📄 ২য় পাঠ– আরকানুল ঈমান
ঈমানের রুকন বা ভিত্তিসমূহ : রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: الْإِيْمَانُ أَنْ تُؤْمِنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَتُؤْمِنَ بِالْقَدْرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ
অর্থ : ঈমান হল- আল্লাহ এবং তাঁর ফেরেশতাদের, তাঁর কিতাবসমূহের, রাসূলগণের ও আখিরাত বা শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা, আরো বিশ্বাস স্থাপন করা ভাগ্যের ভাল ও মন্দের প্রতি। (সহীহ মুসলিম, হাঃ ১)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাদীস হতে প্রমাণিত যে, ঈমানের রুকন ছয়টি :
(১) الْإِيْمَانُ بِاللَّهِ - আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা ।
(২) الْإِيْمَانُ بِالْمَلَائِكَةِ - ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা ।
(৩) الْإِيْمَانُ بِالْكُتُبِ - আসমানী কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা ।
(৪) الْإِيْمَانُ بِالرُّسُلِ - নাবী-রাসূলগণের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা।
(৫) الْإِيْمَانُ بِالْيَوْমِ الْآخِرِ - আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা ।
(৬) اَلْإِيْمَانُ بِالْقَدْرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ - তাকদীর বা ভাগ্যের ভাল-মন্দের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা।
টিকাঃ
শিক্ষক ছাত্রদের আরবী বাক্যগুলো সহজভাবে পড়াবেন ও বুঝাবেন।
ঈমানের রুকন বা ভিত্তিসমূহ : রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: الْإِيْمَانُ أَنْ تُؤْمِنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَتُؤْمِنَ بِالْقَدْرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ
অর্থ : ঈমান হল- আল্লাহ এবং তাঁর ফেরেশতাদের, তাঁর কিতাবসমূহের, রাসূলগণের ও আখিরাত বা শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা, আরো বিশ্বাস স্থাপন করা ভাগ্যের ভাল ও মন্দের প্রতি। (সহীহ মুসলিম, হাঃ ১)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাদীস হতে প্রমাণিত যে, ঈমানের রুকন ছয়টি :
(১) الْإِيْمَانُ بِاللَّهِ - আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা ।
(২) الْإِيْمَانُ بِالْمَلَائِكَةِ - ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা ।
(৩) الْإِيْمَانُ بِالْكُتُبِ - আসমানী কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা ।
(৪) الْإِيْمَانُ بِالرُّسُلِ - নাবী-রাসূলগণের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা।
(৫) الْإِيْمَانُ بِالْيَوْমِ الْآخِرِ - আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা ।
(৬) اَلْإِيْمَانُ بِالْقَدْرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ - তাকদীর বা ভাগ্যের ভাল-মন্দের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা।
টিকাঃ
শিক্ষক ছাত্রদের আরবী বাক্যগুলো সহজভাবে পড়াবেন ও বুঝাবেন।
📄 ৩য় পাঠ– আল কুরআনুল কারীম
আল-কুরআন আল্লাহ তা'আলার বাণী, এতে কোনই সন্দেহ নেই।
আল-কুরআন আল্লাহর পক্ষ হতে জিবরাঈল (আলায়হিস সালাম)-এর মাধ্যমে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর নাযিল হয়।
আল-কুরআন মানুষকে সঠিক পথ দেখায়।
আল-কুরআন মানুষকে জান্নাতের পথ দেখায়।
আল কুরআন আমরা পড়ব, শুনব ও 'আমল করব।
আল-কুরআনের আলোকে আমরা জীবন গড়ব।
আমরা ছড়ায় বলি-
আল্লাহর বাণী আল-কুরআন
সবের সেরা সুমহান
তাওরাত, যাবুর, ইনজীল
কুরআনের আগে হয় নাযিল।
টিকাঃ
শিক্ষক বিভিন্ন উপমার মাধ্যমে ছাত্রদেরকে কুরআন পড়া, বুঝা ও মানার প্রতি উৎসাহিত করবেন।
📄 ৪র্থ পাঠ– আল হাদীস
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কথা, কাজ, ও মৌন সম্মতিকে হাদীস বলা হয়।
আমরা কুরআন ও হাদীসের আলোকে জীবন গড়ব।
আমরা কুরআন ও হাদীস শিক্ষা করব।
আমরা কুরআন ও হাদীস মেনে চলব।
প্রসিদ্ধ হাদীসের কিতাব ৬ খানা :
(১) সহীহুল বুখারী
(২) সহীহ মুসলিম
(৩) জামে তিরমিযী
(৪) সুনান আবূ দাউদ
(৫) সুনান নাসাঈ
(৬) সুনান ইবনু মাজাহ।
টিকাঃ
শিক্ষক ছাত্রদের নির্দেশনা দিবেন- ইমাম, মুর্শেদ ও বাপদাদা সকলের ঊর্ধ্বে কুরআন ও হাদীস প্রাধান্য দিতে হবে এবং সব কিছু ছেড়ে কুরআন ও হাদীস মেনে চলতে হবে!
📄 ৫ম পাঠ– নাবী ও রাসূল
আল্লাহ তা'আলা মানব জাতিকে সঠিক পথ প্রদর্শনের জন্য যুগে যুগে যে সকল প্রিয় বান্দাকে নির্বাচন করে প্রেরণ করেছেন, তারাই হলেন নাবী ও রাসূল।
তাঁরা মানুষকে আল্লাহর তাওহীদ বা একত্ববাদের প্রতি আহ্বান করেন এবং আল্লাহর সাথে শরীক করা হতে বিরত থাকতে বলেন।
সর্বপ্রথম নাবী আদম (আলায়হিস্ সালাম)।
সর্বপ্রথম রাসূল নূহ (আলায়হিস্ সালাম)।
সর্বশেষ নাবী ও রাসূল আমাদের প্রিয় নাবী মুহাম্মাদ (ﷺ)।
তাঁর পরে আর কোন নাবী বা রাসূলের আগমন হবে না, আমরা সকল নাবী ও রাসূলকে বিশ্বাস করব এবং তাঁদের ওপর দরূদ পেশ করব। আর শেষ নাবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর অনুসরণ করে আল্লাহর দীন মেনে চলব।
টিকাঃ
শিক্ষক ছাত্রদেরকে নাবী ও রাসূলদের প্রতি আকৃষ্ট করে তুলবেন- এই মর্মে কুরআন ও সুন্নাহর বিশুদ্ধ ঘটনাবলী শিক্ষা দিবেন এবং তাঁদের অনুসরণের প্রতি আগ্রহী করে তুলবেন।