📄 রাগ করবেন না
ধৈর্যধারণের ফল পেতে হলে আপনাকে রাগ না করা থেকে দূরে অবস্থান করতে হবে। কেননা রাগ হলো ধৈর্যধারণের বিপরীত কাজ। তাই রাগ না করা চাই। যদি কোনো কষ্টে আক্রান্ত হওয়ার পরও রাগ না করে থাকেন, তবেই আপনি পাবেন ধৈর্যধারণের ফল। আল্লাহ ﷻ তাঁর প্রিয় বন্ধু রাসুল ﷺ -কে রাগ করতে নিষেধ করেছেন। কুরআনুল কারিমে ইরশাদ হয়েছে-
فَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تَكُن كَصَاحِبِ الْحُوتِ إِذْ نَادَى وَهُوَ مَكْظُومُ.
"আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের অপেক্ষায় ধৈর্যধারণ করুন, আপনি মাছওয়ালা ইউনুসের মতো হবেন না। যখন সে দুঃখাকুল মনে প্রার্থনা করছিলো।”১০৫
টিকাঃ
১০৫ সুরা আল কলম: ৪৮।
📄 নিরাশ হবেন না
ধৈর্যধারণের ক্ষেত্রে যে বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তা হচ্ছে, কোনো বিপদ আসলে নিরাশ না হওয়া। তাই তো ইয়াকুব তার সন্তানদেরকে নিরাশ হতে নিষেধ করেছেন। পবিত্র কুরআনুল কারিমে ইরশাদ হয়েছে-
يَا بَنِيَّ اذْهَبُوا فَتَحَسَّسُوا مِن يُوسُفَ وَأَخِيهِ وَلَا تَيْأَسُوا مِن رَّوْحِ اللَّهِ.
"বৎসগণ! যাও ইউসুফ ও তার ভাইকে তালাশ করো, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।”১০৬
ধৈর্য আশা ও আকাঙ্ক্ষার বাতিকে জ্বালিয়ে দেয়। ধৈর্যধারণ করা হলো নিরাশ না হওয়ার ঔষধ। আর যে নিরাশ হয় না, আল্লাহ কখনো তার আশাকে অপরিপূর্ণ রাখেন না। অবশ্যই আল্লাহ দুখের পরে সুখ দান করবেন।
টিকাঃ
১০৬ সুরা ইউসুফ: ৮৭।