্লাহর ওলি নামাজে দাড়ালেন এবং সেই মহান প্রতিপালকের নিকট দু'আ শুরু করলেন, যিনি গোপন ও প্রকাশ্য সকল কিছু দেখেন ও শুনেন। আল্লাহর ওলি গোপনে আল্লাহর নিকট দু'আ করে বললেন, হে দয়াময় আল্লাহ! হে আরশের অধিপতি! তুমি যা চাও তাই করতে পারো। হে আল্লাহ, আমি তোমার ইজ্জত, তোমার মিলকিয়াত এবং তোমার নুরের দোহাই দিয়ে প্রার্থনা করছি। তুমি আমাকে সাহায্য করো।
অতঃপর আল্লাহর ওলি সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করে দেখেন ডাকাত লোকটি রক্ত মাখা অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে এবং তার মাথার ওপর একটি সাদা ঘোড়ার ওপর সাদা পাগড়ি এবং সাদা কাপড় পরিহিত এক অশ্বারোহী। তখন আল্লাহর ওলি খুশি হলেন এবং বললেন, কে তুমি? অশ্বারোহী বলল, আমি চতুর্থ আসমান থেকে আসা এক ফেরেশতা। তুমি যখন প্রথম দু'আ করলে তখন তা আসমানের দরজায় গিয়ে করাঘাত করতে লাগল। অতঃপর তুমি যখন দ্বিতীয় দু'আ করলে আসমানের ফেরেশতারা কেঁপে উঠল। আর যখন তৃতীয় দু'আ করলে তখন আমি আল্লাহ তাআলার নিকট আরজ করলাম, হে আমার প্রতিপালক! এক নিরুপায় অসহায় বান্দা আপনাকে ডাকছেন। আপনার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছেন সুতরাং আমাকে অনুমতি দিন তাকে সাহায্য করার এবং এই বিপদ থেকে তাকে উদ্ধার করার।
আর আমি হলাম:
أَمَّن يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ
'বল তো কে নিরুপায়ের ডাকে সাড়া দেন যখন সে ডাকে'- এর জন্য নিযুক্ত ফেরেশতা।
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'তুমি সুখের সময় তোমার প্রতিপালককে ডাকো, তাঁর নিকট দু'আ করো তিনি তোমার দুঃখ-কষ্টের সময় তোমার ডাকে সাড়া দেবেন, তোমার মসিবত দূর করবেন। যে ব্যক্তি সচ্ছলতার সময় আল্লাহকে ডাকে, আল্লাহর ইবাদত করে, তার কঠিন সময়ে আল্লাহ তাআলা তার ডাকে সাড়া দেন এবং তাকে তার বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।
প্রিয় ভাই ও বোন, দুঃখ-কষ্ট এবং ক্ষতিকর বস্তু দূর করা এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন করার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর মাধ্যম হলো দু'আ। দু'আর মাধ্যমেই দুঃখ-কষ্ট দূর হয় এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন হয়। দু'আ হলো সর্বোত্তম ঔষধ। দু'আর মাধ্যমে মুসিবত হালকা হয়, বিপদ কেটে যায়।
প্রিয় ভাই ও বোন, তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। কারণ দু'আর মাধ্যমে আগত, অনাগত সকল ধরণের বিপদ-মুসিবত দূর হয়।
এক আল্লাহর ওলি ব্যবসার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে সফরে বের হন। পথিমধ্যে তিনি ডাকাতের কবলে পড়েন। ডাকাত তাকে বলল, আমি তোমাকে হত্যা করব। তিনি বললেন, এই তো আমার সম্পদ এবং ব্যবসার পণ্য এগুলো নিয়ে নাও এবং আমাকে ছেড়ে দাও, আমি আমার পথে চলে যাই। ডাকাত বলল, আমি তোমার সম্পদ ও তোমার ব্যবসার পণ্য তো নেবই সাথে সাথে তোমাকে হত্যাও করব। আল্লাহর ওলি তখন বললেন, ঠিক আছে। মৃত্যুর পূর্বে আমাকে দুই রাকাত নামাজ পড়ার সুযোগ দাও। ডাকাত বলল, তোমার যত খুশি নামাজ পড়ে নাও। আল্লাহর ওলি নামাজে দাড়ালেন এবং সেই মহান প্রতিপালকের নিকট দু'আ শুরু করলেন, যিনি গোপন ও প্রকাশ্য সকল কিছু দেখেন ও শুনেন। আল্লাহর ওলি গোপনে আল্লাহর নিকট দু'আ করে বললেন, হে দয়াময় আল্লাহ! হে আরশের অধিপতি! তুমি যা চাও তাই করতে পারো। হে আল্লাহ, আমি তোমার ইজ্জত, তোমার মিলকিয়াত এবং তোমার নুরের দোহাই দিয়ে প্রার্থনা করছি। তুমি আমাকে সাহায্য করো।
অতঃপর আল্লাহর ওলি সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করে দেখেন ডাকাত লোকটি রক্ত মাখা অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে এবং তার মাথার ওপর একটি সাদা ঘোড়ার ওপর সাদা পাগড়ি এবং সাদা কাপড় পরিহিত এক অশ্বারোহী। তখন আল্লাহর ওলি খুশি হলেন এবং বললেন, কে তুমি? অশ্বারোহী বলল, আমি চতুর্থ আসমান থেকে আসা এক ফেরেশতা। তুমি যখন প্রথম দু'আ করলে তখন তা আসমানের দরজায় গিয়ে করাঘাত করতে লাগল। অতঃপর তুমি যখন দ্বিতীয় দু'আ করলে আসমানের ফেরেশতারা কেঁপে উঠল। আর যখন তৃতীয় দু'আ করলে তখন আমি আল্লাহ তাআলার নিকট আরজ করলাম, হে আমার প্রতিপালক! এক নিরুপায় অসহায় বান্দা আপনাকে ডাকছেন। আপনার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছেন সুতরাং আমাকে অনুমতি দিন তাকে সাহায্য করার এবং এই বিপদ থেকে তাকে উদ্ধার করার।
আর আমি হলাম:
أَمَّن يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ
'বল তো কে নিরুপায়ের ডাকে সাড়া দেন যখন সে ডাকে'- এর জন্য নিযুক্ত ফেরেশতা।
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'তুমি সুখের সময় তোমার প্রতিপালককে ডাকো, তাঁর নিকট দু'আ করো তিনি তোমার দুঃখ-কষ্টের সময় তোমার ডাকে সাড়া দেবেন, তোমার মসিবত দূর করবেন। যে ব্যক্তি সচ্ছলতার সময় আল্লাহকে ডাকে, আল্লাহর ইবাদত করে, তার কঠিন সময়ে আল্লাহ তাআলা তার ডাকে সাড়া দেন এবং তাকে তার বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।
প্রিয় ভাই ও বোন, দুঃখ-কষ্ট এবং ক্ষতিকর বস্তু দূর করা এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন করার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর মাধ্যম হলো দু'আ। দু'আর মাধ্যমেই দুঃখ-কষ্ট দূর হয় এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন হয়। দু'আ হলো সর্বোত্তম ঔষধ। দু'আর মাধ্যমে মুসিবত হালকা হয়, বিপদ কেটে যায়।
প্রিয় ভাই ও বোন, তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। কারণ দু'আর মাধ্যমে আগত, অনাগত সকল ধরণের বিপদ-মুসিবত দূর হয়।
এক আল্লাহর ওলি ব্যবসার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে সফরে বের হন। পথিমধ্যে তিনি ডাকাতের কবলে পড়েন। ডাকাত তাকে বলল, আমি তোমাকে হত্যা করব। তিনি বললেন, এই তো আমার সম্পদ এবং ব্যবসার পণ্য এগুলো নিয়ে নাও এবং আমাকে ছেড়ে দাও, আমি আমার পথে চলে যাই। ডাকাত বলল, আমি তোমার সম্পদ ও তোমার ব্যবসার পণ্য তো নেবই সাথে সাথে তোমাকে হত্যাও করব। আল্লাহর ওলি তখন বললেন, ঠিক আছে। মৃত্যুর পূর্বে আমাকে দুই রাকাত নামাজ পড়ার সুযোগ দাও। ডাকাত বলল, তোমার যত খুশি নামাজ পড়ে নাও। আল্লাহর ওলি নামাজে দাড়ালেন এবং সেই মহান প্রতিপালকের নিকট দু'আ শুরু করলেন, যিনি গোপন ও প্রকাশ্য সকল কিছু দেখেন ও শুনেন। আল্লাহর ওলি গোপনে আল্লাহর নিকট দু'আ করে বললেন, হে দয়াময় আল্লাহ! হে আরশের অধিপতি! তুমি যা চাও তাই করতে পারো। হে আল্লাহ, আমি তোমার ইজ্জত, তোমার মিলকিয়াত এবং তোমার নুরের দোহাই দিয়ে প্রার্থনা করছি। তুমি আমাকে সাহায্য করো।
অতঃপর আল্লাহর ওলি সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করে দেখেন ডাকাত লোকটি রক্ত মাখা অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে এবং তার মাথার ওপর একটি সাদা ঘোড়ার ওপর সাদা পাগড়ি এবং সাদা কাপড় পরিহিত এক অশ্বারোহী। তখন আল্লাহর ওলি খুশি হলেন এবং বললেন, কে তুমি? অশ্বারোহী বলল, আমি চতুর্থ আসমান থেকে আসা এক ফেরেশতা। তুমি যখন প্রথম দু'আ করলে তখন তা আসমানের দরজায় গিয়ে করাঘাত করতে লাগল। অতঃপর তুমি যখন দ্বিতীয় দু'আ করলে আসমানের ফেরেশতারা কেঁপে উঠল। আর যখন তৃতীয় দু'আ করলে তখন আমি আল্লাহ তাআলার নিকট আরজ করলাম, হে আমার প্রতিপালক! এক নিরুপায় অসহায় বান্দা আপনাকে ডাকছেন। আপনার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছেন সুতরাং আমাকে অনুমতি দিন তাকে সাহায্য করার এবং এই বিপদ থেকে তাকে উদ্ধার করার।
আর আমি হলাম:
أَمَّن يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ
'বল তো কে নিরুপায়ের ডাকে সাড়া দেন যখন সে ডাকে'- এর জন্য নিযুক্ত ফেরেশতা।
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'তুমি সুখের সময় তোমার প্রতিপালককে ডাকো, তাঁর নিকট দু'আ করো তিনি তোমার দুঃখ-কষ্টের সময় তোমার ডাকে সাড়া দেবেন, তোমার মসিবত দূর করবেন। যে ব্যক্তি সচ্ছলতার সময় আল্লাহকে ডাকে, আল্লাহর ইবাদত করে, তার কঠিন সময়ে আল্লাহ তাআলা তার ডাকে সাড়া দেন এবং তাকে তার বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।
প্রিয় ভাই ও বোন, দুঃখ-কষ্ট এবং ক্ষতিকর বস্তু দূর করা এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন করার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর মাধ্যম হলো দু'আ। দু'আর মাধ্যমেই দুঃখ-কষ্ট দূর হয় এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন হয়। দু'আ হলো সর্বোত্তম ঔষধ। দু'আর মাধ্যমে মুসিবত হালকা হয়, বিপদ কেটে যায়।
প্রিয় ভাই ও বোন, তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। কারণ দু'আর মাধ্যমে আগত, অনাগত সকল ধরণের বিপদ-মুসিবত দূর হয়।