📄 গুনাহ থেকে ফিরে আসা
৪৯. আবূ রাফি থেকে বর্ণিত, কোনো বান্দা অবিরাম (আল্লাহর) অবাধ্য হতে থাকলে তার অন্তরে মোহর মেরে দেওয়া হয় এবং গাফিলদের তালিকায় তার নাম লিপিবদ্ধ করা হয়। আল্লাহর কৌশল থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করার দৃষ্টান্ত হলো, গুনাহে অটল থেকে আল্লাহর ক্ষমা প্রত্যাশা করা।[৪৪]
টিকাঃ
[৪৪] সনদ দইফ।
📄 কর্মের মাধ্যমে তাওবা
৫৭. আলি ইবনু হুসাইন বলেন, প্রকৃত তাওবা হলো, আমলের মাধ্যমে তাওবা করা এবং তাওবাকৃত বিষয় থেকে ফিরে আসা। (শুধু) মুখে মুখে তাওবা করার নাম তাওবা নয়।[৫৬]
টিকাঃ
[৫৬] সনদ দইফ।
📄 তাওবা করো
১০৩. মালিক ইবনু দীনার বলেন, আমি হিকমাহ'র আলোচনায় পড়েছি। আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি আল্লাহ রাজাধিরাজ, সকল রাজা-বাদশাহর অন্তর আমার হাতে। যে আমার আনুগত্য করবে, আমি তার ওপর রহমত বর্ষণ করব। আর যে আমার অবাধ্য হবে, আমি তার ওপর শাস্তি নাযিল করব। সুতরাং শাসকদের (অত্যাচারের) কারণে তোমরা নিজেদের গালিগালাজ না করে আমার নিকট তাওবা করো। আমি শাসকদেরকে তোমাদের প্রতি নমনীয় করে দেব।[৮৭]
টিকাঃ
[৮৭] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া: ২/৩৭৭-৩৭৮, সনদ সহীহ।
📄 মৃত্যুর আগেই তাওবা করো
১২৯. জনৈক প্রাজ্ঞ কবি বলেন, হে ভাই! তাওবা করো তুমি মৃত্যুর পূর্বেই কালের চক্রে নিজেকে নিরাপদ ভেবো না। তুমি আমার আহ্বান থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ো না। অপরাধের ভয়াবহতায় তোমার প্রতি সহানুভূতিবশতই আমার এই আহ্বান। বিপদ-আপদ তোমায় সতর্ক করেছে, তারা তোমায় ডেকে ডেকে তাদের আপতিত-হওয়ার-সময় সম্পর্কে বলেছে। তুমি তো বধির, তাই হয়তো শুনতে পাওনি। তোমার বন্ধুরা কেউ মারা গেলে তুমি বিলাপ করো; অথচ একই পথের পথিক হওয়া সত্ত্বেও নিজের ব্যাপারে কান্নাকাটি করো না।