📘 কারেন্সি ওয়ার > 📄 চুক্তির বিবরণ

📄 চুক্তির বিবরণ


এই চুক্তিতে অংশ নেয় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ৪৪টি দেশ, যারা ২২ দিনেরও বেশি সময় ধরে সম্মেলনে উপস্থিত থাকে। এ সময় তারা বহু আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে, যার উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ববাণিজ্যকে একটি নির্দিষ্ট নিয়মে চালানো এবং কিছু শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা।

📘 কারেন্সি ওয়ার > 📄 সম্মেলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

📄 সম্মেলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত


এই সম্মেলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল ছিল, মার্কিন ডলারকে বৈশ্বিক মুদ্রার মানদণ্ড হিসেবে নির্ধারণ করা। অর্থাৎ বিশ্বের অন্যান্য মুদ্রার মান ঠিক হবে ডলারের ভিত্তিতে।

এটাই ছিল সেই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, যার মাধ্যমে গঠিত হয় :
১. বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা (Foreign Exchange System)।
২. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)।
৩. বিশ্বব্যাংক (International Bank for Reconstruction and Development)।

এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন ডলার হয়ে ওঠে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু আর যুক্তরাষ্ট্র হয়ে ওঠে বিশ্ব অর্থনীতির নেতৃত্বদানকারী শক্তি।

📘 কারেন্সি ওয়ার > 📄 কেন ডলার বিশ্বমুদ্রা হয়ে উঠল?

📄 কেন ডলার বিশ্বমুদ্রা হয়ে উঠল?


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ছিল সারা বিশ্বের ৭৫% স্বর্ণের রিজার্ভ। এ ছাড়া মার্কিন ডলারই তখন একমাত্র মুদ্রা ছিল, যার পেছনে স্বর্ণের রিজার্ভ সংরক্ষিত ছিল। অন্যসব দেশ নিজেদের মুদ্রার স্বর্ণভিত্তিক মান বাতিল করে দিয়েছিল মূল্যস্ফীতির কারণে।

ফলে বিশ্বের অনেক দেশ মার্কিন ডলার জমা করতে শুরু করে, যাতে তারা ভবিষ্যতে ডলার দিয়ে স্বর্ণ নিতে পারে। এভাবেই ডলার হয়ে ওঠে অনেক দেশের রিজার্ভ মুদ্রা (foreign reserve currency)। তখন থেকেই বিভিন্ন দেশ নিজেদের বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণে ডলারকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে থাকে।

এইভাবেই 'আঙ্কেল স্যাম' তথা আমেরিকা সফলভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে আর ডলার হয়ে ওঠে একচ্ছত্র আধিপত্যের প্রতীক। তবে এরপর ঘটেছিল একটি বড় পরিবর্তন, যা এই চুক্তির ভিত্তিকে নাড়িয়ে দিয়েছিল...।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00