📄 পাপের ব্যাপারে সজাগ হওয়া
৪০. আবু জাফর বলেন, আমি ইউনুসকে বললাম, হে আবূ আবদুল্লাহ! আপনি তো কদর বা ভাগ্য নিয়ে তর্ককারীদের সাথে ওঠাবসা করেছেন। তাদের ব্যাপারে আপনার মতামত কী? তিনি বললেন, তারা যদি কৃত-পাপের ব্যাপারে সজাগ হতো, তবে তো কদর নিয়ে তর্ক করত না।[৩৯]
টিকাঃ
[৩৯] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৩/২১, সনদ দইফ।
📄 অহমিকা থেকে সতর্ক থাকা
৪৬. আহমাদ ইবনু হারিস ইবনুল মুবারাক থেকে বর্ণিত, তিনি কুরাইশ-বংশীয় জনৈক বৃদ্ধকে বলতে শুনেছেন, জনৈক প্রাজ্ঞব্যক্তি তার বন্ধুর নিকট লিখে পাঠান- “তাওবার মাধ্যমে পাপ থেকে মুক্তি মেলে। একমাত্র আল্লাহই গুনাহ মার্জনাকারী। একমাত্র তাঁরই গুণকীর্তন করো, তবেই তিনি তোমাকে তাঁর আনুগত্য করার তাওফীক প্রদান করবেন। আত্ম-অহংকার থেকে সতর্ক থাকবে; আমি তোমার ব্যাপারে এরই বেশি আশঙ্কা করছি। আত্মগর্বী মানুষ আল্লাহর প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়; অথচ আল্লাহই কৃতজ্ঞতার প্রকৃত হকদার।[৪২]
টিকাঃ
[৪২] সনদ দইফ।
📄 আত্মমর্যাদা প্রদান
৫۱. যায়দ ইবনু আসলাম বলেন, দুটি বৈশিষ্ট্য এমন আছে, কেউ যদি তোমাকে বলে এ দুটি ছাড়াও মর্যাদা-সম্মান লাভ করা যায়, তা হলে তুমি তাকে মিথ্যাপ্রতিপন্ন করো। সে দুটি বৈশিষ্ট্য হলো:
(ক) আল্লাহর আনুগত্যের মাধ্যমে অন্তরকে সম্মানিত করা।
(খ) আল্লাহর অবাধ্যতা পরিহারের মাধ্যমে হৃদয়কে সম্মানিত করা।[৪৯]
টিকাঃ
[৪৯] সনদ দইফ।
📄 সত্যিকারের আল্লাহভীৰু
৫৩. আল্লাহর বাণী:
وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ جَنَّتَانِ
“আর যে ব্যক্তি তার রবের সামনে দাঁড়াবার ভয় করে, তার জন্য থাকবে দুটি জান্নাত।"[৫১]
এর ব্যাখ্যায় ইবরাহীম এবং মুজাহিদ রহিমাহুমুল্লাহ বলেন, সে হলো ওই ব্যক্তি-যে কিনা পাপ কাজের সংকল্প করার পরপরই, আল্লাহর সামনে দণ্ডায়মান হবার কথা স্মরণ করে পাপ কাজ বর্জন করে।[৫২]
টিকাঃ
[৫১] সূরা রহমান: ৪৬।
[৫২] সুয়ূতি, আদ-দুররুল মানসুর: ৬/১৪৬, সনদ সহীহ।