📄 ইউনুস রহিমাহুল্লাহ-এর ইস্তিগফার
৭৩. আবদুল মালিক ইবনু মুসা বলেন, আমি ইউনুস রহিমাহুল্লাহ-এর চেয়ে অধিক পরিমাণে ইসতিগফার করতে কাউকে দেখিনি। [৬৭]
টিকাঃ
[৬৭] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া : ৩/২০।
📄 মুহাম্মাদ ইবনু সাওকাহর বিশুদ্ধ তাওবা
১০৫. হুসাইন আল জু'ফী বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনু সাওকাহকে বেশি বেশি বলতে শুনতাম, আমি সেই আল্লাহর নিকট ইসতিগফার করছি, যিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং যিনি চিরস্থায়ী ও চিরঞ্জীব। আমি তার নিকট বিশুদ্ধ তাওবার তাওফীক প্রার্থনা করছি।[৯০]
টিকাঃ
[৯০] বিশুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত।
📄 বানী ইসরাঈলের তিন ব্যক্তির তাওবা
১৩৯. সাঈদ ইবনু সিনান হিমসি বলেন, আল্লাহ কোনো একজন নবির নিকট ওহি প্রেরণ করেছিলেন যে, 'শাস্তি তাদের পাকড়াও করবে।'
নবি তাঁর সম্প্রদায়ের নিকট বর্ণনা করলেন। এবং তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের বের হয়ে তাওবা করার কথা বললেন। তারা বের হলেন। তখন তিনি তাদের মধ্য থেকে তিনজন ব্যক্তির একটি দলকে (তাওবা করার জন্য) আল্লাহর পথে বের হওয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনজন ব্যক্তি বের হয়ে এলেন।
তিনজনের একজন বললেন, হে আল্লাহ! মূসা আলাইহিস সালাম-এর প্রতি নাযিলকৃত তাওরাত কিতাবে তুমি আমাদের নির্দেশনা দিয়েছ যে, আমরা যেন আমাদের দরজায়-আগত-ভিক্ষুককে ফেরত না দিই। হে আল্লাহ! আমরাও তো তোমার দরজার ভিক্ষুক। সুতরাং যে তোমার নিকট (মাগফিরাত) চাচ্ছে, তাকে ফেরত দিয়ো না।
দ্বিতীয় ব্যক্তিটি বলল, হে আল্লাহ! মূসা আলাইহিস সালাম-এর প্রতি নাযিলকৃত তাওরাতে আমাদের নির্দেশ দিয়েছ যে, আমরা যেন আমাদের ওপর জুলুমকারীকে ক্ষমা করে দিই। আমাদের ওপর যারা জুলুম করেছে, আমরা তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি। আর আমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করেছি। সুতরাং তুমি আমাদের (গোনাহ) ক্ষমা করে দাও।
তৃতীয় ব্যক্তিটি বলল, হে আল্লাহ! তুমি মূসার প্রতি নাযিলকৃত কিতাবে আমাদের নির্দেশ দিয়েছ, আমরা যেন আমাদের দাস-দাসী মুক্ত করি। আমরা তোমার দাস এবং দুর্বল। সুতরাং তুমি আমাদের (গোনাহ থেকে) মুক্ত করো।
বর্ণনাকারী বলেন, আল্লাহ তাআলা নবির প্রতি ওহি পাঠালেন যে, তিনি তাঁর বান্দাদের তাওবা কবুল করেছেন এবং তাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। [১০৯]
টিকাঃ
[১০৯] সনদ দইফ।