📘 কারেন্সি ওয়ার > 📄 এই অভিযোগের প্রমাণ

📄 এই অভিযোগের প্রমাণ


ঠিক যে বছর 'হৃদরোগে' আক্রান্ত হয়ে কমিউনিজম মারা যায়, সে বছরই যুক্তরাষ্ট্র ইরাককে আক্রমণ করে বসে। তারা হাসপাতাল, স্কুলসহ সবকিছু ধ্বংস করে দেয়। তারপর আরোপ করে এক নিষ্ঠুর অবরোধ, যার ফলে পাঁচ লাখেরও বেশি ইরাকি শিশু মৃত্যুবরণ করে!

মূলত অর্থের প্রতি তাদের কোনো আবেগ নেই। তাদের কাছে মানুষেরও নেই কোনো মূল্য! তারা শুধু নিরবচ্ছিন্নভাবে বিশ্বের সম্পদ ভোগ করে যেতে চায়। বিশ্বের একাধিক অর্থনীতিবিদ এ ব্যাপারে একমত যে, একুশ শতকের মানুষরা এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যে বিপর্যয় এ পৃথিবী তার ইতিহাসে কখনো দেখেনি!

টিকাঃ
১. মানে হচ্ছে, কমিউনিজম যে অজুহাতে বিভিন্ন জাতির ওপর দখল নিয়েছে, তাদের সম্পদ লুট করেছে, মানুষকে দাস বানিয়েছে এবং হত্যাও করেছে, সেই অজুহাত তখনই শেষ হয়ে গেছে, যখন আমেরিকা নিজেরাই ইরাকে হামলা চালিয়ে তার তেলের ভান্ডার দখল করে নিয়েছে। আমেরিকা তো একটুখানিও ধৈর্য ধরেনি। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়ার একটা বছর না যেতেই তারা প্রমাণ করে দিল, আসলে তারা নিজেরাই মিথ্যা বলছিল এতদিন!

📘 কারেন্সি ওয়ার > 📄 সম্পদ চুরির সবচেয়ে নিপুণ কৌশল

📄 সম্পদ চুরির সবচেয়ে নিপুণ কৌশল


ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জন মেনার্ড কেইনস (John Maynard Keynes) বহু বছর আগে বলেছিলেন, 'মার্কিন সরকার এমন গোপনভাবে জনগণের সম্পদ লুট করতে সক্ষম হবে যে, প্রতি এক মিলিয়ন মানুষের মধ্যে মাত্র একজন তা বুঝতে পারবে!' কেইনসের সময়ে এটা হয়তো গোপন রাখা যেত। কিন্তু এখন? এখন তো আমরা 'ইন্টারনেট-যুগে' বসবাস করছি। এভাবে জালিয়াতি আর কতদিন চলবে?

দুঃখজনকভাবে আজ মানুষ অদ্ভুত এক সম্মোহনে আচ্ছন্ন! আর এই সম্মোহন ঘটিয়েছে গণমাধ্যম। আজকের দিনে তিক্ত বাস্তবতা হলো, কোনো গণমাধ্যমকর্মীকে এসব বিষয়ের ধারেকাছেও যেতে দেওয়া হয় না।

টিকাঃ
২. প্রশ্ন হলো, আমরা অনেক শাসকের বিরুদ্ধে মিডিয়ার রিপোর্ট দেখে তাদের পতন হতে দেখেছি। কিন্তু এই বড় বড় চোর পরিবারগুলোর মুখোশ কেন কোনোদিন মিডিয়া উন্মোচন করেনি? কেন তাদের বিরুদ্ধে কখনো কোনো বড় সংবাদ প্রতিবেদন হয়নি? বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, গণমাধ্যম ও মিডিয়া মূলত কয়েকটি বড় শাখায় বিভক্ত থাকে: থিয়েটার বা নাট্যমঞ্চ, সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল, রেডিও, অনলাইন ওয়েবসাইট ইত্যাদি। আর এখন আমার পক্ষ থেকে অতিরিক্ত একটি নাম যুক্ত করুন-সোশ্যাল মিডিয়া। এই সবকিছু যেখানেই থাকুক, যেই দেশেই থাকুক, দিনশেষে এগুলোর উৎসমূল হচ্ছে সুনির্দিষ্ট কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা। যেমন: রয়টার্স (Reuters), ফক্স নিউজ (Fox News), বিবিসি (BBC), সিবিএস (CBS) এবং এমন আরও একাধিক সংবাদসংস্থা। আর হ্যাঁ, আমার পক্ষ থেকে আরেকটি নাম যুক্ত করুন-উইকিপিডিয়া। এদের সবগুলোর মালিক বা উচ্চপদস্থ নির্বাহীরা হয়তো সরাসরি ইহুদি, অথবা এই গোপন ধনকুবের পরিবারগুলোর হাতের পুতুলমাত্র।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00