📄 লুকমান আলাইহিস সালাম-এর উপদেশ
২৯. উসমান ইবনু যায়িদা বলেন, লুকমান আলাইহিস সালাম তার পুত্রকে লক্ষ্য করে বলেন, ছেলে আমার! তাওবা করতে দেরি কোরো না। কেননা মৃত্যু তো হঠাৎ করেই এসে পড়ে।[৩২]
টিকাঃ
[৩২] সনদ সহীহ।
📄 মুসা এবং খিযির আলাইহিমাস সালাম-এর সাক্ষাৎ
৫৬. আবু আবদুল্লাহ বলেন, খিযির আলাইহিস সালাম-এর নিকট থেকে বিদায় গ্রহণের সময় মূসা আলাইহিস সালাম বললেন, আমাকে উপদেশ প্রদান করুন। খিযির আলাইহিস সালাম বললেন, হে ইমরান-তনয়! পরোপকারী হোন, প্রফুল্ল থাকুন। রাগ করবেন না, একগুঁয়েমি করবেন না, অপ্রয়োজনীয় কাজ করবেন না। কোনো ব্যক্তিকে তার ভুলের কারণে তিরস্কার করবেন না। নিজের ভুল-ত্রুটির জন্য কান্নাকাটি করবেন।[৫৫]
টিকাঃ
[৫৫] ইবনু কাসীর, কাসাসুল আম্বিয়া: ৩৫৬।
📄 দাউদ আলাইহিস সালাম-এর প্রার্থনা
৫৮. উসমান ইবনু আবীল আতিকা বলেন, দাউদ আলাইহিস সালাম বলতেন, সুবহানাল্লাহ! হে আমার ইলাহ! আমার অপরাধের কথা স্মরণ হলে, প্রশস্ত পৃথিবীও সংকুচিত হয়ে যায়। আর তোমার রহমতের কথা স্মরণ হলে, যেন প্রাণ ফিরে পাই। সুবহানাল্লাহ! ইয়া আমার ইলাহ! তোমার বান্দাদের মধ্যে যতজন চিকিৎসক আছে, তাদের নিকট আমার অপরাধের চিকিৎসার জন্য গেলাম। তারা সবাই আমাকে তোমার শরণাপন্ন হতে বলল। সুবহানাল্লাহ! হে আমার ইলাহ! অপরাধীকে তুমি যদি ক্ষমা না করো, তবে তার জন্য আযাব অবধারিত, ধ্বংস তার জন্য নির্ধারিত।[৫৭]
টিকাঃ
[৫৭] বিশুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত ইসরাঈলি রিওয়ায়েত।
📄 ইউনুস রহিমাহুল্লাহ-এর ইস্তিগফার
৭৩. আবদুল মালিক ইবনু মুসা বলেন, আমি ইউনুস রহিমাহুল্লাহ-এর চেয়ে অধিক পরিমাণে ইসতিগফার করতে কাউকে দেখিনি। [৬৭]
টিকাঃ
[৬৭] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া : ৩/২০।