📘 দাউস কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না > 📄 অনিচ্ছায় পর্দা আর ইচ্ছায় পর্দা

📄 অনিচ্ছায় পর্দা আর ইচ্ছায় পর্দা


অল্পবয়সী বিবাহিতা সায়মা। বিয়ের পর বিএ ভর্তি হয়েছে। কলেজে যায়। বিয়ের আগে বরপক্ষকে জানানো হয়েছে যে, মেয়েটি পর্দা করে। বরপক্ষ পর্দা করা পছন্দ করে। যা হোক, বিয়ের পর দেখা গেলো মেয়েটি ঘরোয়া পর্দা বলতে কিছুই বোঝে না, তবে বাড়ির বাইরে গেলে পোশাকের উপর একটা পোশাক দেয়। অর্থাৎ নামকাওয়াস্তে একটা বোরকা পরে যদিও মাথার ওড়না ঠিকমত মাথায় থাকে না। স্বামী মহোদয় এতেই খুশি। কারণ সে নিজেই তো ইসলাম ঠিক মতো মানে না। কিন্তু মেয়েটি মাঝে মাঝে বোরকা খুলে রেখে কলেজে যায়। স্বামী যখন বাসায় থাকে না তখনই সে এই কাজটি করে। যথারীতি স্বামীর কাছে মেয়েটি একদিন ধরা পড়ে যায়। স্বামী অবাক হয়। “তুমি এইভাবে বেপর্দায় বাইরে গ্যাছ?” মেয়েটি সংকুচিত হয়ে থতমত কণ্ঠে বলে, “আজকেই গেছি। যেয়ে আমার কাছেও খুব খারাপ লেগেছে। ছেলেটি আমার কাছে অভিযোগ করে বলে, "আনা ও এতো বড় ভণ্ড, তা তো আমার জানা ছিল না।”
বললাম “ও মোটেও ভণ্ড না-ও ছোট মানুষ। আর পর্দা কেন করতে হবে তাই তো ও জানে না। ওর মাকে আমি দেখেছি, সেও এমনি পর্দা করে। আর তাছাড়া ও তো আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্দা করে না। ও পর্দা করে তোমাকে সন্তুষ্ট করার জন্য। অর্থাৎ তুমি যখন সামনে নেই তখন ও পর্দার প্রয়োজন বোধ করেনি। কিন্তু সায়মা যদি আল্লাহর ভয়ে কিংবা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পর্দা করত তাহলে কখনো বেপর্দায় বাইরে যেতে পারত না। এই সায়মার বয়স ১৮/১৯ বছর হবে।
আমি এবার বলব সায়মার চেয়েও ছোট একটি মেয়ের কথা। নাম মাহমুদা। মাহমুদার আম্মা নালিশের সুরে বললেন, “কী করি বলো তো এই মেয়ে নিয়ে? আজ চারদিন হলো স্কুলে যাচ্ছে না।
কেনো?
উত্তরে ভদ্র মহিলা যা বললেন, তার সারমর্ম হলো- মেয়ে বলছে সে বড় হয়ে গেছে। ক্লাস নাইনে পড়ে। তার জন্য সব ইবাদাত ফরয হয়ে গেছে। নামাজ, রোজা, এমনকি পর্দাও করাও। অতএব তাকে বোরকা তৈরি করে না দিলে সে স্কুলে যাবে না।”
বললাম “ও তো খুব ভালো প্রস্তাব করেছে। আজই ওকে বোরকা কিনে দেন। আপনি তো ভাগ্যবতী মা। এ ধরনের মেয়ে কয়জনার আছে?
মাহমুদার কিশোরী বয়স থেকে দেখে আসছি, কী অবিচল সে তার হিজাবের ব্যাপারে। কতো ঝড় ঝাপটা তার উপর দিয়ে যেতে দেখেছি; কিন্তু পর্দার শিথিলতা দেখিনি।
সায়মা পর্দা করেছিল অভিভাবকদের চাপে, তাই তার মধ্যে আন্তরিকতার অভাব ছিল। যেহেতু পর্দাটা অন্তর থেকে ছিল না। আর মাহমুদার পর্দা করা ছিল অন্তর থেকে আল্লাহর ভয়ে। এখানে বয়স কোনো বিষয় না-বিষয় হলো ঈমান।

📘 দাউস কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না > 📄 আল কোরআনের সবটুকুই মানতে হবে

📄 আল কোরআনের সবটুকুই মানতে হবে


আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেন, “হে ঈমানদারগণ তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে দাখিল হও। এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না।”
অন্যত্র বলেছেন, “তোমরা কি কুরআনের কিছু কথা মানবে আর কিছু অমান্য করবে?”
আল কুরআন আমাদের জীবন ব্যবস্থা-জান্নাতে যাওয়ার সহজ সরল পথ। দুনিয়া ও আখেরাতের মুক্তির পরোয়ানা।
আল্লাহ পাকের ভাষায়- “এই কিতাব আল্লাহর কিতাব। এতে কোনো প্রকার সন্দেহ নেই। এটি মুত্তাকীনদের জন্য পথনির্দেশক। আর মুত্তাকীন তো ওই লোক, যে গায়েবে বিশ্বাস করে।' সালাত কায়েম করে, আল্লাহ দেওয়া রিজিক থেকে খরচ করে। যারা এই কিতাব এবং পূর্ববর্তী কিতাবসমূহ বিশ্বাস করে এবং আখেরাতের উপর যাদের রয়েছে দৃঢ় বিশ্বাস।” (সূরা বাকারাহ : ২-৫)
এই কিতাবের উপর বিশ্বাস মানে কি? এই কিতাবে আল কুরআনে যা কিছু আছে তা সত্য এবং তার সবটুকুই আমাকে মানতে হবে। মুসলিম বলে দাবিদার প্রত্যেককেই মানতে হবে। মুসলিম মানেই তো আনুগত্যকারী। কুরআনে আল্লাহ পাক যা কিছু নাযিল করেছেন, আদেশ করেছেন, নিষেধ করেছেন তা অমান্য করে কেউ মুসলিম হতে পারে না। সে নারী হোক কিংবা পুরুষ।
আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে পরিপূর্ণ মুসলিম হয়ে বাঁচার ও মরার তাওফিক দান করুন। আমীন!

📘 দাউস কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না > 📄 পর্দা সংক্রান্ত আল কুরআনের আয়াতসমুহ

📄 পর্দা সংক্রান্ত আল কুরআনের আয়াতসমুহ


১. হে মুমীনগণ! তোমরা নিজেদের গৃহ ছাড়া অন্য কারও গৃহে গৃহবাসীদের অনুমতি না নিয়ে এবং তাদেরকে সালাম না করে প্রবেশ করো না। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, আশা করা যায় যে, তোমরা এর প্রতি অবশ্যই খেয়াল রাখবে। যদি তোমরা গৃহে কাউকে না পাও, তবে অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত সেখানে প্রবেশ করবে না। যদি তোমাদেরকে বলা হয় ফিরে যাও, তবে ফিরে যাবে। এতে তোমাদের জন্যে অনেক পবিত্রতা আছে এবং তোমরা যা করো, আল্লাহ তা ভালোভাবে অবহিত আছেন। যে গৃহে কেউ বসবাস করে না, যাতে তোমাদের সামগ্রী আছে এমন গৃহে (বিনা অনুমতিতে) প্রবেশ করাতে তোমাদের কোনো পাপ নেই এবং আল্লাহ জানেন তোমরা যা প্রকাশ করো এবং যা গোপন করো। (হে নবী) মু'মিনদেরকে বলুন: তারা যেনো তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের যৌনালের হেফাজত করে। এতে তাদের জন্যে খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন। ঈমানদার নারীদেরকেও বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাজত করে। আর তারা যেন যা সাধারণত প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেনো তাদের মাথার ওড়না বুকের উপর ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক, অধিকারভুক্ত দাসী, যৌন কামনামুক্ত পুরুষ ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে এখনও অবগত নয়, তাদের ছাড়া আর কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্যে জোরে পদচারণা না করে। হে মুমিনগণ! তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তাওবা করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো। (আন-নূর: ২৭-৩১)

২. হে মু'মিনগণ! তোমাদের দাসদাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি তারা যেন তিন সময়ে (ঘরে প্রবেশের জন্য) তোমাদের কাছে অনুমতি নেয়, ফজরের সালাতের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা (বিশ্রামের উদ্দেশ্যে) বস্ত্র খুলে রাখো এবং এশার সালাতের পর। এই তিন সময় তোমাদের দেহ (গোপনীয়তা) খোলার সময়। এ তিন সময় ছাড়া (অন্য সময়ে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করলে) তোমাদের ও তাদের জন্যে কোনো দোষ নেই। তোমাদের একে অপরের কাছে তো যাতায়াত করতেই হয়। এমনিভাবে আল্লাহ তোমাদের কাছে তার সুস্পষ্ট নির্দেশ বিবৃত করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। তোমাদের সন্তান-সন্ততিরা যখন বয়োপ্রাপ্ত হয়, তারাও যেন তাদের পূর্ববর্তীদের ন্যায় (উক্ত তিন সময় ঘরে ঢুকতে) অনুমতি নেয়। এমনিভাবে আল্লাহ তার নির্দেশসমূহ সুস্পষ্টভাবে বিবৃত করেন, আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (আন্ নূর: ৫৮-৫৯)

৩. যে সব বৃদ্ধা নারী, যারা পুনরায় বিবাহের আশা রাখে না, তারা যদি তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে তাদের বস্ত্র (দোপাট্টা) খুলে রাখে তাহলে তাতে কোনো দোষ নেই, তবে এ থেকে বিরত থাকাই তাদের জন্যে উত্তম। আর আল্লাহ সব কিছুই জানেন ও শুনেন। (আন নূর : ৬০)

৪. যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের মধ্যে ব্যভিচার প্রসার লাভ করুক, তাদের জন্য ইহকাল ও পরকালে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। আল্লাহ্ জানেন, তোমরা জানো না। (আন নূর : ৯৯)

৫. তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মা, তোমাদের মেয়ে, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভাইয়ের মেয়ে, বোনের মেয়ে, তোমাদের দুধ মা, তোমাদের দুধ বোন, তোমাদের শাশুড়ি, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের মেয়ে-যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোনো গুনাহ নেই। তোমাদের (ঔরসজাত) ছেলেদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা হারাম। কিন্তু পূর্বে যা হয়েছে, হয়েছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা নিসা-২৩)

৬. আর তোমরা ব্যভিচারের ধারে কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দপথ। (বনী ইসরাঈল: ৩২)

৭. হে মু'মিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্যে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না। তবে তোমাদের ডাকা হলে প্রবেশ করো, অতঃপর খাওয়া শেষ হলে আপনাআপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে পড়ো না। কারণ এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের উঠে যাবার জন্যে বলতে সংকোচবোধ করেন। কিন্তু আল্লাহ সত্য কথা বলতে সংকোচবোধ করেন না। তোমরা তার স্ত্রীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ। তোমাদের কারো পক্ষে আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তার ওফাতের পর তার স্ত্রীদেরকে বিবাহ করা বৈধ নয়। আল্লাহর কাছে এটা ঘোরতর অপরাধ। তোমরা খোলাখুলি যা কিছু বলো অথবা গোপন রাখো, আল্লাহ সব বিষয়ে অবহিত। নবী-স্ত্রীগণের জন্যে তাদের পিতা, পুত্র, ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বোনের ছেলে, সেবিকা এবং অধিকারভুক্ত দাসদাসীগণের সামনে যাওয়ার ব্যাপারে গোনাহ নেই। হে নবীর স্ত্রীগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছু প্রত্যক্ষ করেন। (আল-আহযাব : ৫৩-৫৫)

৮. হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে ও কন্যাদের এবং মু'মিনদের স্ত্রীদেরকে বলুন: তারা যেন তাদের চাদরের কিছু অংশ নিজেদের মুখমণ্ডলের উপর টেনে দেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্ত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (আল-আহযাব : ৫৯)

৯. হে বনী আদম! আমি তোমাদের জন্যে পোষাক অবতীর্ণ করেছি, যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে এবং অবতীর্ণ করেছি সাজসজ্জার বস্ত্র এবং তাকওয়ার পোশাক। এটি সর্বোত্তম পোশাক। এটি আল্লাহর কুদরতের অন্যতম নিদর্শন, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা কর। (আল আ'রাফ: ২৬)

১০. “চাপা গলায় কথা বলো না। নতুবা যাদের মনে গলদ আছে তারা প্রলুব্ধ হবে। বরং পরিস্কার সোজা ও স্বাভাবিকভাবে কথা বলো। নিজেদের গৃহে অবস্থান করো এবং জাহেলিয়াতের যুগের মতো সাজসজ্জা করে বেড়িও না.......।" (সূরা আহযাব : ৩২-৩৩)

📘 দাউস কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না > 📄 আল-হাদীসে পর্দা

📄 আল-হাদীসে পর্দা


১. হযরত ইবনে মাসউদ (রা:) হতে বর্ণিত, নবী করীম (সা:) বলেছেন, নারীরা হলো পর্দায় থাকার বস্তু। সুতরাং তারা যখন (পর্দা উপেক্ষ করে) বাইরে আসে, তখন শয়তান তাদেরকে (অন্য পুরুষের চোখে) সু-সজ্জিত করে দেখায়। (তিরমিযী)

২. হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন “আমি রাসূলুল্লাহ (সা:)-কে এই মর্মে প্রশ্ন করেছিলাম যে, হঠাৎ যদি কোনো নারীর উপর দৃষ্টি পড়ে, তাহলে কী করতে হবে? রাসূল (সা:) আমাদের নির্দেশ দিলেন যে, তুমি তোমার দৃষ্টিকে কালবিলম্ব না করে ফিরিয়ে নিবে। (মুসলিম)

৩. হযরত বুরাইদাহ (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা:) আলী (রা:)-কে লক্ষ্য করে বলেন, হে আলী! কোনো অপরিচিতা নারীর উপর হঠাৎ দৃষ্টি পড়ে গেলে তা ফিরিয়ে নিবে এবং দ্বিতীয় বার তার প্রতি আর দৃষ্টিপাত করবে না। কেননা প্রথম দৃষ্টি তোমার আর দ্বিতীয় দৃষ্টি তোমার নয় বরং তা শয়তানের। (আবু দাউদ)

৪. নবী করীম (সা:) বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো অপরিচিত নারীর প্রতি যৌন লোলুপ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে, কিয়ামতের দিন তার চোখে উত্তপ্ত গলিত লোহা ঢেলে দেয়া হবে। (ফাতহুল কাদীর)

৫. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা:) হতে বর্ণিত, নবী করীম (সা:) বলেছেন : দৃষ্টি তো ইবলীসের বিষাক্ত তীরগুলোর মধ্যে একটি। যে ব্যক্তি আমাকে ভয় করে এ দৃষ্টি ত্যাগ করবে, তার বিনিময়ে আমি তাকে এমন ঈমান দান করবো, যার স্বাদ সে অন্তরে অনুভব করতে পারবে। (তিরমিযী)

৬. উম্মুল মু'মেনীন হযরত উম্মে সালমাহ (রা:) হতে বর্ণিত, একদা তিনি এবং হযরত মায়মুনা (রা:) রাসূল (সা:)-এর নিকট বসা ছিলেন। হঠাৎ সেখানে ইবনে উম্মে মাকতূম এসে প্রবেশ করলেন। রাসূল (সা:) হযরত উম্মে সালমাহ ও মায়মুনা (রা:)-কে বললেন : তোমরা (আগন্তুক) লোকটি থেকে পর্দা করো। আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! লোকটি তো অন্ধ, আমাদেরকে দেখতে পাচ্ছে না। তখন রাসূল (সা:) বললেন: তোমরা দু'জনও কি অন্ধ যে, তাকে দেখতে পাচ্ছ না। (আহমদ, তিরমিযী, আবু দাউদ)

৭. হযরত আবূ উমামা (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন : যখন কোনো মুসলমানের দৃষ্টি কোনো নারীর উপর পড়বে, আর সাথে সাথে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিবে, আল্লাহ তার ইবাদতে স্বাদ ও আনন্দ সৃষ্টি করে দিবেন। (মুসানাদে আহমদ)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00