📘 দু আর মহিমা > 📄 পেটব্যথা ভালো হয়ে গেল

📄 পেটব্যথা ভালো হয়ে গেল


এক লোক বলেন, একদিন রাত প্রায় একটার সময় হঠাৎ আমার প্রচন্ড পেটব্যথা শুরু হলো এবং ধীরে ধীরে তা আরো বাড়তে থাকল। আমি কি করব বুঝতে পারছিলাম না। আমি সহ্য করতে না পেরে বাড়ির উঠোনে গিয়ে হাঁটতে লাগলাম। এরপর আমি আবার ঘরে ফিরে এলাম। আমার অবস্থা তখন এমন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে যা আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ জানে না। তখন আমি মনে মনে বললাম, আমি কেন আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করছি না? যেই ভাবা সেই কাজ। আমি সাথে সাথে উঠে গিয়ে ওজু করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করলাম এবং শেষ সিজদার সময় আমার সুস্থতার জন্য আল্লাহ তাআলার নিকট অনেক দু'আ করলাম। আমি যখন সিজদায় দু'আ করছিলাম তখন অনুভব করছিলাম যে, আমার শরীর থেকে অস্বস্তিকর কিছু বের হয়ে যাচ্ছে এবং প্রশান্তিদায়ক কিছু প্রবেশ করছে। এরপর আমি সিজদাহ থেকে মাথা উঠানোর পূর্বেই পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলাম। ফলে আমার প্রতি আল্লাহর এমন অনুগ্রহের জন্য তাঁর শুকরিয়া আদায় করলাম। একমাত্র তিনিই তো অনুগ্রহ ও ইহসানের উপযুক্ত মালিক। ৭১

টিকাঃ
[৭১] সিয়ারু আলামিন নুবালা: ১২/১৩৬।

এক লোক বলেন, একদিন রাত প্রায় একটার সময় হঠাৎ আমার প্রচন্ড পেটব্যথা শুরু হলো এবং ধীরে ধীরে তা আরো বাড়তে থাকল। আমি কি করব বুঝতে পারছিলাম না। আমি সহ্য করতে না পেরে বাড়ির উঠোনে গিয়ে হাঁটতে লাগলাম। এরপর আমি আবার ঘরে ফিরে এলাম। আমার অবস্থা তখন এমন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে যা আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ জানে না। তখন আমি মনে মনে বললাম, আমি কেন আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করছি না? যেই ভাবা সেই কাজ। আমি সাথে সাথে উঠে গিয়ে ওজু করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করলাম এবং শেষ সিজদার সময় আমার সুস্থতার জন্য আল্লাহ তাআলার নিকট অনেক দু'আ করলাম। আমি যখন সিজদায় দু'আ করছিলাম তখন অনুভব করছিলাম যে, আমার শরীর থেকে অস্বস্তিকর কিছু বের হয়ে যাচ্ছে এবং প্রশান্তিদায়ক কিছু প্রবেশ করছে। এরপর আমি সিজদাহ থেকে মাথা উঠানোর পূর্বেই পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলাম। ফলে আমার প্রতি আল্লাহর এমন অনুগ্রহের জন্য তাঁর শুকরিয়া আদায় করলাম। একমাত্র তিনিই তো অনুগ্রহ ও ইহসানের উপযুক্ত মালিক। ৭১

টিকাঃ
[৭১] সিয়ারু আলামিন নুবালা: ১২/১৩৬।

এক লোক বলেন, একদিন রাত প্রায় একটার সময় হঠাৎ আমার প্রচন্ড পেটব্যথা শুরু হলো এবং ধীরে ধীরে তা আরো বাড়তে থাকল। আমি কি করব বুঝতে পারছিলাম না। আমি সহ্য করতে না পেরে বাড়ির উঠোনে গিয়ে হাঁটতে লাগলাম। এরপর আমি আবার ঘরে ফিরে এলাম। আমার অবস্থা তখন এমন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে যা আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ জানে না। তখন আমি মনে মনে বললাম, আমি কেন আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করছি না? যেই ভাবা সেই কাজ। আমি সাথে সাথে উঠে গিয়ে ওজু করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করলাম এবং শেষ সিজদার সময় আমার সুস্থতার জন্য আল্লাহ তাআলার নিকট অনেক দু'আ করলাম। আমি যখন সিজদায় দু'আ করছিলাম তখন অনুভব করছিলাম যে, আমার শরীর থেকে অস্বস্তিকর কিছু বের হয়ে যাচ্ছে এবং প্রশান্তিদায়ক কিছু প্রবেশ করছে। এরপর আমি সিজদাহ থেকে মাথা উঠানোর পূর্বেই পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলাম। ফলে আমার প্রতি আল্লাহর এমন অনুগ্রহের জন্য তাঁর শুকরিয়া আদায় করলাম। একমাত্র তিনিই তো অনুগ্রহ ও ইহসানের উপযুক্ত মালিক। ৭১

টিকাঃ
[৭১] সিয়ারু আলামিন নুবালা: ১২/১৩৬।

এক লোক বলেন, একদিন রাত প্রায় একটার সময় হঠাৎ আমার প্রচন্ড পেটব্যথা শুরু হলো এবং ধীরে ধীরে তা আরো বাড়তে থাকল। আমি কি করব বুঝতে পারছিলাম না। আমি সহ্য করতে না পেরে বাড়ির উঠোনে গিয়ে হাঁটতে লাগলাম। এরপর আমি আবার ঘরে ফিরে এলাম। আমার অবস্থা তখন এমন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে যা আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ জানে না। তখন আমি মনে মনে বললাম, আমি কেন আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করছি না? যেই ভাবা সেই কাজ। আমি সাথে সাথে উঠে গিয়ে ওজু করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করলাম এবং শেষ সিজদার সময় আমার সুস্থতার জন্য আল্লাহ তাআলার নিকট অনেক দু'আ করলাম। আমি যখন সিজদায় দু'আ করছিলাম তখন অনুভব করছিলাম যে, আমার শরীর থেকে অস্বস্তিকর কিছু বের হয়ে যাচ্ছে এবং প্রশান্তিদায়ক কিছু প্রবেশ করছে। এরপর আমি সিজদাহ থেকে মাথা উঠানোর পূর্বেই পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলাম। ফলে আমার প্রতি আল্লাহর এমন অনুগ্রহের জন্য তাঁর শুকরিয়া আদায় করলাম। একমাত্র তিনিই তো অনুগ্রহ ও ইহসানের উপযুক্ত মালিক। ৭১

টিকাঃ
[৭১] সিয়ারু আলামিন নুবালা: ১২/১৩৬।

📘 দু আর মহিমা > 📄 রব কখনো দু‘আ ফিরিয়ে দেন না

📄 রব কখনো দু‘আ ফিরিয়ে দেন না


এক লোক বলেন, একদিন হঠাৎ আমার প্রচন্ড কাশি ও গলাব্যথা শুরু হয়। আমার অনেক কষ্ট হচ্ছিল। আমি কথা বলতে পারছিলাম না। আমি তখন ওজু করে দুই রাকাত সালাত আদায় করলাম এবং সিজদায় পড়ে আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করে বললাম, 'হে আল্লাহ! আপনি তো এমন সত্তা, যাকে রোগ ও ক্ষতি স্পর্শ করতে পারে না। হে আমার রব, আমি এমন এক বান্দা, যার রোগ এবং ক্ষতি হতে পারে। আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন এবং আপনি আমাকে সুস্থ করে দিন, আমাকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করুন।' এরপর আমি দু'আ শেষ করে যখন ঘুমের রুমে আসলাম আল্লাহর রহমতে আমি পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলাম। সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্য। ৭২

টিকাঃ
[৭২] সিয়ারু আলামিন নুবালা: ১২/১৬৪।

এক লোক বলেন, একদিন হঠাৎ আমার প্রচন্ড কাশি ও গলাব্যথা শুরু হয়। আমার অনেক কষ্ট হচ্ছিল। আমি কথা বলতে পারছিলাম না। আমি তখন ওজু করে দুই রাকাত সালাত আদায় করলাম এবং সিজদায় পড়ে আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করে বললাম, 'হে আল্লাহ! আপনি তো এমন সত্তা, যাকে রোগ ও ক্ষতি স্পর্শ করতে পারে না। হে আমার রব, আমি এমন এক বান্দা, যার রোগ এবং ক্ষতি হতে পারে। আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন এবং আপনি আমাকে সুস্থ করে দিন, আমাকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করুন।' এরপর আমি দু'আ শেষ করে যখন ঘুমের রুমে আসলাম আল্লাহর রহমতে আমি পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলাম। সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্য। ৭২

টিকাঃ
[৭২] সিয়ারু আলামিন নুবালা: ১২/১৬৪।

এক লোক বলেন, একদিন হঠাৎ আমার প্রচন্ড কাশি ও গলাব্যথা শুরু হয়। আমার অনেক কষ্ট হচ্ছিল। আমি কথা বলতে পারছিলাম না। আমি তখন ওজু করে দুই রাকাত সালাত আদায় করলাম এবং সিজদায় পড়ে আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করে বললাম, 'হে আল্লাহ! আপনি তো এমন সত্তা, যাকে রোগ ও ক্ষতি স্পর্শ করতে পারে না। হে আমার রব, আমি এমন এক বান্দা, যার রোগ এবং ক্ষতি হতে পারে। আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন এবং আপনি আমাকে সুস্থ করে দিন, আমাকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করুন।' এরপর আমি দু'আ শেষ করে যখন ঘুমের রুমে আসলাম আল্লাহর রহমতে আমি পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলাম। সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্য। ৭২

টিকাঃ
[৭২] সিয়ারু আলামিন নুবালা: ১২/১৬৪।

এক লোক বলেন, একদিন হঠাৎ আমার প্রচন্ড কাশি ও গলাব্যথা শুরু হয়। আমার অনেক কষ্ট হচ্ছিল। আমি কথা বলতে পারছিলাম না। আমি তখন ওজু করে দুই রাকাত সালাত আদায় করলাম এবং সিজদায় পড়ে আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করে বললাম, 'হে আল্লাহ! আপনি তো এমন সত্তা, যাকে রোগ ও ক্ষতি স্পর্শ করতে পারে না। হে আমার রব, আমি এমন এক বান্দা, যার রোগ এবং ক্ষতি হতে পারে। আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন এবং আপনি আমাকে সুস্থ করে দিন, আমাকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করুন।' এরপর আমি দু'আ শেষ করে যখন ঘুমের রুমে আসলাম আল্লাহর রহমতে আমি পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলাম। সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্য। ৭২

টিকাঃ
[৭২] সিয়ারু আলামিন নুবালা: ১২/১৬৪।

📘 দু আর মহিমা > 📄 কাবা দেখার আশায় দু‘আ

📄 কাবা দেখার আশায় দু‘আ


কোনো এক রামাদানের কথা। রামাদানের শীতল বাতাস বয়ে যাচ্ছিল আমাদের ওপর। রহমতের নিশিতে ভিজে গিয়েছিল কাবার চারদিক। আমি এবং আমার কয়েকজন নিকটাত্মীয় হারাম শরিফে বসা ছিলাম। হারাম শরিফের চারদিকে বসে আছে আরো অনেক মানুষ। তখন অন্য দেশের এক লোক এসে আমাদের পাশে বসল। তাকে দেখে অনেক খুশি খুশি মনে হচ্ছিল। সে আমাদেরকে বলল, ভাইয়েরা, মসজিদের অপর প্রান্তে এক অন্ধ বৃদ্ধ লোক অবস্থান করছে, যে আল্লাহ তাআলার নিকট তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক দু'আ করেছে। ফলে আল্লাহ তাআলা তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন। সে আল্লাহর কাছে দু'আ করে বলেছে, হে কাবার মালিক, আপনি সবকিছু করতে পারেন। আপনি পারেন না এমন কোনো কাজই নেই। আমি অন্ধ মানুষ। দু-চোখে কোনো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। এই দুনিয়ার রঙ কেমন আমার জানা নেই। পাহাড়-পর্বত, নদী-নালার রঙ কেমন সেটা তো আমার জানা নেই। দুনিয়াতে আপনার কত রকম সৃষ্টি আছে, আপনি নিপুণ হাতে সেগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, তা দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তাতে আমার কোনো আফসোস নেই। মন-খারাবি নেই। অভিযোগ, অভিমান কিছুই নেই। হে আমার রব, আমার বুকে বড়ো আশা ছিল আপনার ঘরকে তাওয়াফ করব। মন খুলে আপনার কাবা ঘরকে একটু দেখব। কাবার দিকে তাকিয়ে দু-ফোটা চোখের অশ্রু ফেলব। মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা সব কষ্ট নিমিষেই দূর করে ফেলব। সুতরাং আপনি আমার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিন। আপনার কাবাকে একটুখানি দেখার সুযোগ করে দিন।' আল্লাহ তায়ালা ওই অন্ধ লোকটির দু'আ কবুল করে নিলেন। তার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিলেন। তিনি মনভরে কাবাকে দেখে নিলেন। আল্লাহু আকবার। ৭৩

টিকাঃ
[৭৩] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৬।

কোনো এক রামাদানের কথা। রামাদানের শীতল বাতাস বয়ে যাচ্ছিল আমাদের ওপর। রহমতের নিশিতে ভিজে গিয়েছিল কাবার চারদিক। আমি এবং আমার কয়েকজন নিকটাত্মীয় হারাম শরিফে বসা ছিলাম। হারাম শরিফের চারদিকে বসে আছে আরো অনেক মানুষ। তখন অন্য দেশের এক লোক এসে আমাদের পাশে বসল। তাকে দেখে অনেক খুশি খুশি মনে হচ্ছিল। সে আমাদেরকে বলল, ভাইয়েরা, মসজিদের অপর প্রান্তে এক অন্ধ বৃদ্ধ লোক অবস্থান করছে, যে আল্লাহ তাআলার নিকট তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক দু'আ করেছে। ফলে আল্লাহ তাআলা তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন। সে আল্লাহর কাছে দু'আ করে বলেছে, হে কাবার মালিক, আপনি সবকিছু করতে পারেন। আপনি পারেন না এমন কোনো কাজই নেই। আমি অন্ধ মানুষ। দু-চোখে কোনো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। এই দুনিয়ার রঙ কেমন আমার জানা নেই। পাহাড়-পর্বত, নদী-নালার রঙ কেমন সেটা তো আমার জানা নেই। দুনিয়াতে আপনার কত রকম সৃষ্টি আছে, আপনি নিপুণ হাতে সেগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, তা দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তাতে আমার কোনো আফসোস নেই। মন-খারাবি নেই। অভিযোগ, অভিমান কিছুই নেই। হে আমার রব, আমার বুকে বড়ো আশা ছিল আপনার ঘরকে তাওয়াফ করব। মন খুলে আপনার কাবা ঘরকে একটু দেখব। কাবার দিকে তাকিয়ে দু-ফোটা চোখের অশ্রু ফেলব। মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা সব কষ্ট নিমিষেই দূর করে ফেলব। সুতরাং আপনি আমার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিন। আপনার কাবাকে একটুখানি দেখার সুযোগ করে দিন।' আল্লাহ তায়ালা ওই অন্ধ লোকটির দু'আ কবুল করে নিলেন। তার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিলেন। তিনি মনভরে কাবাকে দেখে নিলেন। আল্লাহু আকবার। ৭৩

টিকাঃ
[৭৩] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৬।

কোনো এক রামাদানের কথা। রামাদানের শীতল বাতাস বয়ে যাচ্ছিল আমাদের ওপর। রহমতের নিশিতে ভিজে গিয়েছিল কাবার চারদিক। আমি এবং আমার কয়েকজন নিকটাত্মীয় হারাম শরিফে বসা ছিলাম। হারাম শরিফের চারদিকে বসে আছে আরো অনেক মানুষ। তখন অন্য দেশের এক লোক এসে আমাদের পাশে বসল। তাকে দেখে অনেক খুশি খুশি মনে হচ্ছিল। সে আমাদেরকে বলল, ভাইয়েরা, মসজিদের অপর প্রান্তে এক অন্ধ বৃদ্ধ লোক অবস্থান করছে, যে আল্লাহ তাআলার নিকট তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক দু'আ করেছে। ফলে আল্লাহ তাআলা তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন। সে আল্লাহর কাছে দু'আ করে বলেছে, হে কাবার মালিক, আপনি সবকিছু করতে পারেন। আপনি পারেন না এমন কোনো কাজই নেই। আমি অন্ধ মানুষ। দু-চোখে কোনো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। এই দুনিয়ার রঙ কেমন আমার জানা নেই। পাহাড়-পর্বত, নদী-নালার রঙ কেমন সেটা তো আমার জানা নেই। দুনিয়াতে আপনার কত রকম সৃষ্টি আছে, আপনি নিপুণ হাতে সেগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, তা দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তাতে আমার কোনো আফসোস নেই। মন-খারাবি নেই। অভিযোগ, অভিমান কিছুই নেই। হে আমার রব, আমার বুকে বড়ো আশা ছিল আপনার ঘরকে তাওয়াফ করব। মন খুলে আপনার কাবা ঘরকে একটু দেখব। কাবার দিকে তাকিয়ে দু-ফোটা চোখের অশ্রু ফেলব। মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা সব কষ্ট নিমিষেই দূর করে ফেলব। সুতরাং আপনি আমার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিন। আপনার কাবাকে একটুখানি দেখার সুযোগ করে দিন।' আল্লাহ তায়ালা ওই অন্ধ লোকটির দু'আ কবুল করে নিলেন। তার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিলেন। তিনি মনভরে কাবাকে দেখে নিলেন। আল্লাহু আকবার। ৭৩

টিকাঃ
[৭৩] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৬।

কোনো এক রামাদানের কথা। রামাদানের শীতল বাতাস বয়ে যাচ্ছিল আমাদের ওপর। রহমতের নিশিতে ভিজে গিয়েছিল কাবার চারদিক। আমি এবং আমার কয়েকজন নিকটাত্মীয় হারাম শরিফে বসা ছিলাম। হারাম শরিফের চারদিকে বসে আছে আরো অনেক মানুষ। তখন অন্য দেশের এক লোক এসে আমাদের পাশে বসল। তাকে দেখে অনেক খুশি খুশি মনে হচ্ছিল। সে আমাদেরকে বলল, ভাইয়েরা, মসজিদের অপর প্রান্তে এক অন্ধ বৃদ্ধ লোক অবস্থান করছে, যে আল্লাহ তাআলার নিকট তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক দু'আ করেছে। ফলে আল্লাহ তাআলা তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিয়েছেন। সে আল্লাহর কাছে দু'আ করে বলেছে, হে কাবার মালিক, আপনি সবকিছু করতে পারেন। আপনি পারেন না এমন কোনো কাজই নেই। আমি অন্ধ মানুষ। দু-চোখে কোনো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। এই দুনিয়ার রঙ কেমন আমার জানা নেই। পাহাড়-পর্বত, নদী-নালার রঙ কেমন সেটা তো আমার জানা নেই। দুনিয়াতে আপনার কত রকম সৃষ্টি আছে, আপনি নিপুণ হাতে সেগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, তা দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তাতে আমার কোনো আফসোস নেই। মন-খারাবি নেই। অভিযোগ, অভিমান কিছুই নেই। হে আমার রব, আমার বুকে বড়ো আশা ছিল আপনার ঘরকে তাওয়াফ করব। মন খুলে আপনার কাবা ঘরকে একটু দেখব। কাবার দিকে তাকিয়ে দু-ফোটা চোখের অশ্রু ফেলব। মনের মাঝে লুকিয়ে থাকা সব কষ্ট নিমিষেই দূর করে ফেলব। সুতরাং আপনি আমার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিন। আপনার কাবাকে একটুখানি দেখার সুযোগ করে দিন।' আল্লাহ তায়ালা ওই অন্ধ লোকটির দু'আ কবুল করে নিলেন। তার দৃষ্টিকে ফিরিয়ে দিলেন। তিনি মনভরে কাবাকে দেখে নিলেন। আল্লাহু আকবার। ৭৩

টিকাঃ
[৭৩] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৬।

📘 দু আর মহিমা > 📄 এক মহীয়সী স্ত্রীর দু‘আ

📄 এক মহীয়সী স্ত্রীর দু‘আ


আমার দাদা বলেছেন, আমাদের গ্রামে এক লোক ছিল এবং তার স্ত্রী ছিল খুবই নেককার। তাদের বিবাহের কয়েক বছর কেটে যাওয়ার পর স্মামী আরেকটি বিয়ে করতে চাইল, কিন্তু সে বিষয়টা প্রথম স্ত্রীর কাছে গোপন রাখল। সে তাদের পাশের গ্রামে এক মেয়েকে পছন্দ করে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলো এবং বিবাহ ঠিকও হয়ে গেল। অতঃপর নির্ধারিত দিনে লোকটি মহরের টাকাসহ পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল। লোকটি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার স্ত্রী কোনোভাবে তার স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারল। তখন সাথে সাথে সে বাড়ির ছাদে উঠে নীল আসমানের দিকে হাত তুলে দু'আ করতে লাগল, 'হে আমার রব, আপনি তাকে বিবাহ না করিয়ে সেখান থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসুন।' এভাবে সে অনেকক্ষণ দু'আ করল। আল্লাহ তায়ালা এই মহীয়সী নারীর দু'আকে কবুল করে নিলেন। অতঃপর লোকটি সেই গ্রামে প্রবেশ করল ঠিক-ই, কিন্তু মেয়ের বাড়িতে না গিয়ে এবং বিবাহ না করেই আবার নিজের গ্রামের দিকে ফিরে এলো। ৭৪

টিকাঃ
[৭৪] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৪।

আমার দাদা বলেছেন, আমাদের গ্রামে এক লোক ছিল এবং তার স্ত্রী ছিল খুবই নেককার। তাদের বিবাহের কয়েক বছর কেটে যাওয়ার পর স্মামী আরেকটি বিয়ে করতে চাইল, কিন্তু সে বিষয়টা প্রথম স্ত্রীর কাছে গোপন রাখল। সে তাদের পাশের গ্রামে এক মেয়েকে পছন্দ করে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলো এবং বিবাহ ঠিকও হয়ে গেল। অতঃপর নির্ধারিত দিনে লোকটি মহরের টাকাসহ পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল। লোকটি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার স্ত্রী কোনোভাবে তার স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারল। তখন সাথে সাথে সে বাড়ির ছাদে উঠে নীল আসমানের দিকে হাত তুলে দু'আ করতে লাগল, 'হে আমার রব, আপনি তাকে বিবাহ না করিয়ে সেখান থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসুন।' এভাবে সে অনেকক্ষণ দু'আ করল। আল্লাহ তায়ালা এই মহীয়সী নারীর দু'আকে কবুল করে নিলেন। অতঃপর লোকটি সেই গ্রামে প্রবেশ করল ঠিক-ই, কিন্তু মেয়ের বাড়িতে না গিয়ে এবং বিবাহ না করেই আবার নিজের গ্রামের দিকে ফিরে এলো। ৭৪

টিকাঃ
[৭৪] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৪।

আমার দাদা বলেছেন, আমাদের গ্রামে এক লোক ছিল এবং তার স্ত্রী ছিল খুবই নেককার। তাদের বিবাহের কয়েক বছর কেটে যাওয়ার পর স্মামী আরেকটি বিয়ে করতে চাইল, কিন্তু সে বিষয়টা প্রথম স্ত্রীর কাছে গোপন রাখল। সে তাদের পাশের গ্রামে এক মেয়েকে পছন্দ করে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলো এবং বিবাহ ঠিকও হয়ে গেল। অতঃপর নির্ধারিত দিনে লোকটি মহরের টাকাসহ পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল। লোকটি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার স্ত্রী কোনোভাবে তার স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারল। তখন সাথে সাথে সে বাড়ির ছাদে উঠে নীল আসমানের দিকে হাত তুলে দু'আ করতে লাগল, 'হে আমার রব, আপনি তাকে বিবাহ না করিয়ে সেখান থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসুন।' এভাবে সে অনেকক্ষণ দু'আ করল। আল্লাহ তায়ালা এই মহীয়সী নারীর দু'আকে কবুল করে নিলেন। অতঃপর লোকটি সেই গ্রামে প্রবেশ করল ঠিক-ই, কিন্তু মেয়ের বাড়িতে না গিয়ে এবং বিবাহ না করেই আবার নিজের গ্রামের দিকে ফিরে এলো। ৭৪

টিকাঃ
[৭৪] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৪।

আমার দাদা বলেছেন, আমাদের গ্রামে এক লোক ছিল এবং তার স্ত্রী ছিল খুবই নেককার। তাদের বিবাহের কয়েক বছর কেটে যাওয়ার পর স্মামী আরেকটি বিয়ে করতে চাইল, কিন্তু সে বিষয়টা প্রথম স্ত্রীর কাছে গোপন রাখল। সে তাদের পাশের গ্রামে এক মেয়েকে পছন্দ করে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলো এবং বিবাহ ঠিকও হয়ে গেল। অতঃপর নির্ধারিত দিনে লোকটি মহরের টাকাসহ পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল। লোকটি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার স্ত্রী কোনোভাবে তার স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারল। তখন সাথে সাথে সে বাড়ির ছাদে উঠে নীল আসমানের দিকে হাত তুলে দু'আ করতে লাগল, 'হে আমার রব, আপনি তাকে বিবাহ না করিয়ে সেখান থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসুন।' এভাবে সে অনেকক্ষণ দু'আ করল। আল্লাহ তায়ালা এই মহীয়সী নারীর দু'আকে কবুল করে নিলেন। অতঃপর লোকটি সেই গ্রামে প্রবেশ করল ঠিক-ই, কিন্তু মেয়ের বাড়িতে না গিয়ে এবং বিবাহ না করেই আবার নিজের গ্রামের দিকে ফিরে এলো। ৭৪

টিকাঃ
[৭৪] আজায়িবিদ দোয়া: ৯৪।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00