📄 ইয়াহুদী সন্তানকে নবীজীর দাওয়াত
عَنْ أَنَسٍ ـ رضى الله عنه - قَالَ كَانَ غُلَامُ يَهُودِيُّ يَخْدُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَمَرِضَ، فَأَتَاهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَعُودُهُ، فَقَعَدَ عِنْدَ رَأْسِهِ فَقَالَ لَهُ " أَسْلِمْ " . فَنَظَرَ إِلَى أَبِيهِ وَهُوَ عِنْدَهُ فَقَالَ لَهُ أَطِعْ أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم ، فَأَسْلَمَ ، فَخَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَقُولُ " الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَنْقَذَهُ مِنَ النَّارِ ".
হযরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন, এক ইয়াহুদী ছেলে নবীজী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লামের খেদমত করতো। সে অসুস্থ হয়ে পড়লো। রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে গেলেন, তার শুশ্রুষা করলেন। এরপর তার মাথার কাছে গিয়ে বসলেন। ছেলেকে নবীজী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি ইসলাম গ্রহণ করো। সে তার পিতার দিকে তাকিয়ে রইলো, পিতা তাকে বললো, তুমি আবুল কাসেম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা মেনে নাও। এরপর ছেলেটি ইসলাম গ্রহণ করলো। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে এসে বললেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার। যিনি এই ছেলেকে চিরস্থায়ী জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচিয়ে দিলেন।
হাদিস থেকে শিক্ষা:
এই হাদিস থেকে আমরা কয়েকটি বিষয় জানতে পারি। ১. কোনো অমুসলিম থেকে খেদমত নেয়া যায়। যেমন নবীজী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন ইয়াহুদীর ছেলের খেদমত গ্রহণ করেছেন। ২. অমুসলিমদের সন্তানদেরকেও দাওয়াত দেওয়া যায়। আর দাওয়াত দেয়া উচিত। তার সাথে আমাদের সম্পর্ক থাকবে আর আমরা তাকে দাওয়াত দিলাম না- এটা কীভাবে সম্ভব? অমুসলিম সন্তাদেরকে তাদের অভিভাবকের সামনেই দাওয়াত দেয়া। যেমন নবীজী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাওয়াত দিয়েছেন। আমরাও সকল প্রকার অমুসলিম ভাই-বোনদেরকে দাওয়াত দেবো। ৩. কেউ মুসলমান হলে তার জন্য খুশি প্রকাশ করা যে, আল্লাহ তায়ালা তাকে চিরস্থায়ী জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন।
টিকাঃ
৫৭. সহীহ বুখারী-১৩৫৬