📄 কাবা দেখার আশায় দু‘আ
কোনো এক রামাদানের কথা। রামাদানের শীতল বাতাস বয়ে যাচ্ছিল আমাদের ওপর। রহমতের নিশিতে ভিজে গিয়েছিল কাবার চারদিক। আমি এবং আমার কয়েকজন নিকটাত্মীয় হারাম শরিফে বসা ছিলাম। হারাম শরিফের চারদিকে বসে আছে আরো অনেক মানুষ। তখন অন্য দেশের এক লোক এসে আমাদের পাশে বসল। তাকে দেখে অনেক খুশি খুশি মনে হচ্ছিল। সে আমাদেরকে বলল, ভাইয়েরা, মসজিদের অপর প্রান্তে এক অন্ধ বৃদ্ধ লোক অবস্থান করছে, যে আল্লাহ তাআলার নিকট তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক দু'আ করেছে। ফলে আল্লাহ তাআলা তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন। সে আল্লাহর কাছে দু'আ করে বলেছে, হে কাবার মালিক, আপনি সবকিছু করতে পারেন। আপনি পারেন না এমন কোনো কাজই নেই। আমি অন্ধ মানুষ। দু-চোখে কোনো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। এই দুনিয়ার রঙ কেমন আমার জানা নেই। পাহাড়-পর্বত, নদী-নালার রঙ কেমন সেটা তো আমার জানা নেই। দুনিয়াতে আপনার কত রকম সৃষ্টি আছে, আপনি নিপুণ হাতে সেগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, তা দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তাতে আমার কোনো আফসোস নেই। মন-খারাবি নেই। অভিযোগ, অভিমান কিছুই নেই। হে আমার রব, আমার বুকে বড়ো আশা ছিল আপনার ঘরকে তাওয়াফ করব। মন খুলে আপনার কাবা ঘরকে একটু দেখব। কাবার দিকে তাকিয়ে দু-ফোটা চোখের অশ্রু ফেলব। মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা সব কষ্ট নিমিষেই দূর করে ফেলব। সুতরাং আপনি আমার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিন। আপনার কাবাকে একটুখানি দেখার সুযোগ করে দিন।' আল্লাহ তায়ালা ওই অন্ধ লোকটির দু'আ কবুল করে নিলেন। তার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিলেন। তিনি মনভরে কাবাকে দেখে নিলেন। আল্লাহু আকবার। ৭৩
টিকাঃ
[৭৩] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৬।
কোনো এক রামাদানের কথা। রামাদানের শীতল বাতাস বয়ে যাচ্ছিল আমাদের ওপর। রহমতের নিশিতে ভিজে গিয়েছিল কাবার চারদিক। আমি এবং আমার কয়েকজন নিকটাত্মীয় হারাম শরিফে বসা ছিলাম। হারাম শরিফের চারদিকে বসে আছে আরো অনেক মানুষ। তখন অন্য দেশের এক লোক এসে আমাদের পাশে বসল। তাকে দেখে অনেক খুশি খুশি মনে হচ্ছিল। সে আমাদেরকে বলল, ভাইয়েরা, মসজিদের অপর প্রান্তে এক অন্ধ বৃদ্ধ লোক অবস্থান করছে, যে আল্লাহ তাআলার নিকট তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক দু'আ করেছে। ফলে আল্লাহ তাআলা তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন। সে আল্লাহর কাছে দু'আ করে বলেছে, হে কাবার মালিক, আপনি সবকিছু করতে পারেন। আপনি পারেন না এমন কোনো কাজই নেই। আমি অন্ধ মানুষ। দু-চোখে কোনো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। এই দুনিয়ার রঙ কেমন আমার জানা নেই। পাহাড়-পর্বত, নদী-নালার রঙ কেমন সেটা তো আমার জানা নেই। দুনিয়াতে আপনার কত রকম সৃষ্টি আছে, আপনি নিপুণ হাতে সেগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, তা দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তাতে আমার কোনো আফসোস নেই। মন-খারাবি নেই। অভিযোগ, অভিমান কিছুই নেই। হে আমার রব, আমার বুকে বড়ো আশা ছিল আপনার ঘরকে তাওয়াফ করব। মন খুলে আপনার কাবা ঘরকে একটু দেখব। কাবার দিকে তাকিয়ে দু-ফোটা চোখের অশ্রু ফেলব। মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা সব কষ্ট নিমিষেই দূর করে ফেলব। সুতরাং আপনি আমার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিন। আপনার কাবাকে একটুখানি দেখার সুযোগ করে দিন।' আল্লাহ তায়ালা ওই অন্ধ লোকটির দু'আ কবুল করে নিলেন। তার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিলেন। তিনি মনভরে কাবাকে দেখে নিলেন। আল্লাহু আকবার। ৭৩
টিকাঃ
[৭৩] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৬।
কোনো এক রামাদানের কথা। রামাদানের শীতল বাতাস বয়ে যাচ্ছিল আমাদের ওপর। রহমতের নিশিতে ভিজে গিয়েছিল কাবার চারদিক। আমি এবং আমার কয়েকজন নিকটাত্মীয় হারাম শরিফে বসা ছিলাম। হারাম শরিফের চারদিকে বসে আছে আরো অনেক মানুষ। তখন অন্য দেশের এক লোক এসে আমাদের পাশে বসল। তাকে দেখে অনেক খুশি খুশি মনে হচ্ছিল। সে আমাদেরকে বলল, ভাইয়েরা, মসজিদের অপর প্রান্তে এক অন্ধ বৃদ্ধ লোক অবস্থান করছে, যে আল্লাহ তাআলার নিকট তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক দু'আ করেছে। ফলে আল্লাহ তাআলা তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন। সে আল্লাহর কাছে দু'আ করে বলেছে, হে কাবার মালিক, আপনি সবকিছু করতে পারেন। আপনি পারেন না এমন কোনো কাজই নেই। আমি অন্ধ মানুষ। দু-চোখে কোনো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। এই দুনিয়ার রঙ কেমন আমার জানা নেই। পাহাড়-পর্বত, নদী-নালার রঙ কেমন সেটা তো আমার জানা নেই। দুনিয়াতে আপনার কত রকম সৃষ্টি আছে, আপনি নিপুণ হাতে সেগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, তা দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তাতে আমার কোনো আফসোস নেই। মন-খারাবি নেই। অভিযোগ, অভিমান কিছুই নেই। হে আমার রব, আমার বুকে বড়ো আশা ছিল আপনার ঘরকে তাওয়াফ করব। মন খুলে আপনার কাবা ঘরকে একটু দেখব। কাবার দিকে তাকিয়ে দু-ফোটা চোখের অশ্রু ফেলব। মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা সব কষ্ট নিমিষেই দূর করে ফেলব। সুতরাং আপনি আমার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিন। আপনার কাবাকে একটুখানি দেখার সুযোগ করে দিন।' আল্লাহ তায়ালা ওই অন্ধ লোকটির দু'আ কবুল করে নিলেন। তার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিলেন। তিনি মনভরে কাবাকে দেখে নিলেন। আল্লাহু আকবার। ৭৩
টিকাঃ
[৭৩] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৬।
কোনো এক রামাদানের কথা। রামাদানের শীতল বাতাস বয়ে যাচ্ছিল আমাদের ওপর। রহমতের নিশিতে ভিজে গিয়েছিল কাবার চারদিক। আমি এবং আমার কয়েকজন নিকটাত্মীয় হারাম শরিফে বসা ছিলাম। হারাম শরিফের চারদিকে বসে আছে আরো অনেক মানুষ। তখন অন্য দেশের এক লোক এসে আমাদের পাশে বসল। তাকে দেখে অনেক খুশি খুশি মনে হচ্ছিল। সে আমাদেরকে বলল, ভাইয়েরা, মসজিদের অপর প্রান্তে এক অন্ধ বৃদ্ধ লোক অবস্থান করছে, যে আল্লাহ তাআলার নিকট তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক দু'আ করেছে। ফলে আল্লাহ তাআলা তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন। সে আল্লাহর কাছে দু'আ করে বলেছে, হে কাবার মালিক, আপনি সবকিছু করতে পারেন। আপনি পারেন না এমন কোনো কাজই নেই। আমি অন্ধ মানুষ। দু-চোখে কোনো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। এই দুনিয়ার রঙ কেমন আমার জানা নেই। পাহাড়-পর্বত, নদী-নালার রঙ কেমন সেটা তো আমার জানা নেই। দুনিয়াতে আপনার কত রকম সৃষ্টি আছে, আপনি নিপুণ হাতে সেগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, তা দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তাতে আমার কোনো আফসোস নেই। মন-খারাবি নেই। অভিযোগ, অভিমান কিছুই নেই। হে আমার রব, আমার বুকে বড়ো আশা ছিল আপনার ঘরকে তাওয়াফ করব। মন খুলে আপনার কাবা ঘরকে একটু দেখব। কাবার দিকে তাকিয়ে দু-ফোটা চোখের অশ্রু ফেলব। মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা সব কষ্ট নিমিষেই দূর করে ফেলব। সুতরাং আপনি আমার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিন। আপনার কাবাকে একটুখানি দেখার সুযোগ করে দিন।' আল্লাহ তায়ালা ওই অন্ধ লোকটির দু'আ কবুল করে নিলেন। তার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিলেন। তিনি মনভরে কাবাকে দেখে নিলেন। আল্লাহু আকবার। ৭৩
টিকাঃ
[৭৩] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৬।
📄 এক মহীয়সী স্ত্রীর দু‘আ
আমার দাদা বলেছেন, আমাদের গ্রামে এক লোক ছিল এবং তার স্ত্রী ছিল খুবই নেককার। তাদের বিবাহের কয়েক বছর কেটে যাওয়ার পর স্মামী আরেকটি বিয়ে করতে চাইল, কিন্তু সে বিষয়টা প্রথম স্ত্রীর কাছে গোপন রাখল। সে তাদের পাশের গ্রামে এক মেয়েকে পছন্দ করে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলো এবং বিবাহ ঠিকও হয়ে গেল। অতঃপর নির্ধারিত দিনে লোকটি মহরের টাকাসহ পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল। লোকটি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার স্ত্রী কোনোভাবে তার স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারল। তখন সাথে সাথে সে বাড়ির ছাদে উঠে নীল আসমানের দিকে হাত তুলে দু'আ করতে লাগল, 'হে আমার রব, আপনি তাকে বিবাহ না করিয়ে সেখান থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসুন।' এভাবে সে অনেকক্ষণ দু'আ করল। আল্লাহ তায়ালা এই মহীয়সী নারীর দু'আকে কবুল করে নিলেন। অতঃপর লোকটি সেই গ্রামে প্রবেশ করল ঠিক-ই, কিন্তু মেয়ের বাড়িতে না গিয়ে এবং বিবাহ না করেই আবার নিজের গ্রামের দিকে ফিরে এলো। ৭৪
টিকাঃ
[৭৪] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৪।
আমার দাদা বলেছেন, আমাদের গ্রামে এক লোক ছিল এবং তার স্ত্রী ছিল খুবই নেককার। তাদের বিবাহের কয়েক বছর কেটে যাওয়ার পর স্মামী আরেকটি বিয়ে করতে চাইল, কিন্তু সে বিষয়টা প্রথম স্ত্রীর কাছে গোপন রাখল। সে তাদের পাশের গ্রামে এক মেয়েকে পছন্দ করে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলো এবং বিবাহ ঠিকও হয়ে গেল। অতঃপর নির্ধারিত দিনে লোকটি মহরের টাকাসহ পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল। লোকটি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার স্ত্রী কোনোভাবে তার স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারল। তখন সাথে সাথে সে বাড়ির ছাদে উঠে নীল আসমানের দিকে হাত তুলে দু'আ করতে লাগল, 'হে আমার রব, আপনি তাকে বিবাহ না করিয়ে সেখান থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসুন।' এভাবে সে অনেকক্ষণ দু'আ করল। আল্লাহ তায়ালা এই মহীয়সী নারীর দু'আকে কবুল করে নিলেন। অতঃপর লোকটি সেই গ্রামে প্রবেশ করল ঠিক-ই, কিন্তু মেয়ের বাড়িতে না গিয়ে এবং বিবাহ না করেই আবার নিজের গ্রামের দিকে ফিরে এলো। ৭৪
টিকাঃ
[৭৪] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৪।
আমার দাদা বলেছেন, আমাদের গ্রামে এক লোক ছিল এবং তার স্ত্রী ছিল খুবই নেককার। তাদের বিবাহের কয়েক বছর কেটে যাওয়ার পর স্মামী আরেকটি বিয়ে করতে চাইল, কিন্তু সে বিষয়টা প্রথম স্ত্রীর কাছে গোপন রাখল। সে তাদের পাশের গ্রামে এক মেয়েকে পছন্দ করে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলো এবং বিবাহ ঠিকও হয়ে গেল। অতঃপর নির্ধারিত দিনে লোকটি মহরের টাকাসহ পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল। লোকটি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার স্ত্রী কোনোভাবে তার স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারল। তখন সাথে সাথে সে বাড়ির ছাদে উঠে নীল আসমানের দিকে হাত তুলে দু'আ করতে লাগল, 'হে আমার রব, আপনি তাকে বিবাহ না করিয়ে সেখান থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসুন।' এভাবে সে অনেকক্ষণ দু'আ করল। আল্লাহ তায়ালা এই মহীয়সী নারীর দু'আকে কবুল করে নিলেন। অতঃপর লোকটি সেই গ্রামে প্রবেশ করল ঠিক-ই, কিন্তু মেয়ের বাড়িতে না গিয়ে এবং বিবাহ না করেই আবার নিজের গ্রামের দিকে ফিরে এলো। ৭৪
টিকাঃ
[৭৪] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৪।
আমার দাদা বলেছেন, আমাদের গ্রামে এক লোক ছিল এবং তার স্ত্রী ছিল খুবই নেককার। তাদের বিবাহের কয়েক বছর কেটে যাওয়ার পর স্মামী আরেকটি বিয়ে করতে চাইল, কিন্তু সে বিষয়টা প্রথম স্ত্রীর কাছে গোপন রাখল। সে তাদের পাশের গ্রামে এক মেয়েকে পছন্দ করে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলো এবং বিবাহ ঠিকও হয়ে গেল। অতঃপর নির্ধারিত দিনে লোকটি মহরের টাকাসহ পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল। লোকটি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার স্ত্রী কোনোভাবে তার স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারল। তখন সাথে সাথে সে বাড়ির ছাদে উঠে নীল আসমানের দিকে হাত তুলে দু'আ করতে লাগল, 'হে আমার রব, আপনি তাকে বিবাহ না করিয়ে সেখান থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসুন।' এভাবে সে অনেকক্ষণ দু'আ করল। আল্লাহ তায়ালা এই মহীয়সী নারীর দু'আকে কবুল করে নিলেন। অতঃপর লোকটি সেই গ্রামে প্রবেশ করল ঠিক-ই, কিন্তু মেয়ের বাড়িতে না গিয়ে এবং বিবাহ না করেই আবার নিজের গ্রামের দিকে ফিরে এলো। ৭৪
টিকাঃ
[৭৪] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৪।
📄 মাজলুমের দু‘আ কখনো বিফলে যায় না
শাইখ সাইদ ইবনু মুসফির আল কাহতানি বলেন, এক লোকের কাছ থেকে মিথ্যা সাক্ষীর মাধ্যমে প্রতারণা করে অন্য একজন একখণ্ড জমি হাতিয়ে নেয়। কারণ জামিটি ছিল প্রতারক লোকটির বাড়ির সামনে। আর সে চাচ্ছিল জমিটি তার গাড়ি রাখার কাজে ব্যবহার করবে। ফলে সে জমিটির চারপাশে দেয়াল বানাতে শুরু করে। জমির মালিক বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে বাধা দেয় এবং প্রতারক জালেম লোকটিকে বলে, 'এটা তো আমার জমি আপনি এখানে দেয়াল তুলছেন কেন?' তখন জালিম বলে, 'এটা তোমার নয় বরং এটা আমার জমি।' তখন জমির মালিক কাজি সাহেবের কাছে গিয়ে বিচার দাবি করে। কাজি সাহেব তখন জালিমকে ডেকে বলেন, 'এটা কি তোমার জমি?' জালিম বলল, 'হা, এটা আমার জমি এবং এ বিষয়ে আমার নিকট প্রমাণও আছে।' অতঃপর সে দুইজন মিথ্যা সাক্ষী উপস্থিত করে। সে জমির আশপাশের দুইজন বৃদ্ধ লোকের নিকট যায় এবং তাদের মোটা অংকের টাকার ঘুষ প্রদান করে জমির মাপ দেখিয়ে দিয়ে কোর্টে গিয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে বলে। অতঃপর জালিম লোকটি তার সেই দুই মিথ্যা সাক্ষীকে নিয়ে কোর্টে হাজির হয়। জমির মালিকও সেখানে উপস্থিত হয়।
মিথ্যা সাক্ষীরা তখন বলে জমির সীমানা ডান দিকে এতটুকু বাম দিকে এতটুকু, সামনে এবং পিছনে এতটুকুর মালিক এই লোক। এটাতো সে বংশ পরম্পরায় পেয়েছে। এটা তাদের বাপ-দাদাদের পৈতৃক সম্পত্তি। এটা সবাই জানে। এ বিষয়ে কারো কোনো সন্দেহ নেই, আর কেউ এর মালিকানায় শরিকও নেই। আমরা আল্লাহর কসম করে বলছি, এই জমিটি তার (জालিমের)।
কাজি তখন জমির মালিককে জিজ্ঞেস করে, এদের সাক্ষীর বিরুদ্ধে তোমার নিকট কোনো প্রমাণ আছে কি? সে বলল, না, কিন্তু আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি—আর আল্লাহ তাআলা তো সবই জানেন যে—আমি এই জমির মালিক। আর তারা সকলেই মিথ্যাবাদী।' কাজি সাহেব আবার লোকটিকে বলল, 'তাদের দলিলের বিপক্ষে তোমার কোনো প্রমাণ আছে?' সে বলল, 'না। আমার কাছে কোনো দলিল-প্রমাণ নেই।' ব্যস, জমিটির ফয়সালা জালেম মিথ্যাবাদীর পক্ষে হয়ে গেল।
মাজলুম জমির মালিক তখন কোর্ট থেকে নেমে ওজু করে মসজিদে প্রবেশ করল, কারণ মাজলুমের দু'আ আর আল্লাহর মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না।
লোকটি নামাজ আদায় করে আল্লাহর নিকট দু'আ করে বলল, হে আমার রব, তুমি তো জানো এই জমি আমার। কিন্তু তারা আমার ওপর জুলুম করে এই জমি আমার কাছ থেকে নিয়ে নিয়েছে। আর তার পক্ষে দুজন মিথ্যা সাক্ষী দিয়েছে। অচিরেই আমার চোখের সামনে আমার জমির ওপর সে বাড়ি বানাবে। চোখ দিয়ে দেখা ছাড়া আমি কিছুই করতে পারব না। এটা আমার জন্য অনেক কষ্টের হবে। হে আল্লাহ! আজ তুমি আমাকে এ বিষয়ে সাহায্য করো।' এরপর সে ভগ্নহৃদয়ে বাড়িতে স্ত্রীর নিকট ফিরে গেল এবং কিছু সময় ঘুমাল।
অন্যদিকে জালেম এবং তার দুই মিথ্যা সাক্ষী কোর্ট থেকে বের হলো। তারা খুবই আনন্দিত। কারণ ফয়সালা এবং জমির দলিল তাদের হাতে। সে তাদেরকে হোটেলে নিয়ে ভালোভাবে লাঞ্চ করাল এবং মিথ্যা সাক্ষীর জন্য টাকা দিলো। তারা সবাই খুশিমনে গাড়ি দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গাড়ি এ্যাকসিডেন্টে সবাই মারা গেল। পরবর্তীতে জালিমের স্ত্রী কাগজ-পত্র মাজলুমকে হস্তান্তর করল। কাজি সাহেব ওই জমিটিকে মূল মালিককে দিয়ে দিলো। ৭৫
টিকাঃ
[৭৫] মিন আজায়িবিদ দোয়া: ৮৮।
শাইখ সাইদ ইবনু মুসফির আল কাহতানি বলেন, এক লোকের কাছ থেকে মিথ্যা সাক্ষীর মাধ্যমে প্রতারণা করে অন্য একজন একখণ্ড জমি হাতিয়ে নেয়। কারণ জামিটি ছিল প্রতারক লোকটির বাড়ির সামনে। আর সে চাচ্ছিল জমিটি তার গাড়ি রাখার কাজে ব্যবহার করবে। ফলে সে জমিটির চারপাশে দেয়াল বানাতে শুরু করে। জমির মালিক বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে বাধা দেয় এবং প্রতারক জালেম লোকটিকে বলে, 'এটা তো আমার জমি আপনি এখানে দেয়াল তুলছেন কেন?' তখন জালিম বলে, 'এটা তোমার নয় বরং এটা আমার জমি।' তখন জমির মালিক কাজি সাহেবের কাছে গিয়ে বিচার দাবি করে। কাজি সাহেব তখন জালিমকে ডেকে বলেন, 'এটা কি তোমার জমি?' জালিম বলল, 'হা, এটা আমার জমি এবং এ বিষয়ে আমার নিকট প্রমাণও আছে।' অতঃপর সে দুইজন মিথ্যা সাক্ষী উপস্থিত করে। সে জমির আশপাশের দুইজন বৃদ্ধ লোকের নিকট যায় এবং তাদের মোটা অংকের টাকার ঘুষ প্রদান করে জমির মাপ দেখিয়ে দিয়ে কোর্টে গিয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে বলে। অতঃপর জালিম লোকটি তার সেই দুই মিথ্যা সাক্ষীকে নিয়ে কোর্টে হাজির হয়। জমির মালিকও সেখানে উপস্থিত হয়।
মিথ্যা সাক্ষীরা তখন বলে জমির সীমানা ডান দিকে এতটুকু বাম দিকে এতটুকু, সামনে এবং পিছনে এতটুকুর মালিক এই লোক। এটাতো সে বংশ পরম্পরায় পেয়েছে। এটা তাদের বাপ-দাদাদের পৈতৃক সম্পত্তি। এটা সবাই জানে। এ বিষয়ে কারো কোনো সন্দেহ নেই, আর কেউ এর মালিকানায় শরিকও নেই। আমরা আল্লাহর কসম করে বলছি, এই জমিটি তার (জालিমের)।
কাজি তখন জমির মালিককে জিজ্ঞেস করে, এদের সাক্ষীর বিরুদ্ধে তোমার নিকট কোনো প্রমাণ আছে কি? সে বলল, না, কিন্তু আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি—আর আল্লাহ তাআলা তো সবই জানেন যে—আমি এই জমির মালিক। আর তারা সকলেই মিথ্যাবাদী।' কাজি সাহেব আবার লোকটিকে বলল, 'তাদের দলিলের বিপক্ষে তোমার কোনো প্রমাণ আছে?' সে বলল, 'না। আমার কাছে কোনো দলিল-প্রমাণ নেই।' ব্যস, জমিটির ফয়সালা জালেম মিথ্যাবাদীর পক্ষে হয়ে গেল।
মাজলুম জমির মালিক তখন কোর্ট থেকে নেমে ওজু করে মসজিদে প্রবেশ করল, কারণ মাজলুমের দু'আ আর আল্লাহর মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না।
লোকটি নামাজ আদায় করে আল্লাহর নিকট দু'আ করে বলল, হে আমার রব, তুমি তো জানো এই জমি আমার। কিন্তু তারা আমার ওপর জুলুম করে এই জমি আমার কাছ থেকে নিয়ে নিয়েছে। আর তার পক্ষে দুজন মিথ্যা সাক্ষী দিয়েছে। অচিরেই আমার চোখের সামনে আমার জমির ওপর সে বাড়ি বানাবে। চোখ দিয়ে দেখা ছাড়া আমি কিছুই করতে পারব না। এটা আমার জন্য অনেক কষ্টের হবে। হে আল্লাহ! আজ তুমি আমাকে এ বিষয়ে সাহায্য করো।' এরপর সে ভগ্নহৃদয়ে বাড়িতে স্ত্রীর নিকট ফিরে গেল এবং কিছু সময় ঘুমাল।
অন্যদিকে জালেম এবং তার দুই মিথ্যা সাক্ষী কোর্ট থেকে বের হলো। তারা খুবই আনন্দিত। কারণ ফয়সালা এবং জমির দলিল তাদের হাতে। সে তাদেরকে হোটেলে নিয়ে ভালোভাবে লাঞ্চ করাল এবং মিথ্যা সাক্ষীর জন্য টাকা দিলো। তারা সবাই খুশিমনে গাড়ি দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গাড়ি এ্যাকসিডেন্টে সবাই মারা গেল। পরবর্তীতে জালিমের স্ত্রী কাগজ-পত্র মাজলুমকে হস্তান্তর করল। কাজি সাহেব ওই জমিটিকে মূল মালিককে দিয়ে দিলো। ৭৫
টিকাঃ
[৭৫] মিন আজায়িবিদ দোয়া: ৮৮।
শাইখ সাইদ ইবনু মুসফির আল কাহতানি বলেন, এক লোকের কাছ থেকে মিথ্যা সাক্ষীর মাধ্যমে প্রতারণা করে অন্য একজন একখণ্ড জমি হাতিয়ে নেয়। কারণ জামিটি ছিল প্রতারক লোকটির বাড়ির সামনে। আর সে চাচ্ছিল জমিটি তার গাড়ি রাখার কাজে ব্যবহার করবে। ফলে সে জমিটির চারপাশে দেয়াল বানাতে শুরু করে। জমির মালিক বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে বাধা দেয় এবং প্রতারক জালেম লোকটিকে বলে, 'এটা তো আমার জমি আপনি এখানে দেয়াল তুলছেন কেন?' তখন জালিম বলে, 'এটা তোমার নয় বরং এটা আমার জমি।' তখন জমির মালিক কাজি সাহেবের কাছে গিয়ে বিচার দাবি করে। কাজি সাহেব তখন জালিমকে ডেকে বলেন, 'এটা কি তোমার জমি?' জালিম বলল, 'হা, এটা আমার জমি এবং এ বিষয়ে আমার নিকট প্রমাণও আছে।' অতঃপর সে দুইজন মিথ্যা সাক্ষী উপস্থিত করে। সে জমির আশপাশের দুইজন বৃদ্ধ লোকের নিকট যায় এবং তাদের মোটা অংকের টাকার ঘুষ প্রদান করে জমির মাপ দেখিয়ে দিয়ে কোর্টে গিয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে বলে। অতঃপর জালিম লোকটি তার সেই দুই মিথ্যা সাক্ষীকে নিয়ে কোর্টে হাজির হয়। জমির মালিকও সেখানে উপস্থিত হয়।
মিথ্যা সাক্ষীরা তখন বলে জমির সীমানা ডান দিকে এতটুকু বাম দিকে এতটুকু, সামনে এবং পিছনে এতটুকুর মালিক এই লোক। এটাতো সে বংশ পরম্পরায় পেয়েছে। এটা তাদের বাপ-দাদাদের পৈতৃক সম্পত্তি। এটা সবাই জানে। এ বিষয়ে কারো কোনো সন্দেহ নেই, আর কেউ এর মালিকানায় শরিকও নেই। আমরা আল্লাহর কসম করে বলছি, এই জমিটি তার (জालিমের)।
কাজি তখন জমির মালিককে জিজ্ঞেস করে, এদের সাক্ষীর বিরুদ্ধে তোমার নিকট কোনো প্রমাণ আছে কি? সে বলল, না, কিন্তু আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি—আর আল্লাহ তাআলা তো সবই জানেন যে—আমি এই জমির মালিক। আর তারা সকলেই মিথ্যাবাদী।' কাজি সাহেব আবার লোকটিকে বলল, 'তাদের দলিলের বিপক্ষে তোমার কোনো প্রমাণ আছে?' সে বলল, 'না। আমার কাছে কোনো দলিল-প্রমাণ নেই।' ব্যস, জমিটির ফয়সালা জালেম মিথ্যাবাদীর পক্ষে হয়ে গেল।
মাজলুম জমির মালিক তখন কোর্ট থেকে নেমে ওজু করে মসজিদে প্রবেশ করল, কারণ মাজলুমের দু'আ আর আল্লাহর মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না।
লোকটি নামাজ আদায় করে আল্লাহর নিকট দু'আ করে বলল, হে আমার রব, তুমি তো জানো এই জমি আমার। কিন্তু তারা আমার ওপর জুলুম করে এই জমি আমার কাছ থেকে নিয়ে নিয়েছে। আর তার পক্ষে দুজন মিথ্যা সাক্ষী দিয়েছে। অচিরেই আমার চোখের সামনে আমার জমির ওপর সে বাড়ি বানাবে। চোখ দিয়ে দেখা ছাড়া আমি কিছুই করতে পারব না। এটা আমার জন্য অনেক কষ্টের হবে। হে আল্লাহ! আজ তুমি আমাকে এ বিষয়ে সাহায্য করো।' এরপর সে ভগ্নহৃদয়ে বাড়িতে স্ত্রীর নিকট ফিরে গেল এবং কিছু সময় ঘুমাল।
অন্যদিকে জালেম এবং তার দুই মিথ্যা সাক্ষী কোর্ট থেকে বের হলো। তারা খুবই আনন্দিত। কারণ ফয়সালা এবং জমির দলিল তাদের হাতে। সে তাদেরকে হোটেলে নিয়ে ভালোভাবে লাঞ্চ করাল এবং মিথ্যা সাক্ষীর জন্য টাকা দিলো। তারা সবাই খুশিমনে গাড়ি দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গাড়ি এ্যাকসিডেন্টে সবাই মারা গেল। পরবর্তীতে জালিমের স্ত্রী কাগজ-পত্র মাজলুমকে হস্তান্তর করল। কাজি সাহেব ওই জমিটিকে মূল মালিককে দিয়ে দিলো। ৭৫
টিকাঃ
[৭৫] মিন আজায়িবিদ দোয়া: ৮৮।
শাইখ সাইদ ইবনু মুসফির আল কাহতানি বলেন, এক লোকের কাছ থেকে মিথ্যা সাক্ষীর মাধ্যমে প্রতারণা করে অন্য একজন একখণ্ড জমি হাতিয়ে নেয়। কারণ জামিটি ছিল প্রতারক লোকটির বাড়ির সামনে। আর সে চাচ্ছিল জমিটি তার গাড়ি রাখার কাজে ব্যবহার করবে। ফলে সে জমিটির চারপাশে দেয়াল বানাতে শুরু করে। জমির মালিক বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে বাধা দেয় এবং প্রতারক জালেম লোকটিকে বলে, 'এটা তো আমার জমি আপনি এখানে দেয়াল তুলছেন কেন?' তখন জালিম বলে, 'এটা তোমার নয় বরং এটা আমার জমি।' তখন জমির মালিক কাজি সাহেবের কাছে গিয়ে বিচার দাবি করে। কাজি সাহেব তখন জালিমকে ডেকে বলেন, 'এটা কি তোমার জমি?' জালিম বলল, 'হা, এটা আমার জমি এবং এ বিষয়ে আমার নিকট প্রমাণও আছে।' অতঃপর সে দুইজন মিথ্যা সাক্ষী উপস্থিত করে। সে জমির আশপাশের দুইজন বৃদ্ধ লোকের নিকট যায় এবং তাদের মোটা অংকের টাকার ঘুষ প্রদান করে জমির মাপ দেখিয়ে দিয়ে কোর্টে গিয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে বলে। অতঃপর জালিম লোকটি তার সেই দুই মিথ্যা সাক্ষীকে নিয়ে কোর্টে হাজির হয়। জমির মালিকও সেখানে উপস্থিত হয়।
মিথ্যা সাক্ষীরা তখন বলে জমির সীমানা ডান দিকে এতটুকু বাম দিকে এতটুকু, সামনে এবং পিছনে এতটুকুর মালিক এই লোক। এটাতো সে বংশ পরম্পরায় পেয়েছে। এটা তাদের বাপ-দাদাদের পৈতৃক সম্পত্তি। এটা সবাই জানে। এ বিষয়ে কারো কোনো সন্দেহ নেই, আর কেউ এর মালিকানায় শরিকও নেই। আমরা আল্লাহর কসম করে বলছি, এই জমিটি তার (জालিমের)।
কাজি তখন জমির মালিককে জিজ্ঞেস করে, এদের সাক্ষীর বিরুদ্ধে তোমার নিকট কোনো প্রমাণ আছে কি? সে বলল, না, কিন্তু আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি—আর আল্লাহ তাআলা তো সবই জানেন যে—আমি এই জমির মালিক। আর তারা সকলেই মিথ্যাবাদী।' কাজি সাহেব আবার লোকটিকে বলল, 'তাদের দলিলের বিপক্ষে তোমার কোনো প্রমাণ আছে?' সে বলল, 'না। আমার কাছে কোনো দলিল-প্রমাণ নেই।' ব্যস, জমিটির ফয়সালা জালেম মিথ্যাবাদীর পক্ষে হয়ে গেল।
মাজলুম জমির মালিক তখন কোর্ট থেকে নেমে ওজু করে মসজিদে প্রবেশ করল, কারণ মাজলুমের দু'আ আর আল্লাহর মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না।
লোকটি নামাজ আদায় করে আল্লাহর নিকট দু'আ করে বলল, হে আমার রব, তুমি তো জানো এই জমি আমার। কিন্তু তারা আমার ওপর জুলুম করে এই জমি আমার কাছ থেকে নিয়ে নিয়েছে। আর তার পক্ষে দুজন মিথ্যা সাক্ষী দিয়েছে। অচিরেই আমার চোখের সামনে আমার জমির ওপর সে বাড়ি বানাবে। চোখ দিয়ে দেখা ছাড়া আমি কিছুই করতে পারব না। এটা আমার জন্য অনেক কষ্টের হবে। হে আল্লাহ! আজ তুমি আমাকে এ বিষয়ে সাহায্য করো।' এরপর সে ভগ্নহৃদয়ে বাড়িতে স্ত্রীর নিকট ফিরে গেল এবং কিছু সময় ঘুমাল।
অন্যদিকে জালেম এবং তার দুই মিথ্যা সাক্ষী কোর্ট থেকে বের হলো। তারা খুবই আনন্দিত। কারণ ফয়সালা এবং জমির দলিল তাদের হাতে। সে তাদেরকে হোটেলে নিয়ে ভালোভাবে লাঞ্চ করাল এবং মিথ্যা সাক্ষীর জন্য টাকা দিলো। তারা সবাই খুশিমনে গাড়ি দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গাড়ি এ্যাকসিডেন্টে সবাই মারা গেল। পরবর্তীতে জালিমের স্ত্রী কাগজ-পত্র মাজলুমকে হস্তান্তর করল। কাজি সাহেব ওই জমিটিকে মূল মালিককে দিয়ে দিলো। ৭৫
টিকাঃ
[৭৫] মিন আজায়িবিদ দোয়া: ৮৮।
📄 ডাকাতের কবল থেকে মুক্তি
এক আল্লাহর ওলি ব্যবসার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে সফরে বের হন। পথিমধ্যে তিনি ডাকাতের কবলে পড়েন। ডাকাত তাকে বলল, আমি তোমাকে হত্যা করব। তিনি বললেন, এই তো আমার সম্পদ এবং ব্যবসার পণ্য এগুলো নিয়ে নাও এবং আমাকে ছেড়ে দাও, আমি আমার পথে চলে যাই। ডাকাত বলল, আমি তোমার সম্পদ ও তোমার ব্যবসার পণ্য তো নেবই সাথে সাথে তোমাকে হত্যাও করব। আল্লাহর ওলি তখন বললেন, ঠিক আছে। মৃত্যুর পূর্বে আমাকে দুই রাকাত নামাজ পড়ার সুযোগ দাও। ডাকাত বলল, তোমার যত খুশি নামাজ পড়ে নাও। আল্লাহর ওলি নামাজে দাড়ালেন এবং সেই মহান প্রতিপালকের নিকট দু'আ শুরু করলেন, যিনি গোপন ও প্রকাশ্য সকল কিছু দেখেন ও শুনেন। আল্লাহর ওলি গোপনে আল্লাহর নিকট দু'আ করে বললেন, হে দয়াময় আল্লাহ! হে আরশের অধিপতি! তুমি যা চাও তাই করতে পারো। হে আল্লাহ, আমি তোমার ইজ্জত, তোমার মিলকিয়াত এবং তোমার নুরের দোহাই দিয়ে প্রার্থনা করছি। তুমি আমাকে সাহায্য করো।
অতঃপর আল্লাহর ওলি সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করে দেখেন ডাকাত লোকটি রক্ত মাখা অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে এবং তার মাথার ওপর একটি সাদা ঘোড়ার ওপর সাদা পাগড়ি এবং সাদা কাপড় পরিহিত এক অশ্বারোহী। তখন আল্লাহর ওলি খুশি হলেন এবং বললেন, কে তুমি? অশ্বারোহী বলল, আমি চতুর্থ আসমান থেকে আসা এক ফেরেশতা। তুমি যখন প্রথম দু'আ করলে তখন তা আসমানের দরজায় গিয়ে করাঘাত করতে লাগল। অতঃপর তুমি যখন দ্বিতীয় দু'আ করলে আসমানের ফেরেশতারা কেঁপে উঠল। আর যখন তৃতীয় দু'আ করলে তখন আমি আল্লাহ তাআলার নিকট আরজ করলাম, হে আমার প্রতিপালক! এক নিরুপায় অসহায় বান্দা আপনাকে ডাকছেন। আপনার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছেন সুতরাং আমাকে অনুমতি দিন তাকে সাহায্য করার এবং এই বিপদ থেকে তাকে উদ্ধার করার।
আর আমি হলাম:
أَمَّن يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ
'বল তো কে নিরুপায়ের ডাকে সাড়া দেন যখন সে ডাকে'- এর জন্য নিযুক্ত ফেরেশতা।
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'তুমি সুখের সময় তোমার প্রতিপালককে ডাকো, তাঁর নিকট দু'আ করো তিনি তোমার দুঃখ-কষ্টের সময় তোমার ডাকে সাড়া দেবেন, তোমার মসিবত দূর করবেন। যে ব্যক্তি সচ্ছলতার সময় আল্লাহকে ডাকে, আল্লাহর ইবাদত করে, তার কঠিন সময়ে আল্লাহ তাআলা তার ডাকে সাড়া দেন এবং তাকে তার বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।
প্রিয় ভাই ও বোন, দুঃখ-কষ্ট এবং ক্ষতিকর বস্তু দূর করা এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন করার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর মাধ্যম হলো দু'আ। দু'আর মাধ্যমেই দুঃখ-কষ্ট দূর হয় এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন হয়। দু'আ হলো সর্বোত্তম ঔষধ। দু'আর মাধ্যমে মুসিবত হালকা হয়, বিপদ কেটে যায়।
প্রিয় ভাই ও বোন, তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। কারণ দু'আর মাধ্যমে আগত, অনাগত সকল ধরণের বিপদ-মুসিবত দূর হয়।
এক আল্লাহর ওলি ব্যবসার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে সফরে বের হন। পথিমধ্যে তিনি ডাকাতের কবলে পড়েন। ডাকাত তাকে বলল, আমি তোমাকে হত্যা করব। তিনি বললেন, এই তো আমার সম্পদ এবং ব্যবসার পণ্য এগুলো নিয়ে নাও এবং আমাকে ছেড়ে দাও, আমি আমার পথে চলে যাই। ডাকাত বলল, আমি তোমার সম্পদ ও তোমার ব্যবসার পণ্য তো নেবই সাথে সাথে তোমাকে হত্যাও করব। আল্লাহর ওলি তখন বললেন, ঠিক আছে। মৃত্যুর পূর্বে আমাকে দুই রাকাত নামাজ পড়ার সুযোগ দাও। ডাকাত বলল, তোমার যত খুশি নামাজ পড়ে নাও। আল্লাহর ওলি নামাজে দাড়ালেন এবং সেই মহান প্রতিপালকের নিকট দু'আ শুরু করলেন, যিনি গোপন ও প্রকাশ্য সকল কিছু দেখেন ও শুনেন। আল্লাহর ওলি গোপনে আল্লাহর নিকট দু'আ করে বললেন, হে দয়াময় আল্লাহ! হে আরশের অধিপতি! তুমি যা চাও তাই করতে পারো। হে আল্লাহ, আমি তোমার ইজ্জত, তোমার মিলকিয়াত এবং তোমার নুরের দোহাই দিয়ে প্রার্থনা করছি। তুমি আমাকে সাহায্য করো।
অতঃপর আল্লাহর ওলি সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করে দেখেন ডাকাত লোকটি রক্ত মাখা অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে এবং তার মাথার ওপর একটি সাদা ঘোড়ার ওপর সাদা পাগড়ি এবং সাদা কাপড় পরিহিত এক অশ্বারোহী। তখন আল্লাহর ওলি খুশি হলেন এবং বললেন, কে তুমি? অশ্বারোহী বলল, আমি চতুর্থ আসমান থেকে আসা এক ফেরেশতা। তুমি যখন প্রথম দু'আ করলে তখন তা আসমানের দরজায় গিয়ে করাঘাত করতে লাগল। অতঃপর তুমি যখন দ্বিতীয় দু'আ করলে আসমানের ফেরেশতারা কেঁপে উঠল। আর যখন তৃতীয় দু'আ করলে তখন আমি আল্লাহ তাআলার নিকট আরজ করলাম, হে আমার প্রতিপালক! এক নিরুপায় অসহায় বান্দা আপনাকে ডাকছেন। আপনার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছেন সুতরাং আমাকে অনুমতি দিন তাকে সাহায্য করার এবং এই বিপদ থেকে তাকে উদ্ধার করার।
আর আমি হলাম:
أَمَّن يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ
'বল তো কে নিরুপায়ের ডাকে সাড়া দেন যখন সে ডাকে'- এর জন্য নিযুক্ত ফেরেশতা।
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'তুমি সুখের সময় তোমার প্রতিপালককে ডাকো, তাঁর নিকট দু'আ করো তিনি তোমার দুঃখ-কষ্টের সময় তোমার ডাকে সাড়া দেবেন, তোমার মসিবত দূর করবেন। যে ব্যক্তি সচ্ছলতার সময় আল্লাহকে ডাকে, আল্লাহর ইবাদত করে, তার কঠিন সময়ে আল্লাহ তাআলা তার ডাকে সাড়া দেন এবং তাকে তার বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।
প্রিয় ভাই ও বোন, দুঃখ-কষ্ট এবং ক্ষতিকর বস্তু দূর করা এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন করার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর মাধ্যম হলো দু'আ। দু'আর মাধ্যমেই দুঃখ-কষ্ট দূর হয় এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন হয়। দু'আ হলো সর্বোত্তম ঔষধ। দু'আর মাধ্যমে মুসিবত হালকা হয়, বিপদ কেটে যায়।
প্রিয় ভাই ও বোন, তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। কারণ দু'আর মাধ্যমে আগত, অনাগত সকল ধরণের বিপদ-মুসিবত দূর হয়।
এক আল্লাহর ওলি ব্যবসার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে সফরে বের হন। পথিমধ্যে তিনি ডাকাতের কবলে পড়েন। ডাকাত তাকে বলল, আমি তোমাকে হত্যা করব। তিনি বললেন, এই তো আমার সম্পদ এবং ব্যবসার পণ্য এগুলো নিয়ে নাও এবং আমাকে ছেড়ে দাও, আমি আমার পথে চলে যাই। ডাকাত বলল, আমি তোমার সম্পদ ও তোমার ব্যবসার পণ্য তো নেবই সাথে সাথে তোমাকে হত্যাও করব। আল্লাহর ওলি তখন বললেন, ঠিক আছে। মৃত্যুর পূর্বে আমাকে দুই রাকাত নামাজ পড়ার সুযোগ দাও। ডাকাত বলল, তোমার যত খুশি নামাজ পড়ে নাও। আল্লাহর ওলি নামাজে দাড়ালেন এবং সেই মহান প্রতিপালকের নিকট দু'আ শুরু করলেন, যিনি গোপন ও প্রকাশ্য সকল কিছু দেখেন ও শুনেন। আল্লাহর ওলি গোপনে আল্লাহর নিকট দু'আ করে বললেন, হে দয়াময় আল্লাহ! হে আরশের অধিপতি! তুমি যা চাও তাই করতে পারো। হে আল্লাহ, আমি তোমার ইজ্জত, তোমার মিলকিয়াত এবং তোমার নুরের দোহাই দিয়ে প্রার্থনা করছি। তুমি আমাকে সাহায্য করো।
অতঃপর আল্লাহর ওলি সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করে দেখেন ডাকাত লোকটি রক্ত মাখা অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে এবং তার মাথার ওপর একটি সাদা ঘোড়ার ওপর সাদা পাগড়ি এবং সাদা কাপড় পরিহিত এক অশ্বারোহী। তখন আল্লাহর ওলি খুশি হলেন এবং বললেন, কে তুমি? অশ্বারোহী বলল, আমি চতুর্থ আসমান থেকে আসা এক ফেরেশতা। তুমি যখন প্রথম দু'আ করলে তখন তা আসমানের দরজায় গিয়ে করাঘাত করতে লাগল। অতঃপর তুমি যখন দ্বিতীয় দু'আ করলে আসমানের ফেরেশতারা কেঁপে উঠল। আর যখন তৃতীয় দু'আ করলে তখন আমি আল্লাহ তাআলার নিকট আরজ করলাম, হে আমার প্রতিপালক! এক নিরুপায় অসহায় বান্দা আপনাকে ডাকছেন। আপনার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছেন সুতরাং আমাকে অনুমতি দিন তাকে সাহায্য করার এবং এই বিপদ থেকে তাকে উদ্ধার করার।
আর আমি হলাম:
أَمَّن يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ
'বল তো কে নিরুপায়ের ডাকে সাড়া দেন যখন সে ডাকে'- এর জন্য নিযুক্ত ফেরেশতা।
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'তুমি সুখের সময় তোমার প্রতিপালককে ডাকো, তাঁর নিকট দু'আ করো তিনি তোমার দুঃখ-কষ্টের সময় তোমার ডাকে সাড়া দেবেন, তোমার মসিবত দূর করবেন। যে ব্যক্তি সচ্ছলতার সময় আল্লাহকে ডাকে, আল্লাহর ইবাদত করে, তার কঠিন সময়ে আল্লাহ তাআলা তার ডাকে সাড়া দেন এবং তাকে তার বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।
প্রিয় ভাই ও বোন, দুঃখ-কষ্ট এবং ক্ষতিকর বস্তু দূর করা এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন করার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর মাধ্যম হলো দু'আ। দু'আর মাধ্যমেই দুঃখ-কষ্ট দূর হয় এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন হয়। দু'আ হলো সর্বোত্তম ঔষধ। দু'আর মাধ্যমে মুসিবত হালকা হয়, বিপদ কেটে যায়।
প্রিয় ভাই ও বোন, তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। কারণ দু'আর মাধ্যমে আগত, অনাগত সকল ধরণের বিপদ-মুসিবত দূর হয়।
এক আল্লাহর ওলি ব্যবসার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে সফরে বের হন। পথিমধ্যে তিনি ডাকাতের কবলে পড়েন। ডাকাত তাকে বলল, আমি তোমাকে হত্যা করব। তিনি বললেন, এই তো আমার সম্পদ এবং ব্যবসার পণ্য এগুলো নিয়ে নাও এবং আমাকে ছেড়ে দাও, আমি আমার পথে চলে যাই। ডাকাত বলল, আমি তোমার সম্পদ ও তোমার ব্যবসার পণ্য তো নেবই সাথে সাথে তোমাকে হত্যাও করব। আল্লাহর ওলি তখন বললেন, ঠিক আছে। মৃত্যুর পূর্বে আমাকে দুই রাকাত নামাজ পড়ার সুযোগ দাও। ডাকাত বলল, তোমার যত খুশি নামাজ পড়ে নাও। আল্লাহর ওলি নামাজে দাড়ালেন এবং সেই মহান প্রতিপালকের নিকট দু'আ শুরু করলেন, যিনি গোপন ও প্রকাশ্য সকল কিছু দেখেন ও শুনেন। আল্লাহর ওলি গোপনে আল্লাহর নিকট দু'আ করে বললেন, হে দয়াময় আল্লাহ! হে আরশের অধিপতি! তুমি যা চাও তাই করতে পারো। হে আল্লাহ, আমি তোমার ইজ্জত, তোমার মিলকিয়াত এবং তোমার নুরের দোহাই দিয়ে প্রার্থনা করছি। তুমি আমাকে সাহায্য করো।
অতঃপর আল্লাহর ওলি সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করে দেখেন ডাকাত লোকটি রক্ত মাখা অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে এবং তার মাথার ওপর একটি সাদা ঘোড়ার ওপর সাদা পাগড়ি এবং সাদা কাপড় পরিহিত এক অশ্বারোহী। তখন আল্লাহর ওলি খুশি হলেন এবং বললেন, কে তুমি? অশ্বারোহী বলল, আমি চতুর্থ আসমান থেকে আসা এক ফেরেশতা। তুমি যখন প্রথম দু'আ করলে তখন তা আসমানের দরজায় গিয়ে করাঘাত করতে লাগল। অতঃপর তুমি যখন দ্বিতীয় দু'আ করলে আসমানের ফেরেশতারা কেঁপে উঠল। আর যখন তৃতীয় দু'আ করলে তখন আমি আল্লাহ তাআলার নিকট আরজ করলাম, হে আমার প্রতিপালক! এক নিরুপায় অসহায় বান্দা আপনাকে ডাকছেন। আপনার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছেন সুতরাং আমাকে অনুমতি দিন তাকে সাহায্য করার এবং এই বিপদ থেকে তাকে উদ্ধার করার।
আর আমি হলাম:
أَمَّن يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ
'বল তো কে নিরুপায়ের ডাকে সাড়া দেন যখন সে ডাকে'- এর জন্য নিযুক্ত ফেরেশতা।
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'তুমি সুখের সময় তোমার প্রতিপালককে ডাকো, তাঁর নিকট দু'আ করো তিনি তোমার দুঃখ-কষ্টের সময় তোমার ডাকে সাড়া দেবেন, তোমার মসিবত দূর করবেন। যে ব্যক্তি সচ্ছলতার সময় আল্লাহকে ডাকে, আল্লাহর ইবাদত করে, তার কঠিন সময়ে আল্লাহ তাআলা তার ডাকে সাড়া দেন এবং তাকে তার বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।
প্রিয় ভাই ও বোন, দুঃখ-কষ্ট এবং ক্ষতিকর বস্তু দূর করা এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন করার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর মাধ্যম হলো দু'আ। দু'আর মাধ্যমেই দুঃখ-কষ্ট দূর হয় এবং কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জন হয়। দু'আ হলো সর্বোত্তম ঔষধ। দু'আর মাধ্যমে মুসিবত হালকা হয়, বিপদ কেটে যায়।
প্রিয় ভাই ও বোন, তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। তোমরা বেশি বেশি আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করো। কারণ দু'আর মাধ্যমে আগত, অনাগত সকল ধরণের বিপদ-মুসিবত দূর হয়।