📄 কীভাবে ইস্তিগফার করবেন?
৮৩. আলি ইবনু আবী তালিব রদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমার নিকট যে ব্যক্তিই রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমি তাদের প্রত্যেককেই এ মর্মে কসম করতে বলেছি যে, তিনি তা রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছেন। তবে কেবলমাত্র আবূ বকর রদিয়াল্লাহু আনহু ছাড়া। তার নিকট থেকে কসম ছাড়াই গ্রহণের কারণ হলো, তিনি কখনও মিথ্যা বলেন না। আবূ বকর রদিয়াল্লাহু আনহু আমার নিকট বর্ণনা করেন, নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোনো বান্দা যদি কোনো গুনাহ করে ফেলে, পরক্ষণেই পাপের কথা স্মরণ করে দাঁড়িয়ে যায় এবং ওযু করে নেয়। এরপর দুই রাকআত সালাত আদায় করে ওই পাপ থেকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, আল্লাহ তাআলা তাকে ক্ষমা করে দেবেন।[৭৫]
টিকাঃ
[৭৫] আবু দাউদ, ১৫২১, হাসান। শাব্দিক ভিন্নতা-সহকারে।
📄 প্রকৃত ইস্তিগফারকারী
১৭২. আবূ নাসাইরাহ বলেন, আমি আবূ বকর রদিয়াল্লাহু আনহু-এর খাদেমের সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, তুমি কি আবু বকরের নিকট থেকে কোনোকিছু শ্রবণ করেছ?
সে বলল, জি। আবূ বকর রদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ইসতিগফারকারী পাপ কাজে অবিচল থাকে না। যদিও সে দিনে সত্তর বার পাপ করে আর সত্তর বার ক্ষমাপ্রার্থনা করে।[১৩৮]
টিকাঃ
[১৩৮] আবু দাউদ: ১৫১৪; তিরমিযি: ৩৫৫৯।
📄 ইস্তিগফারের ফযিলত
১৭৪. আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস রদিয়াল্লাহু আনহুমা নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি বেশি বেশি ইসতিগফার করবে, আল্লাহ তাকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেবেন, সংকীর্ণতা থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়ে দেবেন এবং এমন উৎস থেকে রিযক দেবেন, যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।[১৪০]
টিকাঃ
[১৪০] সনদ দইফ।
📄 প্রতিদিন ইস্তিগফার
১৭৫. আগার মুযানি বলেন, আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমার অন্তরও আচ্ছাদিত হয়। আমি আল্লাহর কাছে প্রতিদিন এক শ বার ক্ষমাপ্রার্থনা করি।[১৪১]
১৭৬. হুযায়ফা রদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট আমরা ভাষাগত রুক্ষতার ব্যাপারে অনুযোগ করলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, আল্লাহর নিকট ইসতিগফার করার সাথে তোমার সম্পর্ক কেমন? আমি তো প্রত্যেক দিন এক শ বার ইসতিগফার করি।[১৪২]
টিকাঃ
[১৪১] মুসলিম, আস-সহীহ : ২৭০২।
[১৪২] ইবনু হিব্বান, আস-সহীহ : ৯২৬।