📘 ছোটদের ইসলামী শিক্ষা > 📄 ৫ম পাঠ– নাবী ও রাসূল

📄 ৫ম পাঠ– নাবী ও রাসূল


আল্লাহ তা'আলা মানব জাতিকে সঠিক পথ প্রদর্শনের জন্য যুগে যুগে যে সকল প্রিয় বান্দাকে নির্বাচন করে প্রেরণ করেছেন, তারাই হলেন নাবী ও রাসূল।

তাঁরা মানুষকে আল্লাহর তাওহীদ বা একত্ববাদের প্রতি আহ্বান করেন এবং আল্লাহর সাথে শরীক করা হতে বিরত থাকতে বলেন।
সর্বপ্রথম নাবী আদম (আলায়হিস্ সালাম)।
সর্বপ্রথম রাসূল নূহ (আলায়হিস্ সালাম)।
সর্বশেষ নাবী ও রাসূল আমাদের প্রিয় নাবী মুহাম্মাদ (ﷺ)।
তাঁর পরে আর কোন নাবী বা রাসূলের আগমন হবে না, আমরা সকল নাবী ও রাসূলকে বিশ্বাস করব এবং তাঁদের ওপর দরূদ পেশ করব। আর শেষ নাবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর অনুসরণ করে আল্লাহর দীন মেনে চলব।

টিকাঃ
শিক্ষক ছাত্রদেরকে নাবী ও রাসূলদের প্রতি আকৃষ্ট করে তুলবেন- এই মর্মে কুরআন ও সুন্নাহর বিশুদ্ধ ঘটনাবলী শিক্ষা দিবেন এবং তাঁদের অনুসরণের প্রতি আগ্রহী করে তুলবেন।

📘 ছোটদের ইসলামী শিক্ষা > 📄 ৬ষ্ঠ পাঠ– প্রিয় নাবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)

📄 ৬ষ্ঠ পাঠ– প্রিয় নাবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)


মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।
মুহাম্মাদ (ﷺ) শেষ নাবী ও রাসূল।
মুহাম্মাদ (ﷺ) আমাদের নাবী।
মুহাম্মাদ (ﷺ) আমাদের ইমাম।

আমরা ছড়ায় বলি :
আমাদের প্রিয়নাবী মুহাম্মাদ
আরেক নাম তাঁর আহমাদ
সর্বশেষ নাবী মুহাম্মাদ
বিশ্ব নাবী মুহাম্মাদ
আমরা সবাই তাঁর উম্মাত

মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর পিতার নাম আবদুল্লাহ ও মাতার নাম আমিনা। তিনি আদম সন্তান, আমাদের মত একজন মানুষ, তিনি নূরের সৃষ্টি নন। আল্লাহ তা'আলা তাকে নবুওয়াত ও রিসালাত দান করে সবার উপর মর্যাদাশীল করেছেন। তিনি সর্বশেষ নাবী, তাঁর পরে আর কোন নাবী আসবে না।

📘 ছোটদের ইসলামী শিক্ষা > 📄 ৭ম পাঠ– ফেরেশতা

📄 ৭ম পাঠ– ফেরেশতা


ফেরেশতার পরিচয় : ফেরেশতারা হলেন আল্লাহর দাস, আল্লাহ তাদেরকে তাঁর গুণগান ও আদেশ পালনের জন্য সৃষ্টি করেছেন। ফেরেশতাগণ নূরের তৈরি।
তাঁরা সর্বদা আল্লাহর আদেশ পালন করেন। তাঁরা সংখ্যায় অগণিত।
তাঁদের সংখ্যা আল্লাহ তা'আলাই ভালো জানেন। অন্য কেউ জানে না।

চারজন প্রসিদ্ধ ফেরেশতা :
(১) জিবরাঈল (আলায়হিস্ সালাম)।
(২) মীকাঈল (আলায়হিস্ সালাম)।
(৩) ইসরাফীল (আলায়হিস্ সালাম)।
(৪) Malaakul Maot (আলায়হিস্ সালাম)।

📘 ছোটদের ইসলামী শিক্ষা > 📄 ৮ম পাঠ– আখিরাত

📄 ৮ম পাঠ– আখিরাত


আখিরাত : মৃত্যুর পর যে দিবসে মানুষের হিসাব-নিকাশ নেয়া হবে এবং তাদের কর্মের প্রতিদান দেয়া হবে তাকে আখিরাত বা শেষ বিচার দিবস বলা হয়।
আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা ঈমানের একটি অন্যতম রুকন।
আখিরাত দিবসে মানুষের কর্মসমূহ পাল্লায় ওজন করা হবে।

যার নেকীর পাল্লা ভারী হবে সে পাবে সুখের স্থান জান্নাত, আর যার গুনাহের পাল্লা ভারী হবে সে পাবে শাস্তির স্থান জাহান্নাম।

আমরা ছড়ায় বলি-
যদি পেতে চাও আখিরাতের উত্তম স্থান
মেনে চল শুধু সহীহ হাদীস ও মহাগ্রন্থ আল্ কুরআন।

টিকাঃ
*শিক্ষক ছাত্রদেরকে আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের উপকারিতা সম্পর্কে বুঝাবেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00