📄 কষ্টের উপর ধৈর্যধারণ করলে নিজের উদ্দেশ্য পূরণ ও প্রয়োজন মিটে
কবি আবৃত্তি করেন-
হইয়ো না নিরাশ হবে যে বিনাশ যদিও হয় দেরী, পাবে তুমি তোমার ধৈর্যের ফসল-থাকবে না কোনো বেড়ী। যদি তুমি উন্নত হতে চাও, তবে গলেতে পরো ধৈর্যের মালা, হবেই তোমার সুগম পথ, থাকবে না কোনো বালা। সে জন সফল হয়েছে, যে জন পরেছে গলেতে ধৈর্যের মালা, তুমিও পরো-পাবে ফসল, হবে না জীবন জ্বালা। ৫৪
উম্মে সালমা থেকে বর্ণিত, রাসুল বলেন, কোনো মুসলিমের ওপর যদি বিপদ আসে, আর সে বলে-এতো আল্লাহর ইচ্ছায় হয়েছে আর দুআ পাঠ করে এবং বলে-“হে আল্লাহ! আমাকে মুসিবত থেকে মুক্তি দান করে আমার জন্য উত্তম ফয়সালা করুন এবং ভালোর কোনো কিছু থাকলে তার ব্যবস্থা করুন।" তবে আল্লাহ তাকে কল্যাণেরই খলিফা বানিয়ে দেন। উম্মে সালামা বলেন, যখন আবু সালামা মৃত্যুবরণ করলেন তখন আমি বললাম, আবু সালামার মতো আর কে এত ভালো হতে পারে? কিন্তু আল্লাহ আমাকে ধৈর্যধারণের কারণে রাসুল-কে তার পরিবর্তে (স্বামী হিসেবে) দান করেন।৫৫
টিকাঃ
৫৪ দিওয়ানুল হামাসা : ২/৩৩।
৫৫ সহিহ মুসলিম: ৯১৮।
📄 ধৈর্যধারণ জগতে সম্মান হওয়ার পথ
ধৈর্যই মানুষকে এই জগত সংসারে সম্মানী বানিয়ে দেয়, ধৈর্যশীল কখনো কারো সামনে নিজের মাথা নত করে না। ধৈর্যের ফলে সে অন্য কারো জিনিষের প্রতি লোভী হয় না বরং নিজের যা থাকে তার উপরই তুষ্ট হয় এবং ধৈর্যধারণ করে।
ইয়ারমুক যুদ্ধে আবুল আওয়ার মুসলমানদের ডেকে বললেন-হে কুরাইশ গোত্র! তোমরা তোমাদের প্রতিদান ও ধৈর্যের অংশকে গ্রহণ করো। কেননা ধৈর্যই হলো দুনিয়ায় বড় সম্মান ও আখেরাতে রহমত ও ফজিলত। তাই ধৈর্যধারণ করো, অধৈর্য হয়ো না। সালিম কত সুন্দর করে কবিতা আবৃত্তি করেছেন-
গলেতে আমি পরেছি সবরে জামিলের মালা, প্রভু আমাকে রেখেছেন হেফাজত সব বখিলদের বালা।