📘 ধৈর্য হারাবেন না > 📄 ধৈর্যের সময়

📄 ধৈর্যের সময়


আনাস ইবনু মালিক থেকে বর্ণিত—তিনি বলেন, একবার রাসুল এক কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় দেখলেন একজন মহিলা কবরের উপর অঝোরে কাঁদছে। তখন রাসুল বললেন-
'হে মহিলা! আল্লাহ -কে ভয় করো এবং তোমার কষ্টের উপর ধৈর্যধারণ করো। উত্তরে সে মহিলা বললো, আপনি তো আর আমার মতো না (আমার মতো হলে বুঝতেন কষ্ট কাকে বলে!); তখন দয়ার নবি মুহাম্মাদে আরাবি তার সাথে তর্কে লিপ্ত হলেন না। কিন্তু ঐ মহিলা নবিকে চিনতেন না, তাই সে এভাবে বলেছে। ক্ষণিকপরে মহিলাকে জনৈק ব্যক্তি বলল— (আরে!) এই ব্যক্তি তো নবি মুহাম্মাদে আরাবি । অতঃপর মহিলা মুহাম্মাদ -এর দরজা মুবারকের সামনে গেলেন, কিন্তু রাসুল -কে সেখানে পেলেন না। মহিলা বলতে লাগলো—'আমি অনেক বড় অন্যায় করে ফেলেছি; আমি তো নবিকে চিনতাম না।' তখন রাসুল জবাবে বললেন—'হে মহিলা, শোনো! কোনো বিপদের ধৈর্যতো প্রথম কষ্টের সময়েই হয়ে থাকে। (প্রথম অবস্থাতেই ধৈর্যধারণ করা হচ্ছে ধৈর্যধারণের আসল সময়।) ১৩

টিকাঃ
১৩ সহিহ বুখারি: ১২৮৩।

📘 ধৈর্য হারাবেন না > 📄 ধৈর্যের বাস্তবতা

📄 ধৈর্যের বাস্তবতা


মহান রবের আনুগত্যের উপর ধৈর্যধারণ করা হলো সর্বোচ্চ ধৈর্যধারণ। এই প্রকারের উপর আমল করার জন্য আল্লাহ কুরআনে অসংখ্যবার আদেশ করেছেন। তিনি বলেছেন—
فَاعْبُدْهُ وَاصْطَبِرْ لِعِبَادَتِهِ.
"আপনি তার ইবাদত করুন ও তাতে সবর করুন, তথা সুদৃঢ় থাকুন।”১৫
উপরোক্ত আয়াতে আল্লাহ 'ওয়াসতাবির' শব্দ ব্যবহার করেছেন, যেটা ধৈর্যের সর্বোচ্চ স্তরকে বুঝায়। পবিত্র কুরআনুল কারিমে আল্লাহ-র বিধান আনুগত্যের উপর ধৈর্যধারণ করতে আদেশ করা হয়েছে। আল্লাহ ইরশাদ করেন—
وَأْمُرْ أَهْلَكَ بِالصَّلَاةِ وَاصْطَبِرْ عَلَيْهَا.
"আপনি আপনার পরিবার-পরিজনকে সালাত কায়েম করতে আদেশ করুন এবং তাতে ধৈর্যধারণ করতে বলুন।”১৬

টিকাঃ
১৪ তাফসিরে কুরতুবি: ২/১৭৪।
১৫ সুরা মারইয়াম: ৬৫।
১৬ সুরা ত্বোহা: ১৩২।

📘 ধৈর্য হারাবেন না > 📄 গুনাহ না করার ধৈর্য

📄 গুনাহ না করার ধৈর্য


সহিহ নিয়তের মাধ্যমে গুনাহ ও পাপকে ছেড়ে দেওয়া, গুনাহ না করার উপর দৃঢ়তা অবলম্বন করা এবং গুনাহ ছাড়তে যে কষ্ট হয়ে থাকে তাতে ধৈর্যধারণ করা ওয়াজিব।

📘 ধৈর্য হারাবেন না > 📄 দুঃখের উপর ধৈর্য

📄 দুঃখের উপর ধৈর্য


মুজাহিদ বলেন—
‘সবরে জামিল’ হলো, কষ্ট ও দুঃখ পাওয়ার পরেও অস্থিরতাকে ও দুঃখটাকে বুকে চেপে রাখা এবং ধৈর্যের বিপরীত কোনো কাজ না করা।১৮

টিকাঃ
১৭ সুরা বাকারা : ২৬৪
১৮ তাফসিরে ইবনে কাসির : ২/৬১৯।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00