📄 পরবর্তী নয় শতাব্দীর ইসলাম-খ্রিস্টবাদ সংঘাত-চিত্র (হিজরি ষষ্ঠ-চতুর্দশ শতাব্দী)
হিজরি পঞ্চম শতাব্দীর শেষের (খ্রিষ্টীয় একাদশ শতাব্দীর শেষের) পরিস্থিতির সাধারণ মূল্যায়নরূপে আমরা বলতে পারি যে, তৎকালীন ইসলামি প্রাচ্য সেলজুক রাজপরিবার নিয়ন্ত্রিত আব্বাসি সাম্রাজ্য ও শিয়া উবায়দি সাম্রাজ্য এই দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল। উবায়দিদের মূলকেন্দ্র ছিল কায়রো। হিজরি পঞ্চম শতাব্দীর শেষ সময়ে ইসলামি প্রাচ্যে বিভেদ ও দুর্বলতা সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত ছিল। বিপরীতে একই সময়ে ইসলামি বিশ্বের অপর অংশে ইসলামি প্রতীচ্যে আন্দালুসে অনন্যসাধারণ মুসলিম সেনাপতি ও রাষ্ট্রনায়ক ইউসুফ বিন তাশফিন রহ.-এর নেতৃত্বে নবীন মুরাবিতি রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মুসলমানদের সুস্পষ্ট প্রভাব প্রতিভাত হচ্ছিল।
এ কারণেই হিজরি পঞ্চম শতাব্দীর শেষ দিকে যখন পশ্চিম ইউরোপে ক্রুসেড আন্দোলন আত্মপ্রকাশ করে, তখন ক্রুসেডাররা মুরাবিতি নেতৃত্বাধীন শক্তিশালী ভূখণ্ড আন্দালুসের দিকে অগ্রসর হওয়ার পরিবর্তে তৎকালীন ইসলামি বিশ্বের দুর্বলতম অংশ ইসলামি প্রাচ্যে আক্রমণের পরিকল্পনা করে। পশ্চিম ইউরোপের ইতিহাসে এটি ছিল প্রথমবারের মতো ইসলামি প্রাচ্য অভিমুখী অভিযান পরিকল্পনা। ইনশাআল্লাহ, সামনে যথাস্থানে আমরা এ বিষয়টিও বিশ্লেষণ করব যে, পশ্চিম ইউরোপ কেন নির্দিষ্ট করে এ সময়কালকেই ক্রুসেড অভিযানের জন্য বেছে নিয়েছিল। যাই হোক, এভাবে হিজরি পঞ্চম শতাব্দীর শেষ দিকে ক্রুসেড যুদ্ধ শুরু হয় এবং হিজরি সপ্তম শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত (খ্রিষ্টীয় একাদশ শতাব্দীর শেষ অংশ থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত) দুইশ বছরেরও অধিক সময় ধরে অব্যাহত থাকে।
ইসলামি বিশ্বের বিবেচনায় বললে আব্বাসি খিলাফত, সেলজুক সাম্রাজ্য, এরপর একে একে জিনকি সাম্রাজ্য, আইয়ুবি সাম্রাজ্য ও মামলুক সাম্রাজ্যের সময়কাল পর্যন্ত হিংস্র ও বর্বর ক্রুসেড আগ্রাসন অব্যাহত ছিল। সামনে আমরা এ বিষয়টিও আলোচনা করব যে, হিজরি সপ্তম শতাব্দীর শেষাংশে পশ্চিমা ক্রুসেডারদের বিতাড়ন এবং মুসলমানদের ইসলামি ভূমি পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে ক্রুসেড আগ্রাসনের সমাপ্তি ঘটে।
অপরদিকে ইসলামি প্রতীচ্যে ৫৯১ হিজরি সনে (১১৯৪ খ্রিষ্টাব্দে) ক্রুসেড শিবির যদিও মুরাবিতি সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী মুওয়াহহিদি সাম্রাজ্যের কাছে আন্দালুসের আরিক প্রান্তরে সংঘটিত যুদ্ধে পরাজিত হয়; কিন্তু হিজরি সপ্তম শতাব্দীর প্রথমাংশ ছিল আন্দালুসে ক্রুসেডারদের দৃশ্যমান অগ্রগতির কাল। ৬০৯ হিজরি সনে (১২১২ খ্রিষ্টাব্দে) ইকাব প্রান্তরের যুদ্ধে ক্রুসেডার বাহিনী মুওয়াহহিদি বাহিনীকে পরাজিত করে। এরপর একে একে কর্ডোভা ও সেভিলের মতো বৃহৎ ইসলামি দুর্গগুলোর পতন ঘটে। (৪৭) হিজরি সপ্তম শতকের শেষাংশে পরিস্থিতি এই দাঁড়ায় যে, প্রতীচ্যে ইসলামের অস্তিত্ব দক্ষিণ আন্দালুসের ক্ষুদ্র গ্রানাডা রাষ্ট্রে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। গ্রানাডা অবশ্য এরপরও প্রায় আড়াই শতাব্দী ইসলামি পরিচয় ধারণ করে বিশ্ব মানচিত্রে টিকে ছিল। (৪৮)
প্যারিস বালাতুশ শুহাদা ফ্রান্স
বিস্কে উপসাগর গিজন পাম্পলোনা পরে নারবোন কোভাডঙ্গা পিরেনিজ জারাগোজা লিওন বতমালা মাদ্রিদ বার্সেলোনা টালাভেরা কোয়েমত্রা د লিসবন সারিক আলেন্দিয়াত ইসরা কর্ডোভা ইকাব টলেডো তারাগোনা যাল্লাকা দানিয়া মুরসিয়া ভূমধ্যসাগর বাররাত উপত্যকা গ্রানাডা আলজেসিরাস জাবালে তারিক তাজিয়ার সিউটা
মানচিত্র নং-৪ আন্দালুস ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধসমূহের ক্ষেত্র
হিজরি সপ্তম শতকের শেষাংশেই আত্মপ্রকাশ ঘটে উসমানি সাম্রাজ্যের। পশ্চিমা ক্রুসেডারদের প্রস্থানের পর দৃশ্যপটে বিদ্যমান খ্রিষ্টান শক্তি বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের ঝান্ডা উসমানি সাম্রাজ্যই বহন করেছিল।
হিজরি অষ্টম শতাব্দীতে (খ্রিষ্টীয় চতুর্দশ শতাব্দীতে) এশিয়া মাইনরের অঞ্চলগুলোতে উসমানিদের বিজয়াভিযান অব্যাহত ছিল। অপরদিকে আন্দালুস (সুনির্দিষ্ট করে বললে গ্রানাডা) পরিস্থিতি ছিল তুলনামূলক স্থিতিশীল।
হিজরি নবম শতাব্দী (খ্রিষ্টীয় পঞ্চদশ শতাব্দী) ছিল বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে উসমানিদের অব্যাহত যুদ্ধের শতক। এ যুগের যুদ্ধাভিযানের আছে এক সুমহান বিজয়ের গৌরব মুকুট। ৮৫৭ হিজরি সনে (১৪৫৩ খ্রিষ্টাব্দে) উসমানি সুলতান মুহাম্মাদ আল-ফাতিহের হাতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল বিজিত হয় এবং এর মাধ্যমে মুসলমানদের সামনে পূর্ব ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ার পথ উন্মুক্ত হয়। (৪৯)
হিলাল-ছালিব সংঘাতের পূর্ব-ফ্রন্টের এই সুমহান বিজয় যদিও সমকালীন মুসলিম বিশ্বকে আনন্দে উদ্বেলিত করেছিল; কিন্তু এই নবম হিজরি শতকেই (খ্রিষ্টীয় পঞ্চদশ শতাব্দীতে) ঘটে অত্যন্ত বেদনাদায়ক এক ঘটনা। ৮৯৭ হিজরি সনে (১৪৯১ খ্রিষ্টাব্দে) পতন ঘটে পশ্চিম ফ্রন্ট তথা আন্দালুসে মুসলমানদের সর্বশেষ দুর্গ গ্রানাডার। এর ফলে আটশ বছরেরও অধিক সময় পর আন্দালুস থেকে মুসলমানরা পুরোপুরি বিতাড়িত হয়ে পড়ে। (৫০)
উসমানি সাম্রাজ্য যদিও আন্দালুসের মুসলমানদের উদ্ধারে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল; কিন্তু তাদের সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। এর অন্যতম কারণ ছিল একদিকে পূর্ব ইউরোপের বিরুদ্ধে অপরদিকে ইরানের শিয়া সাফাবিদের (৫১) বিরুদ্ধে উসমানিদের লাগাতার যুদ্ধ-ব্যস্ততা। (৫২)
হিজরি দশম শতাব্দী (খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতাব্দী) ছিল পুরোপুরিই উসমানিদের। এ শতাব্দীতে উসমানিদের বিজয়াভিযান ইউরোপের প্রায় মধ্যভাগে পৌঁছে যায়। ১ম সেলিম ও সুলায়মান আল-কানুনির শাসনামলে উসমানি বাহিনী বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের অধিকাংশ অঞ্চলকে ইসলামি সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হয়। গ্রিস, আলবেনিয়া, যুগোশ্লাভিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া প্রভৃতি অঞ্চল ইসলামি সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। মুসলিম অভিযাত্রীরা পৌঁছে যায় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়। ভিয়েনার শাসক এ সময় উসমানি সাম্রাজ্যকে জিজিয়া প্রদানে সম্মত হন।
এই শতকেই স্পেন ও পর্তুগাল উত্তর আফ্রিকার রাষ্ট্রসমূহ জবরদখলের চেষ্টা চালায়। কিন্তু তাদের অধিকাংশ প্রচেষ্টাই সফল হয়নি। স্পেন অবশ্য ৯৮৭ হিজরি সনে (১৫৮০ খ্রিষ্টাব্দে) মাগরিবের কাছ থেকে সিউটা ও ম্যালিলা দ্বীপ কেড়ে নিতে সক্ষম হয়। দ্বীপদুটি বর্তমানেও স্পেনের দখলে আছে। হিজরি একাদশ শতকে (খ্রিষ্টীয় সপ্তদশ শতাব্দীতে) ইউরোপে উসমানি সাম্রাজ্যের প্রতিপত্তি দুর্বল হতে শুরু করে। এ সময় বিভিন্ন যুদ্ধে ইউরোপের কিছু দেশ উসমানি সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে জয়লাভ করতে সক্ষম হয়।
পশ্চিম প্রান্তে এ সময় স্প্যানিশ ও পর্তুগিজদের অগ্রগতি দৃশ্যমান হতে থাকে। অবশ্য ওলন্দাজদের সাফল্য ছিল তাদের চেয়েও অধিক।
এর পরবর্তী তিন শতক অর্থাৎ হিজরি দ্বাদশ, ত্রয়োদশ ও চতুর্দশ শতক (খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ, উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দী) ছিল সম্পূর্ণ ক্রুসেডারদের। একদিকে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স এবং অপরদিকে রাশিয়ার উপর্যুপরি আঘাতে উসমানি খিলাফত এ সময় ক্রময়ে দুর্বল হতে থাকে। ইংরেজ, ফরাসি, রুশ, চীনা ও ভারতীয় আগ্রাসনে ইসলামি বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্রের পতন ঘটে। পাশাপাশি ইংল্যান্ডের সহায়তায় ইহুদিরা ফিলিস্তিনে গড়ে তোলে নিজেদের স্বতন্ত্র আবাসভূমি।
মানচিত্র নং-৫ আধুনিক ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদ
এরপর হিজরি চতুর্দশ শতাব্দীর মধ্যভাগে (খ্রিষ্টীয় বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে) ইসলামি বিশ্বে ব্যাপক পরিসরে স্বাধীনতার ঢেউ শুরু হয়। প্রথমে ১৩১০ হিজরি সনে (১৮৯১ খ্রিষ্টাব্দে) লেবাননে, এরপর ১৩৩২ হিজরি সনে (১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে) সিরিয়ায়, ১৩৭০ হিজরি সনে (১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে) লিবিয়ায় এবং ১৩৭১ হিজরি সনে (১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে) মিশরে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এভাবে কেবল ফিলিস্তিন এবং মাগরিবের অধীন রাষ্ট্রগুলো হয়।
সিউটা ও ম্যালিলা বাদে বাকি সব মুসলিম অঞ্চল একের পর এক স্বাধীনতা লাভ করে। অবশ্য খ্রিষ্টান বিশ্বের বাইরে সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন ও ভারতের হাতে যেসব মুসলিম অঞ্চল অধিকৃত ছিল, সেগুলো এ হিসাবের অন্তর্ভুক্ত নয়।
তারপর ইসলামি বিশ্বের ওপর নেমে আসে সর্বশেষ ক্রুসেড আগ্রাসন। সার্বরা ১৪১২ হিজরি সনে (১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে) বসনিয়ায় আক্রমণ করে। ১৪১৫ হিজরি সনে (১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দে) বসনিয়া স্বাধীনতা লাভ করে। ১৪২১ হিজরি সনে (২০০১ খ্রিষ্টাব্দে) আমেরিকা আফগানিস্তানে আগ্রাসন চালায় এবং ১৪২২ হিজরি সনে (২০০৩ খ্রিষ্টাব্দে) আগ্রাসন চালায় ইরাকে।
মানচিত্র নং-৬ আধুনিক কালে পশ্চিমাদের সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন
উপরের সংক্ষিপ্ত বিবরণে আমরা দেখতে পাচ্ছি, নবীজির আবির্ভাবকাল তথা ইসলামের সেই প্রাথমিক কাল হতে শুরু করে আমাদের বর্তমান কাল পর্যন্ত কখনোই ইসলাম-খ্রিষ্টবাদের সংঘাত বন্ধ থাকেনি। শতাব্দী তো দূরের কথা, এমন কোনো দশকও খুঁজে পাওয়া যাবে না, যাতে কোনো যুদ্ধ-সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি। আর এতে বিস্ময়েরও কিছু নেই। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন—
وَ لَنْ تَرْضَى عَنْكَ الْيَهُوْدُ وَ لَا النَّصْرٰى حَتّٰى تَتَّبِعَ مِلَّتَهُمْ ইহুদি ও নাসারা আপনার প্রতি কিছুতেই খুশি হবে না, যতক্ষণ না আপনি তাদের ধর্মের অনুসরণ করবেন। [সুরা বাকারা: ১২০]
আল্লাহ তাআলা আরও ইরশাদ করেছেন-
وَ لَا يَزَالُوْنَ يُقَاتِلُوْنَكُمْ حَتّٰى يَرُدُّوْكُمْ عَنْ دِيْنِكُمْ اِنِ اسْتَطَاعُوْا
তারা ক্রমাগত তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে সম্ভব হলে তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন থেকে সরিয়ে দিতে পারে। [সুরা বাকারা: ২১৭]
ক্রুসেড যুদ্ধের এই ঘটনাপ্রবাহ পর্যালোচনা করে আমরা এ বিষয়টিও উপলব্ধি করতে সক্ষম হব যে, আমাদের বক্ষ্যমাণ গ্রন্থের আলোচ্য বিষয় ক্রুসেড যুদ্ধের ইতিহাস কোনো বিরল বা আকস্মিক সংঘটিত ঘটনাপ্রবাহের ইতিহাস নয়। প্রকৃতপক্ষে এমন কোনো সময়কাল পাওয়াই বিরল ও আশ্চর্যের বিষয় হবে, যাতে কোনো যুদ্ধ ও সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি। যদিও আমরা যুদ্ধ-সংঘাত, সংঘর্ষ ও হানাহানির প্রতি অভিলাষী নই; কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, যুদ্ধ-বিগ্রহ এ পৃথিবীর চিরন্তন নীতি। আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন-
وَ لَوْ لَا دَفْعُ اللّٰهِ النَّاسَ بَعْضَهُمْ بِبَعْضٍ لَّفَسَدَتِ الْاَرْضُ وَ لٰكِنَّ اللّٰهَ ذُوْ فَضْلٍ عَلَى الْعٰلَمِيْنَ
আল্লাহ যদি মানুষকে তাদের কতকের মাধ্যমে কতককে প্রতিহত না করতেন, তাহলে পৃথিবীতে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়ত। কিন্তু আল্লাহ জগৎসমূহের প্রতি অতি অনুগ্রহশীল। [সুরা বাকারা: ২৫১]
টিকাঃ
৪০. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ৩৪ ও ৯৪ এবং হাসান আহমাদ মাহমুদ, কিয়ামু দাউলাতিল মুরাবিতীন, পৃষ্ঠা: ২৭৬।
৪৭. মাক্কারি, নাফহুত তীব মিন গুছনিল আন্দালুসির রাতীব, ৪/৩৮৩ ও Cam. Med Vol. 6, p. 410.
৪৮. মুহাম্মাদ সুহাইল তাকৃশ, আত-তারীখুল ইসলামিল ওয়াজীয, পৃষ্ঠা: ২৬৪ ও ষ্ট্যানলি লেন-পোল, কিসসাতুল আরব ফী ইসবানিয়া, পৃষ্ঠা: ১৮৪-৮৫।
৪৯. আবদুল আজিজ আল-উমারি, আল-ফুতুহুল ইসলামিয়া ইবারাল উচুর, পৃষ্ঠা: ৩৮০।
৫০. মাক্কারি, নাফহুত তীব, ৪/৩৮৩।
১. শিয়া সাফাবি সাম্রাজ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুন: মাকতাবাতুল হাসান থেকে প্রকাশিত ইসলামি ইতিহাস সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ, ৪র্থ খণ্ড। [অনুবাদক]
৫২. নাবীল আবদুল হাই, জুহূদুল উসমানিয়্যীন লি-ইনকাযিল আন্দালুস, পৃষ্ঠা: ১২৫।