📄 দ্বিতীয় অধ্যায়: দ্বীনী কাজে মজুরির জায়েয ও নাজায়েযের সীমানা – সংকলক: কামাল আহমাদ
কুরআন ও সহীহ হাদীস পর্যালোচনা করে এটাই সাব্যস্ত হয় যে, কিছু দ্বীনি কাজ এমন যার কোনো মজুরি বা বিনিময় এ দুনিয়াতে গ্রহণ করা হারাম। আবার কিছু দ্বীনি কাজের মজুরি বা বিনিময় কেবল জায়েযই নয় বরং প্রশংসনীয় বটে। আমরা এ পর্যায়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এ সম্পর্কিত দলিলসমূহ পর্যালোচনার দ্বারা সিদ্ধান্তে পৌঁছাব, ইনশাআল্লাহ।
নিষিদ্ধতামূলক দলিলসমূহ
১) আল্লাহ ﷺ বলেন: وَلا تَشْتَرُوا بِآيَاتِي ثَمَنًا قَلِيلًا “আর আমার আয়াতকে তোমরা তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করো না।”¹⁵ এর অর্থ এটা নয় যে, অধিক মূল্যে আল্লাহর আয়াতকে বিক্রি করা যাবে। বরং এর অর্থ হলো, আহকামে ইলাহির বিনিময়ে দুনিয়াবী সুবিধা অর্জন করবে না।¹⁶ অর্থাৎ আহকামে ইলাহি গোপন করে, সত্যের সাথে মিথ্যার সংমিশ্রণ করে কিংবা হুকুমকে গোপন করে দুনিয়াবী ফায়দা হাসিল করো না, যা উক্ত আয়াতটির পরবর্তী আয়াতে বর্ণিত হয়েছে: وَلَا تَلْبِسُوا الْحَقَّ بِالْبَاطِلِ وَتَكْتُمُوا الْحَقَّ وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ “তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জেনে শুনে সত্য গোপন করো না।”¹⁷ সুতরাং এ আয়াতটি ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত সামাজিক ও মানবিক কাজে নিযুক্ত ব্যক্তির মজুরি গ্রহণের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধতার দলিল হয় না। [দ্র: ২ ও ৪ নং]
বৈধতামূলক দলিলসমূহ
২) যাকাত আদায়কারীগণ পারিশ্রমিক হিসেবে যাকাতের একটি অংশ পাবেন। এ সম্পর্কে আল্লাহ ﷺ বলেন: ... إِنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاءِ وَالْمَسَكِينِ وَالْعَامِلِينَ عَلَيْهَا “নিশ্চয় যাকাত কেবল (তাদের জন্য যারা) ফকীর, মিসকীন, যাকাত আদায়কারী ...।”¹⁸ এ আয়াতটি দ্বারা সুস্পষ্ট হয়, ধর্মের সাথে জড়িত এমন সামাজিক ও মানবিক কাজে নিযুক্ত ব্যক্তির জন্য মজুরি গ্রহণ করা বৈধ। এ আয়াতটি পূর্বের ১নং এর ব্যাখ্যাও বটে। এ সম্পর্কে নবী ﷺ বলেছেন: مَنِ اسْتَعْمَلْنَاهُ عَلَى عَمَلٍ فَرُزَقْنَاهُ رِزْقًا “যে লোককে আমরা কোনো কাজে নিয়োগ করি, তাকে সেই কাজের পারিশ্রমিক প্রদান করি।”¹⁹ উমার ﷺ বলেছেন: “নবী ﷺ-এর যামানায় আমাকে নিয়োগ করা হয়েছিল, অতঃপর আমাকে এর পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল।”²⁰
সৈয়দ মুস্তফা শিরীযী একজন ওয়ায়েযকে (বক্তাকে) দেখলেন, সে কুরআন পড়ছে আর মানুষের নিকট কিছু চাইছে। তিনি দু'আ ‘ইন্না লিল্লাহি...’ পড়লেন। অতঃপর বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি: مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فَلْيَسْأَلِ اللَّهَ بِهِ فَإِنَّهُ سَيَجِيءُ أَقْوَامٌ يَقْرَؤُونَ الْقُرْآنَ يَسْأَلُونَ بِهِ النَّاسَ “যে কুরআন পড়ে সে যেন তার বিনিময় আল্লাহর কাছে চায়। শীঘ্রই এমন লোকেরা আসবে, যারা কুরআন পড়ে এর বিনিময় মানুষের কাছে চাইবে।”³⁰ হাদীসটি থেকে ব্যক্তিগতভাবে তাবলিগ ও ওয়ায নসিহতের বিনিময়ে উপার্জনকে নিষেধ করা হয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন: এ হুকুমটি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর অপর হাদীস: “তোমরা যেসব জিনিসের বিনিময়ে মজুরি গ্রহণ করে থাক, এর মধ্যে আল্লাহর কিতাবই সর্বোত্তম।” (সহীহ বুখারী – দ্রঃ পরবর্তী ৮ নং) দ্বারা মানসুখ হয়েছে।
(৬) আল্লাহ্ ﷻ বলেন: لِلْفُقَرَاءِ الَّذِينَ أُحْصِرُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ لَا يَسْتَطِيعُونَ ضَرْبًا فِي الْأَرْضِ يَحْسَبُهُمُ الْجَاهِلُ أَغْنِيَاءَ مِنَ التَّعَفُّفِ “(সাদকা) ঐ গরিবদের জন্যে, যারা আল্লাহর পথে আবদ্ধ হয়ে গেছে। (যারা জীবিকার সন্ধানে) যমীনে ঘোরাফেরা করতে সক্ষম নয়। অজ্ঞ লোকেরা যাঞ্চা না করার কারণে তাদেরকে অভাবমুক্ত মনে করে।”³¹ অর্থাৎ মুজাহিদ, মুহাজির এবং 'ইলম অর্জন ও প্রদানে ব্যস্ত ব্যক্তিগণ।³² নাবী ﷺ-এর যামানায় 'আহলে সুফ্ফা'গণ অনুরূপ ছিলেন।³³ সুতরাং এদেরকেও সমাজের প্রয়োজনে অর্থ প্রদান করা জরুরি। এর নাম 'দান' অথবা 'মজুরি'-ই দেয়া হোক না কেন।
নিম্নোক্ত দলিলসমূহ
(৭) ‘উবাদাহ ইবনু সামেত রদি. একবার এক ব্যক্তিকে লেখা ও কুরআন শিক্ষা দিলে সে একটি ধনুক হাদিয়া পায়। তিনি রদি. এ ব্যাপারে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: إِنْ كُنْتَ تُحِبُّ أَنْ تُطَوِّقَ طَوْقًا مِنْ نَارٍ فَاقْبَلْهَا “যদি তুমি আগুনের শিকল গলায় পরতে ভালবাস তবে তা নিতে পার।”⁹⁹ সুতরাং দায়িত্বপ্রাপ্ত বা উক্ত কাজে সদা ব্যস্ত ব্যক্তি বা পূর্ব থেকে চুক্তিবদ্ধ [দ্র: ৪, ৬, ৮ ও ১০ নং] ছাড়া অনিয়মিতভাবে কাউকে ‘ইলম দান করলেও তার বিনিময় নেয়া জায়েজ নয়। মানবিক কারণেই ইসলাম এ জাতীয় খেদমতকে উৎসাহিত করে। পুঁজিবাদী সমাজের ন্যায় সবকিছুকেই অর্থনৈতিক বিনিময়ের দৃষ্টিতে দেখে না।
বৈধতামূলক দলিলসমূহ
(৮) কয়েকজন সাহাবী ঝাড়ফুঁকের বিনিময়ে কিছু বকরি হাদীয়াস্বরূপ পান। এ মজুরির ব্যাপারে তারা সন্দেহগ্রস্ত হয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: إِنَّ أَحَقَّ مَا أَخَذْتُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا كِتَابُ اللَّهِ “তোমরা যেসব জিনিসের বিনিময়ে মজুরি গ্রহণ করে থাক, এর মধ্যে আল্লাহর কিতাবই সর্বোত্তম।”¹⁰⁰ এ কাজটিও অনিয়মিত ছিল। কিন্তু কুরআন দ্বারা চিকিৎসা করার কারণে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটিকে বৈধ করেছেন। কেননা এর মধ্যে দুনিয়াবী লেনদেনের শর্ত ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এ বিষয়টি কুরআন তিলাওয়াত করে অর্থোপার্জনের মতো নয়। কেননা তিলাওয়াত করা হয় কেবলই পরকালীন সওয়াবের আশায়। পক্ষান্তরে ঝাড়ফুঁক বা চিকিৎসার সাথে দুনিয়াবী ফায়দাও জড়িত। তেমনি কাফী কুরআন দ্বারা ফায়সালা করে মজুরি গ্রহণ করে থাকেন। কেননা জনগণ এর তাৎক্ষণিক দুনিয়াবী ফায়দা পেয়ে থাকে। আল্লাহই সর্বজ্ঞ ।।
নিয়মমূলক দলীলাসমূহ
(১) রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: مَنْ تَعَلَّمَ عِلْمًا مِمَّا يُبْتَغَىٰ بِهِ وَجْهُ اللَّهِ لَا يَتَعَلَّمُهُ إِلَّا لِيُصِيبَ بِهِ عَرَضًا مِنَ الدُّنْيَا لَمْ يَجِدْ عَرْفَ الْجَنَّةِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ “যে ব্যক্তি এমন ইলম অর্জন করল- যা দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। যে দুনিয়ার কোনো কিছু লাভের উদ্দেশ্যে এটা শিক্ষা লাভ করে সে কিয়ামতের দিন জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না।” ³⁴
এ বিষয়টি জিহাদে যোগদানরত মুজাহিদের ন্যায়। কেননা জিহাদে জয়ী হলে গনীমাতের মালের অংশ সে প্রাপ্ত হয়। কিন্তু মালের নিয়্যাতে জিহাদ করলে তাতে সে কোনো সওয়াবই পাবে না। এ সম্পর্কে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, একবার এক ব্যক্তি বললেন: ইয়া রাসূলুল্লাহ! একজন ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদ করার নিয়্যাত রাখে এবং সঙ্গে ধন-সম্পদেরও আশা রাখে (তার পরিণام কি)? নাবী (ﷺ) বললেন: لَا أَجْرَ لَهُ “তার জন্য কোনো সওয়াব নেই।” ³⁵
অর্থাৎ নাবী (ﷺ) উক্ত বক্তব্যের সম্পর্ক নিয়্যাতের সাথে। যেভাবে তিনি (ﷺ) অন্যত্র বলেছেন: إِنَّ الْأَعْمَالَ بِالنِّيَّاتِ وَإِنَّمَا لِامْرِئٍ مَا نَوَىٰ “প্রত্যেক আমল নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল, আর প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য তা-ই আছে যা সে নিয়্যাত করে।” ³⁶
সুতরাং পূর্বাপর আলোচনা দ্বারা প্রতীয়মান হয়, ইলম প্রচারে নিযুক্ত ও অর্জনে ব্যস্ত ব্যক্তিগণের জন্য অর্থ গ্রহণ নিষিদ্ধ নয়। অবশ্য যদি তাদের উদ্দেশ্য কেবল দুনিয়াবী ফায়দা বা অর্থোপার্জন হয়ে থাকে, তাহলে সেক্ষেত্রে পরকালীন সওয়াব অর্জন থেকে তারা বঞ্চিত হবেন। কিন্তু এ কারণে দুনিয়াবী লেনদেন বন্ধ হয় না। যেমন- লোভী মুজাহিদের জিহাদে যোগদান ও তার গনীমত পাওয়া বন্ধ হয় না।
বৈধতামূলক দলীলাসমূহ
(১) একবার রাসুলুল্লাহ ﷺ তাঁর একজন সাহাবীর সাথে এক মহিলার বিবাহ উপলক্ষে তাকে মোহর আদায় করতে বললেন। লোকটি বলল: আমার কাছে এগুলিটি ছাড়া কিছুই নেই। তিনি ﷺ তাকে একটি লোহার আংটি খুঁজতে বললেন। কিন্তু সে কিছুই পেল না। তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ তাঁকে বললেন: “তোমার কিছু কুরআন জানা আছে কি?” সে বলল: হাঁ, অমুক অমুক সুরা জানা আছে। নাবী ﷺ বললেন: أَنْطَلِقْ فَقَدْ زَوَّجْتُكَهَا فَعَلِّمْهَا مِنَ الْقُرْآنِ “যাও তোমার সাথে তার বিবাহ দিলাম, তুমি তাকে কুরআন শিক্ষা দাও।” ³⁷
এখানে কুরআন পড়া বা তিলাওয়াত নয় বরং অন্য কাউকে শিক্ষা দেয়াকে নাবী ﷺ স্থায়ী দায়িত্বের ন্যায় (দ্র: ৬ নং গ) করেছেন। এর ফলে এটি বিনিময়ের উপযোগী হয়েছে। সুতরাং প্রমাণিত হল, স্থায়ীভাবে কুরআন শিক্ষাদানের জন্য নিযুক্ত হলে এর বিনিময় নেয়া বৈধ।
পূর্বের তুলনামূলক আলোচনায় এটা প্রমাণিত হল:
(১) যেসব কাজে কেবল ব্যক্তিগত সওয়াব অর্জন নিহিত (যেমন: সালাত, কুরআন তিলাওয়াত, ব্যক্তিগত তাবলিগ); সেগুলোর বিনিময় বা মজুরি নেওয়া হারাম।
(২) রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে ধর্মীয় কাজে দায়িত্বপ্রাপ্তদের জন্য বিনিময় বা মজুরি বৈধ। যেমন – খলিফা, কাজী, যাকাত আদায়কারী, ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে সামাজিক ও ধর্মীয় কাজে সুনির্দিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ। সমাজের প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব প্রাপ্তরাই সালাতের ইমামতি, সামাজিকভাবে তাবলিগ ও ওয়াজ-নসিহত করবেন; যা তাদের দায়িত্বেরই অন্তর্ভুক্ত।
(৩) ব্যক্তিগত স্থায়ী দায়িত্বপ্রাপ্তদের মজুরি বৈধ। [যেমন – কুরআন শিক্ষাকে বিয়ের মোহর আদায় নির্ধারণ করা, একইভাবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে স্থায়ীভাবে কুরআন ও হাদীসের শিক্ষক নিয়োগ প্রভৃতি।]
টিকাঃ
১৫. সূরা বাক্বারাহ: ৪১ আয়াত।
১৬. সালাহউদ্দীন ইউসুফ, ‘তাফসীর আহসানুল বায়ান’ (ঢাকা: তাওহীদ পাবলিকেশন্স)। সম্পাদনা: শাইখ আব্দুল হামিদ ফায়যী।
১৭. সূরা বাক্বারাহ: ৪২ আয়াত।
১৮. সূরা তাওবা: ৬০ আয়াত।
১৯. সহীহ: আবূ দাউদ, মিশকাত [এমদাদ] ১/৩৫৭৭ নং। ‘এর সনদ সহীহ’ [তাহ: মিশকাত ২/১১৩৭ পৃঃ]।
২০. সহীহ: আবূ দাউদ, মিশকাত [এমদাদ] ১/৩৫৭৮ নং। ‘এর সনদ সহীহ’ [তাহ: মিশকাত ২/১১৩৭ পৃঃ]।
২৯. সহীহ: মুসনাদে আহমাদ, ‘এর সনদ সহীহ’ – বুলবুল আমানী শরহে মুসনাদে আহমাদ ১৫/১২৫৭। আলবানীর সিলসিলাতুল আহাদীসুস সহীহাহ ৩/১২১ পৃঃ। মিনহাজুল মুসলিমীন (করাচী) পৃঃ ৩৪১
৩০. যঈফ: আহমাদ, তিরমিযী, মিশকাত [আমদ] ৫/১১২৭ নং। শাইখ যুবায়ের আলী যাই এই হাদীসটিকে তাদালিসের ত্রুটির জন্য যঈফ বলেছেন। [তাহক্বীক্ব মিশকাত ২/২১২৬]
৩১. সূরা বাক্বারাহ : ২৭৩ আয়াত।
৩২. তাফসীর ইবনু কাসীর, তাফসীর মাযহারী – উক্ত আয়াতের তাফসীর দ্রঃ।
৩৩. আউল আ’লা মওদূদী, তাফহীমুল কুরআন – উক্ত আয়াতের তাফসীর দ্রঃ।
৯৯. আবু দাউদ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত (এমদা।) ৬/২৮৩০ নং। আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। [তাহক্বীক্বকৃত আবু দাউদ (২/৩৮৬), তাহক্বীক্বকৃত ইবনু মাজাহ (২/২১৪৭)] শাইখ যুবায়েরের আলী যাই হাদীসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন। [তাহক্বীক্ব মিশকাত ২/২১৪০] ড. আবু জাবির আব্দুল্লাহ দামানাদি হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। কেননা এখানে একজন মাজহুল (অজ্ঞাত) রাবী আছেন। আলোচনা সামনে আসবে ইনশাআল্লাহ।
১০০. সহীহ: সহীহ বুখারী, মিশকাত (এমদা।) ৬/২৮৫৫ নং, তাহক্বীক্ব মিশকাত ২/২১৪৫।
৩৪. সহীহ: আহমাদ আবূ দাউদ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত [আমাদা] ১/২১৮ নং। ‘এর সনদ সহীহ’। [তাহক্বীক্বকৃত মিশকাত ১/ ৭৭- ৭৮ পৃ:]
৩৫. সহীহ : আবূ দাউদ, মিশকাত [আমাদা] ৭/৩৩৬৯ নং। ‘হাদীসটির অনেক সাক্ষ্য থাকায় এটি সহীহ’। [তাহক্বীক্বকৃত মিশকাত ২/ ১১২৯ পৃ:]
৩৬. সহীহ : সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, মিশকাত [আমাদা] ১/১ নং।
৩৭. সহীহ : সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, মিশকাত [আমাদা] ৬/৩০৬৪ নং। (সংক্ষেপিত)