📄 মুফতী মুহাম্মদ শফী রহ.
মুফতী মুহাম্মাদ শফী রহ. (মৃত্যু: ১০ শাওয়াল ১৩৯৬ হি./৬ অক্টোবর ১৯৭৬ খৃ.) তাফসীরে মা'আরিফুল কুরআনে বলেন-
(آگے افعال کفریہ کا بیان ہے کہ انھوں نے (یعنی یہود و نصاری نے) خدا كى توحيد في الطاعۃ کو چھوڑ کر اپنے علماء اور مشائخ کو باعتبار اطاعت کے رب بنا رکھا ہے کہ ان کی اطاعت تحلیل اور تحریم میں مثل اطاعت خدا کے کرتے ہیں کہ نص پر ان کے قول کو ترجیح دیتے ہیں اور ایسی اطاعت بالکل عبادت ہیں)
(প্রথমে কুফরী কাজের বর্ণনা) তারা (ইয়াহুদী-খৃষ্টানরা) অনুসরণের ক্ষেত্রে একমাত্র আল্লাহর অনুসরণ ছেড়ে নিজেদের উলামা-মাশায়েখকে (আনুগত্যের ক্ষেত্রে) রব বানিয়ে নিয়েছে। (তারা যা হালাল-হারাম ঘোষণা করে তা তারা আল্লাহর আনুগত্যের ন্যায় মেনে নেয়। আর তাদের কথাকে আল্লাহর সুস্পষ্ট নির্দেশের উপর প্রাধান্য দেয়। এমন আনুগত্য নিরেট উপাসনা।) মুফতী শফী রহ. এ বিষয়টিকে সুস্পষ্টভাবে 'উপাসনা' বলেছেন।
📄 মাওলানা আশেকের এলাহী বুলন্দশহরী রহ.
মাওলানা আশেকে এলাহী বুলন্দশহরী রহ. (১৩৪৩ হি./১৯৯৯ খৃ.) তাফসীরে আনওয়ারুল বয়ানে লিখেন-
"جب تحلیل و تحریم کا اختیار صرف اللہ ہی کو ہے جو خالق اور مالک ہے تو اس کے سوا جو کوئ شخص تحلیل و تحریم کے قانون بناۓ اور اپنے پاس سے حلال و حرام قرار دے، اس کی بات ماننا اور فرمانبرداری کرنا اللہ تعالی کے اختیارت میں شریک بنانا ہوا ۔ جیسے الله تعالی کی فرمانبرداری کرنا اس کی عبادت ہے، اسی طرح ان امور میں غیر الله کی فرمانبرداری کرنا جو اللہ کی شریعت کے خلاف ہیں یہ ان کی عبادت ہے۔... چاہے انہیں سجدہ نہ کریں، چونکہ ان جاری کیے ہوۓ احکام کے ساتھ فرمانبرداری کا وہی معاملہ ہے جو الله کے احکام کے ساتھ ہونا چاہیے اس لیے ان کی اتباع এবং اطاعت کو عبادت قرار دیا "।
“যেহেতু হালাল-হারাম প্রণয়নের ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর হাতেই। যিনি সৃষ্টিকর্তা ও অধিকর্তা। সুতরাং তিনি ব্যতীত যে ব্যক্তিই হালাল-হারাম প্রণয়ন করবে, নিজের পক্ষ থেকে হালাল-হারাম ঘোষণা করবে, তার কথা মান্য করা ও তার আনুগত্য করা মানে আল্লাহর ইচ্ছায় অংশীদার সাব্যস্ত করা। যেমনি আল্লাহর আনুগত্য করা তাঁর উপাসনা। তেমনি সেসব শরীয়াহবিরোধী কাজে গাইরুল্লাহ'র আনুগত্য করাও তাদের উপাসনা; এমনকি তাদেরকে সিজদা না করলেও। যেহেতু তাদের প্রণীত আইন-কানুনের আনুগত্য করার ব্যাপারটি আল্লাহর আদেশের আনুগত্য করার ন্যায়, তাই তাদের আনুগত্যকে উপাসনা বলা হয়েছে।"
ফায়েদা: বর্তমান যুগের মুক্তচিন্তার মানুষেরা যেহেতু ইসলামী অনুশাসন মেনে চলতে কষ্ট অনুভব করে এবং ইসলামের শত্রুদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বলে, উলামায়ে কেরাম সম্মেলন করুক, ইসলামী আইন-কানুনের ব্যাপারে চিন্তা-গবেষণা করুক, অমুক অমুক হুকুমটি পাল্টে দিক বা সহজ করে দিক, অমুক অমুক হারাম বিষয়গুলোকে হালাল করে দিক। এসব তাদের অজ্ঞতা ও নির্বুদ্ধিতার ফল। উলামায়ে কেরাম যদি এমন সম্মেলন করে তারা সরাসরি কাফের হয়ে যাবে।