📄 আল্লাহর রহমতের মহত্ত্ব
১৬. আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, জনৈক ব্যক্তি এক বেগানা মহিলাকে চুম্বন করল। অতঃপর নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকটে এসে এর কাফফারা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। তখন এই আয়াত নাযিল হয়: وَأَقِمْ الصَّلاةَ طَرَفِي النَّهَارِ وَزُلَفاً مِنْ اللَّيْلِ "তুমি সালাত প্রতিষ্ঠা করো দিনের দুই প্রান্তে এবং রাতের প্রথমাংশে।"[১৪]
তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ আয়াতের বিধানটি কি শুধু আমার জন্যই প্রযোজ্য?
নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আমার উম্মাতের যে ব্যক্তিই এমন কাজ করবে (তাদের সবার জন্যেই এটি প্রযোজ্য)।[১৫]
টিকাঃ
[১৩] বুখারি, আস-সহীহ: ৬৩০৮।
[১৪] সূরা হুদ: ১১৪।
[১৫] বুখারি, আস-সহীহ: ৫২৬, মুসলিম, আস-সহীহ: ২৭৬৩।
📄 প্রত্যাশা-সংবলিত আয়াত
৪৫. আবূ ইউসুফ সাইবাল হাজ্জাজ ইবনু আবূ যায়নাব বলেন, আমি আবূ উসমান নাহদিকে বলতে শুনেছি, আমার মতে এই আয়াতের চেয়ে অধিক প্রত্যাশাপূর্ণ আর কোনো আয়াত নেই। আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَآخَرُونَ اعْتَرَفُوا بِذُنُوبِهِمْ خَلَطُوا عَمَلاً صَالِحاً وَآخَرَ سَيْئًا عَسَى اللَّهُ أَنْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ
“এবং অন্য কিছু লোক তাদের অপরাধ স্বীকার করেছে, সৎকর্মের সঙ্গে তারা অসৎকর্মের মিশ্রণ ঘটিয়েছে। আশা করা যায়, আল্লাহ তাদের তাওবা কবুল করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”[৪৪]
টিকাঃ
[৪৪] সূরা আত-তাওবা: ১০২।
📄 ক্ষমা পাবার আশা
১১৮. হুসাইন ইবনু আবদির রহমান বলেন, সাঈদ ইবনু ওয়াহহাব পায়ে হেঁটে হাজ্জ পালনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন এবং পথে অনেক কষ্ট-ক্লেশের সম্মুখীন হন। তিনি তখন আবৃত্তি করেন :
আমার পদযুগল একের-পর-এক বালির টিলা অতিক্রম করেছে এবং পুরাতন কূপে লবণাক্ত পানি খুঁজেছে।
হে পদযুগল! কতদিন তুমি হেঁটেছ কুসুমাস্তীর্ণ পথে এবং উর্বর উপত্যকায়। কতদিন তুমি শুনেছ গৃহপালিত হরিণের ন্যায় বীণার সুরলিত সুর। তোমরা সেই প্রাপ্তিসমূহকে এই কষ্টের বিনিময় মনে করো।
আর আমি! আমি তো হাঁটছি, কারণ আমি পাপী। আশা করি, (এ ওসিলায়) আল্লাহ আমার পাপরাশি ক্ষমা করবেন।
টিকাঃ
[৯৫] সনদ হাসান।
[৯৬] এখানে মূল বইয়ের কিছু অংশ মুছে গেছে গেছে।
[৯৭] সনদ দইফ।
📄 বান্দা কখন পাপের বলয় থেকে মুক্তি পায়
১২০. দাইলাম ইবনু গাযওয়ান বলেন, আমি ফারকাদ সাবাখিকে বলতে শুনেছি, যদি সাত বছর কোনো ব্যক্তি পাপ থেকে বিরত থাকে তা হলে (সাধারণত) সে ওই পাপ কাজে কখনও ফিরে যায় না।[৯৮]
টিকাঃ
[৯৮] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া : ৩/৪৬।