📄 তাওবা কবুলের শেষ সময়
১৫০. আবদুর রহমান ইবনু বাইলামানি বলেন, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চারজন সাহাবি একত্র হলেন। তাদের মধ্যে একজন বললেন, আমি রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, বান্দার মৃত্যুর একদিন পূর্ব পর্যন্ত আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন।
দ্বিতীয় জন তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছেন?
তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি তাকে বলতে শুনেছি, বান্দার মৃত্যুর অর্ধদিবস পূর্ব পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা তার তাওবা কবুল করেন।
তৃতীয় জন বললেন, আমি এটি রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছি, বান্দার মৃত্যুর একবেলা পূর্ব পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা তার তাওবা কবুল করেন।
চতুর্থজন জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি এ কথা রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট থেকে শুনেছেন?
তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, বান্দার মৃত্যুর গড়গড়ধ্বনি শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা তার তাওবা কবুল করেন।[১২৩]
টিকাঃ
[১২৩] আহমাদ, আল-মুসনাদ : ৫/৩৬২; হায়সামি, মাজমাউয যাওয়াইদ : ১০/১৯৭।
📄 এক শ বার তাওবা
১৫২. আনাস রদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমি প্রতিদিন এক শ বার তাওবা করি।[১২৪]
টিকাঃ
[১২৪] মুসলিম, আস-সহীহ: ২৭০২; আহমাদ, আল-মুসনাদ ৪/২১১, ২৬০।
📄 তাওবাকারীর বৈশিষ্ট্য
১৮৫. আওন ইবনু আবদিল্লাহ বলেন, তাওবাকারীদের অনুশোচনার মাত্রা অনুযায়ী গুনাহ তাদের চোখের সামনে (ভাসতে) থাকে। তাওবাকারী যখনই নিজের গুনাহের কথা স্মরণ করে, তখন তার চোখ আর পৃথিবীর কোনোকিছুর ওপর স্থির হয় না। তিনি আরও বলতেন, তাওবাকারী খুব দ্রুতই চোখের পানি ঝরায় এবং তার অন্তর থাকে সবচেয়ে বেশি কোমল। [১৪৮]
টিকাঃ
[১৪৮] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৪/২৫১, সনদ দইফ।