📘 দ্বীনী কাজের বিনিময় বা মজুরী > 📄 সাহাবী ইবনু আব্বাস –এর বর্ণনা

📄 সাহাবী ইবনু আব্বাস –এর বর্ণনা


হাদীসটির আরও বিবরণ সাহাবী ইবনু আব্বাস رَضِيَ اللهُ عَنْهُ-এর বর্ণনায়তে আছে, যা ইমাম বুখারী رَحِمَهُ اللهُ উল্লেখ করেছেন। যেভাবে কুরআনুল হাকিমের একটি আয়াত অপর আয়াতের ব্যাখ্যা করে, তেমনি একটি হাদীস অপর হাদীসের ব্যাখ্যা করে। সাহাবী ইবনু আব্বাস رَضِيَ اللهُ عَنْهُ-এর বর্ণনাটি নিম্নরূপ:
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ نَفَرًا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ﷺ مَرُّوا بِمَاءِ فِيهِمْ لَدِيغٌ أَوْ سَلِيمٌ فَعُرِضَ لَهُمْ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْمَاءِ فَقَالَ هَلْ فِيكُمْ مِنْ رَاقٍ إِنَّ فِي الْمَاءِ رَجُلًا لَدِيغًا أَوْ سَلِيمًا فَانْطَلَقَ رَجُلٌ مِنْهُمْ فَقَرَأَ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ عَلَى شَاءٍ فَبَرِأَ فَجَاءَ بِالشَّاءِ إِلَى أَصْحَابِهِ فَكَرِهُوا ذَلِكَ وَقَالُوا أَخَذْتَ عَلَى كِتَابِ اللَّهِ أَجْرًا حَتَّى قَدِمُوا الْمَدِينَةَ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَخَذَ عَلَى كِتَابِ اللَّهِ أَجْرًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ إِنَّ أَحَقَّ مَا أَخَذْتُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا كِتَابُ اللَّهِ
“সাহাবী ইবনু আব্বাস رَضِيَ اللهُ عَنْهُ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সাহাবীগণের رَضِيَ اللهُ عَنْهُ একটি দল কুয়ার পার্শ্ববর্তী বাসিন্দাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। কূপের পাশে অবস্থানকারীদের মধ্যে ছিল সাপে কাটা এক ব্যক্তি কিংবা তিনি বলেছিলেন, দংশিত এক ব্যক্তি। তখন কূপের কাছে বসবাসকারীদের একজন এসে তাদের বলল: আপনাদের মধ্যে কি কোনো ঝাঁড়-ফুঁককারী আছে? কূপ এলাকায় একজন সাপ বা বিচ্ছু দংশিত লোক আছে। তখন সাহাবীদের মধ্যে একজন সেখানে গেলেন। এরপর কিছু বকরি দানের বিনিময়ে তিনি সূরা ফাতিহা পড়লেন। ফলে লোকটির রোগ সেরে গেল। এরপর তিনি বকরিগুলো নিয়ে তাঁর সাথিদের নিকট আসলেন, কিন্তু তাঁরা কাজটি পছন্দ করলেন না। তাঁরা বললেন: আপনি আল্লাহর কিতাবের উপর পারিশ্রমিক নিয়েছেন। অবশেষে তাঁরা মদীনায় পৌঁছে বলল: ইয়া রাসূলুল্লাহ! তিনি আল্লাহর কিতাবের উপর পারিশ্রমিক নিয়েছেন। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন: নিশ্চয় তোমরা যেসব ক্ষেত্রে মজুরি নাও সেসব ক্ষেত্রে কিতাবুল্লাহ্-ই (কুরআন) বেশি হক (উপযুক্ত)।”⁴⁰
হাদীসটি থেকে সুস্পষ্ট হয়, ঝাড়-ফুঁককারী সাহাবী যখন বকরীগুলো গ্রহণ করেন তখন অন্য সাহাবীগণ ﷺ আপত্তি করেন। এমনকি তাঁরা বলেন: ‘তুমি তো আল্লাহর কিতাবের বিনিময় গ্রহণ করেছ।’ অতঃপর ঐ সাহাবীগণ ﷺ সমস্ত ঘটনা নাবী ﷺ-এর কাছে উপস্থাপন করেন। তখন নাবী ﷺ বললেন: إِنَّ أَحَقَّ مَا أَخَذْتُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا كِتَابُ اللَّهِ “নিশ্চয় তোমরা যেসব ক্ষেত্রে মজুরি নাও সেসব ক্ষেত্রে কিতাবুল্লাহ্-ই (কুরআন) বেশি হকদার (উপযুক্ত)।”
সাহাবীগণের ﷺ আমলটি থেকে সুস্পষ্ট হয়, যখন তারা কোনো বিষয়ে মতপার্থক্যে জড়িয়ে পড়তেন, তখন সেটা ফায়সালার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে পেশ করতেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ফায়সালার উপর সন্তুষ্ট থাকতেন। আর খালেস ঈমানের দাবিও এটাই যে, আল্লাহর রাসূলের ফায়সালার সামনে নিজেদেরকে সমর্পণ করবে।
(পূর্বের আবূ সাঈদ ﷺ-এর হাদীসটি থেকে জেনেছি) নাবী ﷺ সাহাবীদের ﷺ আমলটি সম্পর্কে বলেছিলেন: فَلَقَدْ أَصَبْتُمْ ‘তোমরা ঠিকই করেছ।’ (সহীহ বুখারী ২/২২৭৬) আবার আবূ দাউদের (২/৩৩০৩) বর্ণনাতে আছে: أَحْسَنْتُمْ ‘তোমরা ভালই করেছ।’
শায়খও (ইবনু আব্বাস ﷺ-এর) হাদীসটি থেকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো প্রমাণিত হয়:
১) ঝাড়-ফুঁকের মজুরি বৈধ। হাদীসটি এ ব্যাপারে অখণ্ডনীয় দলিলের মর্যাদা রাখে।
২) এই ঘটনাটির মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ ﷺ একটি ‘আম’ (ব্যাপকার্থক) উসূল ও নিয়ম উল্লেখ করেছেন। আর সেটা হল:
إِنَّ أَحَقَّ مَا أَخَذْتُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا كِتَابُ اللَّهِ “নিশ্চয় তোমরা যেসব ক্ষেত্রে মজুরি নাও সেসব ক্ষেত্রে কিতাবুল্লাহ্-ই (কুরআন) বেশি হকদার (উপযুক্ত)।”
হাদীসের এই বাক্যটি এটাও সুস্পষ্ট করে যে, ঝাড়-ফুঁক ছাড়া তা'লিমুল কুরআন প্রভৃতির ক্ষেত্রেও মজুরি নেয়া জায়েয।
হাদীসগুলোতে وَلَدِيعٍ وَ سَلِيمٍ শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে।

টিকাঃ
৪০. সহীহ: সহীহ বুখারী- কিতাবুত তিব্ব ৪/১৭৩৭, মাগাযিয়াদুখ যাকামুআন ২/১১৩১, সুনানুল কুবরা লিলবায়হাক্বী ১/৪০০ (৩/১১৪), ৭/৪০; শরহুস সুন্নাহ লিনলবাগ্ববী ৪/৪ ৫১, দারা কুতনী ৩/৩৬, মিশকাত ২/২৬৮৫।

📘 দ্বীনী কাজের বিনিময় বা মজুরী > 📄 হাফেয ইবনু হাজার আসক্বালানীর ব্যাখ্যা

📄 হাফেয ইবনু হাজার আসক্বালানীর ব্যাখ্যা


لدغ হল: ছোবল মারা; যেমন- لسع (দংশন করা, কামড়ানো)। কেউ কেউ বলেন: সাপে কাটলে لسع বলে। আর বিচ্ছু কাটলে لدغ বলে। এদের প্রত্যেকটি অপরটির ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়।⁴⁴ সাধারণত لدغ বিচ্ছু দংশন করলে এবং لسع সাপে দংশন করলে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু কখনো কখনো অপরটির ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়।
وَاسْتَدَلَّ بِهِ الْجُمْهُورُ فِي جَوَازِ أَخْذِ الْأُجْرَةِ عَلَى تَعْلِيمِ الْقُرْآنِ وَخَالَفَ الْحَنَفِيَّةُ فَمَنَعُوْهُ فِي التَّعْلِيمِ وَأَجَازُوْهُ فِي الرُّقَى كَالدَّوَاءِ قَالُوا لِأَنَّ تَعْلِيمَ الْقُرْآنِ عِبَادَةٌ وَالْأَجْرُ فِيهِ عَلَى اللهِ وَهُوَ الْقِيَاسُ فِي الرُّقَى إِلَّا أَنَّهُمُ أَجَازُوْهُ فِيهَا لِهَذَا الْخَبَرِ وَحَمَلَ بَعْضُهُمُ الْأَجْرَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ عَلَى الثَّوَابِ وَسِيَاقُ الْقِصَّةِ الَّتِي فِي الْحَدِيثِ يَأْبَى هَذَا التَّأْوِيلَ وَادَّعَى بَعْضُهُمْ نُسْخَةٌ بِالْأَحَادِيثِ الْوَارِدَةِ فِي الْوَعِيدِ عَلَى أَخْذِ الْأُجْرَةِ عَلَى تَعْلِيمِ الْقُرْآنِ وَقَدْ رَوَاهَا أَبُو دَاوُدَ وَغَيْرُهُ وَتَعَقَّبَ بِأَنَّهُ الثَّبَاتُ لِلنَّسْخِ بِالِاحْتِمَالِ وَهُوَ مَرْدُودٌ وَبِأَنَّ الْأَحَادِيثَ لَيْسَ فِيهَا تَصْرِيحٌ بِالْمَنْعِ عَلَى الْإِطْلَاقِ بَلْ هِيَ وَقَائِعُ أَحْوَالٍ مُحْتَمِلَةٍ لِلتَّأْوِيلِ لِتُوَافِقَ الْأَحَادِيثَ الصَّحِيحَةَ كَحَدِيثِيْ الْبَابِ وَبِأَنَّ الْأَحَادِيثَ الْمَذْكُوْرَةَ أَيْضًا لَيْسَ فِيهَا مَا تَقُومُ بِهِ الْحُجَّةُ فَلَا تَعَارُضَ الْأَحَادِيثُ الصَّحِيحَةُ وَسَيَكُوْنُ لَنَا عَوْدَةٌ إِلَى الْبَحْثِ فِي ذَلِكَ فِي كِتَابِ النِّكَاحِ فِي بَابِ التَّزْوِيجِ عَلَى تَعْلِيمِ الْقُرْآنِ
“জুমহুর আলেম হাদীসটি থেকে তা'লিমুল কুরআনের বিনিময়কে জায়েয করার দলীল নিয়ে এর মজুরিকে গ্রহণ করেছেন। হানাফীগণ এক্ষেত্রে জুমহুরের বিরোধী পথে চলেছেন। তারা বলেন: তা'লিমুল কুরআনের মজুরি জায়েয নয়, অবশ্য ঝাড়ু-ফুঁকের মজুরি জায়েয। কেননা ঝাড়ু-ফুঁক হলো ওযুধের মতো (যার বিনিময় হয়)। হানাফীদের দলীল হল, তা'লিমুল কুরআন ইবাদাত। আর এর বিনিময় আল্লাহর যিম্মাদারীতে। আর কিয়াসের দাবি হল, ঝাড়ু-ফুঁকের ক্ষেত্রেও মজুরি না নেয়া। কিন্তু হানাফীগণ হাদীসটির আলোকে সেটা জায়েয গণ্য করেছেন। আবার কেউ কেউ বলেছেন, হাদীসটিতে আজর (মজুরি) বলতে সওয়াবকে বুঝানো হয়েছে। কিন্তু হাদীসে ঘটনাটার ধারাবাহিকতা তা খণ্ডন করে। আবার কেউ বলেছেন, এই হাদীসটি ঐ সব হাদীস দ্বারা মানসুখ হয়েছে, যেখানে তা'লিমুল কুরআনের মজুরির ব্যাপারে ধমকি এসেছে, যা আবূ দাউদ প্রমুখ বর্ণনা করেছেন। এ লোকেরা এমন বিষয়ের অনুসরণ করছে, যাদের মানসুখ হওয়ার দাবিটি কেবলই ধারণা। আর ধারণার ভিত্তিতে মানসুখ হওয়ার বিষয়টি বাতিল। তা ছাড়া (বিরোধীপক্ষের) হাদীসগুলোতে উন্মুক্তভাবে নিষেধের সুস্পষ্টতা নেই। বরং সেগুলো বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের সাথে জড়িত- যা তাবিলের (ব্যাখ্যার) দাবি রাখে। ফলে অন্যান্য হাদীসের আলোকে, সেগুলো অন্যান্য সহীহ হাদীসের পরিপূরক হয়ে যায়। যেমন- আলোচ্য অনুচ্ছেদের হাদীসটি। তা ছাড়া (যঈফ হাদীস হওয়ায়) সেগুলো দ্বারা হুজ্জাত কায়েম করা যায় না। এমনকি হাদীসগুলো সহীহ হাদীসের বিরোধীও নয়। এর বিস্তারিত আলোচনা আমি (ইবনু হাজার) বিবাহ অধ্যায়ে (অনুচ্ছেদ: কুরআন শেখানোর বিনিময়ে বিবাহ) আলোচনা করেছি।"⁴⁵

টিকাঃ
44. লিসানুল কুরআন ৪/৩০০।
৪৫. ফাতহুল বারী ৪/৪৫৪ পৃ:।

📘 দ্বীনী কাজের বিনিময় বা মজুরী > 📄 ইমাম নাওয়াবী (নূভী-নববী)-এর ব্যাখ্যা

📄 ইমাম নাওয়াবী (নূভী-নববী)-এর ব্যাখ্যা


ইমাম নাওয়াৰী (নূভী-নববী) رَضِيَ اللهُ عَنْهُ হাদীসটির ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে লিখেছেন:
قَوْلُهُ ﷺ : (خُذُوا مِنْهُمْ وَاضْرِبُوا لَهُمْ مَعَكُمْ) هَذَا تَصْرِيحٌ بِجَوَازِ أَخْذِ الْأُجْرَةِ عَلَى الرُّقْيَةِ بِالْفَاتِحَةِ وَالذِّكْرِ وَأَنَّهَا حَلَالٌ لَا كَرَاهَةَ فِيهَا وَكَذَا الْأُجْرَةُ عَلَى تَعْلِيمِ الْقُرْآنِ وَهَذَا مَذْهَبُ الشَّافِعِي وَمَالِكٍ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ وَأَبِي ثَوْرٍ وَآخَرِينَ مِنَ السَّلَفِ وَمَنْ بَعْدَهُمْ وَمِنْهُمْ أَبُو حَنِيفَةَ فِي تَعْلِيمِ الْقُرْآنِ وَأَجَازَهَا فِي الرُّقْيَةِ ... قَوْلُهُ ﷺ وَاضْرِبُوا لَهُمْ بِسَهْمٍ فَإِنَّهُ لَقِيَا تَفْلِقُوا لِقُلُومٍ وَمُبَالِغَةٍ فِي تَعْرِيفِهِمْ أَنَّهُ حَلَالٌ لَا شُبْهَةَ فِيهِ
“রাসূল ﷺ বাণী: 'তাদের থেকে সেগুলো নাও এবং তোমাদের বণ্টনের মধ্যে আমাকেও শরীক করো'- এটা সুস্পষ্টভাবে সূরা ফাতিহার ও যিকর দ্বারা ঝাড়-ফুঁকের মজুরি আয়ের বৈধতা দেয়। নিশ্চয় এটা হালাল যে ব্যাপারে কোনো আপত্তি নেই। তা'লিমুল কুরআনের মজুরির বৈধতাও অনুরূপ। এটা শাফেঈ, মালেক, আহমাদ, ইসহাক, আবূ সওর এবং অন্যান্য সালাফ ও তাদের পরবর্তীগণের মাযহাব। আর ইমাম আবূ হানিফা رَضِيَ اللهُ عَنْهُ তা'লিমুল কুরআনের মজুরি নিষেধ করেছেন ও ঝাড়-ফুঁকের ক্ষেত্রে অনুমতি দিয়েছেন।... (অতঃপর ইমাম নাওয়াৰী رَضِيَ اللهُ عَنْهُ বলেন) নবী ﷺ -এর উক্তি 'আমার জন্যও অংশ রেখো' - সাহাবীদের অন্তর পবিত্রকরণ ও গুরুত্বারোপের জন্য এটা করা হয়েছিল যে, এই মজুরি হালাল হবার ব্যাপারে কোনো সংশয় নেই।”⁴⁶

টিকাঃ
৪৬. শরহে সহীহ মুসলিম লিন-নাওয়াৰী ২/২২৪।

📘 দ্বীনী কাজের বিনিময় বা মজুরী > 📄 ইমাম তিরমিযী –এর উপস্থাপনা

📄 ইমাম তিরমিযী –এর উপস্থাপনা


ইমাম তিরমিযী رَحِمَهُ اللهُ বলেন: وَرَخَّصَ الشَّافِعِيُّ لِلْمُعَلِّمِ أَنْ يَأْخُذَ عَلَى تَعْلِيمِ الْقُرْآنِ أَجْرًا، وَيَرَى لَهُ أَنْ يُشْتَرَطَ عَلَى ذَلِكَ، وَاحْتَجَّ بِهَذَا الْحَدِيثِ “ইমাম শাফেঈ رَحِمَهُ اللهُ শিক্ষকের জন্য তা’লিমুল কুরআনের মজুরিকে শিথিল করেছেন। আর সেটা হল, শিক্ষক এক্ষেত্রে শর্তও করতে পারে। এই হাদীসকে তিনি দলীল হিসেবে পেশ করেছেন।”⁴⁷

টিকাঃ
৪৭. সুনানে তিরমিযী হা/২০৬০ –এর আলোচনা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00