📄 ইস্তিগফারের ফযিলত
১৭৪. আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস রদিয়াল্লাহু আনহুমা নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি বেশি বেশি ইসতিগফার করবে, আল্লাহ তাকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেবেন, সংকীর্ণতা থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়ে দেবেন এবং এমন উৎস থেকে রিযক দেবেন, যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।[১৪০]
টিকাঃ
[১৪০] সনদ দইফ।
📄 প্রতিদিন ইস্তিগফার
১৭৫. আগার মুযানি বলেন, আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমার অন্তরও আচ্ছাদিত হয়। আমি আল্লাহর কাছে প্রতিদিন এক শ বার ক্ষমাপ্রার্থনা করি।[১৪১]
১৭৬. হুযায়ফা রদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট আমরা ভাষাগত রুক্ষতার ব্যাপারে অনুযোগ করলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, আল্লাহর নিকট ইসতিগফার করার সাথে তোমার সম্পর্ক কেমন? আমি তো প্রত্যেক দিন এক শ বার ইসতিগফার করি।[১৪২]
টিকাঃ
[১৪১] মুসলিম, আস-সহীহ : ২৭০২।
[১৪২] ইবনু হিব্বান, আস-সহীহ : ৯২৬।
📄 অধিক পরিমাণে ইস্তিগফার
১৮০. রিয়াহ কায়সি রহিমাহুল্লাহ বলেন, আমার দ্বারা চল্লিশটিরও অধিক গুনাহ হয়েছে। আর আমি প্রত্যেকটি গুনাহের জন্য এক শ বার করে ইসতিগফার করেছি।[১৪৪]
টিকাঃ
[১৪৪] ইবনুল জাওযি, সিফাতুস সফওয়াহ: ৩/৩৬৮।
📄 মাগফিরাত নাযিলের সময়
১৫৮. আবূ সাঈদ বলেন আমি হাসানকে বলতে শুনেছি, তোমরা তোমাদের বাড়ি-ঘরে, খাবারের দস্তরখানে, রাস্তায়, বাজারে, অনুষ্ঠানে যেখানেই থাকো না কেন, বেশি বেশি ইসতিগফার করো। কেননা তোমাদের জানা নেই, কখন মাগফিরাত নাযিল হয়।