📄 আল্লাহ কারও ওপর সন্তুষ্ট হলে
১৪৩. খলিল ইবনু আবদিল্লাহ বলেন, আমার নিকট পৌঁছেছে যে, আল্লাহ কারও ওপর সন্তুষ্ট হলে-হিসাবরক্ষক ফেরেশতাদের তার পাপসমূহ লেখা থেকে ভুলিয়ে রাখেন এবং তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও পৃথিবীকে তার পাপ ভুলে যেতে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, আমার এই বান্দার (পাপসমূহ) গোপন করো। আমার নিকট আরও পৌঁছেছে যে, আল্লাহ তাআলা বান্দার উত্তম আমলকেই কবুল করেন। আর গুনাহের প্রতি যে-কোনো আসক্তিকেই, তিনি ক্ষমা করে দিতে চান।[১১৩]
টিকাঃ
[১১২] কানযুল উম্মাল: ১০৪৫৪।
[১১৩] সনদ দইফ।
📄 উত্তম সাহায্য
১৪৮. ইবনু ফাইরুয বর্ণনা করেন, আমি হাসান রহিমাহুল্লাহ-কে বললাম, একব্যক্তি অনবরত আল্লাহর নাফরমানিতে লিপ্ত থাকে। আবার মুখ দিয়ে সর্বদা আল্লাহর যিকর জারি রাখে। (এই ধরনের ব্যক্তি সম্পর্কে আপনার কী অভিমত?)
হাসান রহিমাহুল্লাহ কিছু সময় নীরব থাকলেন। এরপর বললেন, নিশ্চয়ই এটা উত্তম সাহায্য।
📄 অত্যধিক ক্ষমাশীল
১৭৮. আওন উকায়লি বলেন, আমি তাওরাতে পড়েছিলাম, আদম-সন্তান অধিক ভুলকারী আর আমি অত্যধিক ক্ষমাশীল। আর ওই গুনাহগার উত্তম, যে ইস্তিগফার করে।
📄 নিরাশ হয়ো না
২০৪. হাবিব আবূ মুহাম্মাদ বলেন, ফারাযদাক বললেন, হে আবূ মুহাম্মাদ! আমি শামে আবূ হুরায়রা রদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি ফারাযদাক? আমি বললাম, হ্যাঁ, আমি ফারাযদাক। আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গ করুন! তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তুমিই তা হলে কবিতা রচনা করো? আল্লাহকে ভয় করো। মনে রেখো, যদি বেঁচে থাকো তা হলে একদল মানুষ দেখতে পাবে। তারা তোমাকে বলবে, আল্লাহ তোমাকে কোনোভাবেই ক্ষমা করবেন না। তুমি (তাদের মিথ্যা কথা শুনে) কখনোই আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হোয়ো না।[১৭৩]
টিকাঃ
[১৭৩] সনদ দইফ।