📘 দাউস কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না > 📄 একটি দরজা খোলা

📄 একটি দরজা খোলা


আগেই বলেছি, আমাদের সমাজে অনেক মুসলমান আছে, যারা নামাজ-রোজা, হজ্ব-যাকাত ইত্যাদি করে, কিন্তু পর্দার ব্যাপারে উদাসীন। তাদের উদাহরণ হলো, শত্রুর ভয়ে আপনি একটা মজবুত গৃহে আশ্রয় নিলেন। ঘরটি মজবুত ঠিকই, কিন্তু ঘরের পিছনের একটা দরজায় পাল্লা নেই। এই পাল্লাবিহীন দরজা দিয়ে অবলীলায় যেভাবে শত্রু ঢুকতে পারবে, তেমনি নামাজ-রোজা, হজ্ব-যাকাত দিয়ে চতুর্দিকে জাহান্নামের আগুনকে ঠেকালেও পিছন দিক থেকে পর্দার দরজা পাল্লাবিহীন থেকে যাবে। সেই দরজা পথে জাহান্নামের আগুন ঢুকবেই।

📘 দাউস কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না > 📄 পর্দা করা কোনো কঠিন কাজ নয়

📄 পর্দা করা কোনো কঠিন কাজ নয়


পর্দা করা আসলেই কোনো কঠিন কাজ নয়। এটা শুধু ইচ্ছা আর ঈমানের ব্যাপার। আল্লাহ্র উপর, তাঁর কুরআনের উপর আর আখেরাতের উপর যদি বিশ্বাস থাকে তাহলে পর্দা করা এমনি এমনিই হয়ে যাবে।

📘 দাউস কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না > 📄 দুনিয়াই আখেরাতের শষ্যক্ষেত্র

📄 দুনিয়াই আখেরাতের শষ্যক্ষেত্র


এই পৃথিবীটাই আখেরাতের শস্যক্ষেত্র। এখানে যে যেমন আমল বা কাজ করবে আখেরাতে আল্লাহ পাক তাকে তেমন প্রতিদানই দিবেন। কারণ তিনি 'মালিকি ইয়াও মিদ্দীন'-প্রতিদান দিবসের মালিক। সেই মালিকের নির্দেশ, বাড়ির বাইরে গেলে "যে পোশাক পরে আছ, তার উপর আরো একটি পোশাক দাও। এটা তোমার জন্য উত্তম।” ব্যস এরপর তো আর কথা নেই। মুসলমান তো সে-ই ব্যক্তি, যে বলে 'সামিয়না ওয়া আতা'না'। আমি শুনলাম এবং মেনে নিলাম। আল্লাহ্র আদেশ অমান্য করার পরিণতি সম্পর্কে আল্লাহ্ সুবহানাহু তা'য়ালা বলেন, “যদি নির্ভরযোগ্য ইলমের ভিত্তিতে (তোমাদের চাল-চলনের কুফল সম্পর্কে) জানতে পারতে তাহলে এভাবে চলতে পারতে না। তোমরা অবশ্যই জাহান্নাম দেখতে পাবে। আবার (শোন) তোমরা একেবারে স্থির নিশ্চিতভাবে তা দেখবেই।” (সূরা তাকাসুর : ১-৬-৭)
ইসলাম শব্দের অর্থ আনুগত্য বা আত্মসমর্পণ। আর মুসলিম বা মুসলমান শব্দের অর্থ আনুগত্যকারী বা আত্মসমর্পণকারী। যখনই একজন মানুষ নিজেকে মুসলিম বলে দাবি করবে তখনই মহান আল্লাহর বাণী আল কুরআনের প্রত্যেকটি আদেশ-নিষেধ মানা তার জন্য ফরয হয়ে যায়।
আল্লাহ পাক বলেন, “জীবনের সকল সমস্যার সমাধান নিতে হবে আল কুরআন থেকে।”

📘 দাউস কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না > 📄 বিধর্মীদের মতো দেখতে

📄 বিধর্মীদের মতো দেখতে


একই ক্লাসে পড়ে দুটি মেয়ে। মিতা আর রিতা। না, দুই বোন না। ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ওরা। ওদের পছন্দ-অপছন্দের মধ্যে খুব মিল। চলা ফেরা উঠাবসা সব পোশাক-পরিচ্ছদ সব প্রায় একই রকম। এরা একজন হিন্দু বাবা মায়ের সন্তান, আর একজন মুসলিম বাবা মায়ের ঘরে জন্ম নিয়েছে। অথচ এদের আচার-আচরণ, জ্ঞান, শিক্ষা, বিশ্বাস, অবিশ্বাস, কথাবার্তা সব-সবই একরকম। এদের দেখে কিংবা এদের সাথে কথা বলে বোঝার কোনো উপায় নেই যে, এদের একজন মুসলমান।

দুনিয়াতেই যখন আলাদা করে চেনা যায় না, আখেরাতে কি করে এরা আলাদা প্রতিদান পাবে? আসল ব্যাপারটা হয়েছে-মুসলমান মেয়েরা কিছু ছেড়েছে, আর হিন্দুরা কিছু ধরেছে। এখন সবাই এক হয়ে গেছে। যেমন আগে মুসলমান মেয়েরা সালোয়ার কামিজের সাথে ওড়না পরত। আর হিন্দু মেয়েরা ওড়না তো পরতই না, সালোয়ারও পরত না। বড় মেয়েরাও হাফপ্যান্ট পরত। এখন হিন্দু মেয়েরা সালোয়ার ধরেছে আর মুসলমান মেয়েরা ওড়না ছেড়েছে। এখন তারা সবাই বাঙালি (?) হয়ে গেছে!

জিজ্ঞেস না করে বোঝার উপায় নেই মেয়েটি হিন্দু না মুসলমান। মুসলিম মেয়েরা পাশ্চাত্যের অনুকরণে আধুনিক সাজতে চায়। অর্থাৎ যে যতো স্বল্প পোশাক ব্যবহার করবে, সেই যেন বেশি আধুনিক। অবাক হই, ইবলিশ কি কৌশলে বিধানটি একেবারে উল্টে দিল। পুরুষেরা ফুলপ্যান্ট ফুলসার্ট পরে গোটা শরীর ঢেকে রাখে, আর মেয়েরা দেহের অর্ধেকেরও বেশি বের করে রাখে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00