📄 দাউদ আলাইহিস সালাম-এর প্রতি আল্লাহর উপদেশ
১২. মুজাহিদ রহিমাহুল্লাহ বলেন, আল্লাহ তাআলা দাউদ আলাইহিস সালাম-এর প্রতি এ মর্মে ওহি নাযিল করেছেন যে, তুমি আল্লাহকে ভয় করো, তা হলে তিনি কোনো পাপের কারণে তোমাকে পাকড়াও করবেন না। তোমার পাপের দিকে ভ্রুক্ষেপ করবেন না। (আর যদি তা না করো) তবে তুমি যখন তাঁর সাক্ষাৎ লাভ করবে, তখন তোমার পক্ষে কোনো দলিল থাকবে না।[১০]
টিকাঃ
[১০] ঈসরাইলি রেওয়াত, সনদ দইফ।
📄 আদম আলাইহিস সালাম-এর তাওবা
২১. আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযিদ রহিমাহুল্লাহ বলেন, আদম আলাইহিস সালাম আল্লাহর পক্ষ থেকে (দুআ-সংক্রান্ত) যে বাক্যাবলি পেয়ে তাওবা করেছিলেন তা হলো-'আপনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই। হে আল্লাহ! আমি আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং প্রশংসা জ্ঞাপন করছি; হে আল্লাহ! আমি অন্যায় করেছি, নিজের ওপর জুলুম করেছি। আপনি আমায় ক্ষমা করুন। আপনি উত্তম ক্ষমাকারী।
হে আল্লাহ! আপনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং প্রশংসা জ্ঞাপন করছি। হে আল্লাহ! আমি বদকাজ করেছি, নিজের ওপর জুলুম করেছি। আপনি আমার ওপর রহম করুন। আপনি উত্তম রহমতকারী।
আপনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নাই। আমি আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং প্রশংসা জ্ঞাপন করছি। হে আল্লাহ! আমি বদকাজ করেছি, নিজের ওপর জুলুম করেছি। আপনি আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি তাওবা কবুলকারী এবং দয়ালু। [২৪]
টিকাঃ
[২৪] সনদ দইফ।
📄 লুকমান আলাইহিস সালাম-এর উপদেশ
২৯. উসমান ইবনু যায়িদা বলেন, লুকমান আলাইহিস সালাম তার পুত্রকে লক্ষ্য করে বলেন, ছেলে আমার! তাওবা করতে দেরি কোরো না। কেননা মৃত্যু তো হঠাৎ করেই এসে পড়ে।[৩২]
টিকাঃ
[৩২] সনদ সহীহ।
📄 মুসা এবং খিযির আলাইহিমাস সালাম-এর সাক্ষাৎ
৫৬. আবু আবদুল্লাহ বলেন, খিযির আলাইহিস সালাম-এর নিকট থেকে বিদায় গ্রহণের সময় মূসা আলাইহিস সালাম বললেন, আমাকে উপদেশ প্রদান করুন। খিযির আলাইহিস সালাম বললেন, হে ইমরান-তনয়! পরোপকারী হোন, প্রফুল্ল থাকুন। রাগ করবেন না, একগুঁয়েমি করবেন না, অপ্রয়োজনীয় কাজ করবেন না। কোনো ব্যক্তিকে তার ভুলের কারণে তিরস্কার করবেন না। নিজের ভুল-ত্রুটির জন্য কান্নাকাটি করবেন।[৫৫]
টিকাঃ
[৫৫] ইবনু কাসীর, কাসাসুল আম্বিয়া: ৩৫৬।