📄 দায়ী সম্প্রদায় সত্যের পথে আমলকারী
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ « مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى كَانَ لَهُ مِنَ الأَجْرِ مِثْلُ أُجُورِ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا وَمَنْ دَعَا إِلَى ضَلَالَةٍ كَانَ عَلَيْهِ مِنَ الإِثْمِ مِثْلُ آثَامِ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا » .
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি কাউকে হেদায়াত তথা (ইসলাম) এর দিকে দাওয়াত দেয়, সে ঐ সমস্ত লোকদের সমপরিমাণ সওয়াব পাবে, যারা তার দাওয়াতের উপর আমল করেছে। তবে অনুসরণ কারীদের সওয়াবে কোনো ঘাটতি বা কমতি হবে না। আর যে ব্যক্তি খারাপ কজের দিকে দাওয়াত দিবে, তাহলে তার আনুসারীদের সমপরিমাণ গোণাহ তার উপর বর্তাবে। এতে অনুসরণকারীদের গোনাহ কমবে না।
হাদিস থেকে শিক্ষা: যদি কেউ কোনো মানুষকে ভালো কাজের দাওয়াত দেয়, লোকটি ও যদি তার দাওয়াত গ্রহণ করে সে অনুযায়ী আমল করে। যিনি দাওয়াত দিলেন তিনি আমলকারীর সমপরিমাণ সওয়াব পাবেন। যেমন কেউ নামাজের দাওয়াত দিল, তার কথায় নামাজ পড়লো, এই ব্যক্তি নামাজ পড়ে যেই পরিমাণ সাওয়াব পাবে, দায়ী সেই পরিমাণই সওয়াব পাবে। তার সওয়াবে কোনো কমতি হবে না। সবচেয়ে বেশী সওয়াব হবে একজন মানুষকে মুসলমান বানাতে পারলে। কারণ একজন অমুসলিমকে দাওয়াত দিয়ে জাহান্নামের চিরস্থায়ী আগুন থেকে বাঁচালেন, সে যতদিন আমল করবে এর সমপরিমাণ সওয়াব আপনিও পাবেন। তার ছেলে মেয়েরা এভাবে কিয়ামত পর্যন্ত তার বংশধররা যত আমল করবে, এর সাওয়াব আপনি পেতে থাকবেন। আসুন, আমরা সকলে মিলে অমুসলিমদরকে দাওয়াত দিয়ে মুসলমান বানানোর চেষ্টা করি। পক্ষান্তরে, যেই ব্যক্তি কোনো পাপের দিকে দাওয়াত দেয়, তাহলে ঐ পাপীর সমপরিমাণ পাপ তার আমলনামায় লেখা হবে। যেমন, কেউ শিরক করার জন্য কাউকে দাওয়াত দিল, এই দাওয়াত কবুল করে যেই পাপ অর্জন করবে, আহ্বানকারীর আমল নামায় এই পরিমাণ পাপ লিখা হবে। এই হাদিস থেকে আরো একটি বিষয় শিখতে পাই তাহলো, আমলকারীর আমলের সওয়াব কমানো হবে না। আল্লাহ দান করতে চান আমরা নিতে পারি না। আল্লাহ আমাদের নেয়ার তৌফিক দান করুন।
টিকাঃ
৪১. তিরমিজী- ২৬৭৪, আবুদাউদ-৪৬০১