📘 ক্রুসেড যুদ্ধের ইতিহাস > 📄 নির্ঘণ্ট (Index)

📄 নির্ঘণ্ট (Index)


নির্ঘণ্ট-১ অঞ্চল-পরিচিতি
| স্থান | খণ্ড | পৃষ্ঠা নম্বর | টীকা নম্বর |
| :--- | :--- | :--- | :--- |
| এশিয়া মাইনর অঞ্চল | ১ | ২৩ | ৫ |
| শাম অঞ্চল | ১ | ২৩ | ৫ |
| ফিলিস্তিন অঞ্চল | ১ | ২৪ | ৫ |
| আ'মাক | ১ | ২৮ | ৭ |
| দAbিক | ১ | ২৮ | ৭ |
| সিসিলি | ১ | ৩৫ | ৯ |
| মাগরিব | ১ | ৩৭ | ১০ |
| আল-মাগরিবুল আদনা | ১ | ৩৭ | ১০ |
| (নিকট-মাগরিব অঞ্চল) | | | |
| আল-মাগরিবুল আওসাত | ১ | ৩৭ | ১০ |
| (মধ্য-মাগরিব অঞ্চল) | | | |
| আল-মাগরিবুল আকছা | ১ | ৩৭ | ১০ |
| (দূর-মাগরিব অঞ্চল) | | | |
| রোমান সাম্রাজ্য | ১ | ৩৯-৪১ | ১১ |
| হাবশা (আবিসিনিয়া) | ১ | ৪১ | ১২ |
| বুছরা ও বসরা | ১ | ৪৩ | ১৭ |
| ইসলামি প্রাচ্য | ১ | ৪৭ | ৩১ |
| ইসলামি প্রতীচ্য | ১ | ৪৭ | ৩১ |
| যিবাত্রা | ১ | ৪৮-৪৯ | ৩৫ |
| জাযিরা অঞ্চল | ১ | ৫০ | ৩৮ |
| (আপার-মেসোপটেমিয়া) | | | |
| স্থান | খণ্ড | পৃষ্ঠা নম্বর | টীকা নম্বর |
| --- | --- | --- | --- |
| এন্টিয়ক | ১ | ৫০ | ৩৯ |
| আলেপ্পো | ১ | ৫২ | ৪৪ |
| মাওয়ারাউন নাহার | ১ | ৬৫ | ৬৩ |
| (ট্রান্স অক্সিয়ানা) | | | |
| আরবি ইরাক | ১ | ৬৭ | ৬৮ |
| আজমি ইরাক | ১ | ৬৭ | ৬৮ |
| তারাবলুস (ত্রিপোলি) | ১ | ৭০ | ৭২ |
| এডেসা | ১ | ৭২ | ৭৯ |
| জেনোভা ও জেনেভা | ১ | ৯১ | ১০৮ |
| ক্লেরমন্ট | ১ | ১০৫ | ১৩৮ |
| নিকিয়া | ১ | ১৪৯ | ২৩৬ |
| কোনিয়া | ১ | ১৫৯ | ২৫৬ |
| তারসুস ও তারতুস | ১ | ১৬৬ | ২৬৮ |
| প্রাচীন বিশ্ব ও আধুনিক বিশ্ব | ১ | ১৭৭ | ২৯৪ |
| বারা | ১ | ১৮৭ | ৩১৯ |
| আরসুফ | ১ | ২৩৩ | ৪২৬ |
| জাযিরা ইবনে উমর | ২ | ১৬৬ | ২৫৮ |

নির্ঘণ্ট-২ সংক্ষিপ্ত ব্যক্তি-পরিচিতি মুসলিম শিবির
সুলায়মান বিন কুতুলমিশ: এশিয়া মাইনর অঞ্চলে রোমান সেলজুক রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ক্রুসেড-যুগ পাননি। ৪৭৮ হিজরি সনে (১০৮৬ খ্রিষ্টাব্দে) তিনি তুতুশ বিন আলপ আরসালানের হাতে নিহত হন।
১ম কিলিজ আরসালান: সুলায়মান বিন কুতুলমিশের পুত্র ও পরবর্তী রোমান সেলজুক শাসক। ক্রুসেড আগ্রাসনের প্রথম ঝড় তার ওপর দিয়েই যায় এবং ক্রুসেডারদের হাতে তিনি তার রাজধানী নিকিয়া নগরীসহ রাজ্যের বৃহৎ অংশ হারান। অবশ্য পরবর্তীকালে ৪৯৪ হিজরি সনে (১১০১ খ্রিষ্টাব্দে) তিনি ইউরোপ থেকে আগত সহায়ক ক্রুসেডার বাহিনীর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি যুদ্ধে স্মরণীয় বিজয় অর্জন করেন। ৫০০ হিজরি সনে (১১০৬ খ্রিষ্টাব্দে) মসুলকে নিজ রাজ্যভুক্ত করতে গিয়ে তিনি নিহত হন।
গাজি কুমুশতেগিন বিন দানিশমান্দ: এশিয়া মাইনর অঞ্চলের দানিশমান্দ রাজ্যের শাসক। ক্রুসেড অভিযানের পুরোটা সময় কিলিজ আরসালানের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে থেকে ক্রুসেডারদের অগ্রযাত্রার পথ সুগম করেন। পরবর্তী সময়ে শক্তিশালী ক্রুসেডার নেতা বোহেমন্ডকে বন্দি করতে সমর্থ হলেও অর্থের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেন। অবশ্য ৪৯৪ হিজরি সনে (১১০১ খ্রিষ্টাব্দে) কিলিজ আরসালানের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি যুদ্ধে জয়লাভ করেন। মারা যান ১১০৪ খ্রিষ্টাব্দে।
তুতুশ বিন আলপ আরসালান: বিখ্যাত সেলজুক শাসক আলপ আরসালানের পুত্র ও শামকেন্দ্রিক সেলজুক রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা। চরিত্রের দিক থেকে ছিলেন পিতার সম্পূর্ণ বিপরীত। ক্রুসেড আগ্রাসন শুরুর পূর্বেই ৪৮৭ হিজরি সনে (১০৯৪ খ্রিষ্টাব্দে) ভ্রাতুষ্পুত্র বারকিয়ারুকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে নিহত হন।
রিজওয়ান বিন তুতুশ: তুতুশের পুত্র। পিতার মৃত্যুর পর শামের সেলজুক রাষ্ট্রের আলেপ্পো অংশের শাসনভার লাভ করেন। প্রথম ক্রুসেড যুদ্ধ ও যুদ্ধপরবর্তী সময়ে তার আচরণ ছিল সম্পূর্ণ নেতিবাচক। ক্রুসেডারদের তিনি প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেন এবং ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে সংগ্রামরত মুসলিম শাসকদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করেন। ৫০৭ হিজরি সনে (১১১৩ খ্রিষ্টাব্দে) তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
দাক্কাক বিন তুতুশ: তুতুশের আরেক পুত্র। পিতার মৃত্যুর পর শামের সেলজুক রাষ্ট্রের দামেশক অংশের শাসনভার লাভ করেন। ক্রুসেড অভিযান চলাকালে অধিকাংশ সময় সংগ্রামী ভূমিকা পালনের পরিবর্তে ভাই রিজওয়ানের মতোই নেতিবাচক ভূমিকা পালন করেন। মৃত্যুবরণ করেন ৪৯৬ হিজরি সনে (১১০৩ খ্রিষ্টাব্দে)। শাসনকালের পুরো সময় তিনি ভাইয়ের সঙ্গেও সংঘাতে জড়িয়ে ছিলেন।
তুগতেকিন : তুতুশের মুক্ত ক্রীতদাস এবং তুতুশ-পুত্র দাক্কাকের রাজশিক্ষক। দাক্কাকের মৃত্যুর পর তিনি দামেশকের শাসনভার গ্রহণ করেন। শাসনকালে তিনি ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে একাধিকবার লড়াই করেন, আবার ক্ষেত্রবিশেষে তাদের সঙ্গে সহযোগিতা বিনিময়ও করেন। পঁচিশ বছর দামেশক শাসন করার পর ৫২২ হিজরি সনে তিনি ইন্তেকাল করেন।
আবু আলি বিন আম্মার : ত্রিপোলির নগরীর শিয়া প্রশাসক। ক্রুসেডারদের আগ্রাসনের মুখেও দীর্ঘদিন তাদের সঙ্গে মিত্রতা বজায় রেখে নিজ রাজ্য টিকিয়ে রেখেছিলেন। শেষ পর্যন্ত ৫০৩ হিজরি সনে (১১০৯ খ্রিষ্টাব্দে) ক্রুসেডারদের কাছে রাজ্য হারান।
১ম মালিকশাহ : আলপ আরসালানের পুত্র। বৃহত্তর সেলজুক সাম্রাজ্যের মহান শাসক। ক্রুসেড আগ্রাসন শুরু হওয়ার কয়েক বছর পূর্বে ৪৮৪ হিজরি সনে (১০৯২ খ্রিষ্টাব্দে) তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
বারকিয়ারুক : ১ম মালিকশাহর পুত্র। পিতার মৃত্যুর পর বৃহত্তর সেলজুক সাম্রাজ্যের হাল ধরেন। তার শাসনমালেই ইসলামি ভূখণ্ডে ক্রুসেডারদের আগ্রাসন শুরু হয়। তিনি এ সময় ক্রুসেডারদের মোকাবিলায় তার অধীনস্থ মসুলের প্রশাসক কারবুগার নেতৃত্বে একটি বাহিনী প্রেরণ করলেও বাহিনীটি পরাজিত হয়। ভাই ও চাচাতো ভাইদের সঙ্গে অব্যাহত সংঘাতের কারণে তিনি ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হননি। মৃত্যুবরণ করেন মাত্র পঁচিশ বছর বয়সে ৪৯৮ হিজরি সনে (১১০৪ খ্রিষ্টাব্দে)।
সুলতান মুহাম্মাদ : মালিকশাহর আরেক পুত্র। ভাইদের মৃত্যুর পর পুরো বৃহত্তর সেলজুক সাম্রাজ্যের দায়িত্ব লাভ করেন। আপন শাসনমালে তিনি একাধিকবার ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে বাহিনী প্রেরণ করলেও সামগ্রিক বিচারে এ বিষয়ে পূর্ণ আন্তরিক ছিলেন না। ১১১৮ খ্রিষ্টাব্দে সাইত্রিশ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
সুলতান মাহমুদ : সুলতান মুহাম্মাদের পুত্র। পিতার মৃত্যুর পর মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে বৃহত্তর সেলজুক সাম্রাজ্যের হাল ধরেন। দুই ভাই মাসউদ ও তুগরল এবং চাচা সানজারের বিরোধের কারণে নির্ঝঞ্ঝাট রাজ্যশাসন করতে পারেননি। ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে অভিযান প্রেরণে যথেষ্ট আন্তরিক ছিলেন। তিনিই ইমাদুদ্দিন জিনকিকে মসুলের প্রশাসক নিযুক্ত করেন। ৫২৫ হিজরি সনে (১১৩১ খ্রিষ্টাব্দে) মাত্র সাতাশ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
মাসউদ, তুগরল ও সেলজুকশাহ: সুলতান মাহমুদের তিন ভাই। মাহমুদের মৃত্যুর পর তারা বৃহত্তর সেলজুক রাষ্ট্রের শাসনক্ষমতা নিয়ে দীর্ঘ সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত অবশ্য মাসউদ এই সংঘাতে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেন এবং দীর্ঘ সময় বৃহত্তর সেলজুক রাষ্ট্র শাসন করেন।
সুকমান বিন উরতুক: উরতুক রাজপরিবারের প্রধান পুরুষ উরতুক তুর্কমানির পুত্র। পিতার মৃত্যুর পর প্রথমে তুতুশ ও দাক্কাকের অধীনে বাইতুল মুকাদ্দাসের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। ৪৯১ হিজরি সনে (১০৯৭ খ্রিষ্টাব্দে) উবায়দিরা বাইতুল মুকাদ্দাস দখল করে নিলে তিনি উত্তর ইরাকের দিয়ারে বকর অঞ্চলে পৌঁছে সেখানে হাসানকেইফকেন্দ্রিক একটি ইসলামি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। বালিখের যুদ্ধসহ একাধিক রণক্ষেত্রে তিনি ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে সংগ্রামী ভূমিকা রাখেন। ৪৯৮ হিজরি সনে (১১০৫ খ্রিষ্টাব্দে) ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে এক অভিযানে রওনা হয়ে পথিমধ্যে তিনি ইন্তেকাল করেন।
ইলগাজি বিন উরতুক : সুকমান বিন উরতুকের ভাই ও মারদিনের আমির। বালাতের যুদ্ধে ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে স্মরণীয় বিজয় লাভ করেন। ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেন এবং জয়-পরাজয় উভয় ধরনের ফলাফল লাভ করেন। ৫১৬ হিজরি সনে (১১২৩ খ্রিষ্টাব্দে) ইন্তেকাল করেন।
বাল্ক বিন বাহরাম বিন উরতুক : সুকমান ও ইলগাজির ভ্রাতুষ্পুত্র। খারতাবিত নগরীর প্রশাসক ছিলেন। ৫১৬ হিজরি সনে (১১২২ খ্রিষ্টাব্দে) মাত্র চারশ সৈন্য নিয়ে এডেসার ক্রুসেডার বাহিনীকে পরাজিত করেন এবং এডেসার শাসক জোসেলিনকে বন্দি করেন। এর সাত মাস পর আরেক যুদ্ধে ক্রুসেডারদের পরাজিত করে তিনি বন্দি করেন বাইতুল মুকাদ্দাসের রাজা ২য় বল্ডউইনকে। মহান এই মুজাহিদ এর বছরখানেক পর ৫১৮ হিজরি সনে (১১২৪ খ্রিষ্টাব্দে) ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে এক অভিযান চলাকালে অজ্ঞাত উৎস হতে নিক্ষিপ্ত লক্ষ্যহীন তিরের আঘাতে শহিদ হন।
হুসামুদ্দিন তামারতাশ : ইলগাজির পুত্র। পিতার মৃত্যুর পর মারদিন ও দিয়ারে বকরের দক্ষিণ অংশের শাসনভার লাভ করেন। বিলাসী ও আরামপ্রিয় একজন শাসক। ক্রুসেডারদের বিষয়ে অনেকটা নমনীয় ছিলেন। ইমাদুদ্দিন জিনকির সঙ্গে জোটবদ্ধ যেমন হয়েছেন, তার বিরুদ্ধে যুদ্ধও করেছেন।
রুকনুদ্দৌলা দাউদ : সুকমানের পুত্র। পিতার মৃত্যুর পর হাসানকেইফের প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন। চরিত্রের দিক থেকে অনেকটা চাচাতো ভাই হুসামুদ্দিন তামারতাশের মতোই।
কারবুগা : মসুলের প্রশাসক। সুলতান বারকিয়ারুকের নির্দেশে ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে এন্টিয়ক অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। মৃত্যুবরণ করেন ৪৯৫ হিজরি সনে (১১০২ খ্রিষ্টাব্দে)। ইমাদুদ্দিন জিনকি শৈশবে তার তত্ত্বাবধান লাভ করেছেন।
জাকারমিশ : কারবুগা-পরবর্তী মসুলের প্রশাসক। বালিখের যুদ্ধসহ ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযানে অংশ নিয়েছেন। ৫০০ হিজরি সনে (১১০৬ খ্রিষ্টাব্দে) বরখাস্ত হন। ইমাদুদ্দিন জিনকি শৈশবে তার তত্ত্বাবধানও লাভ করেছেন।
মওদুদ বিন তুনতেকিন : জাকারমিশ বরখাস্ত হওয়ার কিছুদিন পর মসুলের প্রশাসনিক দায়িত্ব লাভ করেন। ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে সংগ্রামী লড়াইয়ে প্রথম পরিপূর্ণ নেতা। ইন্তেকাল করেন ৫০৭ হিজরি সনে (১১১৩ খ্রিষ্টাব্দে)।
আক সুনকুর আল-বুরসুকি: মওদুদ-পরবর্তী মসুলের প্রশাসক। আরেক মহান মুজাহিদ নেতা। ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেন। ৫২০ হিজরি সনে (১১২৬ খ্রিষ্টাব্দে) শিয়া গুপ্তঘাতকদের হাতে নিহত হন।
কাসিমুদ্দৌলা হাজিব আক সুনকুর : ইমাদুদ্দিন জিনকির পিতা। আলেপ্পোর প্রশাসক ছিলেন। ক্রুসেড-যুগ পাননি। ৪৮৭ হিজরি সনে (১০৯৪ খ্রিষ্টাব্দে) তুতুশের হাতে নিহত হন।
দুবাইস বিন সাদাকা : আরব গোত্র বনু মাজিদের নেতা। বিভিন্ন সময় ক্রুসেডারদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। শেষ জীবনে তিনি ইমাদুদ্দিন জিনকিকে সুলতান মাসউদের ষড়যন্ত্রের বিষয়ে অবহিত করে হত্যাপ্রচেষ্টা হতে রক্ষা করেন। এ কারণেই সুলতান মাসউদ তাকে হত্যা করেন।
নাসিরুদ্দিন জাকার : মসুলে ইমাদুদ্দিন জিনকি কর্তৃক নিযুক্ত প্রশাসক।
সালাহুদ্দিন মুহাম্মাদ ইয়াগিসিয়ানি : ইমাদুদ্দিন জিনকির প্রধান সেনাপতি।
কাজি বাহাউদ্দিন শাহরাযুরি: ইমাদুদ্দিন জিনকির রাজ্যের প্রধান কাজি।
সিওয়ার বিন আবতেকিন: প্রথমে দামেশকের একজন সাধারণ সেনাপতি ছিলেন। সেখান থেকে পালিয়ে এলে ইমাদুদ্দিন জিনকি তাকে কাছে টেনে নেন এবং আলেপ্পোর প্রশাসক নিযুক্ত করেন। ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযানে তিনি অনন্যসাধারণ অবদান রেখেছেন।

ক্রুসেড শিবির
২য় আরবান (Pope Urban II): রোমান ক্যাথলিক পোপ। কয়েক শতাব্দী ব্যাপ্ত ক্রুসেড আগ্রাসনের স্বপ্নদ্রষ্টা ও প্রথম ক্রুসেড অভিযানের মূল সমন্বয়ক। প্রথম ক্রুসেডের শেষ সময়ে ৪৯২ হিজরি সনে (১০৯৯ খ্রিষ্টাব্দে) রোমে মারা যান।
২য় পাসকাল (Pope Paschal II): ২য় আরবানের পরবর্তী ক্যাথলিক পোপ। ইউরোপ থেকে দিক-নির্দেশনা প্রদান ও সামরিক সাহায্য প্রেরণের মাধ্যমে তিনি ইসলামি ভূখণ্ডে ক্রুসেড আগ্রাসন অব্যাহত রাখতে সহায়তা করেন। ৫১১ হিজরি সনে (১১৮ খ্রিষ্টাব্দে) ইহধام ত্যাগ করেন।
১ম অ্যালেক্সিয়াস কমনিনোস (Alexios I Komnenos) : বাইজান্টাইন সম্রাট। প্রথম ক্রুসেড আগ্রাসনের অন্যতম নেপথ্য নায়ক। ক্রুসেডারদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন। অবশ্য, তার মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামি প্রাচ্য ভূখণ্ডে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের স্বার্থ বাস্তবায়ন। মৃত্যু ৫১২ হিজরি সনে (১১৮ খ্রিষ্টাব্দে)।
২য় জন কমনিনোস (John II Komnenos): ১ম অ্যালেক্সিয়াস কমনিনোসের পুত্র। পিতার মৃত্যুর পর তিনি বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের হাল ধরেন এবং পিতার মতোই ইসলামি প্রাচ্যে সাম্রাজ্যের স্বার্থরক্ষায় কাজ করেন। অবশ্য ৫৩১ হিজরি ও ৫৩২ হিজরি সনে (১১৩৭ ও ১১৩৮ খ্রিষ্টাব্দে) তিনি দু-বার ইসলামি ভূখণ্ডে সশরীরে অভিযান পরিচালনা করলেও উল্লেখযোগ্য কোনো সফলতা অর্জন করতে ব্যর্থ হন। মৃত্যু ৫৩৮ হিজরি সনে (১১৪৩ খ্রিষ্টাব্দে)।
ধর্মযাজক পিটার (Peter the Hermit): প্রথম ক্রুসেড অভিযানের অন্যতম প্রচারক। সাধারণ জনগণ ও সন্ত্রাসী-অপরাধীদের নিয়ে তিনি একটি বাহিনী গঠন করে ক্রুসেড অভিযানে যোগ দেন।
ওয়ালটার (Walter the Penniless) : আরেক ধর্মযাজক ও ক্রুসেড অভিযানের প্রচারক। 'কাঙাল ওয়ালটার' নামে পরিচিত এই ধর্মযাজকও পিটারের ন্যায় সাধারণ জনগণের সমন্বয়ে একটি অনিয়মিত বাহিনী প্রস্তুত করে ক্রুসেড অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। অভিযানের শুরুতেই তিনি নিহত হন।
গডফ্রে ডি বোলোন (Godfrey de bouillon) : প্রথম ক্রুসেড অভিযানের অন্যতম সেনাপতি। ফরাসি নাগরিক গডফ্রে ১০৯৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত বাইতুল মুকাদ্দাস ক্রুসেড রাজ্যের প্রথম শাসক নির্বাচিত হন। মারা যান এর পরের বছরই ১১০০ খ্রিষ্টাব্দে (৫০৩ হিজরি সনে)।
১ম বল্ডউইন (Baldwin I) : গডফ্রের ভাই এবং প্রথম ক্রুসেডের আরেক গুরুত্বপূর্ণ সেনাপতি। ৪৯১ হিজরি সনে (১০৯৮ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ মাসে) তার হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রথম ক্রুসেড রাজ্য এডেসা। ১১০০ খ্রিষ্টাব্দে ভাই গডফ্রের মৃত্যুর পর তিনি এডেসা রাজ্যের দায়িত্ব ছেড়ে বাইতুল মুকাদ্দাস রাজ্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার হাত ধরে রাজ্যটি তার বিস্তৃতির সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছায়। ৫১১ হিজরি সনে (১১১৮ খ্রিষ্টাব্দে) মিশর অভিযান থেকে ফেরার পথে তিনি ইহধام ত্যাগ করেন। তিনি এডেসা শাসন করেন দু বছর আর বাইতুল মুকাদ্দাস শাসন করেন আঠারো বছর।
বল্ডউইন ডি বুর্গ (Baldwin of Bourg) বা ২য় বল্ডউইন : ১ম বল্ডউইনের চাচাতো ভাই এবং প্রথম ক্রুসেড অভিযানের সক্রিয় সেনাপতি। ১১০০ খ্রিষ্টাব্দে ১ম বল্ডউইন এডেসা ছেড়ে বাইতুল মুকাদ্দাস চলে যাওয়ার সময় তাকে এডেসা রাজ্যের দায়িত্ব দিয়ে যান। ১১০৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মুসলমানদের হাতে বন্দি হলেও ৫০২ হিজরি সনে (১১০৮ খ্রিষ্টাব্দে) মুক্তিলাভ করেন এবং এডেসা রাজ্যের অন্তর্বর্তীকালীন শাসক টেনক্রেডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এডেসায় নিজের কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। ১১১৮ খ্রিষ্টাব্দে ১ম বল্ডউইন মারা গেলে তিনি নির্বাচিত হন বাইতুল মুকাদ্দাস রাজ্যের তৃতীয় শাসক। দীর্ঘ সময় তিনি এন্টিয়ক রাজ্যের তত্ত্বাবধায়কও ছিলেন। মারা যান ৫২৫ হিজরি সনে (১১৩১ খ্রিষ্টাব্দে)। অর্থাৎ তিনি আঠারো বছর ছিলেন এডেসা রাজ্যের শাসক আর তেরো বছর বাইতুল মুকাদ্দাস রাজ্যের শাসক।
ফাল্ক অ্যাঞ্জো (Fulk the Younger) : ২য় বল্ডউইনের জামাতা এবং বাইতুল মুকাদ্দাস রাজ্যের চতুর্থ শাসক। তিনি ক্রুসেড অভিযানে শরিক ছিলেন না। ফ্রান্সের অ্যাঞ্জো অঞ্চলের কাউন্ট ফাল্ক ২য় বল্ডউইনের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারসূত্রে বাইতুল মুকাদ্দাস রাজ্যের শাসনভার এবং এন্টিয়ক রাজ্যের তত্ত্বাবধান-দায়িত্ব লাভ করেন। মারা যান ৫৩৮ হিজরি সনে (১১৪৩ খ্রিষ্টাব্দে)।
৩য় বল্ডউইন (Baldwin III) : ফাল্ক অ্যাঞ্জোর পুত্র। পিতার মৃত্যুর পর তিনি মাত্র তেরো বছর বয়সে বাইতুল মুকাদ্দাস রাজ্যের পঞ্চম শাসক নির্বাচিত হন।
জোসেলিন ডি কার্টেনি (Joscelin de Courtenay) : ২য় বল্ডউইনের ফুফাতো ভাই। প্রথমে ২য় বল্ডউইনের অধীনে এডেসা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত তিল-বাশির নগরীর প্রশাসক ছিলেন। ৫০৫ হিজরি সনে (১১২ খ্রিষ্টাব্দে) ২য় বল্ডউইন তাকে বরখাস্ত করলে তিনি বাইতুল মুকাদ্দাস রাজ্যের শাসক ১ম বল্ডউইনের কাছে চলে যান এবং তাবারিয়া ও জালিল অঞ্চলের প্রশাসনিক দায়িত্ব লাভ করেন। পরবর্তীকালে ভাইয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। ২য় বল্ডউইন ১১১৮ খ্রিষ্টাব্দে এডেসা ছেড়ে বাইতুল মুকাদ্দাস রাজ্যের দায়িত্ব গ্রহণ করার সময় তাকে এডেসা রাজ্যের শাসনভার প্রদান করে যান। এডেসা রাজ্যের তৃতীয় শাসক জোসেলিন তার ভাই ২য় বল্ডউইনের মতোই ৫২৫ হিজরি সনে (১১৩১ খ্রিষ্টাব্দে) মারা যান।
২য় জোসেলিন (Joscelin II of Edessa) : জোসেলিন ডি কার্টেনির পুত্র এবং এডেসা রাজ্যের চতুর্থ ও শেষ শাসক। পিতার মৃত্যুর পর এডেসা রাজ্যের শাসনভার গ্রহণ করেন। তার শাসনামলেই ৫৩৯ হিজরি সনে (১১৪৪ খ্রিষ্টাব্দে) ইমাদুদ্দিন জিনকি রহ. এডেসা রাজ্যের পতন ঘটান।
১ম বোহেমন্ড (Bohemond I) : বিখ্যাত নরম্যান সেনাপতি রবার্ট গোয়েসকার্ডের পুত্র। প্রথম ক্রুসেড অভিযানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেনাপতি বোহেমন্ড ১০৯৮ খ্রিষ্টাব্দের শেষ দিকে ক্রুসেড রাজ্য এন্টিয়কের প্রথম শাসক নির্বাচিত হন। ১১০০ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে দানিশমান্দ রাজ্যের শাসক গাজি বিন দানিশমান্দের হাতে বন্দি হলেও পরবর্তীকালে ১১০৩ খ্রিষ্টাব্দের মে মাসের শুরুতে (৪৯৬ হিজরি সনে) মুক্তিলাভ করেন। বিভিন্ন দিক থেকে চাপের শিকার হয়ে ১১০৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি এন্টিয়ক ছেড়ে ইউরোপে ফিরে যান এবং বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার প্রস্তুতি নেন। কিন্তু ৫০০ হিজরি সনে (১১০৭ খ্রিষ্টাব্দে) বাইজান্টাইনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তিনি শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন। কয়েক বছর পর ৫০৪ হিজরি সনে (১১১১ খ্রিষ্টাব্দে) তিনি সিসিলি দ্বীপে ইহধام ত্যাগ করেন।
টেনক্রেড (Tancred) : ১ম বোহেমন্ডের ভাগ্নে টেনক্রেড প্রথম ক্রুসেডের আরেক গুরুত্বপূর্ণ সেনাপতি। প্রথমে তিনি গডফ্রের শাসনাধীন বাইতুল মুকাদ্দাস রাজ্যের জালিল অঞ্চলের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। মামা বোহেমন্ডের বন্দিকালে (১১০১-১১০৩ খ্রিষ্টাব্দে) তিনি এন্টিয়ক রাজ্যের অন্তর্বর্তীকালীন শাসকের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১১০৪ খ্রিষ্টাব্দে এডেসার শাসক ২য় বল্ডউইন বন্দি হলে তিনি পালন করেন এডেসা রাজ্যের অন্তর্বর্তীকালীন শাসকের দায়িত্ব। ১১০৪ খ্রিষ্টাব্দেই মামা বোহেমন্ড ইউরোপে চলে গেলে তিনি এন্টিয়ক রাজ্যের পূর্ণ শাসনভার লাভ করেন। ৫০২ হিজরি সনে (১১০৮ খ্রিষ্টাব্দে) ২য় বল্ডউইন মুক্তিলাভের পর তিনি তার কাছে এডেসার শাসনভার ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে বল্ডউইন যুদ্ধের মাধ্যমে নিজের অধিকার বুঝে নেন। দীর্ঘদিন এন্টিয়ক শাসনকারী টেনক্রেড রাজ্যটিকে একটি মজবুত স্থায়ী অবস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হন। ৫০৬ হিজরি সনে (১১১২ খ্রিষ্টাব্দে) তিনি ইহধام ত্যাগ করেন।
রজার সালের্নো (Roger of Salerno) : ২য় বল্ডউইনের ভগ্নিপতি, টেনক্রেডের চাচাতো ভাই রিচার্ড সালের্নোর পুত্র এবং এন্টিয়ক রাজ্যের তৃতীয় শাসক। টেনক্রেডের মৃত্যুর পর এন্টিয়ক রাজ্যের শাসনভার গ্রহণ করেন। তিনি 'রজার অফ এন্টিয়ক' ও 'রজার অফ সিসিলি' নামেও পরিচিত। সাত বছর পর ৫১৩ হিজরি সনে (১১১৯ খ্রিষ্টাব্দে) বালাতের যুদ্ধে তিনি নিহত হন।
২য় বোহেমন্ড (Bohemond II) : ১ম বোহেমন্ডের পুত্র ও ২য় বল্ডউইনের জামাতা। প্রথম জীবনে ইতালিতে ছিলেন। পরিণত বয়সে উপনীত হওয়ার পর ৫২১ হিজরি সনে (১১২৭ খ্রিষ্টাব্দে) এন্টিয়কে এসে রাজ্যটির শাসনভার গ্রহণ করেন। রজারের মৃত্যুর পর থেকে ২য় বোহেমন্ডের আগমনের আগ পর্যন্ত (৫১৩-৫২১ হি./ ১১১৯-১১২৭ খ্রিষ্টাব্দ) বাইতুল মুকাদ্দাস রাজ্যের শাসক ২য় বল্ডউইনই এন্টিয়ক রাজ্যের দেখাশোনা করছিলেন। তিনি ১১৩০ খ্রিষ্টাব্দে আর্মেনীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিহত হন।
রেমন্ড অফ পয়টিয়ার্স (Raymond of Poitiers) : ফরাসি যুবরাজ। ১১৩৬ খ্রিষ্টাব্দে ২য় বোহেমন্ডের কন্যা কন্সটেন্সকে বিয়ে করে এন্টিয়কের শাসনভার গ্রহণ করেন। মাঝের ছয় বছর এন্টিয়ক কখনো বাইতুল মুকাদ্দাসের রাজার তত্ত্বাবধানে ছিল, কখনো ছিল কন্সটেন্সের মা এলিসের শাসনাধীন। ১১৪৯ খ্রিষ্টাব্দে সুলতান নুরুদ্দিন জিনকি রহ.-এর বিরুদ্ধে এক যুদ্ধে তিনি নিহত হন।
৪র্থ রেমন্ড (Raymond IV) : প্রথম ক্রুসেড অভিযানের অন্যতম বর্ষীয়ান সেনাপতি। ফ্রান্সের তুলুজ ও প্রভিন্স অঞ্চলের কাউন্ট প্রচণ্ড মুসলিমবিদ্বেষী রেমন্ড ক্রুসেডের পূর্বে আন্দালুসেও মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। প্রথম ক্রুসেড অভিযানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এবং পরবর্তী সময়েও নিজের জন্য একটি স্বতন্ত্র রাজ্য প্রতিষ্ঠায় তিনি হন্যে হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যান। স্বপ্নপূরণের একেবারে দোরগোড়ায় পৌঁছে ৪৯৮ হিজরি সনে (১১০৫ খ্রিষ্টাব্দে) তিনি ত্রিপোলি অবরোধ চলাকালে মৃত্যুমুখে পতিত হন।
উইলিয়াম জর্ডান (William Jordan) : ৪র্থ রেমন্ডের খালাতো ভাই ও তার প্রধান সহকারী। ভাইয়ের মৃত্যুর পর তিনি ত্রিপোলি অবরোধ অব্যাহত রাখেন। অবশ্য ৫০৩ হিজরি সনে (১১০৯ খ্রিষ্টাব্দে) যখন ত্রিপোলিতে ক্রুসেড রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন তার পরিবর্তে রেমন্ড-পুত্র বারট্রাম রাজ্যটির শাসনভার গ্রহণ করেন আর তিনি লাভ করেন রাজ্যটির অন্তর্গত ইরকা ও তারতুস নগরীর শাসনভার। অবশ্য কিছুদিন পরই তিনি রহস্যজনকভাবে নিহত হন।
বারট্রাম (Bertram) : ৪র্থ রেমন্ডের পুত্র এবং ক্রুসেড রাজ্য ত্রিপোলির প্রথম শাসক। প্রথম জীবনে ফ্রান্সেই ছিলেন। পিতার মৃত্যুর পর ইসলামি প্রাচ্যে আগমন করে ত্রিপোলি অবরোধে শরিক হন এবং নগরীটির পতন ঘটিয়ে সেখানে ক্রুসেড রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। মৃত্যুবরণ করেন ৫০৬ হিজরি সনে (১১১৩ খ্রিষ্টাব্দে)।
পন্স (Pons): বারট্রামের পুত্র ও ত্রিপোলি রাজ্যের দ্বিতীয় শাসক। পিতার মৃত্যুর পর ৫০৬ হিজরি সনে (১১১৩ খ্রিষ্টাব্দে) দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ৫৩১ হিজরি সনে (১১৩৭ খ্রিষ্টাব্দে) দামেশকের একটি বিচ্ছিন্ন বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিহত হন।
২য় রেমন্ড (Raymond II) : পন্সের পুত্র ও ত্রিপোলি রাজ্যের তৃতীয় শাসক। ১১৫২ খ্রিষ্টাব্দে শিয়া বাতিনি গোষ্ঠীর হাতে নিহত হন।
অ্যাডমার ডি মনটেইল (Adhemar de Monteil) : ফ্রান্সের লি-পিউ অঞ্চলের গির্জাধ্যক্ষ এবং প্রথম ক্রুসেড অভিযানে পোপ ২য় আরবান কর্তৃক প্রেরিত প্রতিনিধি। অভিযান চলাকালে এন্টিয়ক বিজয়ের কিছুদিন পর ১০৯৮ খ্রিষ্টাব্দের আগস্টে মারা যান।
আরনাল্ফ মালকোরন (Arnulf Malcorone) : বাইতুল মুকাদ্দাস রাজ্যের প্রথম গির্জাধ্যক্ষ। দায়িত্ব গ্রহণের কিছুদিন পরই বরখাস্ত হন। পরে অবশ্য নিজ দায়িত্ব ফিরে পান এবং বাইতুল মুকাদ্দাসের রাজা ১ম বল্ডউইনের সহায়তায় বিভিন্ন অন্যায়কর্ম সম্পাদন করেন। মারা যান ১১১৮ খ্রিষ্টাব্দে।
ডেমবার্ট : ইতালির পিসা অঞ্চলের গির্জাধ্যক্ষ। অ্যাডমারের মৃত্যুর পর পোপের প্রতিনিধি হিসেবে ইসলামি ভূখণ্ডে আগমন করেন। এর পূর্বে তিনি আন্দালুসেও মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। ১০৯৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি বাইতুল মুকাদ্দাসের রাজা গডফ্রের সহযোগিতায় আরনাদের পরিবর্তে রাজ্যটির গির্জাধ্যক্ষের দায়িত্ব লাভ করেন। কিন্তু পরবর্তীকালে রাজ্যটির নতুন শাসক ১ম বল্ডউইনের ষড়যন্ত্রে তিনি বরখাস্ত হন।
অ্যাবরামার (Abramar) : পোপের পক্ষ থেকে ডেমবার্টের বিষয়ে তদন্ত করতে এসে তিনি ডেমবার্টকে বরখাস্ত করেন এবং নিজেই বাইতুল মুকাদ্দাস রাজ্যের গির্জাধ্যক্ষে পরিণত হন।

📘 ক্রুসেড যুদ্ধের ইতিহাস > 📄 সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি

📄 সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি


১. আল-কুরআনুল কারিম
২. তাওরাত ও ইঞ্জিল (বাইবেল আদিপুস্তক ও নতুন নিয়ম)
৩. হাদিস বিষয়ক গ্রন্থাবলি • মুসনাদুত তায়ালিসি (مسند أبي داود الطيالسي), সুলায়মান বিন আবু দাউদ আল-ফারিসি আত-তায়ালিসি (মৃত্যু ২০৪ হি.)।
• আল-মুসান্নাফ ফিল আহাদিসি ওয়াল আসার (المصنف في الأحاديث والآثار), আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-কুফি ইবনে আবি শায়বা (মৃত্যু ২৩৫ হি.)।
• মুসনাদে আহমাদ (المسند), আহমাদ বিন হাম্বল আবু আবদুল্লাহ আশ-শায়বানি (মৃত্যু ২৪১ হি.)।
• সহিহ বুখারি (الجامع الصحيح المختصر), মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বুখারি (মৃত্যু ২৫৬ হি.)।
• আল-আদাবুল মুফরাদ (الأدب المفرد), মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বুখারি (মৃত্যু ২৫৬ হি.)।
• সহিহ মুসলিম (صحیح مسلم), মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ আবুল হাসান কুশায়রি (মৃত্যু ২৬১ হি.)।
• সুনানে ইবনে মাজা (سنن ابن ماجه), মুহাম্মাদ বিন ইয়াযিদ আবু আবদুল্লাহ ইবনে মাজা (মৃত্যু ২৭৩ হি.)।
• সুনানে আবু দাউদ (سنن أبي داود), সুলায়মান বিন আশআস আবু দাউদ সিজিস্তানি (মৃত্যু ২৭৫ হি.)।
• সুনানে তিরমিজি (الجامع الصحيح), মুহাম্মাদ বিন ঈসা আবু ঈসা তিরমিজি (মৃত্যু ২৭৯ হি.)।
• সুনানে দারিমি (سنن الداري), আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আবু মুহাম্মাদ দারিমি (মৃত্যু ২৮০ হি.)।
• আস-সুনানুল কুবরা (سنن النسائي الكبرى), আহমাদ বিন শুআইব আবু আবদুর রহমান নাসায়ি (মৃত্যু ৩০৩ হি.)।
• আল-মুজতাবা মিনাস সুনান (المجتبى من السنن), আহমাদ বিন শুআইব আবু আবদুর রহমান নাসায়ি (মৃত্যু ৩০৩ হি.)।
• মুসনাদে আবি ইয়ালা (مسند أبي يعلى), আহমাদ বিন আলি ইবনুল মুছান্না আবু ইয়ালা (মৃত্যু ৩০৭ হি.)।
• সহিহ ইবনে খুযায়মা (صحيح ابن خزيمة), মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আবু বকর ইবনে খুযায়মা (মৃত্যু ৩১১ হি.)।
• সহিহ ইবনে হিব্বান (صحيح ابن حبان), মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আবু হাতিম আত-তামিমি ইবনে হিব্বান (মৃত্যু ৩৫৪ হি.)।
• আল-মুজামুল কাবির (المعجم الكبير), সুলায়মান বিন আহমাদ আবুল কাসিম তাবারানি (মৃত্যু ৩৬০ হি.)।
• আল-মুজামুল আওসাত (المعجم الأوسط), সুলায়মান বিন আহমাদ আবুল কাসিম তাবারানি (মৃত্যু ৩৬০ হি.)।
• সুনানে দারাকুতনি (سنن الدارقطني), আলি বিন উমর আবুল হাসান বাগদাদি দারাকুতনি (মৃত্যু ৩৮৫ হি.)।
• আল-মুসতাদ্রাক আলাস সহিহাইন (المستدرك على الصحيحين), মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ আবু আবদুল্লাহ হাকিম (মৃত্যু ৪০৫ হি.)।
• হিলইয়াতুল আউলিয়া ওয়া তাবাকাতুল আসফিয়া (حلية الأولياء وطبقات الأصفياء), আহমাদ বিন আবদুল্লাহ আবু নুআইম আল-ইসফাহানি (মৃত্যু ৪৩০ হি.)।
• আস-সুনানুল কুবরা (السنن الكبرى), আবু বকর আহমাদ বিন হুসাইন বায়হাকি (মৃত্যু ৪৫৮ হি.)।
• শু'আবুল ঈমান (شعب الإيمان), আবু বকর আহমাদ বিন হুসাইন বায়হাকি (মৃত্যু ৪৫৮ হি.)।
• মাজমাউয যাওয়ায়িদ ওয়া মামবাউল ফাওয়াইদ (مجمع الزوائد ومنبع الفوائد), নুরুদ্দিন আলি বিন আবু বকর আল-হায়ছামি (মৃত্যু ৮০৭ হি.)।
৪. ইতিহাস ও জীবনী বিষয়ক গ্রন্থাবলি
• আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যা (السيرة النبوية), আবু মুহাম্মাদ আব্দুল মালিক ইবনে হিশাম (মৃত্যু ২১৮ হি.)।
• ফুতুহু মিসর ওয়া আখবারুহা (فتوح مصر وأخبارها), ইবনু আবদিল হাকাম (মৃত্যু ২৫৭ হি.)।
• তারীখুল হাম্লাতি ইলাল কুদস (تاريخ الحملة إلى القدس), ফুশিয়া আশ-শারতিরি (Fulcher of Chartres) (মৃত্যু ১১২৭ খ্রি.)। আরবি ভাষান্তর : যিয়াদ আল-আসালি। মূল গ্রন্থের নাম A history of the expedition to Jerusalem |
• যায়লু তারীখি দিমাশক (ذیل تاریخ دمشق), আবু ইয়ালা হামযা ইবনুল কালানিসি (মৃত্যু ৫৫৫ হি.)।
• তারীখুল উযায়মি (تاريخ العظيمي), মুহাম্মাদ বিন আলি তানুখি আল-হালাবি (মৃত্যু ৫৫৬ হি.)।
• তারীখু ইবনিল আযরাক_আল-ফারিকি (تاريخ ابن الأزرق الفارقي), আহমাদ বিন ইউসুফ আল-আযরাক আল-ফারিকি (মৃত্যু ৫৭১ হি.)।
• তারীখুল আ'মালিল মুনজিযাহ ফী-মা ওয়ারাআল বিহার (تاريخ الأعمال المنجزة فيما وراء البحار), উইলিয়াম সুরি (William of Tyre) (মৃত্যু ১১৮৬ খ্রি.)। আরবি ভাষান্তর: সুহাইল যাক্কার। ইংরেজি গ্রন্থের নাম A History of Deeds done beyond the see I
• আল-ইতিবার (الاعتبار), উসামা বিন মুনকিষ (মৃত্যু ৫৮৪ হি.)।
• আল-মুনতাযাম ফি তারীখিল মুলুকি ওয়াল উমাম (المنتظم في تاريخ الملوك والأمم), আবদুর রহমান বিন আলি আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযি (মৃত্যু ৫৯৭ হি.)।
• তারীখু দাওলাতি আলি সালজুক (تاريخ دولة آل سلجوق), ইমাদুদ্দিন ইসফাহানি (মৃত্যু ৫৯৭ হি.)।
• মুজামুল বুলদান (معجم البلدان), শিহাবুদ্দিন আবু আবদুল্লাহ ইয়াকুত আল-হামাবি (মৃত্যু ৬২৬ হি.)।
• আল-কামিল ফিত তারীখ (الكامل في التاريخ), আবুল হাসান ইযযুদ্দিন ইবনুল আছির (মৃত্যু ৬৩০ হি.)।
• আল-বাহির ফি তারীখিত দাওলাতিল আতাবিকিয়াহ বিল মাওসিল (الباهر في تاريخ الدولة الأتابكية بالموصل), আবুল হাসান ইযযুদ্দিন ইবনুল আছির (মৃত্যু ৬৩০ হি.)।
• তারীখু দাওলাতি আলি সালজুক (تاريخ دولة آل سلجوق), আল-ফাতহ বিন আলি বিন মুহাম্মাদ আল-বুনদারি (মৃত্যু ৬৪৩ হি.)।
• মিরআতুয যামান ফী তাওয়ারীখিল আ'য়ান (مرآة الزمان في تواریخ الأعيان), সিবতু ইবনিল জাওযি (মৃত্যু ৬৫৪ হি.)।
• যুবদাতুল হালাব ফি তারীখি হালাব (زبدة الحلب في تاريخ حلب), কামালুদ্দিন উমর বিন আহমাদ ইবনুল আদিম (মৃত্যু ৬৬০ হি.)।
• বুগইয়াতুত তলব ফি তারীখি হালাব (بغية الطلب في تاريخ حلب), কামালুদ্দিন উমর বিন আহমাদ ইবনুল আদিম (মৃত্যু ৬৬০ হি.)।
• আর-রাওযাতাইন ফি আখবারিদ দাওলাতাইন আন-নুরিয়া ওয়াস-সালাহিয়া (الروضتين في أخبار الدولتين النورية والصلاحية), শিহাবুদ্দিন আবুল কাসিম আবু শামা আল-মাকদিসি (মৃত্যু ৬৬৫ হি.)।
• ওয়াফাইয়াতুল আ'য়ান ওয়া আমবাউ আবনাইয যামান ( وفيـات أعــيـان وأنــبــاء أبــنـاء الـزمـان) ইবনে খাল্লিকান (মৃত্যু ৬৮১ হি.)।
• তারীখুয যামান (تاريخ الزمان), ইবনুল ইবরি (Gregory Bar-Hebraeus) (মৃত্যু ১২৮৬ খ্রি.)।
• তারীখু মুখতাসারিদ-দুওয়াল (تاريخ مختصر الدول), ইবনুল ইবরি (Gregory Bar-Hebraeus) (মৃত্যু ১২৮৬ খ্রি.)।
• আলবায়ানুল মুগরিব ফি আখবারিল আন্দালুসি ওয়াল মাগরিব (البيان المغرب في أخبار الأندلس والمغرب), ইবনে ইযারি (মৃত্যু ৬৯৫ হি.)।
• মুফাররিজুল কুরুব ফি আখবারি বনি আইয়ুব (مفرج الكروب في أخبار بني أيوب) জামালুদ্দিন মুহাম্মাদ বিন সালিম ইবনে ওয়াসিল (মৃত্যু ৬৯৭ হি.)।
• আল-মুখতাসার ফি আখবারিল বাশার (المختصر في أخبار البشر) ইমাদুদ্দিন ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ আবুল ফিদা (মৃত্যু ৭৩২ হি.)।
• নিহায়াতুল আরাব ফী ফুনুনিল আদাব ( نهاية الأرب في فنون الأدب), শিহাবুদ্দিন আহমাদ বিন আবদুল ওয়াহহাব নুওয়াইরি (মৃত্যু ৭৩৩ হি.)।
• সিয়ারু আ'লামিন নুবালা (سير أعلام النبلاء), শামসুদ্দিন মুহাম্মাদ যাহাবি (মৃত্যু ৭৪৮ হি.)।
• আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া (البداية والنهاية), আবুল ফিদা ইসমাইল বিন উমর ইবনে কাছির দিমাশকি (মৃত্যু ৭৭৪ হি.)।
• ইত্তিআ'জুল হুনাফা বি-আখবারিল আইম্মাতিল ফাতিমিয়ীনাল খুলাফা (اتعاظ الحنفا في أخبار الأئمة الفاطميين الخلفاء) বিন আলি আল-মাকরিজি (মৃত্যু ৮৪৫ হি.)।
• আল-ইবার ওয়া দিওয়ানুল মুবতাদায়ি ওয়াল খবার (العبر وديوان • আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদ ইবনে খালদুন ,المبتدأ والخبر) (মৃত্যু ৮০৮ হি.)।
• আল-ইসাবা ফি তাময়ীযিস সাহাবা )الإصابة في تمييز الصحابة(, ইবনে হাজার আসকালানি (মৃত্যু ৮৫২ হি.)।
• আন-নুজুমুয যাহেরা ফি মুলুকি মিসর ওয়াল কাহিরা (النجوم الزاهرة في ملوك مصر والقاهرة), জামালুদ্দিন ইউসুফ বিন তাগরি বারদি আবুল মাহাসিন (মৃত্যু ৮৭৪ হি.)।
• মুজামুল আনসাব ওয়াল উসুরাতিল হাকিমা ফিত-তারীখিল ইসলামী (معجم الأنساب والأسرات الحاكمة في التاريخ الإسلامي) (Eduard von Zambaur) (মৃত্যু ১৯৪৯ খ্রি.)। আরবি ভাষান্তর : যাকি মুহাম্মাদ হাসান।
• তারীখুল ইসলামিস সিয়াসি (تاريخ الإسلام السياسي), হাসান ইবরাহিম হাসান (মৃত্যু ১৯৬৮ খ্রি.)।
• কিসসাতুল হাযারাহ (قصة الحضارة), উইলিয়াম ডুরান্ট (মৃত্যু ১৯৮১ খ্রি.)। আরবি ভাষান্তর : মুহাম্মাদ বাদরান ও ড. আবদুল হামিদ ইউনুস। মূল গ্রন্থের নাম The Story of Civilization |
• দুখুলুত তুরকিল গায ইলাশ শাম (تاريخ الترك الغز إلى الشام), মুস্তফা শাকির (মৃত্যু ১৯৯৭ খ্রি.)।
• আল-ফারূক আল-কায়িদ (الفاروق القائد), মাহমুদ শিত খাত্তাব (মৃত্যু ১৪১৯ হি.)।
• তারীখুল হুরূবিস সালীবিয়্যাহ (تاريخ الحروب الصليبية), স্টিফেন রানচিমান (Steven Runciman), (মৃত্যু ২০০০ খ্রি.)। আরবি ভাষান্তর : আস-সাইয়িদ আল-বায উরায়নি। মূল গ্রন্থের নাম A Hist. of the Crusades |
• আত-তারীখুল ওয়াসিত কিসসাতুল হাযারা : আল-বিদায়া ওয়ান- নিহায়া ,التاريخ الوسيط : قصة الحضارة البداية والنهاية) নরমান ফ্র্যাঞ্জ। ক্যান্টোর (Norman Frank Cantor) (মৃত্যু ২০০৪ খ্রি.)। আরবি ভাষান্তর : কাসিম আবদুহু কাসিম। মূল গ্রন্থের নাম Medieval history: the life and death of a civilization |
• আল-হারাকাতুস সালিবিয়্যাহ সফহাতুন মুশাররাকাতুন ফি তারীখিল (الحركة الصليبية صفحة مشرقة من تاريخ الجهاد الإسلامي في العصور الوسطى) (হারকাতুস সালিবিয়্যাহ্‌ সফহাতুন মুশাররাকাতুন ফি তারীখিল)। সাইদ আশুর আবুল ফাত্তাহ (মৃত্যু ২০০৯ খ্রি.)।
• উরুব্বা ফিল উসুরিল উসতা (أوربا في العصور الوسطى), সাইদ আশুর আবুল ফাত্তাহ (মৃত্যু ২০০৯ খ্রি.)।
• মাদখালুন ইলা তারীখিল হুরূবিস-সালিবিয়্যাহ (مدخل إلى تاريخ الحروب الصليبية), সুহাইল যাক্কার (মৃত্যু ২০২০ হি.)।
• আখবারুদ দাওলাতিস সালজুকিয়া (أخبار الدولة السلجوقية), সদরুদ্দিন আবুল হাসান আলি ইবনুন নাসির।
• আল-আকরাদ তারীখু শা'ব ওয়া কাযিয়াতু ওয়াতান (الأكراد تاريخ شعب وقضية وطن), আহমাদ তাজুদ্দিন।
• কিয়ামু দাওলাতিল মুরাবিতীন (قيام دولة المرابطين), ড. হাসান আহমাদ মাহমুদ। মুহাযারাতুন ফি মাআলিমিত তারীখিল ইসলামিল ওয়াসিত (محاضرات في معالم التاريخ الإسلامي الوسيط), সাইদ মাহমুদ ইমরান।
• আল-হুরূবুস সালিবিয়্যাহ ওয়াল উসরাতুয যিনকিয়‍্যাহ (الحروب الصليبية والأسرة الزنكية), শাকির আহমাদ আবু যায়দ।
• তারীখু সালাজিকাতির রূম ফী আসিয়াস সুগরা (تاريخ سلاجقة الروم في آسيا الصغرى), মুহাম্মাদ সুহাইল তাকূশ।
• তারীখুস সালাজিকা ফি বিলাদিশ শাম (تاريخ السلاجقة في بلاد الشام), মুহাম্মাদ সুহাইল তাকূকুশ।
• তারীখুয-যিনকিয়্যীন ফিল-মাওসিলি ওয়া বিলাদিশ-শাম (تاريخ)।• মুহাম্মাদ সুহাইল তাকৃশ। (الزنكيين في الموصل وبلاد الشام )
• আত-তারীখুল-ইসলামিল ওয়াজিজ (التاريخ الإسلامي الوجيز), মুহাম্মাদ সুহাইল তাকৃশ।
• আল-ইমারাতুল উরতুকিয়্যাহ ফিল জাযিরাতি ওয়াশ শাম (الإمارات , )الأرتقية في الجزيرة والشام ইমাদুদ্দিন খলিল।
• ইমাদুদ্দিন জিনকি ( عماد الدين زنكي ), ইমাদুদ্দিন খলিল।
• আল-হুরূবুস সালিবিয়্যাতিল উলা নুসুসুন ওয়া ওয়াসাইকু তারিখিয়্যাতুন (الحروب الصليبية الأولى نصوص ووثائق تاريخية ), কাসিম আবদুহু কাসিম।
• আল-খালফিয়্যাতুল আইদিয়ুলুজিয়্যাহ লিল হুরূবিস সালিবিয়্যাহ (الخلفية الأيديولوجية للحروب الصليبية ), কাসিম আবদুহু কাসিম।
• মাহিয়াতুল হুরূবিস সালিবিয়্যাহ (ماهية الحروب الصليبية ), কাসিম আবদুহু কাসিম।
• আ'মালুল ফারানজা ওয়া হুজ্জাজি বাইতিল মাকদিস (أعمال الفرنجة , )وحجاج بيت المقدس লেখক অজ্ঞাত, আরবি ভাষান্তর : হাসান হাবাশি।
৫. অন্য ভাষার গ্রন্থাবলি
• Albert d'Aix p: Liber christianne Expedition pro Eroptione, Emundetione et Restione Sameta Hierosoluritanae Ecclesia. In: Recueil des Historiens des. Croisades (Paris 1841-1966) (E. H. C) occ vol IV
• Anna Comnena: The Alexiade. Trans. by Eliyabeth A. S Dawes. (London 1928).
• AOL: Archives de l'Orent Latin, 2 toms. (eds. P. Riant et H. Ha-genmeyer) (Paris 1884).
• Archer (T.) Kinigsford (C.): The Crudades, (London. 1894)
• Baludric of Dol: Historia Jerosolimitana, RHC., Oc., IV, (Paris 1879).
• Barraclough The Medival Papacy.
• Benjamin W. Wheeler : The Reconquest of Spain befor 1095.
• Besant (W.) & Palmer (E.H.): Jerusalem, The City of Herod and Saladin, (London 1899).
• Bishop, M., The Penguin Book of the Middle Ages, (London, 1971
• Boase, Kingdoms and Strongholds of the Crusaders, (London, 1971)
• Boissonade: Life and Work in Med Europe, London, 1937
• Bradford, The Sword and the Scimitar the Sage of theCrusades, (London, 1971).
• (Brehier (L.): Vie et Mort de Byzance, (Paris, 1947
• Brown, Edward Gran ville: Cambridge Medievel History, vols: IV, V.
• Cahen: La Syrie du Nord a I' Epoque des Croisades. (Paris, 1940).
• Cambridge History of Byzantine Empire.
• Chalandon, Ferdinande: Essai Sur la Regan d'Alexis Comnene, Paris, 1913.
• Chronique de Michel le Syriens: editee et traduite en Francais Par J.B. Chabot, T.III, Farscicule II, Paris 1908.
• Commeroratorium of the Churches of Jerusalem, in: Palestine Pilgrims
• Delaville Le Roulx (G): Les Hospitallers.en Terre Saint et en Chypre, (Paris, 1904).
• Duncalf,, F: The First Crusade, Clermont to Contantiople, in Setton (ed.,), History of the crusades, Vol. I, pp. 253-279. (Philadelphia 1953).
• Ekkhrad of Aura: Hierosolymitana, RHC., Oc.V, (Paris 1886).
• Elisseff, N: Nur AD- Din, Un Grand Prince MUsulman de Syrie Au temps Croisdes, Damas 1967.
• Ephraim Emerton, The correspondence of Pope Gregory VII. Selected letters from the Registum, (New York, 1932).
• Fulcher of Chartres: A history of the expedition to Jerusalem, (ed. H. Fink) (Knox ville 1969).
• Gesta Fancorum et aliorum Hierolymintonrum (ed. And transl. by Rosalibd M. Hill, London, 1962)
• Grousset, R: Histoire des Croisades etdu Royaume France de Jerusalem, (Paris, 1935)
• Guibert of Nogent: Historia quae Diciture Gesta Dei Per Francos, RHC, Oc. IV, (Paris, 1866)
• Hagenmeyer (H.): Chronologie du Royaume de Jerusalem, Paris, 1901.
• Hagenmeyer (H.): Chronologi de la Premiere Croisade, Paris, 1902.
• Hans E. Mayer: The Crusades, (transl. from German by: John Gilling-ham) (Oxford 1972)
• (Heyd (W.): Hist. du Commerce du Levant, 2 vola, (Leipzig, 1936
• Histoire de la Premiere Croisade, 3 tons (Paris, 1925)
• Hoyt and Chodorow: Europ in the Middle Ages.
• Iorga: Hist. des Croisades, (Paris, 1924)
• Ivanow: An Islamic Ode in Praise of Fidawis.
• John Wilkinson(ed.), Jerusalem Pilgrims before the Crusades, (England, 1977)
• King (E.J): the Kinghts Hospitallers In the Holy land, (London, 1931).
• Iorga: L'Armenie Cilicienne.
• Marc Bloch: feudal Socity,(ChIcgo, 1961).
• Chronique,in R. H. C. Arm Doc vol, I.: Matthieu d'Edesse
• Maurice Keen, The Pelican History of the Middle Agws, (Penguin, 1971).
• Mayer, The Crusades, (transl. by Gillingham, Oxford, 1972).
• Michaud: Hist. des Croisades (5 Vols) (Paris, 1817-1822).
• Michel Le Syrien Chronique. Edited J. B. Chabort. (Bruxelles 1899-1910).
• Morco Polo: Travels, (London, 1903).
• Munro (D.C.): The Speech of Pope Urban II at Clemont, A.H.R., Vol II, 1905.
• Nerses, Shnorhali: Sur la Prise d'Edesse, in: R. H. C. Doc Armenienne vol I.
• Oman (C. W): A Hist. of the Art of War in the Middile Ages (2 Vols) (London 1925)
• Ostrogorsky (G.): Hist, of the Byzantine State. (Oxford, 1956).
• (Painter S., A history of the middle ages (Enland1955
• Pianter: westem Europ on the eve of the Crussades, in Setton (ed), A History of the Crussades, (The University of Wisconsin Press, 1969).
• Raoul de combria, transl, J. Crossland (London, 1926).
• Raymond of Agiles: Historia Francorum quiceperunt Jerusalem, RGC, Oc III. (Paris 1866).
• Robert S. Hoyt and Stanley Chodorow. Europe in the middle Ages, (3rd ed., U.S.A. 1976).
• Robert the Monk : Historia Hieroso Lymitana. In R. H. C. occ. (3 vols
• Runciman (S): A Hist. of the Crusades (3 vols), (Cambridge. 1957
• Schlumberger: Un Empereur Byzantin au Dixieme Sieclm, Nice-phore phocas, Paris, 1890.
• Schomberger (G): Racit de Byzance et des Croisades. (2 vols). (Paris, 1917-22)
• Setton (K. M.): A history of Crusades, (5 vols). (Penslvania, 1958-1985)
• Stevenson: The Crusaders in the East. (Cambridge, 1907).
• The Cambridge Medieval. History (Camb, Univ, Uress 1966)
• Thompson Economic and Social Hist. of the Middle Ages. (2 vols-london, 1959)
• Tranlatio Sancti Nicolai Veoetian (Hist Occid, Tome V).
• Vasiliev: A History of the Byzantine Empire. (Madison 1928-1973
• William of Tyre, A History of Deeds done beyond the see, (transl. by: E. A. Babcock and A.C. Krey) (New York 1943-1947).

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00